নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পঃ নামের বিড়ম্বনা

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:০২



মফস্বল শহরের রাত তিনটা মানে কবরের নিস্তব্ধতা।

এ'সময়ে রাস্তাঘাটে যেখানে একটা নেড়িকুত্তার দেখা পাওয়াও ভার; সে'সময়ে একটা বাড়ি মোটামুটি সরগরম। একটু আগে সেখানে এক নবজাতকের সুতীব্র চিৎকার আর কান্নার শব্দ, তার একটু পরেই আজানের ধ্বনি; পাড়া-প্রতিবেশীদের বুঝতে কষ্ট হয়নি, ঘটনাটা কি! অতি ঘনিষ্ঠ দু'একজন এতোরাতেও এসে হাজির হয়েছে শুভেচ্ছা জানাতে, আর এরাই মন্ডলবাড়ির উঠানে একটা অসময়ের আড্ডায় মেতে উঠেছে। আড্ডার মাঝেই হঠাৎ ভিতর থেকে চিল-চিৎকার ভেসে এলো, ওই বদইর‌্যা, ছেড়ার নাম ঠিক করছোস নি?

যাকে উদ্দেশ্য করে এই চিৎকার; সে হলো বদরউদ্দিন মন্ডল, সদ্যজাত পুত্রের গর্বিত পিতা। আর যিনি চিৎকার দিলেন, তিনি হলেন বদরউদ্দিন মন্ডলের মা জননী। পাড়ার লোকজন উনাকে 'হিটলার বুড়ি' হিসাবেই চিনে। কথিত আছে, উনার স্বভাবের কারনে বাসার সামনে কুকুর-বিড়াল, কিংবা উপর দিয়ে কাক-পক্ষীও নাকি এই বাড়ির কাছ ঘেষে না। এহেন মহিলা গত পরশুদিনও বদরউদ্দিন মন্ডলকে রাতে উঠানে বসে বলেছেন, হুন বদইর‌্যা, তোর বউ যদি এইবারও মাইয়া বিয়ায়, আমি কিন্তু তরে আবার বিয়া করামু। পর পর চাইরখান মাইয়া পয়দা করছে…...এমুন অলুক্ষুইন্যা একটা বউ দিছে আল্লায়! বংশের বাত্তি জ্বালাইবো কে…….কিছু ভাবোস, নাহি খালি গায়ে বাতাস লাগায়া ঘুইরা বেড়াস? বলদ কুনহানকার!

বদরউদ্দিন মন্ডল এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করে দিয়েছিল মায়ের কথা। দ্বিতীয় মেয়ে হওয়ার পর থেকেই দিন-রাত মায়ের কাছ থেকে এটা শুনে আসছে সে। আরেকটা বিয়ে করার কথা চিন্তাই করে না বউ অন্তঃপ্রাণ স্বামী, বদরউদ্দিন। বরং সন্তান জন্ম দিতে দিতে নেতিয়ে পড়া বউকে সে আশ্বাস দিয়ে রেখেছে, মেয়ে কিংবা ছেলে যাই হোক…….এবারই শেষ!

বদরউদ্দিন অবশ্য ছেলে কিংবা মেয়ে যাই হোক, নাম আগেই ঠিক করে রেখেছিল। ছেলে হলে আনন্দের সীমা থাকবে না, তাই একটা বড়সড় নাম ঠিক করাই আছে…….আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাখরুল আলম। ডাকনাম রাখার চল এদের বংশে নাই। আসল নামেরই একটা অংশ ধরে ডাকা হয়। ছেলের দাদী অবশ্য নাম শুনে প্রতিবাদ করে বলেছে, এইডা কেমুন নাম! নামে বংশ পরিচয় থাকবো না! বদরউদ্দিন কান দেয়নি। মন্ডল পদবীটা এমনিতেই তার পছন্দ না। তার উপরে ছেলের নাম আরো লম্বা হয়ে দাড়াবে আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাখরুল আলম মন্ডল; কোন মানে হয়? আকীকার সময় হুজুর নাম ‍শুনে বললেন, মাশাআল্লাহ, বড়ই সুন্দর নাম…..খুবই ওজনদার! কিন্তু যার এই নাম, সে ভবিষ্যতে এই ওজন কতোটা বইতে পারবে, এটা কেউই তখন ভাবলো না!!

সে যাকগে। ছেলে হওয়ার পর তার ব্যবসা ফুলে ফেপে বিশাল আকার ধারন করলো। চার মেয়ের পর এক ছেলে, তার উপরে ব্যবসায় এই উন্নতি…...পয়া ছেলেকে মাথায় তুলে রাখার জন্য যথেষ্ট। ধনী হওয়ার সুবাদে মফস্বলের পাট চুকিয়ে বদরউদ্দিন ঢাকায় স্থায়ী নিবাস গড়ে তুললো। সময়ের সাথে সাথে ছেলেও এখন বড় হয়ে কলেজে পড়ে। সবার অতি আদরের কারনে ছেলেও হয়েছে কেমন যেন পুতু পুতু স্বভাবের, মেন্দামারা। দাদী তার আদরের নাতিকে সবসময় পুরো নাম ধরেই ডাকেন, আর নাতি তাতে যথেষ্টই বিরক্ত। বাবাকে অনেকবারই বলেছে, নামটা কেটেকুটে একটু ছোট করা যায় কিনা! ছেলের কোন কথাই না ফেলা বদরউদ্দিন এই কথাটা মানতে পারে নাই। বড়ই শখ করে রাখা একটা নাম! বরং ছোটবেলা থেকেই ওকে শেখানো হয়েছে, কেউ নাম জিজ্ঞেস করলে পুরা নাম বলাটাই আদব। এদিকে এখন আদব রাখতে গিয়ে এই লম্বা নাম নিয়ে প্রায়শঃই বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাখরুল আলমকে।

কলেজে পড়ার সময়েই পাড়ার সবচেয়ে ত্যাদর মেয়ের প্রেমে পড়ে গেল বেচারা। বন্ধুদের সহযোগিতায় মেয়ের সাথে প্রথম দেখা করার একটা ব্যবস্থা হয়ে গেল। মেয়ের প্রথম প্রশ্ন, আপনের নাম যেন কি? নাম বলতেই মেয়ে বলে উঠলো, উহু, এতো বড় নাম পোষাবে না। আপনের আবুল বাশার মোহাম্মদকে সংক্ষেপ করেন…..হবে, এবিএম ফাখরুল আলম। শুনে একটা তেলতেলে হাসি দিয়ে ও বললো, তুমি যা বলো, তাই হবে। মেয়ে আদেশের সুরে বললো, ঠিকাছে…….কাল সকাল ঠিক ১০টার সময় আমার স্কুলের গেটে আসবেন। হাস্নাহেনা ফুল আমার খুবই প্রিয়। এর একটা মালা নিয়া আসবেন। তথাস্ত, বলে এবিএম ফাখরুল আলমের প্রস্থান। এদিকে ও পড়লো বিপদে। জীবনে গোলাপ, জবা আর হালের 'লাল গেন্দা ফুল' ছাড়া আর কোন ফুলই ও চিনে না। পাড়ায় ওর সবচেয়ে প্রিয় বড়ভাই আবু হেনা মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ব্রাকেটে পলাশের (উনিও বিশাল নাম নিয়ে বিব্রত থাকায় সমব্যাথী হিসাবে দু'জনের সখ্যতা বেশী) শরনাপন্ন হলো ও। ভাবলো, নামে যেহেতু হেনা আছে, উনিই এই ফুলের হদিস দিতে পারবেন। কিন্তু দেখা গেল, ফুলের ব্যাপারে ওনার জ্ঞানও গোলাপ, জবা পর্যন্তই, এমনকি লাল গেন্দা ফুলও চিনেন না উনি!!

কি আর করা। শাহবাগের এক ফুলের দোকানদারের পরামর্শে রজনীগন্ধা ফুলের মালা নিয়ে যথাসময়ে যথাস্থানে হাজির হলো ও।

মেয়ে রজনীগন্ধার মালা দেখে বললো, আমি আগেই জানতাম, আপনেরে দিয়া এই কাজ হবে না। আর শোনেন, আমি সারারাত চিন্তা করলাম একটা জিনিস!

কি সেটা? অত্যন্ত সাগ্রহে দু'পা এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলো ও।

এবিএম এ কি হয় জানেন তো!

হ্যা, আবুল বাশার মোহাম্মদ……..

না না। এইটার মানে এন্টি ব্যালাস্টিক মিসাইল! একটা মিসাইলের সাথে আমি সারাজীবন ঘর-সংসার করতে পারবো না!! হি হি হি…….

এই অপমানের পর ওর প্রেম-চেষ্টার ওখানেই সলিল সমাধি ঘটলো। লাভের মধ্যে লাভ হলো, সমস্ত পাড়ার মানুষ কি একটা বিশেষ কারনে এর পর থেকে আড়ালে-আবডালে, ক্ষেত্রবিশেষে সামনাসামনিই, ওকে মিসাইল ডাকা শুরু করে দিল!

বিদেশে পড়তে যাওয়ার খুবই শখ ছিল ওর। একজন মিডিওকার ছাত্র হলেও চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখলো না। কিন্তু ফর্ম ফিলআপ করতে গিয়ে পড়লো বিপদে। Surname এ আলম দিয়ে পার পেলেও First Name আর Middle Name কি হবে এটা নিয়ে ওর মনে আধার ঘনিয়ে এলো। 'আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাখরুল' এর কোন অংশ First Name আর কোন অংশটা Middle Name ঠিক করতে না পেরে শেষে দিশামিশা না পেয়ে First Name এ এবিএম আর Middle Name এ ফাখরুল দিয়ে দিল।

যথাসময়ে ডাক পড়লো ভিসা ইন্টারভিউয়ের জন্য। ভিসা অফিসার এপ্লিকেশান ফর্মে চোখ রেখে বললো, ইয়োর নেইম ইজ এবিএম ফাক্…..তারপর একটু পজ দিয়ে কাধ ঝাকিয়ে মুচকি হাসি দিয়ে বললো, হোয়াটএভার! এবিএম তো মনে হচ্ছে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে…...এটার মানে আমরা একটাই বুঝি! তোমার ব্যাখ্যা টা কি দয়া করে বলবে? বদের বদ ব্যাটা যে কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে বুঝতে আর বাকী রইলো না আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাখরুল আলমের। নামের কারনেই হোক আর অন্য যে কোনও কারনেই হোক, বিদেশে আর যাওয়া হলো না ওর।

ভাবলো, যথেষ্ট হয়েছে। পড়ালেখার ইতি ঘটিয়ে বাবার ব্যবসাতেই ঢুকে পড়লো যথাসময়ে। এবং যথাসময়ে বিয়ের আসরে বর হিসাবেও দেখা গেল ওকে। কাজী সাহেব যথারীতি এলেন কবুল পড়াতে। বললেন, বলুন…...আমি আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাখরুল আলম; তারপর একটু থেমে, ছোট্ট একটা কাশি দিয়ে রসিকতার সুরে বললেন, আবুল বাশার আর মোহাম্মদ ফাখরুল আলম…...পাত্র কি দুইজন? বিশাল এক হাসির হুল্লোড় পড়ে গেল সমস্ত আসর জুড়ে; আর অক্ষম আক্রোশে ভিতরে ভিতরে ফুসতে থাকলো বেচারা ভিক্টিম!!!

---------------------------------------------------

আরো বছর চারেক পরের কথা। স্কয়ার হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে বসে বসে এতোক্ষণ নিজের জীবনের এসব নাম-সংক্রান্ত বিব্রতকর খন্ডাংশের কথাই ভাবছিল আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাখরুল আলম। একটু আগেই ডাক্তার এসে সুসংবাদ দিয়ে গিয়েছেন……..ছেলে এবং ছেলের মা, দু'জনেই সুস্থ আছে। ছেলে হবে, আগেই জানতো সে। নিজের অতীত দুরবস্থার কথা চিন্তা করে ছেলের নাম আগে থেকেই মনে মনে ঠিক করে রেখেছে।

নিজের সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তিত্ব বাবার নাম, আর নিজের নামের শেষাংশ মিলিয়ে ছেলের নাম রেখেছে বদরুল আলম। শুধুই……..বদরুল আলম!



'নামের বিড়ম্বনা' এর উপরে একটা কায়দামতো ছবির জন্য অনেকক্ষণ গুগলাইলাম। দেইখা শুইনা মনে হইলো, নামের বিড়ম্বনা নিয়া এমন যুৎসই ছবি আর হইতে পারে না। তাই এইটারেই সিলেক্ট করলাম!! =p~

মন্তব্য ৫১ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৫১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:১০

ইসিয়াক বলেছেন: অহন কামলা খাটতে যামু ,পরে আইতাছি ..।
ভালো থাইকেন। :P

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কন কি? আপনে কোন ক্যাটাগরীর কামলা? ঘন্টাপ্রতি রেট কতো? বিস্তারিত জাইন্যা রাখি। ভবিষ্যতে কামে দিতে পারে!! B-)

২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হা হা হা
বিড়ম্বনটাই বটে........
এবিএম এর সেকি ব্যাখ্যা ;) =p~
ভিসা অফিসারওতো চিজ একখান B-)

নামের করাণে প্রেম হইলনা, বিদেশ হইলনা... আহা

ইরাম যুৎসই ছবি আমাদের এনআইডি সেবার যুৎসই বাস্তবতার প্রমানই বটে!

+++++

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হ......নামের কারনে হের কিছুই হয় নাইক্কা। হের লাইগাই নিজের পোলার নাম ছুডু কইরা রাখছে।

ছবিডা দারুন হইছে......কি কন! আপনে মনে লয় কিছু একটা মিস করছেন!!! :P

৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৪৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
গল্প আর ছবিটা দুজনে দুজনার,
মিলে মিশে দুটাই হয়েছে একাকার।
এমন যুগল বন্দি! চক্ষৃ নাহি সরাবার,
তাইতো আনমনে দেখি তা বার বার।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এমনেই কবিতা ভয় পাই, তার মধ্যে আবার এমন শব্দ, যেমন.....চক্ষৃ, ব্যবহার করেন যার মানে জানিনা। :(

গল্প পড়ে ইন্সট্যান্ট কবিতা লেখার জন্য শুকরিয়া। :)

৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: গল্প ভালো হয়েছে।
দুইবার আমি নাম নিয়ে বিরাট বিপরেছিলাম।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কেন......আপনাকে ঢাকাই ছবির ভিলেইন রাজীব মনে করে গনপিটুনি দিতে চেয়েছিল!! B-)

৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৫৪

ইসিয়াক বলেছেন: প্রিয় ভুয়া মফিজ ভাই এইডা কি আপনের জেবন কাহিনী :P
যদিও ফেসবুকে আপনের নাম দেখছি বুয়া মফিজ [Bhua Mofiz] যাউক গা আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাকরুল আলম কি আপনের আসল নাম ? আমার কেমন জানি সন্দেহ হইতাছে :( তয় হিটলার বুড়ি সব পরিবারেই আছে।
#গল্প তো ব্যপক হইছে। ভালা লাগছে বুয়া মফিজ ভাই ওহ স্যরি ভুয়া মফিজ ভাই।
# আমি টিউশনির কামলা খাটতে গেছিলাম। করোনা ঝড়ে সব শেষ এই একটাই টিউশনি আছে :(

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রিয় ভুয়া মফিজ ভাই এইডা কি আপনের জেবন কাহিনী :P হ.......ব্লগে আমি যা লেহি ব্যাকডি আমার জেবন কাহিনী। হইছে! ভবিষ্যতে আর জিগায়েন না। :-B

আমি টিউশনির কামলা খাটতে গেছিলাম। করোনা ঝড়ে সব শেষ এই একটাই টিউশনি আছে :( দুঃখ কইরেন না, ঝড় থামলেই আবার হবে।

গল্প ভালো লাগানোর জন্য ধইন্যা। :)

৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:০৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: যাক অবশেষে স্বস্তি পেলাম। পড়তে পড়তে ভাবছিলাম যেভাবে রজনীগন্ধা নিয়ে প্রেমের সমাধি ঘটল, সেই ভাবেই পাসপোর্ট অফিসে নাম মিসাইল ওয়েদার আলো পরে কিনা বিয়ের আসরেও একইভাবে বিয়েটা না শেষ পর্যন্ত ভেস্তে না যায়। সব ভালো যার শেষ ভালো, অবশেষে নিজের নবজাতক পুত্রের ক্ষেত্রে অবশ্য ঐ বিভ্রাট আর ঘটেনি। এবার একটু অফটপিক বলি:-এটা কি আমাদের প্রিয় কোনো ব্লগারের? হেহেহে.... শুভেচ্ছাবার্তা যথাস্থানে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করছি।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এটা কি আমাদের প্রিয় কোনো ব্লগারের? হেহেহে.... হইলে হইতেও পারে; তয় আপনার প্রিয় ব্লগার কোনটা আমি ক্যামনে জানুম? হেহেহে.... B-)

সব কি আর খারাপ হয় কারো জীবনে? কিছু কিছু খারাপ হয়। সব তো আর ঠেকানো যায় না....কি বলেন! :)

৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:০৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বেঁচে থাকা কষ্ট । পিউর ভালোবাসার গল্প চাই।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দেখি, আপনার জন্য একখান লেখতে পারি কিনা! :)

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:০৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপাততঃ আপনাকে একটা পিউর ভালোবাসার গল্পের লিঙ্ক দিলাম।
এইটা পড়েনএকটি সহজ সরল জীবনের গল্প

৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:১৬

যাযাবর চখা বলেছেন: মজার গল্প।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। :)

৯| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৩১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
খুবই সুন্দর আর ভালো লাগছে আপনার লেখা।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। :)

১০| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৩৯

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: হাহাহাহাহাহা =p~
অনেক হাসির ছিলো গল্পটি। আমারো নিজের পারিবারিক খান পদবী ভালো লাগে না। নতুন একটা পদবী বের করবো ভাবছি B-)

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: নতুন একটা পদবী বের করবো ভাবছি B-) আমার সাহায্য লাগলে আওয়াজ দিয়েন। ;)

এই করোনা দুঃখের সময় এটা একটা হাসির গল্প লেখার অপচেষ্টা। হাসতে দেখে ভালো লাগলো। :)

১১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৪৮

করুণাধারা বলেছেন: পরিচয়পত্র দেখে হাসতে হাসতে শেষ। এইটা যিনি বহন করেন তাকে কতপ্রকার পরিহাসের শিকার হতে হয় কে জানে!!!

গল্পটা দারুন, তরতরিয়ে এগিয়ে গেছে। আমার এক সহপাঠীর নাম ছিল সৈয়দ শাহ রুহুল্লা বন্দেগী মোহাম্মদ (কোনোকিছু) হোসেন। আমরা ডাকতাম বন্দেগী বলে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বাবা-মা শখ করে বিশাল বিশাল নাম রাখেন সন্তানদের। উনারা বোঝেন না, এই নাম তাদের জন্য পরিহাসের বিষয় হয়ে দাড়ায় একটা সময়। নামের বিকৃতিও ঘটে......সেসবের চাপ সবাই নিতে পারে না। নাম হওয়া উচিত ''ডাক ফ্রেন্ডলি'', অর্থাৎ যে নামে ডাকতে অসুবিধা না হয়!

ছবিটা আসলেই মজার। এমন অনেক মজার মজার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটিয়ে প্রশাসন আমাদেরকে বিনোদন দেয়। বর্তমানে এটা তাদের একটা দায়িত্বও হয়ে দাড়িয়েছে বটে, জাতির জন্য জোকারের ভুমিকা পালন করা!! :)

১২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:১৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
চক্ষৃ ছেলো বইল্লাই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রখানা
দেখার সৌভাগ্য হইলো। নইলে আপনিতো জাতির
লোক চক্ষুর অন্তরালেই থাইক্কা যাইতেন!!

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:২৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হে হে হে.......বুঝতে পারছি নুরু ভাই।
ভাবতাছি, বাংলা একাডেমির ডিকশনারীর নেক্সট ভার্সানে শব্দটা যুক্ত কইরা দিবো, অবশ্যই আপনের যদি কোন আপত্তি না থাকে। :P

১৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: ভিলেন নয়। আমি সব সময় নায়কই হতে চেয়েছিলাম।

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৫৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনি নায়ক হতে চাইতেই পারেন, তবে নাম নিয়ে বিপদে যখন পড়েছেন.......তখন আর কি কারন থাকতে পারে? B-)

১৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:২১

শের শায়রী বলেছেন: হুনছি বড় বড় লেখকরা নিজেদের জীবন কাহিনীর সাথে কিছু মাল মশলা মিলাইয়া গল্প টল্প লেখ। ফাখরুলের বিয়ের আগ পর্যন্ত লেখায় খুব বেশী বাস্তবের প্রতিফলন আমাকে এই গল্পকে জীবন ঘনিষ্ঠ গল্প হিসাবে উল্লেখ্য করতেই বেশী উৎসাহী করছে..... ( মানে পত্রিকায় ছোট গল্পের আলোচনা লিখতে গেলে এভাবেই শুরু হয়)

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৩:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যা হুনছেন ওইটা বড় বড় লেখকদের ব্যাপার স্যাপার, আমার মতো চুনোপুটিরে মিলাইলে তো হবে না। আপনে যা মিলানোর চেষ্টা করতাছেন, তার কোন মানে নাই.......বিষয়টা আপনেরে কনফার্ম করলাম! ;)

১৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৯

জুন বলেছেন: আমাদের ঢাকা ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসির নামটিও অনেক অনেক লম্বা। অনেক আগে একটা বিয়ের দাওয়াত পেয়েছিলাম, তাতে পাত্রের নামই তিন লাইন জুড়ে ছিল =p~
লেখা ভালো লাগলো।
+

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: লম্বা নামওয়ালা মানুষ তো আপা অনেকই আছে। তবে আমি ভাবি, এদেরকে বিভিন্ন সময়ে কতো রকমের সমস্যায়ই না পড়তে হয়!

ওই পাত্রের জন্য দুঃখ বোধ করতাছি। আপনের আসল নাম নিশ্চয়ই সহ্যসীমার মধ্যে আছে! থাকলে ভালো, না থাকলে আপনের জন্যও সমবেদনা। :P

১৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০০

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহা..... ইসিয়াকের মন্তব্যে সুপার লাইক! =p~ =p~

গল্পে সুপার লাইক। তবে সে বাইচাঁ গেছে বিদেশ না আইসা। কারন এতো বড় নাম নিয়া এর চাইতে বেশী প্যারেশানিতে পড়তে হইতো....। এখানে নামের সব ঘরে শুধু ফার্স্ট আর লাস্ট নেইম আর অনলি ১১ ক্যারেকটার সর্বোচ্চ।

যাক কুমীরের তাইলে আড়মোড়া ভাঙ্গছে।

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: গল্পে সুপার লাইক দিছেন, ঠিক আছে। কিন্তু ইসিয়াক কি সুপার লাইক দেওনের মতো কোন মন্তব্য করছে? কি জানি.....আমার তো নজরে পড়লো না! :P

হ.....ঠিকই কইছেন। বিদেশে আইলে নাম সংক্ষেপ করা ছাড়া কোন উপায় আছিল না মনে লয়। তয় যারা আসে, তারা এত্তো বিশাল বিশাল নামগুলি পাসপোর্টে ক্যামনে ঢুকায়, এইটা আমার কাছে খুবি আশ্চর্য লাগে।

বৃটিশ কুমীরের আড়মোড়া তো আগেই ভাঙছে......কানাডিয়ান কুমীর তো আড়মোড়া এহনও দিতেই আছে......দিতেই আছে, কবে ভাঙ্গবো আল্লাহ মালুম!!! =p~

১৭| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৩:১৮

ওমেরা বলেছেন: গল্প পড়েছি, ভালই লিখেছেন ,হাসির ছিল কিন্ত ছবি খানার চিন্তায় আমি ভীষন চিন্তিত !
আচ্ছা বলেন তো ——- ছবিটা ভুল নাকি নামটা ভুল ?
নাকি মহিলার নামই , মুহাম্মদ খোকন ?
আমার তো আজকে রাতে ঘুমই হবে না এই টেনশনে ।

আপনাকে তো আমি ধন্যবাদ দিবই না আরো জরিমানা আপনার প্রাপ্য ।

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৩:২৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার তো আজকে রাতে ঘুমই হবে না এই টেনশনে । শুধুমাত্র এই কারনে প্রোটোকল ভেঙ্গে আপনার মন্তব্যের উত্তর আগে দিচ্ছি। :)

ছবিটা ভুল নাকি নামটা ভুল ? যে কোনও একটা ভুল। কোনটা.....? সেটা কর্তৃপক্ষই ভালো বলতে পারবে। তবে মহিলার নাম মুহাম্মদ খোকন হওয়ার কোনই চান্স নাই।

ছবি খানার চিন্তায় আমি ভীষন চিন্তিত ! এসব ছোটখাটো ব্যাপার নিয়ে ভীষণ চিন্তিত হওয়া ঠিক না। হার্টের ক্ষতি হতে পারে!!! :P

১৮| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৩:৪৭

ওমেরা বলেছেন: এই একটা ধন্যবাদ আপনাকে দিতেই হবে আমার জন্য প্রোটোকল ভাংগার জন্য।
আলহামদুল্লিলাহ! আমার হার্ট খুব ভালো তবে সত্যি এটা আমার ব্রেনে না না রকম প্রশ্ল আসছে, একজন মহিলার নাম মুঃ খোকন হতেই পারেনা। এটা ভুল, তাহলে কে করেছে ভুল ঐ মহিলা নাকি যারা পরিচয় পত্র বানিয়েছে তারা ? এরকম ভুল কি ভাবে হয় ?
আচ্ছা , মহিলার নাম কি মুছাঃ খোকন হতে পারে ? এই ধরনের নানা প্রশ্ন আমার মাথায় গিজ গিজ করছে ।

আরো একবার ধন্যবাদ দিয়ে গেলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া।

০১ লা মে, ২০২০ রাত ১২:১৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনি যদি এই ন্যাশনাল আইডি'র প্রসেসটা দেখেন, তাহলে বুঝবেন, ভুলটা কে করেছে।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সব ডাটা এন্ট্রি দেয়ার পরে একটা প্রিন্টআউট এ্যপ্লিকেন্টকে দেয় তথ্য চেক করে দেখে কোন ভুল না থাকলে সই করার জন্য। এটা একটা কনফার্মেশান। একই সময়েই ছবি তোলা হয় এবং বায়োমেট্রিক তথ্য নেয়া হয়। এখন আমার ধারনা বলি,

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ডাটা এন্ট্রি করেছে এই মহিলার; ছবি ঠিকই আছে.....কারন ছবির সাথে তথ্য ম্যাচ করানো হয়। তাছাড়া, এই মহিলাকে সেসময়ে যেহেতু স্বশরীরে উপস্থিত থাকতে হয়েছে, সেখানে জেন্ডারে ভুল হওয়ার কথা না। কিন্তু যে কারনেই হোক, প্রিন্ট আউট দিয়েছে মোঃ খোকনের (আপনি সরকারী অফিসের কোন ডেস্ক দেখে থাকলে পরিস্থিতি অনুমান করতে পারবেন)। মহিলা অশিক্ষিত হওয়ায়, কিংবা কেয়ারলেস হওয়ার কারনে তথ্য যাচাই না করেই সই করে দিয়েছে। ফলাফলঃ এই আই ডি কার্ড।

মহিলার নাম কোনভাবেই খোকন হওয়া সম্ভব না। নট ইভেন মোছাম্মৎ খোকন!! =p~

আশা করি, এবার আপনার কৌতুহল মিটেছে।

১৯| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৩৫

নীল আকাশ বলেছেন: ভুয়া মফিজ ভাই, এইডা হইলো আফনের এই ভুয়া নামের আসল কাহিনী? যাই হোক মনে বেশি দুস্ক রাইখেন না।
তয় পোলাদার নামের মিলিয়ায়া রাখলে বালা হইতো।
ফাখরুলের পোলা বাদরুল।
মজা পাইছি!

০১ লা মে, ২০২০ রাত ১২:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এইডা গল্প, আমার জেনুইন নামের আসল কাহিনী না, সুতরাং মনে দুস্ক রাখনের প্রশ্নই উঠে না। ;)

ফাখরুলের পোলা বাদরুল। আইডিয়া খারাপ না, তয় গল্প তো অহন লেইখাই ফালাইছি। পরেরবার ইয়াদ রাহুম নে আপনের কথা। গল্পের মইদ্দে মজা খুইজ্জা পাইছেন.....আপনেরে অভিনন্দন!! =p~

২০| ০১ লা মে, ২০২০ ভোর ৬:২১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ভুয়া মফিজ,
হাহাহা ---নাম বিড়ম্বনার গল্প পরে দুঃখিত হইয়াছি যথাযথ কারণে । এখানে আসার পর প্রথম প্রথম স্কুলে এক সময় আমার তিনটে নাম চালু হয়ে গেলো । নামের প্রথম অংশ যেটা দিয়ে সাধারণতো আমেরিকানরা সবাইকে সম্বোধন করে সেটা একটা । মিস্টার যোগ করে নামের শেষ অংশ নিয়ে কেউ কেউ ডেকে আমার দ্বিতীয় নাম দিয়ে দিলো, আর আমার নিক নেম যারা জানতো তারা সেই নামে ডেকে নামের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে দিলো । এই তিন নামের ডাকাডাকিতে কত দিন যে নিজেকে নাম পরিচয় লুকানো ডাকাত ডাকাত মনে হয়েছে তা বলতে গেলে মহাকাব্য লেখা লাগবে। তারপরেও ফটোর ভদ্রলোকের নামটা যেদিন দেখলাম সেদিন নাম নিয়ে আমার প্রবাসী যন্ত্রনা ভুলেছি সহজেই । আল্লাহ সবাইকে করোনা আর নামের যন্ত্রনা থেকে হেফাজত করুন ।

০১ লা মে, ২০২০ রাত ১১:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: একটা মহাকাব্য লিখেই ফেলেন না হয়! B-)

মানুষের কতো বিচিত্র শখ থাকে। এই পুলিশ অফিসারের মা-বাবা নিশ্চয়ই হিটলার-মুসোলিনির বিরাট ভক্ত ছিল। শখ ছিল, ছেলের নাম তাদের নামে রাখার। বলাই বাহুল্য, আজকের জমানায় ভদ্রলোককে এই নামের বোঝা নিয়ে অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে। :)

২১| ০১ লা মে, ২০২০ সকাল ১১:২০

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ছোটবেলায় আমার দাদার নামে নাম রাখা হয়।ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত সেই নাম ছিল।পরে সিক্সে উঠে নাম পরিবর্তন করা হয়।
কারন দাদার নামটা কেউ উচ্চারন করতে পারত না ঠিক মত।
গল্প ভাল লেগেছে।

০২ রা মে, ২০২০ রাত ১২:০৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার নানাবাড়িতে একটা ডাকনাম, দাদাবাড়িতে একটা ডাকনাম। যে বাড়ি যেই নাম, সে অনুযায়ীই আমাকে ডাকা হয়.....ভুলেও অন্য নামে না! B-)

নাম নিয়ে সারা দুনিয়াতেই বিভিন্ন রকমের বিভ্রাট আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। গল্প ভাল লেগেছে। থ্যাঙ্কু!! :)

২২| ০২ রা মে, ২০২০ রাত ১২:২৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এমন আই ডি কার্ড কেবল এ দেশেই সম্ভব । কাড়ন আম্রা সব সম্ভবের দেশে B-))
বিভ্রাটের গল্পে ভালোলাগা।

০২ রা মে, ২০২০ ভোর ৬:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: চলেন, আমরা সবাই শ্লোগান দেই.........সব সম্ভবের দেশ; বাংলাদেশ, বাংলাদেশ!!! :P

আপনের ভালো লাগাতে আমি খুশী! আপনে কি আর পোষ্ট দিবেন না ঠিক করছেন?

২৩| ০৩ রা মে, ২০২০ রাত ১২:০৪

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: ভুয়া ভাই আপনারে গেন্জামের থ্রেডটা ধরায় দেই

শের ভাইয়ের লাস্ট পোস্টের কমেন্ট

চাঁদগাজীর লাস্ট পোস্টের কমেন্ট
আমার দুঃখ নাই কোনো, সাইবার বুলিং এর শিকার হইতেছি আর কিছু না। চুপ থাকা ভালো :|

০৩ রা মে, ২০২০ সকাল ১০:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দেখলাম। এগুলি কোন ব্যাপার না। ইগনোর করেন। :)

সাইবার বুলিং এর শিকার হইতেছি এটা খুবই খারাপ একটা ব্যাপার। তবে, উত্তর দিতে কৌশলী হতে হবে; এটাই তো ব্লগিংয়ের মজা! জবাব দিতে হবে জবাবের মতো, দাত ভাঙ্গা। আমতা আমতা করলে হবে না। নোংরামির জবাব যদি মধুর ভাষায় দেন তাহলে সমস্যা। সবাই সব কিছু বুঝতে পারে না। যে যেই ভাষা বোঝে, তার সাথে সেই ভাষায় কথা বলতে হবে। একজন ইংলিশের সাথে যদি আমি সিলোটী মাত মাতি, তাহলে কি হবে!!! =p~

আরো অনেক কিছু বলা যায়.....তবে খোলা ময়দানে মন খুলে কি আর সব কথা বলা যায়? :P

২৪| ০৩ রা মে, ২০২০ রাত ১২:০৯

কাছের-মানুষ বলেছেন: নাম বিড়ম্বনা নিয়ে দারুন গল্প লিখেছেন। যাক শেষ ভাল যার সব ভাল তার।

মজা পেলাম। ++

০৩ রা মে, ২০২০ সকাল ১১:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে মজা দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। :)

২৫| ২০ শে মে, ২০২০ সকাল ১০:৩৪

কল্পদ্রুম বলেছেন: মজার গল্প।আমার নামটাও বড় হওয়ার কারণে দাপ্তরিক কাগজপত্রে কাটছাট করে ব্যবহার করতে হয়।আবার বাংলা নাম একরকম।ইংরেজি বানানে উচ্চারণ হয় ভিন্নরকম।ঝামেলা!

২১ শে মে, ২০২০ রাত ১:০৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আসলে বাবা-মা'দের সন্তানদের নামের ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। তাহলে ভবিষ্যতে অনেক রকমের ঝামেলা এড়ানো যায়। এই যে দেখেন, আবুল বাশার মোহাম্মদ ফাখরুল আলম তার ছেলের নাম রাখলো, বদরুল আলম। একে ভবিষ্যতে এর বন্ধুরা যে সংক্ষেপে 'বদ' ডাকবে না, তার কি কোন নিশ্চয়তা আছে? :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.