নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্মৃতি থেকেঃ ঐ লাল গোলাপটা দাও না আমায় দাও না

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:১৩

১৯৭৪ সালের এরকম এক শীতের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। ময়মনসিংহ শহর থেকে একটু দূরে অবস্থিত সেই বিশ্ববিদ্যালয়েও তখন শীতের সময়ে গ্রাম বাংলার নবান্নের ঘ্রাণ পাওয়া যেত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণেই পল্লীগ্রামের মত ধানের চাষ হতো। ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল লাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল আয়তনকে বিভক্ত করেছিল। রেল লাইনের এক পাশে ছিল দালান-কোঠা, অপর পাশে ধান ও নানারকমের শাক-সব্জীর ক্ষেত। সন্ধ্যের আগে থেকেই শিশির ঝরা শুরু হতো, এশার সময় থেকেই আকাশ থেকে ধীরে ধীরে কুয়াশার চাদর নেমে এসে দৃষ্টিকে নিকট দূরত্বে সীমিত করে দিত। কুয়াশার কারণে কাছে না আসা পর্যন্ত ট্রেনের হেডলাইট দেখা যেত না। উত্তরবঙ্গে আমার বাড়ি হবার কারণে সেই ছোটবেলা থেকেই এই লাইনের উপর দিয়ে আমাদের ট্রেন আসা যাওয়া করতো। আঁধার রাতে পল্লী প্রান্তরে হঠাৎ করে ভেসে ওঠা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আলো ঝলমলে এক টুকরো শহর দেখে অবাক হতাম।

এমনই এক শীতের রাতে সেদিন কি উপলক্ষে যেন খোলা আকাশের নীচে মঞ্চ তৈরি করে ওদের একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। খুব সম্ভবতঃ বৎসর সমাপনী অনুষ্ঠান। সব অনুষ্ঠানেই যেমন হয়, প্রথমে কিছু ‘খুচরো শিল্পী’দের দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়; তারপর সময় যত বাড়তে থাকে, ক্রমান্বয়ে একের পর এক ওজনদার শিল্পীদের মঞ্চে আগমন ঘটতে থাকে। সেদিনও তাই হলো। দুই একজন খুচরো শিল্পীর পর মঞ্চে এলো এক মিষ্টি মুখের পঞ্চদশী (বয়সটা আমার অনুমানের ভিত্তিতে, কিছুটা কমবেশিও হতে পারে) শিল্পী। যতদূর মনে পড়ে, কেউ একজন আমাকে বলেছিল মেয়েটা বিশ্ববিদ্যালয়েরই কোন শিক্ষক পরিবারের সন্তান। তার গান শুনে তাকে আমার মোটেই ‘খুচরো শিল্পী’ মনে হয়নি। বস্তুতঃ তার সে গানটিই আমার কাছে ছিল সে রাতের শ্রেষ্ঠ নিবেদন।

মেয়েটি তার পরিশীলিত কণ্ঠে পরিবেশন করেছিল ললিতা ধর চৌধুরীর গাওয়া গান- “ঐ লাল গোলাপটা দাও না আমায় দাও না”। অত্যন্ত আবেগভরা কণ্ঠে এবং অভিব্যক্তিতে মেয়েটা চমৎকারভাবে গেয়েছিল সেই গান। মাত্র তিন মিনিটের গান, খুব দ্রুতই শেষ হয়ে গেল। গানের মাঝে সে যখন বলছিল, “এলো চুলে পরবো তাকে”, তখন খেয়াল করে দেখলাম সত্যিই তার এলোচুলে একগুচ্ছ লাল গোলাপ গাঁথা আছে। আমার মনে হয়েছিল, গানটা বোধহয় তার জন্যই লেখা হয়েছে। ঐ বয়সে শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েরাও অনেক কল্পনা বিলাসী হয়ে থাকে। গানের সাথে সাথে তার অভিব্যক্তি দেখে আমার সেরকমই মনে হয়েছিল। সে যখন মঞ্চ থেকে নেমে এলো, তখনো আমার কানে বেজে চলেছে সেই আকুতি, ‘ঐ লাল গোলাপটা দাও না আমায় দাও না’। হারিয়ে যাওয়া শিল্পী ললিতা ধর চৌধুরীও তার গাওয়া আরও কিছু মিষ্টি গানের মাঝে (যেমন, “ছোট চিঠি লাগে তবু মিষ্টি, যদি তুমি লেখো”) এই গানটির জন্যেও বিখ্যাত হয়ে আছেন।


ঢাকা
৩১ ডিসেম্বর ২০২২

https://www.youtube.com/watch?v=CK4tzmKrqjA

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর সৃতিচারন।
গানটা শুনে নিলাম। খুব সুন্দর গান। আমি মুগ্ধ।
ওই লাল গোলাপটা দাও না আমায় দাও না

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার দেয়া লিঙ্কের পরিবেশনাটাও সুন্দর! পোস্টে প্রথম মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ।

২| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৫২

জুল ভার্ন বলেছেন: চমৎকার উপস্থাপন! ❤️

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:০৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৩| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:১৮

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: চমৎকার স্মৃতিচারণ মূলক পোস্ট, ভালো লেগেছে।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, ভালো লাগার কথাটি এখানে জানিয়ে যাবার জন্যে।

৪| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩১

শেরজা তপন বলেছেন: চমৎকার স্মৃতিচারণ! গানে ভাল লাগা।
আপনি তার প্রতি একটু অনুরক্ত হয়ে পড়েছিলেন নিশ্চিত!


০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১২

খায়রুল আহসান বলেছেন: তার গায়কিটা ভালো লেগেছিল। খুবই আবেগ দিয়ে গেয়েছিল। ঐ বয়সের বালক বালিকারা নিভৃতচারী হয়, স্বপ্নচারী হয়। আর প্রত্যেক বালিকাই মনে মনে নারী হয়ে উঠতে চায়। আমার মনে হয় সে যখন গানটি গাচ্ছিল, সেও মনে মনে নারী হয়ে উঠতে চাচ্ছিল।

৫| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:০৮

জগতারন বলেছেন:
বরাবরের মতোই আপনার লিখা আমার হৃদয়ও ছুঁইয়ে যায়।
প্রিয় ব্লগার জ্বনাব খায়রুল আহসান সাহেব
নতুন বছরে আপনি ও আপনার পরিবারের সব্বাই ভালো থাকুন কামনা করি।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার মন্তব্যটাও আমার হৃদয়ের গভীরে স্পর্শ করে গেল! আপনার মন্তব্যে আমি অভিভূত! এত প্রেরণাদায়ক একটি মন্তব্য এবং পোস্টে প্রথম প্লাসটি রেখে যাবার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

৬| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:১৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

সৃতিচারন বেশ লাগলো। গানটা ইউটুবে খুঁজে শুনবো।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:১৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আচ্ছা, ধন্যবাদ।

৭| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২৮

কামাল১৮ বলেছেন: যেই আখাঙ্ক্ষা নিয়ে এই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়ে ছিল তা পুরণ হয় নাই।কৃষিতে যা কিছু পরিবর্তন তার বেশির ভাগই করেছে আমাদের কৃষক।দরকার ছিল কৃষি শ্কুল প্রতিষ্ঠা করা।এটা ছিলো অনেকটা গরীবের হাতী পোষার মতো অবস্থা।
আপনার স্মৃতি চারণ ভালো লাগলো।

০২ রা জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১০:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: সে আমলেই দেখেছিলাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের ছাত্ররা ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো। তারা কেউ কেউ বাংলাও বলতে পারতো। এদেশে এসে শিক্ষা নিয়ে ওরা নিজ দেশে ফিরে গিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করেছে। সঠিক দিক নির্দেশনা এবং শিক্ষার প্রয়োগক্ষেত্র ঠিকভাবে তৈরি করতে না পারায় আমরা কিছুই করতে পারলাম না।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৮| ০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৩:৩০

হাসান জামাল গোলাপ বলেছেন: পুরানো দিনের কথা, ছোট ছিলাম তখন, কিন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো খুব মনমুগ্ধকর ছিল তখন।

০২ রা জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৩২

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো খুব মনমুগ্ধকর ছিল তখন - জ্বী। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য সেসব ছিল হাতে গোণা মাত্র কয়েকটি বিনোদনের সুযোগের মধ্যে অন্যতম একটি।

৯| ০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৪৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: সুন্দর। স্মৃতিজাগানিয়া।

০২ রা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:২৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্টের প্রশংসা এবং প্লাসের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। + +

১০| ০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:৪৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর স্মৃতিচারণ বছরের শেষ পোস্টে।

০২ রা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম আপনার মন্তব্যে এবং প্লাসে। অশেষ ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

১১| ০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:০০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার দেয়া লিঙ্কের পরিবেশনাটাও সুন্দর! পোস্টে প্রথম মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ।

নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানবেন।

০২ রা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:৫৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনাকেও জানাচ্ছি নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা। সব দিক থেকে ২০২৩ আপনার জন্য শুভ হোক!

১২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৫২

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: খুব ভালো লাগল লেখাটা। অনেকদিন এলাকায় (ময়মনসিংহ) যাওয়া হয় না।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্ট পাঠ, মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:৫১

করুণাধারা বলেছেন: A thing of beauty is a joy forever- বহুকাল আগে শোনা গানটা আজো আপনার মনে আনন্দময় স্মৃতি হয়ে আছে। আপনার বর্ণনা গুণে সেই গান শোনার পরিবেশ, গান গেয়েছিল যে কিশোরী তার চুলের গোঁজা গোলাপ- সবকিছুই স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে। তাই আপনার সেই আনন্দের কিছু ভাগ আমরাও পেলাম।

নতুন বছরের জন্য শুভকামনা।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: তাই আপনার সেই আনন্দের কিছু ভাগ আমরাও পেলাম - নিঃসন্দেহে এটা আমার জন্যেও একটি আনন্দের ব্যাপার। বরাবরের মত মনযোগ দিয়ে পোস্ট পড়েছেন- ধন্য হলাম। প্লাসে প্রাণিত।

১৪| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১:৫৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



প্রায় অর্ধ শতক পুর্বের
স্মৃতি কথন ভাল লেগেছে ।
ময়মনসিংহ কৃষি বিদ্যালয়ের
কিছু সুখ জাগানিয়া স্মৃতি কথাও
আমার মনে উকি দিয়ে গেছে এই সাথে
প্রায় ৪০ বছর পুর্বে আমি তখন
কৃষি ও বন মন্ত্রণালেয়র একটি প্রকল্পে কর্মরত।
সে সময় ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের
গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে ( GTI) অনুষ্ঠিত
একটি কর্মশালায় অংশ গ্রহনের জন্য মন্ত্রনালযের আরো
কয়েকজন সিনিয়র সহকর্মীর সাথে অংশ গ্রহন করেছিলাম ।
সে সময় ঢাকা হতে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে
দ্রুতযান ট্রেনের এসি কামড়ায় বসে দিন কয়েক
পুর্বে কৃষি মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত একটি
সেমিনারে অংশ গ্রহনকারী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের
একজন নামকরা প্রফেসরের বক্তব্যের বিষয়াবলী
নিয়ে আলোচনা করছিলাম , অলোচনার মধ্যে
সহজাত প্রবৃত্তি বসে নিভেটিভ অলোচনাই ছিল বেশী।
আমাদের আলোচনা কালে অমাদের বসার বিপরীত
দিকের সিটে বসা একজন তরুনী যাত্রী আমাদের দিকে
তাকিয়ে মিটি মিটি হাসছেন বলে দেখতে পেয়েছিলাম ,
তার হাসির মর্মকথা তখন বুজি নাই ।
তবে পরে সেটা মর্মে মর্মে উপলব্দি করেছি সকলে।
কারণ আমাদের কর্মশালার সমাপনি দিনে আয়োজিত
অনুষ্ঠানের পরবর্তী অধ্যায়ে সাংস্কৃতিক পর্বে একজন
তরুনীর কন্ঠে গাওয়া গান আমাদের সকলকে মুগ্ধ
করে। গায়িকাকে আমরা সকলেই চিনতে পারি , তিনি
আমাদের সাথে ভ্রমন করা সেই মিটি মিটি হাসি দেয়া
তরুনীই বটে । অনুষ্টান শেষে নীজেদের পরিচয় পর্বে
জানতে পারি তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আমাদের
অলোচিত সেই প্রফেসরের একান্ত কাছের একজন,
যিনি আবার এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন তরুন
প্রভাশক । তাঁর পরিচয় পেয়ে আমরা খুবই লজ্জা বোধ
করি ও তাঁর কাছে সরি বলতে ছিলাম । তিনি বললেন
সরি হওয়ার কিছু নেই বরং নিরবে তিনি নাকি আমাদের
মুল্যবান আলোচনা বেশ উৎফুল্য চিত্তে উপভোগ করেছেন।

লাল গোলাপের প্রতি আপনার বেশ মোহ আছে বলে দেখা যায় ।
এ মন্তব্য যখন লিখছি তখন দেখলাম নতুন ২৩ এর জানুয়ারী
মাসের তীব্র শীতে বাইরে হালকা স্নো পড়ছে ।
ইংরেজী নববর্ষে শিশির আর তুষার সহনকারী
লাল গোলাপের শুভেচ্ছা রইল

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আলোচনার মধ্যে সহজাত প্রবৃত্তি বসে নিভেটিভ অলোচনাই ছিল বেশী - কথাটা দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে কোন অনুপস্থিত ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনার সময় নেতিবাচকতাই আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি হয়ে দাঁড়ায়!

শিশির আর তুষার সহনকারী লাল গোলাপটা অপূর্ব সুন্দর! অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার এই উষ্ণ শুভেচ্ছার জন্য।

১৫| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:১০

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,




পঞ্চদশীর এলোচুলে গোঁজা লাল গোলাপ, মুখে গোলাপ চাওয়ার আকুতি, শীতের গন্ধমাখা রাত সবটা মিলিয়ে আপনার মনে যে আলোড়ন তারই ছবি আঁকলেন।

আবেগীয় স্মৃতিচারণ ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যটা সমনযোগ পাঠের পরিচায়ক। মুগ্ধ হলাম ছোট্ট মন্তব্যটা পড়ে। প্লাসে প্রাণিত।
আবেগীয় স্মৃতিচারণ - জ্বী, অবশ্যই।

১৬| ১২ ই মার্চ, ২০২৩ রাত ১১:০০

শুভ্রকথা শুভ্রর দিনলিপি বলেছেন: বিচ্ছিন্ন কবিতা-০১
অজানা কোন দূরে তুমি যাচ্ছো কোথায়?
ব্যথার পাহাড় নিয়ে যাচ্ছো কোথায়?
তুমার ক্লান্ত মনোভূমিতে আমার দু-দুটো চোখের জল
গলিয়ে দিবে পাহাড় সম দুঃখ যত;
হিমালয়ের দৃঢ়তাও হার মেনে যাবে
জেনে রেখো শুধু তুমি আমার...
©️ শুভ্রকথা - শুভ্রর দিনলিপি

১২ ই মার্চ, ২০২৩ রাত ১১:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার পোস্টের কোন অংশটির সাথে আপনার এ কবিতাটা প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন? আমি তো বুঝতে পারলাম না।
পোস্টের সাথে একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক কোন মন্তব্য বাঞ্ছনীয় নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.