নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বইসমূহঃ আকুতি(২০১৪), এবং গল্প (২০১৮) ফেসবুকঃ https://www.facebook.com/EndShuvo ওয়েবসাইটঃ https://endshuvo.blogspot.com

সালাহ উদ্দিন শুভ

সুশীল সমাজের রুচিহীন একজন প্রাণী

সালাহ উদ্দিন শুভ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পিয়াজের দাম পানিতে নামানোর কৌশল

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২২



আমার এক বন্ধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করল। এখন থেকে সবাই পিয়াজ ব্যবহার বন্ধ করে দেয়া সম্পর্কে। দেখলাম অনেকেই অনেক রকমের মন্তব্য করেছেন তার পোষ্টে। ভেবে দেখলাম ব্যাপারটা মন্দ নয়। প্রতিবাদের এক অন্য মাধ্যম।

এই সময়ে এসে কেউই আর অন্ধ নয়, সবাই অন্ততপক্ষে কম-বেশি সিন্ডিকেট সম্পর্কে জানে। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার পিছনে এক শ্রেণীর সাধু মানুষদের হাতের ছোয়া আছে। ধর্ম যারা মানেন, তারা জানেন যে আল্লাহ খাদ্য এভাবে মজুদ করে রাখা কিংবা সিন্ডিকেট তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। এজন্যে হয়ত কোন একটা জাতিকে খাদ্যের অভাবে ভুগিয়েছেন এমন কোন একটা রেফারেন্স আছে তবে এই মুহুর্তে মনে নেই। যাই হোক, আমরা বাঙ্গালী মুসলিম, আমাগো এইসব আল্লাহর আদেশ নিষেধে তেমন কোন ফারাক পরে না, লুঙি মাথায় উঠে তখনই যখন কেউ ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করে।

এই সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হলে এদের ব্যবসায় আগে একটা জোরসে টান মারতে হবে। এমন জোরে টান মারতে হবে যেন লুঙি ছিড়ে যায়। একটু ভেবে দেখুন, ফখরুদ্দিনের সরকারের আমলে মানুষরে ভাতের বদলে আলু খাওয়াইছে। উনি জোর করে নাই, অনুরোধ করেছিল। সেই অনুরোধ রাখতেই অনেক মানুষ সত্যি সত্যি ভাতের বদলে আলু খেতো। এখন কথা হচ্ছে মানুষ তরকারীতে যদি পিয়াজ না খায়, খুব বেশি কি জঘন্য লাগবে রান্নাটা! হয়ত জঘন্য লাগতে পারে, তবে কিছুদিনের মধ্যে যে ঐ খাবারটাই আপনার রুটিনে পরিণত হয়ে যেতে পারে এ ব্যাপারে মোটামুটি নিশ্চিত আছি। তবে তার থেকেও বড় কথা হচ্ছে আপনার এই পিয়াজ স্যাক্রিফাইসের ফলে পিয়াজ সিন্ডিকেটকারীদের পিত্ত জ্বলে উঠবে। দেখবেন আপনা-আপনি পিয়াজের দাম পানিতে নেমে গেছে।

নাহ, সিন্ডিকেট মুক্ত করা এই বাংলায় খুব শীঘ্রই সম্ভব নয়। কারন এদের হাত অনেক দিকে থাকে, আবার অনেকের বিশেষ মদদও থাকে তাদের প্রতি। প্রথমত সরকারের অবহেলা বলুন বা পৃষ্ঠপোষকতায়ই বলুন, এই সিন্ডিকেট যুগে যুগে চলে এসেছে, চলবে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে আমরা বাঙ্গালী পাবলিক একটু বেঈমান টাইপের। আমাদের ঈমান নাই। মনে করেন ঠিকই সবাই একমত পোষণ করে পিয়াজ খাওয়া বন্ধ করে দিবে, এরমধ্যেও কিছু মীরজাফরকে দেখবেন লুকিয়ে লুকিয়ে পিয়াজ কিনতে আসতে যেন অল্প দামে পায়। এই দুই শ্রেণীকে বাদ দিয়ে বাকি মানুষগুলা যদি পিয়াজ খাওয়া বন্ধ করে, তবে দেখবে একমাসের মধ্যে পিয়াজের দাম পানিতে এসে নামবে।

সুতরাং আসুন, ফরুদ্দিনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে একসাথে বলি, "বেশি করে আপেল খান, পিয়াজের উপর চাপ কমান।"

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩২

হাবিব স্যার বলেছেন: পেয়াজ তো নিজেই লজ্জা পাবে

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১১

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: পেয়াজ লজ্জা পাবে না, পেয়াজের উপরের খোলসটা থাকলেও আসলে ও নিজেই ন্যাংটা। এসব ন্যাংটা মানুষ দেখতে ওরা অভ্যস্থ

২| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: হুম্ম ! মন্দ নয় ! শিত আসছে, পেয়াজের দর পানিতে নামিয়ে পানিটাকে উত্তপ্ত করা আরকি?

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪১

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: হ্যা তাও অবশ্য কথা। জনগনের বৃহৎ স্বার্থের কথা চিন্তা করেই হয়ত পানিকে উত্তপ্ত করার বাস্তবমুখী প্রকল্প ছিল এটা।

৩| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩০

সাইয়িদ রফিকুল হক বলেছেন: ভালোই বলেছেন।

কিন্তু পেঁয়াজ নিয়ে বড়সড় একটা গেম চলছে।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২০

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: সে যতবড় গেমই চলুক। আপনার সামনে অপশন দুটোই, হয়ত মেনে নিন, নয়ত ছেড়ে দিন। গেমচেঞ্জ করার উপায় নেই কোন।

৪| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আঙ্গুর ফল টক ই হলো।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫১

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: সমস্যাতো দেখছিনা B:-)

৫| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫০

মা.হাসান বলেছেন: দেশে পিঁয়াজের চাহিদা মাসে প্রায় দু লাখ টন, বছরে প্রায় ২৪ লাখ টন। এবছর উৎপাদন এবং ইমপোর্ট মিলিয়ে বাজারে এসেছে ৩০ লাখ টনের উপর পেয়াজ। পেঁয়াজ গেলো কোথায়? ৭৪এ বাজারে চাল ছিলো না, কিন্তু মজুতদারদের মজুদে চাল ঠিকই ছিল। বর্তমান সময়ের সঙ্গে পার্থক্য এই যে এখন বাজার থেকে পেঁয়াজ উধাও হয়ে যায়নি, বাজারেই আছে ; কিন্তু দাম বেড়ে গিয়েছে। প্রতি কেজিতে ১০০ টাকা করে অতিরিক্ত লাভ করলে মাসে দু লক্ষ টন পেঁয়াজ বিক্রি করলে এখান থেকে অতিরিক্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে দুই হাজার কোটি টাকা। আপনি পেঁয়াজ খাওয়া কমাতে বলবেন। ঠিক আছে। এরপর আর কি কি খাওয়া কমাতে হবে ? সিন্ডিকেট বাজ রা চাল ডাল আলু সবকিছুরই সিন্ডিকেট করে --একেক সময় একেকটা । এসব যাদের নিয়ন্ত্রণ করার কথা তারা আমাদেরকে বিভিন্ন 'বাণী' দেয় , সবই কপাল।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪৭

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: যারা এই সিন্ডিকেটটা করে তাদেরকে যে কর্তৃপক্ষ চিন্হিত করতে পারেনি ব্যাপারটা এমন নয়, বরং তাদের মদদেই এসব কর্মকান্ড হয়। এখন কথা হচ্ছে এ থেকেতো উত্তরনের আর কোন উপায় নেই যদি মানুষগুলোর ইথিকাল কোন পরিবর্তন না আসে। সেক্ষেত্রে আপাতত পেয়াজ সমস্যা দূর করার জন্যে এটা পরিত্যাগ করাই উচিৎ। হ্যা, পেয়াজের পর আলু, ডাল, চাল এ ধারাও অব্যহত থাকবে যদি না এই সিন্ডিকেট বন্ধ হয়।

৬| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৫

আল ইফরান বলেছেন: খাতুনগঞ্জের কয়েকজনকে ধরে নিয়ে আচ্ছামত ডলা দিলে দুই দিনেই পেয়াজের দাম কমবে। ২০০৭ এ পারটেক্স গ্রুপ চিনি নিয়ে ঠিক এইধরনের একটা ঝামেলা তৈরিক করেছিলো, র‍্যাব সাড়াশি অভিযান চালিয়ে সপ্তাহের মধ্যেই চিনির দাম কমিয়ে এনেছিলো।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৬

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: সমস্যা হলো, এখন আর র‍্যাবের কোন সাড়াশি বা বড়শি কোন ধরনের অভিযানই চলবেনা। ডলা যারা দিবে তারা নিজেরা আপাতত পেয়াজের ঝাঁজ নিতে ব্যস্ত।

৭| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: পেঁয়াজের এত দাম কিছুতেই হতে পারে না। যারা দাম বাড়াচ্ছে সরকারের উচিত তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫৮

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: এখনো যদি ব্যবস্থা গ্রহন না করে তবে দুদিন পর আলু নিয়ে সংকট তৈরি হবেই। আলু না হলে ডাল, চাল, রশুন এভাবে সব কিছু নিয়ে তারা হাজার কোটি টাকা লুটের ফাদ পাতবেই।

৮| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

কিরমানী লিটন বলেছেন: জগৎশেঠ, রায়দুর্লভদের প্রেতাত্না স্বৈরাচারের কাছে এরচেয়ে ভালো কিছু আশা করা অন্যায়......

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৫

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: ছিহ, এসব বলতে হয় না। তুই রাজাকার হয়ে যাবেন।

৯| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

সুপারডুপার বলেছেন: পিঁয়াজের দাম পানিতে নামানোর সবচেয়ে বড় কৌশল :

১) পিঁয়াজে কি কি ভেজাল ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ আছে, তা ভালো ভাবে প্রচারণা চালানো
২) পিঁয়াজ খাইলে কি কি সাইড ইফেক্ট হতে পারে, বেশি বেশি প্রচারণা চালানো

সিন্ডিকেটরা তখন বলবে , আমাগোর পেটে লাথি মারলেন !!!

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২১

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: 'পেয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে' এমন উক্তি দেয়া বন্ধ করে যদি আপনার এই কৌশলগুলো কাজে লাগাতো তবে পেয়াজের দাম নামলেও নামতে পারতো। :D

১০| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
শীতের মৌসুম চলে আসছে
আমাদের কৃষকেরা পেয়াজরে
বাম্পার ফলন ফলাবে, তখন
দাম পানিতে নেমে আসবে।
কৃষকেরা ন্যয্য দাম পাবেনা
এতদিন ভোক্তা পেয়াজের আগুনে
পুড়েছে, এবার কৃষক পুড়বে।
হয়তে পেয়াজে আগুন দিয়ে
প্রতিবাদ জানাবে।
হায়ে নিষ্ঠুর সিন্ডিকেট
তোদের ঘরে কি
মা বোন নাই !!!

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২০

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: সিন্ডিকেটের কোন জেন্ডার নাই, মা বোন অনেক পরের ব্যাপার।

১১| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫৬

ওমেরা বলেছেন: মানুষ চাইলে পারেনা এমন কিছু নেই। পিয়াজ ছাড়া তরকারীও খাওয়া যাবে । কিন্ত মানুষ সেটা করবেনা এই হল কথা।

২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪৩

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: কারন সহজ, আমরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.