নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা

Everyone is entitled to my opinion.

হোরাস্‌

"..... The universe is governed by scientific laws. These laws must hold without exceptions, or they wouldn't be laws. That doesn't leave room for miracles or God." --- Stephen Hawkin

হোরাস্‌ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিবর্তনের ফলে মানব দেহে রয়ে যাওয়া কয়েকটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ এবং মাস্‌ল।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:১৮





বিবর্তনের চিহ্ন হিসাবে এখনও আমাদের দেহে বেশ কয়েকটি অঙ্গ এবং মাসল্‌ রয়ে গেছে যেগুলা কিনা আমাদের কোন কাজেই লাগে না। এদের মধ্যে সবচাইতে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে এ্যাপেনডিক্স। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় আমাদের ক্ষুদ্রান্ত্র এবং বৃহদান্তের সংযোগ স্হলে থলের মত অঙ্গটির (সিকাম) শেষপ্রান্তে টিস্যু দ্বারা গঠিত চিকণ পেন্সিলাকৃতির যে অংশটি দেখা যায় তারই নাম এ্যাপেনডিক্স। বিবর্তনের রেখে যাওয়া অন্যান্য অঙ্গ/মাসলের মত আমাদের দেহে এ্যাপেনডিক্সের আকারও বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। মানুষের দেহে এটি ১ ইঞ্চি থেকে শুরু করে ১ ফুট পর্যন্ত লম্বা পর্যন্ত হতে পারে। আবার কেউ কেউ এ্যাপেনডিক্স ছাড়াই জন্মগ্রহণ করে থাকে তবে তাদের সংখ্যাটা খুবই অল্প।



কোয়ালা, খরগোশ কিংবা ক্যাঙ্গারুর মত তৃণভোজী প্রাণীদের সিকাম এবং এ্যাপেনডিক্স আমাদের তুলনায় অনেক বড় হয়ে থাকে। পত্রভোজী প্রাইমেটদের যেমন লিমার, লারিসেস, এবং স্পাইডার মাঙ্কি ক্ষেত্রেও একথাটা সত্যি। বৃহদাকৃতির এই থলে বা সিকাম প্রাণীদের ক্ষেত্রে সেলুলোজকে ভেঙ্গে শরীরের জন্য উপযোগী শর্করায় পরিণত করতে সাহায্য করে। যে সমস্ত প্রাইমেটদের খাদ্যাভাসে পাতার পরিমাণ কম থাকে যেমন ওরাং উটাং বা ম্যাকি, তাদের সিকাম এবং এ্যাপেনডিক্সের আকার অনেক ছোট হয়। আর আমরা যেহেতু তৃণভোজী না বা সেলুলোজ হজম করতে পারিনা তাই আমাদের দেহে এ্যাপেনডিক্সের আকার খুবই ছোট। একটা প্রাণী যত কম তৃণভোজী হবে তার এ্যাপেনডিক্সের আকারও তত ছোট হয়ে থাকে। আমাদের দেহের এ্যাপেনডিক্স হলো আমাদের তৃণভোজী পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া একটি অঙ্গ যার গুরুত্ব আমাদের পূর্ব পুরুষদের কাছে থাকলেও আমাদের কাছে একেবারেই নেই।



এ্যাপেনডিক্সের আদৌ কোন গুরুত্ব কি আছে? যদি থেকেও থাকে তবে তার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। এ্যাপেনডিক্স কেটে ফেললে তার কোন খারাপ প্রতিক্রিয়া আমাদের শরীরে হয় না। বরঞ্চ মলাশয়ের বিভিন্ন রকমের সমস্যার পরিমাণ অনেক কমে যায়। প্রত্নতত্ববিদ আলফ্রেড রোমার তার বিখ্যাত টেক্সট ব্ই “The vertebrate Body”তে এ্যাপেনডিক্স নিয়ে আলোচনা করতে যেয়ে কৌতুক করে বলেছেন, "এ্যাপেনডিক্সের সবচাইতে বড় উপকারীতা হলো এটা শল্য চিকিৎসকদের অর্থ উপার্জনে সহায়তা করে।" কারও কারও মতে আমাদের দেহে পরিপাক তন্ত্রে ইনফেকশন হলে কখনও কখনও কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া হয়ত এ্যাপেনডিক্সে আশ্রয় নিয়ে থাকে।



তবে এই ছোট উপকারটি এ্যাপেনডিক্স থাকার কারণে যে অসুবিধাগুলো হতে পারে তার তুলনায় কিছুই না। সংকীর্ণতার কারণে খুব সহজেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে যা কিনা ইনফেকশন এবং প্রদাহের কারণ হয়ে থাকে, যাকে আমরা বলি এ্যাপেনডিসাইটিস। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না হলে রোগীর মারা যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী। উনিশ শতকে ডাক্তাররা এ্যাপেনডিক্স অপসারণের পদ্ধতি আবিস্কার করার আগে মৃত্যুর হার ছিলো ২০% এর উপরে। মোদ্দাকথা অপারেশন করে এ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করার আগে প্রতি ১০০ জনে ১'র অধিক মানুষ এ্যাপেনডিক্সের কারণে মারা যেত, যা কিনা প্রাকৃতিক নির্বাচনের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। মানব বিবর্তনের একটা বিশাল সময় (৯৯% এর বেশী সময়) ধরে এ্যাপেনডিক্স অপসারণের জন্য কোন শল্য চিকিৎসক ছিলোনা। বলতে গেলে তখনকার মানুষেরা পেটের ভিতর যেকোন সময় ফাটার অপেক্ষায় থাকা একটি টাইম বম্ব নিয়ে ঘুরে বেড়াতো, যার থেকে বাঁচার কোন উপায় ছিলো না। যদি এ্যাপেনডিক্সের উপকার এবং অপকারের মধ্যে একটা তুলনামূলক আলোচনা করি তবে দেখা যাবে আমাদের দেহে এটা থাকার কোন যৌক্তিকতা নেই। তবে সেই আলোচনা বাদ দিয়েই বলা যায় এ্যাপেনডিক্স হলো বিবর্তনের রেখে যাওয়া একটি অঙ্গ যা কিনা যে কাজের উদ্দেশ্যে এর উদ্ভব সেই কাজ এখন আর সে পালন করেনা। তাহলে কেন এটা এখনও আমাদের দেহে রয়ে গেল? একটা কারণ হতে পারে এটা বিবর্তনের মাধ্যমে নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। কিন্তু সার্জারীর কারণে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে এ্যাপেনডিক্স আছে এমন মানুষের নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাতিল হয়ে যাওয়ার কারণে সেটা হয়ত এখন আর সম্ভব না।







আমাদের দেহে এখনও এমন আরও কিছু মাস্‌ল দেখা যায় যা কিনা প্রাইমেট বা উঁচু স্তরের স্তন্যপায়ী প্রাণীদের পূর্বপুরুষের দেহ থেকে আমাদের দেহে রয়ে গেছে। বিবর্তনের ফলে এরকমই আরেকটি রয়ে যাওয়া মাস্‌ল হলো কক্সিস (Coccyx) যা কিনা "Vestigial Tail" নামেও পরিচিত। মেরুদন্ডের শেষপ্রান্তে বেশ কয়েকটি হাঁড় সংযুক্ত হয়ে যে ত্রিভূজাকৃতির একটি অস্হিকাঠামো তৈরী করে সেটাই কক্সিস নামে পরিচিত। এই অঙ্গটি এক সময় আমাদের প্রাইমেট পূর্ব পুরুষদের দেহে লেজের অংশ হিসাবে অনেক কাজে লাগলেও এখন তা আমাদের কাছে শুধুই স্মৃতিচিহ্ন। আশ্চর্য্যজনক হলেও একথা সত্যি যে কিছু কিছু মানুষের দেহে খুবই বেসিক লেভেলের লেজের মাস্‌ল পাওয়া যায় যা কিনা বানর এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের লেজের সাথে হুবুহু মিলে যায়। যেহেতু আমাদের হাঁড়ের অংশটা নড়েনা তাই এই মাস্‌ল গুলোও কোন কাজে আসে না। আর যাদের মধ্যে এই মাস্‌ল গুলি আছে তারা নিজেরাও হয়ত জানেনা যে এই মাস্‌ল নিয়ে তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। এখানে কয়েকদিন আগে ব্লগে দেখা একটা ইন্টারেস্টিং পোস্টের লিঙ্ক দিলাম। চাইলে দেখে আসতে পারেন। আমি নিশ্চিত বেশিরভাগ ব্লাগারেরই এসম্পর্কে কোন আইডিয়া ছিলোনা বা নাই।







এরকম আরেকটি মাস্‌লের উপস্হিতি টের পাওয়া যায় শীতকালে অথবা খুব বেশী ভয় পেলে। এদের বলা হয় এরেক্টর পিলি (Arrector Pili)। অতি ক্ষুদ্র এই মাসলগুলো দেহের প্রতিটা লোমের নিম্নাংশে সংযুক্ত থাকে। এরা যখন সংকুচিত হয় তখন লোমগুলি দাড়িয়ে যায়, আমরা যেটাকে বলি "Goose Bump"। এরকম বলার কারণ হলো দেখতে অনেকটা পালক ওঠা হাঁসের মত লাগে বলে। "Goose Bump" কিংবা এই মাস্‌ল গুলোর কোন কার্যকারীতা আমাদের দেহে নেই। অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে খুব ঠান্ডার সময় এগুলো তাদের লম্বা পশমকে উত্থিত করে তাদেরকে ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা করে। অনেক সময় অন্য প্রাণী দ্বারা আক্রান্ত বোধ করলে তাদের প্রকৃত আকার থেকে বড় দেখাতে সাহায্য করে। বিড়ালের কথা চিন্তা করলে ব্যাপারটা বুঝতে সুবিধা হবে। বিড়াল যখন আক্রান্ত বোধকরে তখন ওদের লোমগুলি ফুলে ফেপে ওঠে। আমাদের দেহেও স্মৃতি হিসাবে রয়ে যাওয়া "Goose Bump" ঠিক একই হরমোন বা উদ্দীপকের কারণে ঘটে থাকে; ঠান্ডা অথবা অতিরিক্ত এড্রেনালিন বৃদ্ধির কারণে।







আরেকটি উদাহরণ হলো: আপনি যদি আপনার কান নাড়াতে পারেন তবে তার মানে হলো আপনি বিবর্তনের স্বাক্ষী। আমাদের মাথার চামড়ার নিচে তিনটি মাস্‌ল কানের সাথে সংযুক্ত থাকে। বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই এই মাসলগুলো অকেজো। বিড়াল এবং ঘোড়ার মত অন্যান্য প্রাণীরা এই একই মাস্‌ল ব্যবহার করে তাদের কান নাড়াচাড়া করে থাকে শব্দের উৎসস্হল নির্দিষ্ট করার জন্য। এই সমস্ত প্রাণীদের ক্ষেত্রে কান নাড়ানোর এই টেকনিকটা শিকারী প্রাণী অথবা তাদের বাচ্চাদের উপস্হিতি টের পাওয়া সহ আরো কিছু কাজে সাহায্য করে থাকে। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এটা শুধুমাত্রই অন্যদের মজা দেয়া ছাড়া আর কোন কাজে লাগে না।



নীচের ছবিটাতে উপরে উল্লেখিত অঙ্গ বা মাস্‌লগুলো সহ মানব দেহের আরও বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ঠ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে যেগুলাকে মনে করা হয় আমাদের দেহে বিবর্তনের ফলে রয়ে যাওয়া কিছু অপ্রয়োজনীয় বৈশিষ্ঠ্য।







অপ্রয়োজনীয় এই অঙ্গগুলোকে শুধুমাত্রই বিবর্তনের আলোকে দেখলেই তাদের মানে খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে অপ্রয়োজনীয় অঙ্গের ক্রমান্ময়ে বিলীন হয়ে যাওয়া বা নতুন কোন কাজের উপযোগী করে পরিবর্তিত হতে হলে যেরকমটি হওয়া দরকার এই অঙ্গগুলিও ঠিক সেরকম এক অবস্হায় আছে। আমরা যদি ধরে নেই যে কেউ আমাদের স্পেশাল ডিজাইনের মাধ্যমে বানিয়েছে তবে আমাদের দেহে ক্ষতিকর এ্যাপেন্ডিক্স কিংবা সিলি (Silly) কানের মাস্‌লের উপস্হিতি কোনভাবেই ব্যাখ্যা করা যায় না।



সূত্র:

১) Why Evolution is true: Jerry Coyne, Professor of Ecology and Evolution, University of Chicago

২) গুগল চিত্রসম্ভার





মন্তব্য ১৭০ টি রেটিং +৫৫/-১০

মন্তব্য (১৭০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:২৬

সার্জন বলেছেন: তুমি চিকিৎসা বিজ্ঞানেন ছাত্র নও বলে মনে হচ্ছে। সার্জন হওয়ায় বহুবার এটিকে কেটে ফেলেছি। তবে এ্যাপেনডিস্ক অপ্রয়োজনীয় এমনটা বলা মুর্খের কাজ।
মাইক্রোস্কোপে এর লেয়ালে অসংখ্য লিম্ফয়েড ফলিকল পাওয়া যায় তাই এটি ইন্টেস্টিনাল টনসিল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও B লিম্ফোসাইট ও T লিম্ফোসাইট এন্টিবডি তৈরীতে সহায়তা করে।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৩

হোরাস্‌ বলেছেন: এগুলো আপনি Jerry Coyne, Professor of Ecology and Evolution, University of Chicago এই ভদ্রলোককে লিখে পাঠান। মূল লেখাটা ওনার। উনি আরও বলেছেন "তবে এই ছোট উপকারটি (গুলো) এ্যাপেনডিক্স থাকার কারণে যে অসুবিধাগুলো হতে পারে তার তুলনায় কিছুই না।"

তুমি যে আমার দোস্ত মানুষ জানা ছিলো না। তুমি ভালো আছোতো?

২| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:২৭

মইন বলেছেন: ভালো।

৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩২

নষ্ট কবি বলেছেন: হা ভাই দেখুন- আমি ও আপনাদের মতো বান্দরের বংশধর.........

হাহাহাহাহা

ভালো লাগলো.........

কলেজে এই জিনিস নিয়া আমি বিজ্ঞান মেলায় এটা নিয়ে একটা প্রজেক্ট করেছিলাম। আমাদের মাথামোটা স্যারেরা ইসলাম বিরোধী বলে আমাকে টেষ্টেই ফেল করিয়ে দিয়েছিলো............

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৫

হোরাস্‌ বলেছেন: আমাদের মাথামোটা স্যারেরা ইসলাম বিরোধী বলে আমাকে টেষ্টেই ফেল করিয়ে দিয়েছিলো............

হা হা হা ....

আসলে আমার হাসির বদলে কাঁদা উচিৎ!!! এই যদি শিক্ষকদের অবস্হা হয় তাহলে ছাত্ররা কি শিখবে।

৪| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৪

ব্লাড বিডি ডট কম বলেছেন: /:)

৫| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৪

বিডি আইডল বলেছেন: আমি আমার দুই কানই নাড়তে পারি...আর আমার লেন্জার হাড়ঁটার কারণে দীর্ঘসময় বসে থাকলে ব্যাথা করে ওইটা!

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৮

হোরাস্‌ বলেছেন: কোনটা ব্যাথা করে .. হাঁড়টা?

৬| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৭

শয়তান বলেছেন: একসময়কার জনপ্রিয় বাংলাদেশী কৌতুক অভিনেতা রবিউল কিন্তু কান নাড়াইতে পাতেন । টিভিতে আমরা দেখছি :#)

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৯

হোরাস্‌ বলেছেন: আরেকজন পাওয়া গেছে, ৬ নম্বর কমেন্ট দেখেন।

৭| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৭

দুখী মানব বলেছেন: জটিল পোস্ট :-B :-B

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪০

হোরাস্‌ বলেছেন: জটিল একটা ধন্যবাদ দিলাম। :)

৮| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৮

স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: পরিশ্রমী অসাধারণ একটি পোস্টের জন্য কৃতজ্ঞতা রইলো

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪১

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ধৈর্য্য নিয়ে পড়ার জন্য।

৯| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪১

দুখী মানব বলেছেন: ব্লগের সব ডাক্তার কে এই পোষ্ট টি পড়ে দেখতে অনুরোধ করছি

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৪

হোরাস্‌ বলেছেন: খুবই দরকারী একটা পোস্ট।

১০| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪১

সার্জন বলেছেন: তোমার লেখাটা কিছু বেসিক ধারণার দিক দিয়ে সত্য। অনেকটা গ্রাম্য ডাক্তারের মত যারা জ্বর মেপে এন্টিবায়োটিক দেবার চেষ্টা করে, তারা সঠিক নয় আবার ভুল ও নয়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে গ্রাম্য ডাক্তারদের বলতে শুনি তারা নাকি FCPS পাশ করাদের চেয়ে বেশী জানে।

তোমার কমেন্টে একটু খোটা দেবার আভাস দেখে এই কমেন্ট লিখতে বসলাম। আমি মেডিকেল স্টুডেন্ট নই। পুরোদস্তর প্রফেশনাল। হয়তো তোমার যখন জন্ম তখন থেকেই মেডিকেল সায়েন্স পড়ছি। ছোটদের কিভাবে বোঝানোর প্রয়াসে আমি যাই না। ভালো লাগলো তোমার উৎসাহ দেখে।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৪

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনি যখন বলছেন, "তোমার লেখাটা কিছু বেসিক ধারণার দিক দিয়ে সত্য।" তার মানে আপনি আসলে বলছেন Jerry Coyneর লেখাটা বেসিক ধারণার দিক দিয়ে সত্য। ভালো।

"কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে গ্রাম্য ডাক্তারদের বলতে শুনি তারা নাকি FCPS পাশ করাদের চেয়ে বেশী জানে।" -- এটা কিন্তু আপনার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে সেটা ভেবে দেখেছেন? কারণ মূল লেখক একজন Professor (Ecology and Evolution)।

আমি আমার হাঁটুর বয়সী ছেলেদের আপনি করে বলি। তাই কেউ যদি আমাকে তুমি বলে তবে আমার মেজাজ খারাপ হয়। ব্যাপারটা মনে হয় এর চেয়ে বেশী বলার আর দরকার হবে না।

আপনি বলেছেন, "হয়তো তোমার যখন জন্ম তখন থেকেই মেডিকেল সায়েন্স পড়ছি। " -- তার মানে আপনি পুরোনো দিনের জ্ঞান নিয়েই হয়ত পরে আছেন এখনো। আমরা আধুনিক বই-পত্র পড়ছি। ;)

১১| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৩

বিডি আইডল বলেছেন: হ্যা...আমার মনে হয় আমার ওই হাড়ঁ বাইরের দিকে বেশি বেকেঁ আছে

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৫

হোরাস্‌ বলেছেন: তারমানে আপনার টেইল বোনটা স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশিই লম্বা।

১২| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৬

টানজিমা বলেছেন: আবার বান্দর হইতে মুন্ছায়........ /:) /:) /:)

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৮

হোরাস্‌ বলেছেন: তানিমের সাথে যুগাযুগ করেন।

১৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৮

অরণ্য সৌভিক বলেছেন: প্রিয় পোস্টে। আসলে এরকম জিনিষগুলো সামনে তুলে ধরা উচিৎ। কারন বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে রয়েছে চরম মিথ্যাচার। অনেকেই প্রচার করেন যে, বিবর্তন তত্ত্ব ভুয়া। একথা সত্যি এ তত্ত্ব সর্বত্র গ্রহণযোগ্য এবং প্রমানিত নয়। কিন্তু একই সাথে এটাও সত্য যে, এর চাইতে গ্রহণযোগ্য বৈজ্ঞানিক কোন প্রমান আমাদের কাছে নেই, যার দ্বারা এটাকে রিফুইট করা সম্ভব। কিছুদিন আগে এ্যামেরিকান সায়েন্টেফিক এ্যাসোসিয়েশনের একটা রিপোর্ট পড়ছিলাম, সেখানের একটা কথা খুব ভাল লাগে যে, থেওলজ্যিকাল পারসপেকটিভ-টা বিজ্ঞান ক্লাসে ঢোকার আগে তার বাইরে রেখে আসলেই ভাল। শুধু বিশ্বাসের জোড়ে কাউকে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া উচিৎ নয়। সে-টা ছাত্রদের সাথে প্রতারণা।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৩

হোরাস্‌ বলেছেন: আমেরিকায় তো আইডি'র লোকজন সারাক্ষনই এগুলা নিয়ে পেচাইতেছে।


আমার নিজেরই একটা পোস্ট ছিলো এটা নিয়ে: বিবর্তনবাদ - বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসাবে প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু তবুও বিতর্কের শেষ নেই! Click This Link

পোস্টটার শেষ দুইটা কমেন্ট পড়েন। ব্যপক বিনোদন।

১৪| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫০

জিকসেস বলেছেন: B:-) :-B

১৫| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫১

শয়তান বলেছেন: বিডি আইডল এক্সরে করায়া সিউর হইতে পারেন

১৬| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৭

সার্জন বলেছেন: আসিফ মহিউদ্দীন : বেয়াদবী করে কেউ বড়ো হয় নি সেটা, ব্লগ হোক আর বাস্তব হোক। তুমি বয়সে আমার ছেলের সমান হতে পারো। জীবনে বড় হতে হলে একটা জিনিষের ব্যাপারে সতর্ক হয়ো, মুরুব্বিরা যেন তোমার কথায় কষ্ট পেয়ে বদদোয়া না করে।
ভালো থেক।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৫

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনি সবার বয়স সম্পর্কে এত নিশ্চিত হচ্ছেন কিভাবে? আপনার এই হামবাগ ভাবটা ছাড়তে পার্ছেন না কেন?

১৭| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১০

সায়েম মুন বলেছেন: :|

১৮| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৭

গরম কফি বলেছেন: আমিও কিন্তু কান নাড়াতে পারি তবে সব সময় না ... রহস্য টা বুঝলাম না ... ছোট বেলায় যত বাদরামো করেছি তাতে মনে হয় লেজের ব্যাপারটাও সত্য হতে পারে হা হা হা ...

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:২৮

হোরাস্‌ বলেছেন: পোস্টে একটা লিঙ্ক দিছি। ঐটা ধরে গেলে লেজের ব্যাপারটাও জানতে পারবেন। ;)

১৯| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৩

বিডি আইডল বলেছেন: কমান্ডার স্পক এর মত আমি দুইহাতে এই ভি টাও করতে পারি...যদিও এইটার সাথে বির্বতনের কোন বিষয় থাকার কথা না...ছোটবেলা থেকেই দুষ্টামি করে করা হয়...



@শয়তান...এক্সরে করে কি বিশেষ কিছু পাওয়া যাবে? এইগুলা সবার ভিতরেই থাকার কথা...

@লেখক...ছেলেদের স্তনটা বাদ দিয়েছেন

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৩০

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনি দেখি বিজ্ঞানীদের কাছে চলমান স্পেসিমেন হতে পারবেন। শেষ ছবিটাতে বাকীগুলোও চিহ্নিত করা হয়েছে। সগুলো নিয়ে আর ডিটেইলে গেলাম না।

২০| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৯

কঠিনলজিক বলেছেন: গভীর অন্ধকার থেকে হটাৎ আলোতে আসলে চারো পাশ অনদ্ধকার লাগে। আপনার দশাও তাই । হটাৎ করে কিছু জানামাত্রই সিদ্ধান্ত ঘোষনা করলেন
"এ্যাপেনডিস্ক নিরেট অপ্রয়োজনীয়"
দ্বিতিয় সিদ্ধান্ত দিলেন
"আমরা যদি ধরে নেই যে কেউ আমাদের স্পেশাল ডিজাইনের মাধ্যমে বানিয়েছে তবে আমাদের দেহে ক্ষতিকর এ্যাপেন্ডিক্স কিংবা সিলি (Silly) কানের মাস্‌লের উপস্হিতি কোনভাবেই ব্যাখ্যা করা যায় না।"
একজন Professor of Ecology Jerry Coyne এর একটা প্রবন্ধ পইরা সবকিছু অন্ধকার মনে হওয়াই স্বাভাবিক ।
আরো পড়াশুনা করুন অনেক কিছুই পরিস্কার হবে ।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৩৮

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়লেই বোঝা যায় ইউ হ্যাভ নো ফ্রিকেন আইডিয়া এবাউট মি অর মাই রাইটিংস। যাউকগা। সেটা ব্যাপার না।

আপনি কইলেন, ""এ্যাপেনডিস্ক নিরেট অপ্রয়োজনীয়" এটা কখন বললাম। আমি বলেছি,"আমাদের দেহে পরিপাক তন্ত্রে ইনফেকশন হলে কখনও কখনও কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া হয়ত এ্যাপেনডিক্সে আশ্রয় নিয়ে থাকে। তবে এই ছোট উপকারটি এ্যাপেনডিক্স থাকার কারণে যে অসুবিধাগুলো হতে পারে তার তুলনায় কিছুই না।যদি এ্যাপেনডিক্সের উপকার এবং অপকারের মধ্যে একটা তুলনামূলক আলোচনা করি তবে দেখা যাবে আমাদের দেহে এটা থাকার কোন যৌক্তিকতা নেই। এ্যাপেনডিক্স কেটে ফেললে তার কোন খারাপ প্রতিক্রিয়া আমাদের শরীরে হয় না।"

পারলে শেষ লাইনটা রিফিউট করেন। এত উপকারী হইলে এপেনডিক্স কেটে ফেললে অবশ্যই তার সিরিয়াস ইফেক্ট হওয়ার কথা। অপেক্ষায় রইলাম।

২১| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৯

আরিফুর রহমান বলেছেন: এই সার্জন সম্পর্কে আমার অভিমত, আবালটা শিবিরেরই কোন মেডিকেল স্টুডেন্ট হবে।

আমরা সবাই জানি মেডিকেলে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এদের কি পরিমান সমর্থক আছে।

তাদেরই কোন আবাল এসে ভাব মারাচ্ছে।

একে একটু ডলা দিয়ে আমরা আমাদের আলোচনায় ফিরতে পারি।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪০

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনার কথা সত্যি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক।

২২| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৩

অরণ্য সৌভিক বলেছেন: আরিফ ভাই: আমারো তাই ধারণা। তার পোস্টগুলিতে লেখার ধরণ-ই বলে দেয় সে খুব একটা বয়ষ্ক নয়।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪১

হোরাস্‌ বলেছেন: আমারও তাই মনে হচ্ছে।

২৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫৩

আরিফুর রহমান বলেছেন:

২৪| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:১৩

স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: কারও কারও মতে আমাদের দেহে পরিপাক তন্ত্রে ইনফেকশন হলে কখনও কখনও কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া হয়ত এ্যাপেনডিক্সে আশ্রয় নিয়ে থাকে।

Some scientists think they have figured out the real job of the troublesome and seemingly useless appendix: It produces and protects good germs for your gut.

That’s the theory from surgeons and immunologists at Duke University Medical School, published online in a scientific journal this week.

For generations the appendix has been dismissed as superfluous. Doctors figured it had no function. Surgeons removed them routinely. People live fine without them.

And when infected the appendix can turn deadly. It gets inflamed quickly and some people die if it isn’t removed in time. Two years ago, 321,000 Americans were hospitalized with appendicitis, according to the Centers for Disease Control and Prevention.

The function of the appendix seems related to the massive amount of bacteria populating the human digestive system, according to the study in the Journal of Theoretical Biology. There are more bacteria than human cells in the typical body. Most of it is good and helps digest food.

'A good safe house'
But sometimes the flora of bacteria in the intestines die or are purged. Diseases such as cholera or amoebic dysentery would clear the gut of useful bacteria. The appendix’s job is to reboot the digestive system in that case.

The appendix “acts as a good safe house for bacteria,” said Duke surgery professor Bill Parker, a study co-author. The location of the appendix — just below the normal one-way flow of food and germs in the large intestine in a sort of gut cul-de-sac — helps support the theory, he said.


http://www.msnbc.msn.com/id/21153898/

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৬

হোরাস্‌ বলেছেন: Surgeons removed them routinely. People live fine without them. এই লাইনটা খেয়াল করেন। এপেনডিক্স কেটে ফেললে তার কোন খারাপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়না। কেন?

Two years ago, 321,000 Americans were hospitalized with appendicitis,


আসলে এর উপকারীতার চেয়ে অপকারীতার রিস্ক অনেক বেশী। আমাদের দেহে একটা অঙ্গ উপকারের চেয়ে অপকার করার ক্ষমতা রাখে বেশী। ব্যাপারটা চিন্তার বিষয় না? কেন এমন হলো?

২৫| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:২০

সজীব আকিব বলেছেন: পড়ে বেশ ভালো লেগেছে। প্রিয়তে ও +

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৭

হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:২৬

বোবা ছেলে বলেছেন:

-

আরিপুরের কমেন্ট দেখেই বুজলাম , লেখকের এই পো্ষ্টের উদ্দেশ্য কী|

আমি নিশ্চিত লেখক এখনো বিবর্তনের খুবই ক্রিটিক্যাল স্টেজে আছেন, পুরোপুরি মানুষ হইতে আরো কিছু সময় লাগবে.......... :):)

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৮

হোরাস্‌ বলেছেন: পোস্টের উদ্দেশ্য বিবর্তন যে সত্যি সেটা সবাইকে জানানো। সেটা পোস্টেও বলেছি। আপনি এমন আহামরী কিছু আবিস্কার করেন নাই। এত বুদ্ধি নিয়া ঘুমান কেমনে?

২৭| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:৪২

সাকীব বলেছেন: আমি কান নাড়াতে পারি। :D

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৯

হোরাস্‌ বলেছেন: তাইলেতো আপনিও বিবর্তনের স্বাক্ষী।

২৮| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:১৫

অলিন্দ বলেছেন:

বিবর্তন বিষয়ক টপিকে অযথা বিতর্ক সৃষ্টি প্রসঙ্গে:

বিবর্তন নিয়ে অনেকেরই এলার্জি আছে... এটা হাস্যকর!!!! কারণ অনেকেরই ধারণা এটা ইসলাম এর কনসেপ্ট পরিপন্থী.... এটা ইসলাম সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণার ফসল...

ধর্মের কারণে বিজ্ঞানের কোন সুত্র বা থিউরি তে এলার্জি বোধ করাটা তার অবৈজ্ঞানিক মানুসিকতার যেমন পরিচায়ক তেমনি সংকীর্ণ ধর্ম জ্ঞানেরও প্রমান বহন করে।

তেমনি বিবর্তনবাদকে ব্যবহার করে স্রষ্টার অস্তিত্ব ভুল প্রমান করার চেষ্টাও নাস্তিক ভাইদের দেখা যায়। সেটাও হাস্যকর তাই বর্জনীয়।

একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি:
ব্লগের নাস্তিকেরা যে বিজ্ঞানকে পুজি করে ধর্মের(যে কোনো ধর্ম) অসারতা প্রমান করার চেষ্টা করেন, তারা বিজ্ঞানের 'ব'ও জানেন না... ধর্ম সম্পর্কে তো কোনো জ্ঞানই নেই(যার বিপক্ষে বলবেন সেটাও তো ভালো ভাবে জানতে হবে)

আবার যারা ধর্ম প্রচারক(?) ব্লগার আছেন তারা ধর্মীয় গোড়ামীতে আচ্ছন্ন। ধর্মের ছোট খাটো কয়েকটা জিনিস জেনেই মনে করেন ধর্মের রক্ষক হয়ে গেছেন। বিজ্ঞানকে মনে করেন প্রতিপক্ষ।


২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৫৫

হোরাস্‌ বলেছেন: তেমনি বিবর্তনবাদকে ব্যবহার করে স্রষ্টার অস্তিত্ব ভুল প্রমান করার চেষ্টাও নাস্তিক ভাইদের দেখা যায়। সেটাও হাস্যকর তাই বর্জনীয়।

--
আমিতো সেটা বলিনি। আমি বলেছি এটা কারও ডিজাইন করা হলে এমনটা হওয়ার কথা না। এখন আপনি যদি বলেন সৃস্টিকর্তা গাইডেড দ্য হোল প্রসেস। তবে সেটা হওয়ার সম্ভাবনাও নেই কাড়ন তাহলে প্রাকৃতিক নির্বাচন, সেক্সুয়্যাল নির্বাচন এবং কিন সিলেকশন গুলা ভ্যালিড হওয়ার কথা না। এই প্রসেসগুলা কোনভাবেই গাইডেড নয়। আর যদি বলেন সৃষ্টিকর্টা তার প্রকৃতিকে আপন নিয়মেই বিবর্তন হতে দিয়েছে। সেক্ষেত্র তো আমার কথাই সত্যি, এটা ডিজাইন করা না।

২৯| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৪৩

কাকপাখি ২ বলেছেন: এরকম আরেকটি মাস্‌লের উপস্হিতি টের পাওয়া যায় শীতকালে অথবা খুব বেশী ভয় পেলে। এদের বলা হয় এরেক্টর পিলি (Arrector Pili)। অতি ক্ষুদ্র এই মাসলগুলো দেহের প্রতিটা লোমের নিম্নাংশে সংযুক্ত থাকে। এরা যখন সংকুচিত হয় তখন লোমগুলি দাড়িয়ে যায়, আমরা যেটাকে বলি "Goose Bump"।

The erector pili muscle is what makes the hair on a persons arm stand up. It helps

1. maintain homeostasis &

2. muscle contraction helps keep a person warmer when cold.

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০৫

হোরাস্‌ বলেছেন: আমিওতো বল্লাম এগুলো স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখিদের ক্ষেত্রে বেশ কাজের।

আপনার লিঙ্কে পেলাম Human homeostasis refers to the body's ability to physiologically regulate its inner environment to ensure its stability in response to fluctuations in the outside environment and the weather. The liver, the kidneys, and the brain (hypothalamus, the autonomic nervous system and the endocrine system[1]) help maintain homeostasis. The liver is responsible for metabolizing toxic substances and maintaining carbohydrate metabolism. The kidneys are responsible for regulating blood water levels, re-absorption of substances into the blood, maintenance of salt and ion levels in the blood, regulation of blood pH, and excretion of urea and other wastes.

কিন্তু এখানে এরেক্টর পিলির কোন কথাতো পেলাম না।

৩০| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৪৭

কাকপাখি ২ বলেছেন: ভাই, আপনের এই পোষ্ট জোর কইরা চাপায় দেওয়া টাইপ মনে হইতেছে। যদিও আমি এই সাবজেক্টের লোক না, তার পরেও নেট এ কিছু ঘাটাঘাটি কইরা দেখলাম আপনের দেওয়া তথ্যগুলার মধ্যে অনেক সমস্যা আছে।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০৬

হোরাস্‌ বলেছেন: আইচ্ছা। আপনি জানতেন না অথচ পোস্ট পড়ে সিদ্ধান্ত নিলেন এগুলা বানানো তাই আপনি নেটে সার্চ শুরু করলেন। ভালো।

৩১| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৫৩

কাকপাখি ২ বলেছেন: মেরুদন্ডের শেষপ্রান্তে বেশ কয়েকটি হাঁড় সংযুক্ত হয়ে যে ত্রিভূজাকৃতির একটি অস্হিকাঠামো তৈরী করে সেটাই কক্সিস নামে পরিচিত। এই অঙ্গটি এক সময় আমাদের প্রাইমেট পূর্ব পুরুষদের দেহে লেজের অংশ হিসাবে অনেক কাজে লাগলেও এখন তা আমাদের কাছে শুধুই স্মৃতিচিহ্ন

শুধুই স্মৃতিচিহ্ন???? আপনে নিশ্চিত তো? নাকি নিচের বিষয়গুলা মিস কইরা গেছেন?

১। it is an important attachment for various muscles, tendons and ligaments — which makes it necessary for physicians and patients to pay special attention to these attachments when considering surgical removal of the coccyx

২। it is also part of the weight-bearing tripod structure which act as a support for a sitting person. When a person sits leaning forward, the ischial tuberosities and inferior rami of the ischium take most of the weight, but as the sitting person leans backward, more weight is transferred to the coccyx.

সুত্রঃ উইকিপিডিয়া।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১০

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনার ১ নম্বরের লাইনগুলা যেখান থেকে শুরু হয়েছে ঠিক তার আগের লাইনটা হলোঃ In humans and other tailless primates (e.g. great apes) since Nacholaphitecus (a Miocene hominoid)[the coccyx is the remnant of a vestigial tail,

আশা করি লাইনটার মানে আপনকি বুঝতে পেরেছেন। বিশেষ করে vestigial শব্দটা। না পারলে বলবেন। অনুবাদ করে দেব। তবে তার দরকার হওয়ার কথা না। কারণ পরের লাইনগুলার মানে আপনি ঠিকই বুঝেছেন।

৩২| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৩০

স্তব্ধতা' বলেছেন: চমৎকার লেখা।একটা জিনিস পারলে জানাবেন, এপেন্ডিক্সটা পূর্বপুরুষদের শরীরে কি কাজ করতো।+++++++

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১২

হোরাস্‌ বলেছেন: পোস্টে বলা আছে তো। প্রাণীদের ক্ষেত্রে সেলুলোজকে ভেঙ্গে শরীরের জন্য উপযোগী শর্করায় পরিণত করতে সাহায্য করে।

৩৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৩৫

আমি ভাল আছি বলেছেন: কাজে লাগে না কে বলল? এপেনডিক্স কাটতে কত্ত ডাক্তারের কাজ লাগছে:P

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৩

হোরাস্‌ বলেছেন: ডাক্তারদের পকেট ভারী করতে সাহায্য করে।

৩৪| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:১০

প্রচ্ছদ বলেছেন: আবাল োদা 'সার্জন' নিকটাতো ভালোই বিনোদন দিতাছে =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৪

হোরাস্‌ বলেছেন: আরে আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম। অবশ্য আমি নিজেই নিয়মিত না।

৩৫| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:৪৩

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আমগো পুরোহিত হোরাসের বিজ্ঞানের নামে অপবিজ্ঞান প্রচারের জন্য বলে-কয়ে মাইনাস। এক, অ্যাপেনডিক্সের কাজ যে ইতোমধ্যে বিজ্ঞানীরা বের করেছেন সেটা আমগো পুরোহিত সাহেব জানেন না। দুই, এমনকি এ পর্যন্ত অ্যাপেনডিক্সের কাজ না আবিষ্কার হলেও তাতে প্রমাণ হয় না যে অ্যাপেনডিক্সের কোন কাজ নাই। এই ধরণের চিন্তাভাবনাই অবৈজ্ঞানিক। তিন, অ্যাপেনডিক্সের কোন কাজ না থাকা মানে প্রমাণ হয় না যে লেজঅলা প্রাণী থেকে বোবা-কালা-অন্ধ-অচেতন ও উদ্দেশ্যহীন প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমগো পুরোহিত আর তার মুরিদরা বিবর্তিত হয়েছে! হয় কি? তাহলে দেখা যাচ্ছে আমগো পুরোহিত বিজ্ঞান আর যুক্তি উভয়েই বেশ কাঁচা, যদিও ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষে বেশ পাকা বলেই মনে হয়! যাহোক, নীচের লিঙ্ক থেকে অ্যাপেনডিক্সের কাজ জেনে নেয়া যেতে পারে।

Evolution Of The Human Appendix: A Biological 'Remnant' No More

ScienceDaily (Aug. 21, 2009) — The lowly appendix, long-regarded as a useless evolutionary artifact, won newfound respect two years ago when researchers at Duke University Medical Center proposed that it actually serves a critical function. The appendix, they said, is a safe haven where good bacteria could hang out until they were needed to repopulate the gut after a nasty case of diarrhea, for example.

Now, some of those same researchers are back, reporting on the first-ever study of the appendix through the ages. Writing in the Journal of Evolutionary Biology, Duke scientists and collaborators from the University of Arizona and Arizona State University conclude that Charles Darwin was wrong: The appendix is a whole lot more than an evolutionary remnant. Not only does it appear in nature much more frequently than previously acknowledged, but it has been around much longer than anyone had suspected.

"Maybe it's time to correct the textbooks," says William Parker, Ph.D., assistant professor of surgical sciences at Duke and the senior author of the study. "Many biology texts today still refer to the appendix as a 'vestigial organ.'"

বিস্তারিত: Click This Link

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৯

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনি মিথ্যাচার কি থামবে না। আমি কি বলেছি এপেনডিক্সের কোনই উপকারীতা নেই। পোস্ট না পড়েই পাইছি বলে লাফায়া পরলে তো হবে না। তাইলে তো তালগাছ আপনাকে দিতে না পারলে ম্যালা দুঃখ পামু।

আপনি কইলেন is a safe haven where good bacteria could hang out until they were needed to repopulate the gut after a nasty case of diarrhea, for example.

আর আমি কইলাম আমাদের দেহে পরিপাক তন্ত্রে ইনফেকশন হলে কখনও কখনও কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া হয়ত এ্যাপেনডিক্সে আশ্রয় নিয়ে থাকে।

দুইটার মধ্যে তফাৎ কি হুজুর সাহেব?

তবে এই ছোট উপকারটি এ্যাপেনডিক্স থাকার কারণে যে অসুবিধাগুলো হতে পারে তার তুলনায় কিছুই না।যদি এ্যাপেনডিক্সের উপকার এবং অপকারের মধ্যে একটা তুলনামূলক আলোচনা করি তবে দেখা যাবে আমাদের দেহে এটা থাকার কোন যৌক্তিকতা নেই। এ্যাপেনডিক্স কেটে ফেললে তার কোন খারাপ প্রতিক্রিয়া আমাদের শরীরে হয় না।"

পারলে শেষ লাইনটা রিফিউট করেন। এত উপকারী হইলে এপেনডিক্স কেটে ফেললে অবশ্যই তার সিরিয়াস ইফেক্ট হওয়ার কথা। অপেক্ষায় রইলাম।

৩৬| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০৪

দুরের পাখি বলেছেন: ওহে হয়রান আবালচোদা, যত্রতত্র লিংক না চোদাইয়া বাংলায় বুঝাইয়া কও । অ্যাপেনডিক্স কাইট্যা ফালায় প্রতি বছর হাজার হাজার লোক, তারা এই অ্যাপেনডিক্সের শোকে দুঃখে বা কাইট্যার ফালানির পরে দুইদিন আগে পরে মারা গেছে কিনা কেউ ?

২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২০

হোরাস্‌ বলেছেন: এপেনডিক্স কেটে ফেললে অবশ্যই তার সিরিয়াস ইফেক্ট হওয়ার কথা। এই পয়েন্টে কেউ কিছু কয় না ক্যান।

৩৭| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৩৪

অবয়ব বলেছেন: ম্যান ক্যান লিভ উইদাউট এপেন্ডিক্স বাট ডক্টরস ক্যান্ট। :D :D

কক্সিস বিবর্তনে রয়ে যাওয়া একটা অংশ হলেও অপ্রয়োজনীয় নয় কিন্তু । এর সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন মাংস্পেশীর সংযোগ আছে যেগুলো পেল্ভিক ফ্লোরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এগুলো দেখেও যারা ধর্মীয় বাধায় বিবর্তন অস্বীকার করেন, তারা অন্যান্য বৈজ্ঞানিক ব্যাপার (বিগ ব্যাং) যেভাবে ধর্মের সাথে সামঞ্জস্য করে নিছেন সেভাবে নিন না। মনে করেন মাটি দিয়া মানুষ বানানো এর মাঝে ইশ্বর হয়ত বিবর্তন ব্যবহার করেছিল। B:-) :-B

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৮

হোরাস্‌ বলেছেন: সমস্যা হইল আদম-হাওয়ার গল্পটা। গল্প, তা সে যতই উদ্ভট হোক না কেন সেটা বাতিল করা যাবে না।

৩৮| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৪২

কাকপাখি ২ বলেছেন: মানব দেহের কোন অংগের কি কাজ, সব কি জানা হইয়া গেছে? অনেক কিছুই এখনো জানা বাকি আছে। কাজেই ঢালাও ভাবে এই এই অংগ অপ্রয়োজনীয় বলা কতখানি যুক্তিযুক্ত?

পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। তবে পোষ্টের বিষয় বস্তুর সাথে আপনার নিজের অনেক কথায় গরমিল আছে।

ইচ্ছাকৃত ভাবে কিছু কিছু বিষয় ডি-হাইলাইট করার চেষ্টা করছেন। বিবর্তনবাদ প্রমান করার জন্য গায়ের জোর খাটানোর দরকার কি? সৎ ভাবে আলোচনা করেন, যাতে মানুষ নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫১

হোরাস্‌ বলেছেন: গত এক দেড়শ বছরে ডাক্তাররা যে লক্ষ লক্ষ এপেনডিক্স কেটে ফেলে দিয়েছে তাতে এতদিনে এপেনডিক্সের প্রয়োজনীয়তা বের হওয়ার কথা।

" থাইরয়েড ক্যান্সার হলে থাইরয়েড কেটে ফেলতে হয়। থাইরয়েডহীন রোগীকে পরবর্তী সারাজীবন প্রতিদিন থাইরয়েড কর্তৃক যোগান দেওয়া হরমোন যেমন থাইরক্সিন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে নিয়ে যেতে হয়। আগ্নাশয়ের ক্যান্সার হলে অগ্নাশয় কেটে ফেলা হয় এবং অগ্নাশয়হীন রোগীকে সারাজীবন ইনসুলিন সাপ্লিমেন্ট নিয়ে যেতে হয়। সাপ্লিমেন্টের অভাবে এরা মরে যাবে। অ্যাপেন্ডিক্স কেটে বাদ দিলে কি সাপ্লিমেন্ট নেওয়া লাগে? অ্যাপেন্ডিক্সের অভাব জীবের ফিটনেসের উপর ঠিক কি প্রভাব ফেলে? কিছুই না। ডাইজেসচনে অংশগ্রহন করে না অ্যাপেন্ডিক্স। ক্রিয়েশনিস্ট অনেকে বলে থাকেন অ্যাপেন্ডিক্স এন্টিবডি উতপাদন করে। সত্য নয়, বি লিম্ফোসাইট ছাড়া অন্য কোন কোষের বাবারও সাধ্য নেই এন্টিবডি বানানোর। তখন ক্রিয়েশনিস্ট বলে ওয়েল, অ্যাপেন্ডিক্স বিপুল পরিমানে ব্যাক্টেরিয়া হার্বার কোরে এন্টিজেনের যোগান দিয়ে এন্ডিবডি উতপাদন মেডিয়েট করে। তার মানে কি ব্যাক্টেরিয়া হার্বার করে খালি অ্যাপেন্ডিক্সই? মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল ট্রাক্টে যেই এক ট্রিলিয়ন ব্যাক্টেরিয়া রয়েছে তারা পর্যাপ্ত এন্টিজেনের যোগান দিতে পারে না?" -- আল্লাচালাইনা, আমার ব্লগ

৩৯| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৪৯

কাকপাখি ২ বলেছেন: বিবর্তনবাদ প্রমান করার জন্যআপনার গায়ের জোর খাটানোই প্রমান করে দেয় বিবর্তনবাদের দুর্বলতা কোথায়।

৪০| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২২

ডাইনোসর বলেছেন:

ভাল লাগল। আপনাকে প্রিয়তে নিলাম।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৫

হোরাস্‌ বলেছেন: খাইছে, আমাকেই প্রিয়তে নিলেন। ধন্যবাদ।

৪১| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২৭

শয়তান বলেছেন: পোস্টের থিকা কমেন্টে মজা বেশি হইতাছে ;)

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৬

হোরাস্‌ বলেছেন: হ, ব্যপক বিনোদন। :)

৪২| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩১

এস. এম. রায়হান বলেছেন: @হোরাস্ - "আপনার মিথ্যাচার কি থামবে না। আমি কি বলেছি এপেনডিক্সের কোনই উপকারীতা নেই।"

পুরোহিত সাহেবের মিথ্যাচারের হাতে-নাতে নমুনা,

"বিবর্তনের চিহ্ন হিসাবে এখনও আমাদের দেহে বেশ কয়েকটি অঙ্গ এবং মাসল্‌ রয়ে গেছে যেগুলা কিনা আমাদের কোন কাজেই লাগে নাএদের মধ্যে সবচাইতে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে এ্যাপেনডিক্স।"

যদিও আমি পুরোহিত সাহেবকে মিথ্যাবাদী বলিনি তথাপি তার স্বভাব হচ্ছে প্রমাণ ছাড়া অন্যকেই মিথ্যাবাদী বলে দোষী সাব্যস্ত করা। তো আমি কোথায় মিথ্যাচার করলাম প্রমাণ দেখান। আমি জেনে-শুনে কখনো মিথ্যাচার করি না বা যাকে-তাকে মিথ্যাবাদীও বলি না।

পুরোহিত সাহেবের দাবিকে বিজ্ঞান দিয়ে খণ্ডানো হয়েছে। এইটাই ছিল মূল পয়েন্ট। এবার অ্যাপেনডিক্স কেটে ফেললে শরীরে খারাপ প্রতিক্রিয়া হয় কি-না সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। যদি কোনই খারাপ প্রতিক্রিয়া না হয় তাহলে পুরোহিত সাহেব আজ অবদি তার অ্যাপেনডিক্স কেটে ফেলেননি কেন!

"এপেন্ডিক্স কেটে ফললে কি মানুষ মারা যায়?"

অপ্রাসঙ্গিক - এমন কোন দাবি আমি কোথাও করিনি। হাত বা পা কেটে ফেললেও তো মানুষ মারা যায় না। কিন্তু তাতে কি কিছু প্রমাণ হয়? আর আমার তিন নাম্বার প্রশ্নের জবাব কই, পুরোহিত সাহেব:

তিন, অ্যাপেনডিক্সের কোন কাজ না থাকা মানে প্রমাণ হয় না যে লেজঅলা প্রাণী থেকে বোবা-কালা-অন্ধ-অচেতন ও উদ্দেশ্যহীন প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমগো পুরোহিত আর তার মুরিদরা বিবর্তিত হয়েছে! হয় কি?

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৭

হোরাস্‌ বলেছেন: আপনার এইকমেন্টের আগেই একাধিকবার পোস্ট এবং কমেন্টে ব্যপারটা ক্লিয়ার করেছি। ষাঁড়েরে মত গোয়ার্তুমি না করলেও হবে। ৫৩ নম্বর কমেন্ট দেখে নিতে পারেন।
--------------------
যদি কোনই খারাপ প্রতিক্রিয়া না হয় তাহলে পুরোহিত সাহেব আজ অবদি তার অ্যাপেনডিক্স কেটে ফেলেননি কেন ----

হুজুরে পাক, আর ইউ এ মোরণ? এটা কাটতে পয়সা লাগে। পয়সা কি আপনার **** দেবে?
---------------

তিন নম্বরের উত্তরও দিয়েছি। এপেনডিক্স উপকারের চেয়ে অপকার করার ক্ষমতা বেশী তাই এটা প্রমাণ করে এটা ডিজাইন্ড না। বিবর্তন প্রমাণ করার জন্য এপেনডিক্সের কোন দরকার নেই। আরও অসংখ্য ভাবেই সেটা প্রমানিত।

৪৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩৩

এস. এম. রায়হান বলেছেন: 'দুরের পাখি' নিকের জংলী ছাগু তার বাবা-মা'র সাথেও এভাবে কথা বলে নিশ্চয়।

৪৪| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪১

আল মুজাহিদ বলেছেন: অনেক কিছুই বুঝলাম, জানলাম...............এর আগে কিছুই জানতামনা।


সোজা কথায়, নাবুঝইন্যার একটা প্রশ্ন......... বিবর্তনে এর মাধ্যমে মানুষ সামনে কই যাইবো।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১১

হোরাস্‌ বলেছেন: আগামী ১০০-১৫০ বছরে পশ্চিমা বিশ্বের মানুষের গড় হাইট ৬ ফুট ৩-৪ ইঞ্চিতে গিয়ে দাড়াবে।

আর মিলিয়ন বছর পরে কি হবে ... সেটা প্রেডিক্ট করা সম্ভব না।

৪৫| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২২

গরম কফি বলেছেন:
লিংক টিংক দিযা কা হবে ? পানিতে গুলাইয়া খাব কি?

টানজু @ যা আছো এটাই চলবে হাইটেক কিছুতে কনভাট হওয়ার আবশ্যকতা নাই জানু..

বিডি আইডল@ কি সব কমান্ডারের দরকরন নাই আমি ও দুই হাতে ভি তৌরিকরতে পারি .. এমন কি লিখতেও পারি ।

সয়তান @ আসলেই ঠীক বলেছেন ... তবে কমেন্ট যেদিকে যাচ্ছে তাতে মনে হয় আলচ্য বিষয় পাস কাটিয়ে যাচ্ছে।

আবয়ব ভাইয়ার মতামত প্রস্তাবটা গোড়া মোড়া গন বেবে দেখতে পারে হা হা হা ...




৪৬| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২৮

গরম কফি বলেছেন: ও আরেকটা সাইড টক সার্জন সাহেব যার হাটুতে ডাক্তার বান্ধা থাকে হেতে কই গেলো? আমরা বিনোদন চাই পিলিজ সার্জন আতী আপনি পিরে আসেন আপনার বানী নাযিল করুন পিলিজ ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

৪৭| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪৭

শয়তান বলেছেন: হয়রান কাগুরে নিত্য নিত্য এরম কৈরা তালগাছ দিয়া ধর্ষন করলে হয়রান ফ্যান কেলাব কৈলাম কঠুর আন্দুলনে যাইতে বাদ্য হৈবে । হ X(


=p~ =p~ =p~

৪৮| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১৬

মনির হাসান বলেছেন: আমার আপেন্ডিক্স কাটা হইছিল ২০০০'এ, এই ১০ বছরে সমস্যা হওয়া দুরের কথা টেরও পাইনা যে আমার কিছু নাই। প্যাটের লম্বা কাটা দাগটা ছাড়া। যেই আবালগুলা আপেন্ডিক্সের বহুবিধ উপকারীতা লইয়া চোদনামী করতে আইছে ওগুলারে উচিত ভর প্যাটে ফুটবল খ্যালায়া আপেন্ডীক্স পাকানোর। টের পাইবো কত আপেন্ডিক্সে কত মজা।


যাউক গা ... আবাল গুলারে বুঝায়া লাভ নাই। তালগাছ তাগোর থাউক। তালগাছ বুঝায় দিয়া হোরাস ভাই লাইনে থাইকেন। এগুলা কিছুক্ষন চ্যা চ্যা কইরা ঠান্ডা মাইরা যাইবো।


পিটার প্যানের লিঙ্কের পোস্ট হাওয়া ... কাহিনি কি?

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১৪

হোরাস্‌ বলেছেন: তাইতো, কি আজিব ব্যাপার? আমার ব্লগে প্রকাশিত পোস্টের লিঙ্ক দিয়ে আবার ঠিক করে দিয়েছি।

অ।ন।ন জুলাই ২৮, ২০১০ @ ২:১৭ অপরাহ্ন ২৬
সামুর মডারেটররা কোন প্রজাতির এইপ থেকে উদ্ভূত(বিবর্তনবাদ মানলে)? নাকি সৃষ্টিকর্তা তাদের দোজখ(অবশ্যই বেহেশত নয়) থেকে পৃথিবীতে ফিক্যা মারছে(বিবর্তনে অবিশ্বাস করলে)?

"মানুষের লেজ" পোস্ট টিকে গায়েব করে দিয়েছে তারা!

৪৯| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২২

রুবাইয়্যাত বলেছেন: হয়রান ভাই আশা করি পূর্বে মেয়েদের রজ:চক্রের মাঝে যেভাবে কোরআন হাদিস ঢুকিয়ে ব্লগে ইসলামি শক্তি পুন:প্রতিষ্ঠায় জিহাদি আক্রমন চালাইতাছেন ঠিক সেই রকম অ্যাপেনডিক্স নিয়ে দুয়েকটা গিয়ান ঝড়ানো পোস্ট হাজির করবেন।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১৬

হোরাস্‌ বলেছেন: অতি শীঘ্রী উনার কাছ থেকে দুয়েকটা ইউ টিউবের ভিডিও আশা করতেছি।

৫০| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১৯

প্রচ্ছদ বলেছেন: সবই মাইনলাম; তয় তালগাছ কিন্তুক আমাগো হইরু(ছাঃ)পীরের । এইখানে কুন আর্গুমেন্ট চল্বোনা।।। X( X( X(

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১৭

হোরাস্‌ বলেছেন: ঠিকাছে, কুন আর্গুমেন্টে আর যামু না। তালগাছ দিয়া দিলাম।

৫১| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭

আকাশের তারাগুলি বলেছেন: বিবর্তন বাদ তো চলমান প্রক্রিয়া হবার কথা,
এটা কি বন্ধ হয়ে গেছে। রিসেন্ট কোন বিবর্তন আছে, সে যে কোন প্রানী বা জীবেরই হোক।

গিয়ানীদের কাছে জানতাম মনচায়।

৫২| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২২

দুরের পাখি বলেছেন: @আকাশের তারাগুলি

খালি রিসেন্ট প্রমাণই না, আপনে ল্যাবে করতে পারেন এইরকম এক্সপিরিমেন্টও আছে । সরলদোলক দিয়া g এর মান যেমনে বাইর করা হয় এইরকম

http://en.wikipedia.org/wiki/Speciation

এইখানে দেখতারেন । মন চাইলে নিজেও করতারেন ।

৫৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭

পারভেজ আলম বলেছেন: হোরাস ভাই আবার ক্রিজে নামছেন, শাবাস। আপনেরে ফর্মে দেইখা মারাত্বক আনন্দ লাগতাছে। দারুন একটা কাজ করলেন আবার।

এই লেখায় তো খালি এপেন্ডিক্সের প্রসঙ্গই আসে নাই, আরো কিছু জিনিস আইছে। তবে কয়েকজনের মন্তব্য দেইখা মনে হইতাছে এপেন্ডিক্সের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠার উপড়েই নিজেগো জীবন মরণ ডিপেন্ড করতাছে।

আরো কিছু মন্তব্য পইড়া কান লারানের চেষ্টা করলাম অনেক্ষন :D । পারলাম না :|

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১৮

হোরাস্‌ বলেছেন: এই লেখায় তো খালি এপেন্ডিক্সের প্রসঙ্গই আসে নাই, আরো কিছু জিনিস আইছে। তবে কয়েকজনের মন্তব্য দেইখা মনে হইতাছে এপেন্ডিক্সের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠার উপড়েই নিজেগো জীবন মরণ ডিপেন্ড করতাছে।


যায়গা মত ধরছেন।

৫৪| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮

সার্জন বলেছেন: হা হা হা .... =p~ =p~ =p~ মাম্মু সময় কইরা আইসো আমার বাসায়

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৪৮

হোরাস্‌ বলেছেন: এখন বুঝলাম তুমি একটা আবাল ছাড়া আর কিছু না। তা আমার নিরীহ কমেন্টা এখনও ছাড়লা না যে?

৫৫| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩

আকাশের তারাগুলি বলেছেন: ল্যাবে করুম না, প্রাকৃতিক ভাবে চাই,
ল্যাবেতো মিয়া নুনু কাইটা দিলেও মুতবে।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২১

হোরাস্‌ বলেছেন: Click This Link

৫৬| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০

ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: চমৎকার ব্যালান্সড লেখা। কান, টেইলবোন, আর অ্যাপেন্ডিক্সের কথা আগে থেকেই জানতাম। তারপরেও এখানে ব্যাখ্যাগুলো গুছিয়ে অনুবাদ করেছেন। ভালো লাগলো।:)

একই ফালতু তর্ক করার সময় মানুষের এখনও আছে দেখে ক্লান্ত হলাম। এই বুদ্ধিহীন ডিবেট আর কতোদিন? তালগাছ আঁকড়ে ধরে হাউ কাউ! /:)

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৩

হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ। বিবর্তন নিয়ে পোস্ট দিলেই কারও কারও লেজে মনে হয় আগুন লেগে যায়। বালিতে মাথা গুঁজে আর কতদিন?

৫৭| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

প্রায়াপাস বলেছেন: ভেস্টিজিয়াল স্ট্রাকচার নিয়া যারা সন্দেহ প্রকাশ করে তারা অবশ্যই না জাইনাশুইনা ফাল পাড়তেছে।

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৫

হোরাস্‌ বলেছেন: আস্তে কও... এই দলে নামী দামী সার্জন আছে কইলাম। ;)

৫৮| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০০

শয়তান বলেছেন: ফেসবুকে শেয়ার করছি । তবে আমুর লিঙ্কটা ।কেননা ঐটায় গঠনমুলক আলোচনা হৈতেছিলো B-)

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৬

হোরাস্‌ বলেছেন: থ্যাঙ্কস।

৫৯| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১২

বৃত্তবন্দী বলেছেন: কিছু লোকের সারাজীবনই তালগাছের প্রতি লিপ্সা থেকে যাবে... :-B :-B :-B

২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৬

হোরাস্‌ বলেছেন: খেক খেক..

৬০| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩১

শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন: ছাগাফুরের ভিডিও দেখে হাসতেই আছি।

৬১| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২১

খালিদ নর্থ সাউথ বলেছেন: ফালতু পোস্ট নিয়ে ফালতু ফ্যাসাদ হচ্ছে................

যারা এর সাপোর্ট করছে এদের বানর হয়ে জন্মানো ভালো ছিল..............।

৬২| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৫

সেলিম তাহের বলেছেন:
সার্জন-এর উস্কানীমূলক মন্তব্যের জন্য কষে মাইনাস। পন্ডিতি মারাতে যেয়ে যে কোন ব্লগারকে “তুমি” সম্বোধন করার মধ্য দিয়ে উনার ঔদ্ধত্য আর নিম্নরুচীকে নিন্দা জানাই। আর হোরাসের সহনশীল মন্তব্যের জন্য এই পোস্ট-এ +++

১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৪

হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪১

চতুষ্কোণ বলেছেন: কঠিন লিখছেন :)

+++++++++

১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৪

হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৪| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৯

তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: আমাদের এক পাড়াতো ভাই কান নাড়তে পাড়েন। আগে এটা দেখে খুব আশ্চর্য হতাম

১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৫

হোরাস্‌ বলেছেন: আপানর পাড়াত ভাই বিবর্তনের চলমান স্বাক্ষী।

৬৫| ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫১

ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ৬৮ নং কমেন্ট দেখি ব্যাপক বিনোদন! স্কুলের হাফপ্যান্ট পড়া কোন ছেলে যখন বলে সে অ্যালজেব্রা শিখেছে তখন বড়োরা যেমন মজা পায়, সেরকম মজা পেলাম শুনে। বিবর্তন তত্ত্ব কোন বুজরুকি না যে সেটাকে 'সাপোর্ট' দেয়া লাগবে। মহাকর্ষ তত্ত্বকে সাপোর্ট দেয়া লাগে না। আমার মনে হয় এই বাচ্চু 'থিউরি' শব্দটার সংজ্ঞাই এখনো শিখে নাই! হা হা হা! :-B

১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৭

হোরাস্‌ বলেছেন: কোন জিনিষের সন্মদ্ধে কিছু না জেনেই যে তারে বানতিল করা যায় এইটা মুমিন মুসলমান ভাইদের না দেখলে বোঝা যায় না।

৬৬| ২৯ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪২

বোবা ছেলে বলেছেন:

-

আপনার পোস্টে নাস্তিকদের হুমড়ি খেয়ে পড়া দেখে গ্রাম দেশে মরা গরুর পাশে অনেক গুলা চতুস্পদ প্রানীর উল্লাসের কথা মনে পড়ে গেল........!!!

১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৯

হোরাস্‌ বলেছেন: পোস্ট সম্পর্কে কিছু না বলে কিছু চতুস্পদ জন্তুর মত খিস্তি খেউর করতে দেখতেছি অনেকরে।

৬৭| ২৯ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৮

সজীব আকিব বলেছেন: আবালগুলারে জটিল কিছু বললে বুঝবে না তাই উইকি থেকেই বলি Vestigiality describes homologous characters of organisms that have seemingly lost all or most of their original function in a species through evolution.
বলদ গুলা বুঝে না কেনো গরিলা-বানর এদের সাথে আমাদের এত মিল। আমরা মানুষ যদি সৃষ্টির সেরা জীব তাহলে কেন আমরা কুত্তা বিলাইর মত সেক্স করে বাচ্চা জন্মাই, তাদের মতই খাবার খাই, কামড়া-কামড়ি করি। তারা কি প্রস্তর যুগের ইতিহাস পড়ে না? বলদগুলা কি জানে না যে মানুষ একসময় গুহায় বাস করত? এরা কি আধুনিক যুগে খুঁজে পাওয়া অসভ্য মানুষ দেখে না?
লেজযুক্ত কিছু মানুষের ছবি পাবেন এখানে -http://www.dimaggio.org/Eye-Openers/tails_in_humans.htm

১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪১

হোরাস্‌ বলেছেন: কাদের কি বোঝাবেন? জীবন গেলেও বিবর্তন কি এটা জানার চেস্টা করবে না। কিন্তু হারুন ইয়াহিয়া ভন্ডটার বই না পড়লেও লিঙ্ক দিতে ভুলে না।

৬৮| ২৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৪২

রাজীব বলেছেন: +

১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪২

হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৯| ২৯ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫১

সার্জন বলেছেন: মামু ‍ঃ ক্যাচাল না করবার নিয়াতে একটা কথা কইবার মুন্চাইতেছিল.. পারমিশন দিলা তো? :D

৭০| ১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫৬

যীশূ বলেছেন: জানলাম।

১০ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:১৮

হোরাস্‌ বলেছেন: মানলেন কিনা তাতো কইলেন না?

৭১| ১০ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪৪

সবাক বলেছেন: কিছু ছ্যাঁছড়ারে পাত্তা দেওন ঠিক্না।






অ্যাপেন্ডিক্স কি আগেভাগে কাইট্যা ফালামু নাকি! /:)

১০ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২৩

হোরাস্‌ বলেছেন:
এইটা এইটা টিকিং টাইম বোম। যে কোন সময় ফাটতে পারে। আবার এমনও হইতে পারে যে আপনার আসলে এ্যাপেনডিক্সই নাই। যেটা অনেকেরই (খুবই অল্প) থাকে না।

৭২| ১৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০৯

পৃথিবীর আমি বলেছেন: মুরুব্বী সার্জন মাম্মু বইলা কারে ডাকে???

১৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০৬

হোরাস্‌ বলেছেন: হের মাথা খারাপ। হেয় কি কয় না কয় তাতে চিন্তার কিছু নাই। তয় হের বুদ্ধি শুদ্ধি যে পোলাপাইনের থিকাও কম তা বুঝা যায়।

৭৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫৮

আরিফ আহমেদ বলেছেন: বিবর্তনবাদের মধ্যে ধমের বিরোধিতা নাই......লেখককে ধন্যবাদ...আরও লেখা চায়

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪৯

হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৭৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:০৩

সীমানা পেরিয়ে বলেছেন: ++++++++++++++

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪৯

হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:১৫

স্বাধীন জামিল বলেছেন: ডাঃ গুলারে আমি বরাবরি এড়িয়ে চলি । আমার মনে হয় তারা ভুল কথা আর ভুল রিপর্ট করে পয়সার জন্যে । ২ ডাঃ এর কামড়া কামড়ি তে এইটাও বুঝলাম যে তারা খুব ভালো মানুষ ও হয়না... ;) ;) ;) ;)

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫০

হোরাস্‌ বলেছেন: ডাক্তাররা খুব খ্রাপ। :)

৭৬| ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৩৮

মৃগয়া বলেছেন: +++ মানুষের দেহে নাই বুজলাম। বানরের দেহে অ্যাপেনডিকসের প্রয়োজনিয়তা কতটুকু????

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫২

হোরাস্‌ বলেছেন: বানরের দেহে প্রয়োজনীয়তা আছে। কেন সেটা পোস্টে বলেছি, খেয়াল করেননি?

৭৭| ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৩৮

মৃগয়া বলেছেন: +++ মানুষের দেহে নাই বুজলাম। বানরের দেহে অ্যাপেনডিকসের প্রয়োজনিয়তা কতটুকু????

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:৪১

হোরাস্‌ বলেছেন: যে প্রাণী যতবেশী তৃণভোজী তার দেহে এ্যাপেনডিক্সের প্রয়োজনীয়তা তত বেশী।

৭৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০১

কাক ফ্রাই বলেছেন: হা হা হা

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:৪৪

হোরাস্‌ বলেছেন: মজাই মজা।

৭৯| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:০৬

মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: নখ, চুল এইরকম অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস আছে- কান কেটে ফেললেও মনে হয় কিছু হবে না-

৮০| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৮

রাখালছেলে বলেছেন: কাম হয়া গ্যাছে । আস্তিক নাস্তিক শিবির সবাই আইসা গ্যাছে । এই প্যাচগী আর সহজে খুলব না । মজা পাইছি মামা। B-)) B-)) B-))

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩৩

হোরাস্‌ বলেছেন: মজা পাইছেন শুইন্যা খুশী হইলাম।

৮১| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১

অর্ণব আর্ক বলেছেন: ভাল কথা। তবে আমি আপনার মতো সার্জন হওয়ার মতো সৌভাগ্যবান নই। তবে আমি প্রত্নতত্ত্বের অধ্যয়নকারী। আমাদের কোর্স রিলেটেড টপিক হিসেবে। বিবর্তন পড়ানো হয়। তবে আমি যতদুর জানতে পেরেছি এটা আসলে উপনিবেশবাদকে প্রচার করার একটা ঘৃণ্য চক্রান্ত বই কিছু না। যারা লেখাপড়া না করে ছাগলের মতো এর পক্ষে সাফাই গাবে তাদের জন্য আমার একটা অনুরোধ প্লিজ আর কথা না বাড়িয়ে ডারউইনের রচনা।
অরিজিন অফ স্পিসিস বাই মিনস অফ ন্যাচারাল সিলেকশান বইটি পড়ে আসেন। তার শেষে তিনি কি বলে গেছেন। তাহলেই আর চিন্তা করার কিছু থাকবে না। .. আর সবাই কে আমন্ত্রন জানচ্চি আমার ধারাবাহিক লেখার প্রথম পর্ব পড়া ও মন্তব্য করার জন্য।

৮২| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩

অর্ণব আর্ক বলেছেন: সুন্দর যুক্তি সহকারে লেখার জন্য পেলাচ। কেউ বিশ্বাস করলো না করলো সেটা তার ব্যাপার। তবে ভাই গালাগালি করাটা অশোভন।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৭

হোরাস্‌ বলেছেন: উপরের কমেন্টটা (৮৮) কাকে উদ্দেশ্য করে দিলেন বোঝা গেল না। তাই আপাততঃ উত্তর দেয়া থেকে বিরত থাকলাম।

৮৩| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০০

আজম বলেছেন: অনেক গুলো দারুন তথ্য জানা হল... ভালো লাগল।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৯

হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও এতদিন আগের পোস্টটি পড়ার জন্য।

৮৪| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪৬

বিপ্লব জামান বলেছেন: মানুষের ওড়ার সাধ অনেক দিনের। সেই ইতিহাসের শুরু থেকেই। পাখির মত উড়তে চায়। এখন, মানুষ যদি সেই ইচ্ছে বজায় রাখে, তাহলে বিবর্তনের মাধ্যমে পাখা গজাবার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন কি? [কমেন্ট ফান করে করিনি, জানার জন্যই করা]

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৭

হোরাস্‌ বলেছেন: মানুষের ইচ্ছা অনিচ্ছার সাথে বিবর্তন ঘটার কোন সম্পর্ক নাই। জেনেটিক মিউটেশন হবার কোন নিয়ম কানুন নাই। যে কোন কোষে ডিএনএ কপি কপি করতে করতে কোন একসময় হয়ত একটা ভুল কপি করে ফেলতে পারে। সেটাই মিউটেশন। এটার সাথে ইচ্ছা জড়িত নয়। তবে আধুনিক কালের বিজ্ঞানীরা ইচ্ছাকৃত ভাবে মিউটেশন ঘটাতে সক্ষম তবে তার আগে তাদেরকে জানতে হবে পাখা গজানোর জন্য কোন ডিএনএ দায়ী এবং সেটাকে কিভাবে অন বা অফ করা যায়। তবে কোন ভাবে শুধু পাখা গজালেই হবে না... দেহের গঠনেরও মৌলিক পরিবর্তন সাধিত হতে হবে। আপনি এ ব্যাপারে ভালন্টিয়ার সানজেক্ট হিসাব নিজেকে বিজ্ঞানীদের পরিক্ষা নিরিক্ষায় হেল্প করে দেখতে পারেন।

৮৫| ০৮ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:৩৪

শ্রাবন্য বলেছেন: আমার এপেনডিক্স ফেলে দেয়া বছর পাঁচেক হলো, আমার চাচারটা ফেলা হয়েছিল ওনার বয়স যখন সাড়ে ছয় তখন, প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও চাচাকে দিব্যি সুস্থ্য সবল মনে হয়। আমারটা বাদই দিলাম।

বুঝলাম পোষ্টের সাথে বিবর্তনবাদ খুঁজতে উহাদের ফ্রিকোয়েন্সির বাইরে। সবই আল্লাহ মানুষের উপকারের জন্য সৃষ্টি করেছিলেন, যেমন করেছিলেন মশা হতে শুরু করে হিরোইন পর্যন্ত।

মানুষের অপ্রয়োজনীয় কিংবা যেগুলোর উপকারিতা থাকলেও না থাকার প্রভাব ষ্পষ্ট নয়, এরকম অরগ্যানের সংখ্যা প্রায় ২০টি। অনুবাদ করে দিতে পারলে ভালো হত, আপাততঃ না পারায় তার একটা তালিকা দিচ্ছি:

VOMERONASAL ORGAN
A tiny pit on each side of the septum is lined with nonfunctioning chemoreceptors. They may be all that remains of a once extensive pheromone-detecting ability.

EXTRINSIC EAR MUSCLES
This trio of muscles most likely made it possible for prehominids to move their ears independently of their heads, as rabbits and dogs do. We still have them, which is why most people can learn to wiggle their ears.

WISDOM TEETH
Early humans had to chew a lot of plants to get enough calories to survive, making another row of molars helpful. Only about 5 percent of the population has a healthy set of these third molars.

NECK RIB
A set of cervical ribs—possibly leftovers from the age of reptiles—still appear in less than 1 percent of the population. They often cause nerve and artery problems.

THIRD EYELID
A common ancestor of birds and mammals may have had a membrane for protecting the eye and sweeping out debris. Humans retain only a tiny fold in the inner corner of the eye.

DARWIN’S POINT
A small folded point of skin toward the top of each ear is occasionally found in modern humans. It may be a remnant of a larger shape that helped focus distant sounds.

SUBCLAVIUS MUSCLE
This small muscle stretching under the shoulder from the first rib to the collarbone would be useful if humans still walked on all fours. Some people have one, some have none, and a few have two.

PALMARIS MUSCLE
This long, narrow muscle runs from the elbow to the wrist and is missing in 11 percent of modern humans. It may once have been important for hanging and climbing. Surgeons harvest it for reconstructive surgery.

MALE NIPPLES
Lactiferous ducts form well before testosterone causes sex differentiation in a fetus. Men have mammary tissue that can be stimulated to produce milk.

ERECTOR PILI
Bundles of smooth muscle fibers allow animals to puff up their fur for insulation or to intimidate others. Humans retain this ability (goose bumps are the indicator) but have obviously lost most of the fur.

APPENDIX
This narrow, muscular tube attached to the large intestine served as a special area to digest cellulose when the human diet consisted more of plant matter than animal protein. It also produces some white blood cells. Annually, more than 300,000 Americans have an appendectomy.

BODY HAIR
Brows help keep sweat from the eyes, and male facial hair may play a role in sexual selection, but apparently most of the hair left on the human body serves no function.

PLANTARIS MUSCLE
Often mistaken for a nerve by freshman medical students, the muscle was useful to other primates for grasping with their feet. It has disappeared altogether in 9 percent of the population.

THIRTEENTH RIB
Our closest cousins, chimpanzees and gorillas, have an extra set of ribs. Most of us have 12, but 8 percent of adults have the extras.

MALE UTERUS
A remnant of an undeveloped female reproductive organ hangs off the male prostate gland.

FIFTH TOE
Lesser apes use all their toes for grasping or clinging to branches. Humans need mainly the big toe for balance while walking upright.

FEMALE VAS DEFERENS
What might become sperm ducts in males become the epoophoron in females, a cluster of useless dead-end tubules near the ovaries.


PYRAMIDALIS MUSCLE
More than 20 percent of us lack this tiny, triangular pouchlike muscle that attaches to the pubic bone. It may be a relic from pouched marsupials.

COCCYX
These fused vertebrae are all that’s left of the tail that most mammals still use for balance and communication. Our hominid ancestors lost the need for a tail before they began walking upright.

PARANASAL SINUSES
The nasal sinuses of our early ancestors may have been lined with odor receptors that gave a heightened sense of smell, which aided survival. No one knows why we retain these perhaps troublesome mucus-lined cavities, except to make the head lighter and to warm and moisten the air we breathe.


ঠিক আছে, বিবর্তনতত্ব ভূয়া। ডায়নোসরগো আর পিকিং মানুষের ব্যাপারগুলা পবিত্রগ্রন্ন্থে কেমনে বাদ পইড়া গেল ঠিক মাথায় ঢুকে না। আবার এক আদম হাওয়া দিয়া কিভাবে সারা পৃথিবী, এমনকি আমজন জঙ্গলের চিপা-চাপায়ও বিভিন্ন প্রজাতির মানুষ্যবসতি হইয়া গেল, তাও গোলমেলে লাগে। ওযুগে তো আর এরোপ্লেন ছিল না যে গল্পের নেতাগো মত ক্রাশ কইরা বসতি গড়বে।
তবে একটা জিনিস বড়ই ইন্টারেষ্টিং, পৃথিবীর প্রায় সকল ধর্মের (আমি যতদূর জানি) গ্রন্থে আদি পিতা-মাতার কথা উল্ল্যেখ আছে।
আহা..সৃষ্টিকর্তার মোযেজা বুঝা কার দায়!

২৯ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:৪৫

হোরাস্‌ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে কস্ট করে তথ্যগুলো দেবার জন্য।

৮৬| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৮

মোঃ মুনজুর মোরেশদ বলেছেন: রেখে দিলাম । পড়ে পড়ব। আমি জীববিজ্ঞানের ছাত্র।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৩১

হোরাস্‌ বলেছেন: ঠিকাছে।

৮৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৮

জাহাঁপনা। বলেছেন: ইভলুশন এর বেপার সেপার নাকি ? আরে ডারউইন নিজেই ত উনার থিওরি নিয়ে কনফিউসড। উনার কথা " Darwin confessed, "To suppose that the eye with all its inimitable contrivances for adjusting the focus to different distances, for admitting different amounts of light, and for the correction of spherical and chromatic aberration, could have been formed by natural selection, seems, I freely confess, absurd in the highest degree."

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫০

হোরাস্‌ বলেছেন: আরে ডারউইন নিজেই ত উনার থিওরি নিয়ে কনফিউসড।

তাই!! আপনাকে কানে কানে, চুপি চুপি একটা কথা বলি। এক জেনারেশন থকে আরেক জেনারেশনে বংশগতির তথ্য কিভাবে পরিবাহিত হয় সে সম্পর্কে উনি যে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন তা ছিলো পুরাই ভুল।

বুঝলেন কিছু?

৮৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৫

মুরুববী বলেছেন: লেখকরে মাইনাস।
কেমন্টগুলাইন মাত্র জমতাছিল, আপ্নে আর আসিফ দুইডা মিল্যা সার্জনরে বিলা করলেন দেইখ্যা সার্জন গেল গা।
উচিত ছিল, খুব অমায়িক ভাবে তারে একটু উস্কানি দেওনের। এখন মনে হৈতাছে খুব হাসির একটা নাটকের শেষ পর্ব হয়া গেল। আফসোস।
বিনোদনের বড় অভাব। ভবিষ্যতে খেয়াল রাইক্খেন।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৩

হোরাস্‌ বলেছেন: প্রথমেই গালাগালি শুরু করে আমাকে একটু অফ-ব্যালান্সড করে দিয়েছিল। আসলে বুঝতে পারি নাই সে এরকম ব্যপক মজা দিবে। কোথায় যে হারাইল। তার জোকারী মিস করি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.