নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বইসমূহঃ আকুতি(২০১৪), এবং গল্প (২০১৮) ফেসবুকঃ https://www.facebook.com/EndShuvo ওয়েবসাইটঃ https://endshuvo.blogspot.com

সালাহ উদ্দিন শুভ

সুশীল সমাজের রুচিহীন একজন প্রাণী

সালাহ উদ্দিন শুভ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ল্যান্ড অব অপরচুনিটি

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৪



বাংলাদেশ..
বলা হয়ে থাকে ল্যান্ড অব অপরচুনিটি।
গভর্নমেন্ট থেকে শুরু করে ইয়ুথ ফোরামগুলো সবাই আপনাকে উদ্যোক্তা হতে বলবে। আপনিও অনার্স পাস করে শুরু করবেন লাখ টাকা ইনভেষ্টে আপনার পদযাত্রা। অতঃপর আসল চেহারাটা টের পাবেন। সবাই আপনাকে পুশ করবে উদ্যোক্তা হতে, অথচ কোন ষ্ট্রাকচার নেই এ দেশে উদ্যোক্তাদের।

তারা বলে থাকেন উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে নাকি ইনভেষ্টর নিজে এসে আপনাকে ফান্ড দিবে। আশেপাশের উদ্যোক্তা ভাই-বোনদের একটু জিজ্ঞেস করে আসুনতো কথাটা কতটুকু সত্য!

এদেশে তরুন উদ্যোক্তারা জানেনা কিভাবে একটা বিজনেস প্লান বানাতে হয়, কিভাবে সোয়াট এনালাইসিস করতে হয়। কারন তাদেরকে এই শিক্ষাটা দেয়া হয়নি। অপরদিকে ইনভেষ্টররা নাকি ইনভেষ্ট করার মত জায়গা খুজে পাচ্ছেন না, পকেটে টাকা নিয়ে বসে আছেন, টাকা নাকি পচেও যাচ্ছে তবুও ভাল কোন উদ্যোগ পাচ্ছে না। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে এক্সপো করে, বিভিন্ন সংস্থাগুলো নানান ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বলি তাদের এই কোটি টাকা থেকে কয়েক লক্ষ টাকা দিয়ে এমন একটা প্লাটফর্ম কি করা যায় না উদ্যোক্তাদের জন্যে যার মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের ফান্ড অপরদিকে ইনভেষ্টরদের ইনভেষ্ট করার মত স্কোপ তৈরি হয়ে যায়!

উদ্যোক্তা...আহ, নামটা শুনতেই কতটা ভাল লাগে, প্রান জুড়িয়ে যায়। মানুষ ৮ ঘন্টা অফিস আর ৬ঘন্টা ঢাকার জ্যামে বসে পার করে ঘরে এসে মেজাজ খিটখিটে থাকার চেয়ে নিজের কাজ নিজে কিছু একটা করতে চায়, কিন্তু অই পর্যন্তই...

কারন বাংলাদেশ এমন একটা দেশ, যে দেশটা নাকি ল্যান্ড অব অপরচুনিটি। অথচ সে দেশটার কোন ষ্ট্রাকচারই নাই, কোন কাঠামোগত পদ্ধতি নাই। উদ্যোক্তা, উদ্যোক্তা...বুলশিট.....পিকাবুর মত ই-কমার্স নাকি ফান্ডের অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেখানে অনার্স পড়ুয়া সিএসই-বিবিএর স্বপ্নবাজরা স্বপ্ন দেখে উদ্যোক্তা হওয়ার।

হতে থাকুন...বাসায় আগেভাগে জানিয়ে রাখুন আগামী ৫-৭ বছর যেন আপনাকে টাকা-পয়সার জন্যে বিরক্ত না করে।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০১

করুণাধারা বলেছেন: কথাগুলো তেতো, কিন্তু উপকারী। ভালো লিখেছেন।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৩

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: ধন্যবাদ, সত্য কথা একটু তেতোই হয়।

২| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪১

হাবিব স্যার বলেছেন: মহা সত্য কথন

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১২

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭

নূর আলম হিরণ বলেছেন: বাংলাদেশের সরকার যদি মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের সরাসরি ফলোআপ করে ফান্ড দেয় তাহলে খুব বেশি সময় লাগবে না ল্যান্ড অব অপরচুনিটি কথাটা বাস্তব রূপ ধারণ করতে।
পোস্টের কথা গুলো সত্যি।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৬

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: গভরমেন্ট বা বিভিন্ন সংস্থাগুলো বাচ্চা ছেলেগুলোকে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে উধাও হয়ে যায়। চাকরির কথা ভুলে গিয়ে এইসব ছেলেরা গ্রাজুয়েশন শেষ করে অনেক বিপদের সম্মুখীন হয়। একদিকে অভিজ্ঞতা না থাকার কারনে চাকরী মিলে না, অন্যদিকে পর্যাপ্ত দিক নির্দেশনা এবং ফান্ডের অভাবে উদ্যোক্তাও হয়ে ওঠা হয়না। এই যায়গাটায় ল্যান্ড অব অপরচুনিটি হয়ে ওঠাটা জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা ছাড়া আর কিছুই না।

৪| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: হঠাৎ এতো ক্ষেপে গেলেন কেনো!
উদ্যোক্তা মানেই তো আপনি অন্যদের মত কেরানী না হয়ে আরো বেশি প্রেসার নিতে সক্ষম,
উদ্যোক্তা মানেই তো আপনি অন্যদের চেয়ে অনেক দুরের স্বপ্ন দেখতে চান..

তবে হ্যাঁ, বর্তমানে আমাদের দেশে যেমন উদ্যোক্ত হও, উদ্যোক্ত হও বলে একটা হাইপ তোলা হচ্ছে, আদতে উদ্যোক্ত হওয়ার আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট তৈরী হয়েছে কি না, সেটা ভেবে দেখার বিষয়।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: ক্ষেপে কেন যাবো না সেটা বলুন। উদ্যোক্তা মানে অন্যদের মত কেরানী না হয়ে আরো বেশি প্রেসার নিতে সক্ষম! এটা কে শেখাচ্ছে?? গভর্মেন্ট বা রিলেটেড অর্গানাইজেশনগুলোতো এটাকে এমনভাবে প্রমোট করছে যে উদ্যোক্তা হয়ে পানির চেয়েও সহজ। তারা অযথা এইসব ছেলেদের ক্যারিয়ারটাকে নষ্ট করছে কেন? নাই কোন প্রশিক্ষণ, বাদ দিলাম প্রশিক্ষণ, কোন সাধারণ জ্ঞানটুকুও শিক্ষা দেয়া হয়না অথচ ঘরে ঘরে উদ্যোক্তা বানিয়ে ফেলছেন তারা। যার ফলাফল প্রতি ঘরে ঘরে এখন আগুন জ্বলছে।

৫| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০০

সাইন বোর্ড বলেছেন: বাস্তব নিরীক্ষা, ভাল লিখেছেন ।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:১৬

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: ধন্যবাদ

৬| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

মোঃ খুরশীদ আলম বলেছেন: আর হতাশা নয়, এবার পজেটিভ কিছু লিখুন, সমাধানতো একটা বের করতে হবে। অন্তত আমাদের নিজেদের স্বার্থে। তবে, লেখাটা ভাল লাগলো খুব।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৭

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: একটা নেগেটিভ দেশে বসে পজিটিভ লেখাটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। হতাশায় ভুগতে থাকা মানুষদের পজিটিভের বার্তা দেয়ার অর্থ অন্ধ মানুষকে সৌন্দর্য্য দেখানোর মতই একটা মজা নেয়া। এছাড়া আর কিছুই না। আপনার কি মনে হয় এদেশের যাবতীয় সকল সমস্যা সমাধানের জন্য কোন মানুষ নেই? এদেশে এতই মুর্খদের বাস যে কেউ প্রবলেমগুলো সমাধান বের করতে পারছে না? যদি এটা ভেবে থাকেন তবে চোখ খুলুন। খুজে বের করুন সমাধান জেনে থাকা স্বত্বেও কেন প্রবলেমগুলো রয়ে গেছে, উত্তর পেয়ে যাবেন।

৭| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার লেখা আমার ভালো লাগে।
আপনার কথায় লজিক থাকে।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫৪

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: ধন্যবাদ রাজিব ভাই, অনুপ্রানিত হলাম। এটা অনেক বড় পাওয়া।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.