নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার কথা -২

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৪৮

তখন সেন্ট্রাল গভঃ বয়েজ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন জনাব বজলে কাদের। বেশভূষায় তিনি অত্যন্ত পরিপাটি ছিলেন। দূর থেকে দেখা, তাই এর চেয়ে বেশী আর কিছু মনে নেই, তবে এটুকু বুঝতাম যে স্কুলে এবং স্কুলের বাইরেও তিনি একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। খুবই রাশভারী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। এয়াকুব আলী চৌধুরী স্যার বাংলা পড়াতেন, হোম ওয়ার্ক এর ব্যাপারে বেশ সিরিয়াস ছিলেন। পরে শুনেছি তিনি খিলগাঁও হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর নিয়েছিলেন। গুলজার হোসেন নামে একজন ঢিলেঢালা পায়জামা পাঞ্জাবী পড়া শিক্ষক ছিলেন, যিনি ইংরেজী, অঙ্ক, ধর্ম সবকিছুই পড়াতেন, তবে তাকে মনে রেখেছি ব্ল্যাকবোর্ডে সাদা চকে তার চমৎকার ইংরেজী হাতের লেখার জন্য। সিরাজুল ইসলাম স্যার ইংরেজী পড়াতেন। ইংরেজী বই এ বেগম রোকেয়ার উপর একটা ছোট নিবন্ধ ছিল। বেগম রোকেয়ার নাম কেউ Rokeya উচ্চারণ করলে বা এভাবে লিখলে তিনি ভীষণ ক্ষেপে যেতেন। তিনি ওটাকে কেটে দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে Ruqaiyah কথাটা লিখে দিতেন, মুখেও তিনি রুক্বাইয়াহ উচ্চারণ করতেন। পরে জেনেছি যে বেগম রোকেয়া স্বয়ং তার নামটি ওভাবেই লিখতেন। সিরাজুল ইসলাম স্যার সিলেটী ছিলেন। যতক্ষণ ইংরেজী বলতেন, খুব চোস্ত বলতেন। সাধারণ ছাত্রদের জন্য কিছু বাংলায় বুঝিয়ে বলতে গেলেই অরিজিনাল সিলেটী ভাষা বেড়িয়ে পড়তো। অবশ্য আমার কাছে সেটাও মন্দ লাগতো না।

তখন স্কুলটা একটা নবনির্মিত দোতলা বিল্ডিং ছিলো। উত্তরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন তথা সদর দপ্তর, একটু এক্সটেন্ডেড দক্ষিণে মতিঝিল কলোনী, পূর্বে শাহজাহানপুর আর পশ্চিমে টি এন্ড টি কলোনী ছিলো। রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা থাকতো। আমরা স্কুলের পাঁচিলে বসে রাজারবাগ চানমারিতে পুলিশের প্রশিক্ষণ ফায়ারিং, বার্ষিক কুচকাওয়াজ আর দমকল বাহিনীর অগ্নি নির্বাপনী মহড়া প্রত্যক্ষ করতাম। আমাদের স্কুলের পাশেই ছিলো সেন্ট্রাল গভঃ গার্লস হাই স্কুল। পাশাপাশি দুটো স্কুল একই বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা বিভক্ত ছিলো। তবে উভয় স্কুলের জন্য ছিলো একটাই কমন অডিটোরিয়াম। নজরুল-রবীন্দ্র জয়ন্তী ও ইত্যাকার অনুষ্ঠানাদি এলে বড়ভাইদের দেখতাম খুব আগ্রহভরে অপেক্ষা করতেন কখন ক্লাস শেষে অডিটোরিয়ামের দরজা খুলবে। সেখানে তারা আপুদের সাথে একসাথে রিহার্সাল করতেন। বলাই বাহুল্য, এসব করতে গিয়ে তাদের কারো কারো মধ্যে প্রেমের প্রথম পাঠও নেয়া হয়ে যেতো। এ তথ্য প্রকাশ পেতো এখানে সেখানে এর ওর মুখে আলোচনার মাধ্যমে। যারা লাইলী মজনু বা শিরি ফরহাদের মত হয়ে উঠতো, তাদের নামগুলি জ্বলজ্বল করে কে বা কারা বাথরুমের দেয়ালে কিংবা হেথা হোথা লিখে রাখতো প্লাস চিহ্নের মাধ্যমে। যেমনঃ জামিল+দিনা, সোনা+রূপা, খোকা+ নিরু ইত্যাদি। আমার এ লেখাটা পড়ে আমার এক পরিব্রাজক পাঠক আমায় জানিয়েছেন যে এই প্লাস(+) চিহ্নের ব্যাপারটা নাকি বিশ্বজনীন। তিনি বিশ্বের আরো অনেক দেশে এমনকি ইউরোপেও এর অনুরূপ ব্যবহার প্রত্যক্ষ করেছেন। “মিউনিখের অলিম্পিয়া টাওয়ারেও দেখেছি এই প্লাস চিহ্ন। প্রেমের ভাষা সার্বজনীন” – তিনি আমায় জানিয়েছেন। আমি ভেবেছিলাম, প্লাস চিহ্নের ব্যাপারটা শুধু বাংলাদেশেরই কালচার। তার দেয়া তথ্য জেনে আমার সে ভুল ভাঙলো। অবশ্য আমিও আমেরিকায় বেড়াতে গিয়ে নিউ ইয়র্ক এর Howes Cave এর সুগভীর গুহার ভেতরেও প্লাস চিহ্নে আবদ্ধ কিছু নাম উৎকীর্ণ থাকতে দেখেছি।

স্কুলে আমার রেজাল্ট অভিভাবকদের মোটামুটি সন্তুষ্টি অর্জন করতে পেরেছিলো বলে স্কুলের উপর তারা ও আমি উভয় পক্ষই সন্তুষ্ট ছিলাম। আমার জন্য সবচেয়ে প্রিয় সময় ছিলো টিফিন পিরিয়ডে ছোট টেনিস বল দিয়ে কোনদিন ফুটবল, কোনদিন “বোম্বাস্টিং” খেলা। আর স্কুল শেষে হাঁটা পথে বাড়ী ফেরার আগে কয়েকজন মিলে দুটি দলে ভাগ হয়ে আসল ফুটবল দিয়ে একই গোল পোস্টে কিছুটা সময় ফুটবল খেলে যাওয়া। আবার কোন কোন দিন সোজা বাসায় গিয়ে বই রেখে বাসার আবহাওয়া বুঝে পুনরায় স্কুলের মাঠে চলে আসতাম। সেদিন খেলাটা একটু বেশী হতো। ক্লান্তও বেশী হতাম আবার তিরস্কারের সম্ভাবনা মাথায় নিয়ে বাড়ী ফিরতাম, কেননা আমার প্রতি পাখী ঘরে ফেরার পূর্বেই বাড়ী ফেরার নির্দেশ ছিলো।

এভাবেই স্কুলে দুটো সুখের বছর অতিবাহিত করার পর একদিন টের পেলাম আমাকে নিয়ে বাসার সবাই কি যেন ভাবছে। আজন্ম লাজুক, তাই পরিবারের কারো কাছেই মুখ খুলে কোন কিছু জিজ্ঞেস করতাম না। একদিন সন্ধ্যায় আব্বা আমাকে এক ফটো স্টুডিওতে নিয়ে গেলেন ছবি তোলার জন্য। ফিরে এসে দেখলাম, তিনি আর বড়ভাই মিলে মন দিয়ে কি একটা ফরম পূরণ করছেন। বড়ভাই একপা অগ্রসর হয়ে নির্দেশ দিয়ে বসলেন, এখন থেকে আমাকে বাসায় ইংরেজীতে কথা বলতে হবে। ভুলচুক হলেও কোন সমস্যা নেই, তবে ইংরেজী বলতে হবে। এক মহা সমস্যায় পড়ে গেলাম। নিজেই মনে মনে কিছু বাংলা কথাকে সাজিয়ে নিয়ে সেটাকে ইংরেজীতে কিভাবে বলবো তা একনিষ্ঠভাবে আওড়ে যেতাম। কিছুদিন পরে একদিন বড়ভাই আমার ইংরেজীতে কথা বলার ব্যাপারে কিছুটা উন্নতি হয়েছে কিনা তা পরখ করার জন্য জিজ্ঞেস করলেন, "রশুন ইংরেজী কী, তা জানো?" পেঁয়াজ ইংরেজী কী, তা জিজ্ঞেস করলে আমি তার উত্তর দিতে পারবো, সেটা তিনি জানতেন। ধরার জন্যই রশুনের অবতারণা। তাই এসব প্রশ্ন ট্রশ্ন আমার খুব একটা ভালো লাগতোনা, আবার উপেক্ষা বা প্রতিবাদ করার সাহসও ছিলোনা। তবে, আমার ঐ মনে মনে আওড়ানোর অভ্যেসটা একটু একটু করে কাজ দিচ্ছিলো। আমি একটু বিরক্তি নিয়েই বললাম, "আই ডু নট নো এনিথিং এবাউট ইওর রশুন"। এত বড় একটা ইংরেজী বাক্য (তখনকার আমার তুলনায়) খাতায় অবলীলায় লেখতে পারতাম, কিন্তু তা আমার মুখে কেউ কখনো উচ্চারিত হতে শুনেনি। কথাটা শুনে তাই বড়ভাই একটু হকচকিয়ে গেলেও বাবা মা সহ বাসার আর সবাই বোধকরি সন্তুষ্টই হয়েছিলেন এবং অট্টহাসিতে ফেটে পড়েছিলেন। পরে অবশ্য বড়ভাইও ঐ হাসিতে যোগ দিয়েছিলেন।

চলবে…
(ইতোপূর্বে প্রকাশিত)
এর ঠিক আগের র্পবটা রয়েছে এখানে: আমার কথা - ১

ঢাকা
০৪ জুলাই ২০১৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৫৪

মাহবুবুল আজাদ বলেছেন: বেশ ভাল লেগেছে পড়তে। তবে বোম্বাস্টিং উফফ কি যে বলের মার খেয়েছি জীবনে, আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:০৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, মাহবুবুল আজাদ। লেখাটা ভালো লেগেছে জেনে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
হ্যাঁ, আমাদের ছোটবেলায় ওসবই ছিলো নির্মল আনন্দের উৎস। যখন আরো ছোট ছিলাম, যখন ছেলেদের আর মেয়েদের মাঝে কোন পার্থক্যের কথা মাথায় আসতোনা, তখন মেয়েদের সাথে "সাতচারা", গোল্লাছুট ইত্যাদিও খেলেছি। ওদের সাথে সুর করে "এপেন্টি বায়োস্কোপ, নাইন টেন টেনস্কোপ" এই নামের একটা গান অনেক সুর করে গেয়েছি। "আয়রে আমার গোলাপ, আয়রে আমার টগর" - এই জাতীয় একটা শ্লোক কোন একটা খেলার মাঝে যেন বলতে হতো, তাও আবছা আবছা মনে পড়ছে।

২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৫৬

জুন বলেছেন: সুমধুর কন্ঠস্বরের অধিকারী বাংলা টিচারের নাম কি ইসমাইল হোসেন?
আমার হাসবেন্ড ওই স্কুল থেকে ৬৯ এ মেট্রিক পাশ করে বের হয়েছে। সে আপনার স্মৃতি কথা পড়ে সবাইকে চিনলো আর বল্লো আমাকে মন্তব্য করতে খায়রুল আহসান। আর আপনার ডাক নাম কি বেলাল নাকি জানতে চাইলো :)

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫০

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথমতঃ, আমার এ লেখাটা নিজে পড়ে আবার স্বামী প্রবরকেও শোনানোর জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং ভাইয়াকে সালাম। উনি একেবারে 'বুল'স আই' এ হিট করেছেন। হ্যাঁ, উনি ঠিকই বলেছেন, আমার সেই স্মিতহাস্য, সদালাপী বাংলা শিক্ষকের নাম ছিল ইসমাইল হোসেন। ছাত্রদের দেয়া টাইটেলগুলোও যে শিক্ষকদের পরিচয় সনাক্তকরণে একদিন এতটা কার্যকর হবে, তখন তা কে জানতো? ভুলে যাওয়া গুরুনমস্য নামটা স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য আমার ধন্যবাদটুকু ওনার কাছে পৌঁছে দেবেন, প্লীজ।

দ্বিতীয়তঃ, আমাকে সনাক্তকরণের ওনার প্রয়াসটুকু সঠিক না হলেও, অনুমান একেবারে অমূলক নয়। খায়রুল আলম নামে (আমার নাম খায়রুল আহসান, একটু পার্থক্য আছে) আরেকজন ছিলো, যার ডাক নাম বেলাল। তিনি মতিঝিল কলোনীতে থাকতেন। তিনিও সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। নামের নৈকট্যের কারণে জীবনে বহুবার বহুজনের ভুল অনুমানের শিকার হয়ে আমরা বেশ বিভ্রান্তিতে পড়েছি।

আমি যদি ঐ স্কুলটাতে থেকে যেতাম, তবে আমি ১৯৭০ সালে মেট্রিক দিতাম। সেটা বিবেচনায় নিলে আপনার স্বামী আমার এক বছরের সিনিয়র। নামটা জানলে হয়তো চিনলেও চিনতে পারি, যদিও স্কুল ছেড়ে যাবার পর থেকে আমার আর ঐ স্কুলে যাওয়া হয়নি কখনো। পাশ দিয়ে যাবার সময় গাড়ীতে বসে আমার স্ত্রী আর ছেলেদেরকে দেখিয়েছি, 'ঐ স্কুলটাতে আমি পড়তাম'। ৬২ সালে ঐ স্কুল থেকেই একজন ছাত্র সারাদেশ মিলে প্রথম হয়েছিলো, সেটাও উল্লেখ করতাম। স্কুলের কোন পুনর্মিলনীর খবর কখনো পাইনি, তাই যাওয়াও হয়নি। আগামীতে যদি পাই, তবে যাবার ইচ্ছে আছে।

বুঝতেই পারছেন, স্মৃতির উনুনে ফুঁ দিয়েছেন, তাই এত কথা বললাম। লেখাটা মন দিয়ে পড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ, জুন।

৩| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৩০

রাবার বলেছেন: তখনো জন্মই হয় নাই :(

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: তা না হোক! সেজন্যই ত বলা, রাবার।

৪| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৯

শেরজা তপন বলেছেন: খুব ভাল লাগছে আপনার স্মৃতি কথন। পরের প্রজন্ম হলেও অনেক কিছু আমাদের সাথে মিলে যায়। লিখে যান মনের আনন্দে!

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার লেখাটায় থেমে কিছুটা সময় দেবার জন্য ধন্যবাদ, শেরজা তপন। ভালো লেগেছে (ও লাগছে) জেনে খুব খুশী হ'লাম। সিরিজটাকে দীর্ঘায়িত করার ইচ্ছে আছে। পরের দিকে পরের প্রজন্মের জন্যেও অনেক কথা থাকবে, এই আশা রাখছি।
আমি চিরকাল তরুণদের সঙ্গ ভালোবাসি, তাদের সান্নিধ্যে থাকলে অনেক আপডেট থাকা যায়। নিজের তারুণ্য কখন যে হারিয়ে বসে আছি, তরুণদের সাথে থাকতে থাকতে তা মোটেও খেয়াল করিনি।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমি আপনার "এক রুশীয় দম্পতির বাংলাদেশ ভ্রমণ" সিরিজটি পড়ে যাচ্ছি, মন্তব্যও করে যাচ্ছি। চমৎকার লিখেছেন সিরিজটি।

৫| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১৪

স্পর্শিয়া বলেছেন: লেখায় প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ ও ইংরেজী বলার মজার অংশটুকু খুব ভালো লাগলো।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখার চুম্বক অংশটুকুই আপনাকে আকর্ষণ করেছে, স্পর্শিয়া। ভালো লাগার কথাটা জানিয়ে গেলেন, এজন্য ধন্যবাদ।
'আমার কথা - ১' টা কেমন হয়েছে?

৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:২১

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: আপনার কথা পড়ে ভাল লাগছে । দ্রুত লিখুন আর আমাদের জানান :)
বোধ হয় আপনার লেখার ভক্ত হয়ে যাব । :)
শুভেচ্ছা রইল ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার কথা শুনে প্রীত ও অনুপ্রাণিত বোধ করছি, মাহমুদ০০৭। আশাকরি আগেরটাও পড়বেন এবং সেখানে কিছু বলবেন।

৭| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩২

স্পর্শিয়া বলেছেন: লেখক বলেছেন: লেখার চুম্বক অংশটুকুই আপনাকে আকর্ষণ করেছে, স্পর্শিয়া। ভালো লাগার কথাটা জানিয়ে গেলেন, এজন্য ধন্যবাদ।
'আমার কথা - ১' টা কেমন হয়েছে?

১ টা আমি পড়িনি । অবশ্যই পড়ে নেবো খায়রুলভাই। শ্রদ্ধা এবং ধন্যবাদ রইলো।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আচ্ছা, ঠিক আছে। পড়ে জানাবেন কেমন হয়েছে।
এ লেখাটা 'লাইক' করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৯

অন্ধবিন্দু বলেছেন: খায়রুল আহসান,
স্কুল লাইফের কথা শুনতে কার না ভালো লাগে বলেন ? চারিত স্মৃতিতে আপনার যেমন দেখা মেলছে; বেশ আলা-ভোলা ছিলেন দেখছি ! আছি আপনার সাথে শুনবো নানান অভিজ্ঞতার কথাও।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার স্মৃতিকথা শুনতে আপনার ভাল লাগছে জেনে খুশী হ'লাম। আপনাদের ভালো লাগলে এ সিরিজ চলবে।
ঠিক "আলা-ভোলা" হয়তো ছিলাম না, আমার তো মনে হয় বরং উল্টোটাই ছিলাম। যা আর কারো চোখে পড়তোনা, তা আমার চোখে ধরা পড়তো।

৯| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৭

শামছুল ইসলাম বলেছেন: “বোম্বাস্টিং” খেলাটা এখন আর বোধ হয় কেউ খেলে না !!!!
তবে আপনার লেখাটা সেই রকম “বোম্বাস্টিং” হচ্ছে!!!

ভাল থাকুন। সবসময়।


০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমাদের জীবন থেকে অনেক খেলাই হারিয়ে গেছে। ফলে, আজকের শিশু কিশোরেরা ঘাম ঝরায় না। তারা খেলার সময় কম্পিউটারে বসে থেকে চোখ নষ্ট করে।
লেখার প্রশংসায় অনুপ্রাণিত হয়েছি। অনেক, অনেক ধন্যবাদ।

১০| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৪

প্রামানিক বলেছেন: খুব মনোযোগসহকারে আপনার লেখা স্মৃতিচারণ পড়লাম। অনেক ভাল লাগল। শুভ্চেছা রইল।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা আপনাকেও।
আশাকরি 'আমার কথা - ১' ও একটু সময় করে পড়ে নেবেন। পড়ে কিছু জানালে বাধিত হবো।

১১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:৩৫

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: স্মৃতির উনুনে ফুঁ দিয়েছেন................আঁচ পড়েছে আমার গা'য়
উষ্ণ আঁচের ওম শীতের শুরুতে বেশ লাগছে।
চলুক,,,,,,

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:৫৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ, কি করি আজ ভেবে না পাই।
আপনার প্রথম লেখাটা পড়ে আসলাম।

১২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

পড়ে যাচ্ছি স্মৃতিচারণ।

//বড়ভাইদের দেখতাম খুব আগ্রহভরে অপেক্ষা করতেন কখন ক্লাস শেষে অডিটোরিয়ামের দরজা খুলবে। সেখানে তারা আপুদের সাথে একসাথে রিহার্সাল করতেন। // -মজা পেলাম।

প্লাসের ব্যবহার আমিও এশিয়ার কিছু দেশে দেখেছি। একই উদ্দেশ্যে। প্রেমের ভাষা সার্বজনীন।

প্লাস দিয়ে নিজের নামের সাথে ‘প্রস্তাবিত’ প্রেমিকার নামও লেখা হতো। নব্বইয়ের দশকে মোহাম্মদপুরের আসাদগেট সংলগ্ন রাস্তার একটি দেয়ালের লিখন আমাকে স্পর্শ করেছিল। ‘পুষ্পা তুমি আমার!’ কী আবেদন! জানি না, পুষ্পা তার হয়েছিল কি না, অথবা সে কোথায় এখন আছে! কিন্তু কথাগুলো আজও আমার মনে আছে।


আপনার লেখা পড়ছি আর নিজের ভেতরের শৈশব উঁকি দিচ্ছে। লেখতে বসলে হয়তো বেশিকিছু উগড়ে দিতে পারবো। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে কোনকিছু আমি লেখতে পারি না।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ‘পুষ্পা তুমি আমার!’
উচ্চারণটা কি চমৎকার!
লেখতে বসলে হয়তো বেশিকিছু উগড়ে দিতে পারবো। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে কোনকিছু আমি লেখতে পারি না।
একবার লিখে ফেলতে পারলে যে আপনার বইটা বেস্ট সেলার হবে, সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ নেই।

১৩| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: ভালোই লাগছে। নিজের স্কুল জীবনের কথা মনে পড়ে গেলো।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগছে জেনে খুশী হ'লাম, ডার্ক ম্যান। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

১৪| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০১

দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: হুম , তৃতীয়তে যাচ্ছি ।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আচ্ছা।

১৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৮

আরমিন বলেছেন: "আই ডু নট নো এনিথিং এবাউট ইওর রশুন"

হাহা! ভালোলাগা!

১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: পেছনের পোস্টে এসে এই পোস্ট পড়ে ভালো লাগার কথা জানানোর জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আরমিন২৯।

১৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৪

শায়মা বলেছেন: যেমনঃ জামিল+দিনা, সবুজ+রূপা, খোকা+ নিরু ইত্যাদি। আমার এ লেখাটা পড়ে আমার এক পরিব্রাজক পাঠক আমায় জানিয়েছেন যে এই প্লাস(+) চিহ্নের ব্যাপারটা নাকি বিশ্বজনীন। তিনি বিশ্বের আরো অনেক দেশে এমনকি ইউরোপেও এর অনুরূপ ব্যবহার প্রত্যক্ষ করেছেন। “মিউনিখের অলিম্পিয়া টাওয়ারেও দেখেছি এই প্লাস চিহ্ন। প্রেমের ভাষা সার্বজনীন” – তিনি আমায় জানিয়েছেন।


হা হা ভাইয়া মুগ্ধ হলাম!

১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ, এ লেখাটিতে আসার জন্য। মন্তব্যেও প্রীত হ'লাম।
শুভেচ্ছা জানবেন।

১৭| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২০

রাশেদ মহাচিন্তিত বলেছেন: আই ডু নট নো এবাউট ইউর রশুন.।.।.।.। হা হা হা

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, রাশেদ মহাচিন্তিত।

১৮| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৭

গার্ডেড ট্যাবলেট বলেছেন: খায়রুল ভাই সালাম নিবেন। আমি আপনার অনেকই জুনিয়ার। '৯৪ এ এসএসসি পাশ করেছিলাম একই স্কুল থেকে। স্কুলের পুনর্মিলনীগুলোর খবর জানতে পারেননি জেনে দুঃখ লাগলো। পরবর্তী পুনর্মিলনীর খবর জানাবো ইনশাআল্লাহ্। ভালো থাকুন।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ওয়া আলাইকুম আসসালাম, প্রিয় গার্ডেড ট্যাবলেট। লেখাটা পড়ে রেসপন্স করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। পুনর্মিলনীগুলোর খবর জানতে পারলে অবশ্যই যাবার আশা রাখি। বাকীটা আল্লাহ ভরসা।

১৯| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১৬

গেম চেঞ্জার বলেছেন: আপনার লেখার ২য় পর্বটাও পড়ে ফেললাম। আগেরটার ন্যায়ই ভাল লেগেছে। আমার কাছে যেটা মনে হচ্ছে, আপনার স্মৃতিশক্তি বেশ ভাল। অবশ্য আগে আপনারা ফরমালিন যুগের/হাইব্রিড যুগের দেখা পান নি, তাই সজীব ও তরতাজা প্রাকৃতিক খাদ্য খেতে পারছেন।
(আপনার নেক্সট লেখাও পড়বো।)

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, গেম চেঞ্জার। প্রায় ৪৮ বছরের পুরনো স্মৃতি হাতড়ে এসব লিখছি। তবে পরিষ্কার সবকিছু মনে আছে, এটা দেখে আমি নিজেও খুব অবাক হই। অথচ দশ বছর আগের ঘটে যাওয়া ঘটনাও মাঝে মাঝে ঠিকমত স্মরণ করতে পারিনা। এসব স্মৃতিগুলো মনে গভীর রেখাপাত করে গেছে, হয়তো সেজন্যই এতটা স্পষ্ট মনে আছে। আর তাছাড়া, ফরমালিন আর হাইব্রিড মুক্ত খাদ্যের ব্যাপারটাও তো আছেই বটে!

২০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫৪

আরজু পনি বলেছেন:

হাহাহাহাহাহা
বাসার সবাই অট্টহাসিতে ফাটবে কি...আমিই তো হাসতে হাসতে বাঁচতেছি না !
.....
২০০ সালে বান্দরবানে গিয়েছিলাম রোটারেক্টর হিসেবে রায়লা ট্রেনিং করতে । সাতদিনের ছয়দিনই জালাল দারুণ ইংরেজিতে কথা বলেছে পুরো সময়। আমরা ভেবেছিলাম ও হয়তো বাংলা বলতে পারে না । শেষের দিন ক্যাম্প ফায়ারের রাতে ওর বাংলা কথা শুনে আমরাতো পুরাই থ! এক্কেবারে সিলটি ভাষা ! ঠিক আপনার সিরাজুল স্যারের মতো ।
.........
আপনার কথা ১৫ পড়া শুরু করে তারপর লাইক বাটন চেপে তারপর পড়া শেষ করেছি ।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:০৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: পুরনো পোস্ট পড়ে মন্তব্য করায় খুব খুশী হলাম। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আপনার কথা ১৫ পড়া শুরু করে তারপর লাইক বাটন চেপে তারপর পড়া শেষ করেছি -- বুঝতে পেরেছি। আর তাছাড়া, কথাটা বোধহয় আমার ওখানে ওভাবে বলা ঠিক হয়নি। দুঃখিত।

২১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৪

রাতুল_শাহ বলেছেন: হা হা হা.............
" জামিল+দিনা, সবুজ+রূপা, খোকা+ নিরু "
ব্যাপারটা তাহলে সবযুগেই ছিলো।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: হ্যাঁ, এটা বোধহয় সবযুগেই ছিলো। লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ, রাতুল_শাহ।

২২| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫০

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: প্লাস চিহ্নের সর্বজনীনতার কথা জানা ছিলোনা । অাপনার স্মরণ শক্তির তারিফ করার ভাষা নেই!

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে অনেক ধন্যবাদ, রূপক বিধৌত সাধু। হ্যাঁ, আমার ছোটবেলার স্মৃতিগুলো বেশ স্পষ্ট মনে আছে, যদিও বড়বেলার গুলো তেমন মনে থাকেনা।

২৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১১:৪২

কালীদাস বলেছেন: এভাবে রিলেশন লেখা মনে হয় বাংলাদেশের একটা ঐতিহ্য। এমন অদ্ভুত অদ্ভুত জায়গায় এই জিনিষ দেখেছি, শুনলে অবাক হয়ে যাবেন।

এজিবি কলোনি কি ছিল তখন? আর পরিবেশ কেমন ছিল তখন? আমার স্কুল ছিল মতিঝিল মডেল, কলোনিতে শয়তানি খুব বেশি করিনি আমার বাদবাকি ক্লাসমেটদের তুলনায়।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১২:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: এভাবে রিলেশন লেখা মনে হয় বাংলাদেশের একটা ঐতিহ্য :) ভাল বলেছেন। আর এ ঐতিহ্যের প্রকাশ প্রকটভাবে দৃষ্ট হয় স্কুল কলেজের ওয়াশরুমগুলোতে।
হ্যাঁ, এজিবি কলনী তখনও ছিল, তবে মতিঝিল কলোনী নামেই বেশী পরিচিত ছিল। মতিঝিল মডেল স্কুল কোনটা ছিল? আইডিয়েল স্কুলের আশে পাশে কি?

২৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১২:৩৬

কালীদাস বলেছেন: বিআরটিসি বাস ডিপোর অপোজিটে, কলোনির সর্ব-দক্ষিণপ্রান্তে :)
আপনার সিরিজ পড়তে পড়তে নস্টালজিক হয়ে যাচ্ছি। আমার স্কুলজীবন নিয়ে আমার নিজের অনেক চমৎকার স্মৃতি আছে, কখনও লেখার চিন্তা করিনি। আমার জীবনের সেরা বন্ধুগুলো আমি স্কুলেই পেয়েছিলাম।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১২:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ওহ বুঝেছি। আমরা যখন ছিলেম, তখন ওটা ছিল সার্ভেন্টস কোয়ার্টার্স, বা 'এইচ টাইপ বিল্ডিং' নামে অভিহিত ছিল। স্বাধীনতার পরে ওটাকে স্কুলে পরিণত করা হয়।
প্রায় ৫০ বছর পরে মতিঝিল কলোনীর আমার কিছু স্কুলবন্ধু আমাকে খুঁজে বের করেছে। আমরা এখন ফেইসবুক আর হোয়াটস এ্যাপে কানেক্টেড।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১:০৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি ইত্যবসরে আমার এ লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন। হয়তো ভাল লাগবেঃ
গানের ভেলায় বেলা অবেলায়……

২৫| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৩৩

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:




প্রাণবন্ত ও দিলখোলা লেখা। যেন এক কিশোর গল্পের মতই! পাঠকের স্মৃতিকাতরতা জাগিয়ে তোলার মত প্রতিটি লাইন এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। কিছু ক্ষণ নিজের ছেলেবেলায় ঘুরে এলাম মনে হল। দ্বিতীয় পর্ব খুব ভাল লাগল। প্রথম পর্বের মতই ঝরঝরে!


শুভকামনা সুপ্রিয় লেখক।
এই সিরিজে পাচ তারকা প্লাস+++++

১০ ই নভেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: পাচ তারকা প্লাস+++++ এবং সাত তারকা মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখাটা পড়ে কিছু ক্ষণ নিজের ছেলেবেলায় ঘুরে আসতে পেরেছেন জেনে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

২৬| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১:৩৫

সোহানী বলেছেন: ওরে বাপরে... মনে পড়ে গেল +++++ এর কাহিনী। জীবনে কত যে যন্ত্রনা ভোগ করেছিলাম এ প্লাস নিয়ে।.........হাহাহাহাহা সে গল্প আরেকদিন।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: জীবনে কত যে যন্ত্রনা ভোগ করেছিলাম এ প্লাস নিয়ে ......হাহাহাহাহা.... !!!! শোনান দেখি আপনার সেসব গল্পের কথা!
পুরনো পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২৭| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৩

মা.হাসান বলেছেন: বয়েজ স্কুল আর গার্লস স্কুলের কমন ওয়াল আর কমন বাউন্ডারি! স্যারেরা নিশ্চয়ই খুব রসিক ছিলেন। উঁচু ক্লাসের ছাত্রদের জন্য এই উদারতা, নাকি এই স্কুলের শিক্ষকদের সাথে ওই স্কুলের শিক্ষিকাদের আলাপ আলোচনার সুযোগ এর জন্যই এই ব্যবস্থা?

ষাটের দশকে বোমবাস্টিক ছিল জেনে ভালো লাগলো। আশির দশকে আমরা অনেক খেলেছি। এখনকার অধিকাংশ স্কুলে খেলার উপযোগী কোন মাঠ নেই।

আরবি বানান অনুসারে উচ্চারণ রুক্বাইয়া হওয়াই উচিত। রংপুর ক্যাডেট কলেজের ঠিক দেয়াল ঘেঁষে ওনার নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় করা হয়েছে। ওখানে বানান কিন্তু সনাতন ভাবে যেটা প্রচলিত সেটাই রাখা হয়েছে। বেগম রুক্বাইয়া বেচে থাকতে যে বানান ব্যবহার করেছেন সেটা রাখলেই বেশি ভালো হতো বলে মনে করি।

আশির দশকেও দেখেছি ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হতে গেলে ইংরেজিতে কাজ চালানোর মত কনভার্সেশন জানতে হত। এখন মনে হয় আগের সেই কঠোরতা নেই।
রসুন এর ঘটনা খুব উপভোগ্য ছিল। ্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:২৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: কমন বাউন্ডারি এর ব্যাপারটা অবশ্য স্যারদের এখতিয়ার বহির্ভূত ছিল। যেহেতু সরকারী স্কুল, সেটা ছিল পিডব্লিউডি এর প্রকৌশলীদের এখতিয়ারভুক্ত। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের এখতিয়ার এসেছিল আরো অনেক পরে।
এখনকার অধিকাংশ স্কুলে খেলার উপযোগী কোন মাঠ নেই - আমাদের সেই স্কুলটির মাঠ এখনও ঢাকা শহরের স্কুলগুলোর মধ্যে অন্যতম।
বেগম রুক্বাইয়া বেচে থাকতে যে বানান ব্যবহার করেছেন সেটা রাখলেই বেশি ভালো হতো বলে মনে করি - আমিও তাই মনে করি।
এখন মনে হয় আগের সেই কঠোরতা নেই - না, মোটেই নেই।
রসুন এর ঘটনাটা আপনার মত অনেক পাঠকই উপভোগ করেছেন, দেখা যাচ্ছে।
মন্তব্য এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

২৮| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আই ডোন্ট নো এনিথিং অ্যাবাউট ইয়োর রসুন। হেহেহে... দারুন বাল্য স্মৃতি।


প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়ের একটা গল্প পড়েছিলাম ক্লাস সিক্সে পড়াকালীন।
দুই গ্রামের দুই ইংরেজি মাস্টারের মধ্যে কে বেশি ইংরেজি জানে তা নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে রেষারেষি হয়। নিষ্পত্তির জন্য গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মঞ্চ করে দুজন মাষ্টারমশাইকে একে অপরকে ইংরেজি টেস্ট করার ব্যবস্থা করা হয়। মূর্খ গ্রামবাসীদের কানে ঠিকঠিক উত্তর পৌঁছে দিতে উভয়ই চিৎকার করে অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিতে সম্মত হন।
প্রথম মাস্টারের দ্বিতীয় মাস্টারের প্রতি প্রশ্ন ছিল,
হর্নস অফ এ ডোলোমা' মানে কি?
উত্তরে দ্বিতীয় মাস্টার চিৎকার করে জানান,
-উভয় সংকট। ‌
এবার দ্বিতীয় মাস্টার প্রথম মাস্টারকে প্রশ্ন করেন,
-আই ডোন্ট নো মানে কি?
যথারীতি প্রথম মাস্টার চিৎকার করে বলেন,
-আমি জানিনা।
সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রামের লোকজন আনন্দে চিৎকার করে ওঠেন তারা জিতে গিয়েছেন বলে।
আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও এমন একটি হর্নস অফ এ ডিলোমা'র খবর পেয়ে পুলকিত হলাম।

শুভেচ্ছা নিয়েন।


২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৪৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পটা এখানে উল্লেখ করার জন্য ধন্যবাদ। গল্পটা জানা ছিল, কিন্তু তবুও নতুন করে পড়ে মজা পেলাম।
মন্তব্য এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

২৯| ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ১০:১৪

মেহবুবা বলেছেন: আপনি স্কুলের পুনর্মিলনী মিস করেছেন ? ৫০ বছর পূর্তি হোল তখনও যাননি ?
আমার স্কুল তবে আমি অনেক পরের ।
এমন সব গুনী শিক্ষিকাদের পেয়েছি যে সারা জীবন তাদের আলোতে এগিয়ে যেতে পারবো।

৩১ শে মে, ২০২০ সকাল ৯:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ৫০ বছর পূর্তি হোল তখনও যাননি? - না, যাই নি। কারণ, স্কুলের পুরনো বন্ধুদের সাথে তেমন কোন যোগাযোগ এখন আর নেই। তাই খবরটা জানতেও পারিনি।
তখনকার দিনে এই স্কুলটি ছিল ওয়ান অভ দ্য বেস্ট। শিক্ষকরাও ছিলেন গুরুতূল্য, তাই অর্ধ শতাব্দীকাল পরেও ওনারা মনে শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত আছেন।
আমার বহু পুরনো একটি পোস্টে এসে মন্তব্য করায় প্রীত হ'লাম। অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.