নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রবাসী পুরপ্রকৌশলী।শখ ঘুরে বেড়ানো,ছবি তোলা,পড়া আর লেখালেখি তবে প্রবাস জীবনে এসে লেখালেখিটা ভুলতে বসেছি।

ভ্রান্তি হরণ রায়

প্রবাসী পুরপ্রকৌশলী পেটের টানে দুবাইতে.....

ভ্রান্তি হরণ রায় › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাহুবালী এক মহাকাব্য

২২ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ৮:০৫

বহুল আলোচিত এস এস রাজমৌলির বাহুবালী সিনেমাটির চিত্রনাট্য ভারতীয় পুরানের ওপর তৈরী হয়েছে।

এক রাজ্যে দুই ভাইয়ের যুদ্ধের ছবি। রাজ পরিবারের চক্রান্ত থেকে মহিষ্মতীর রাজমাতা শিবগামী দেবী (রামাইয়া কৃষন) নিজ জীবনের বিনিময়ে কৌশলে রাজ পুত্রকে বাঁচায়।

শিবা (প্রভাস) পরে একটি জলপ্রপাতের পাদদেশে বনের এক দল আদিবাসী লোকজনের লালন পালনে বড় হয়।পাহাড়ী ঝরণা পেরিয়ে কি আছে তা জানার আগ্রহে দিনের পর দিন তা অতিক্রমের চেষ্টা চালিয়ে যায় এদিকে পালিত মা সে চেষ্টা থেকে নিবৃত্ত করার জন্য শিব লিঙ্গে জল ঢালতে শুরু করে শিবা মায়ের কষ্ট লাঘবের জন্য আস্ত পাথরের শিব লিঙ্গ ঝরনার জলধারার নীচে রাখে এবং একদিন ঝরনা অতিক্রম করতে সফল হয়।

দেখা হয় অবন্তিকা (তামান্না ভাটিয়া) যারা পাহাড়ের গুহায় লুকায়িত বিদ্রোহী গ্রুপের সদস্য।সে অবন্তিকাকে ভালোবেসে ফেলে।অবন্তিকার কথায় শিবা মহিষ্মতী রাজ্যে যায়। রাজবাড়ীতে শৃঙ্খলিত রানী দেবসেনাকে(আনুশকা শেঠি) মুক্ত করতে ।

দশমীতে অত্যাচারী স্বৈরশাসক রাজা বল্লাল দেবের ৫০ গজ স্বর্ন মুর্তি স্থাপনের দিন শিবার একক প্রচেষ্ঠায় শতাধিক প্রজার জীবন রক্ষা পায় এবং শিকল বন্দী রানী দেবসেনাকে মুক্ত করতে যুবরাজের হাতে বন্দী হয়। কিন্তু দানবীয় শক্তিশালী শিবা যুবরাজের শিরছেদ করেন। মহিষ্মতীর সেনাপতি মহাবীর কাটাব্বা (সত্যরাজ) যখন শিবাকে আক্রমন করতে যায় তখন আক্রমনের পরিবর্তে “বাহুবলী” বলে চিৎকার করে পা মাথায় তুলে নেয়।


কাটাব্বার বর্ণনায় আজ থেকে ৫০ বছর পূর্বে মহিষ্মতীর রাজা বিক্রমদেব সিংহাসনে, যদিও বড় ভাই বিচ্চলদেব শারিরীক অক্ষমতার জন্য রাজা হতে পারেনি। ছোট ভাইয়ের অকাল মৃত্যু ও সন্তান জন্ম দিতে রানীর মৃত্যুতে ভাবী শিবগামী দেবী রাজ্য ভার গ্রহন করেন। রাজমাতা কাটাব্বার সহযোগিতায় রাজদ্রোহীদের হত্যা করে এবং প্রতিজ্ঞা করে দু’ছেলের মধ্যে(রাজার ছেলে বাহুবলী ও নিজের ছেলে বল্লাল দেব) যে প্রজ্ঞাবান হবে, প্রজা পালন করতে পারবে,মহাবীর হবে, সেই সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হবে। পরাক্রম শালী দু’ভাইয়ের মধ্যে রাজা নির্বাচিত করার পূর্বেই দস্যু কাল এক লক্ষ সৈন্য নিয়ে মহিষ্মতী রাজ্য আক্রমন করে। বাহুবলীর বিচক্ষনতায় ও চাচাতো ভাই বল্লাল দেব (রানা দুগ্ধবতী) সহযোগিতায় মাত্র ২৫ হাজার সৈন্য নিয়ে প্রজাদের রক্ষাকরে ও যুদ্ধে জয়লাভ করে।

ফলে রাজমাতা শিবগামী বাহুবলীকে মহারাজা ঘোষনা করেন। কিন্তু বিশ্বাসঘাতক শত্রুর তলোয়ার ও তীরের চেয়েও বড় ঘাতক। মহিষ্মতীর সিংহাসনের প্রতি সমপিত মহাবীর কাটাব্বা বিশ্বাসঘাতকতায় রাজ্য ষড়যন্ত্রে বাহুবলীকে হত্যা করে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.