নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চাঁদের ফাঁদে মুসলমান

ম জ বাসার

ম জ বাসার › বিস্তারিত পোস্টঃ

নবি মুহাম্মদ মূর্খ/বকলম ছিলেন না

০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ২:২৩

উম,উম্মুন অর্থ: মাতা, উৎস, ভিত্তি,মূল, শিকড়, উপকরণ, অবস্থান বা ধরে রাখা।

উম্মুল কিতাব অর্থ: গ্রন্থ জননী; আদেশ নিষেধের উৎস স্থল।

উম্মীউন, উম্মীঈন অর্থ: যারা ঐশী গ্রন্থ অনুসরণ করেনা বা পায়নি। দ্বিতীয় অর্থ: যারা লেখা-পড়া জানে না।

উম্মী অর্থ: মাতার অংশ স্বরূপ বা অঙ্গিভূত হওয়া বা অধিকারভুক্ত হওয়া অর্থাৎ মায়ের বুকের শিশু যেমন নির্দোষ নিষ্পাপ; এমন ব্যক্তি যে ঐশী গ্রন্থের অধিকারী নহে। [দ্র: কোরান মজিদ; তাহের আহ্মদ; টিকা নং-১১৩ ক. ৩৮৪,১০৫৮, ১৪৫০, ২৬৪৫।]



কোরানে ‘উম্মী’ শব্দের ব্যবহার:

১. অকুলীল্লাজিনা-আছলামতুম। [৩: ২০] অর্থ: আর বল! যাদের কেতাব দেয়া হয়েছে এবং যাদের কেতাব দেয়া হয়নি [উম্মীঈনা], ‘তোমরা সকলে কি আত্ম সমর্পন করেছ?’ (ভক্ত হয়েছ?)

২. হুয়াল্লাজি - ম্মুবিন। [৬২: ২] অর্থ: তিনিই উম্মীদিগের মধ্যে তাদেরই একজনকে রাছুলরূপে মনোনিত করেছেন; যে তাদের নিকট তাঁর আয়াত/কেতাব পড়ে শুনায়; তাদের পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; ইতিপূর্বে তো ইহারা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

৩. অ মিনহুম - লা ইয়াজুন্নুন। [২: ৭৮] অর্থ:তাদের মধ্যে এমন কতক উম্মী লোক আছে যাদের মিথ্যা আশা ব্যতীত কিতাব সম্বন্ধে কোন জ্ঞান নেই, তারা শুধু অমূলক ধারণা পোষণ করে।



উল্লিখিত ৩টি আয়াতে ‘উম্মী’ শব্দের অর্থ ও ব্যবহার স্বচ্ছ আয়নার মত পরিস্কার। অর্থাৎ এর পূর্বে যাদের প্রতি কোন রাছুল আসেনি, যারা পূর্বে কোন কেতাব বা পথ প্রদর্শক পায়নি, নবিসহ তাদের সকলকেই ‘উম্মী’ হিসাবে সনাক্ত করা হয়েছে।

রাছুল যে পড়তে জানতেন এবং কেতাব পড়া শিখাতেন, বিজ্ঞান সুত্র (হেকমত) শিক্ষা দিতেন তা ২ নং আয়াতটি স্পষ্ট সাক্ষি; এরপরেও সন্দেহ থাকলে আরও প্রমান লক্ষনীয়:

ক. অ কালূ- আছিলান। [২৫: -৫] অর্থ: উহারা বলে, এগুলি তো আদিকালের উপকথা, যা সে (মোহাম্মদ) লিখে রাখে। যেগুলি সকাল সন্ধা তাঁর নিকট আবৃতি (অহি) করা হয়।

খ. একরা-কালাম। [৯৬: ১-৪] অর্থ: তোমার প্রতিপালকের নামে পড়-যিনি লিখিতভাবে /লিখার মাধ্যমে (কলমের সাহায্যে) শিক্ষা দিয়েছেন।

গ. উতলু-কিতাবে- [২৯: ৪৫] অর্থ: তুমি তোমার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পড়-।

ঘ. অ মা - মুবতেলূন। [২৯: ৪৮] অর্থ: তুমি তো অতীতের কোন কিতাব (নিজে) লিখনি বা পড়নিও, যাতে মিথ্যাবাদীগণ তোমাকে সন্দেহ করতে পারে।



উল্লিখিত চারটি আয়াতই পরিস্কার সাক্ষ্য দেয় যে, তিনি লিখতে-পড়তে জানতেন কিন্তু অতীতের গ্রন্থগুলি, যাতে নবি-রাছুল আগমণের ভবিষ্যৎ বাণী এবং কোরানের বিধানই উহাতে উল্লেখ আছে যা’ তিনি নিজে লিখেননি, নিজে পড়েননি, নিজে অনুসরণ করেননি; এমনকি তিনি তখন উপস্থিতও ছিলেন না, যাতে অবিশ্বাসীগণ সন্দেহ করতে পারে যে, মোহাম্মদ উহা নকল করেছে। এমন সত্যটি উপলব্দির জন্য নিম্ন আয়াতটি উল্লেখযোগ্য:



অমা কুন্তা- তাজাক্কারুন। [২৮: ৪৬] অর্থ: মুসাকে যখন আমি আহ্বান করেছিলাম তখন তুমি তূর পর্বতের পাশে উপস্থিত ছিলে না (অথচ তুমি ইহা এখন অবগত হয়েছ।) বস্তুতঃ ইহা তোমার প্রতিপালকের দয়া স্বরূপ, যাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পার, যাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি, যেন তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

আদিকাল থেকে রাছুলের নামে কুৎসা রটিত হয়ে আসছে যে, তিনি মূর্খ বকলম ছিলেন এবং বকলম নবির মাধ্যমে কোরান অহি হয়ে প্রকাশ করাকে মোসলমানগণ একটি অন্যতম মোজেজা বলেও বিশ্বময় প্রচার করতে গৌরব বোধ করেন; এবং তার স্বপক্ষে কোরানে উল্লিখিত ‘উম্মী’ শব্দটি ব্যবহার করেন। মূলতঃ ‘উম্মী’ শব্দটির অর্থ প্রধানতঃ সাদাসিধা, নির্দোষ, সরল প্রকৃতির; ইংরাজিতে যাকে ‘ইন্নোছেন্ট’ বলে কিন্তু তিনি ইল্লিটারেট বা ইডিয়ট ছিলেন না।

আল্লাহ কি! অহি কি! কেতাব কি! জিব্রাইল কি! ইত্যাদি সম্বন্ধে তিনি সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিলেন। এমনকি তিনি অহি পাওয়ার পরেও জানতেন না যে, তিনি নবি হয়েছেন বা হচ্ছেন; এ অর্থেই তিনি উম্মী ছিলেন এবং তাঁর সম্প্রদায়ও উম্মী ছিলেন; যাদের কাছে এর পূর্বে কোন নবি-রাছুল আসেনি, কেতাবও আসেনি। এজন্যই নবিসহ আবুযেহেল, আবু সুফিয়ান এবং তৎকালিন বিখ্যাত সকল কবি-সাহিত্যিক, দার্শনিক, পন্ডিত, রাজনীতিবিদসহ পূর্ণ জাতিটিকেই ‘উম্মী’ বলা হয়েছে।

মূলতঃ তিনি আবুযেহেলদের চেয়েও উন্নত লেখা-পড়া জানতেন এবং গাণিতিক হিসাব নিকাশও জানতেন; নতুবা বিবি খাদিজার আন্তর্জাতিক ব্যবসা কি করে পরিচালনা করতেন! বর্বর, অন্ধকার বিশ্বে জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে এবং তা প্রতিষ্ঠা করা একজন অক্ষর জ্ঞানহীন বর্বর, নিরক্ষর মানুষের পক্ষে কল্পনাতীত। অশিক্ষিত, মূর্খ বা উম্মী নবি বলে শরিয়ত অধিক গৌরব অনুভব করেন বলেই শব্দটিকে কেন্দ্র করেই হাদিছ লেখকগণ ‘বকলম/মূর্খ নবি’ বলে সর্বত্রই ধৃষ্ঠতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তাই কথিত হয় যে, কোরান কতিপয় লেখক দ্বারা লিখাইতেন এবং উহা জনসাধারণের সন্দেহ মুক্ত ও বিতর্ক এড়াবার জন্য জিব্রাঈল দ্বারা ২বার পরীক্ষা করা হয়েছে বলে কাল্পনিক হাদিছ রচনা করেছেন; আর এ কারণে সন্দেহ আরো বাড়ার কথা। কারণ: অহি করেছে আল্লাহ, বহন করেছে জিব্রাইল, শুনেছেন মোহাম্মদ, লিখেছেন ছাহাবাগণ; অতঃপর ছাহাবাদের লেখা পরীক্ষা করেছে জিব্রাইল। অতএব কোরানের নির্ভূলতা সম্বন্ধে শোনা (গৌণ),কাল্পনিক সাক্ষি ছাড়া মহানবির দেখা বা পড়া (মুখ্য) সাক্ষির কোন নিশ্চয়তা থাকে না; তাদের বিশ্বাস মোহাম্মদের সে যোগ্যতাও ছিল না!

তাদের দেখা উচিৎ যে, কোরানের আয়াতে প্রমান করে যে, মোহাম্মদ লিখতে-পড়তে পারতেন।’ সুতরাং তারা যদি উল্লিখিত আয়াতগুলি অস্বীকার না করতেন তবে: “অহি শুনেছেন মোহাম্মদ, লিখেছেন মোহাম্মদ, প্রচার করেছেন মোহাম্মদ এমনকি পরীক্ষা করেছেন মোহাম্মদ;” এই বাস্তব সুত্রের উপরে বিশ্বাস থাকতো। আর তাতে কাল্পনিক এবং অপ্রামানিক সাক্ষি দেওয়ার জন্য জিব্রাইলকে টেনে আনার দরকার হ’তো না, মহানবিকেও খাটো করার প্রয়োজন হ’তো না! সর্বোপরি কোরানের উপরে কারো সন্দেহের উদ্রেক হ’তো না। শুধু মোহাম্মদই নন, এমন উম্মী ছিলেন আদম থেকে সকল রাছুল-নবিগণ। বিশ্বের অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, বৈজ্ঞানিকগণ; তাই বলে তারা লিখতেও জানতেন না পড়তেও জানতে না এ ধারণা অমূলক। তা’ছাড়া সকল উম্মী নবিগণই কি লোকদ্বারা অহি লিখাতেন? সময় নেই, অসময় নেই গভীর রাতে অহি আসতো আর তিনি লেখকদের খবর দিতেন, অপেক্ষায় থাকতেন লিখাবার জন্য! কোরানে এমন কোন সাক্ষি নেই যে দীর্ঘ ৩০পারা কোরান লিখাতে নবিকে কখনও অহি করেছেন যে, ‘অমুক-অমুক লেখকের সাহায্য নাও বা লেখক ডেকে আনো!’ অথবা ‘অমুক লেখক বিশ্বস্থ এবং অমুক সন্দেহযুক্ত!’ মূলতঃ মহানবি যে লেখা-পড়া জানতেন বা লিখতে পড়তে পারতেন তা’শরিয়তের হাদিছেও প্রমান দেয় যে, তিনি যেখানেই যেতেন সঙ্গে সকল সময়ই কাগজ-কলম রাখতেন। [দ্র: http://www.submission.org]

নিজে কাগজ-কলম সঙ্গে রাখতেন, অথচ লিখতে পারতেন না! আর অহি হলেই পকেট থেকে কাগজ-কলম বের করে লেখার জন্য অন্যের স্মরণাপন্ন হ’তেন বা হয়েছিলেন! হাদিছে তেমন একটি মাত্র প্রমান পাওয়া যায় না। বিবি খাদিজা, বিবি আয়শাসহ তাঁর অনেক বিবিগণই লেখাপড়া জানতেন বলে ইতিহাস পাওয়া যায়, এবং হাদিছ সাক্ষি দেয় যে, বিবি আয়শার বিছানায় শুইলে নাকি বেশি বেশি অহি আসতো! (দ্র: বোখারী, ৩য় খ. ৮ম সংস্করণ, আ. হক, পৃ: ১১) কিন্তু মহানবি অহি লেখাবার জন্য বিবিগণের স্মরণাপন্ন হয়েছেন বা হ’তেন! গভীর রাতে কাউকে ডেকেছেন বলে কোন ইতিহাস নেই, নেই একটি মাত্র হাদিছ।



ইহা সর্বজনবিদিত যে মহানবির জীবণ সায়াহ্নে লিখিতভাবে (আলীকে) উত্তরাধিকার নিযুক্ত করতে চেয়েছিলেন এজন্য ছাহাবাদের কাছে কাগজ-কলম চেয়ে ছিলেন; কিন্তু হযরত ওমর তাঁর অসুস্থতার অজুহাতে কাগজ-কলম দেননি। বাস্তবিকই যদি তিনি লিখতে না জানতেন তবে কাগজ-কলম চাইতেন না আর ওমরও প্রতিবাদ করতেন না; বরং শরিয়তের ধারণা মতে (বকলম হেতু) তিনি যা লিখতে চেয়েছিলেন তা মৌখিক ঘোষনাই করে দিতেন। কিন্তু তিনি লেখার সুযোগ পাননি বলে মনের কথা ঘোষনাও করেননি।



কথিত হয় যে, মহানবি দেশ-বিদেশের রাজা-বাদশাদের লিখিতভাবে ইসলামের দাওয়াত দিতেন, যুদ্ধ বিগ্রহের চুক্তি বা সন্ধিপত্র হযরত আলী বা অন্যদের দ্বারা লিখাতেন! কিন্তু তাতে তার নিরক্ষরতার পরিচয় হয় না। কারণ বড় বড় ব্যস্ততম নেতা/লেখকদের এমন সচিব সেক্রেটারী আজও নিযুক্ত করা হয়; মাইকেল মধুশোধন দত্ত আদিকালের বিলাত ফেরৎ/অফেরৎ ছিলেন এবং উপন্যাস লেখার জন্য তিনি ৫ জন শ্রুতি লেখক নিযুক্ত করে ছিলেন; তার অর্থ এই নয় যে, তিনি নিরক্ষর ছিলেন। শিক্ষিত ও সমভ্রান্ত পরিবারের সন্তানগণ এমনকি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ না করলেও তারা যে কিছুতেই বকলম থাকতে পারে না তা’হলফ করে বলা যায়। হযরত মোহাম্মদ সর্বোচ্য সমভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন এবং কাবার কর্তৃত্ব ছিল তাদের হাতে এমন পরিবারের সন্তান‘মোহাম্মদ বকলম ছিলেন’ নবির প্রতি এমন আপত্তিকর, ভ্রান্ত/ডাহা মিথ্যা বিশ্বাস/ধারণার অবসান হওয়া উচিৎ। আবুযেহেলদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কি ছিল! কোন্ কলেজ-ইউনিভারসিটির ডিগ্রীধারী ছিলেন তা’ও তাদের সনাক্ত করা উচিৎ।

বিনীত।





মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +৪/-১২

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২২

মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।পরে পড়ে মন্তব্য জানাবো....থবে আমি যতোটুকু জানি তিনি অশিক্ষিত ছিলেন না। তার সাথে তৎকালিন আরবের শিক্ষিত ব্যাক্তিদের সাথে যোগাযোগ তথা ঘনিষ্টতা ছিলো।


শুভকামনা।।।

২| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৫২

লেবফিউম বলেছেন: ১ ও ২ নং কমেন্ট মুছে ফেলার আবেদন জানাই। নাস্তিক দের এই পোষ্টে কমেন্ট না করাই মনে হয় ভাল।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১৮

ম জ বাসার বলেছেন: লেবফিউম, ছালাম। আপনার অনুরোধ রক্ষা করলাম। কিন্তু জেনে কি হবে যে:

১. নাস্তিকদের চেয়ে মুনাফেকগণ ধর্ম, দেশ য়ো জাতির ঘোর অঘোর শত্রু এবং আল্লাহর চরম অভিশপ্ত য়ো নিকৃষ্ঠ সৃষ্টি।
২. সুতরাং ইয়া নফছি! ইয়া নফছি করা উচিত।
বিনীত।

৩| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:১২

গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: কেডা কয় সে বকলম আচিলো? উনি কোরআন শরীফ লিখেচেন। বিরাট গিয়ানি লুক।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:০৫

ম জ বাসার বলেছেন: গ্রাউন্ড ফ্লোর, ছালাম। কোরান বহির্ভূত দু-নম্বরী অহির শরিয়তী ইসলাম বলে তিনি মূর্খ/বকলম ছিলেন! কিন্তু আবুযেহেলগণ শিক্ষিত ছিলেন!
বিনীত।

৪| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:১৯

নষ্ট ছেলে বলেছেন: মুহাম্মদ (সাঃ ) হাভার্ড গ্রাজুয়েড ঠিকাছে?

৫| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৫

ম জ বাসার বলেছেন: নষ্ট ছেলে, ছালাম। আপনার দায়িত্ব ছিল আবুজহেলের শিক্ষাগত সনদ্‌ দেয়া! নবি মুহাম্মদের নয়।
বিনীত।

৬| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:২৫

মোসারাফ বলেছেন: প্রথম যে মহানবী (সাঃ) উপর ওহী নাযিল হয় তার শানে নুযুল দেখুন। ওখানেই নবীজি (সাঃ) বলেছেন আমি পড়তে জানিনা।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:০৬

ম জ বাসার বলেছেন: মোসারাফ, ছালাম।
১. ডাহা মিথ্যা কথা! বর্ণিত আয়াতের বিপরিতে সে কথা নবি স্বয়ং বলেন্নি/বল্তে পারেন্না।

২. বরং নবির নামে কোরান বহির্ভূত ২ নম্বরী অহির বাহক ভন্ড/রঙ্গিলা রাছুলগণ (হাদিছ য়ো শানে নজুল/অহির জন্মের কারণ লেখকগণ) নবির মৃত্যুর প্রায় ২৫০/৩০০ বছর পরে লিখেছেন।

৩. সুতরাং ঐ সমস্ত প্রতারণামূলক লেখা দিয়ে কোরানকে খাটো করার অর্থ কোরানের উপর দুঃসাহসিক অবিশ্বাস! যা শিয়া-ছুন্নী, হানাফি, কাদিয়ানী ইত্যাদি ব্যতীত প্রকৃত মুসলিমের পক্ষে বিশ্বাস করা অসম্ভব।

৪. এক শ্রেনীর স্ব ঘোষিত আলেমগণ আয়াতের জন্মের কারণ (শানে নজুল) খুঁজে/লিখে মহান কোরানকে ঐ নির্দিষ্ট কারণে বেঁধে/সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে। অর্থাত মানুষের স্বাধিন চিন্তা/গবেষণাকে আস্ট্রে-পৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে।

৫. কোরানের জন্মের কারণ (শানে নজুল) খোঁজার আগে ঐ সকল কথিত আলেমদের স্ব স্ব (শানে নজুল) জন্মের কারণ সম্বন্ধে নিশ্চিত হতে বলুন।

বিনীত।

৭| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:২৮

ধ্রুব তারা বলেছেন: ১৪০০ বছর আগের এই ভদ্রলোক আর বইটির ওপর যত গবেষণা হচ্ছে ততটা যদি কোয়ান্টাম ফিজিক্স, এ্যাস্ট্রো সায়েন্স, মেডিসিন এর উপর গবেষণা হত, তাহলে পৃথিবী অনেক এগিয়ে যেত।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:১৫

ম জ বাসার বলেছেন: ধ্রুব তারা, ছালাম। নিজকে দিয়েই এই দুঃখ দৈন্য পুরণ করতে পারেন! এ্যাকাউন্ট য়ো মিলাতে পারেন।
বিনীত।

৮| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:১৮

ধ্রুব তারা বলেছেন: ধ্রুব তারা, ছালাম। নিজকে দিয়েই এই দুঃখ দৈন্য পুরণ করতে পারেন! এ্যাকাউন্ট য়ো মিলাতে পারেন

কথাটা ভাল লাগল। আপনি যা ভাবছেন আমি-ও কি তা-ই ভাবছি?

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:২৫

ম জ বাসার বলেছেন: ধ্রুব তারা, ছালাম। লেখাটি জটিল ছিল না কিন্তু প্রশ্নটি জটিলতর হেতু উত্তর দিতে অক্ষম হেতু লজ্জিত; মাফ চাই।
বিনীত।

৯| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:৫৪

ধ্রুব তারা বলেছেন: তুমি জানো আমি জানি না, তা যে আমি জানি, তা যে তুমি জানো না, তা যে আমি জানি, তা-কি তুমি জানো?

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪৯

ম জ বাসার বলেছেন: ধ্রুব তারা, ছালাম।

যা বল্লেন, তা কিছু না
যা বলেন্নাই, তায়ো কিছু না
যা বল্বেন, উহায়ো কিছু না
কিছুই কিছু না
কিছুয়ো কিছু না
আর ঐ যে কিছুনা
তায়ো কিছু না
তবুয়ো কিছু!!

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
নাই ইলাহা
ইলাহা ব্যতীত!!

বিনীত।

১০| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪৬

ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন: চড় দিয়ে না দাঁত ফেলে দিবো।
তুই কনফার্ম পেইড ব্লগার।
শয়তানের অনেক এলেম থাকে।
তুই একটা ধুরন্ধর শয়তান।
হারামজাদা , এইসব তোর এসব প্যাচ মারা শয়তানী সাধারন মানুষকে বিভ্রান্তিতে ফেলতে পারে , কিন্তু এই ঐতিহাসিক সত্য মিথ্যা হবেনা।
তুই শয়তানের উম্মত নিশ্চিত।
তোর উপরে লানত পড়ুক নবীর উপর মিথ্যা চাপানোর জন্য।
দাড়া , তোর এই সব শয়তানির জবাব দেয়ার মত ব্লগার সামুতেই অনেক আছে। হারামজাদা বল তোকে কারা টাকা দেয় , ইসরাইল না ইন্ডিয়া না জার্মানী।
১ নাম্বার কমেন্টে একজন নাস্তিক তোকে শুভ কামনা জানিয়েছে ,তোর শয়তান পরিচয় সেখানেই ফাঁস হয়ে গেছে।
তোর প্রত্যেকটা পোস্ট দেখেছি। শুধু মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য কি সব প্যাচানো কথাবার্তা।
বদমাইশ

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫৯

ম জ বাসার বলেছেন: ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস, ছালাম।
বেশি বেশি কথা বল্লে বাপ-দাদার পরিচয় পর্যন্ত ফাঁস হয়ে যায়। যা বল্ছেন তা কোরান দিয়ে সাব্যস্থ করতে না পারলে তা প্রকৃতির নিয়মেই নিজের ঘাড়ে সয়োয়ার হয়। এতে কেউ কাউকে দোষী করতে পারে না।
বিনীত।

১১| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১৪

পারভেজ আলম বলেছেন: হুম। তিনি পড়া লেখা জানতেন না বলেই জানতাম। তবে সাক্ষরতা না থাকলেই কেউ অশিক্ষত হুয় না। শিক্ষা ভিন্ন জিনিস। সেই হিসাবেও তিনি শিক্ষিত ছিলেন। আপনি মূলত কোরআন থেকে রেফারেন্স দিয়েছেন, বিশ্বাসীদের জন্য। তবে কোরআনের বাইরে থেকে কোন ঐতিহাসিক রেফারেন্স দিতে পারলে সেটা ঐতিহাসিক এবং ইতিহাস অনুসরণ করা পাঠকদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হতো।
আর পুরনো ধর্মগ্রন্থগুলো সরাসরি না পড়লেও অন্তত সেই গ্রন্থগুলোর বাণী এবং কাহিনী সম্বন্ধে তিনি অবশ্যই সচেতন ছিলেন। তার চাচা শশুর ওয়ারাক্কা ইবনে নাফল খ্রিষ্টান ছিলেন এবং বেশ কিছু আসমানী কিতাব আরবী ভাষায় অনুবাদ করেন। ওয়ারাক্কা মহানবির ঘনিষ্টদের একজন ছিলেন। তবে ইসলাম প্রচারের প্রাথমিক যুগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আর খাদিজাও শিক্ষিত ছিলেন। কোন কোন ঐতিহাসিকের মতে খাদিজার পরিবারটাই ছিল খ্রিস্টান পরিবার, সেই হিসাবে খাদিজাও।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫২

ম জ বাসার বলেছেন: পারভেজ আলম, ছালাম।
১. শিয়া, ছুন্নী বা কাদিয়ানীদের কথা জানা নেই কিন্তু মুসলিমদের কাছে কোরানের চেয়ে অকাট্য দলিল দুনিয়ায় দ্বিতীয়টি নেই।
২. ঐতিহাসিকগণের ধারণা, ধারণাই মাত্র। কারণ তারা যদি হেরা পর্বতের গুহায়, যেখানে বছরের একটি মাস নিঃসঙ্গ জীবন কাটাতেন! অথবা ১৩ বিবির যে কোন একটি ঘরে মাত্র একখানা অতীতের পুরাণো কেতাব আবিস্কার করতে পারতেন তবে তাদের ধারণার সত্যতা মিলতো। কিন্তু এমন সাক্ষি শত্রুয়ো দিতে পারেনি।
৩. যাকে গুরু হিসাবে সন্দেহ করা হচ্ছে! কোরান সাক্ষি দেয় তিনি আরবী জানতেন্না।
৪. বিবি খাদিজা খৃষ্টান ছিলেন! এতো মাত্র ধারের কথা! তাঁর বাপ-দাদা চৌদ্দপুরুষ যে পৌত্তলিক ছিলেন! তাতো আপনার এবং ঐতিহাসিকদেরই জানার কথা।
৫. বিবি খাদিজা/আয়শার কাছে ধর্ম শিক্ষা করছেন! একথা ঐতিহাসিকরা বলে না কি?
তবুয়ো আপনার সমালোচনা মার্জিত য়ো ভদ্রোচিত হয়োয়ায় কৃতজ্ঞ য়ো
বিনীত।

১২| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০৫

পারভেজ আলম বলেছেন: ১। অবশ্যই, একজন মুসলমান সেটা করতেই পারে আমার কাছে কোন আপত্তি নাই। তবে আধুনিক ইতিহাস শাস্ত্রে আসলে ধর্মগ্রন্থের চেয়ে ঐতিহাসিকদের লেখাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। আর আপনি যদি শুধু মুসলমানদের জন্য লেখেন তাইলে সমস্যা নাই। কিন্তু যদি সবার জন্য লেখেন তাহলে ঐতিহাসিকদের রেফারেন্স থাকলে ঐ লেখার শক্তি বারে।
২। ঐতিহাসিকরা আসলে ধারণা করেন না, অতিতের ঐতিহাসিকদের অনুসরণ করেন, সুযোগ থাকলে সঠিকতা যাচাই করেন। ঐতিহাসিকরা নবী রাসুলদের মতো আধ্যাত্বিক গুন সম্পন্ন ছিলেন না বটে। কিন্তু দুনিয়ার ইতিহাস জানার জন্য কিন্তু আমাদের তাদের উপরেই নির্ভর করতে হয়।
৩। আমি কাউকে গুরু হিসাবে সন্দেহ করি নাই। তবে ওহারাক্কার মতো একজন ব্যাক্তির সাহচার্যে থেকে আগের দিনের ধর্মগ্রন্থগুলো সম্বন্ধে কিছু জ্ঞান লাভ করাই কি মোহাম্মদের জন্য স্বাভাবিক ছিল না? এতে আমি আসলে কোন সমস্যাও দেখছিনা। কে আরবি ভাষা জানতো না, ব্যাপারটা বুঝি নাই।
৪। বিবি খাদিজা খ্রিস্টান ছিলেন এটা কয়েকজন মুসলিম ঐতিহাসিকের বক্তব্য। কারো কারো বক্তব্য তার পরিবার খ্রিষ্টান ছিলেন, আর কারো কারো বক্তব্য তার পরিবারে ওয়ারাক্কা খ্রিষ্টান ছিলেন।
৫। আয়েশার প্রশঙ্গ কোথা থেকে আসলো। আমি তো কিছু বলি নাই।

আমি সমালোচনা করি নাই। আলোচনা মতবিনিময় করেছি, বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবেই। তবে এইবার একটা ছোট্ট সমালোচনা করবো। ইতিহাস শ্রেফ ধারণার বিষয়, এই কথাটা বলা অন্যায় মনে করি। এমন মনে করলে পৃথিবীর বহু জ্ঞানই নিরর্থক হয়ে যাবে।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৩৩

ম জ বাসার বলেছেন: পারভেজ আলম, ছালাম।
১. ৩০ পারা কোরানের বেশিরভাগই ইতিহাস। লেখায় সামগ্রিকভাবে ইতিহাসকে `ধারণা'র বিষয় বুঝে থাকলে সেটা আমার প্রকাশের দুর্বলতা। আমার বলার বিষয়বস্তু ছিল রাছুলের ব্যপারে ঐতিহাসিকদের ধারণাগুলি (যা আপনি তুলে ধরেছেন) ধারণাই মাত্র; কারণ/যুক্তি: উহার পক্ষে কোনই ঐতিহাসিক দলীল বা সাক্ষি প্রমান হাজির করা হয়নি।

২. কোরান স্বয়ং নিজেই বার বার বহুবার ঘোষনা/স্বীকার করছে যে, ইহা নতুন কিছু নয় বরং অতীতের যাবতিয় ঐশী গ্রন্থের সমাহার, সমার্থক, সমর্থক, সম-অর্থবোধক এবং উহাদেরই বিশদ ব্যাখ্যা এবং উহাদেরই সংরক্ষক মাত্র।
এই ঐতিহাসিক ঘোষনার পরে কোরান য়ো রাছুল সম্বন্ধে নতুন করে বা তার চেয়েয়ো উন্নত, সহজ, সুঠাম ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, চিন্তাধারা বা বক্তব্যের সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। অর্থাত ঐ ঘোষনার পরে `রাছুল তোরা, ইঞ্জিল অনুসরণ, অনুকরণ, নকল করেছেন! অমুককে ফলো করেছেন! অমুকের কাছে শিখেছেন!' ইত্যাদি কথা-বাক্যের কোনই সুযোগ থাকে বলে মনে হয় না।
৩. বিবি আয়সার কথা তোলা হয়েছে বিশেষ করে ছুন্নীদের জন্য; তাছাড়া তিনিয়ো না কি শিক্ষীতা ছিলেন।
৪. বিজ্ঞানীরায়ো ধারণা করেন না। তবুয়ো কালের ব্যবধানে গড়-মিল হয়। বাংলাদেশ স্বাধিনতার ইতিহাস স্বতন্ত্র দলের স্বতন্ত্র ইতিহাস! তা অস্বীকার করার যো আছে!! রাজনৈতিক/সামাজিক ইতিহাস লেখে প্রধানত পক্ষে/বিপক্ষের দুটি দলে।
৫. আপনি সমালোচনা করুণ, কৃতজ্ঞ হবো, কারণ তাতে সার্বিক কল্যাণই বয়ে আনবে।
বিনীত।

১৩| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:২২

মোসারাফ বলেছেন: সুতরাং ঐ সমস্ত প্রতারণামূলক লেখা দিয়ে কোরানকে খাটো করার অর্থ কোরানের উপর দুঃসাহসিক অবিশ্বাস! যা শিয়া-ছুন্নী, হানাফি, কাদিয়ানী ইত্যাদি ব্যতীত প্রকৃত মুসলিমের পক্ষে বিশ্বাস করা অসম্ভব।

ওহো ভুলে গেছিলাম গোলাম কাদিয়ানীর মত আল্লাহ আপনার কাছে ওহী নাযিল করেছিলেন যে আমার নবী নিরক্ষর ছিলেন না। গদাম। দুর হও শয়তান।

০২ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:০১

ম জ বাসার বলেছেন: মোসারাফ, ছালাম।

১. আপনার কাছে কি অহি আসছে/ কোরানে আছে? যে, আল্লাহর নবি মূর্খ/নিরক্ষর/বকলম ছিলেন?? থাকলে প্রমান দিন! বাসার নাকে খত্‌ দিয়ে তার ভুলের প্রায়চিত্ত করে সংশোধন করবে।
২. অহি/কোরান অনুযায়ী যারা বিচার-মীমাংশা করে না তারাই কাফের, ফাছেক য়ো জালেম (৫: ৪৪-৪৭)।
৩. সুতরাং ইচ্ছায়/অনিচ্ছায় `গদাম' নিজের উপর কি কোরানের উপর পড়লো! তা স্ব স্ব স্বার্থেএকান্তই পরীক্ষার বিষয় নয় কি?
৪. যেভাবেই হোক সৎ পথ প্রাপ্ত হোন! প্রাপ্তের নমুনা হলো: আদর্শ- নম্র- ভদ্র- শান্ত- ধীর-স্থীর, যৌক্তিক এবং উহাই ইসলাম।
৫. উহা জন্মগত, দলগত বা ব্যক্তিগত,আকার/আকৃতিগত দাবির বিষয় নয়! বরং ধারণ করার বিষয়।
৬. কোরানের আলোতে শিয়া-ছুন্নী-হানাফি যা! অহাবী, কাদিয়ানীয়ো তাইই! কারণ তারা সকলেই সমানভাবে ৩: ১০৩, ১০৫; ৬: ১৫৯; ৩০: ৩২ আয়াতগুলি অস্বিকার/প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিনীত।

১৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৭:৩৯

একাত্তরের রক্ত বলেছেন:

মহানবী (স.) আরবের সেই সময়কার প্রথাগত শিক্ষা পাননি ।

১৫| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩৫

নিভৃত পথচারী বলেছেন: উম্মী শব্দের গ্রহণীয় অর্থ মূর্খ নয় বরং অক্ষর জ্ঞানের অমুখাপক্ষী

প্রিয় নবীজী (সঃ) এর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপাধি ব লকব হচ্ছে উম্মী যার অর্থ ও মাহত্ম উদ্ধার করতে গিয়ে বিশাল শ্রেনীর সাধারণ মানুষেরা প্রায়ই ব্যর্থ হয়ে থাকে। উম্মী শব্দটি এক্ষেত্রে অর্থ অক্ষর জ্ঞানহীন প্নয় বরং অক্ষর জ্ঞানের অমুখাপক্ষী বুঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে ।......................

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম। তিনি আরবী অক্ষর জ্ঞান দিয়েই কথা বলতেন, বক্তৃতা করতেন এবং লিখতেন।
তবুয়ো মূল্যবান মনে হয়। কোথায় কিভাবে ব্যবহৃত হয়েছে! দয়া করে সুত্র দিন সম্ভব হলে।

১৬| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৫

নিভৃত পথচারী বলেছেন: আপনার ফর্মূলাটি বহু পূরাতন যা ইহুদিরা সাফল্যের সাথে বিভিন্ন সময়ে সাফল্যের সাথে ব্যবহার করে পৃথিবীর বুকে ইতিহাসের বড় বড় বিপর্যয় সমূহের অবতারণা করেছে।

সূত্রটা হচ্ছে, বিতর্কহীন প্রতিষ্ঠিত বিষয়সমূহের প্রতি সন্দেহ ও প্রশ্ন উত্থাপন করা।
হজরত ঈসা আ: এর উম্মতগণকেও এরূপে পথভ্রষ্ট করা হয়েছিল।
আপনার প্রশ্ন গুলো এতটাই হাস্যকর পর্যায়ের যে উত্তর দিতেও হতবাক হতে হয়। কিন্তু এর মাঝেই বিস্তার করা রয়েছে সাধারণ মানুষকে ঘায়েল করার সুদুর প্রসারী চক্রান্ত।

কোন মুসলিম এ ধরণের প্রশ্ন করতে পারে না কিছুতেই।
আপনি এক কথায় জবাব দিন হ্যা অথবা না দিয়ে।
আপনি কি মুসলিম?

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৩:১৯

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম।
এক কথায় উত্তর চায়োয়ার অর্থই টর্চার করা; রিমান্ডে নেয়া।
তবুয়ো:
১. হ্যা!
২. আমি জানি আপনি মুসলিম নন। আপনি স্ব ঘোষীত/স্ব দাবিকৃত ছুন্নী হানাফি বা হাম্বলী প্রভৃতি মুসলিম।
৩. হা বা না উত্তর দিন।

১৭| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১০

নিভৃত পথচারী বলেছেন: Good Game! Carry on! বোঝাই যায় আপনি শক্ত লোক আটঘাট বেধেই মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছেন।

কলেমা সম্বন্ধে যার সন্দেহ তার আর মুসলমানিত্বের কি অবশিষ্ট থাকে!

আপনাকে পর্যবেক্ষণে রাখলাম। দেখি আপনার দৌড় কত দূর....

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১৬

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম।
১. তৈয়ব: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এটা আল্লাহর লা শরিক সাক্ষি; এর সংগে কোন কিছুই শরিক করা শেরেকী/কুফরী অপরাধ।
২. শাহদাত: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহাদাহু লা শারিকালাহু (এবঙ) অ সাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু অ রাছুলুহু।
দেখুন:
১ নং যে লা শরিক তা ২ নংএ য়ো পরিস্কারভাবে স্বীকৃত; অতপর রাছুলের সাক্ষি আসছে ২ নং এ-ই। সুতরাঙ ১ নং এ শরিক করার আর কোনই সুযোগ বা প্রয়োজন থাকে?! তবুয়ো যারা ১ নং এ আল্লাহর সাথে শরিক করলো তারা কি মুসলিম??
২. আপনি হা বা না উত্তর দিতে ব্যর্থ কেন জনাব? ব্যক্তিগতভাবে নিবেন্না, কারণ আপনি কেন! সারা দুনিয়ার সুন্নী গাউস, কুতুব, আলেম-স্কলারগণ জবাব দিতে অসমর্থ।
৩. এক কথায় হা উত্তর দেয়ার পরো সে কি নিজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে?
৪. দোহাই জনাব! অন্তত ৩টি প্রশ্নের উত্তর দেন:
ক. মুসলিম আর সুন্নী হানাফি মুসলিমের মধ্যে পার্থক্য নেই?
খ. রাছুল এবং তার ঘনিষ্ঠ সহচরগণ শিয়া/সুন্নী ছিলেন?
গ. দল-উপদলগুলির সমর্থনে কোরানে সাক্ষি-প্রমান আছে?
আপনার পবিত্র, সহজ, সরল তড়িত উত্তরের অপেক্ষায়।
বিনীত।

১৮| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:২১

নিভৃত পথচারী বলেছেন: আপনার সাথে এত ব্যাসিক পর্যায়ের বিষয় সমূহ নিয়ে আলোচনা করার মত পর্যাপ্ত সময় আসলে নেই। তবু সংক্ষেপে বলি ইসলামী শরিয়ত কোরান, হাদীস, ইজমা এবং কিয়াসের উপর প্রতিষ্ঠিত।
আপনার ব্ক্তব্যসমূহ একজন মানুষকে ইসলামের আওতাভূক্ত তথা কাফের হিসেবে প্রতিষ্ঠত করার জন্য যথেষ্ট।
আপনি যদি সর্বসূধীজন স্বীকৃত সিহাহ সিত্তাহকে অস্বীকার করেন, তাহলে আপনার নিকট স্বীকৃত হাদিস কোনটি?
আপনার বক্ত্যবে আরো সুস্পষ্ট হুজুর পাক (স:) এর পর প্রকৃত মুসলিম হিসেবে গন্য একমাত্র আপনি এবং আপনার অনুসারীরা। পাগলের প্রলাপ ছাড়া এ আর কিছূই হতে পারে না।

কথিত আছে, পন্ডিত পন্ডিত তর্কে বিষয়বস্তুর মাহাত্ম বৃদ্ধি পায়। আর মূর্খের সাথে তর্কে অপমানিত হতে হয়।

তাই আপনার সাথে প্রলাপ তর্কে ক্ষান্ত দিলাম।

১৯| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৫

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম।
১. 'তবু সংক্ষেপে বলি ইসলামী শরিয়ত কোরান, হাদীস, ইজমা এবং কিয়াসের উপর প্রতিষ্ঠিত।'
উত্তর: উহা সরাসরি কোরান বিরুদ্ব নিজস্ব বা দলীয় বাণী।
২. একজন মুসলিমের কাছে স্বীকৃত হাদিছ একমাত্র 'কোরান'।
৩. রাছুল এবঙ ৪ খলীফার পর আজ পর্যন্ত ১০/২০ জন মাত্র 'মুসলিম' এর নাম বলুন যারা স্ব ঘোষীত শিয়া, ছুন্নী, হানাফি, শাফী য়োহাবী, চিশতি বা কাদিয়ানী সংযোজিত খন্ড-খন্ডিত মুসলিম নন। বরং নিজের দাবিটি নিয়েই আগে ভাবুন!
৪. ভালো থাকুন; প্রয়োজন মনে হলে কাউকে ভাড়া করতে পারেন।
বিনীত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.