নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবাই যখন নীরব, আমি একা চীৎকার করি \n--আমি অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করি।\n

গিয়াস উদ্দিন লিটন

গিয়াস উদ্দিন লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ক্যানাডায় ৩৯টি পেটেন্টের অধিকারী বাংলাদেশি কীর্তিমান বিজ্ঞানী ও ম্যারাথন দৌড়বিদ তপন চক্রবর্তী। (গুণীগন-একের ভিতর পাঁচ )

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২৬

প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন- ৯১ ,৯২ ,৯৩ ,৯৪ ,৯৫ ।


প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন- ৯১ ,
পাঞ্জাবি মুভির নায়িকা , মিস ক্যালিফোর্নিয়া আরিয়ানা আয়েশা আরি ।




আরিয়ানা আয়েশা আফসার আরি ১৯৯১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোতে তার জন্ম ,সেখানেই বেড়ে ওঠা । ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতিমনা মেয়েটি । পড়েন লস অ্যাঞ্জেলেসের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায় । গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন ওয়েস্টভিউ হাই স্কুল থেকে ।
মাত্র ১৪ বছর বয়সেই আউটস্ট্যান্ডিং টিন হিসেবে পরিচিতি পান তিনি ।

অনেক প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ২০১০ সালে মিস ক্যালিফোর্নিয়া নির্বাচিত হন আরি ।
এখানেই থেমে নেই । পরবর্তীতে মিস আমেরিকার সেরা দশে অবস্থান করেন তিনি ।

লস অ্যাঞ্জেলেসের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার এ শিক্ষার্থী একে একে নিজেকে মেলে ধরা শুরু করেন এভাবেই । মিস ক্যালিফোর্নিয়া ও মিস আমেরিকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার আগেই ২০০৯ সালে আমেরিকান আইডলের সেরা আট হিসেবে নির্বাচিত হন আরি

গানের সঙ্গেই তার যত প্রেম । গান লেখেন , নিয়মিত গেয়েও থাকেন । পড়াশোনাটাও গানের ওপর । বিশ্ববিদ্যালয়ে এথনোমিউজিকোলজি নিয়ে পড়েন আরি । এটি এমন বিষয়, যেখানে সংস্কৃতি ও সমাজ থেকে গান কীভাবে উঠে আসে তা-ই পড়ানো হয় । উল্টোটাও হয়, মানে গান দিয়ে সমাজকে বোঝার চেষ্টাও করা হয় ।

২০১৩-এর মে মাসে আরি তার সহপাঠী অ্যান্ড্রু সেডারের সঙ্গে ট্রেড হার্টস নামের একটি গান পরিবেশন করেন । হৃদয়ভাঙা বিষয়- কষ্টদায়ক গান ছিল সেটি । আরি নিজেই বলেছেন, গানটি খুবই হৃদয়স্পর্শী । যাদের হৃদয় ভেঙেছে, তারা সবাই গানটি পছন্দ করবেন। তার গাওয়া বনি রেইটের আই ক্যানট মেক ইউ লাভ মি গানটি ব্যাপক শ্রোতাপ্রিয়তা পায় । ২০১৩-এর জানুয়ারিতে গানটি প্রকাশ হয় ।

সেলিন ডিওন, এলা ফিটজেরাল্ড এবং রেজিনা স্পেক্টরের ভক্ত তিনি । ওয়াল্ট ডিজনির ‘মেক ইওর মার্ক অন্য দ্য ওয়ার্ল্ড’ ক্যাম্পেইনের তিনি লিড ভোকালিস্ট। গানের সঙ্গে সঙ্গে অভিনয়েও রয়েছে আরিয়ানার পদচারণা । এ বছরই তার অভিনীত ‘মৌজ মাস্তিয়া’ নামে একটি পাঞ্জাবি ছবি মুক্তি পেয়েছে । কমেডি ধাঁচের এ ছবিতে আরির চরিত্রের নাম ডলি ।

ওএমজি ! ইএমটি ! এবং আনইউজুয়াল সাসপেক্ট নামের আমেরিকান টিভি সিরিজেও অভিনয় করেছেন আরি । আসছে জানুয়ারিতে ইপি (এক্সটেন্ডেড প্লে-একটার বেশি গান থাকে, তবে অ্যালবাম বলা যায় না) নিয়ে আসছেন তিনি । এটি প্রযোজনা করেছে বিশ্বখ্যাত সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টিইকে, যারা মাইলি সাইরাস, সেলিন ডিওনের মতো শিল্পীর অ্যালবাম করে থাকে । শাশা নামের এক জুয়েলারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মডেলও আরিয়ানা ।

অধিকতর আগ্রহী হলে ।



প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন- ৯২ ,
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসায় রুবাব ।



বাংলাদেশের ছেলে রুবাব খান এখন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসায় । সেখানে তিনি পোস্ট ডকটোরাল ফেলো হিসেবে কাজ ও গবেষণা করবেন মোট তিন বছর (আগস্ট ২০১৪-জুলাই ২০১৭) ।

রুবাবের দায়িত্ব ওয়াশিংটন ডিসিতে, নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে । তিনি ও তাঁর দল মূলত কাজ করছেন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ নিয়ে । এটি নাসার পরবর্তী প্রজন্মের মহাকাশ পরিদর্শক, যেটিকে ২০১৮-১৯ সালে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হবে ।
রুবাবের কাজের মধ্যে আছে হাবল, স্পিটজার ও হার্শেল—এই তিনটি টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করা, যা মহাজাগতিক বস্তুর দৃশ্যমান হওয়ার বৈশিষ্ট্যগুলো বুঝতে আরও সহায়ক হবে । তাঁর এ গবেষণা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের উৎক্ষেপণ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।


রুবাব ঢাকা উদয়ন স্কুল থেকে এসএসসি আর নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন । পড়ালেখায় সব সময়ই ভালো, অংশগ্রহণ করেছেন বিতর্ক, কুইজসহ নানা সহশিক্ষা কাজে। এইচএসসির পর তাঁর বাবার ইচ্ছা ছিল, ছেলে দেশেই ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুক । কিন্তু ছেলের মনে যে আকাশছোঁয়ার স্বপ্ন, দূর নক্ষত্ররাজির রহস্য ভেদ করার লক্ষ্য ।

তাই তো তিনি বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে থাকেন । আর বাবা-মায়ের ইচ্ছেমতো দেশের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা দেন । ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটে (আইবিএ) । কিন্তু এরই মধ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে বৃত্তিসহ অ্যাস্ট্রোফিজিকস (জোতির্পদার্থবিজ্ঞান) বিষয়ে পড়ার সুযোগ পান । ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে।

রুবাবের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নূরুর রহমান খান ।

সংবাদটির উৎস -




প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন- ৯৩ ,
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র রোবটের কারিগর :যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ডঃ তাহের এ সাইফ



ছবিতে সোয়েটার গায়ে -

রক্তনালিতে রক্ত জমাট বেঁধে গেলে কিংবা ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর কোষে নির্দিষ্ট স্থানে ওষুধ দিতে গেলে প্রয়োজন হয় অতি ক্ষুদ্র কোনো একটি যন্ত্রের । চিকিৎসকদের এমন একটি উপকরণের স্বপ্ন অনেক দিনের, যা শরীরের ভেতরে ঠিক যেখানে প্রয়োজন সেখানেই ওষুধ দিতে পারবে কিংবা নিজে থেকে রক্তনালির ভেতরের জমাট বাঁধা রক্তকে সরিয়ে দিতে পারবে ।

চিকিৎসকদের সেই স্বপ্নের স্বচালিত উপকরণটি তৈরির পুরো গবেষণাটি হয়েছে বাংলাদেশি অধ্যাপক তাহের এ সাইফের নেতৃত্বে । গবেষক দলটি তৈরি করেছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র রোবট । সম্প্রতি প্রথমবারের মতো এমন সাফল্যের খবরটি বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান বিষয়ক জনপ্রিয় জার্নাল নেচার-এ প্রকাশিত হয়েছে। অতি ক্ষুদ্র এ বায়োরোবটটি মানুষের হৃৎস্পন্দনের মতোই বিভিন্ন বিষয় বুঝতে পারে । স্বশক্তিতে চালিত এ রোবট একটানা কয়েক বছর ধরে সাঁতারও কাটতে পারবে ।

বিষয়টা অনেকটা ষাটের দশকের বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান চলচ্চিত্র ফ্যানটাসটিক ভয়েজ-এর মতো । সেখানে অবশ্য চিকিৎসকের শরীরকে ছোট করে রোগীর শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় । সিনেমার মতো না হলেও এই অতি ক্ষুদ্র চিকিৎসক রোবটটির নাম দেওয়া হয়েছে রোবটিক বায়োলজিক্যাল সুইমার (বায়ো-বট সুইমার) । যেহেতু এটি জীবন্ত কোষের সঙ্গে কাজ করেন তাই এটি চালাতে আলাদা কোনো ব্যাটারির দরকার হয় না ।

রোবট নিয়েই যে শুধু সাইফের কাজ তা কিন্তু নয়, তৈরি করেছেন মেশিনস অব মাইক্রো ইলেকট্রো মেকানিক্যাল সিস্টেমস (এমইএমএস) নামের অতি ক্ষুদ্রকায় যন্ত্র । তাঁর তৈরি রোবটের মতোই এগুলো এতই ক্ষুদ্র যে এর আকার মানুষের চুলের চেয়েও ছোট, দেখতে হলে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয় ! বিশেষ করে বর্তমানে গাড়ি, ক্যামেরা, টেলিভিশন, কম্পিউটারে এ যন্ত্র ব্যবহৃত হয় ।

তাঁর গবেষণাগারে ১০০ ন্যানো মিটারের চেয়ে ছোট নানা ধরনের যন্ত্রও তৈরি হয় । এমন সব গবেষণায় দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত রয়েছেন ন্যানো প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তাহের এ সাইফ । তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

এ ছাড়া তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের এমইএমএস পরীক্ষাগারেরও পরিচালক। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক, ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর এবং কর্নেল ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেছেন তিনি ।
তাহের এ সাইফ এর গবেষণার মূল বিষয় হচ্ছে চিকিৎসা উপকরণ হিসেবে জীবন্ত মেশিন তৈরি করা । অর্থাৎ প্রযুক্তি এবং জীবনের যৌথ সমন্বয়ে এমন যন্ত্র তৈরি করা, যা নিজে থেকেই নিজস্ব কোষের শক্তিতে চলতে পারবে ।’

প্রযুক্তি দিয়ে যা তৈরি হয় সেটিকেই জীবনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয় নিয়েই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি । আর এই গবেষণাগুলো হয় অতি ক্ষুদ্রকায় বস্তু, যেগুলোর আবার এক মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র ।

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাহের সাইফ জেরক্স পুরস্কার, আমেরিকার জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশনের ক্যারিয়ার পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।

উচ্চমাধ্যমিকে ঢাকা বোর্ডে চতুর্থ হয়ে বুয়েটে ভর্তি হন সাইফ। পুরকৌশল বিভাগেও প্রথম হন এবং বুয়েটে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।
তাহের এ সাইফের জন্ম ঢাকায়। বাবা সাইফুর রহমান সরকারি চাকরিজীবী । মা তাহেরা বেগম ।


শিক্ষক স্ত্রী শাহনীলা চৌধুরী এবং দুই সন্তান ফারযাদ সাইফ এবং ফাইজা সাইফ নিয়ে তাহের এ সাইফ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন ।
বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের জন্য তাঁর পরামর্শ হচ্ছে, এমন একটি গবেষণার বিষয় খুঁজে নেওয়া উচিত, যা সত্যিকার অর্থেই কাজের এবং যা নিজেই বিশ্বাস করেন। তৈরি করতে হবে নতুন প্রশ্নও। কারণ এমন একটি প্রশ্ন তার উত্তর নিজেকেই বের করতে হয়।


প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন- ৯৪ ,
প্রবাসে সফল তরুণ আফতাব মনির ।





২০০৬ সালে ভ্রমণ ভিসা নিয়ে প্রথম দুবাইয়ে পা রাখেন আফতাব মনির । অল্প সময়ে ভাল লেগে যায় তার দুবাই শহর । সিদ্ধান্ত নেন দুবাইতে কাজ করার । একটি জার্মান ট্যুরিজম কোম্পানিতে আইটি সেকশনের নিয়োগ পত্রও পান তিনি । নিয়োগ পত্র হাতে পেয়ে চলে আসেন দেশে । ছয় মাস পর দুবাই ফিরে যোগ দেন কর্মস্থলে । চাকরি করেন ১৪ মাস । এরপর নিজেই খুলেন ইভেন্টেলর নামে একটি এলএলসি লাইসেন্স ।

ব্যবসায়িক ক্যারিয়ারের শুরুর কথা বর্ণনা দিয়ে বাংলাদেশি এ তরুণ ব্যবসায়ী জানান, ‘দুবাইয়ে চাকরির সুবাদে ইভেন্টের অনেক কিছুই আমি শিখি । যে কাজ আমি নিজে করতে পারি, সেই কাজ অন্যের অধীনে করার চেয়ে নিজে করা লাভজনক । ব্যবসার কিছু টেকনিকও আমি বুঝি । চাকরি ছেড়ে তাই নিজে লাইসেন্স করি । সময়ের চাহিদাকে কাজে লাগাতে ইভেন্টে চলে আসি । দুবাইতে অফিসও নিই । কিন্তু অভিজ্ঞতার জন্য অন্য একটি বিদেশি কোম্পানীতে প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে এক বছরের চুক্তিতে কাজ করি । এতে কর্পোরেট লেভেলে বেশি কাজ করার সুযোগ হয় । চুক্তির একবছর শেষে শুরু করি নিজের বিজনেস ।’

ইভেন্ট ব্যবসার মার্কেট বিবেচনা করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি তরুণরা মার্কেটিং, আইটি সাইটসহ যেকোন ক্ষেত্রে চায়না এবং ভারতীয়দের সাথে টক্কর দেয়ার মতো ক্ষমতা রাখে ।

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে ইভেন্টেলরের লাইসেন্সের পাশাপাশি ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে দুবাইতে ভেলু ইনফিনিটি কনসালটেন্সি নামে একটি আইটি ফার্ম খুলেন আফতাব মনির । যার কাজ হচ্ছে সোর্স কোড ডেভেলপমেন্ট ও মেডিক্যাল ট্রান্সক্রিপশনের কাজ করা ।
এ কাজ গুলো বেশির ভাগ আসে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে । এছাড়াও প্রিন্টিং এন্ড এডভারটাইজিং ফার্ম, আইটি কনসালটেন্ট হিসেবে আফতাবের নিজের ফার্ম আছে । কাজ করছেন ভিডিও প্রোডাকশনেও । ২০১৬ সালের মধ্যে 'ভিশন রায়া' নামে একটি প্রোডাকশন হাউজ খোলার কাজ পুরো দমে চলছে ।

উল্লেখ্য, আফতাব মনির বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে চলে যান ভারতের ব্যাঙ্গালোর সেখানে ব্যাচেলর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন কম্পিউটার সায়েন্স-এর ওপর চার বছরের ডিগ্রি শেষ করে আইবিএম-এ প্রথম চাকরি করেন ।

তিনি চট্টগ্রাম জেলার নজুমিয়া হাটের বাসিন্দা। তার বাবা রফিক আহমেদ ও মা আমিনা রফিক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। এ সফল তরুণ ব্যবসায়ী ভ্রমণ করেছেন কুয়েত, ওমান, সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া, থাইল্যান্ড, জাপান, চায়না, জার্মানী, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ।
শুধু ব্যবসা নয় সংগীত ও সাংস্কৃতিক জগতেও আছে তার বিচরণের চিহ্ন । ১৯৯০ সালে নতুন কুঁড়ির পুরস্কার জিতেছেন তিনি । গান নিয়ে বিচরণ করেছেন শিশু একাডেমি ও শিল্পকলায় । একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে অরিন্দম নাট্য সম্প্রদায়ের সাথেও কাজ করেন তিনি ।


See more




প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন- ৯৫ ।
ক্যানাডায় ৩৯টি পেটেন্টের অধিকারী বাংলাদেশি কীর্তিমান বিজ্ঞানী ও ম্যারাথন দৌড়বিদ তপন চক্রবর্তী ।



কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশি কীর্তিমান বিজ্ঞানী তপন চক্রবর্তী । বিশ্বের সাতটি মহাদেশে ম্যারাথন দৌড় শেষ করেছেন তিনি । দৌড়েছেন অ্যান্টার্কটিকার বরফ-রাজ্য, দুর্গম এভারেস্ট কিংবা আফ্রিকার গহিন জঙ্গলেও ।

১৯৬৫ সালে মতলব হাইস্কুল থেকে এসএসসিতে তৃতীয় ও ১৯৬৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এইচএসসিতে দ্বিতীয় হন। তারপর পড়তে আসেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটে। ১৯৭১ সালে মাসহ ভারতের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন। ফিরে এসে ১৯৭২ সালে বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন ।
শিক্ষক হিসাবে যোগ দেন সেখানে।

১৯৭৪ সালে ফরাসি বৃত্তি নিয়ে প্যারিস যান পড়তে। পরের বছর, প্যারিস থেকে কানাডার ওয়াটার লু বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান মাস্টার্স ও পিএইচডি করতে। ১৯৮০ সালে যোগ দেন কানাডার সবচেয়ে বড় তেল কোম্পানি ইম্পেরিয়াল ওয়েলের গবেষণা বিভাগে । এই কোম্পানিটি উত্তর আমেরিকায় এক্সন মোবিল নামে পরিচিত ।

১৯৯৬-৯৭ সালে দুই বছরের জন্য হিউস্টনের ল্যাবে কাজ করেন। সেখানে দুজন বিজ্ঞানীর সঙ্গে দেখা হয়, যাঁরা ম্যারাথন দৌড়ান। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে তপন ফুটবল ও ভলিবল খেলতেন। কিন্তু ম্যারাথন দৌড়ানোর কথা ভাবেননি কখনো। হিউস্টন থেকে ফেরার পর ক্যালগারিতে একটা নতুন বাড়িতে ওঠেন। খেয়াল করে দেখলেন, তাঁর সহকর্মীদের কেউ কেউ সকালে দৌড়ে অফিসে আসেন। ভাবলেন, তিনিও সেটি করবেন।



পাঁচ কিলোমিটার দূরের বাসা থেকে একদিন দৌড়ে অফিসে এলেন। তেমন একটা সমস্যা বোধ হলো না। ভাবলেন, নতুন একটা লক্ষ্য ঠিক করা দরকার। ঠিক করলেন, ম্যারাথন দৌড়াবেন। যে ব্যায়ামাগারে তিনি মাঝেমধ্যে যেতেন, সেখানকার প্রশিক্ষক তাঁর লক্ষ্যের কথা শুনে হেসে বললেন, ‘তুমি ম্যারাথন দৌড়াবে? তাহলে ম্যাগাজিন পড়বে কে?’ কিন্তু তপন গায়ে মাখেননি সেসব।

২০০০ সালের ৭ মে ভ্যানকুবার ম্যারাথনে দৌড়ানোর জন্য ৭০ ডলার খরচ করে নিবন্ধন করে ফেললেন, আর প্রতিদিন একটু একটু করে প্র্যাকটিসের চৌহদ্দি বাড়ানো শুরু করলেন। তারপর ঠিক ঠিক সফলতার সঙ্গে শেষ করলেন জীবনের প্রথম ম্যারাথন। সেই শুরু। তারপর দুর্গম এভারেস্ট থেকে অ্যান্টার্কটিকা কিংবা আফ্রিকার জঙ্গল, তপন ম্যারাথন দৌড়ে জয় করেছেন বিশ্বের সব কটি মহাদেশ।

তেল তরলীকরণে নতুন এক দ্রবন আবিস্কার -
মধ্যপ্রাচ্যের খনিজ তেলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার তেলের একটা বড় পার্থক্য আছে। মাটির এক হাজার ৫০০ ফুট গভীরে কালো বালুর মধ্যে তেল থাকে। মধ্যপ্রাচ্যের তেলের সান্দ্রতা খুবই কম। বলা যায় সেটি থাকে তরল। পাইপ বসিয়ে দিলেই মোটামুটি উঠে আসে। কিন্তু কানাডার তেলকূপগুলোতে যে তেল, সেটির সান্দ্রতা কখনো কখনো প্রায় এক লাখ সেস্টিমিপস পর্যন্ত হয়। কাজেই সেখান থেকে তেল তুলে আনার খরচটা যেমন বেশি, তেমনি সেটি কঠিনও।

তিনি বিশ্বাস করেন, সমস্যার আশপাশেই প্রকৃতি তার সমাধানটা রেখেছে। তিনি উদ্ভাবন করেন একটা নতুন দ্রাবক। এটি তেল–মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিলে তেলের সান্দ্রতা এত কমে যায় যে তখন সেটিকে অনায়াসে তোলা যায়।

এখন পর্যন্ত মোট ৩৯টি পেটেন্টের অধিকারী এই বিজ্ঞানী । যার মানে, ৩৯টি বিশেষ সেবা ও পন্যের স্বত্ব আছে এই কীর্তিমান বিজ্ঞানীর ঝুলিতে।

তপন চক্রবর্তী কখনো নিজেকে একজন ‘বিশেষজ্ঞ’ মনে করেন না । তিনি বলেন -
‘আমি আমার সব উদ্ভাবনকেই মনে করি একটি সুন্দর গান বা কবিতার মতো । কোনো কিছু আবিষ্কার করতে হলে কখনো বিশেষজ্ঞ হওয়া যাবে না। বরং ভুল করতে হবে এবং খোলা মনের অধিকারী হতে হবে ।’

তপন চক্রবর্তী ১৯৫০ সালে কুমিল্লার মতলবে জন্ম গ্রহন করেন । তাঁর মাতার নাম হাস্য বালা চক্রবর্তী ,পিতা অশ্বিনী কুমার চক্রবর্তী ।
প্রকৌশলী পুত্র ও চিকিত্সক কন্যার জনক-জননী তপন ও মাধুরী চক্রবর্তী থাকেন ক্যালগারিতে । ইচ্ছা আছে বাংলাদেশের আর্সেনিক সমস্যা নিয়ে কাজ করার । এখন তার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ।


তপন চক্রবর্তী


আগের পর্ব গুলির চেইন -



মন্তব্য ৮৮ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৮৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৫

প্রামানিক বলেছেন: ১ম হইছি চা কই?

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কতদিন পরে দেখা !
চা তো অবশ্যই হবে প্রামানিক ভাই !

২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৬

ধমনী বলেছেন: আমি ২য়। টা কই?

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধমনী ভাইএর জন্য টা' উইথ চা -

৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৮

রিকি বলেছেন: আমি ৩ য়/ ৪র্থ (কনফিউজ)---(পোস্ট করতে করতে যদি কেউ ৩য় হয়ে যায় তাই অপশন দিলাম) !!! ;) আমাকে কফি দেন (কনফিউশন কাটিয়ে উঠি আগে)!!!! B-))

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: রিকি আপুর বুদ্ধিটা খারাপ নয় , দুই কাপ খাওয়ার ফন্দি ! B-))

নিন ,

কফি উইথ শুভ কামনা ।

৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪২

ধমনী বলেছেন: রুবাব ভাইয়া কলেজে আমাদের কয়েক ব্যাচ সিনিয়র। সেদিন তার বাবা মা এবং বোনের সাথে দেখা হয়েছিল।
বরাবরের মতোই আশা জাগানিয়া পোস্ট। ধন্যবাদ।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: রুবাব আপনার পরিচিত জেনে ভাল লাগলো । প্রতিভাবান পোলাটা সুন্দর আছে মাশাল্লাহ !! :#)

৫| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪২

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


আয়েশা মেয়েটা আসলেই খুব সংস্কৃতিমনা। এমন সংস্কৃতিমনাদের খুব ভাল পাই।

আর তপন ভাইয়ের মতো আমরাও কিন্তু ম্যারাথন দৌড় দিচ্ছি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা। একটু দৌড় দিলেই সবাই মিলে ল্যাং মারে।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সম্ভবত বিদেশে ল্যাং মারা পার্টি নাই ! তাই আমাদের দৌড়বিদরা সেখানে টিকে যায় । =p~

শুভকামনা জানবেন কান্ডারি ভাই । ।

৬| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৩

রাতুল_শাহ বলেছেন: ডঃ তাহের এ সাইফ স্যারে এর কথা একবার কোথায় যেন শুনেছিলাম। এখন জেনে ভালো লাগছে।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: রাতুল_শাহ , ছবিতে উনাকে সনাক্ত করতে পেরেছেন ?

৭| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৫

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: একেকজন একেক ক্ষেত্রে সেইরাম প্রতিভাবান! গুণীদের সম্পর্কে জেনে ভাল্লাগলো । গিয়াসলিটন ভাইকে ধন্যবাদ ।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সাথে থাকায় আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ রূপক ।

৮| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০০

ধমনী বলেছেন: হা হা হা। টা এর জন্য কমেন্টে প্লাস।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পুনমন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ , এবং প্লাস !

৯| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৫

রিকি বলেছেন: আহা এতো দেখছি পুরো বছরের কফি সাপ্লাই দিলেন--- ফিলিং সো মাচ হ্যাপি =p~ =p~ =p~

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কফির সাথে যে , ভারতীয় পরিমাণে টা'ও দিলাম সেইটা কইলেন না ? =p~

দামী কফি কিভাবে সংগৃহীত হয় জানেন ?
জানলে আপনি কফি খাওয়া ছেড়ে দেবেন =p~ =p~ =p~

( দেখি আপনাকে লিঙ্ক দিতে পারি কিনা !)

১০| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৭

সুলতানা রহমান বলেছেন: আয়েশা আরি র হাসি দেখতে মোনালিসার মত।
ভাল লাগলো।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আয়েশা আরি'র পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ সুলতানা ।

১১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৫

রিকি বলেছেন: কফির সাথে যে , ভারতীয় পরিমাণে টা'ও দিলাম সেইটা কইলেন না ?

টা'য়ের জন্য ধন্যবাদ। আমি যা ধারণা করছি আপনার দামী কফি সংগ্রহ করার রহস্য শুনে সেটা না তো--- animal feces থেকে??? :-P :-P :-P একটা ফেসবুক পেজে হয় কফি নাহলে কোকো এই দুইটার একটার ব্যাপারে এরকম কিছু একটা দেখেছিলাম !!!! B:-) ভাই আমি গরীব কফির ক্রেতা, দামীর দরকার নাই--দামী জিনিস খাবে রাজা মহাশয়!!!! :P আমরা তো পেয়াদা মার্কা মানুষ ভাই, তাই কায়দা করে চলা লাগবে না !!!!! B-)) B-)) B-))

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৫৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনি ব্লগে প্রেজেনট নাই ভেবে আমি নিচে আপনার সৌজন্যে কমেন্ট করে ফেলেছি ।
আরও একটা লিঙ্ক দিলাম - পাঁচ প্রকারের দামি কফি , কিভাবে সংগৃহীত হয় ?

১২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: রিকি আপু - হাতির মলে তৈরি সবচেয়ে দামি কফি

:P :P :P

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: :P :P :P:P :P :P

১৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৫৬

রিকি বলেছেন: ঐ তো আমি বললাম না --- animal feces :-P মিলে গেছে। ভাই আমরা গরীব মানুষ, এই দামী কফি রাজাধিরাজদের জন্য !!!! ;)

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ''রাজাধিরাজ''রা বুঝি এইসব খায় ?
ওয়াক থু !!!!
=p~ =p~

১৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: আমি মনে কয় লাস্ট হইলাম! সবাইরে যহন দিছেন তহন এই অধমও আর বাদ থাকে ক্যা........?? কি কন? :P

চমৎকার পোস্ট! প্রায় প্রথম থেকেই এই পোস্টের সাথে আছি এবং থাকবো ইনশা-আল্লাহ! আপনার এই পোস্টটার মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে পারি। সেজন্য আপনাকে অসংখ্যবার ধন্যবাদ!


শুভ কামনা জানবেন!

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাদের সব সময় সাথে পাওয়াটাই এই পোস্ট কনটিনিউ করার অনুপ্রেরণা ।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সাস ভাই ।

ইয়ে আপনি নাকি মন্ত্রিত্ব দেয়ার লোভ দেখিয়ে টুপাইস কামাচ্ছেন ? :P

নিন , স্বরাষ্ট্রর প্রাইভেট সেক্রেটারির হাতের চা ! :P

১৫| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১০

কিরমানী লিটন বলেছেন: সবসময় আপনার এই পোস্টটার মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে পারি। সেজন্য আপনাকে অসংখ্যবার ধন্যবাদ!শুভকামনা জানবেন প্রিয় মিতা ...

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার জন্যও শুভ কামনা ।
সাথে থাকেন দেখে ভাল লাগে মিতা ।

১৬| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৯

বিদগ্ধ বলেছেন: ভাই, এটা কিন্তু অমানবিক! কি এক ছবি দিছেন শুরুতে! এরপর তো দৃষ্টি নিচে নামে না :( বহুকষ্টে নিচে এসে মন্তব্য দিলাম।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মজার মন্তব্যে প্লাস ।
সাস ভাই দেখলাম লুল মন্ত্রি খুঁজছে , যোগাযোগ করবেন নাকি ?

১৭| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৪

আবু শাকিল বলেছেন: চমৎকার সিরিজ চালিয়ে নিচ্ছেন।জানতে পারছি অনেক কিছুই।
ধন্যবাদ লিটন ভাই।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পড়ছেন , কমেন্ট করছেন , সাথে থাকছেন নিয়মিত !
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ শাকিল ভাই ।

১৮| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৫

সাহসী সন্তান বলেছেন: কি.....!! আমি মন্ত্রীত্ত্ব দেওয়ার নাম কইরা টুপাইস কামাচ্ছি? ঞহু, এইটা সম্পূর্ন ভুল ধারনা, আবার মিডিয়ার সৃষ্টিও হইবার পারে। ঐদিকে একদমই কান/মন দেবেন না? সব কিছুকে ঝাড়ি মাইরা উড়াই দিয়া নির্বাচনে খাড়াইয়া যান......!!


তো যিনি চা'টা তৈরি করছেন, আই মিন স্বরাষ্ট্র দফতরের সেই সেক্রেটারি Man না Woman হেইডা জাতি জানতে চায়! ম্যান হইলে কিছু কমু না, তয় ওম্যান হইলে দুইখান কথা আছিল? চায়ে এত চিনি কেউ দেয়? নরমাল লিগার, আদা নাই, নেবুরও কুনো গন্ধ পাইলাম না.......??

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: নির্বাচনে খারাইয়া যদি তিন ভোট পাই তাইলে বউএর মাইর খাইতে অইবো ।
বউ কইবো ,''আমার আগেই সন্দেহ হইছিলো তুমি আরেক বিয়া করছো। নাইলে তিন ভোট কেম্নে পাইলা ? '' :P



হাতে নেইল পলিশ দেইখাও বুঝেন না ভাইজান ! :P

এ জাতীয় সেক্রেটারিরা চায়ে চিনি দেয়া লাগে না , শুধু কাইন্না আঙ্গুলটা একটু চুবিয়ে দেয় । মিষ্টি মেয়ে তো !! :-P :P





১৯| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৭

আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ভাল লাগল :)

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ জাদীদ ভাই ।

২০| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৪

গেম চেঞ্জার বলেছেন: ‘আমি আমার সব উদ্ভাবনকেই মনে করি একটি সুন্দর গান বা কবিতার মতো । কোনো কিছু আবিষ্কার করতে হলে কখনো বিশেষজ্ঞ হওয়া যাবে না। বরং ভুল করতে হবে এবং খোলা মনের অধিকারী হতে হবে ।’


মনে ধরলো কথাটা.......
বরাবরের মতই পিলাচ খিলান...........।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকে সাথে পেয়ে বরাবরের মতই আনন্দিত গেম ভাই ।

২১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:০০

মিলন হোসেন১৫৮ বলেছেন: অামি অাপনার লেখার বিশাল ভক্ত ।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বিরাট শরমের মধ্যে ফেলে দিলেন মিলন হোসেন ।
আপনাকে প্রথম পেলাম মনে হয় ?
শুভকামনা জানবেন ।

২২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪২

দীপংকর চন্দ বলেছেন: মিলন হোসেন ভাইয়ের মতো আমিও আপনাকে শরমের মধ্যে ফেলতে চাই।

প্রিয়তে।

অনিঃশেষ শুভকামনা।

ভালো থাকবেন। অনেক। সবসময়।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মিলন হোসেন ভাই নতুন মানুষ বিধায় আমার সম্পর্কে ভুল করে উচ্চ ধারণা পোষণ করেছেন , আপনি আমার দৌড় সম্পর্কে ভালোই জানেন । তার পরও আপনি ভুল করলেন ?
আপনি আমার আপনা লোক না হইলে আপনার মন্তব্যে কইসসা মাইনাচ দিতাম দীপংকর দা । :P
শুভ কামনা জানবেন ।

২৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৯

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: এই দিনু লিন্ক/প্লিজ আই করো ব্লিন্ক
view this link

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বিরাট শরমিন্দা! |-)

২৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১০

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: অসাধারণ । খুব ভাল লেগেছে । বিশ্বজুড়ে নিজের দেশের জ্ঞানীদের গল্প শুনে ।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ কথাকথিকেথিকথন ।

২৫| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৮

গুলশান কিবরীয়া বলেছেন: আরিয়ানার হাসিটা চমৎকার , ভীষণ মিষ্টি একটি মেয়ে । প্রতিটি গুণীজনের প্রতি অনেক শদ্ধা আর ভালোবাসা রইল । আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ গুণীদের নিয়ে লেখার জন্য ।

আর কি চা আছে ? থাকলে আমাকেও এক কাপ দিয়েন । :D

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আর কি চা আছে ? থাকলে আমাকেও এক কাপ দিয়েন । :D
গুলশান , আছে মানে ? স্টক রীতিমত আনলিমিটেড !
নিন , মিষ্টি মেয়ের হাতের বানানো চা -

২৬| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০২

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: এভাবেই বিশ্বের প্রতিটা দেশে ছড়িয়ে পরুক আমাদের জ্ঞানীরা ।

অনেক কিছুই জানা হল।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ রুহী ।

২৭| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৩৩

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীজনের খবরের অপেক্ষা খুব উপভোগ করি আমি!!!!
অনেক অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই !!!!

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা কামরুন নাহার ।

২৮| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:২২

বাংলার ফেসবুক বলেছেন: শেষে খাবার ভাল হয় যা থাকে সব লুটেপুটে খায়। খাবার বাকী আছে। লেখাটা সুন্দর হয়েছে।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সরকার যে আপনাকে ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিল , আপনার অনুভূতি কি ? :)


ইষ্টক (ইট নয়) এখনো ফুরায়নি -
নিন পুড়িং টা চেখে দেখুন ।

২৯| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৪১

শান্তনু চৌধুরী শান্তু বলেছেন: কাজের পোস্ট আমাকে আগ্রহ জাগাবে ।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পোস্টের সার্থকতা খুজে পেলাম , শুভ কামনা জানবেন ।

৩০| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:৫৬

নাজমুল হাসান মজুমদার বলেছেন: পোস্টে +++++++্

অনেকেই চমৎকার ভালো অবস্থায় আছে ।

আমাদের দেশে থেকে মানুষ সেই অনুযায়ী জায়গা যেতে পারেনা ।

হয়ত আমাদের ওইভাবে অনেককিছু নেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলতে !

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমাদের দেশে এইসব গুণী সৃষ্টি হওয়ার মত লজিস্টিক সাপোর্টের সিমাবদ্ধতা আছে ।
তার পরও এদেশে থেকেও প্রখর মেধাবীরা অনেক কিছুই করছেন ।

একদিন আমাদেরও হবে , বিদেশীরা পড়তে আসবে আমাদের দেশে । সেই আশায় রইলাম ।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

৩১| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:২০

শায়মা বলেছেন: নিন , স্বরাষ্ট্রর প্রাইভেট সেক্রেটারির হাতের চা ! :P


হাতে নেইল পলিশ দেইখাও বুঝেন না ভাইজান ! :P

এ জাতীয় সেক্রেটারিরা চায়ে চিনি দেয়া লাগে না , শুধু কাইন্না আঙ্গুলটা একটু চুবিয়ে দেয় । মিষ্টি মেয়ে তো !! :-P :P
B:-) B:-) B:-)


সবাই আমার সোনার কাপ সহ চা চুরি করে আনছে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! :((


সব্বাইকে পুলিশে দেবো!!!!!!!!!!!!!!! সব্বাইকে!!!!!!!!!!!!!!!!!!! X(



ভাইয়া লেখা কিন্তু জিনিয়াস লেখা! :)


তাই বলে চা চুরি!!!!!!!!!!!! সোনার কাপ সহ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! :((

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:০৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এক সেট সোনার কাপ আগে থেকেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে ছিল । একটা মিসিং। থানায় জি ডি করা আছে ।
তোমার গোল্ড প্লেটেড কাপ ও চুরি হয়েছে ?
সম্ভবত যেভাবে এসেছিল সেভাবেই গেছে :-P

যাঁদেরকেই চা দিয়েছি তারা কাপ শুদ্ধ নিয়ে গেছেন ।

এত পরে এলে শায়মা ?
তোমার জন্য খুঁজে টুজে মাংশ দিয়ে তৈরি এই কাপটা পেলাম ,
আবার বোলনা যে এ কাপ টাও চোরাই মাল ! :-P



৩২| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৯

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: আবারও এক ঝাঁক নক্ষর তুলে আনলেন। ++

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এক ঝাঁক নক্ষত্রের পোস্টে সামুর নক্ষত্র শতদ্রু ভাইকে দেখে ভাল লাগলো ।
শুভ কামনা জানবেন ।

৩৩| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৯

অগ্নি সারথি বলেছেন: নাসায় চাকুরী করতে মুঞ্চায়। সব্বাইরে চা, কেক খাওয়াইতাসেন কাহিনী কি? আমরা কি ভাইস্যা আইছি?

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এইটা আপনি কি কইলেন অগ্নি সারথি ভাই ?
আপনার টা সবার আগেই ফ্রিজে তুলে রাখছি , চা ও ।

নিন আগে এইটা খান -


পরে এইটা -


ইয়ে , বেন্সন এন্ড হেজেজ'এ বাড়ি দুইখান দিবেন নাকি ? B-)

৩৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অনেক দেরীতে আসলাম । নাসা চাকুরী করতে কে না চায় । ম্যারথন দৌড় ভয় পাই এত লম্বা দৌড় ।ভাবলেই জান শেষ ।যে দৌড়ায় তার কি অবস্থা !!!ভাগ্যিস আপনার পোস্টে জায়গা পেয়েছেন । না হলে তার দৌড়ানো বৃথা হত অনেক খানি । ;)

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: দেরীতে আসায় কুনু সমস্যা নাই সেলিম ভাই । একদম না এলেও আমি জানি আপনি আমার সাথেই আছেন ।
আপনি আমার অতি আপন জন , বিশ্বাস না হলে Click This Link এই পোস্টের ২৫ নং কমেন্ট দেখে আসুন ।

ভাগ্যিস আপনার পোস্টে জায়গা পেয়েছেন । না হলে তার দৌড়ানো বৃথা হত অনেক খানি । ;) এই জিনিস টা
মাথার উপ্রে দিয়া গেল সেলিম ভাই ।

৩৫| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনার সংগ্রহশালায় ম্যারাথন দৌড়বিদ ব্লগভূবনে অমর হয়ে রইলেন ।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:০৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: উনি এমনিতেই কীর্তিমান মানুষ ।
আসলে আমার পোস্টে উনাকে আনতে পেরে আমারই ভাল লাগছে ।
পুনঃ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সেলিম ভাই ।

৩৬| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৭

জুন বলেছেন: এত গুনীদের কথা শুনছি তখন নিজের ব্যর্থতাগুলো হাহাকার করে উঠে আবার তাদের জন্য গর্বিত হই গিয়াসলিটন।
সুন্দর শেয়ার।

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমরা কেউ ব্যর্থ নই । আমরা যা করেছি তা অন্যকেউ করেনি । তবে নিজেদের গুণীজনদের কথা শুনলে গর্ব হয় বৈকি !

আপনার মন্তব্য পেয়ে আনন্দিত । শুভকামনা জানবেন ।

৩৭| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৭

রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: লিটন ভাইয়ের গুনী মানুষদের কথা কতদিন পরে পড়লাম। ভাই, চমৎকার কাজ করছেন এইটা করে।

এত ঘাটাঘাটি করে বিশ্বের সকল কোনা থেকে বাঙ্গালীদের খুঁজে বের করাটা খুবই কঠিন কাজ। আপনি সেইটাই কত সাবলীল ভাবে করছেন - সাথে তাদের সম্পর্কে অনেক কথাই আমাদের জানাচ্ছেন।

হ্যাটস অফ ভাই। :)

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: রক্তিম দিগন্ত আপনার সুন্দর মন্তব্য ভাল লাগলো ।
আজ আরেক কিস্তি দেয়ার ইচ্ছা আছে , আশা করি সাথে থাকবেন ।

৩৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০০

কাবিল বলেছেন: হুম বুঝলাম------
গুণীদের সাথে চা বিস্কিট ফ্রি।

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: না কাবিল ভাই , বলতে পারেন পোস্ট পড়লে চা বিস্কিট ফ্রি। B-)

৩৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: দারুণ। বিশেষ করে তপন চক্রবর্তীর কাহিনীটা সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং লাগলো।

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ হাসান মাহবুব ভাই , আশা করি আজকের পর্বটায়ও নজর বুলিয়ে যাবেন ।

৪০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩১

শায়মা বলেছেন: সবাই আমার চা চুরি শুরু করছো!!!!!!!!!!!!!!সাথে সোনার কাপ এবং হাতও!!!!!!!!!!!!!!!!! B:-) ভাগ্যিস তবুও হাতে সোনার বালা পরা ছিলোনা তাইলে সেটাও যেত!!!!!!!!! :-B

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:০৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: শায়মা , কাকের চা , বকের চা শুনেছি , তোমার চা আবার কি ? :P

৪১| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৩

শায়মা বলেছেন: আমার চা!!!!!!!!!! আমার সোনার কাপের চা!!!!!!!!! রুপার কাপের চা!!!!!!!!!!!! আমার চা মানে আমার সোনারকাপে সোনারূপা,হীরা জহরৎ দিয়ে বানানো চা। খেলে অবশ্য..........অক্কা পাবারও সম্ভাবনা আছে।:)








( মানে কেউ যেন সোনার কাপ কেউ চুরি না করে তাই ভয় দেখালাম আর কি!:))

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ''মাঝে মাঝে তব দেখা পাই '' এই যথেষ্ট ! আমার অক্কা পেয়ে কাজ নেই ।

লিখবেনা বলে পণ করেছো নাকি শায়মা ?

বার বার তোমার ব্লগে গিয়ে জিনিয়াসদের সাথে উশটা খেয়ে ফিরে আসি :))

৪২| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৩

শায়মা বলেছেন: হা হা না পণ করিনি!!!!!!!!!!!!



আমি তময় পাত্তিনা!!!!!!!!!!!!:(

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কি কাজে বিজি গো ?
আমার ছেলে বলছিল ,''পরীক্ষার ঝামেলায় পড়া লিখাই করতে পারছিনা ।'' এমন নাকি ? :P

তবে এই মাসে একটা পোস্টের দাবী ছাড়ছিনা !

৪৩| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫০

শায়মা বলেছেন: ঠিক তাই লেখালিখির ঝামেলায় আমি এই নিকে লিখতেই পারছিনা ভাইয়ু!!!!!!!!!!!!! :P

৪৪| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৪১

অগ্নি সারথি বলেছেন: ফেসবুকের লিংকু দেইখ্যা আবারো আইলাম, এইবার বেনসন এন্ড হেজেস এ দুইখান কইস্যা টান মাইর‍্যা ভাবলাম ৩৯টি পেটেন্টের অধিকারী তপন চক্রবর্তীরে একক্টা স্যালুট মাইর‍্যা যাই। আর আপনে তো সর্বদাই স্যালুটের দাবীদার।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার স্যালুট ট্যাঁলুটের দরকার নাই অগ্নি সারথি ভাই ।
কিসে যেন কইস্যা টান মারলেন কইলেন ?

এদিকে পিক্কা মারেন দুইখান বাড়ি দেই । :P

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার স্যালুট ট্যাঁলুটের দরকার নাই অগ্নি সারথি ভাই ।
কিসে যেন কইস্যা টান মারলেন কইলেন ?

এদিকে পিক্কা মারেন দুইখান বাড়ি দেই । :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.