নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রেতাত্মা মায় নাক ও তার মন্দির ওয়াট মহাভুতে একদিন -

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:২৫


বাচ্চা কোলে নিয়ে বসে থাকা ভয়ংকর প্রেতাত্মা মায় নাক
মাস কয়েক আগে ব্যাংককের এক শীর্ষ স্থানীয় পত্রিকায় শিরোনাম মায় নাক আবার হাজির , সাথে রাস্তার পাশে সাদা পোশাকে দাঁড়িয়ে থাকা বাচ্চা কোলে এক তরুনীর সাহায্যের জন্য হাত বাড়ানো ছবি। কৌতুহলী হয়ে উঠলাম এই মায় নাক জিনিসটা আবার কি! পত্রিকার খবর থেকে যতটুকু জানা হলো তাতে বোঝা গেলো মায় নাক এক নারী প্রেতাত্না। যার নাম শুনলে আজও বেশিরভাগ থাইবাসীরা আতকে উঠে। নেট থেকে জানলাম তার নামে একটি মন্দিরও রয়েছে ব্যাংককের প্রানকেন্দ্র প্রাখানং এলাকার ওয়াট মহাভুতে। সাথে সাথেই মাথায় পোকা ঢুকে গেলো এখানে আমাকে যেতেই হবে যেমন করেই হোক। তাই এবার আমার ব্যাংকক ভ্রমনের প্রাইম লিষ্টে ছিল এই মহাভুত মন্দির দর্শন ।

স্কাই ট্রেনে আমি বহুবার পাড়ি দিয়ে গেছি প্রাখানং স্টেশন , কিন্ত মন্দিরে যেতে হলে আমার একজন স্থানীয় গাইড দরকার, সেটাও জোগাড় হলো। আপনারা যদি কেউ যেতে চান তবে সুকুমভিত লাইনের স্কাই ট্রেন স্টেশন অননুট এ নেমে যে কোন ট্যাক্সিচালককে বললেই হবে আপনি ওয়াট মহাভুতে যেতে চান। মন্দিরটি প্রাখানং এ হলেও অননুট বিটিএস থেকে কাছে হয়। ওখান থেকে ভাড়া ৫০ কি ৬০ বাথ। অবশ্য ২০ মিনিটের পথ আপনি হেটেই যেতে পারবেন শ্বেতাংগ পর্যটকদের মত যদি না ব্যাংককের বিখ্যাত রোদে পুড়ে অংগার না হতে চান ।


মহাভুত মন্দির প্রাঙ্গনে অপরূপ নকাশায় তৈরী চিতাপীঠ
৩রা জুন সোমবার সকাল ১০টায় গাইডকে নিয়ে রওনা দিলাম মহাভুত মন্দির পরিদর্শনে। সকাল এগারোটায় এসে হাজির হোলাম মহাভুত মন্দির প্রাঙ্গনে। বিশাল প্রাঙ্গন জুড়ে বুদ্ধ ধর্মাবম্বীদের স্বর্নালী ছোট বড় নানান রকম মন্দিরগুলো স্থাপিত। তার মাঝে শবদেহ দাহ করার জন্য অপরূপ সৌন্দর্য্যমন্ডিত একটি চিতাপীঠও রয়েছে। এমনকি খাবার জন্য ফুড কোর্টের ব্যবস্থাও রয়েছে।


মায়ে নাকের মন্দিরের সামনে ধাতব মুর্তি
এই প্রাঙ্গন দিয়ে খানিকটা এগুতেই দেখতে পেলাম এক কোনায় বিশাল এক অশ্বথ গাছের নীচে অন্যান্য মন্দিরের তুলনায় বেশ অনাদরে
অবহেলায় দাঁড়িয়ে আছে মায় নাকের মন্দির যেটা আমাদের আসল গন্তব্য। তবে মন্দিরটি হিন্দু বৌদ্ধ কোনরকম স্থাপত্যের নকাশায় তৈরী নয়, এটা সামনের দিক খোলা সাধারন একটা ঘরের মতই লাগলো দেখতে। তবে ভক্তের সংখ্যা ভালোই বলতে হবে। মন্দিরে প্রবেশ পথের পাশেই সামনের দিকে বেদীর উপর ছোট একটি ধাতব ভাস্কর্য্য সেখানে মায় নাক বাচ্চা কোলে বসে আছে। সামনে পুজার উপকরন ও খাবার সাজানো এরই সাথে অবধারিত ভাবে রয়েছে কোমল পানীয়ের বোতল। এই কোমল পানীয় আমি সে দেশের সব প্রেত দেবতার পুজার অর্ঘ্যে দেখি বিশেষ করে লাল মিরিন্ডা !
মনস্কামনা পুরণের জন্য মরে যাওয়া অশ্বথ বৃক্ষের গুড়িতে সুদৃশ্য রঙ্গীন কাপড় পেচিয়ে দিয়ে গেছে ভক্তকুল,


পুজার জন্য ফুল রাখা
যাই হোক বেদীর পাশ ঘেষে মুল মন্দিরের সামনে এসে দাড়ালাম গাইড নিয়ে। সেখানে এক বিশাল বট বা অশ্বথ গাছের মুল রয়েছে রঙ্গীন কাপড় পেচানো । মানুষজন লাগিয়েছে তাদের মনের ঈচ্ছা পুরনের নিমিত্তে । সেটার পেছনেই মায় নাকের মন্দির ,সামনের দিক পুরোটা খোলা থাকায় সহজেই নজরে পড়লো বাচ্চাকে কোলে নিয়ে বসে আছে মায় নাক ঘরের মাঝ বরাবর। মাথায় কালো পরচুলা, সোনালী পাতে ঢাকা পরা মুখ , গর্তে ঢোকা চোখগুলো মোটা করে কাজল দিয়ে ল্যাপটানো। তাকিয়ে থাকলে মনে হবে ভয়ংকর এক তীক্ষ দৃষ্টি নিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে বুঝি।


পুজা দিচ্ছে মায় নাকের পুন্যার্থীরা
পেছনে কিছু পোশাকের পাশে তার একটি ছবি ঝোলানো যা শিল্পীর আকা কি না বুঝলাম না । মা আর বাচ্চা দুজনার চেহারাই বিশেষ করে চোখের দিকে তাকালে একটা গা শিড়শিড়ে ভয় ভয় ভাব শিরদাড়া বেয়ে নেমে আসে, হতে পারে পরিবেশের কারনে । বাইরে থেকে দেখা আর কিছু ছবি তোলার পর ভেতরে মানুষকে ঢুকতে দেখে আমিও ঢুকে পরলাম । মায় নাকের মুর্তির পাশে দাঁড়িয়ে আমি একের পর এক তার ছবি তুলেই চলেছি আমার মোবাইলে।


দুজন কপোত কপোতী ভালোবাসার অঙ্গীকারে
পাশেই ভক্তরা তার গায়ে স্বর্নালী পাত লাগিয়ে ফুলের তোড়া দিয়ে হাতজোড় করে প্রার্থনা করছে । এমন সময় দেখতে পেলাম দেয়ালে টাংগানো নোটিশ "নো ফতো" ! আমি কিছুটা পেছনে দাঁড়ানো গাইডের কাছে এসে দাড়াতেই সে আমাকে ফিসফিসিয়ে জানালো আমি যে নিষেধ সত্বেও মায় নাকের ছবি তুলেছি তার জন্য সে অলরেডী মায় নাকের কাছে আমার হয়ে মাফ চেয়ে নিয়েছে। এবার আমাকে জানালো আমি যেন হাত জোড় করে আবার মাফ চাই। কি আর করি! পরেছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথে।
মাফ টাফ চেয়ে এবার তাকালাম মন্দিরের ভেতরে, দেয়ালের গায়ে আংটার মাঝে মায় নাকের উদ্দেশ্যে নিবেদিত পোশাক ঝুলছে। ঝুলছে কাচ দিয়ে দিয়ে বাধানো তার কিছু ছবি, সেগুলো মনে হলো কোন শিল্পীর কল্পনায় আকা। আরেক দিকের দেয়াল জুড়ে কাচ লাগানো শোকেস তার ভেতরেও ভক্তদের দেয়া অনেকগুলো পোশাক যা এক একদিন পরানো হয় মায়ে নাককে। এছাড়াও আছে,খাটি সোনার গয়না, কসমেটিক্স, বাচ্চার খেলনা আর দান বাক্স ভরা টাকা। সামনে সাজানো রয়েছে খাবার।


মায় নাকের উদ্দেশ্যে ভক্তদের নিবেদিত পোশাক
গাইডকে জিজ্ঞেশ করলাম এখানে লোকজনের আসার উদ্দেশ্য কি ? সে জানলো এখানে মুলত ভক্তরা আসে তাদের সত্যিকারের ভালোবাসার লোক খুজে পেতে, ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে আর গর্ভবতী মায়েরা আসে সুস্থ স্বাভাবিক বাচ্চা লাভের আশায় মানত করতে। এজন্যই এখানে সব অল্প বয়সীদের দেখছিলাম। ঠিক সে সময়ে নজরে পড়লো এক জোড়া কপোত কপোতী এক সেট ঐতিহ্যবাহী থাই পোশাক মেঝের উপর দিয়ে টানতে টানতে মন্দিরের ভেতরে ঢুকছে । কেউ বা দিচ্ছে টাকা তাদের টাকায় ভরে উঠছে দান বাক্স।

দানবাক্স তবে মোটা টাকা নেয়ার জন্য রয়েছে আলাদা ব্যাবস্থা

সব কিছু খুটিয়ে দেখে বের হয়ে আসলাম ছোট্ট মন্দির থেকে, বের হয়েই ডান দিকে দেখি ছোট একটি টেবিল পেতে কিন্নরের পোশাক পড়া এক না তরুন না কিশোর বসে আছে। গাইডকে বললাম “চলো এর কাছে আমাদের ভবিষ্যত জেনে আসি”। সাথে সাথে তার মুখটি ফ্যাকাশে হয়ে উঠলো, আমার হাত চেপে ধরে বিপরীত দিকে জোর করে টেনে নিতে নিতে ভয়ার্ত গলায় বললো, “ওহ নো মামা ইত ইজ নত পসিবল”। জিজ্ঞেশ করলাম ‘হোয়াই নট’! গাইড ফ্যাকাশে মুখে বল্লো “ মে বি হি ইজ আ স্পিরিত”। আমিতো হতবাক বললাম ‘তুমি কি করে বুঝলে’! সে আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বল্লো “এখানে যত মানুষ দেখছো তাদের মাঝে কে যে প্রেত আর কে যে মানুষ কিছুই নাকি বোঝার উপায় নেই”। অত্যন্ত উচ্চ শিক্ষিত গাইডের কথা শুনে অবাক আমি হোলাম আরেকবার।এরপর গাইড বল্লো সে পুজো দিবে আমি যেন তাকে দশ মিনিট সময় দেই । আমি সানন্দে রাজী হয়ে গেলাম।


এই সেই গাছ যার গুড়িতে আঙ্গুল ঘষলে নাকি উঠে আসে লটারী পাওয়ার নম্বর
গাইড গেল পাশের দোকানে ফুল আর সোনালী পাত কিনতে আর আমি পাশেই এক বিশাল গাছের গুড়ির কাছে কিছু লোক দাঁড়ানো দেখে সেখানে গেলাম। দেখলাম গাছের মুল কান্ডের মাঝে মাঝে কালো রঙের তেলতেলে মসৃন ছোট ছোট আকারের গর্ত। একজন লোক মনে হলো সে এটার তদারক করে আমাকে থাই ভাষায় কি বল্লো আমি বুঝলাম না। দু তিন জনকে দেখলাম সেই গর্তগুলোর মধ্যে আঙ্গুল ঘসছে। আমিও ঘসলাম দেখি আঙ্গুলের মাথাটি তেলতেলে হয়ে উঠলো। আমি সামনে এসে দেখি গাইডের পুজা দেয়া শেষ , তাকে ডেকে এনে জিজ্ঞাস করলাম এটা কি? গাইড লাজুক লাজুক ভাবে জানালো এই গর্তের মাঝে পাউডার দিয়ে ঘসলে একটা নম্বর ঊঠে সেই নম্বরে লটারীর টিকিট কাটলেই নাকি বাজিমাত । আমি বললাম ‘চলো তবে আমরাও একটা পাউডার কিনে এনে ঘষি। সে জানালো ঐ নম্বর নাকি একমাত্র মনশ্চক্ষু ছাড়া দেখা সম্ভব না। মনটা খারাপ হয়ে গেল এত বড় এক সুযোগ হাত ছাড়া হওয়ার জন্য। বিষন্ন মনে হাটতে হাটতে মন্দির ছেড়ে সামনে এসে দাড়ালাম ।


তাবিজ বিক্রী হচ্ছে
এই মন্দিরের চারিধার জুড়ে রয়েছে ছোট ছোট দোকান যাতে আছে পুজার উপাচার ছাড়াও বিভিন্ন আকারের তাবিজ কবচ আর গম্ভীর মুখ ওয়ালা ভবিষ্যত বক্তা জ্যোতিষীর দল। এক পাশে সারি সারি দোকানের মাঝ দিয়ে পথ চলে গেছে অদুরের খালে। ভালো করে তাকিয়ে দেখি বালতি বা গামলায় বিভিন্ন মাছ ছাড়াও ব্যাং, কচ্ছপ প্রভৃতি জলজ প্রানী নিয়ে দোকানীরা বসে আছে ।


কোলা ব্যাং বিক্রী করছে
মনের বাসনা পুরন করার আশায় ভক্তরা টাকা দিয়ে এগুলো কিনে পানিতে ছেড়ে দেয় অথবা আকাশে উড়িয়ে দেয় । কেউ আবার খাবার বিক্রী করছে কবুতর আর খালে মাছদের খাবারের জন্য। আমরা দুজনও বড় এক ঠোঙ্গা পাউরুটি্র টুকরো কিনে মাছদের খাওয়ালাম , সাথে রাশি রাশি কবুতর এসে ভাগ বসালো ।
তারপর মন্দিরের কাছে ফিরে এসে দাড়াতেই দেখি বাদিকের এক পাশে কাঠের ফ্রেমের বোর্ডে ছবিসহ লেখা মায় নাকের পুরো ইতিহাস। সাথে সাথেই দাঁড়িয়ে গেলাম সেখানে আর রুদ্ধশ্বাসে পড়লাম সেই ইতিহাস আর আপনাদের জন্য তুলে নিয়ে আসলাম মনের খাতায় ।


এমনি ভাবেই বোর্ডে লেখা মায় নাকের ইতিহাস

আঠারো শ থেকে উনিশ শ সালের মাঝামাঝি ঘটনার কাল আর স্থান হলো ব্যাংকক । সে সময় ব্যংকক আজকের মত এত অত্যাধুনিক শহর ছিল না। ছিল নদী নালা আর অসংখ্য খালের জাল বিছানো বিস্তীর্ন এক জলাভুমি। বছর বছর বন্যা আর শ্বাপদ সংকুল সেই দেশে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বাস করতো কাঠের কুটিরে যা ছিল ৭/৮ ফুট কাঠের খুটির উপর নির্মিত। সেই সময় অধুনা ব্যংককের প্রানকেন্দ্র প্রাখানং যা ছিল সে সময় শহরের এক প্রান্ত ঘেষা গ্রাম । সেই গ্রামে বাস করতো অপরূপ রুপসী মায় নাক ও তার স্বামী টিড মাক। তাদের মাঝে ছিল গভীর ভালোবাসা,যেন দুজন দুজন কে চোক্ষে হারায়।

সুখে শান্তিতেই দিন কাটছিলো তাদের । মায় নাক গর্ভবতী আর কয়েক মাস পরেই তাদের প্রথম সন্তান ভুমিষ্ঠ হবে। মায় নাক আর টিড মাকের খুশী আর ধরে না। কিন্ত তাদের এই সুখের আকাশে হঠাৎ করেই ঝড় উঠলো, যখন শুনলো রাজ আদেশে মাককে যুদ্ধে যেতে হবে। কি আর করা একদিন সুন্দরী মায় নাককে রেখে টিড মাক চল্লো সুদুর সীমান্তে শত্রুর মোকাবেলা করতে । যুদ্ধে টিড মাক সাঙ্ঘাতিক রকম আহত হয়ে আশ্রয় নেয় ছাওপ্রায়া নদীর অপর তীরে এক গৃহস্থের বাসায়। কেউ কারো খবর জানতে পারে না।

এরই মাঝে মায় নাকের প্রসব কালীন জটিলতায় বাচ্চা পেটে নিয়েই মারা গেলো । সেসময়ের কথা বাদই থাকলো, আধুনিক থাই সমাজেও বেশিরভাগ মানুষের ধারনা যদি কোন মহিলা বাচ্চা হতে গিয়ে বা বাচ্চা পেটে নিয়ে মারা যায় তবে সে হয় সবচেয়ে ভয়ংকর অশরিরী এক প্রেতাত্মা। বাচ্চা পেটে মায় নাক মৃত্যু বরন করায় গ্রামবাসীরা সবাই ভয়ে আতংকিত হয়ে উঠে। বৌদ্ধ ধর্মের নিয়মানুযায়ী যথাযথভাবে তার মৃতদেহ সৎকার না করেই বিশাল জোড়া তেলসুর গাছের নীচে কোন রকমে মাটি চাপা দিয়ে রেখে যায় প্রতিবেশীরা।
কিন্ত স্বামীর প্রতি গভীর ভালোবাসার আকর্ষনে মায় নাক বৌদ্ধমতে পুনর্জন্ম না নিয়ে পুরনো দেহেই ফিরে আসে এই জগতে। প্রাখানং বাসীরা একদিন দেখলো বিশাল জোড়া তেলসুর গাছের নীচে শুন্যে দুলে দুলে মায় নাক বাচ্চা কোলে নিয়ে তীক্ষ শীষের শব্দ তুলে ঘুম পাড়ানি গান গাইছে। কোন লোকজন তার বাড়ীর কাছ দিয়েও হাটে না ।

অল্প দিনের মাঝে টিড মাকও সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে এসে দেখে ঘরের ভেতর বাচ্চা কোলে মায় নাক দাড়িয়ে। টিড মাক দৌড়ে যেয়ে মায় নাককে জড়িয়ে ধরলো কিন্ত তার সারা শরীর বরফের মত শীতল। টিড মাক বুঝে উঠতে পারে না বিষয়টি। সে খেয়াল করলো গ্রামের বন্ধুরা তাকে এড়িয়ে চলছে , তার বাড়ীতে এসে আগের মত ডাকাডাকি করে না । তাই দেখে টিড মাক তাদের কারন জিজ্ঞেশ করলে দু একজন সব কিছু খুলে বলে। অবিশ্বাসের দোলায় দুলতে দুলতে মাক ঘরে ফিরে আসে।

কিন্ত পর পর দু রাতের ভেতর সেই সব বন্ধুরা তাকে তার স্ত্রীর সম্পর্কে জানিয়েছিল তাদের ঘাড় মটকানো অবস্থায় মৃতদেহ পাওয়া গেলে মাক ভীত সন্ত্রস্ত্র হয়ে পরে। মাককে চুপচাপ থাকতে দেখে নাক তাকে খুশী করার জন্য তার প্রিয় একটি রান্না করতে বসলো। মাক সে সময় ঘরে ছিল না, এই ফাকে নাক সব কিছু গুছিয়ে রান্না করবে তখনই মেঝের ফাক গলিয়ে লেবুটি অনেক নীচে মাটিতে পরে যায়। ঘরে কেউ নেই এই ভেবে অন্যমনস্ক নাক মেঝের ফাক গলিয়ে তার হাতটি লম্বা করে ৮ ফুট নীচে থেকে লেবুটি তুলে আনে। ঠিক সে সময়েই ফিরে আসা মাক দরজার আড়াল থেকে এই দৃশ্য দেখে বুঝতে বাকি রইলো না যে তার বন্ধুদের কথাই সত্যি ।

রাতে খেয়ে দেয়ে টিড মাক বল্লো সে টয়লেটে যাবে। কিন্ত বাইরে এসেই সে দৌড়াতে দৌড়াতে এক বুনো ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে পরলো। চোখের পলক ফেলতেই মায় নাক সেখানে হাজির। এই গাছটির কাছে কোন ভুত প্রেত আসতে পারে না । তাই বাইরে থেকেই মায় নাক তাকে বেরিয়ে আসার জন্য অনুনয় বিনয় করতে লাগলো। কিন্ত মাক আর বেরিয়ে আসে না।

অনেকক্ষন পরে একটু ফাক পেয়েই মাক সেখান থেকে সোজা তার বাড়ীর কাছেই মহাভুত মন্দিরে আশ্রয় নেয়। তবে কারো কারো মতে মাক ঘর থেকে বের হয়ে সোজা মহাভুত মন্দিরেই আশ্রয় নিয়েছিল। প্রধান ভিক্ষুর কাছে সব কিছু খুলে বলার সাথে সাথে ভিক্ষু চক খড়ি দিয়ে গোল করে দাগ কেটে তার ভেতরে মাককে নিয়ে বসে মন্ত্র পড়তে লাগলো । পবিত্র স্থান বলে মায় নাক সেখানে কিছুতেই প্রবেশ করতে পারছিল না। অবশেষে সেই ভিক্ষু কৌশলে নাকের আত্মাকে বোতলে ঢুকিয়ে পাশেই প্রাখানং খালের গভীরে ছুড়ে মারলো। প্রাখানং এর লোকজনের মনে শ্বস্তি ফিরে আসলো।
কিন্ত এই সুখ গ্রামের বাসিন্দাদের বেশিদিন সহ্য হলো না । কিছু দিন পরেই সেখানে আসা দুজন নতুন জেলের জালে বোতলটা উঠে আসে। তাদের কাছে এই কাহিনী ছিল অজানা। তারা না বুঝেই বোতলের মুখ খুলে দেখতে গেলো আর সাথে সাথে মায় নাকের আত্মা বের আসলো। । কিছুদিন পর থেকেই খালের দুপাশে বহু মানুষের ঘাড় মটকানো মৃতদেহ পরে থাকতে লাগলো। আতংকিত গ্রামবাসী তার ভয়ে ঘর থেকে বের হয় না।
এ খবর পেয়ে ওয়াট রাকহাং এর প্রধান ভিক্ষু সোমদেত ফ্রা বুদ্ধাচারিয়া প্রাখানং এর মহাভুত মন্দিরে ছুটে আসলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত শক্তিশালী আধ্যাত্নিক শক্তির অধিকারী। তিনি মায় নাককে ডেকে পাঠালেন। তার ডাক শুনে মায় নাক আসলে অনেক কষ্টে সে তার আত্মাকে তারই কপালের হাড়ের মাঝে বন্দী করে ফেলে। এরপর সেই হাড় দিয়ে তাবিজ বানিয়ে সোমদেত আমৃত্যু তার কোমরে বেধে রাখেন। পরবর্তীতে রাজ পরিবারের জিম্মায় তাবিজটি রয়েছে বলে একটি সুত্র থেকে জানা যায়। ভিন্ন মতে সোমদেত মায় নাককে প্রতিশ্রুতি দেয় যে পরজন্মে সে তার প্রিয়তম স্বামীর সাথে মিলি্ত হতে পারবেন। ভিক্ষুর এই প্রতিশ্রুতি পেয়ে মায় নাক ইহলোক ছেড়ে পরলোকে যাত্রা করে।
এই হলো অপুর্ব সুন্দরী মায় নাকের প্রেত জীবনের সংক্ষিপ্ত ঘটনা। মনে পড়লো আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এমন হাত লম্বা করে উপর থেকে জিনিস পেড়ে নিয়ে আসা ভুত প্রেতের গল্প আমরাও ছোট বেলায় অনেক শুনেছি । কিন্ত এভাবে কোন গল্প আমাদের সামগ্রিক সমাজে কোন প্রভাব ফেলেছে বলে মনে হয় না ।


কিছুটা ভীত চেহাড়া নিয়ে আমার গাইড অদুরে দাঁড়িয়ে আছে, কাছে গিয়ে ডাকতেই চমক ভেঙ্গে আমার দিকে তাকালো, হয়তো ভাবছে মানুষ নাকি কোন প্রেত! ঘন্টা দুয়েক সময় কাটিয়ে ধীরে ধীরে বের হয়ে আসলাম মহাভুত মন্দির চত্বর থেকে ট্যক্সি স্ট্যান্ডের দিকে।


মহাভুত মন্দির প্রাঙ্গনে হিন্দু দেবতার মুর্তি

ব্যাংকক ভ্রমনে গিয়ে আপনাদের কারো হাতে এক বেলা সময় থাকলে দেখে আসতে পারেন। খারাপ লাগবে না বলেই মনে হয়। মায়ে নাককে নিয়ে থাইল্যান্ডে প্রচুর সিনেমা ও সিরিয়ালও হয়েছে। তাকে সাধারন মানুষ অত্যন্ত ভয় পায় যেমন এটা লিখতে গিয়ে আমারো ভয় ভয় লাগছে। ছবি আপলোড করতেও অস্বাভাবিক দেরী হচ্ছে । মায় নাক কি এখানেও এসে পরলো নাকি !!

সব ছবি আমার মোবাইলে তোলা ।

মন্তব্য ৮৯ টি রেটিং +১৯/-০

মন্তব্য (৮৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রথম স্থান বুকিং দিলাম। :)

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৩৫

জুন বলেছেন: মফিজ কি কয় :-*

২| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৩৩

করুণাধারা বলেছেন: আমি ২য় স্থান!

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৩৬

জুন বলেছেন: না পড়ে পড়েই ইট রেখে যাওয়া চলছে মনে হয় :(

৩| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

নজসু বলেছেন:



আমি ৩য় হতে প্রথম। :-B

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:০৬

জুন বলেছেন: কত কষ্টের সাগর পেরিয়ে রাত করে দিলাম ভাবলাম সবাই ভুতের গল্প রাতে পড়তেই ভালোবাসে । এখন দেখছি লোকজন কাঠাল ধরায় বিদায় নিচ্ছে :'(

৪| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমি চতুর্থ হতে প্রথম হা হা হাআমি চতুর্থ হতে প্রথম হা হা হা ৷ আপি কাঠাল খান

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:০৭

জুন বলেছেন: আমি কাঠাল খাই না আপু /:)
আমার এত কষ্টের লেখা কেউ পড়েনা আ আ আ :-/

৫| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: না পড়ে পড়েই ইট রেখে যাওয়া চলছে মনে হয় আপনি ইট সাপ্লাই এর ব্যবসা শুরু করেন। ভালো লাভ! :P

আপনার সমস্যার সমাধান হয়েছে দেখে ভালো লাগলো। মহিলা প্রেতাত্মার / দেবীর বিস্তারিত বিষয়টা সময় নিয়ে পড়তে হবে। সেজন্যে প্রথম স্থানের বুকিং দিলাম। =p~

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:১১

জুন বলেছেন: ইটের ব্যবসাই করতে হপে দেখছি /:)

মহিলা প্রেতাত্মার / দেবীর বিস্তারিত বিষয়টা সময় নিয়ে পড়তে হবে। সেজন্যে প্রথম স্থানের বুকিং দিলাম। =p~
আমি জানতাম আমার ভাইয়েরা মহিলা শুনলেই আগ্রহী হয় হোক সে ভুত প্রেত :P

৬| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

রাকু হাসান বলেছেন:

অদ্ভুদ । কুসংস্কার ভেবেছিলাম । আপনারও ভয় দেখে সত্যি মনে হচ্ছে ! মায় নাক আমাকে ধরুক ;) ,
অজানা বিষয় জানালেন । ধন্যবাদ তো দিবই । শুভকামনা করছি ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:৫৯

জুন বলেছেন: সত্যি আমি এই ঘটনাটি লিখতে গিয়ে ভয় পেয়েছি রাকু হাসান । পরশু যখন বসে লেখার পর ড্রাফট করতে গিয়ে গায়েব হয়ে গেলো । ওয়ার্ডে লিখিনি । আবার কাল লিখতে বসলাম কিন্ত একটা ছবিও আপলোড হচ্ছিল না । কিন্ত আমার পাখীর ব্লগ এ তো কত ছবি আপলোড করেছি ভিপিএন দিয়েই । এর মাঝে রাত দশটার দিকে আমি দশ মিনিটের জন্য বাসায় একা ছিলাম । এত ভয় ভয় লাগছিলো বলার নয় । মনে হচ্ছিল ঘরের প্রতিটি কোনে কোনে মায়ে নাক দাঁড়িয়ে আছে :-&

মায় নাক আমাকে ধরুক :| ওক্কে নেক্সট টাইম গেলে বলে আসবো ;)
ধন্যবাদ ও শুভকামনার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ।

৭| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

নজসু বলেছেন:


আমি পড়বো তো।
সময় করে আসতে হবে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২১

জুন বলেছেন: ওক্কে আমি অপেক্ষায় থাকলাম নজসু :)
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা রইলো ।

৮| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:০০

বলেছেন: নো ফতো..............


সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

জুন বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার লেখাটি পড়ার জন্য

৯| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: যুগ যুগ ধরে মানুষ কুসংস্কার লালন করছে। কেয়ামত পর্যন্ত এটা চলতে থাকবে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২৫

জুন বলেছেন: যুগ যুগ ধরে মানুষ কুসংস্কার লালন করছে। কেয়ামত পর্যন্ত এটা চলতে থাকবে।
আমারো তাই ধারনা রাজীব নুর । মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে ।

১০| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৪১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আহা রে !! রমণীর মন।
কিন্তু বুঝে পাই না অমন মর্মান্তিক দুঃখ জনক মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে এমন ভয়ংকর গল্প কিভাবে ছড়ায় :(

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১০:০২

জুন বলেছেন: অমন মর্মান্তিক দুঃখ জনক মৃত্যুর পর সে যে আবার ফিরে এসেছিলো মনিরা । মৃতব্যাক্তিকে যতই ভালোবাসো তার ফিরে আসা কেউই সহ্য করতে পারে না । যেমন কাদম্বীনি মরিয়া প্রমান করিল সে মরে নাই
:)
মন্তব্যে অসংখ্য ধন্যবাদ মনিরা , সাথে আছো বলে লিখে যাচ্ছি যত হাবিজাবি ।
শুভকামনা রইলো ।

১১| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৪৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পড়লাম।
মহাভুত প্রাঙ্গনে ভুতের ক্চ্ছোকাহিনী থাকবে, এতে আর আশ্চর্য কি? তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এতোদিন জানতাম ভুত-প্রেতের প্রধান খাদ্য হলো মানুষের পচা মাংস আর রক্ত। এখন দেখি থাইভুত নিরামিষভোজি!! কলা, আপেল থেকে শুরু করে সব ফলফলারীই খায়। এমনকি লাল মিরিন্ডাও!!! :(
তবে লাল মিরিন্ডার কথায় মনে হলো, এটা মায় নাকের সাথে একধরনের প্রতারণা! সে হয়তো লালরং দেখে রক্ত মনে করেই এটা খায়। :P

যাই হোক....জোকস এপার্ট। চমৎকার লাগলো। ছবি, বর্ণনা সবই। মায় নাকের মতো একজন পেলে আসলে মন্দ হতো না। অনেক অপূর্ণ শখই পূরণ করে ফেলতে পারতাম! :)

১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৫৬

জুন বলেছেন: মহাভুত প্রাঙ্গনে ভুতের ক্চ্ছোকাহিনী থাকবে, এতে আর আশ্চর্য কি? নামটি ভুয়া হলেও এইটা একটা খাটি কথা বলেছেন মফিজ ;)
আমিও প্রথম অবাক হয়েছিলাম এই লাল মিরিন্ডা দেখে তবে এটা বুদ্ধের মুর্তির সামনে উৎসর্গ করতে দেখি নি , দেখেছি তাদের অসংখ্য আত্মা প্রেতাত্মাকে উৎসর্গ করতে ।

ভুত প্রেতের গল্প আমরাতো প্রায়ই শুনে থাকি কিন্ত তার বিচরনের স্থানটি দেখি আমরা কয়জনা তাই না ?
সব সময় পাশে থেকে উৎসাহিত করার জন্য ভীষন খুশী হয়েছি ।
অশেষ ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো ।

১২| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:১৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:

খুব ভালো লাগলো আপু। আমি তো মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে আপনার গল্প পড়লাম। প্রিয়তম স্বামীর সঙ্গে মিলিত হতে না পারায় তার অতৃপ্ত আত্মা তাহলে গোটা সমাজকে ঘাড় মটকে দিয়েছে।আমরা যেটা অন্ধ কুসংস্কার বলবো তাদের কাছে সেটাই সংস্কার, সেটাই আবেগ সেটাই ধর্ম। কাজেই এখানে যৌক্তিকতা খোঁজা বৃথা। মায় নাক ও তার প্রেতাত্মাকে ভয়ে হোক অথবা ভক্তিতে হোক তাকে সম্মান জানিয়ে তাদের ঐতিহ্য কে স্মরণ করুক।
পোস্টের একটি অন্যতম বিশেষ দিক হল শুধু অন্ধ অনুকরণ নয় । উঠেছে এসেছে সুন্দর একটি মর্মস্পর্শী গল্প বা গাথা। আপনার কৌতুহলী মন যে শুধু ফটো নিয়েই যে খুশি থাকেনি। ছবির মজাদার বিষয় গুলোর সঙ্গে সুন্দর রহস্য উন্মোচনে আমাদেরও কৌতুহল নিবৃত্ত হলো।
পোস্টে লাইক।

শ্রদ্ধা ও শুভকামনা প্রিয় আপুকে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি পড়ে মনে হলো খুব মনযোগ দিয়ে খুটিনাটি সব পড়েছেন। আর যা লিখেছেন মন্তব্যে তাতে আমি ভীষণ খুশি হয়েছি। কষ্ট করে লেখাটা স্বার্থক মনে হলো। কৌতুহলী মন আমাকে টেনে গিয়েছিল গৌহাটির কামাক্ষ্যা মন্দিরে। সেখানে অনলি হিন্দুস আর এলাউড। আমাদের এক ট্যাক্সি চালক সে মুসলিম। আমাদের আশ্বাস দিলো ভয় নেই। তার পরিচিত লোক আছে। আমাদের বল্লো কোন কথা যেন না বলি। তবে মন্দিরের পবিত্রতা বজায় রেখেছি। গর্ভগৃহের মন্দিরে প্রবেশ করিনি। বাইরের চাতালে দাঁড়িয়ে ঘুরে ফিরে দেখেছি। কিন্ত চারিদিকের দোকানে গিয়ে কি একটা জিনিস কিনতে গিয়ে বলে ফেলেছিলাম "হায় আল্লাহ এত দাম"! লোকটা আমার দিকে এমন করে তাকিয়েছিল আমি ভয়ে জমে গিয়েছিলাম পদাতিক । তবে আমি ভারতে যত মন্দির দেখেছি তা মনে হয় আপনিও দেখেন নি :)
শেষে মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো।

১৩| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


থাইদের সাথে বাংগালীদের মিল আছে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৭

জুন বলেছেন: মন্তব্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ চাঁদগাজী। তারাও শুটকি খায় আর আমরাও খাই :)

১৪| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৪৮

শায়মা বলেছেন: লটারী গাছ তো নিজেই একটা ভূতের মত দেখতে!!!! #:-S

১৩ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

জুন বলেছেন: ঠিকই বলেছো শায়মা , আমি আবার আঙ্গুল ঘষে দেখি আমার আঙ্গুলের ডগাটা তেলতেলে হয়ে উঠেছে । ভয়ই পেলাম । ভাবলাম ভুতের কারিশমা । কিন্ত পরে গাইডের মুখে কাহিনী শুনে নিশ্চিন্ত হোলাম । মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জেনো :)

১৫| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৫৮

শায়মা বলেছেন: আপু আমি মরে গেলেই এই ভূত মন্দিরে যাবোনা!!!!!!

বাপরে!! মায় নাক যদি আমার ফিরে আসে......

বলাও যায় না ভূত পেত্নী এর মতি গতী!

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৮

জুন বলেছেন: তুমি এই ভুত মন্দিরে যাবে কোন দুক্ষে শায়মা !
পরীরাতো ভুত প্রেত নিয়েই থাকে, পরীদের কাজ করে দেয়, সাহায্য করে নান্না বান্নায়, যেমন মঞ্জুরা সুফিয়া ,
তার আর এক্সট্রা করে ভুতের মন্দিরে যাবার দরকার কি B:-/

=p~

মন্তব্যে আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা শায়মা ।

১৬| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১:১৭

মুক্তা নীল বলেছেন:
জুন মাসে জুন আপার এই পোস্ট। নামে ও মাসে মিলে একাকার , শুভেচ্ছা জানবেন আপু।

মহাভুত মন্দির প্রাঙ্গণে যে চিতাঘর ওটা কি স্বর্ণ খচিত ? মনঃবাসনা পূরণের জন্য অশ্বত্থ বৃক্ষের গুড়িতে কাপড় পেচানো, বিশ্বাসে পুজো দেয়া, মায়া নাকের উদ্দেশ্যে ভক্তদের পোশাক উপহার, দান বাক্সের টাকা ও তাবিজ এই প্রতিটি বিষয় গুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ে ভীষণ অবাক হয়েছি। কিছু কিছু সংস্কৃতি ধারা বোধ হয় ঘুরেফিরে মিলে যায়।
মায়া নাক ও টিড মাক এরা দুজনেই স্বামী স্ত্রী হিসেবে ছিলেন একে অপরের এক আত্মা। এর ইতিহাস ও থাই দের বিশ্বাস বিশ্বাস সম্পর্কে অনেক কিছুই জানলাম। কৌতুহলী ও পোস্টে ভালোলাগা। +++

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

জুন বলেছেন: মুক্তানীল জুন মাসে শুধু জুন আপার পোষ্ট নয় এটা ছিল আমার জন্মদিন উপলক্ষে লেখা পোষ্ট :``>>
শুভেচ্ছা গ্রহন করা হলো সেটা যে বাবদেই দিয়ে থাকেন :)
না স্বর্ন খচিত নয় তবে স্বর্নালী রঙ ব্যবহার করা হয়েছে ঐতিহ্যগত ভাবে । আমিও ওসব দেখে তাই ভেবেছি । নিছক কৌতুহলের বসে আমি বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক মাজারে গিয়েছি । সেই একই অবস্থা । দান বাক্স , মাছ আর কবুতর খাওয়ানো, মনোবাসনা পুরনে সেই সুতা পেচানো সবই এক ।


পোষ্ট পড়া ও ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে মুক্তানীল । আগামীতেও সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায় ।

১৭| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১:৫৮

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: এমন গল্প পড়ার মজাই আলাদা। আপুনি তবে মিথটা যেনো কুসংকারি। তারপরেও একেক জাতির একেক রকম বিশ্বাসও ধর্ম মানা। আপনার পোস্টটি চমৎকার লেগেছে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১৫

জুন বলেছেন: মাহমুদুর রহমান সুজন কতদিন মাস বছর হয়ে গেলো সাথে সাথে থেকে প্রতিটি লেখায় নিরন্তর উৎসাহিত করে যাচ্ছেন তার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞ আমি । মিথ সব দেশের একই মোটামুটি । এই দুনিয়ার সব চেয়ে বড় মিথ গ্রীক রোমান আর ভারতের রামায়নের সব গল্পই এক । সেই সুন্দরী নারী অপহরন , তার জন্য যুদ্ধযাত্রা সবই এক কাহিনী দেশে দেশে ।
পোষ্টটি চমৎকার লাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে :)

১৮| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ২:১১

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: আররে, কি দারুন লাগলো। রোমাঞ্চকর লেখা। ধন্যবাদ!!

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

জুন বলেছেন: রিম সাবরিনা জাহান আপনার মন্তব্য পেয়ে আমি সত্যি খুশী হয়েছি । আপনার ভ্রমন কাহিনীগুলো সত্যি অসাধারন।
ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো ।

১৯| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:০৮

ওমেরা বলেছেন: মায়নাকের কাহীনি দুঃখজনক হলে আমার খুব ভালো লাগল কাহীনিটা জেনে। অনেক ধন্যবাদ নিবেন আপু্।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫০

জুন বলেছেন: মায় নাকের প্রতি আপনার সহানুভুতির কথা জেনে ভালোলাগলো ওমেরা । সেতো তার স্বামীকে গভীর ভালোবাসতো তাই সে মরেও ফিরে এসেছিলো । অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ।

২০| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:১৬

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: পড়লাম,জানলাম মায় নাক সম্পর্কে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫১

জুন বলেছেন: পড়া ও জানার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ মেঘ প্রিয় বালক :)

২১| ১৩ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:৪১

হাবিব স্যার বলেছেন: লটারি গাছে আঙ্গুল ঘষে দেখেছেন আপু?

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

জুন বলেছেন: হাবিব স্যার নামে স্যার হইলেও প্রশ্ন ফাস জেনারেশনের মত একখান মন্তব্য করছেন দেখলাম /:)
আমিতো লিখেছি ওখানে আঙ্গুল ঘষলাম তাতে আঙ্গুলের ডগা তেলতেলে হয়ে উঠলো :P
যাহাই হোক তারপরেও আপনাকে পাশ করাইয়া দিলাম , স্যার বইলা কথা B-)

অনেক অনেক ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য :)

২২| ১৩ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৬:২৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন: থাইদের সাথে বাংগালীদের মিল আছে।

১০০% সহমত !

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

জুন বলেছেন: মন্তব্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ চাঁদগাজী। তারাও শুটকি খায় আর আমরাও খাই :)

আমিও সহমত স্বামী বিশুদ্ধানন্দ
ওরা ভাতের পাগল আমরাও :)

২৩| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৭:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: থাই রাজা রামা ৪র্থ এর রাজত্বকালে প্রাখানং নামক একটি খালের তীরে বসবাসকারী ম্যা নাক নামক একজন থাই সুন্দরীর মধুময় অনুপম প্রনয় কাহিনী , তার সন্তান প্রসব বেদনা . পরে কাহিনী পরম্পনায় স্বামীর যাতনা , জন নিপিড়ন, পরে সন্যাসী কৃপায় তার সন্মানজনক প্রতিস্থাপন প্রভৃতি ঘটনাপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে স্থানীয় লোককথাটি অতি সুন্দর ভাবে সচিত্র উঠে এসছে , পোষ্ষ্টে থাকা কাহিনীর বিবরন , ছবি , ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও এর সামাজিক , রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক প্রভাব প্রভৃতি বিবরণ পাঠে মুগ্ধ ।
সুন্দরী ম্যা নাক ছবি সম্ভার

প্রেতাত্মারুপে চিহ্নিত পরে দেবী তুল্য ম্যা নাক, সে সাথে এই কাহিনী উপস্থাপিকার প্রতি রইল ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী ।

পতির প্রতি এক বুক ভালবাসার জ্বালা ও সম্তান প্রসবিনী মায়ের সীমাহীন যন্ত্রনার দু:সহ জীবন চক্রের যাতনা নিয়ে সুন্দরী ম্যা নাক এর জীবনে সাময়িক করুন পরিনতি নেমে আসলেও পোষ্টে বিবৃত বিভিন্ন ঘটনা পরম্পনায় পরে সে আবার তখনকার সময়ে থাইদের কাছে পরম পুজনীয় ধর্মগুরু সোমদেত এর কৃপা ও আর্শীবাদপুষ্ট হয়ে জগত জুরে স্থান দখল করে নেয় লক্ষ কোটি ভক্তের হৃদয় মুলে । তার স্মরনিকা মন্দিরে উপচে পরে দেশের দুর দুরান্ত হতে আসা হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ ও পর্যটক । তার বেদীমুলে ভক্তগন অর্পন করেন পদ্মকমল সহ বহুবিদ অর্ঘ্য ।

মন্দির প্রাঙ্গনের বটবৃক্ষের কান্ডপাশে ভক্তদের রংগীন কাপড়ের পট্টিবাধন , লটারীর জন্য অঙ্গুলী লেপন , নগদ কড়িদানের চিত্র সুন্দরভাবে উঠে এসছে, পোষ্ট লেখিকার দৃষ্টিতে এড়ায়নি কিছুই, উঠে এসেছে সচিত্র । ম্যা নাক কে উৎসর্গ করা সেই খাল পাড়ের মন্দিরটি ১৯৯৭ সালে আধুনিক ব্যাংকক এর নিকটবর্তী সুয়ান লুয়াং এ স্থানান্তরিত হয়ে এর গুরুত্বকে আরো বৃদ্ধি করে দেয় । ম্যা নাক এবং তার শিশুর মূর্তি স্থাপিত হয় মন্দিরের প্রবেশপথে । ভক্তরা প্রায়শই সহজে সন্তান প্রসবের জন্য বা জোর জারদস্তি করে যুদ্ধে যাওয়ার তরে তাদের স্বামীর প্রতি জারিকৃত সামরিক সমন থেকে মুক্তির লক্ষ্যে সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করে মন্দিরে গিয়ে । মন্দির প্রাঙ্গনের স্টলে খেলনা, মাছ, কমল কুঁড়ি, ধূপ লাঠি, এবং মালপত্র বিক্রির ধুমতো লেগেই আছে ।

এই ম্যা মাক কাহিনীর এখানেই শেষ নয় এর ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কিচ্ছা কাহিনীও কম নয় । প্রভুত আধ্যাতিক শক্তিতে বলিয়ান থাই সন্ন্যাসী ( ভিক্ষু) সোমদেত তার কপালের হাড়ে ম্যা নাক এর আত্মাকে বদ্ধ করে তার কোমরবন্ধে আবদ্ধ করেন বলেও জানা যায় । পোষ্টেরে বর্ণনামতে লেজেন্ড বলছে সেই কোমরবন্ধ বর্তমানে থাই রাজকীয় পরিবারের অধিভুক্ত। অনেক জায়গায় দাবী করা হয় যে এটা নাকি চুমফিনের প্রিন্স অ্যাডমিরাল অভককার কিরিতিভঙ্গসের অধিকারে ছিল ।
ছবি - প্রিন্ম এডমিরাল অভকার

প্রিন্ম এডমিরাল অভকারকে থাই রাজকীয় নৌবাহিনীর জনক বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে বলে জানা যায় । তিনি সেখানে একজন অতি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগনিত । তার স্সরনে সারা দেশে প্রায় ২১৭ টি স্মরনিকা মন্দির নির্মিত হয় এর মধ্যে চম্পন প্রদেশের হাট রী’তে নির্মিত হয় নিন্ম প্রদর্শিত দৃষ্টিনন্দন মন্দিরটি । বলা হয়ে থাকে পুণ্যময়ী ম্য নাক স্মৃতিধন্য কোমরবন্ধের জোরেই নাকি তার এই আকাশ ছোয়া সুনাম ও খ্যাতি ।
Prince of Chumphon Shrine at Hat Ree

আপনি যতার্থই বলেছেন , আমাদের দেশের লোক কাহিনী যেখানে যথাযথ প্রচার ও রাষ্ট্রিয় পৃষ্টপোশকতার অভাবে জাতীয় গন্ডি এমনকি আঞ্চলিক গন্ডি অতিক্রম করতে পারেনা সেখানে প্রচারের আধিক্যতায় ও যথাযথ রাস্ট্রিয় পৃষ্ঠ পোষকতায় ম্যা নাক নামক লোকজ এই থাই গল্প কাহিনীটি ধারাবাহিক ভাবে ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে দেশে বিদেশে । কাহিনীটি অনেকেই ভোগ করেন ভক্তিভরে । পতি নিষ্ঠুর হলেও পতির প্রতি ম্যা নাক এর প্রীতি ও ভক্তি সকল বয়সের লোকদের অনুপ্রাণিত করে। প্রাপ্য তথ্য সম্ভার হতে জানা যায় যে রাজা মংকুটের পুত্র প্রিন্স দামরং নাকি বলেছিলেন যে তিনি যখন শিশু ছিলেন তখন তিনি ওয়াট মহাবুত দর্শকদের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তাদের মতে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি কে , তখন বেশীরভাগ লোকেরাই "ম্যা নাক" এর নাম উল্লেখ করেছিল । এই বিখ্যাত ম্যা নাক কাহিনীটি নিয়ে দুনিয়ার অনেক দেশ যথা আমিরিকা , জাপান ও বৃটেনে অনেকগুলি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন সিরিজও তৈরী হয়েছে । বড় পর্দায় অনেক কাল ধরেই সিনেমা দেখা হয়না , তবে টিভিতে এড দেখে পারিবারিক চাপের মুখে পরে বছর দশেক আগে বৃটেনের Cine World এর বড় পর্দায় Ghost of Mae Nak নামে একটি ফিল্ম সপরিবারে উপভোগ করেছিলাম। পোষ্টের শিরোনাম দেখে এর ভিতরে প্রবেশ করে দেখলাম এটাতো সেটাই , কাহিনীটিকে আপনার মোহিনী বিবরনে আবারো মনোরমভাবে ও সাথে আরো অনেক তথ্য সমাহারে উপভোগ করলাম।

পোষ্টটি প্রিয়তে গেল ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

ছবিসুত্র : অন্তরজাল

১৪ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:১৪

জুন বলেছেন: বাহ আপনার প্রশংসা করতেই হয় বিনা বাক্যে ডঃ এম এ আলী । আমার লেখায় যেটুকু ঘাটতি ছিল তা আপনি পুর্ন করে দিয়েছেন আপনার স্বকীয় বদান্যতায়। মায় নাকের পতি মাক নিষ্ঠুর ছিল না কিন্ত প্রেত হয়ে আসা স্ত্রীর প্রতি কি সেই আবেগ বা প্রেম থাকা কি সম্ভব বলুন ?
চুমফিনের রাজকুমারের নাম ইচ্ছে করেই উল্লেখ করি নি কারন পোষ্টের ওজন অনেক ভারী হয়ে যায় বলে :)
যাই হোক আপনার মন্তব্যে পাঠকদের অনেক প্রশ্নের জবাব মিলে যাবেই বলে আমার বিশ্বাস ।

মায় নাককে নিয়ে তৈরী ম্যুভিটা দেখার আমার অনেক ইচ্ছে ছিলো কিন্ত তখন কোন হলেই চলছে না। তার বদলে দেখে আসলাম সিয়াম আইকনের আই মাক্সে আলাদীন । নেটেফিক্সে দেখতে হবে মনে হয় ।
তবে আপনার কাছ থেকে কোন লেখাই অনেক দিন ধরে পাচ্ছি না ! আপনারও কি রাইটার্স ব্লকে ধরলো ??

অশেষ ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা রইলো । ভালো থাকুন সবসময় আর সাথেই থাকুন ।

২৪| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: এই পোষ্ট টা স্টিকি করা যেতে পারে।

১৪ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:১৫

জুন বলেছেন: জাতীয় জীবনে অতীব গুরুত্বপুর্ন এই লেখাটি স্টিকি করার জন্য আমিও কতৃপক্ষের কাছে আপনার সাথে গলা মিলিয়ে সকাতর আবেদন করছি রাজীব নুর ।
আরেকবার আসায় অসংখ্য ধন্যবাদ জানবেন ।

২৫| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ভুত পেত্নী আমি পাত্তা দেই না। কত কুসংস্কার চলছে পৃথিবীর বুকে। মনশ্চক্ষু নয় ধোকা বাজী.....গাছের ক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ হলো!!!

১৪ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৩

জুন বলেছেন: ভুত আমার পুত
পেত্নী আমার ঝি
রাম লক্ষন সাথে আছে
করবে আমার কি !

আপনার মন্তব্য পড়ে ছোটবেলায় পড়া ঠাকুরমার ঝুলির ছড়াটা মনে পরলো সেলিম আনোয়ার :)
গাছে যদি নম্বরই উঠতো তাহলে থাইল্যান্ডে কেউ দরিদ্র থাকতো না । সেদেশে যেই জনপ্রিয় ল্টারী সিস্টেম , তবে পেয়েছে কেউ কোনদিন তার সাক্ষাৎ মেলেনি , ক্রেতা দেখেছি অসংখ্য ।

সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে ।

২৬| ১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০৯

করুণাধারা বলেছেন: মায় নাককে দেখে তেমন ভয়ংকর লাগলো না কিন্তু জুন! কি সুন্দর লক্ষী মেয়ের মতো বসে আছে !! সাজগোজ ঠিক করে নেবার জন্য আবার ড্রেসিং টেবিলও আছে দেখলাম!!

 ভুতের গল্প তো কতই পড়েছি, কিন্তু এমন সাজুগুজু, বাচ্চা কোলে ভুত কখনো দেখিনি! ছবিগুলো এত ঝকঝকে, যে মনে হল নিজেই ঘুরে ঘুরে সব দেখে নিচ্ছি! আহা, পৃথিবীতে কত কোণে কত রকম বিস্ময় ছড়িয়ে আছে, আপনার সুবাদে তার অনেক কিছু জানতে পারছি। B-) 

পোস্টের সাথে আবার অতিরিক্ত সংযোজন ২৩ নম্বর মন্তব্য। সেটাতেও প্লাস।

  এই নিরামিষাশী, ফ্যাশন সচেতন ভূত দেখার বড় ইচ্ছা। পথঘাট তো বলেই দিয়েছেন ;)

১৪ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৫১

জুন বলেছেন: আমারো ভয় লাগে নি করুনাধারা তবে পরে গাইডের ভয় দেখে আর তার জীবনি পড়ে একটু একটু ভয় পেয়েছি । বিশেষ করে কোলের বাচ্চাটি আর পাশে দাঁড়ানো পুতুল দেখে এনাবেলের মত লাগছিলো ।
ছবিগুলো তুলেছি আমার ফোন হুয়াওয়ে দিয়ে ।
জী এম আলী সাহেব যখনই আমার লেখায় কোন মন্তব্য করেন তা এত বিস্তৃত এবং তথ্যসমৃদ্ধ হয় যে আমার লেখার ফাক ফোকরগুলো ভরে যায় তাতে । আমি এজন্য ওনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞ ।

অবশ্যই যাবেন করুনাধারা । আমি অনেক সময় পর্যটনের প্রধান কেন্দ্রগুলো এড়িয়ে এসব যায়গায় নিজের মত ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসি । বাংলাদেশেও এমন বহু যায়গায় গিয়েছি যার নামই অনেকে জানে না :)
ধন্যবাদ অসংখ্য সাথে আছেন বলে । শুভেচ্ছা রইলো ।

২৭| ১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

নীল আকাশ বলেছেন: জুন আপু, অনেক কষ্ট করে লিখেছেন। পুরোটা পড়লাম। বেশ বিস্তারিত ভাবেই লিখেছেন দেখি! এইসব কাহিনীর সাথে আমাদের দেশের গ্রামবাংলার বিভিন্ন লোককাহিনীর বেশ মিল আছে।
আপনি এখনও থাই ভাষা শিখে নিতে পারেন নি? কতদিন ধরে এখানে আছেন?
হিন্দু এবং বৌদ্ধদের সংস্কৃতি প্রায় একই।
ব্যাংককে ঘরতে আসার আগে আপনার কাছে টিপস নিয়ে আসতে হবে।
আরেকটা জিনিস জানতে চাই, বৌদ্ধরাও কি পুজা করে?
আলী ভাইয়ের মন্তব্য খুব সুন্দর হয়েছে। আপনার লেখার সাথে খুবই প্রাসঙ্গিক।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!

১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

জুন বলেছেন: সত্যি অনেক কষ্ট করেই লিখেছি নীল আকাশ। ! ঘটনা পড়ে আমারো মনে হয়েছে এইসব কাহিনীর সাথে আমাদের দেশের গ্রামবাংলার বিভিন্ন লোককাহিনীর বেশ মিল আছে। বিশেষ করে ৮ফুট নীচে থেকে হাত লম্বা করে লেবু আনার ঘটনাটি পড়ে ।
আমি খুব অল্প থাই ভাষা পারি :)
কি টিপস জানতে চান বলবেন অবশ্যই । বৌদ্ধরাতো অবশ্যই পুজা করে , হিন্দু ধর্ম থেকেই তো তাদের উৎপত্তি । এই ছবিতে দেখেন সবাই মায় নাকের সন্তষ্টি লাভের জন্য পুজা করছে গভীর মনযোগে ।


আলী ভাইয়ের মন্তব্য সব সময় আমার লেখাকে সমৃদ্ধ করে নীল আকাশ ।
আপনার জন্যও রইলো শুভকামনা । মনযোগী পাঠে আন্তরিক ধন্যবাদ

২৮| ১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৪২

নজসু বলেছেন:



সত্যি এ এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা।
বিজ্ঞানের এই যুগে মানুষ এখনও ওসব বিশ্বাস করে।
হয়তো ফলও পায়। কথায় বলেনা- বিশ্বাসে মেলায় বস্তু।

আমার কাছে মায় নাককে কিন্তু ভয়ংকরই লাগছে। পাশের পুতলাও ভয়ংকর।
তাবিজ কবজ আর ব্যাং ট্যাং বিক্রি করার মজিদ এখনও আছে দেখছি।

দানের বাক্সের টাকাগুলো যায় কোথায়?

কে মানুষ আর কে প্রেত বোঝার উপায় নাই....ভয়াবহ ব্যাপার।

মায় নাকের কাহিনি পড়ে শিহরিত হয়েছি।



১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪১

জুন বলেছেন: বিজ্ঞানের এই যুগে মানুষ এখনও ওসব বিশ্বাস করে। আপনার মত আমিও খুব অবাক হয়েছি । যাবার আগে ভেবেছি হয়তো এমনি এক মন্দির । কিন্ত তাকে নিয়ে যে পুন্যার্থীদের এত মাতামাতি তাতে আমাদের দেশের কিছু কিছু মাজার পুজার মতই লাগলো খানিকটা নজসু ।
দানের বাক্সের টাকা এগুলো যারা দেখাশোনা করে তাদের পেটেই যায় । বাংলাদেশের বিখ্যাত এক মাজারের বংশধরদের/ খাদেমদের আত্মীয়তার সুত্রে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল । তখন দেখেছি কি ভাবে টাকা নিয়ে ফুর্তি করে তাদের ছেলেমেয়েরা ।
কে মানুষ আর কে প্রেত বোঝার উপায় নাই. এটা শুনে আমিও একটু ডরাইছিলাম :-&
আবার এসে এত আন্তরিক একটি মন্তব্য রেখে গেছেন তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ । শুভেচ্ছা সব সময়ের জন্য ।

২৯| ১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫৪

রায়হান চৌঃ বলেছেন: আপনার ভ্রমন বিষয়ক......... অসাধারণ আপু........... চলতে থাকুকু নতুন নতুন এলাকা নিয়ে, অপেক্ষায় থাকলাম :)

তবে .......... থাই লটারী !! একটা দুর্ভেদ্য বিষয়, বহু মানুষ কে দেখেছি ফকির হয়ে গিয়েছে

১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:০৬

জুন বলেছেন: আপনার আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ রায়হান চৌঃ । সাথে থাকবেন আগামীতেও সেই অপেক্ষায় :)
থাই লটারী !! একটা দুর্ভেদ্য বিষয়, ঠিকই বলেছেন আপনি । থাইল্যান্ডের খেটে খাওয়া মানুষদেরি দেখি সারা মাস জুড়ে লটারীর টিকিট কিনতে । কেউ পেয়েছে কি না কখনো তা জানি না ।

শুভকামনা রইলো আর দেরীতে জবাব দেয়ার জন্য দুঃখিত আমি :(

৩০| ১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

ক্লে ডল বলেছেন: মায় নাকের ছবি তুলেছেন তাই তার কাছে ক্ষমা চেয়ে এসেছেন। =p~ আমি ছবিগুলো দেখেও মায় নাকের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি!! যেন আমার আবার ঘাড় না মটকে! :|

১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

জুন বলেছেন: হায় হায় আপনাদের জন্যও এডভান্স ক্ষমা চেয়ে আসা উচিত ছিল ক্লে ডল =p~
এটা নিয়ে যে ব্লগে লিখবো তা ভাবিনি , যাই হোক এখান থেকেও ক্ষমা চাইলে প্রব নাই মনে হয় ;)
প্রেতাত্মারা তো সব যায়গায় যেতে পারে, সবার মনের কথা বুঝতে পারে তাই না B-)

যাইহোক অনেক অনেকদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে খুব ভালো লাগলো । কোথায় যে হারিয়ে যান বুঝতেই পারি না ।
শুভকামনা রইলো সব সময়ের জন্য ।

৩১| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

নীলপরি বলেছেন: ঠিকই বলেছেন । একটা ছমছমে ভাব আছে । মর্মস্পর্শী কাহিনী । আর আপনার উপস্থাপনা বরাবরের মতোই খুব ভালো হয়েছে ।
++
শুভকামনা

১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ নীলপরি মন্তব্যের জন্য :)
সাথে থাকবেন । শুভেচ্ছা রইলো ।

৩২| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: জুন আসে জুনাপির অভিজুন থুক্কু অভিযান :D

১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১৩

জুন বলেছেন: জুন আসে জুনাপির অভিজুন থুক্কু অভিযান :(

এই রকম মিনি মন্তব্যের জন্য ধন্যব----

৩৩| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: মায় নাকরে দেইখা ভয় পাইসি #:-S

১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪

জুন বলেছেন: আমি সামনে থিকা ডরাই নাই তবে লেখতে গিয়া ডরাইসি ঢাবিয়ান :-&

মন্তব্যে মেলা ধন্যবাদ :)

৩৪| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

মুক্তা নীল বলেছেন:
জুন আপা
জুন মাসের সাথে জুন আপার কিছু একটা রিলেটেড আছে এটা ভেবে ছিলাম। কিন্তু জন্মদিন, আমি নিজেই সারপ্রাইজ !!!

অদৃশ্য টানে ও আত্মিক ভালোবাসায় এই মাসের যেকোনো দিন জন্মদিনের শুভেচ্ছা টুকু জানবেন।


অ:টা: ৩৪ নং মন্তব্যটি পুরোটা যায়নি, আপা ওটা মুছে করে দিয়েন।

১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১৬

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ মুক্তানীল আরেকবার এসে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য :)
ভালো থাকবেন সবসময় সেই প্রার্থনা করি ।
মুছে দিয়েছি ।

৩৫| ১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ১:৫০

মা.হাসান বলেছেন: মাজার প্রথা ভিন্ন ভিন্ন চেহারায় অনেক দেশেই আছে। থাইল্যান্ডের বিষয়ে আমাদের অধিকাংশের অভিজ্ঞতা টুরিস্ট শহরগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ । এ বিষয়ে আপনার ব্যাপক অভিজ্ঞতা। ওখানকার সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামের কথা যদি কোন পোস্টে তুলে আনতেন তবে খুব ভালো লাগতো। আপনার পেত্নীর মাজারের ঘটনার বর্ণনা সর্বাঙ্গীন সুন্দর হয়েছে। পোস্টে অনেক প্লাস।

আপনার জন্মদিনের বিষয়টি জানা ছিল না, অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আগামী দশ বছর প্রতি বছর আপনার বয়স এক বছর করে কমতে থাকুক এই কামনা করছি।

১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

জুন বলেছেন: থাইল্যান্ডের বিষয়ে আমাদের অধিকাংশের অভিজ্ঞতা টুরিস্ট শহরগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
আপনি যথার্থই বলেছেন মা হাসান আর সেই ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা একটি পুরো জাতিকে বিচার করে ফেলি ।
সাধারন মানুষের কথা লিখবো অবশ্যই । আমার চিন্তা আছে বিষয়টি নিয়ে লেখার ।
মহাভুত নিয়ে লেখাটি ভালোলাগার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ।
আমি বাংলাদেশের অনেক মাজারে গিয়েছি শুধুমাত্র কৌতুহল মিটাতে । কিছু কিছু যায়গায় এমন জিনিস দেখেছি তা ধর্মের সাথে কিছুতেই মিলানো যায় না । ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় স্টাডি ট্যুরে ইন্ডিয়া গিয়েছিলাম । অনেক কিছুর সাথে আজমীর ছিল । মনে আছে আমার আব্বা বলেছিল আজমীরের মাজার জিয়ারত করতে গিয়ে আবার তার কাছে কিছু চাইতে বোসো না কারন মৃত ব্যাক্তির কিছু দেয়ার ক্ষমতা নাই এই কথাটি আমি সব সময় মনে রাখি ।
আবারো ধন্যবাদ জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোয় । ভালো থাকবেন সব সময় ।

৩৬| ১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ২:০০

মা.হাসান বলেছেন: পোষ্টটির ব্যাপারে আর দুটি কথা না বললেই নয়। এক - অনেকগুলো মন্তব্য অসাধারণ হয়েছে। দুই- ব্লগে এখন ব্লগারদের যে খরা চলছে তার কারণে অনেক ভালো ভালো পোস্টেও এখন ১০/১৫টার বেশি কমেন্ট আসে না। আমার আগের কমেন্টটা ছিল এই পোস্টের ৩৫ নম্বর কমেন্ট। এখান থেকে বোঝা যায় পোস্টটা কি রকম ছিল।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

জুন বলেছেন: আমি এজন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞ মা হাসান। আর অনেকের মন্তব্যই অনেক অনেক ওজনদার তার মাঝে আপনিও আছেন। আমার সকল সহ ব্লগারদের জানাই আন্তরিক শুভকামনা :)

৩৭| ১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: গাছে সুতা বেধেছি জীবনে অনেক, তবে এসব জীবনেও আমি বিশ্বাস করি না.......চমৎকার পোষ্টে ভালোলাগা।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

জুন বলেছেন: আমি সবার দেখাদেখি আর খাদেমের আদেশে জীবনে একবার বেধেছি আজমিরে তার জন্য আব্বার বকা খেয়েছিলাম :(
অনেকদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে ভালোলাগলো সাদা মনের মানুষ। ভালো আছেন তো?

৩৮| ১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:০৮

করুণাধারা বলেছেন: জন্মদিনের কথাটা জানতে পেরে চমৎকৃত হলাম জুন! অনিঃশেষ শুভেচ্ছা- আগামী দিনগুলোর জন্য!

আপনি পোস্ট দিয়েছেন জন্মদিনের দিনে, আর আমি জন্মদিনের দিনটিতে পোস্ট দেয়া থেকে ছুটি নিলাম। B-)

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২২

জুন বলেছেন: আপনার দেয়া শুভকামনা আমার জন্য আশীর্বাদ হয়ে থাকলো করুনাধারা। ভালো থাকুন আপনিও। আপনার জন্মদিনেও শুভেচ্ছা রইলো অন্তর থেকে আমার, যদিও দিনটি অজানাই থাকলো :)

৩৯| ১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:১৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: পোস্টটা লোড হওয়ার পর দূর থেকে দেখলাম এক সুন্দরীর ছবি। ভাবলাম জুনাপুকে দেখতে পেলাম ;)

বিস্তারিত পড়িয়া কুট্টিমামা সাইজ কমেন্ট আসিবে B-)

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৭

জুন বলেছেন: জুনাপু যদি মায় নাকের মত এত সুন্দ্রী হতো তাহলেতো আর কথাই ছিল না ;)
এই রকম হাজার ভক্তর পুজা ছারাও তাদের দেয়া রাজ্যের কাপড় চোপর গয়না গাটি, দান বাক্স ভরা টাকা নিয়ে পায়ের উপর পা দিয়ে থাকতাম। আর রাজ্যের ভুত প্রেত আমার হুকুম তামিল করতো কিছু বলার আগেই =p~
ঊক্কে আপনার কুট্টি মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম কিন্ত /:)

৪০| ১৫ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৩২

ক্লে ডল বলেছেন: আমি হারিয়ে যায়নি। সামুই আমার কাছ থেকে হারিয়ে গিয়েছিল! :( VPN ছাড়াই এতদিন ট্রাই করেছি। সাইটই লোড হয়নি। এখন VPN দিয়ে চলছি।
খুব মিস করেছি এতদিন ব্লগকে।

ভাল আছেন আশা করি।

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

জুন বলেছেন: হারিয়ে যখন যান নি তখন শীঘ্রই নতুন লেখা নিয়ে ফিরে আসুন ক্লে ডল । সামুর এই দুর্দিন সবার বাড়িয়ে দেয়া হাতের পরশেই মুছে যাবে একদিন ।
আমি ভালো আছি ক্লে ডল
আপনি ভালোতো ?

৪১| ১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:১৮

অপু তানভীর বলেছেন: ম্যা নাক বড়ই সৌন্দর্য্য :D

ভাবছি এই এই থিম নিয়ে একটা ভুতের গল্প লিখে ফেলি !

১৬ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অপু তানভীর মায় নাকের মাঝে সৌন্দর্য্য খুজে পাওয়া মন্তব্যের জন্য :)
তার জীবনীটাইতো একটি গল্প আপনি পড়েন নাই :-*

৪২| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০২

করুণাধারা বলেছেন: আগের মন্তব্যের ব‍্যাখ‍্যা দিতে হাজির আবার! আমি বলছিলাম আমি পোস্ট দিয়েছি ১১,১২ আর ১৪ তারিখে। জন্মদিনের দিন পোস্ট দেই নি। B-)

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১০

জুন বলেছেন: শুভ হোক শুভ হোক আগামীর পথ চলা করুনাধারা । অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো চলে যাওয়া দিনটিতে :)

আপনার পোষ্টের প্রথম অর্কিডের ছবিটা ভুলে চলে গেছে ,
দ্বিতীয়টায় আপনাকে লেখা শুভেচ্ছাবানী রয়েছে কিন্ত :)

৪৩| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:০৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কুসংস্কার সারা বিশ্বেই বিরাজ, অদ্ভুত অন্ধ বিশ্বাস।

পোস্ট পড়ে মন্তব্য করছিলাম মন্তব্য পোস্ট হয় নাই, এলা চা দেও চা খামু

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

জুন বলেছেন: কাজী ফাতেমা,
৪ নং মন্তব্যে কাঠাল ধরায় দিয়া গেছিলেন এইটার কথা কইতাচ্ছেন্নাতো #:-S

কাঠাল মন্তব্য যদি না হয় তবে হারায় যাওয়া মন্তব্যের জন্য :-/


নেন কফি খান , চা পাইলাম না নিজের এলবামে :)
আরেকবার আসার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু

৪৪| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ভুত প্রেত আমি নিজে চোখে দেখেছি অসংখ্যবার - পরবর্তিতে যুক্তি দিয়ে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি যা দেখেছি ভুল, কিন্তু তারপারেও কথা থেকে যায়। সেইসব গল্প একদিন করবো হয়তোবা।

ধন্যবাদ জুন আপু ও ডঃ এম এ আলী ভাই, দুজনের লেখায় লেখাটি পরিপূর্ণতা পেয়েছে।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

জুন বলেছেন: বহুদিন পর বহু ক্রোশ ঘুরে আবারও ব্লগে আপনার পদচারণা দেখে সত্যি খুব ভালোলাগলো।
জলদি জলদি লিখে ফেলেন আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা। আমিতো গল্প পড়েই ভয়ে অস্থির। আর আপনার তো বাস্তবেই মোলাকাত বাপ্রে :-&
আলী ভাই আসলেও প্রাসংগিক মন্তব্যে লেখার ফাক-ফোকরগুলো ভরাট করে তোলে। আমি তার যতই প্রশংসা করি তার কিছুই তুলনীয় নয়। আরেকজন যিনি সবার শেষে এসে এত সুন্দর মন্তব্য করেন শুধু লেখা নিয়েই নয়, অন্যদের মন্তব্যগুলোকেও চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে তুলে ধরেন অনন্য উচ্চতায়। তিনি আমাদের সবার প্রিয় ব্লগার খায়রুল আহসান।

৪৫| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: কুসংস্কার কাল কালান্তরে বয়ে চলেছে পুরো পৃথিবী জুড়ে.... বিভিন্ন দেশের আদিবাসী, এশিয়া মহাদেশ এবং নানান দ্বীপে এরুপ ঘটনা বেশি বেশি দেখা যায়। একসময় তা হয়ে যায় লোককথা কিংবা তোমার পোস্টের ন্যায় উপাসনার স্থান।

মায় নাকের ছোট্ট বাচ্চাটার মতো ছোট কমেন্ট করলাম ;)

জীবনটা এক বিরাট রহস্য..... যার পাতায় পাতায় লুকিয়ে আছে বিস্ময়।

ডঃ এম এ আলীর চমৎকার কমেন্টে আরো অজানাকে জানলাম।

জুন মাসে জন্ম তাই জুন নাম নাকি #:-S

সবশেষে জন্মদিনের লেটু শুভেচ্ছা (এত বড় বাবুর আবার জন্মদিন :P )


পোস্টটা তোমার মতোই হয়েছে ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.