নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চতুর্বর্গ

হেস্পারাস প্রবল

রক্তাক্ত বুকে এখনো লাশের মিছিল, অন্যায় অনিয়মের ধুরন্ধর পদাঘাত।

হেস্পারাস প্রবল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ড. মুহম্মদ ইউনূস বনাম অকৃতজ্ঞ বাঙালি

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:১০

আমাদের দেশের কতিপয় বেশধারী মানুষ ড. ইউনুসকে সহ্য করতে পারে না। এসব নিন্দুকদের অভিযোগ ড. ইউনুস একজন সুদখোর এবং সুদখোর কখনও নোবেল পেতে পারে না। তাঁর নোবেল পাওয়া আমেরিকার চালবাজি এমন কথাও বলতে ভুল করে না। বাঙালি মন মাত্রই সন্দেহ প্রবণ। এ কথা জোর দিয়ে বলতে পারি, সুদ খাওয়ার জন্য নয়, নোবেল বিজয়ের জন্য-ই ইউনুসকে এসব নিন্দুকেরা সহ্য করতে পারে না।



বর্তমানে বাংলাদেশের অলিতে গলিতে গ্রামীণ ব্যাংকের আদলে এনজিও সংস্থা গড়ে উঠেছে এবং উচ্চ সুদের বিনিময়ে জনগণকে টাকা লোন দিচ্ছে। এর মধ্যে ব্রাক, সুশীলন, আশা, উত্তরণ প্রভৃতি ছাড়াও এদেশের অলিতেগলিতে নামে বেনামে হাজার হাজার এনজিও আছে যারা প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে উধাও হয়ে যাচ্ছে। নিচের লিংক দেখলেই সহজে বোঝা যাবে Click This Link &sa=X&ei=ULnmVIjDIYu7ogTFtoLYDg&ved=0CAUQ_AUoAA এসব প্রতিষ্ঠান ও মালিকদেরকে কেউ কখনও শমালোচনা করে না, কাউকে করতেও দেখি না। কারণ এদের মালিকেরা কেউ এখনও সবচেয়ে সম্মানিত পুরষ্কার নোবেল জয় করতে পারেনি। যেদিন পারবে সেদিনও এদের শমালোচনায় বাঙালি মুখর হয়ে উঠবে। শুধু এনজিও সংস্থাগুলো নয়, ইসলামি ব্যাংক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন, বেসরকারি ব্যাংকের সবগুলোতে সুদের বিনিময়ে অর্থ লেনদেন হয়, হচ্ছে। কিন্তু এদের নিয়েও কেউ কিছু বলছে না কারণ এসব শমালোচনায় মুখর ব্যক্তিরা কোনো না কোনো ভাবে এসব সুদের কারবারের সাথে জড়িত। বর্তমানে ব্যাংকগুলো আমানতের ওপর সুদের হার কমিয়ে ঋণের ওপর সুদের হার বাড়িয়ে ১৭ থেকে ২০ শতাংশ করেছে। নিচে লিঙ্ক Click This Link গ্রামীণ ব্যাংক পাঁচটি খাতে বা ক্যাটাগরিতে ঋণ দিয়ে থাকে এবং ক্যাটাগরি ভেদে সুদের হার ভিন্ন। গ্রামীণ ব্যাংক তাদের এক বিবৃতিতে জানায় তাদের সর্বোচ্চ সুদের হার ২০ শতাংশ। যা সরকার নির্ধারিত সুদের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। তবে ক্যাটাগরি ভেদে সুদের হার কমও আছে। তথ্য লিঙ্ক Click This Link



বাঙালি কখনও অন্যের ভালো যেমন কামনা করে না, তেমনই অন্যের সাফল্যও সহ্য করতে পারে না। এটি মানুষ হিশেবে নয়, বাঙালি হিশেবেই তার জন্মগত সমস্যা। যা ত্যাগ করা কখনই সম্ভব বলে আমি মনে করি না। গল্প দিয়ে বোঝার চেষ্টা করি বাঙালি কেমন! জাহান্নামের দুটি গর্তের একটিতে ফেরেস্তা রাখা হয়েছে পাহারা দেওয়ার জন্য অন্যটিতে কোনো পাহারাদার নেই। জাহান্নাম দেখতে আসা একজন জান্নাতি এ অবস্থা দেখে কৌতূহল চেপে না রেখে প্রশ্ন করলেন, 'দুটি গর্তের একটিতে পাহাদার আছে কিন্তু অন্যটিতে নেই কেন?' তখন একজন উত্তর দিলেন, 'এখানে একটি গর্তের মধ্যে বাঙালিকে রাখা হয়েছে, অন্যটিতে অন্যসব জাতিকে রাখা হয়েছে। বাঙালির ওখানে পাহাদার লাগে না তাই দেওয়া হয়নি। আর অন্যসব জাতির জন্য পাহাদার আবশ্যক তা-ই রাখা হয়েছে। আগন্তুক মনে মনে ভাবলেন, পৃথিবীতে খারাপ লোকদের শায়েস্তা ও শাস্তি দিতেই পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনী প্রভৃতি নিরাপত্তা বাহিনী রাখা হতো। এখানেও হয়তো ওই একই পদ্ধতির জন্য এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি আরো ভাবলেন বাঙালি এতো ভালো(!) যে এদের জন্য কোনো পাহাদার লাগে না। এরা বুঝি খুবই শান্তিপ্রিয় ও শৃঙ্খলবদ্ধ! কিন্তু ভেবে পাচ্ছে না এমন ভালো জাতি কীভাবে জাহান্নামের অধিবাসী হলো! দ্বিধান্বিত হয়ে পুনরায় প্রশ্ন করলেন, ব্যাপারটা খুলে বলবেন আমি বুঝতে পারছি না। তখন একজন প্রহরী বাঙালির গর্তের পাশে আগন্তুককে নিয়ে গেল। তিনি দেখতে পেলেন, নিচ থেকে যখনই একজন ওপরে ওঠার চেষ্টা করছে তখন আর একজন গিয়ে পা টেনে ধরছে। যখন আর একজন ওপরে আসার চেষ্টা করছে তখন আর একজন এসে নিচ থেকে পা টেনে ধরছে। ফলশ্রুতিতে কেউ-ই ওপরে উঠতে পারছে না। সবাই একের পর এক চেষ্টা অব্যাহত রাখছে কিন্তু কেউ-ই সফল হতে পারছে না। এবার কিছু বলার আগেই পাহাদার আগন্তুককে অন্যজাতির গর্তের পাশে নিয়ে গেলেন। তখন তিনি দেখতে পেলেন, যখন একজন ওপরে ওঠার জন্য চেষ্টা করছে তখন নিচ থেকে অন্যরা ওপরে ওঠার জন্য সাহায্য করছে। আর পাহাদার তখন-ই ওই ব্যক্তিকে পুনরায় গর্তের মধ্যে নামিয়ে দিচ্ছেন। এবার পাহাদার মুখ খুললেন, এদের যখন কেউ গর্তের ওপরে ওঠার চেষ্টা করছে তখন অন্যরা নিচ থেকে সাহায্য করছে। তারা জানে একজন উঠতে পারলে বাকিদেরও সে তুলে নিবে। কিন্তু বাঙালি একজন অন্যজনের ভালো যেমন দেখতে পারছে না তেমনই একে অপরের ওপর বিশ্বাস করতে পারছে না। ফলে যে অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে তা তো নিজের চোখে-ই দেখলেন।



এপর্যন্ত যে কয়জন বাঙালি নোবেল পুরষ্কার পেয়েছে তন্মধ্যে সাহিত্যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অর্থনীতিতে অমর্ত্য সেন, শান্তিতে ড. মুহম্মদ ইউনূস। নামের পিছন দিক থেকে বিবেচনা করি, অধিকাংশ বাংলাদেশি বাঙালি ইউনূসের নোবেল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা কী? কথাটি সম্পূর্ণ সত্য কারণ তিনি দেশের কোনো শান্তিতে অবদান রাখতে পারেননি, শুধু শান্তি এনেছেন দুস্থ পরিবার গুলোতে কারণ তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে জামানত ছাড়াই কয়েক হাজার থেকে লাখ পর্যন্ত ঋণ দিয়েছেন। অমর্ত্য সেন অর্থনীতিতে কী উন্নয়ন করেছে জানি না তবে ভারতের অর্থনীতি এখনো অনেক ধীর গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। বাংলা সাহিত্যের পুরোধা রবীন্দ্রনাথকে এখানে টেনে আনা ভুল হচ্ছে তবু বাধ্য হয়ে শুধু এতটুকু বলবো, রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার আগের দিন পর্যন্ত কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর লেখা দিয়ে ছাত্রদের বলা হতো ভুল খুঁজে বের করো! ভুলের মাত্রা বেশি কি কম তারা সঠিক তথ্য জানাতে পারবেন। তবে এই কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-ই সর্বপ্রথম নোবেল পাওয়ার পর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে। অথচ নোবেল পাওয়ার পর সবাই তাঁর সম্মানার্থে সমালোচনা করাও অসমীচীন মনে করলো। কারণ পশ্চিম বাংলার জনগণ রবীন্দ্রনাথকে মূল্য দিতে শিখেছে। আজ যদি ইউনূস বাংলাদেশি হিসেবে নোবেল না পেতো তবে এ প্রশ্ন পাওয়া, না পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতো না। ইউনূসের কপালের দুর্ভাগ্যের জন্য নয়, আমি সত্যি খুশি যে রবীন্দ্রনাথ ও মি. সেন বাংলাদেশে জন্ম নেননি। যদি নিতেন তবে তাঁদের পুরষ্কার প্রাপ্তি নিয়েও হয়তো প্রশ্ন তুলতেন এসব সমালোচক। অন্তত এই অভাগারা জাতির সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন। উল্লেখ্য, কতিপয় সুজ্ঞানী বাঙালি দ্বারা ড. মুহম্মদ ইউনূস সমালোচিত হচ্ছেন অথচ বহির্বিশ্বের সবাই তাঁকে যোগ্য সম্মান দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে, ভবিষ্যতেও দিবে। শুধু আমরা-ই তাঁকে চিনলাম না। এটি জাতি হিসেবে বাঙালির-ই ব্যর্থতা, ইউনূসের নয়। সারা বিশ্ব চিনলো, শুধু স্বজাতি ছাড়া। আমরা আসলেই অকৃতজ্ঞ। কারণ যোগ্যকে আমরা কখনই সম্মান দেই না, দিতে জানি না।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


ড: ইউনুস ১৯৭৮ সালে বড় মন নিয়ে মানুষকে সাহায্য করতে নেমেছিলেন; কিন্ত এক সময় তিনি টাকা জমানোর নেশায় যক্ষ হয়েছেন; বিনা সুদে বিদেশ থেকে টাকা এনে, মানুষ থেকে উচ্চ সুদ নিয়েছেন।

১১ বিলিয়ন ডালরের ব্যাংক গড়ে তিনি ৬০ লাখ পরিবারকে ঋণের জালে জড়ায়ে ফেলেছেন।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৩৫

হেস্পারাস প্রবল বলেছেন: ৭৮ সালে শুরু, ৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত টাকার লোভে কিনা তা আপনারা ভালো বলতে পারবেন। আমি মনে করি তার ওই মহৎ কাজ সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই....... সরকারি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে জামানত দিতে হয়, আরো দিতে হয় ঘুস ফলে সহায় সম্বলহীন সরকারি ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারে না! আর বেসরকারি ব্যাংক ও গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের পরিমাণ প্রায় সমান। বিনা সুদে গ্রামীণ ব্যাংক লক্ষাধিক গরীব ছাত্রেদের বিনা সুদে ঋণ দেয় যার কার্যক্রম বর্তমান সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে কাকে কী বলবেন?

২| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:৫৪

বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: ডঃ ইউনুসকে শান্তিতে নোবেল দেয়া হয়েছে। বাঙালি হিসাবে অবশ্যই এটা নিয়ে গর্ব করি। কিন্তু শান্তিতে নোবেল পাওয়া একজন বাঙালিকে বাংলার কোন অশান্তির সময় কেন খুঁজে পাওয়া যায় না, সেটার কি কোন উত্তর আপনার কাছে আছে?
সাভার ট্র্যাজেডির সময় তিনি আসতে পারেন নাই, শিবিরের তাণ্ডবে দেশ যখন লণ্ডভণ্ড তখনও তাঁর কোন হদিশ মিলে নাই, এখনও দেশ অশান্তিতে আছে কিন্তু উনার টিকিটারও খবর নাই। তাহলে এই শান্তি নোবেল উনাকে কেন দেয়া হয়েছিল? শুধু কি বিদেশীদের শান্তি দেয়ার জন্য? যদি দেশের ক্রান্তি কালেই উনার মতো একজনকে খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে তাঁর শান্তি নোবেল নিয়ে আমাদের এতো উচ্ছ্বাসের কি কোন দরকার আছে?
হয়তো বলতে পারেন, উনাকে সুযোগ দেয়া হয় নাই কিংবা উনার বিরুদ্ধে অনেকেই লেগে পড়েছিলেন। তখন আমি বলবো সুযোগ কেউ কাউকে দেয় না। এটা নিজের যোগ্যতায় সৃষ্টি করে নিতে হয়। আর কেউ বিরুদ্ধাচারণ করলেই যে কাপুরুষের মতো পালিয়ে যেতে হয়, সেটা কিন্তু বিপ্লবীদের ডায়েরিতে লেখা নেই। মসৃণ পথে অর্জন খুব সহজ কাজ। সেটার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্ত কারো দরকার পড়ে না। বরং শ্বাপদসঙ্কুল পথে কেউ যদি এগিয়ে এসে জাতিকে উদ্ধার করে, সেটাই হল আসল বীরের লক্ষণ। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে উনার কোন বীরত্ব আমাদের চোখে পড়ছে না। 'স্বাধীনতা অর্জন করা সহজ, কিন্তু ধরে রাখা অনেক কঠিন।' উনার নোবেল অর্জনে জাতি গর্বিত হলেও, সেই গর্বের জায়গাটা তিনি ধরে রাখতে পারেন নাই। উনার কাছে আমাদের আবদার ছিল অনেক। কিন্তু সেগুলোতে উনার কোন ভ্রূক্ষেপ নাই। নোবেল পেয়ে গেছেন। ব্যস্! উনার কাজ শেষ হয়ে গেছে মনে হচ্ছে। এমন নোবেল বিজয়ীকে আমাদের কি কোন প্রয়োজন আছে?

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৫০

হেস্পারাস প্রবল বলেছেন: যখন কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রের কাছ থেকে শুধু লাঞ্চনা, বঞ্চনা, অপমান, গ্লানি পায় তখন দেশের প্রতি অভিমান করা যেকোনো ব্যক্তির পক্ষে সঙ্গত! দেশে বড় বড় অর্থ কেলেংকারি হয়েছে, শেয়ার বাজার, হলমারক, পদ্মা সেতু প্রভৃতি। যখন সরকারি মন্ত্রী বলে, এগুলো সামান্য ঘটনা। আর বিশ্বব্যাংক যখন প্রমাণসহ দুর্নীতির তথ্য দিয়ে টাকা বন্ধ করলে সরকার আঙুল তোলে ইউনূসের দিকে। ইউনূসের জায়গায় আপনি হলে কী করতেন? সরকার তাকে দেশে একেবারে উচ্ছিষ্ট করে রেখেছে ফলে অভিমান করা সঙ্গত। শিবিরের তাণ্ডবের কথা বলছেন কিন্তু সরকারি বাহিনীর তাণ্ডবের কথা বললেন নাব কিন্তু কেন? এক চোখ নিয়ে সামান্য অংশ দেখা যায় সবটুকু নয়। বর্তমান সহিংসতার কথা বলছেন, অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় যেখানে সে ক্ষমতার লোভে এতই মত্ত হয়েছে যে জাতিসংঘের কথা শুনছে না সেখানে ইউনূস কী বা করতে পারে? আপনি হলে কী করতেন?

৩| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:৪৮

মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: @বিদ্রোহী বাঙালিঃ সাভার ট্র্যাজেডির সময় তিনি আসতে পারেন নাই, শিবিরের তাণ্ডবে দেশ যখন লণ্ডভণ্ড তখনও তাঁর কোন হদিশ মিলে নাই...

এসব ক্ষেত্রে আপনি ডঃ ইউনুসের কাছ থেকে কি ধরণের "এগিয়ে আসা" আশা করেন; একটু বুঝিয়ে বলবেন কী? উল্লেখ্য, তিনি কোন মাঠকর্মী, দমকলকর্মী কিংবা আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নন!!!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৫১

হেস্পারাস প্রবল বলেছেন: ধন্যবাদ যুক্তির জন্য।

৪| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:০৭

ডাইরেক্ট টু দ্যা হার্ট বলেছেন: অনেক ক্ষণ ধরে চেষ্টা করছিলাম একটা বিশেষণ বের করতে বাংলা শব্দের মধ্যে যা ইউনুসের জন্য উপযুক্ত,যতগুলো শব্দ টাইপ করেছি কোনটাই তার উপযুক্ত হয়না বলে মুছে ফেলেছি।
তাই এখন চলে গেলাম,যখন একটা শব্দ পাবো তখন এসে এখানে লিখে যাবো।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৫২

হেস্পারাস প্রবল বলেছেন: কারো জন্য বিশেষণ দিতে গেলে সত্যিকারের মন থাকা লাগে যা.........

৫| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:১৭

বিদগ্ধ বলেছেন: //মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: @বিদ্রোহী বাঙালিঃ সাভার ট্র্যাজেডির সময় তিনি আসতে পারেন নাই, শিবিরের তাণ্ডবে দেশ যখন লণ্ডভণ্ড তখনও তাঁর কোন হদিশ মিলে নাই...
এসব ক্ষেত্রে আপনি ডঃ ইউনুসের কাছ থেকে কি ধরণের "এগিয়ে আসা" আশা করেন; একটু বুঝিয়ে বলবেন কী? উল্লেখ্য, তিনি কোন মাঠকর্মী, দমকলকর্মী কিংবা আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নন!!//


আপনি কী লেখেছেন পড়ে দেখেছেন ভাইজান? যারা রানা প্লাজা ধ্বসের শিকার হয়েছিল তাদেরকে যারা সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিল, তারা কি সবাই পুলিশ আর দমকল কর্মী? আপনি কি দেখেছেন তাদেরকে রক্ষা করতে একজন সাধারণ মানুষ আত্মাহুতি দিয়েছেন? আমি জানি না এসব আপনার বুঝার ক্ষমতা আছে কিনা।

বিপদের সময়ে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াবে, সহমর্মিতা জানাবে। দেশের সকল শ্রেণী সংগঠন সেখানে গিয়েছিল, হাসপাতালে গিযেছিল, সাহায্যও দিয়েছিল। আর তিনি শান্তিতে নোবেল পেয়ে দেশে দেশে বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছেন।

কৃতজ্ঞ হবার মতো কী তিনি করেছেন?

৬| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:২২

বিদগ্ধ বলেছেন: //ব্রাক, সুশীলন, আশা, উত্তরণ প্রভৃতি ছাড়াও এদেশের অলিতেগলিতে নামে বেনামে হাজার হাজার এনজিও আছে যারা প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে উধাও হয়ে যাচ্ছে।//


ঢালাওভাবে এসব বলার জন্য আপনার কাছে কী তথ্য/রেফারেন্স আছে? ব্রাক বা আশা যে দেশের মানুষকে লুটপাট করেছে তার কী করে আপনার বুঝতে পারলেন, জানালে খুশি হবো।


বাঙালিকে এভাবে অকৃতজ্ঞ বলার অধিকারইবা আপনাকে কে দিলো?

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৫৪

হেস্পারাস প্রবল বলেছেন: লিংক দেয়া আছে দয়া করে চোখ ওপরে না তুলে লেখার ওপর দিয়ে পড়ুন। সবই দেখতে পাবেন...........

৭| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:২৭

বিদগ্ধ বলেছেন: আপনি তো ওপেন হবার মতো কোন লিংকই দেন নি।

বিশাল বড় এক হুংকার দিলেন কোন প্রমাণ ছাড়া। আপনি কিন্তু আমার কথা উত্তর দেন নি।

৮| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:০৮

Parsa_Saifan বলেছেন: লেখক বলেছেন, "বাঙালি মন মাত্রই সন্দেহ প্রবণ" ।
এখন আমি বাঙালি বলে কিনা জানি না, তবে সত্যিই "শান্তিতে নোবেল" পুরষ্কার নিয়ে আমার সন্দেহ ভীষণ প্রবল। ড. মুহম্মদ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন বলে যে তিনি শান্তিতে আমাদের দেশকে ভাসিয়ে দেবেন তা কখনো আশা করিনা। এই শান্তিতে নোবেল পুরুস্কার যুগে যুগে অনেক সমালোচিত হয়েছে। যারা এই পুরুস্কার দেন তাদের তা দেয়ার যোগ্যতা কতটুকু সেটাও ভাবার বিষয়।
শান্তি পুরস্কারের মধ্যে সবচেয়ে সমালোচিত ছিল লি ডাক থো এবং হেনরি কিসিঞ্জারকে পুরস্কার প্রদান। লি ডাক থো পরবর্তীতে পুরস্কার প্রত্যাক্ষান করে। যা নরওয়েজীয় নোবেল কমিটির দুইজন সদস্যের পদত্যাগের কারন হয়ে দাড়ায়।
জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে উত্তর ভিয়েতনাম ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার যুদ্ধ বিরতি এবং সেখান থেকে আমেরিকান সেনা প্রত্যাহারের প্রেক্ষাপটে তাঁদেরকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। যদিও পুরস্কার প্রদানের মুহুর্তে দেশ দুটি যুদ্ধে লিপ্ত ছিল।
অনেক সমালোচকদের মতে হেনরি কিসিঞ্জার শান্তি প্রয়োগ নয় বরং একজন যুদ্ধবাজ ছিলেন।

ইয়াসির আরাফাত, সাইমন পেরেস, ইয়াতজাক রবিন ১৯৯৪ সালে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পান। যদিও ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের অঙ্গীকারের বিষয়টি অমিমাংসিতই ছিল এবং শেষ পর্যন্ত কোন চুক্তিতে পৌছাতে পারে নাই। পুরস্কার ঘোষনার পরপরই নরওজীয় নোবেল কমিটির একজন আরাফাতকে সন্ত্রাসি বলে আখ্যা দেয় এবং পদত্যাগ করেন।
আরাফাতের ব্যাপারে অতিরিক্ত সন্দেহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকে।

২০০৯ সালে বারাক ওবামার নোবেল বিজয় ইদানিং কালের সবচেয়ে সমালোচিত পুরস্কার। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহনের মাত্র ১১ দিন পর মনোময়ন বন্ধ করা হয়, যদিও সত্যিকারের মুল্যায়ন করা হয়েছিল পরবর্তী ৮ মাস ধরে। ওবামা নিজেই বলেন যে, তিনি তাকে এই পুরস্কাররের যোগ্য মনে করেন না।পূর্ববর্তী নোবেল বিজয়ীরা এই তর্কে বিভক্ত হয়ে পড়ে, একদল মনে করে ওবামা এই পুরস্কারের যোগ্য কিন্তু অন্য দল তাকে এই পুরস্কারের যোগ্য মনে করে না।

৯| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৫

তিক্তভাষী বলেছেন: ১৯৮৩ সালে গ্রামীন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়, তারও আগে থেকেই এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের একটা প্রকল্প হিসেবে কাজ করে আসছিল। সে সময় থেকে ১/১১-র পর আওয়ামীদের ক্ষমতারোহন পর্যন্ত ড. ইউনুস বা তাঁর ব্যাংকের কোনো সমালোচনা শোনা যায়নি। বরং উল্টো প্রশংসাই পেয়ে অাসছিলেন তিনি। সমালোচনার শুরু তাঁর রাজনৈতিক আকাঙ্খা প্রকাশ আর নোবেল পুরস্কার লাভের পর থেকে। বলাই বাহুল্য ১/১১-র আগে পরে গ্রামীন ব্যাংকের মডেল বা কর্মপদ্ধতির কোন পরিবর্তন কিন্তু করা হয়নি। কাজেই সহজেই বোঝা যাচ্ছে সমস্যাটি কোথায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.