নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলে গেলে- তবু কিছু থাকবে আমার : আমি রেখে যাবোআমার একলা ছায়া, হারানো চিবুক, চোখ, আমার নিয়তি

মনিরা সুলতানা

সামু র বয় বৃদ্ধার ব্লগ

মনিরা সুলতানা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা!

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৩৯

মাতৃভাষা প্রতিটি মানুষের কাছে ই মধুর; মাতৃভাষা মানুষের সত্তা ও অস্তিত্বের অপরিহার্য অবলম্ব। পৃথিবীতে মাতৃভাষা' র জন্য জীবন উৎসর্গ করার অনন্য দৃষ্টান্ত আমাদের রয়েছে বলেই ২১ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ ( আট ই ফাল্গুন ১৩৫৯বাংলা ) বাঙালির জন্য এতোটা তাৎপর্যময়। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের নতুন করে আত্মপরিচয় লাভের দিন; বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সেদিন তরুণেরা প্রান দিয়েছিলেন। সে-দাবির সাথে যুক্ত ছিল বাঙালিত্বের বোধ গণতান্ত্রিক চেতনা আর অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ। এই আদর্শের পথ ধরে ই স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় একটা নতুন জাতি! নতুন রাষ্ট্র ! বাংলাদেশ।


মাতৃভাষা মানুষের জন্মগত অধিকার। একটি ভাষাভাষী' র উপর অন্য এক ভাষা চাপিয়ে দেয়ার এ ইতিহাস! পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা নিঃসন্দেহে। এই বিরল ঘটনা ঘটেছিল এই উপমহাদেশে- একটি জাতি যারা রাজনৈতিক ভাবে পরাধীন কিন্তু সহস্র বছরের সাংস্কৃতিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে যাদের গর্ব অপরিসীম সেই বাঙালি জাতির সাথে । ইতিহাস থেকে জানা যায় ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্থান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাত্র একমাস আগে ভারত এর আলিগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় তৎকালীন ভাইস- চ্যান্সেলর ডঃ জিয়া উদ্দিন আহমেদ প্রস্তাব করেন ভারত এ যেমন হিন্দি রাষ্ট্র ভাষা হতে চলছে, পাকিস্তানে ও তেমনি উর্দু রাষ্ট্র ভাষা হওয়া উচিত ডঃ জিয়া উদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগ এর অধ্যাপক ডঃ মুহামদ শহীদুল্লাহ। তিনি বলেছিলেন অধিকাংশ জনসংখ্যার ভাষা হিসেবে বাংলাই পাকিস্তান এর রাষ্ট্র ভাষা হওয়া উচিত; যদি দ্বিতীয় রাষ্ট্র ভাষা গ্রহন করার প্রয়োজন হয়! তখন উর্দু র কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।


ভাষা আন্দোলন ১৯৪৭ঃ

১৯৪৭ সালের ১৪/১৫ আগস্ট দ্বিজাতিতত্বের ভিত্তিতে দ্বিখন্ডিত হয় ভারতবর্ষ। জন্ম নেয় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্র। পাকিস্তানের আবার দুটি অংশ- পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্ব পাকিস্তান। জন্মলগ্ন থেকেই বাঙালিপ্রধান পূর্ব পাকিস্তানের শোষক, নির্যাতক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে পশ্চিম পাকিস্তান। হাজার বছর ধরেই ভারতবর্ষের পূর্বাঞ্চলীয় বঙ্গভূমির জনগণের মাতৃভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও।
কোন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের পক্ষে সুস্পষ্ট ভাবে বাংলাভাষা কে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি প্রথম উত্থাপন করে পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ । ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বিতর্ক নিয়ে এই পুস্তিকাটি প্রকাশ করে তমদ্দুন মজলিস। উক্ত পুস্তিকায় প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার উপড়ে তিন' টি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। প্রবন্ধগুলো লেখান অধ্যাপক কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমেদ।


ভাষা আন্দোলন ১৯৪৮ঃ

১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি করাচিতে গণ পরিষদের অধিবেশনে প্রস্তাব আসে সদস্যগণ পরিষদে শুধু উর্দু বা ইংরেজিতে কথা বলতে পারবেন। পূর্ববাংলার প্রতিনিধি ধিরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রস্তাব করেন, পরিষদে বাংলা ভাষাকে ও স্থান দিতে হবে। কিন্তু শাসক দলের বাংলা ভাষার বিপক্ষে অবস্থান এর কারনে সেদিন বাংলার পক্ষে সংশোধনী টি অগ্রাহ্য হয়ে যায় । প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে উঠে সর্বস্তর এর বাঙালি । পাকিস্তানের গণপরিষদের মুদ্রা ও ডাকটিকেটে বাংলা ব্যবহার না করা, নৌ -বাহিনীর নিয়োগ পরীক্ষা থেকে বাংলা বাদ দেয়ার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে বাংলা কে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ও পূর্ব পাকিস্তান এর সরকারী ভাষা ঘোষণা করার দাবিতে ১১ মার্চ সাধারণ ধর্মঘট ডাকা হয়। ভোর থেকেই ছাত্র-জনতার বিক্ষুদ্ধ স্লোগানে মুখর হয়ে উঠে ঢাকার রাজপথ।

১১ই মার্চ ১৯৪৮ঃ
পুরানো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের পিছনে ( বর্তমান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি' র দাবিতে ছাত্র- জনতার সচিবালয়মুখী মিছিল। প্ল্যাকার্ডে লেখা শিক্ষা ও কৃষ্টির গোড়ায় কুঠারাঘাত

১১ই মার্চের সচিবালয় মুখী ধর্মঘটের দিন প্রবেশপথে আবদুল গনি রোডের কাছে সারিবদ্ধ পুলিশ বাহিনীঃ

ছাত্র- জনতার মিছিলে বাধা প্রদানের জন্য হাইকোর্টের সামনে ব্যারিকেডঃ

দৈনিক আজাদ- ৯ই মার্চঃ

১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভাষণকালে কায়েদে আজম মোহম্মদ আলি জিন্নাহ ঘোষণা করলেন, “উর্দু, এবং একমাত্র
উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তার ঘোষণায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে গোটা বাংলা।
ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে বক্তৃতা রত পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। এই সমাবেশে তাকে নাগরিক সম্বর্ধনা দেওয়া হয় এবং এই সমাবেশে তিনি ঘোষণা করেন "
Urdu only Urdu shall be the state language of Pakistan
দৈনিক আজাদ, ২৫শে মার্চঃ


ভাষা আন্দোলন ১৯৪৯ঃ
১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরঃ- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র- ছাত্রী সংসদের প্রেস বিজ্ঞপ্তি ভাষা আন্দলনের পক্ষেঃ


ভাষা আন্দোলন ১৯৫১ঃ
১৯৫১ সেপ্টেম্বর ১০ঃ বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ এর প্রচারিত লিফলেটঃ


ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ঃ
৩০শে জানুয়ারি ১৯৫২ জনতার মিছিলের একাংশ- ইত্তেফাকে প্রচারিতঃ

৪ঠা ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সাপ্তাহিক ইত্তেফাকঃ

পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ২৬শে জানুয়ারি ১৯৫২ জিন্না'র চার বছর পূর্বেকার দেয়া ঘোষণা বহাল রাখলেন, কেবল উর্দু ই হবে পাকিস্তান এর রাষ্ট্রভাষা। তিনি আরও বলেন - আমি জিন্নাহ' র নীতিতে বিশ্বাসী। এভাবে স্তিমিত হয়ে যাওয়া ভাষা আন্দলনের পুনর্জাগরণ উঠে। রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারি কে প্রতিবাদ দিবস ঘোষণা করে।


প্রতিবাদ দিবসে ঢাকায় ছাত্রছাত্রীদের বিশাল মিছিলের একটি দৃশ্য। মিছিলের পিছনে পোস্টার সেখানে লেখা আছে নাজিম চুক্তি পালন কর নইলে গদি ছাড়' রাষ্ট্রভাষার সংগ্রাম আমাদের জীবন সংগ্রাম।


ঢাকায় বিক্ষুব্ধ জনতার স্বতঃস্ফূর্ত উত্তাল মিছিল প্রতিবাদ দিবস ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ

৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ দিবসে ছাত্র-জনতার জনসভার একটা অংশঃ

প্রতিবাদ দিবসে নবাবপুর রোড এ ফেব্রুয়ারি ৪ ১৯৫২ঃ

প্রতিবাদ দিবসে নবাবপুর রোডে পেশাজীবীদের শোভাযাত্রাঃ


প্রতিবাদ দিবসে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনের রাস্তায় সংগ্রামী ছাত্রছাত্রীদের ঢল ফেব্রুয়ারি ৪ ১৯৫২ঃ


প্রতিবাদ দিবসে রাস্তায় সংগ্রামী ছাত্রছাত্রীরা রাজপথে ফেব্রুয়ারি ৪ ১৯৫২ঃ


সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ১০' ই ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ

ফেব্রুয়ারি ১১, পতাকা দিবসে উত্তাল জনস্রোতঃ

দৈনিক আজাদ, ২১ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সংগ্রামী ছাত্রদের ১৪৪ ধারা ভাঙার প্রস্তুতি

পুরাতন কলা ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়১৪৪ ধারা ভাঙার জমায়েত; ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ

ভাষা আন্দলন কে দমিয়ে রাখার জন্য আন্দলনরত ছাত্রছাত্রী দের বিরুদ্ধে সরকারের পুলিশ বাহিনী এবং তাদের রণ প্রস্তুতি;
২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ


ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিনের কপালে গুলি লেগে মাথার খুলিসহ বের হয়ে আসা মগজ;
২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ


শহীদ রফিকের রক্তে রঞ্জিত ঢাকার রাজপথে, রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি সংবলিত একটি লিফলেট;
২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ


দৈনিক আজাদ ২২শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ

২২শে ফেব্রুয়ারি শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠিত গায়েবানা জানাজায় নামাজের পর শুরু হয় শোকাতুর হাজার হাজার ছাত্র-জনতার বিশাল শোভাযাত্রাঃ

দৈনিক আজাদ ২৫শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ

২২শে ফেব্রুয়ারি বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া;
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র আবুল বরকত সহ শহীদের স্মরণে; বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের ছাদে কালো পতাকা উত্তেলনঃ

ঐতিহাসিক আম তলায় ছাত্রছাত্রীদের জমায়েত;২২শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে,২১শে ফেব্রুয়ারির শহীদের স্মরণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ব্যারাকে নির্মিত হয় প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ; ২৬শে ফেব্রুয়ারি শাসক গোষ্ঠী'র নির্দেশে তা ভেঙে দেয় পুলিশবাহিনীঃ

সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ১লা মার্চ ১৯৫২ঃ

দৈনিক আজাদ, ২৬শে ফেব্রুয়ারিঃ
২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদদের স্মরণে ৫ই মার্চ কে শহীদ দিবস ঘোষণা করেছিলেন ছাত্রনেতৃবৃন্দ;
৫ই মার্চের শহীদ দিবসে ঢাকার আরমানিটোলায় সমবেত জনসমুদ্রঃ


শহীদ দিবসে ঢাকা আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারতে আগত জনতা; ৫ই মার্চ ১৯৫২ঃ

ইডেন কলেজ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রীদের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ঃ

ভাষা আন্দোলনের কবিতাঃ
২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালের নির্মমতার প্রতিবাদে গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে চট্টগ্রামে বসে কবি মাহাবুবুল আলম চৌধুরী ১৭ পৃষ্ঠার দীর্ঘ এ কবিতা রচনা করেন; যা ছিল একুশ নিয়ে প্রথম লেখা কবিতাঃ


২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে লিখিত কবি আলাউদ্দিন আল আজাদের কবিতাঃ


ভাষা আন্দোলনের গানঃ

আব্দুল গাফফার চৌধুরীর রচিত শহীদ মিনারের গান যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালের একুশ উদযাপনের উপলক্ষে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের প্রকাশিত এক লিফলেটেঃ

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত জনপ্রিয় গান আব্দুল লতিফের রচনাঃ

ভাষা আন্দোলনের পক্ষে এবং বিপক্ষে পোস্টারঃ
২১শে ফেব্রুয়ারির পর তাৎক্ষনিক ভাবে এই পোস্টার দুটি আঁকেন শিল্পী মুর্তজা বশিরঃ


রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরকারি প্রোপাগান্ডাঃ

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের দাবীতে ১০ই ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে তমুদ্দিন মজলিশের জনসভার লিফলেটঃ

২০শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির প্রচারপত্রঃ

রাস্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ত্রিপুরা বর্তমান কুমিল্লা শাখার প্রচার দফতর হতে ১৯৫২ সালে প্রকাশিত লিফলেট; যেখানে সরকারের বাংলাভাষা এবং বাঙালীদের স্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়ঃ

মোজাহিদ বাহিনীর প্রচারিত লিফলেট ( বাংলার স্বার্থ বিরোধী )পাকিস্থান সরকারের পক্ষেঃ

ভাষা আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী কিছু পত্রিকাঃ

ন্যাশনাল আর্কাইভের সৌজন্যে, ২৪শে মার্চ ১৯৫২; ২১শে ফেব্রুয়ারির মর্মান্তিক ঘটনার বিবরণ দিয়ে সরকারি প্রেস নোটের প্রথম পৃষ্ঠাঃ


ন্যাশনাল আর্কাইভের সৌজন্যে, ২৪শে মার্চ ১৯৫২; ২১শে ফেব্রুয়ারির মর্মান্তিক ঘটনার বিবরণ দিয়ে সরকারি প্রেস নোটের দ্বিতীয় পৃষ্ঠাঃ



ভাষা আন্দোলনের কার্টুন; সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ১৯৫২, ৩০ শে নভেম্বরঃ

সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ১৯৫২ ১৪ ই মার্চ এবং ২১শে এপ্রিলঃ


ভাষা আন্দোলন ১৯৫৩ঃ

মাতৃভাষার জন্য আত্ম উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে; রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মোনাজাত ও শোভাযাত্রা; ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; প্রভাতফেরি ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ঃ

ঢাকার নবাবপুরে; প্রভাতফেরি ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ঃ

বায়ান্নর ভাষা শহীদের স্মরণ ও বাংলাভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের পাশে সমাবেশ; ২১শে ফেব্রিয়ারি ১৯৫৩ঃ

বায়ান্নর ভাষা শহীদের স্মরণ ও বাংলাভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের পাশে সমাবেশ ও মিছলের উপর পুলিশের নির্বিচার হামলাঃ

প্রভাতফেরি; ২১শে ফেব্রিয়ারি ১৯৫৩ঃ

২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদদের স্মরণে ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল প্রাঙ্গণে শোকাহত ছাত্রসমাজঃ
১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি চারুকলা ইনিস্টিটিউটের প্রতিবাদ ও শোভাযাত্রাঃ

গেণ্ডারিয়া থেকে আগত স্কুল ছাত্রদের প্রভাতফেরির পর সঙ্গীত পরিবেশনঃ

ভাষা শহীদ আবুল বরকতের কবরের পাশে তার শোকাতুর পিতামাতা১৯৫৩ ২১শে ফেব্রুয়ারিঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলাভবনে নির্মিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ; লেখা রয়েছে -
শহীদের স্মরণে যুগে যুগে রক্তে মোদের সিক্ত হল পৃথ্বীতলঃ


কামরুননেসা গার্লস স্কুলের ছাত্রীদের নির্মিত শহীদ মিনার ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ঃ

একুশের চেতনা কে ধ্বংস করার লক্ষ্যে শাসকদের শহীদ মিনার ভেঙ্গেদেয়া, আন্দোলনের কর্মীদের গ্রেফতার ছাত্র বহিষ্কার এবং দমন পীড়ন এর বিরুদ্ধে ২৫শে এপ্রিল ১৯৫৩; এই দিনে আয়োজিত হয় প্রতিবাদ সমাবেশঃ

প্রকাশনায় ভাষা আন্দোলনঃ
১৯৫৩ সালের মার্চে প্রকাশিত হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন " একুশে ফেব্রুয়ারি" গ্রন্থের প্রচ্ছদ। যেথায় ২১শের কবিতা প্রবন্ধ, গল্প , গান ইতহাসে সংকলিত করে প্রকাশ করা হয়ঃ

১৯৫৩ শহীদ দিবসে প্রচারিত সাপ্তাহিক দৈনিকের বিশেষ ক্রোড়পত্রঃ


ভাষা আন্দোলন ১৯৫৪ঃ

১৯৫৪ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসে ছাত্রজনতা র সম্মিলিত মিছিল, নেতৃত্ব পূর্ববাংলার জনপ্রিয় নেতা আতাউর রহমান খানঃ
১৯৫৪ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রভাতফেরিঃ

১৯৫৪েএপ্রিলে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলা সাহিত্য সম্মেলনে ভাষা আনন্দলনের সপেক্ষে লিফলেট বিতরণঃ

১৯৫৪এপ্রিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশঃ
১৯৫৪েএপ্রিলে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলা সাহিত্য সম্মেলনে আগত কলকাতার সাহিত্যিকগণের শহীদ সমাধিস্থল পরিদর্শনঃ

১৯৫৪ শহীদ দিবসে প্রচারিত সাপ্তাহিক দৈনিকের বিশেষ ক্রোড়পত্রঃ


ভাষা আন্দোলন ১৯৫৫ঃ

১৯৫৫ সালে ঢাকায় ওস্তাদ আলাউদ্দিন খানের সাথে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সহ অন্যরাঃ

শহীদ দিবসে পুষ্পাঞ্জলির উদ্দেশ্যে শিশুদের প্রভাতফেরি ১৯৫৫ঃ


ভাষা আন্দোলন ১৯৫৬ঃ

আনুষ্ঠানিক ভাবে উন্মোচনের পূর্বে; কালো কাপড়ে ঘেরা শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তরঃ

শহীদ স্মৃতি অমর করে রাখতে বর্তমান শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছেন, শহীদ বরকতের মা হাসিনা বেগম , জননেতা মাওলানা ভাসানী এবং সরকারের পক্ষে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ঃ


আজকের এই লেখা এটুকুতেই, আশা করছি পরবর্তীতে সময় করে আরও কিছু তথ্য ও চিত্র নিয়ে চলে আসবো ব্লগে। ২১শে ফেব্রুয়ারির যে আত্মত্যাগ তা কিন্তু বৃথা যায় নি। আম্রা পেয়েছি আমাদের প্রাণের ভাষা বাংলায় কথা বলার অধিকার এবং পরবর্তী ধারায় বাংলার স্বাধীনতা।

পূর্বকথা এবং পরের কথাঃ

বেশ কিছু তথ্য আমি আমার সন্তানদের ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং বাংলাদেশের শোক দিবস সম্পর্কে ধারনা দেবার জন্য সংগ্রহ করি। পরবর্তীতে আমার হাতে আসে সি এম তারেক রেজার সংকলিত একুশ শিরোনামে একটি চমৎকার বই। দুইয়ে মিলে লিখেছিলাম ২০১৩ সালে একটি পোস্ট পরবর্তীতে রিপোস্ট ও করেছিলাম কিন্তু ছবি ব্লগ হিসেবে লিখিত এই পোস্টের কোন ছবি ই দেখা যাচ্ছিল না বিধায় সবকিছু সহ নতুন আঙ্গিকে নরুন রূপে সাজালাম।


উৎসর্গঃ

ব্লগের তিন জন প্রিয় প্রিয় এবং পরম শ্রদ্ধেয় ব্লগার, যারা বিভিন্ন সময়ে আমার লেখালিখি কে অসম্ভব আন্তরিকতার সাথে মন্তব্য করে উৎসাহ যুগিয়েছেন। আমার পূর্বের পোষ্ট পড়ে চমৎকার মন্তব্য করেছেন এবং অনুরোধ করেছিলেন ছবি সহ আবার প্রকাশ করতে।
ডঃ এম আলী ভাই, খায়রুল আহসান ভাই এবং আহমেদ জী এস ভাই।
আপনাদের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য এবং সুস্থ্যতা কামনা করছি; আমাদের সাথে ব্লগে এভাবেই ব্লগারদের উৎসাহ হয়ে থাকুন আজীবন।



ছবি কৃতজ্ঞতাঃ
গুগুল এবং একুশ ভাষা আন্দোলনের সচিত্র ইতিহাস।

মন্তব্য ১০৮ টি রেটিং +২৮/-০

মন্তব্য (১০৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:০০

করুণাধারা বলেছেন: আবার আসছি।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:১৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ করুনাধারা আপু !
আপনাকে লেখার শুরুতে পেয়ে অসম্ভব কঠিন কাজ সমাপনের আনন্দ অনেক গুন বেশি এখন।
সাথে আছেন জানি, ভালোবাসা জানবেন আপু।

২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:১০

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: গুড নিরা, গুড। লাইক+প্রিয়তে

২১শে ফেব্রুয়ারি নিয়ে এত তথ্যপূর্ণ , সু বিশাল ছবিব্লগ এর আগে দেখি নি। অনেক ছবি তো আজ প্রথম দেখলাম। থ্যাংকস।

দুটি বিষয়ে ভাবছিঃ
১। তখনকার পুলিশরা হাফপ্যান্ট পরতো
২. মেয়েরা/ছাত্রীরা শাড়ি পরতো।


একটা ইনফরমেশন শেয়ার করছিঃ
বাহান্নোর(২৯৫২) ভাষা আন্দোলনে কতজন শহীদ হয়েছিলেন তার সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না। কেননা, ছাত্রবিক্ষোভের পর পুলিশের গুলিতে নিহত অনেকের লাশ ওই রাতেই পুলিশ এবং সেনাবাহিনী মর্গথেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং গুম করে ফেলে। ভাষা শহীদদের একটি অসম্পূর্ণ তালিকা-
1.রফিকউদ্দীন আহমেদ [১৯২৬-১৯৫২]
2.আবুল বরকত [১৯২৭-১৯৫২]
3.শফিউর রহমান [১৯১৮-১৯৫২]
4.আব্দুল জব্বার [১৯২২-১৯৫২]
5.আব্দুস সালাম [১৯২৫-১৯৫২]
6.অহিউল্লাহ [১৯৪৪-১৯৫২]

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:২৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ এবং ধন্যবাদ জনাব, আপনার মুক্তকণ্ঠের প্রশংসার জন্য!

বিষয় দুটিতে হালকা কারেকশন আছেঃ

১- মনে হয় তখন দাঙ্গা পুলিশ বা কনেস্টেবল রাই হাফপ্যান্ট পরতো। কারন ফুলপ্যান্ট ো কয়েকজন কে দেখা গেছে।
২- ছাত্রীরা মানে যারা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে পড়ত তারা শাড়ি পরত বেশি সালোয়ার কমিজ কম কিন্তু পরতো। ফ্রক পরা মেয়েদের ছবি ও আছে।


বাহান্নোর(২৯৫২) ভাষা আন্দোলনে কতজন শহীদ হয়েছিলেন তার সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না। কেননা, ছাত্রবিক্ষোভের পর পুলিশের গুলিতে নিহত অনেকের লাশ ওই রাতেই পুলিশ এবং সেনাবাহিনী মর্গথেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং গুম করে ফেলে। ভাষা শহীদদের একটি অসম্পূর্ণ তালিকা-
1.রফিকউদ্দীন আহমেদ [১৯২৬-১৯৫২]
2.আবুল বরকত [১৯২৭-১৯৫২]
3.শফিউর রহমান [১৯১৮-১৯৫২]
4.আব্দুল জব্বার [১৯২২-১৯৫২]
5.আব্দুস সালাম [১৯২৫-১৯৫২]
6.অহিউল্লাহ [১৯৪৪-১৯৫২]

আপনার দেয়া এ তথ্য আমার অজানা ছিল; শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখায় চমৎকার মন্তব্যে এবং তথ্যে অনুপ্রাণিত করে গেলেন।

৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৩২

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু। ধন্যবাদ লেখিকা।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: মেহেদী হাসান হাসিব ;
কৃতজ্ঞতা দীর্ঘ এ লেখা পড়ে মন্তব্যের জন্য।

শুভ কামনা আপনার জন্য।

৪| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৮

জাহিদ অনিক বলেছেন: বাহ ! বাহ !
খুব চমতকার প্রতিবেদনমূলক লেখা। সচিত্র প্রতিবেদন। ১৯৪৮ টু ৫২ ভাষা আন্দোলন।
প্রিয়তে রাখলাম।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:০০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: প্রিয় তে রেখে আমাকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করলে কবি।
ধন্যবাদ তোমাকে।

৫| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

আরোগ্য বলেছেন: খুব বেশি পরিশ্রমী পোস্ট করেছেন প্রিয় আপা। আপনার শব্দে গড়া বাক্যগুলি পড়ে মনে হচ্ছে নিজ চোখে চিত্র দেখছি। অতি দুঃখের সাথে বলতে হয় এতো রক্তের বিনিময়ে আমাদের বাংলাভাষা আজ অনেক বাঙালীর কাছে যেন সহ্য হয় না। তথাকথিত মোল্লাদের কাছে বাংলা ভাষা হিন্দুয়ানী ভাষা। আর এক শ্রেণীর শিক্ষিত সমাজে ইংরেজি মানসম্মত ভাষা, বাংলায় কথা বলতে তারা হিমশিম খায়।

আপা আপনি কি শুক্রবারে মেলায় যাবেন? আপনার সাথে দেখা করার খুব ইচ্ছা। গেলে কখন যাবেন?

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:২১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আরোগ্য !
হ্যাঁ ছবি ব্লগে কিছু পরিশ্রম তো করতেই হয়; তবে সমস্ত কষ্ট মুছে যায় ব্লগারদের আন্তরিক সব মন্তব্যে। আপনার মন্তব্য আমাকে আনন্দিত করলো। ভাষা নিয়ে এই ভাসা ভাসা জ্ঞানের কথা সব যুগেই ছিল তারপর ও মাতৃভাষা প্রেমিক রা সগৌরবে গেয়েছেন ভাষার গান।

এবারের মত বই মেলার পাঠ চুকিয়েছি, ইনশা আল্লাহ বেঁচে থাকলে পরের বছর মেলায় দেখা হবে।

৬| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বাহ ! চমৎকার একটি পোস্ট ; পরিশ্রমীও বটে। আজ শুধু ছবিগুলো দেখে গেলাম। লেখাগুলি পড়িনি । কাল আবার আসবো । ++++

উৎসর্গে শ্রদ্ধা ও ভালো লাগা ++

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা প্রিয় আপুনিকে।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: পরিশ্রমী লেখা সার্থক মনে হয় আপনাদের পদচারনায় পোস্ট মুখর হলে; খুব বেশী ইতিহাস এতে নেই ছবি' র সময় কাল তুলে এনেছি মাত্র। আসলে ছবি তে ই ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সাজিয়েছি। আপনার ++++ এবং মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।


আপনার জন্য ও অনেক অনেক শুভ কামনা প্রিয় পদাতিক চৌধুরি।

৭| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১১

ওমেরা বলেছেন: অনেক কিছু জানার আছে সময় করে মনোযোগের সাথে আবার পড়ব । অনেক ধনযবাদ আপুনি তথ্যপূর্ণ পোষ্টের জন্য ।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: তোমাকে ও ধন্যবাদ ওমেরা লেখায় এসে মন্তব্য রাখার জন্য;
আশা করছি পোষ্ট তোমার ভালো লাগবে।

৮| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৫:০১

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: সময় করে পড়বো আপু।
অনেক তথ্যবহুল পোস্ট

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম ফেরদৌসি রুহী;
লেখায় আপনার ভ্রমণ আনন্দময় হোক।

৯| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট টি তৈরি করতে আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনি সেটা অনুভব করতে পেরেছেন তাতেই কৃতজ্ঞ!
শুভ কামনা রইলো।

১০| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



চমৎকার কিছু বিরল ছবি আর ঝকঝকে বর্ণনায় ৫২-র ভাষা আন্দোলনের চিত্রটি ফুটিয়ে তুলেছেন। ২১শে ফেব্রুয়ারির কালো দিনটি দেখা হয়নি; কিন্তু আপনার এ লেখা ও ছবি দেখে দিনটির অনেক ইতিহাস চোখের সামনে ভেসে উঠছে। দারুন তথ্যবহুল ও পরিশ্রমী এ পোস্টের জন্য ধন্যবাদ আপা। ++++

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার মন খোলা মন্তব্যে আপ্লুত হলাম, একুশ আমাদের অহংকার ! একুশের ইতিহাসে যদি আমরা নিজেদের সমৃদ্ধ করি, এর চাইতে বড় প্রাপ্তি আর কি আছে !

অনেক ধন্যবাদ কাওসার চৌধুরী! শুভ কামনা সতত।

১১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৫৬

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



রাতেই পড়তে চেয়েছিলাম । কিন্ত কি কারনে জানি পড়া হয়নি ।

সকালে অফিসে ঢুকেই আগে এটা পড়লাম । এখন কাজে বসব ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে দারুন একটা সংগ্রহ । এটাকে চেষ্টা করলে একটা বই হয়ে যাবে ।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অপু দ্যা গ্রেট !
তুমি এত আগ্রহ নিয়ে পড়েছ, সে ও অনেক বড় পাওয়া; ভালো লাগলো পাঠের প্রতিক্রিয়া।
সব সময় ভালো থাকার শুভ কামনা তোমার জন্য।

১২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল,
এত্ত বড় পোস্ট। ওরে বাবা :P, অফিসে পড়া যাবে না........
দেখে গেলাম। সময় এবং সুযোগ মতো পড়ে নিব। আমি ভালো মতো না পড়ে কোন পোস্ট নিয়ে মন্তব্য করি না।
ভালোই খাটাখাটনি করেছেন দেখি!! হুম, বাসায় কাজকর্ম হুট করে কমে গেল নাকি??
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ নীল আকাশ;
আপনার এই ভালো মত না পড়ে মন্তব্য না করার চমৎকার গুন, আপনাকে নিঃসন্দেহে অনেকের চেয়ে অন্যতম ব্লগার করেছে। আশা করছি অন্যান্য সুকুমার বৃতি চর্চার মত এই দারুণ অভ্যাস ও সব সময় থাকবে।

হাহাহাহা সত্যি ই অনেক অনেক লম্বা লেখা ছবি সংযুক্তির কারণে অতখানি। খাটুনি কিছু গেছে সত্যি কিন্তু এমন একটা পোস্ট দেয়াড় আনন্দে তা ভুলে গেছি। আশা করছি আপনার ভালো লাগবে।

১৩| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: আশ্চর্য হলাম! এতগুলো ছবি আপনি কোত্থেকে জোগাড় করলেন? বিশাল কালেকশন! ভাষা আন্দোলনের ওপর এত পুরনো ছবি মনে হয় আর কোথাও দেখিনি। আপনার প্রতি শ্রদ্ধায় মনটা ভরে উঠল। পোস্টে প্লাস।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অনলাইনে বেশকিছু পেয়েছি, বাকিগুলো নিয়েছি একুশ নিয়ে করা সি এম তারেক রেজার বই থেকে। হ্যাঁ তারেক রেজা বই তে অনেক দুর্লভ কিছু চিত্র আছে যেগুলো উনি সংগ্রহ করেছেন।
চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সাম্রাট ইজ বেস্ট সব সময় ভালো থাকুন।

১৪| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:০৫

আখেনাটেন বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট। এক জায়গায় ভাষা অান্দোলনের বিরল সব ছবি।

কৃতজ্ঞতা এরকম একটি পোস্টের জন্য। প্রিয়তেও নিয়ে রাখলাম।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আখেনাটেন !
প্রিয় তে রেখে আমার লেখা কে সম্মানিত করার জন্য। পাঠকদের কাছে ও আমি ঋণী।

শুভ কামনা আপনার জন্য।

১৫| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ওরে আপুরে !!
এ যে দেখি রীতিমত ভাষা আন্দোলনের এনসাইক্লোপিডিয়া !!!
(এমন পোস্ট করা কতটা শ্রম আর সময় সাপেক্ষ তা আমি জানি, )
পরিশ্রমী পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ নিন আপু।
পোস্ট প্রিয়তে---

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: মন ভালো হয়ে গেল লিটন ভাই !!
সত্যি সত্যি অনেক শ্রম আর সময় নিয়েছে এ লেখা, আপনার সহমর্মিতা ভালো লেগেছে।

প্রিয় তে রাখার জন্য ধন্যবাদ । আপনি ও আমার শুভেচ্ছা নিন।

১৬| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৬

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: ভারি সাহস দেখালে আপু,
তমদ্দুন মজলিশের নাম নেয়াও আজকাল অন্যপাপ।
অথচ এই সংগঠনটির গৌরবজ্জ্বল অবদানকে অস্বীকার করলে বাংলাদেশের ইতিহাসই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এই ঐতিহাসিক সংগঠনের কোন এক পুরুধার রক্ত শরীরে বইছে বলেই খানিকটা ভাবাবেগি হয়ে পড়েছি স্বভাববিরুদ্ধ।

সময় অনুকূল নয় বলে কথা না বাড়ানোই ভালো।
আমার গবেষনাধর্মী ঐতিহাসিক লেখা পড়তেই বেশি ভালো লাগে। 'ভাষা আন্দোলন'এর ইতিহাসের আগামী প্রজন্মের যে কোন গবেষক বা ছাত্রের জন্য তোমার এই পোষ্টখানি অনন্য ঐতিহাসিক দলিল বা রেফারেন্স হিসেবে সহায়ক হবে। সামুর আর্কাইভ আরো একখানি সোনাপোষ্ট দ্বারা সমৃদ্ধ হলো।

অনেক অনেক ধন্যবাদ। এটা তোমার লেখা আমার পঠিত সেরা পোষ্ট। পোষ্টখানি স্টিকি করার দাবী জানাচ্ছি। সামুর পক্ষ থেকে তোমায় কৃতজ্ঞতা আপু। পোষ্টের ওজন ভারে শ্রদ্ধায় নুইয়ে গেছি।

মুগ্ধতা, ভালোবাসা, আর একটা কথা.............

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: পাপ পুণ্য তো বুঝি না রে ভাই, ইতিহাস লিখেছি মাত্র; তাতে কি আর সাহস লাগে !!! এই ঐতিহাসিক সংগঠন মিশে আহে আমাদের ইতিহাসের সাথে যে।

কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ তোকে বেশ সময় ও শ্রম নিয়েছে এই লেখা, তোদের মুল্যায়ন আমাকে উৎসাহিত করলো এমন লেখায়। তোর অতখানি মুগ্ধতা আমাকে সবসময় আপ্লুত করে, আমার লেখার পাশেই আছিস জানি।

১৭| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

ম্যাড ফর সামু বলেছেন: অনেক কষ্ট করতে হয়েছে আপুকে এই পোষ্টটি এত এত তথ্য ও লেখা সংযোজন করে তৈরি করার জন্য। সে জন্য আপনাকে শুধু ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাই না! তবে কৃতজ্ঞতা জানাতে তথ্য ও অতি পুরনো দুর্লভ ছবিবহুল পোষ্টটি সোজা শো-কেসে সাজিয়ে রেখে দিলাম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ সামুপাগলা ০০৭
আমার কাছে কিছু তথ্য ছিল আমি শেয়ার করেছি মাত্র; ব্লগারদের ভাললাগলে লেখার আনন্দ বাড়ে।
প্রিয় তে রাখার জন্য ভালোবাসা।

১৮| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

নীলপরি বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট ভালো লাগলো ।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ নীলপরি !
আপনার ভালোলাগা নিজের করে রাখলাম।

১৯| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

নীল আকাশ বলেছেন: মনিরা আপু,
পড়া শেষ করলাম। পরিশ্রমী পোস্ট করেছেন। অনেক অনেক ছবি আজকেই প্রথম দেখলাম। বুঝা যাচ্ছে ভালোই কষ্ট করেছেন এটা যোগার এবং পোষ্ট করার জন্য। আপনার কস্ট বৃথা যাই নি। আমরা নতুন বেশ কিছুই জানতে এবং দেখতে পেলাম।
প্রিয়তে রেখে দিলাম। রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
চমৎকার পোস্টের জন্য অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা রইল, ধন্যবাদ।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এই ধরনের লেখায় এ টুকুই চাইবার থাকে পাঠকদের কে ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া; নতুন কিছু তথ্য আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে পেরেছি , সেখানেই আমার লেখার সার্থকতা !!!

আপনাকে ও অনেক অনেক ধন্যবাদ লেখার মনযোগী পাঠক হবার জন্য।

২০| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২১

গড়ল বলেছেন: অসাধারণ তথ্যসমৃদ্ধ একটি পোষ্ট, অনেক কিছু জানলাম। ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কিছু তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে, আমার ও ভালোলাগছে !!! সাথে পেয়েছি আপনাদের ভালোলাগা !
লেখার আনন্দ এখানেই।

ধন্যবাদ আপনাকে পাঠে এবং মন্তব্যে।

২১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আ কমপ্লিট হিস্ট্রি অফ অমর একুশে !

টুপিখোলা অভিবাদন মনিরাপু :)

অবশ্যই প্রিয়তে।
অসাধারন কিছু ছবি এই প্রথম দেখলাম!

++++++++++++

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ বাহ !! দারুণ প্রশংসা বাক্যে আনন্দিত বিদ্রোহী ভাই !
আপনার বিনম্রতা এবং লেখায় মুগ্ধতা আমার উৎসাহ হয়ে রইলো।

অনেক অনেক ধন্যবাদ পোস্ট প্রিয়তে নেবার জন্য।

২২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

পবন সরকার বলেছেন: পোষ্টটি পড়ে আমি মুগ্ধ। ২১শের এত ছবি সম্বিলিত পোষ্ট আর কখনও চোখে পড়ে নাই। অসংখ্য ধন্যবাদ

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার মুগ্ধতায় আমার ভালোলাগা রাখলাম পবন সরকার !
আশা করছি লেখার সাথে ই থাকবেন, পরবর্তীতে আরও নতুন কিছু তথ্য ও ছবি নিয়ে আসছি।


ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

২৩| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

জুন বলেছেন: ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস কথা আর ছবিতে ফুটিয়ে তুলেছো মনিরা পরম ভালোবাসা, যত্ন আর আন্তরিকতায়। তোমাকে অভিনন্দন। যোগ্য উৎসর্গ।
+

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: জুন আপু অনেক অনেক ধন্যবাদ;
সব সময় আমার লেখায় অসাধারণ সব মন্তব্যে হয়ে থাকার জন্য।
ভালোবাসা নিও।

২৪| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: মনিরা সুলতানা,




মনে হলো, ইতিহাসের মিছিল কিম্বা বলতে পারেন মিছিলের ইতিহাস। সেদিনের একটা সমগ্র বাংলাদেশকে তুলে এনেছেন অপার বিস্ময় জাগিয়ে, যার আকাশে বাতাসে সেদিনগুলোতে ছিলো শুধু বাঁধ ভাঙার আওয়াজ । জবানে লটকে দেয়া শেকল ভাঙার ঝনঝনাৎকার। প্রতিবাদের আগুনের খরতাপ।

সব দুষ্প্রাপ্য ছবি আর তথ্যের সমাহারে যেন অন্যরকম নৈবেদ্য সাজিয়ে দিয়ে গেলেন এই ফেব্রুয়ারীর পথে পথে।

প্রিয়তে রাখছি এজন্যে নয় যে, উৎসর্গে নামটি রয়েছে আমার। বরং রাখছি , একুশকে নিয়ে করা এই জীবন্ত ইতিহাসটাকে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর মতো অহংকার আর মমত্ববোধ থেকে।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আহমেদ জী এস ভাইয়া;
আমার চেষ্টা ছিল ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস টুকু ছবি তে তুলে আনা, অতখানি গৌরবোজ্জ্বল ইতহাস কে ব্লগের পাতায় ধারণ করা তো সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে চেষ্টা ছিল বহু ব্যবহত কিছু ছবি এবং ঢাকার বাইরের ইতিহাস কে কাটছাঁট করে পোষ্ট কে সাজানো। কতটুকু পেরেছি সে মুল্যায়ন আপনাদের; পরবর্তীতে ঢাকায় বাইরের কিছু ছবি ও তথ্য নিয়ে আরেক টা পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে আছে।

লেখায় ব্লগারদের ভালোলাগার প্রকাশ আপনাদের মত ঋদ্ধ জনদের প্রশংসা, আমাকে সব সময় পরবর্তী লেখায় অনুপ্রাণিত করে !
আপনার ভাবনাটুকু মন্তব্যে অতখানি অনন্যতায় প্রকাশ করার জন্য শ্রদ্ধা রইলো; সব সময় ভালো থাকার শুভ কামনা।

২৫| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বিরাট পোষ্ট, তবে সংগ্রহে রাখার মতো।

আর এটার আবেদন একবার পড়লে শেষ হবে না..........বহুবার পড়তে হবে, বার বার পড়তে হবে; তাই প্রিয়তেও নিয়ে নিলাম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: পোস্ট লেখা হবার পর আমার নিজের ই রিভাইস দিতে ভয় লাগছিল, আর এডিট করার কথা মনে করে একবেলা অনলাইনে ই আসি নাই ;) হাহাহাহা যাইহোক আপনাদের দোয়ায় শেষ তো করেছি; এখন আপনাদের পাঠ প্রতিক্রিয়ার পালা।

প্রিয় তে নিলেন ভালোলাগা থেকেই, এ আনন্দটুকু আমার লেখার আনন্দ!
ধন্যবাদ ভাইয়া! সব সময় ভালোথাকুন।

২৬| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৪৮

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: অনেক তথ্যবহুল পোস্টটি প্ররিশ্রম সাপেক্ষ করেছেন আপুনি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। সোজা প্রিয়তে রাখলাম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: মাহমুদুর রহমান সুজন!
ধন্যবাদ ধন্যবাদ ! তথ্যের উপস্থাপন আপনার ভালোলেগেছে, সে আমার লেখায় উৎসাহ হয়ে থাক।
প্রিয় তে রেখে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করলেন।

শুভ কামনা আপনার জন্য।

২৭| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৩২

বলেছেন: কি নেই আপনার পোস্টে- ভাষার যত কথা,কবিতা, গান আর সচিত্র বর্ণনা
সবারই জানা উচিৎ আমাদের গৌরবের ভাষা আন্দোলনের বিষয়বস্তু ও সারকথা।

ধন্যবাদ আপু এত কষ্টকর পোস্টের জন্য
আর যাদেরকে উৎসর্গ করেছেন সেই বিখ্যাত ব্লগার ও ভালো ভালোমানুষদেরকে অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ কবি " ল " ;
আপনার বিস্তারিত পাঠে পোস্ট ঋদ্ধ হল, চমৎকার মন্তব্য পেয়ে। শুভেচ্ছা নিন।
শ্রদ্ধেয় জন কে শ্রদ্ধা জানিয়ে সম্মানিত করার জন্য ধন্যবাদ আবার ও।


শুভ কামনা আপনার জন্য।

২৮| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসাধারন একটা পোস্ট। ++++++++্

তবে অত্যন্ত দুঃখজনক যে , বর্তমানে ২১শে ফেসব্রুয়ারী দিনটি পরিনত হয়েছে একটি উৎসবে , সাদা কালর ফ্যশন শোতে।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ ঢাবিয়ান ;
আপনার এক লাইনে প্রশংসা এই লেখার অলংকার হয়ে রইলো!

হ্যাঁ বর্তমানের এই ভীষণ অস্থির সময়ে মানুষ সবকিছু তে উৎসবের আমেজ আর আনন্দ খুঁজে নেয়, সাথে যদি ইতিহাসের যথার্থ শিক্ষা থাকে তাহলে ই সম্ভব শোক থেকে অনুপ্রেরণা আর শক্তি খুঁজে নেয়া। না হয় সেই সাদা কাল ফ্যাশান শো আর শো অফ।


শুভ কামনা।

২৯| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: তেরো সালের পোস্টটায় ছবি ছিলো না বা অন্য কি যেন সমস্যা ছিলো......
আমি মনে হয় ছবি থাকলে ভালো হতো বা এজাতীয় কমেন্ট করেছিলাম...... [This was an error due to server change in Somewhereinblog]

তারেক রেজার বইটা অসাধারণ একটা সংগ্রহ..... আমার কাছে আছে.....পৃষ্ঠা সংখ্যা মনে হয় ১৫৪-১৫৫ হবে।

যাক তাহলে অবশেষে সেই পোস্টের আপডেট পেলাম :)

আপনি আপনার আগের পোস্টে ইন্টারনেট থেকে বিশেষণ খুঁজতে বলেছিলেন.....
তাহলে ডজন ডজন ডিকশিনারির হ্যাপা সামলাবে কে শুনি ;)

আর..... এবারে আসি সিগনেচার লাইনে ... :D

ভাষার গাম্ভীর্যময় ইতিহাসের গাঁথা এই পরিশ্রমল্ব্ধ পোস্টে আধো আধো বুলির ন্যায় মিষ্টি ভালোলাগা :)

একেবারে ছোট শিশু যখন আধো আধো বুলিতে বাংলা বলে তখন প্রাণটা জুড়িয়ে যায়....যেন মরুভূমির বুকে শীতল বাতাস.....

(বোল্ড লেখাগুলো কোটেশন দিয়ে লিখলে ভালো বলে আমার মনে হয়)

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৩২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার আগের পোস্ট গুলোতে আপনার , আলী ভাইয়ের আর আহসান ভাইয়ের মন্তব্য আছে; যেহেতু এটা ছবি ব্লগ প্রায় সবাই ছবি গুলো দেখতে চাইছিলেন বিধায় এ পোষ্টের অবতারণা।

হ্যাঁ সেই পোস্টের আপডেট আপনারা পেলেন, আর আমি লিখে ধন্য হলাম।

আপনার পোস্টে ভালোলাগা প্রকাশের উপমায় আমি মুগ্ধ মুগ্ধ মুগ্ধ !!

বস আর যাই কোন, এ পোষ্ট এ আর হাত দিতে বইলেন না :|| জীবন প্রায় তামাতামা।

৩০| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এক টুকরো লেখা নিয়ে এলাম..... গ্রহণ করুনঃ

"শব্দের খেলা আমার ভালোলাগে..... ছোট্ট ছোট্ট এ দাগগুলো জীবনের প্রতীক...... "
"শব্দ দ্বারা মনটাকে আঁকা যায় কাগজে..... তারপর সে ছবি বই আকারে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া...."
"শব্দই সংগীত, শব্দই কথা, শব্দই পৃথিবী... "
"শব্দ হলো ভালোবাসা.... "

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: শব্দের খেলা আমার ভালোলাগে..... ছোট্ট ছোট্ট এ দাগগুলো জীবনের প্রতীক...... "
"শব্দ দ্বারা মনটাকে আঁকা যায় কাগজে..... তারপর সে ছবি বই আকারে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া...."
"শব্দই সংগীত, শব্দই কথা, শব্দই পৃথিবী... "
"শব্দ হলো ভালোবাসা...


শব্দ শব্দে চমৎকার শব্দের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন !! ভালোলাগা।

৩১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মনিরা আপু
যথাসময়ে প্রাসঙ্গিক একটা ইতিহাস
তুলে ধরার জন্য। অনক ছবি স্মৃতির
মনিকোঠায় অম্লান হয়ে আছে।
ভালো থাকবেন।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৩৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনাকে ও ধন্যবাদ নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই!
আমার এই পোষ্ট পাঠকের পূর্ণ মনোযোগ দাবী করে, আপনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা আর ভালোলাগার প্রকাশে বোঝা যায় আপনি বেশ মনোযোগী পাঠক। আপনার পাঠে মন্তব্যে ভালোলাগা প্রকাশে মুগ্ধতা।

শুভ কামনা।

৩২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৪১

সুমন কর বলেছেন: আপু, পোস্ট পড়িনি। ছবিগুলো দেখে ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৩৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সুমন কর;
পোষ্ট টা আসলে দেখার ই, পড়ার তেমন কিছু নেই কেবল ছবির শিরোনাম দেয়া। ইতিহাস তো আমাদের জানা ইতিহাস ই সব আমি শুধু ছবিতে সাজিয়েছি।

ধন্যবাদ পোস্টে এসে মন্তব্য রেখা যাবার জন্য।

৩৩| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরপদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত তমদ্দুন মজলিশের ভূমিকা ঐসময়ের এক শ্রেষ্ঠ ভুমিকা ছিল।
পাকি সরকার ইসলামের নামে মুসলমানের ধর্মীয় মূল্যবোধের সাফাই গেয়ে উর্দু ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করা ষড়যন্ত্র করে। কিন্তু ইসলামী সংঘটন তমদ্দুন মজলিশ তার বিরুধীতা করে ও আন্দোলনে নামে।
আর বর্তমান সময়ে ইসলামিক সংঘটনগুলো বাঙালার মানুষের কোন দিকটা নিয়ে চিন্তা বা গবেষণা করছে(!)

যাই হোক,
আপু আপনার এই লেখাটি অনেকের উপকারে আসবে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একই পোস্টে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। আপনার পরিশ্রমের প্রশংসা করতেই হয়।

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপুনি :)

শুভকামনা জানবেন ।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৪৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার প্রশংসায় আপ্লুত হলাম সৈয়দ তাজুল ইসলাম ;
আপনার দেয়া তথ্যটুকুর জন্য ধন্যবাদ!
শুভ কামনা।

৩৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৫৫

রাফা বলেছেন: ছবিই কথা বলে ।
এক একটি ছবি-ইতিহাসের অধ্যায়।

ধন্যবাদ,ভাষার মাসে সেই ইতিহাসকে স্বরণে পোষ্টের জন্য।
ধন্যবাদ,ম.সুলতানা।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: লেখায় আপনাকে পেয়ে ভালোলাগলো রাফা !
হ্যাঁ এখানে ছবি ই ইতিহাসের সাক্ষ্য দ্যায় , কথা বলে। তাই তেমন কিছু লিখিত ইতিহাস রাখি নি এ পোস্ট এ। আপনার প্রশংসা মন ছুঁয়ে গেলো। আপনাকে ও ধন্যবাদ পোষ্ট এ ভালোলাগা রেখে যাবার জন্য।

শুভ কামনা রাফা।

৩৫| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৬

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




এ এক বিরল গৌরবগাঁথা ইতিহাস । যার পরতে পরতে রয়েছে উজ্জ্বল নক্ষত্রদের ত্যাগ । সুন্দর উপস্থাপন । পড়তে বেশ ভাল লেগেছে ।

চমৎকার উৎসর্গ ।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৫৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ কথাকথিকেথিকথন !
উপস্থাপনা আপনার ভালোলেগেছে জানতে পেয়ে ভালো লাগলো। এত বিশাল ইতিহাসের লেখায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন বৈকি, সে হিসেবে আপনার পড়তে ভালোলাগা আমার বাড়তি পাওনা।

শুভ কামনা আপনার জন্য।

৩৬| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:০৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা!

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার লেখার লিঙ্ক এর জন্য।

৩৭| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:৪৫

সোহানী বলেছেন: অসাধারন পোষ্ট মনিরা। অনেক যত্ন করে তথ্যবহুল এ পোষ্টটা সাজিয়েছো। এটা ভাষা আন্দোলনের একটা দলিল হিসেবে থাকবে।

বাই দা ওয়ে হ্যাপি বার্থডে। ইচ্ছে ছিল একটা বার্থডে পোস্ট দিবো কিন্তু কোনভাবেই সময় ম্যানেজ করতে পারছি না। অনেক ভালো থাকো।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৩১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আপু !
তোমাদের মুল্যায়ন আমার পরিশ্রম কে সার্থক করেছে। ব্লগে লেখার আনন্দই এখানে ! তোমাদের ভালোবাসা।

জন্মদিনের শুভকামনা পেয়েছি আপু, পোষ্ট দিতে চেয়েছো আমাকে মনে রেখেছ এ আমার পরম পাওয়া। শুভ কামনা র চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কি! অনেক অনেক ধন্যবাদ আর ভালোবাসা ।

৩৮| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮

মুক্তা নীল বলেছেন: অনেক ধৈর্যের সঙ্গে আপনার এই লেখা । যা পড়ে বাংলাভাষার আন্দলোনের অতীত ও ইতিহাস আরও জানলাম । আপা, আপনার লেখাটা
স্বার্থক হয়েছে এই ফেব্রুয়ারি মাস ও আমাদের সবার জন্য ।

আর হ্যাঁ , শুভ জন্মদিন । সোহানী আপার সুবাদে আমি জানলাম । একজন স্বার্থক নারী, মা, স্ত্রী হয়ে বেঁচে থাকুন সবার মাঝে । আমার প্রিয় মুনিরা আপা ভালো থাকুন ভালোবাসার মানুষের মাঝে সম্মানিত হয়ে সারাজীবন ।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ মুক্তা নীল !
লেখা যতখানি সময় এবং ধৈর্য নিয়েছে, পাঠে ও ততখানি ই মনোযোগ দাবী করে। আপনাকে ও ধন্যবাদ এত দীর্ঘ লেখা মন দিয়ে পড়ে মন্তব্য করার জন্য। আপনার মন্তব্যে সব সময় থাকে অসম্ভব মমতা।

একজন স্বার্থক নারী, মা, স্ত্রী হয়ে বেঁচে থাকুন সবার মাঝে । আমার প্রিয় মুনিরা আপা ভালো থাকুন ভালোবাসার মানুষের মাঝে সম্মানিত হয়ে সারাজীবন ।

আপনার এই অসম্ভব ভালোলাগার হৃদয় নিংড়ানো অকৃতিম শুভ কামনা আমার জীবনে সত্যি হোক; আমীন!

আপনার জন্য ও অনেক অনেক শুভ কামনা।

৩৯| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

মুক্তা নীল বলেছেন: আপা,
অনেক অনেক ভালো লাগলো আমার কথাগুলো আপনি মন থেকে গ্রহণ করেছেন।
দোয়া রইলো আপনার জন্যে। ভালো থাকবেন আপা।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনি ও অনেক অনেক ভালো থাকুন সুস্থ্য সুন্দর এবং সাফল্য মণ্ডিত হোক আপনার জীবন।
জাজাক আল্লাহ খায়রান।

৪০| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: পোস্টটি প্রকাশের দিন রাতেই পড়া হয়েছিল। লাইক এন্ড আর্কাইভড ট "প্রিয় তালিকা" :)

অন্যন্য এক প্রামাণ্য দলিল যেন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া !
আপনাদের আন্তরিকতা পুঁজি করেই লেখালিখি! সাথে আছেন জানি।

শুভ কামনা।

৪১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: ভাষা আন্দোলন নিয়ে বদরুদ্দইন উমর এর একটা বই আছে, যেটার নাম "পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন ও রাজনীতি । পড়ে দেখতে পারেন। তাজউদ্দীন আহমেদের ব্যক্তিগত ডায়েরি থেকে অনেক তথ্য ইতিহাসের অংশ হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়েছে।
আহমদ রফিকের ''ভাষা আন্দোলন" বইটিও অনেক তথ্যবহুল ।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৩৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ ডার্ক ম্যান;
চমৎকার কিছু বোই এর নাম দেয়ার জন্য।
ভালো থাকবেন।

৪২| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথমতঃ, আপনার এই মহামূল্যবান ঐতিহাসিক পোস্টটি অন্য দু'জন গুণী ব্লগারের সাথে আমাকেও উৎসর্গ করার জন্য আমার আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করুন। এমন একটি সমৃদ্ধ পোস্টের নীচে নিজের নামটি দেখে সত্যিই অভিভূত হয়েছি।
২০১৩ সালে লেখা আপনার এ পোস্টের মূল ভার্সন দেখেও আমি অভিভুত হয়েছিলাম। তখন সেখানে যে কথাগুলো বলেছিলাম, সে কথাগুলো আবারও বলতে ইচ্ছে হচ্ছেঃ
"নিজের সন্তানদের শেখাতে গিয়ে সযত্নে যে পোস্ট তৈরী করেছেন, তা সবার সন্তানদের জন্য উন্মুক্ত করে গেলেন- খুবই প্রশংসাযোগ্য আপনার এ উদারতা। আশাকরি যারা যারা এটাকে প্রিয়তে নিয়েছেন এবং লাইক দিয়েছেন, তারা তাদের সন্তানদের মাঝে এ ইতিহাসটুকু ছড়িয়ে দেবেন। আর যারা তা না করেও এ পোস্ট পড়ে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করেছেন, তারাও নিজেদের অর্জিত জ্ঞানটুকু সবার সাথে শেয়ার করবেন।"
এ পোস্টে আবারও আসতে হবে। আরো কিছু কথা তখন বলবো।
পোস্টটি "প্রিয়"তে, এবং পোস্টে প্লাস + +

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৩৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ;
আপনার চমৎকার মন্তব্য অনুপ্রাণিত করে গেলেন , সব সময়ের মত। যদিও অনেক সময় নিয়ে ফেললাম, কিন্তু আপনাদের ছবি গুলো না দেখতে পারার আক্ষেপটুকু আশা করছি আর থাকলো না।
প্লাস এবং প্রিয় তে রেখে আমার লেখার মর্যাদা অন্য মাত্রায় নিয়ে গেলেন!! কৃতজ্ঞতা।

৪৩| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৩১

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আমাদের ভাষা শহীদদের নাম কয়জনে জানে?
১০০ জনের মধ্যে একজনও নেই যে ঠিক করে সব ভাষা শহীদদের নাম বলতে পারবে।

আবদুস সালাম
আবুল বরকত
রফিকউদ্দীন আহমেদ
অহিউল্লাহ রফিক উদ্দীন আহমেদ
আব্দুল জব্বার
শফিউর রহমান।
এদের জন্মসাল আলাদা আলাদা হলেও মৃত্যু একই দিনেই ঘটেছে।আল্লাহ তাঁদের ভালো রাখুক ওপারে।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:৩৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ভাষা শহীদের নাম বাদ দিলাম, ২১শে ফেব্রুয়ারি কি সেইটা সঠিক কতজন জানে আপনার সেই ১০০ জনে ? আমাদের সময়ে আমবা পাঠ্য বই তে শিখেছি; এখন ও হয়ত তাই। কিন্তু মনে কতজন রাখে সেটাই হচ্ছে মুখ্য।
যাইহোক নামগুলো দেয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

ভাষা শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

৪৪| ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দুষ্প্রাপ্য ছবি ও তথ্যের সমাহারে অসাধারণ পোষ্ট ,
আপাতত প্রিয়তে রাখলাম । সময় করে আবার
আসব । জানিনা এটা পাঠে কত যে সময় লাগবে,
প্রতিটি ছবি ও দৃশ্যই টেনে নিয়ে যাবে অনেক
অনেক পশ্চাতে এর গভীরতা অনুধাবনের জন্য ।

প্রাণডালা শুভেচ্ছা রইল

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: পোষ্ট এ স্বাগত ডঃ আলী ভাই;
এই পোষ্ট টা নতুন করে দেয়া , অনেক টা আপনার অনুরোধেই; ছবিগুলো দেখা যাচ্ছিলো না তাই। কিন্তু সব ছবি সহ নতুন করে তুলে আনতে অনেক সময় নিয়ে ফেলেছি, সে জন্য ক্ষমা প্রার্থী।

আশা করছি আপনার ভাললাগাবে।

৪৫| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: এই মহামুল্যবান পোষ্টটির লেখা পাঠে ও এর সাথে সংযুক্ত দুর্লভ ছবি দৃশ্যে মুগ্ধ । নিসন্দেহে এটা খুবই পরিশ্রমী ও সময় সাপেক্ষ কাজ । আপনার পুরাতন পোষ্টে আমার করা একটি অনুরোধের প্রেক্ষাপটে এমন পরিশ্রম করতে হবে ভাবতে গিয়ে একদিকে যেমন আমার কিছুটা কষ্ট হচ্ছে তার থেকে অনেক বেশী আনন্দ হচ্ছে এই অসাধারন রচনার মহামূল্যের কথা ভেবে । পোষ্টটির নীচে থকা আরো কয়েকজন শ্রদ্ধেয় গুণীজনের সাথে নীজ নামটি দেখে আমি অভিভুত ও কৃতজ্ঞ । এই সচিত্র তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্টটির বিষয়ে আমার অনুভুতির কথা বলতে গিয়ে মনে হলো এটার কলেবর আরো কয়েকগুন বড় হলে এটা আরো বেশী হৃদয়গ্রাহী ও তথ্য সমৃদ্ধ হতো এবং তা পাঠে ও অবলোকনে কোন ক্লেশ না হয়ে শুধু তৃপ্তি ও প্রাপ্তিই বাড়াতো ।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজটি যে রোপিত হয়েছিল বহু আগে সে সকলের তথ্যচিত্র সাথে ভাষা আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল যে ছিল সুদূরপ্রসারী তা লেখাটিতে উঠে এসেছে সুন্দরভাবে । ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান ও ভারত সৃষ্টির পর ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকারের ঘোষণা উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা প্রেক্ষাপটে পূর্ব বাংলায় বাংলাভাষী সাধারণ জনগণের মধ্যে যে গভীর ক্ষোভের জন্ম হয় ও তার বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী আন্দোলন হয় তারা ধারাবাহিক চিত্র ধরা দিয়েছে পোষ্টটিতে। বাংলা ভাষার মর্যাদার দাবিতে পূর্ব বাংলায় দ্রুত আন্দোলন গঠন ও তা দমনে পুলিশী দমন পিড়ন কার্যক্রমের সচিত্র বর্ণনা, ছবি কথা কয়, আকারে সুন্দর ভাবে উঠে এসেছে ।

ভাষা আন্দোলনে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বহু সংগঠন ও ব্যক্তির অবদানের পাশাপাশি বর্তমানে প্রায় ভুলে যাওয়া একটি সংগঠন যথা তমদ্দুন মজলিস এর গুরুত্বপুর্ণ অবদানের বিষয়াবলী সুন্দরভাবে উঠে এসেছে লেখাটিতে । এখানে উল্লেখ্য যে ভাষা অন্দোলন নিয়ে অনেকের লেখাতেই তমদ্দুন মজলিসের অবদান অনুল্লেখিত থাকলেও দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত একটি লেখায় দেখা যায় যে বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা তমদ্দুন মজলিসের অবদানকে স্বীকার করে নিয়েছেন। সরকারের স্কুল পাঠ্যবইগুলোতে তমদ্দুন মজলিসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পোষ্টে থাকা ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারীর শোকাবহ ঘটনার অভিঘাতে সমগ্র পূর্ব বাংলায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার সচিত্র দৃশ্যবলী মনকে গভীরভাবে নারা দিয়ে যায়। ২১ ফেব্রুয়ারির ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে বিদ্রোহের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠার দৃশ্যাবলী অবশ্যই বাংগালী মানষপটে চীরজাগরুপ থাকবে, তবে এগুলির বহুল প্রচার নব প্রজন্মের কাছে আমাদের ভাষা আন্দোলনের গৌরব ও শোকময় দিকগুলি চমতকারভাবে তুলে ধরবে । এ লক্ষ্যে এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অমুল্য সংযোজন তাতে কোন সন্দেহ নেই । ভাষা আন্দোলনে গনমাধ্যমের ভুমিকা বিশেষ করে দৈনিক ইত্তেফাক , দৈনিক আজাদ সহ অন্যান্য গনমাধ্যমের তথ্যচিত্র পোষ্টটিকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে । এখান হতে সহজেই বুঝা যায় গনমাধ্যম বিভিন্ন ধরনের নিড়ীড়ন ও দমন নীতির স্বীকার হয়েও কিভাবে একটি গনমুখী ভুমিকা পালন করতে পারে ।

২১ ফেব্রুয়ারির বেদনা বিদুর তবে গৌরবময় ঘটনাসুহ, ২১ পরবর্তী ঘটনা , ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারির ঘটনার পর ভাষা আন্দোলনের বিপক্ষে সরকার কিভাবে অপপ্রচার চালিয়ে ছিল, বিবিধ ধরনের নিপীড়ন, নিয়ন্ত্রন ও নির্যাতনের পরেও কিভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে শহীদ মিনার গড়ে উঠেছিল , আন্দোলনের অগ্রভাগে দেশের সচেতন নারী সমাজের অংশগ্রহনের দুর্লভ চিত্র , প্রভৃতি পোষ্ট টিকে নিয়ে গেছে অনেক উচ্চমার্গে ।

একুশের গান নিয়ে তথ্য সমৃদ্ধ চিত্রাংশ পোষ্টটিকে করেছে আরো সমৃদ্ধ । উল্লেখ্য যে একুশে ফেব্রুয়ারী নিয়ে রচিত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি গানটি বিবিসি শ্রোতা জরিপে বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ গানের তালিকায় তৃতীয় স্থান লাভ করেছে।

অন্য সকল সহগুণী ব্লগার সহ আমার মন্তব্যটি এই মুল্যবান পোষ্টের একটি অংগ হয়ে থাকবে বিবেচনায় ক্রমবর্ধমান গণআন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার শেষ পর্যন্ত যে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয় এবং ১৯৫৬ সালে সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে ততকালীন পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি প্রদান করে সে কথা যুক্ত করাটা প্রাঙ্গগিক মনে করি । উল্লেখ্য যে ১৯৫৪ সালের ৭ মে বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দেয়া হয়। বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। সংবিধানের ২১৪(১) অধ্যায়ে রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কে লেখা হয়:
214.(1) The state language of Pakistan shall be Urdu and Bengali.
[২১৪. (১) উর্দু এবং বাংলা হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।]

এ কথা অনস্বীকার্য যে ভাষা আন্দোলনই পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আকার ধারণ করে। অনেক ত্যাগ, সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ভাষার দাবীটি আজ স্বমহিমায় আমাদের স্বদেশসহ সমগ্র বিশ্বে মর্যাদার আসনে সহাহিত । ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলা ভাষা আন্দোলন, মানুষের ভাষা এবং কৃষ্টির অধিকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে যা বৈশ্বিক পর্যায়ে সাংবার্ষিকভাবে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় পর্যবেশিত ।

সেই ১৯৫৩ সাল থেকে শুরু করে প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রত্যুষে সর্বস্তরের মানুষের খালি পায়ে প্রভাতফেরীতে অংশগ্রহণ এবং শহীদ মিনারে গিয়ে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করার দুর্লভ কিছু দৃশ্যাবলীর একত্রে সংযোজন সামুর জন্য সম্পদ হয়ে থাকবে । এক কথায় এই পরিশ্রমী সচিত্র তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্টটি সামু সহ আমাদের সকলের ব্যক্তিগত সংগ্রহশালাকে সমৃদ্ধ করবে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

০২ রা মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার ঋদ্ধ মন্তব্য আমার লেখার অলংকার হয়ে রইলো।
কৃতজ্ঞতা সহ ধন্যবাদ আপনাকে ডঃ এম এ আলী ভাই ।

৪৬| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রতি সুন্দর প্রতি উত্তরের জন্য ।
গত ২৬শে মার্চ দৈনিক জনকন্ঠে প্রকাশিত সুস্মিতা দাস প্রণীত
ভাষা-আন্দোলনে-নারী
উপ সম্পাদকীয়টি দেখতে পারেন । এতে অনেক তথ্য আছে ।

শুভেচ্ছা রইল

০৩ রা মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ ডঃ এম আ আলী ভাই ;
ভাষা আন্দোলনে নারী শিরোনামে আপনার দেয়া উপ- সম্পাদকীয় পড়ে ভালো লাগলো। আমার কাছে ও কিছু তথ্য এবং ছবি রয়ে গেছে; পরবর্তীতে ইচ্ছে আছে আলদা শিরোনামে কয়েকটা পোষ্ট দেয়ার।

শুভ কামনা ।

৪৭| ০৫ ই মার্চ, ২০১৯ ভোর ৪:২৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার মুনিরা সুলতানা,
মাশাল্লাহ ! করেছেন কি ! এতো নিশ্চই আপনার পিএইচডি থিসিসের কোনো একটা অধ্যায় ।আপনার লেখা পরে জানা জিনিসও এতো অচেনা লাগছে ! রাগ লাগছে কত কম জানি বলে । মার্ভেলাস ।খুব সুন্দর । আশাকরি আমাদের ন্যাশনাল আর্কাইভের কর্মকর্তারা আপনার এই লেখাটার একটা কপি ওখানেও যত্ন করে সংরক্ষণ করে রাখবেন ।একটা ছোট লেখার মধ্যে একুশে ফেব্রুয়ারির অনেক কিছু -প্রায় সব কিছু নকশি কাঁথার মতো বুনে দিয়েছেন ।মার্ভেলাস ।খুব সুন্দর আর আরো একটা অনবদ্য লেখায় অনেক ভালোলাগা ।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:১৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার ফ্লোলেস প্রশংসার মন্তব্য আমাকে সব সময় ই আপ্লুত করে মলা ভাইয়া !!
অনেক অনেক ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা সহ।

৪৮| ০৫ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৯

আফসানা মারিয়া বলেছেন: অনেক বড়। সময় করে পড়তে হবে। ভাষা আমার পরিচয়, ভাষা আমার অহংকার, ভাষা আমার অস্তিত্ব।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এ লেখা টা আসলে যত্ন আর মনোযোগ দাবি করে; আশা করছি সময় নিয়ে আপনার অহংকার , পরিচয় ,আর অস্তিত্বের শেকড় খুঁজবেন।

৪৯| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:২৫

রাকু হাসান বলেছেন:



অসম্ভব রকমের ভালো লাগার পোস্ট লিখলে মনিপু । এসব পোস্ট আমার বেশি ভালো লাগে । ব্লগের তিনটি নক্ষত্র কে অভিনন্দন । আসলে যেমন মানুষ তেমন সমাদর । উনাদের জন্য িএমন পোস্টই মাাননসই নিশ্চয় । অনেক পরিশ্রমী । ছবিগুলো যেন একেকটি দলিল । যা অধিকাংশই প্রথম দেখলা,ম আমি । অমূল্য ইতিহাস । মুগ্ধ হয়েছি ।যেহেতু এত তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট তাই বলার অপেক্ষা রাখে না এখানে পাঠক আসবে বাবরার । অনেকেই হৃদয়গ্রাহী মন্তব্য করেছে । তাদের নামগুলো উচ্চারণ করতে চাই যাদের মন্তব্য আমার ভালো লেগেছে । পাঠকের প্রতিক্রিয়া !,কি করি আজ ভেবে না পাই,আহমেদ জী এস,সৈয়দ তাজুল ইসলাম,খায়রুল আহসান স্যার এবং ডঃ এম এ আলী স্যারের মন্তব্য খুব ভালো লাগলো । সুন্দর মন্তব্য করায় উনাদের প্রতি শুভকামনা আমার ।

কিছু বিষয় কথা হতে পারে ..।ব্লগাররা কথা বলতে পারে ।

১৯৪৭ সালের ডিসেম্বারে ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা কে’ শিরোনামে অসমাপ্ত একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল । লিখেছিলেন ড।এনামুল হক। দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশিত হওয়ার আগেই পাক সরকার স্ফুলিঙ্গ নামক পত্রিকাটি পুড়িয়ে দেয় ,এমন কি বিজলী প্রেস নামক ছাপখানাকেও পঁড়িয়ে ধ্বংস করে দিয়েছিল পাকিরা । তারপর এই অসমাপ্ত প্রবন্ধটি আবার প্রকাশ পায় বরিশাল থেকে ধ্রুবতারা নামে পত্রিকা থেকে । তারও পরে ১৯৪৮ সালের ১৫ সেপ্টাম্বরে প্রকাশিত হয় ‘পাকিস্থানের রাষ্টভাষা বাংলা নাকি উর্দু নামক বইটি ।

দুঃখজনক বিষয় হলো আমাদের ইতিহাসে খুব একটা পাইনি এসব তথ্য(পাঠ্য বইয়ে) তাহলে ভাষা আন্দোলনেরও প্রকৃত ইতিহাস জানি না আমরা !

১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: তোমার মন্তব্যে আমি সময় নিয়ে ফিরব;
অনেক অনেক ভালো থাকার শুভ কামনা।

৫০| ১৩ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দিন কয়েক দেশের বা্‌ইরে থাকায় আপনার এত সুন্দর প্রতিমন্তব্যটি দেখা হয়নি ।
পরবর্তী সময়ে এ বিষয়টির উপরে আলদা শিরোনামে
আপনার মুল্যবান পোষ্ট গুলি দেখার অপেক্ষায় রইলাম ।
এখন দুবাইতে অবস্থান করছি । আশা করি ভাল আছেন ।
শুভেচ্ছা রইল

১৩ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:২০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: দুবাইতে কতক্ষণ আছেন ভাইয়া !!
আপনার জন্য ও শুভেচ্ছা :)

৫১| ২১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫০

মুক্তা নীল বলেছেন: প্রিয় কবি রাণী আপা,
আজ ২১শে মার্চ। বিশ্ব কবিতা দিবস।
তাই আমার প্রিয় কবি রাণীকে এই দিনের জন্য অন্তর থেকে শুভেচ্ছা রইলো। আপনার কবিতা গুলো অসম্ভব মিছ করছি । আপা, নতুন কবিতা আশা রাখছি পাবো। আপনার কবিতা আমি আমার
প্রিয়তে নিয়েছি।
ভালো থাকবেন আর শুভকামনা রইলো আপনার জন্যে ।
আর হ্যাঁ, আমিতো কবিতা লিখতে পারি না , তাই প্রিয় কিছু লাইন পাঠালাম

আলোর দিকে যেতে যেতে
কখন যেন হারিয়ে ফেলেছি
আমাদের নিজস্ব সকাল গুলো;
অথচ কোনোদিন আমাদের একটা
আকাশ বানাবার কথা ছিল।

___ রুদ্র গোস্বামী

সামু আবার আগের মতো উচ্ছল হয়ে ফিরে আসুক।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সুপ্রিয় মুক্তা নীল !
এমন সব ছোটখাট আনন্দের, ভালোবাসার নাম ই হচ্ছে ব্লগিং !!
আপনার অসম্ভব আন্তরিক ভালোবাসা পূর্ণ মন্তব্য আমাকে আপ্লুত করেছে, দারুণ ভাবে অনুপ্রাণিত করলো।
কবিতার পাঠক রা সব সময় ই অনন্য! পাঠক সব সময়ই কবিতা কে ধারণ করে। আপনার জন্য আমার অন্তরের অন্তঃস্থলের শুভেচ্ছা মুক্তা নীল!

আর প্রিয় ক' লাইন রেখে যাবার জন্য ও ধন্যবাদ। ভালোবাসা নিরন্তর।

৫২| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ ভোর ৪:১৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দুাবাই এ দিন দুয়েক ছিলাম । সেখান হতে বাংলাদেশে গিয়ে সামুতে প্রবেশ করতে পারিনি। আজকে দেশ হতে ইউকেতে ফিরে এসে সামুতে প্রবেশ করতে পারলাম । সামুর দুর্দশার চেয়ে ঢাকার অবস্থা আরো করুন । বেশ কয়েক বছর পরে দেশে গিয়ে ঢাকার রাস্তায় যানাবাহন ও ব্যস্ততম এলাকায় যাতায়াত অব্যবস্থা দেখে বেশ হতাশ হলাম । যাহোক সকল দুর্দশার অবশান হোক এ কামনাই করি। আশা করি ভাল আছেন ।

শুভেচ্ছা রইল

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আশা করছি আপনার দুবাই তে চমৎকার সময় কেটেছে ; হুম দেশ নিয়ে আমাদের যতখানি আবেগ কাজ করে ঠিক ততখানি ই হতাশা থেকে যায়। নিশ্চয়ই এ কয়েকদিনের আগুণ দুর্ঘটনার কথা জেনেছেন।
সেটাই দেশ এবং সামুর সকল দুর্দশার অবসান হোক এই কামনা।

অনেক অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।

৫৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:১১

জুন বলেছেন: মনিরা বাচবে অনেক বছর ইনশাআল্লাহ। আমি আজই ভাবছিলাম তুমি হারালে কোথায় বলে একটা নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি দিবো সামুতে। যাক অনেকদিন পরে হলেও তোমায় দেখে খুব খুব ভালোলাগছে :)

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হাহাহাহা
ধন্যবাদ আপু ! তোমাদের দোয়াতে ভালোই ছিলাম, ব্যস্ত সময় যাচ্ছে; আশা করছি ফিরছি :)
আমি নিজে ও সামু ব্লগারদের মিস করছি, অনেকেই ফেসবুকে আছে, তোমাকে সহ বেশ কয়েকজন কে পাই নি। ভালোবাসা আপু।

৫৪| ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪২

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার এ পোস্ট পড়ে অনেক পাঠকই বলেছেন, ভাষা আন্দোলন নিয়ে এ রকম দুর্লভ ছবি তারা এর আগে আর কোথাও দেখেন নাই, আমিও দেখিনি। এই পোস্টকে ভিত্তি করে আপনি ভাষা আন্দোলনের আরো কিছু তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে আগামী বইমেলায় একটা বই বের করার চিন্তা ভাবনা এখন থেকেই শুরু করে দিতে পারেন। সেই সাথে এত রক্ত দিয়ে মায়ের ভাষার দাবী অর্জন করার পর এ দেশে এখন সে ভাষা কতটুকু মর্যাদা পাচ্ছে, সে বিষয়েও আলোকপাত করতে পারেন। বিশেষ করে বাংলিশের নির্যাতনে মাতৃভাষা দেশে আজ যেভাবে নিগৃহীত হচ্ছে, সে সম্বন্ধেও কিছু লিখতে পারেন।
কি করি আজ ভেবে না পাই এর ১৬ নং মন্তব্যটা ভাল লেগেছে। বিদ্রোহী ভৃগু এবং আহমেদ জী এস এর মন্তব্যদুটোও বেশ ভাল লেগেছে।
ইতিহাসকে অস্বীকার করে কোন জাতি বড় হতে পারে না। তমদ্দুন মজলিশ এর নামটাও আজকের প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা কখনো হয়তো শুনেনি।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:০২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বেশ কিছু ছবি সত্যি ই দুর্লভ, তবে অতখানি ভেবে দেখি নাই !
আপনার সুচিন্তিত পরামর্শ কে আনন্দ চিত্তে গ্রহণ করলাম। আগামী বোই মেলায় না হোক কোন এক বোই মেলায় কিছু একটা কড়ার চেষ্টা করবো।

ইতিহাস কে অস্বীকার করে কোন জাতি বড় হতে পারে , খুব ই গুরুত্ব পূর্ণ কথা। কিন্তু আমাদের দেশে তো সে চর্চা ই নাই দুঃখজনক ভাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.