| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কোনো মামলায় যদি কোনো ব্যাক্তির নাম চার্জশীট থেকে বাদ পরে সেক্ষেত্রে কি ঐ ব্যাক্তিকে আদালতে চার্জশীট বিষয়ে শুনানির দিন থাকতে হয়?? নাকি মামলার দায় থেকে যখন চার্জশীট থেকে বাদ পরেছে তখনই মুক্তি ঘটে???? একটু জানাবেন প্লীজ!
২|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৩৮
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: দ্বিতীয় প্যারার ৫ লাইনে হাজির থাকেন এর স্থলে হবে 'হাজির না থাকেন" তাহলে সমন জারী হবে।
৩|
০১ লা নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:০৫
ঘুমন্ত বাংলাদেশী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
যদি আগে জামিন নেয়া কিন্তু চার্জশীটে নাম নেই ঐ ব্যাক্তি প্রথম শুনানীর দিন হাজির না থাকতে পারে সেক্ষেত্রে কি কোনো সমস্যা হতে পারে?? পরবর্তী করনীয় কি হবে তখন??
৪|
০৩ রা নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:১৫
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: জামিন নিলে প্রতি তারিখে হাজির থাকা জামিনের শর্ত। হাজির না হলে শর্তভঙ্গ হবে। আদালত সে ক্ষেত্রে জামিন বাতিল করতে পারেন।
৫|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১:১১
ঘুমন্ত বাংলাদেশী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই!
৬|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১:২০
ঘুমন্ত বাংলাদেশী বলেছেন: আচ্ছা যদি চার্জশিটে নাম না থাকে তাহলে তো জামিন বাতিল হলেও কোনো প্রবলেম হওয়ার কথা না? নাকি??
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৩৫
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: চার্জশীট দাখিলের আগে যদি আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিয়ে থাকেন তাহলে চার্জশীট বিষয়ে শুনানীর দিন হাজির থাকতে হবে। কারণ পুলিশের সম্পূর্ণ চার্জশীট আদালত গ্রহণ করতে বাধ্য নয়। কাউকে চার্জশীট থেকে বাদ দেবার পর আদালত কাগজপত্র দেখে যৌক্তিক মনে করলে সরাসরি তাকেও আসামী হিসাবে বিবেচনা করতে পারেন। অথবা পুলিশকে এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারেন। অধিকতর তদন্তের পর সাক্ষ্য প্রমান পেলে তিনি আবার চার্জশীট ভুক্ত হতে পারেন। এছাড়া মামলার তথ্যদাতা(বাদী) যদি চার্জশীট বিষয়ে আপত্তি জানান তাহলেও অধিকতর তদন্ত হতে পারে।
আর যদি চার্জশীট দাখিলের আগে আদালত হতে জামিন না নিয়ে থাকেন তাহলে হাজির না হলে এর জন্য কোন সমস্যা হবে না। তবে অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে আসামী হবার সম্ভাবনা থাকে। বাদীর আপত্তির কারণে শুনানী শেষে আদালত যদি তাকে আসামী করেন এবং তিনি আদালতে হাজির থাকেন তাহলে তার নামে সমন জারী হবে। তখন তারিখের আগে বা তারিখের দিন হাজির হয়ে জামিন আবেদন করা যেতে পারে। আর আদালতে হাজির হলে/বা না হলে আদালত যদি চার্জশীট সম্পূর্ণ গ্রহণ করেন (বাদীর আপত্তি বিবেচনা শেষে) তাহলে মামলা থেকে তিনি পার পেয়ে যাবেন। এর পরও ঝুঁকি থাকে। বাদী যদি আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিভিশন দাখিল করেন এবং আদালত তা গ্রহণ করে তাহলে আগে যা উল্লেখ করলাম সে মতে আসামী হতে পারেন। রিভিশন খারিজ হলে আর ভয় থাকেনা।