নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কুয়েট ট্যালেন্টস

কুয়েট ট্যালেন্টস

নো পচানী, অনলী বাস্তব ও সত্য ঘটনা

কুয়েট ট্যালেন্টস › বিস্তারিত পোস্টঃ

#03 রাতুল অনীক পাল (মেকানিক্যাল, ২কে১১)

২০ শে জুলাই, ২০১৪ ভোর ৪:৩৬

আপনার কি মনে হয়, একজন ভার্সিটি স্টুডেন্ট ছাত্র অবস্থায় উপার্জনক্ষম কি কি কাজ করতে পারে?? বড়জোড় কিছু টিউশনি করাতে পারে, কোচিং সেন্টারে ক্লাস নিতে পারে অথবা কেউ কেউ ফ্রিল্যান্সিংও করতে পারে। কিন্তু পড়াশুনার পাশাপাশি কোন পার্ট টাইম জব করতে পারে কি???



এক্ষেত্রে হয়তো আপনার মনে প্রথমেই প্রশ্ন জাগতে পারে, "ভার্সিটিটা কি ঢাকায় অবস্থিত??" উত্তরটি যদি "না" হয় তবে আপনি বলতেই পারেন, "সম্ভাবনা খুব কম"।কিন্তু ক্যাম্পাসটা যদি হয় কুয়েট আর শহরটা খুলনা তাহলে হয়তো বলেও বসতে পারেন, "এটা মোটেও সম্ভব না।" কিন্তু এতে থেমে থাকলেই কি চলবে?? চলবে না বলেই প্রতিভাবান ব্যাক্তিরা তাদের স্বীয় যোগ্যতাবলেই প্রায় অসম্ভব কাজকে সম্ভব করে এক অন্য উচ্চতায় পৌছে যায়। আর এই ইন্টারনেটের যুগে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনের একটি ডায়ালোগ কিন্তু যথেষ্ট যুতসই। "দূরত্ব যতোই হোক, কাছে থাকুন"।



ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব কে হার মানিয়েই এক অগ্রগামী পথের পথিক, রাতুল অনীক পাল!! তার নামটা প্রায় সবার ই খুব পরিচিত।বিশেষত এইচ,এস,সি পরীক্ষার পর এডমিশন কোচিংরত কোন স্টুডেন্ট বা এই প্রজন্মের কলেজ বা ভার্সিটি লেভেলের যে কোন স্টুডেন্টের কাছে কুয়েটের রাতুল অনীক পাল অতি পরিচিত একটা নাম। কুয়েট নামক বাঁশবাগানের পড়াশুনার চাপ সামলেও এতো অল্প বয়সেই এতোগুলো প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদে কর্মরত থাকাটা সত্যিই যে কারো কাছে ঈর্ষণীয়। অন্যরকম গ্রুপের (OnnoRokom Group) বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের সাথে প্রায় অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত তিনি। প্রথমেই বলতে গেলে তিনি OnnoRokom Group এর Content Developer!! এছাড়াও অন্যরকম গ্রুপের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যেমন TechshopBD, rokomari.com, UDVASH এর সাথেও সংশ্লিষ্ট তিনি। অনলাইনে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান টেকশপ বিডির এক্সিকিউটিভ (কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট) তিনি।একাডেমিক এন্ড এডমিশন কোচিং সেন্টার "উদ্ভাস" এর কেন্দ্রীয় শাখার Executive (Social Media & Online Operations) পদে কর্মরত আছেন তিনি। জড়িত আছেন অনলাইনে বই বিক্রি এবং হোম ডেলিভারীর প্রতিষ্ঠান "রকমারী ডট কম" এর সাথেও। আর উদ্ভাসের খুলনা ব্রাঞ্চে তার কি ভূমিকা কষ্ট করে সেটুকু বলার আর প্রয়োজন বোধ করছি না।

ভাবছেন খুলনা বসেই এতো কিছু কিভাবে সম্ভব, তাও আবার এতো অল্প বয়সে?? আরে ভাই এই ইন্টারনেটের যুগে আজকাল ঘরে বসেই ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন কোম্পানীর সাথে কাজ করা যায়।সুতরাং এই খুলনায় বসেও এটি মোটেও অসম্ভব কোন কাজ নয়।

তার সাংগঠিক কাজে দক্ষতার পরিচয় তার কলেজ লাইফ থেকেই পাওয়া যায়। নটরডেম কলেজে অধ্যয়নকালীন সময়ে তিনি ছিলেন "Notre Dame English Club" এর Vice President!! অনলাইনে সবার অতি পরিচিত একটি নাম তিনি। মানুষ হিসেব যথেষ্ট ভালো মনের অধিকারী। অত্যন্ত শান্ত-শিষ্ট এই মানুষটি খুব কম কথা বললেও তার কাজের সাফল্য কিন্তু ঠিকই কথা বলে। হয়তো অনেকেই বলে যে ক্যাম্পাসে তাকে দেখাই যায় না!! আরে বাপু যার এতো কাজ তার কি এমন ফাও ফাও আড্ডা দিয়ে সময় নষ্ট করার জো আছে?? না নেই, তাই তো একে একে সাফল্যের সিঁড়ি ভেঙ্গে এগিয়ে চলেছেন চূড়ার পথে। সবশেষে তার নিজের ই একটি কথা বলতে চাই, "কেউ যদি কোন একটি নির্দিষ্ট কাজে দক্ষ হয়, তবে তার কোন দিন কোন কর্ম করে খাওয়া নিয়ে ঠেকতে হবেনা।"

ফেসবুক আইডিঃ http://www.facebook.com/ratulanick

Facebook post Link: Click This Link

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.