| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ ২৮শে অক্টোবর বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্তে পাকিস্তানী আর্মির গুলিতে মারা যান। মারা যাবার আগে তিনি একটি মেশিন গান পোস্ট ধ্বংস করেন কারন তা না হলে তার সঙ্গিরা সবাই মারা যেত। নিজে মরে তিনি বাঁচিয়েছিলেন ১০০ জন সহযোদ্ধা।
অপারেশনটি হয়েছিল ভোর চারটার। বিওপিটি ( সীমান্ত ফাঁড়ী ) ছিল একটি পাহাড়ের উপর। তুমুল সংঘর্ষ বাধে। পাকিস্তান বাহিনীর মেশিনগান পোস্টের কারনে মুক্তিযোদ্ধারা আটকে যায়, এগুতেও পারে না, পিছাতেও পারে না। সিপাহী হামিদুর রহমান তখন সেখানে গ্রেনেড ছোড়ার দায়িত্ব পান। দায়িত্ব পালন করেন ঠিক ভাবে। কিন্তু মেশিনগান পোস্টে থাকা গার্ডদের ছোঁড়া একটি গুলি এসে হামিদুরের গায়ে লাগে। তিনি মারা যান।
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ এই সিপাহী হামিদুর রহমান। মারা যাবার পর তাকে ত্রিপুরাতে দাফন করা হয়। পরে ২০০৭ সালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের একটা টীম ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ দেশে ফিরে নিয়ে আসে। তাকে ঢাকার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সিপাহী হামিদুর রহমানের পিতার নাম আক্কাস আলী এবং মাতার নাম মোসাম্মাৎ কায়সুন্নেছা। তার রহমানের সৈনিক জীবনের শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালের জানুয়ারীতে। প্রথম পোস্টিং হয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে। তার সৈনিক নাম্বার ছিল ৩৯৪৩০১৪।
১৯৭৩ সালে সরকার সিপাহী হামিদুর রহমানকে বীরশ্রেষ্ঠ পদকে ভূষিত করে।
তোমাকে সালাম বীর!
২|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৭
চাঁদগাজী বলেছেন:
উনার জন্য সন্মান রলো; উনার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা
৩|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০১
আখেনাটেন বলেছেন: শ্রদ্ধা এই বীর সেনানীর জন্য। যাঁদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের মসৃন পথচলা।
৪|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:০৫
রাজীব নুর বলেছেন: এই দেশে বঙ্গবন্ধু ছাড়া আর কেউ নেই।
আমরা শুধু তার কথাই মনে রাখব। বাকি সব ফাউ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৬
নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বীরশ্রেষ্ঠ মোঃ হামিদুর রহমানের ৪৭তম শাহাদৎবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি