নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবাই যখন নীরব, আমি একা চীৎকার করি \n--আমি অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করি।\n

গিয়াস উদ্দিন লিটন

গিয়াস উদ্দিন লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু লক্ষাধিক ছাত্রের বিনামূল্যে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে ভ্রাতৃত্ব বোধের অনন্য নজির স্থাপন করলো নোয়াখালী বাসি।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪১

মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু---

হানাহানি,সংঘাত,নৈরাজ্যের এ দেশ থেকে সহানুভুতি,সহমর্মিতা,সহযোগিতা আর ভাতৃত্ববোধ যেন উঠে যাচ্ছে।ব্যাস্ত নাগরিক জীবনে সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত।যেখানে মানুষ অন্যের সহযোগিতাকে স্রেফ সময়ের অপচয় বা নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো ভাবে ঠিক সেই সময়ে নোয়াখালী বাসি স্থাপন করেছে মানবিকতা,মহানুভবতা আর ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত-


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

আজ থেকে শুরু হয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, যা চলবে ২৭ ও ২৮শে অক্টোবর পর্যন্ত। ৭০ হাজার ৩শ ২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন এই পরীক্ষায়। ছাত্রি ও অনেক ছাত্রের সাথে এসেছেন অভিভাবক।
প্রায় লক্ষাধিক মানুষের থাকার মত কোন ব্যবস্থা জেলা শহরের আবাসিক হোটেলগুলির নেই। তিন দিনের অতিথিদের আবাসিক সংকট মোকাবেলায় নোয়াখালী (মাইজদি) শহরের জনগণ অভুতপুর্ব উদ্যোগ গ্রহণ করেন।


পড়ালিখার সুবিদার্থে আবাসনে যোগ করা হয়েছে চেয়ার টেবিল

বাড়ির মালিকগণ তাদের খালি রুম ও বাসা ছেড়ে দেন অতিথিদের জন্য। নিজেদের উদ্যোগে করে খাবার আয়োজন। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে থাকা ও খাবার ব্যবস্থা করা হয় উপজেলা পরিষদ হলরুম,উপজেলা শিক্ষা অফিস ভবন(নীচতলা,দোতলা),সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আল হেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ,হরিনারায়নপুর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ,খাদেমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ,মাইজদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ফতেহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পুলিশ লাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন স্থানে পাতা হয় গণবিছানা।



একটি মসজিদে ছাত্রদের রাত কাটানোর দৃশ্য

মেয়রের পক্ষ থেকে ছাত্রদের জন্য শহরের সকল মসজিদে, আর মেয়েদের জন্য পোরসভা ভবন ও মেয়রের বাসায় থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।পড়ালিখার সুবিদার্থে পেতে দেয়া হয় চেয়ার টেবিল। নিয়োগ দেয়া হয় বিশেষ পোশাকের কয়েকশ স্বেচ্ছাসেবক।যারা ২৪ ঘণ্টা পরিক্ষার্থিদের সমস্যা মোকাবেলায় কাজ করবে। এদেরকে সারা রাত বিভিন্ন স্টেশন সমূহে পরিক্ষার্থিদের রিসিভ করে নির্ধারিত আবাসনে নিয়ে যেতে দেখা যায়।


আরেকটি গণ বিছানা

শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ফেস্টুনে যে কোন সমস্যা মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবকদের মোবাইল নাম্বার দেয়া হয়। দ্রুত পরীক্ষার হলে পৌছাতে ব্যাবস্থা করা হয় মোটর সাইকেলের। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন পয়েন্টে স্থাপন করা হয় হেল্প ডেস্ক।


পোরসভার সুপেয় পানির গাড়ি

বলতে গেলে মাইজদি শহরের প্রায় সকল অধিবাসীকে গত রাতে অতিথিদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করার সার্থে প্রায় নির্ঘুম রাত কাটাতে দেখা যায়।


ছাত্রদের জন্য প্যাকেট করা হচ্ছে বিরিয়ানি

নিজের বাসায় সহ গন হলরুমে এরা নিজেদের বাসার বিছানা,বালিশ,কম্বল,পাটি সরবরাহ করেন।
এ অভুতপুর্ব আয়োজন দেখে দূর দূরান্ত থেকে আগত ছাত্র,অভিভিবকরা মুগ্ধ।


কোথাও পরিবেশিত হচ্ছে প্লেটে

প্রায় লক্ষাধিক মানুষের থাকা, খাওয়ার ও সেবার মাধ্যমে নোয়াখালীবাসি ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের যে নজির স্থাপন করলো এ নজির ছড়িয়ে পড়ুক সারা দেশে।
অভিনন্দন নোয়াখালী বাসি।

বিষয়টি নিয়ে দেখুন একটি টিভি রিপোর্ট

ছবি- মোহাম্মদ মাসুদ আলম




মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


নোয়াখালীর লোকজন পরিশ্রমী, তাঁরা নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢাকা থেকে ভালোভাবে পরিচালিত করবেন, সন্দেহ নেই!

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সঠিক বলেছেন। দক্ষ ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। অল্প কয়েক বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার্থিদের আগ্রহের কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নিন চাঁদগাজী।

২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: লিটন ভাই,
আমাদের নিত্য হানাহানি আর অসহিষ্ণুতার দেশে এটাকেই নিউজ অফ দ্যা ডিকেড বলা যেতে পারে মনে হয় । অনেকদিন এতো সুন্দর স্বাভাবিক নিউজ দেশ নিয়ে শুনিনা । আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের কাজে কামে, নানা ঝামেলায় মনটার যখন নিরাশায় মরে,পঁচে ভুত হয়ে যাবার দশা হয় যখন তখন দেশের সাধারণ মানুষ এমন সব কাজ করে যে আমার হতাশ মমি মনটা আবার ভবিষ্যতের সুখ স্বপ্নে আশাবাদিতার ফিনিক্স পাখির মতো আকাশে উড়তে থাকে ।আজকে আপনার লেখাটা পরে তেমন লাগলো ।এই রকমইতো হওয়া দরকার। হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে ময়ূরের মতো নাচেরে ধরণের ভালো লেগেছে নিউজটা শুনে আর লেখা পড়ে। সত্যিই খুব ভালো লাগলো । লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:১৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: একজনের স্ট্যাটাসে দেখলাম, অভাবনীয় এ আতিথেয়তায় অনেক অতিথি রীতিমত আবেগাপ্লুত হয়ে উঠেছিল।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ মলাসইলমুইনা

৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

তারছেড়া লিমন বলেছেন: কিছু ভাল মানুষের জন্য পৃথিবীটা আজও এত সুন্দর। শ্রদ্ধা ও ভালবাসা নোয়াখালি বাসিদের জন্য।।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: শ্রদ্ধা ও ভালবাসা নোয়াখালি বাসিদের জন্য।। আমার পক্ষ থেকেও -----

৪| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

ইসমত বলেছেন: নোয়াখালীর মানুষ এক অনন্য দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছে। সবাই সেখানে পড়ার সুযোগ পাবে না কিন্তু আজীবন এই মধুর স্মৃতি স্মরণ করবে। আর যারা ভিন্ন জেলা থেকে সেখানে পড়বে তাদের অভিভাবকরা পোষ্য নিয়ে একটু হলেও কম টেনশনে থাকবে।
থাকা খাওয়ার জন্যে খরচের প্রস্ততি থাকলেও সুযোগ সুবিধার অপর্যাপ্ততার কারণে সব স্থানেই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়; রাতারাতি হোটেল-রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থা করা সম্ভবও নয় আবার লাভজনকও নয়।
সমমর্মিতার এই উদ্যোগের জন্যে মাইজদিবাসীকে অভিবাদন জানাই।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:২৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সুন্দর মন্তব্য, অনেক ধন্যবাদ ইসমত।

৫| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:০৩

ঢাকার লোক বলেছেন: এ এক অনন্য দৃষ্টান্ত, নোয়াখালীবাসীর এ অপ্রত্যাশিত উদারতা মনে রাখবে সবাই ! আল্লাহ তাদের এ স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতার উপযুক্ত প্রতিদান অবশ্যই দান করবেন !

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সুন্দর বলেছেন, অনেক ধন্যবাদ ঢাকার লোক

৬| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:০৯

জাহিদ হাসান মিঠু বলেছেন:

ধন্যবাদ নোয়াখালী বাসিকে, ধন্যবাদ লেখককে।

শুভ কামনা সবার জন্য।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৩৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ জনাব জাহিদ হাসান মিঠু

৭| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

করুণাধারা বলেছেন: হিংসা, প্রতারণা আর সংঘাতময় এই সময়ে মানুষের প্রতি মানুষের এমন ভালোবাসা দেখে মানুষের উপর থেকে হারানো বিশ্বাস ফিরে এলো। আজও মানুষের মধ্যে মানবিকতা রয়ে গেছে! অবশ্য নোয়াখালীর মানুষের মধ্যে মানবিকতা সবসময়ই আছে। এর আগে অনেক জায়গায় দেখেছি, ভর্তি পরীক্ষার সময় থাকার জায়গা না পেয়ে ভর্তিচ্ছু ছাত্রীরা রেল স্টেশনের প্লাটফর্মে অভিভাবকের সাথে থাকছে। নোয়াখালীবাসী এই বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীদের থাকা খাওার এমন সুব্যবস্থা করে তাদের বিশাল উপকার করলেন । আশা করি তাদের দৃষ্টান্ত অন্য জেলার মানুষরাও অনুসরণ করবেন।

ছবিসহ চমৎকার পোস্টটিতে লাইক।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি বেশ ভাল লাগলো। অনেক ধন্যবাদ জানবেন করুণাধারা

৮| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৪৫

শিখণ্ডী বলেছেন: নোয়াখালীর লোকেরা ভাল অতিথিপরায়ন। আমার নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ব্যবসার কাজে সকালে তুমুল ঝগরা হল। সিদ্ধান্ত নিলাম তাকে আর কোম্পানির পরিবেশক রাখব না। কিন্তু দুপুরে বাড়িতে নিয়ে গেল জোর করে, দেখি পোলাও-মাংশের আয়োজন করেছে :(
এই ঘটনা বাংলাদেশের অন্য কোথাও হয়ত কখনও ঘটবে না।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আসলেই নোয়াখালীর মানুস অতিথিপরায়ণ। এদের কারো বাড়িতে গেলে আপনাকে না খাইয়ে ছাড়বেনা।

৯| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৪০

ওমেরা বলেছেন: খবরটা পড়ে মনটা আনন্দে ভরে গেল। ভালো মানুষ আছে অবশ্যই। অনেক ধন্যবাদ প্রসংশীনিয় ঘটনা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ওমেরা।

১০| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:০১

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: অভিনব প্রশংসণীয় উদ্যোগ। অন্তর থেকে শ্রদ্ধা এবং সাধুবাদ জানাচ্ছি নোয়াখালিবাসীকে।
টানা দু'বছর আমার দু'চাচাতো বোনকে নিয়ে ভালোই বিপত্তি পোহাতে হয়েছিলো। সারারাত কক্সবাজার থেকে জার্নি করে নেমে একটু ফ্রেশ হবারও ব্যবস্থা কোথাও ছিলো না। বাস কাউন্টারগুলোর টয়লেট মহিলাবান্ধব দুরের কথা এমনকি ভদ্রলোকেরও ব্যবহারেরও অনুপযুক্ত। বাস পৌছাতো সেই ভোর ৪/৫টায়। পরীক্ষা সকাল ১০টায়। এই দীর্ঘ সময়টা কোথাও অপেক্ষা করাটাও ভীষন বিরক্তিকর। ভালো আবাসন ব্যবস্থার অভাবে পরীক্ষা দিয়ে আবার দিনে দিনেই ব্যাক করতে হতো। ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সীমাহীন কষ্ট। এত্তসব জিল্লতির পর ছাত্র-ছাত্রীরা ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষা কেমন করে দেয় বলুনতো? চট্টগ্রাম বিভাগের লোকদেরই যদি এই দুরবস্থা হয় তবে ভেবে নিন উত্তরবঙ্গ এবং অন্যান্য অংশ থেকে যারা আসেন তাদের কি হাল? বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বয়হীন ভর্তি পরীক্ষার শিডিউল এবং অব্যস্থাপনার জন্যে ছাত্র-ছাত্রী এবং গার্ডিয়ানের যে কি অপরিসীম দুর্ভোগ তা কেবলমাত্র ভুক্তভূগীরাই জানেন। আমি এক অভিভাবককে দেখেছি তিনি মেয়েকে নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিয়ে সেদিনই গেছেন রাজশাহী পরেরদিন পরীক্ষা বলে, তার পরেরদিন দিনাজপুরে পরীক্ষা দিয়ে গেছেন ময়মনসিংহ পরীক্ষা দিতে। সেখান থেকে ঢাবিতে পরীক্ষা দিয়ে এসেছেন চিটাগংএ ভেটেরিনারিতে পরীক্ষা দিতে। পরীক্ষা শেষ হলে বিকেলেই ছুটবেন টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে কারণ আগামীকাল মাওলানা ভাসানীতে পরীক্ষা !!! ভাবতে পারেন পরীক্ষার্থি এবং অভিভাবকদের কি দশা !! দুর্ভোগের কারণে এবার আর ছোটবোন পরীক্ষা দিতে যায়নি।

আপনারও সময় ঘনিয়েছে প্রায় মশাই.............

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: জন দুর্ভোগ লাঘবে ভর্তিচ্ছু ছাত্র ছাত্রীদের জন্য সরকারের কিছু একটা করা উচিত। তাছাড়া নোয়াখালী বাসী যা করে দেখালও আশা করছি অন্যান্ন এলাকার লোকও এটাকে দৃষ্টান্ত হিসাবে নেবে।

১১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২১

সোহানী বলেছেন: এতো ভালো লাগছে এ ধরনের উদ্যোগের কথা শুনে। অামরা পারি সত্যিই পারি অনেক কিছু করতে।। এ খবরগুলো ছড়িয়ে দেয়া উচিত ..............

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন:
যান জট বা নানা অসুবিধার কারণে অনেক পরিক্ষার্থি গভীর রাতেও আসতে পারে ভেবে ভলান্টিয়াররা সারা রাত স্টেশন গুলিতে দাঁড়িয়ে ছিল ।ইত্যাকার বিষয়গুলি জানার পরে আমিও আপ্লুত হয়ে গেছিলাম আপু।

১২| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:৩৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



বাহ!! দারুন উদ্যোগ। নোয়াখালির মানুষ তো খুব অতিথি পরায়ন।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানবেন জনাব কাওসার চৌধুরী ।

১৩| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩০

কালীদাস বলেছেন: মুগ্ধ হলাম মুসাফিরদের প্রতি নোয়াখাইল্যাদের মহত্ত্বে। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনিও ধন্যবাদ নিন কালীদাস

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.