নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যে মানুষ জীবনের মূল্য দিতে জানে, জীবন কখনো তাকে নিরাশ করে না।

জীবন আল্লাহর দেয়া শ্রেষ্ঠ উপহার। তুমি তার মূল্য দেও, সেও তোমাকে মূল্য দিবে।

হাইড্রোজেন

কিছু বলার নাই।

হাইড্রোজেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) -- বাংলাদেশের অহংকার

১১ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৬

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)(Bangladesh Academy for Rural Development (BARD)) বাংলাদেশ এর একটি অতি পরিচিত প্রতিষ্ঠান । আমার জন্মস্থান এবং জীবনের প্রথম ২৫ টি বছর আমার এই বার্ডে ই কাটিয়েছি। তাই somewhere in blog এর প্রথম লিখাটা আমার জন্মস্থান নিয়ে ই লিখতে ইচ্ছা করল। আজই গ্রীন কার্ড পেলাম প্রথম পাতায় লিখার। জীবনে কোন দিন ব্লগ লিখি নাই। তাই এমন সহজ একটা বিষয় ই বেঁছে নিয়েছি।



ইতিহাসঃ- (সংক্ষিপ্ত)

বার্ড ১৯৫৯ সালের ২৭শে মে তৎকালীন সরকার কতৃক প্রবর্তিত বিএইড(VAID) প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গ্রামের অবহেলিত জনমানুষের সমস্যাসহ গ্রামের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার লক্ষ্যে পাকিস্তান গ্রাম উন্নয়ন একাডেমী নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে নেতৃত্ব দেন প্রখ্যাত পল্লী উন্নয়ন গবেষক ড. আখতার হামিদ খান। পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান নামে নামান্তরিত হয়।



ড. আখতার হামিদ খানঃ (বার্ড এর প্রতিষ্ঠাতা)-




বাংলাদেশে পল্লী উন্নয়ন নিয়ে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয় ষাটের দশকে। ১৯৪৭-এ দেশ বিভক্তির পর তৎকালীন পূব পাকিস্তানের পল্লী উন্নয়ন নিয়ে যিনি ভাবনাচিন্তা শুরু করেন তিনি হলেন পল্লী উন্নয়নে বিশ্বখ্যাত কুমিলস্না মডেলের রূপকার, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) এবং কুমিল্লা সমবায় কারখানা লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা, ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লার প্রাক্তন অধ্যক্ষ, সাবেক আইসিএস (ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস) অফিসার এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ড. আখতার হামিদ খান। গত ৯ জুলাই ছিল তাঁর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী।



অবস্থানঃ-

বার্ড কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৮ কিমি দূরে, কোটবাড়িতে অবস্থিত। বার্ড এর পাশে কুমিল্লা ক্যান্টনমেনট, কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, ময়নামতি অবস্থিত। ১৫৬ একর এর বিশাল এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই বার্ড প্রকৃতিএর সবুজ চাঁদর দিয়ে ঘেরা। এই ১৫৬ একর এর মাঝে আছে রাস্তা, একটি বিশাল খেলার মাঠ, দুইটি মসজিদ, ৩ টি দর্শনীয় স্থান, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ভবন, ২ টি পুকুড় এবং official ভবন সহ আরও অনেক কিছু। এলাকার বিশাল একটা অংশ জুড়ে রয়েছে বাগান। বাংলাদেশ এর প্রায় সকল প্রকার উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায় বার্ডে।



বার্ড প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা সমূহঃ-

প্রশিক্ষক এবং পরিদর্শকদের জন্য বার্ডে রয়েছে ৫ টি হোস্টেল। যার ধারন ক্ষমতা প্রায় ২৫০ জন। মহিলাদের জন্য রয়েছা পৃথক ১ টি হোস্টেল। সাংস্কৃ্তিক অনুষ্ঠান করার জন্য রয়েছে ১ টি আধুনিক auditorium। এ ছারাও রয়েছে ৫ টি শ্রেণী কক্ষ, ১ টি স্কুল ,১ টি ডাকঘর , ১ টি ব্যাংক। আরও আছে একটি লাইব্রেরি, যেখানে রয়েছে প্রায় ৬১৩৯১ সংখ্যক বই। একটি medical centre ও রয়েছে বার্ডে বসবাসকৃত মানুষের জন্য।



দর্শনীয় স্থানঃ-

প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক পরিদর্শক আসে বার্ডের প্রকৃতিক সুন্দরয দেখতে। বার্ডে রয়েছা ৩ টি দর্শনীয় স্থান। নিলাচল, বনশ্রী এবং কুঁড়েঘর। গাছপালায় আবৃত এবং পাহাড় দিয়ে ঘেরা ৩ টি স্থান এ যে কোন কারো মন কেড়ে নিতে পারবে প্রথম দর্শনে।



বার্ডের কার্যক্রমঃ-

প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বার্ড গ্রামীণ এলাকার আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। পল্লী অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও কার্যকর সমাধানের উদ্যোগ নেয়াই বার্ডের গবেষণার প্রধান উদ্দেশ্য। গবেষণা পরিচালনার জন্য বার্ডের রয়েছে মাল্টি-ডিসিপ্লিনারী অনুষদ। বার্ড এ পর্যন্ত ৭০৪টি গবেষনা পরিচালনা করেছে এবং প্রতিবছর গড়ে ২৫টি গবেষণা ও মূল্যায়ন কাজ করে থাকে। এসব গবেষণার মধ্যে রয়েছে- কৃষি, সমবায়, দারিদ্র, ক্ষুদ্র ঋণ, গ্রামীণ ভৌত অবকাঠামো, গ্রামীণ শিল্প, উন্নয়ন যোগাযোগ, সুশাসন, জেন্ডার, পরিবেশ উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার, জনসঅংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষার গুণগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্য-পুষ্টি, সমাজ পরিবর্তন ইত্যাদি। এছাড়াও বার্ড আয়োজন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং কর্মশালার।



যদি ইছা হয় স্ব-পরিবারে ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের গর্ব, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) থেকে। মন ভাল করার জন্য উপযোক্ত একটি স্থান হল এই বার্ড।





বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)(Bangladesh Academy for Rural Development (BARD)) বাংলাদেশ এর একটি অতি পরিচিত প্রতিষ্ঠান । আমার জন্মস্থান এবং জীবনের প্রথম ২৫ টি বছর আমার এই বার্ডে ই কাটিয়েছি। তাই somewhere in blog এর প্রথম লিখাটা আমার জন্মস্থান নিয়ে ই লিখতে ইচ্ছা করল। জীবনে কোন দিন ব্লগ লিখি নাই। তাই এমন সহজ একটা বিষয় ই বেঁছে নিয়েছি।



ইতিহাসঃ- (সংক্ষিপ্ত)

বার্ড ১৯৫৯ সালের ২৭শে মে তৎকালীন সরকার কতৃক প্রবর্তিত বিএইড(VAID) প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গ্রামের অবহেলিত জনমানুষের সমস্যাসহ গ্রামের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার লক্ষ্যে পাকিস্তান গ্রাম উন্নয়ন একাডেমী নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে নেতৃত্ব দেন প্রখ্যাত পল্লী উন্নয়ন গবেষক ড. আখতার হামিদ খান। পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান নামে নামান্তরিত হয়।



ড. আখতার হামিদ খানঃ (বার্ড এর প্রতিষ্ঠাতা)-




বাংলাদেশে পল্লী উন্নয়ন নিয়ে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয় ষাটের দশকে। ১৯৪৭-এ দেশ বিভক্তির পর তৎকালীন পূব পাকিস্তানের পল্লী উন্নয়ন নিয়ে যিনি ভাবনাচিন্তা শুরু করেন তিনি হলেন পল্লী উন্নয়নে বিশ্বখ্যাত কুমিলস্না মডেলের রূপকার, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) এবং কুমিল্লা সমবায় কারখানা লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা, ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লার প্রাক্তন অধ্যক্ষ, সাবেক আইসিএস (ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস) অফিসার এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ড. আখতার হামিদ খান। গত ৯ জুলাই ছিল তাঁর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী।



অবস্থানঃ-

বার্ড কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৮ কিমি দূরে, কোটবাড়িতে অবস্থিত। বার্ড এর পাশে কুমিল্লা ক্যান্টনমেনট, কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, ময়নামতি অবস্থিত। ১৫৬ একর এর বিশাল এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই বার্ড প্রকৃতিএর সবুজ চাঁদর দিয়ে ঘেরা। এই ১৫৬ একর এর মাঝে আছে রাস্তা, একটি বিশাল খেলার মাঠ, দুইটি মসজিদ, ৩ টি দর্শনীয় স্থান, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ভবন, ২ টি পুকুড় এবং official ভবন সহ আরও অনেক কিছু। এলাকার বিশাল একটা অংশ জুড়ে রয়েছে বাগান। বাংলাদেশ এর প্রায় সকল প্রকার উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায় বার্ডে।



বার্ড প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা সমূহঃ-

প্রশিক্ষক এবং পরিদর্শকদের জন্য বার্ডে রয়েছে ৫ টি হোস্টেল। যার ধারন ক্ষমতা প্রায় ২৫০ জন। মহিলাদের জন্য রয়েছা পৃথক ১ টি হোস্টেল। সাংস্কৃ্তিক অনুষ্ঠান করার জন্য রয়েছে ১ টি আধুনিক auditorium। এ ছারাও রয়েছে ৫ টি শ্রেণী কক্ষ, ১ টি স্কুল ,১ টি ডাকঘর , ১ টি ব্যাংক। আরও আছে একটি লাইব্রেরি, যেখানে রয়েছে প্রায় ৬১৩৯১ সংখ্যক বই। একটি medical centre ও রয়েছে বার্ডে বসবাসকৃত মানুষের জন্য।



দর্শনীয় স্থানঃ-

প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক পরিদর্শক আসে বার্ডের প্রকৃতিক সুন্দরয দেখতে। বার্ডে রয়েছা ৩ টি দর্শনীয় স্থান। নিলাচল, বনশ্রী এবং কুঁড়েঘর। গাছপালায় আবৃত এবং পাহাড় দিয়ে ঘেরা ৩ টি স্থান এ যে কোন কারো মন কেড়ে নিতে পারবে প্রথম দর্শনে।



বার্ডের কার্যক্রমঃ-

প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বার্ড গ্রামীণ এলাকার আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। পল্লী অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও কার্যকর সমাধানের উদ্যোগ নেয়াই বার্ডের গবেষণার প্রধান উদ্দেশ্য। গবেষণা পরিচালনার জন্য বার্ডের রয়েছে মাল্টি-ডিসিপ্লিনারী অনুষদ। বার্ড এ পর্যন্ত ৭০৪টি গবেষনা পরিচালনা করেছে এবং প্রতিবছর গড়ে ২৫টি গবেষণা ও মূল্যায়ন কাজ করে থাকে। এসব গবেষণার মধ্যে রয়েছে- কৃষি, সমবায়, দারিদ্র, ক্ষুদ্র ঋণ, গ্রামীণ ভৌত অবকাঠামো, গ্রামীণ শিল্প, উন্নয়ন যোগাযোগ, সুশাসন, জেন্ডার, পরিবেশ উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার, জনসঅংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষার গুণগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্য-পুষ্টি, সমাজ পরিবর্তন ইত্যাদি। এছাড়াও বার্ড আয়োজন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং কর্মশালার।



যদি ইছা হয় স্ব-পরিবারে ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের গর্ব, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) থেকে। মন ভাল করার জন্য উপযোক্ত একটি স্থান হল এই বার্ড।







মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.