নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পেশা ব্যবসা ও চাকুরি। জ্ঞানভিত্তিক জীবনদর্শনে বিশ্বাসী। নির্জনে ও নীরবে প্রকৃতির নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে ভালোবাসি। বই পড়তে, ভ্রমণ করতে, একলা চলতে এবং জটিল চরিত্রের মানুষ থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করি। –এম. জেড. ফারুক

এমজেডএফ

কথায় নয় কাজে বিশ্বাস

এমজেডএফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

একাদশ সংসদ নির্বাচন বিশ্লেষণ : স্রোতের প্রতিকূলে বিজয়ী গুলবাগী, নিক্সন চৌধুরী ও অন্যান্যরা

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৩


একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হ্যাটট্রিক জয় হয়েছে। ২৯৯টি আসনের ফলাফলে দেখা যায় বিএনপি, গণফোরাম ও অন্যান্যরা মিলে পেয়েছে মাত্র ২০টি আসন। যদিও পুলিশের ধরপাকড় ও কিছু অতি উৎসাহী সরকার দলীয় ক্যাডারের জোড়দবস্তি ও জালভোট নির্বাচনকে কিছুটা বিতর্কিত করেছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, জরীপ অনুযায়ী আওয়ামী লীগের সমর্থকও বেশি তার উপর বিএনপি-জামাতের নেতা-কর্মীদের উপর গ্রেফতার-মামলার হয়রানী–ইত্যাদি সত্ত্বেও এই ২০টি আসনের মধ্যে বিশেষ করে গুলবাগীর ব্যতিক্রমধর্মী ভূমিধ্বস বিজয় নিয়ে কিছু কথা।

উপজেলায় ১৭ ভোট পাওয়া গুলবাগী এখন এমপি
(সুত্র: দৈনিক সমকাল - ০১ জানুয়ারি ২০১৯, ০৪ জানুয়ারি ২০১৯)

'গুলবাগী এমপি হলো, দেশত আর বাকি থাকল কে' ভোটের রাতে ফল দেওয়ার পর বগুড়া শহরের সাতমাথা চত্বরের পাশে একজন চায়ের দোকানি বলছিলেন এ কথা। তার সঙ্গে জনাদশেক ক্রেতার কথায় বগুড়া-৭ আসনে নবনির্বাচিত সাংসদ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যে মাত্র ১৭ ভোট পেয়েছিলেন, তা জানা গেল। বিএনপি অধ্যুষিত এই এলাকায় ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে সব খবর ছাপিয়ে বগুড়ায় আলোচনায় এখন 'গুলবাগী'র বিরাট বিজয়। 'শওকত আলী গুলবাগী এমপি হয়েছেন'- এটা সবার মুখে মুখে। অথচ নির্বাচনের একদিন আগেও তাকে খুব বেশি কেউ চিনতেন না, যারা চিনতেন তারাও তাকে ভালো চোখে দেখতেন না।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেনি বিএনপি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রার্থী হন খালেদা জিয়া। তবে দুর্নীতির মামলায় তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় বিকল্প হিসেবে গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোরশেদ মিল্টনকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ না ছাড়ার অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে প্রার্থিতা ফিরে পান মোরশেদ মিল্টন। তবে ফেরদৌস আরা খান নামে এক স্বতন্ত্র প্রার্থী মোরশেদ মিল্টনের প্রার্থিতা বাতিলের জন্য উচ্চ আদালতে রিট করেন। ওই রিটের ভিত্তিতে ২৫ ডিসেম্বর আবারও তার মনোনয়ন বাতিল করেন আদালত। বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আসনটিতে দলীয় প্রার্থী না থাকায় হতাশ হয়ে পড়ে স্থানীয় বিএনপি। তবে আসনটিতে আওয়ামী লীগ বা মহাজোট প্রার্থীকে ঠেকাতে বিএনপির সমমনা বিকল্প প্রার্থীর খোঁজ করেন তারা। বিএনপি নেতারা জানান, দলীয় প্রার্থী না থাকার সুযোগ নেওয়ার জন্য রেজাউল করিম বাবলু বিএনপির সমর্থন পেতে দলের স্থানীয় ও উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের কাছে ধরনা দিতে থাকেন। তবে কেউ তার প্রতি সমর্থন জানাতে আগ্রহী ছিলেন না। আর কাউকে না পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে ২৮ ডিসেম্বর তাকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দল। এজন্য তার কাছ থেকে বিএনপির সদস্য ফরমে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তিনিও বিএনপির একজন সদস্য ও প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার অঙ্গীকার করেন।

বগুড়ার মানুষের মুখে মুখে থাকা সেই গুলবাগীর প্রকৃত নাম রেজাউল করিম বাবলু। এ নামেই তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৭ আসনে (গাবতলী-শাজাহানপুর) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটের আগে যার তৎপরতাই ছিল না, তিনিই ভোটের দিন মহাজোটের প্রার্থী এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির স্ত্রীসহ সাত প্রার্থীকে হারিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্য ছয় প্রার্থী মিলে যে ভোট পেয়েছেন, বাবলু একাই পেয়েছেন তার দ্বিগুণ। তার প্রাপ্ত ভোট এক লাখ ৯০ হাজার।

বিষয়টি নিজের কাছেও যেন বিশ্বাস হচ্ছে না নবনির্বাচিত এই সাংসদের। গতকাল সোমবার এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে বলছিলেন, 'যখন অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটে, অবিশ্বাস্য কিছু ঘটে, তখন এমন আলোচনা হবেই।' শাজাহানপুর ও গাবতলী এলাকার স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে মনে হলো, সাধারণ মানুষের মতো তারাও বাবলুর এই সাংসদ হওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না। তবে হিংসায় নয়, কারণটা অন্যখানে। তাদের ভাষ্য, বাবলু রাজনীতিবিদ নন, একসময় জেলা আদালত এলাকায় টাইপিস্ট ছিলেন। সেখান থেকেই তার প্রতারণার হাতেখড়ি। তার পেশা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা। তিনি চাকরি দেওয়ার কথা বলে, আদালত থেকে জামিন করিয়ে দেওয়ার কথা বলে বা ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন। মানুষের মুখে মুখে ছিল, প্রবাসী জামাতার টাকা মেরে নিজের নামে ট্রাক কেনার কথাও। কয়েক মাস আগেও তিনি অখ্যাত একটি টিভি চ্যানেলের বগুড়া প্রতিনিধি বলে পরিচয় দিতেন নিজেকে। ক্যামেরাম্যান নিয়োগের কথা বলে তিনজনের কাছ থেকে টাকা নিলেও আর নিয়োগ দিতে পারেননি। এ নিয়ে দেনদরবার করেন স্থানীয় সাংবাদিকরাও। শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী আতোয়ার তালুকদার ফজু বলছিলেন, তিনি দীর্ঘদিন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। নানা সময়ে নানা ঘটনায় রেজাউল করিম বাবলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছেন। এসব ঘটনায় কয়েক দফা সালিশ-দরবার করেছেন। তবে তিনি এখন তাদের এমপি!

গুলবাগীর শপথে ক্ষুব্ধ বিএনপি
বিএনপির সমর্থন নিয়ে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রেজাউল করিম বাবলু। তবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ বর্জন করলেও তিনি শপথ নিয়েছেন। সংসদ ভবনে গিয়ে শপথ নেন গুলবাগী নামে পরিচিত এ নবনির্বাচিত সাংসদ। বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তিনি এভাবে শপথ নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির সমর্থনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার পর রেজাউল করিম বাবলু দলটির নেতাকর্মীদের এড়িয়ে চলতে থাকেন। এর মধ্যে গত ২ জানুয়ারি দৈনিক করতোয়ায় এক বিবৃতিতে রেজাউল করিম বাবলু বলেন, 'আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী, আমি কোনো দলের নই। আমার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। তবে কোন দল এবং কেন তার স্বাক্ষর জাল করেছে বিবৃতিতে তা উল্লেখ করেননি তিনি। এর পরও দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে বিএনপির অন্য সাংসদরা শপথ না নিলেও রেজাউল করিম বাবলু অনেকটা চুপিসারে শপথ নেন। হাজার টাকা নিয়ে প্রতারককারী কোটি টাকা নিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করার এ সুযোগ ছাড়বে কেন! তার শপথ নেওয়ার খবরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

আলোচনায় না থেকেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রায় দুই লাখ ভোট পেলেন কীভাবে- সে বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে স্থানীয় রাজনীতিবিদদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেল, বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্ম। এজন্য এ এলাকাটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও এখানে বিপুল ভোটে বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এবার মামলায় সাজা খাটার কারণে প্রার্থী হতে পারেননি। বিএনপির পক্ষ থেকে গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যান মোরশেদ মিলটন মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেন। তবে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ না করার অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত বিএনপি বাধ্য হয়ে নির্বাচনের একদিন আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী বাবলুকে সমর্থন দিলে তার কপাল খুলে যায়। অবশ্য বিএনপির এই সমর্থনের কথা অস্বীকারই করতে চাইলেন ভোটে পাস করা রেজাউল করিম বাবলু। তিনি দাবি করেন, গত শুক্রবার তিনি টেলিভিশনের খবরে দেখতে পান বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে। তবে তার সঙ্গে কারও যোগাযোগ হয়নি। এখন স্বতন্ত্র সাংসদ থাকবেন, নাকি বিএনপিতে যুক্ত হবেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা পরিস্থিতিই বলে দেবে। কী করতে হবে তা ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করবে।

উপসংহার
বগুড়া-৭ আসনের এই ফলাফলকে পর্যালোচলা করলে দেখা যায়, এখানে বেশিরভাগ লোক বিএনপির অন্ধ সমর্থক। এরা সংখ্যাই বেশি এবং সক্রিয়। এখানে যেহেতু বিএনপির প্রার্থী ছিল না তাই বিএনপির এজেন্টও ছিল না। তারপরেও আওয়ামী লীগের এজেন্ট ও ক্যাডাররা জাল ভোট বা জোরধবস্তির মাধ্যমে ফলাফলে কোন প্রভাব ফেলতে পারে নাই। স্রোতের প্রতিকূলে থেকেও এই ২০ জন বিজয়ীর বিজয়ের কারণ পর্যালোচনা করে আমরা বলতে পারি যে বাংলাদেশের যেখানে যেই দলের প্রভাব-সমর্থক-সংঘটন বেশি সেখানে সেইদলের প্রার্থীর বিজয় হয়েছে। আংশিক ভোট কারচুপির কারণে যেখানে মহাজোটের প্রার্থীরা লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জিতেছে, শতভাগ সুষ্ঠু ভোট হলেও তারাই জিততো তবে হয়তো হাজার ভোটের ব্যবধানে। তাছাড়া মহাজোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও এত বেশি সিট পেত না। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ অশিক্ষিত/স্বল্পশিক্ষিত, গুজুগে, ধর্মভীরু, নেতার পুজারী এবং রাজনৈতিক অসচেতন। এরা ভোট দেওয়ার সময় দলীয় ইসতেহার, ইতিহাস, ন্যায়-নীতি, দেশপ্রেম ও দেশের উন্নতি নিয়ে ভাবেনা। এরা ভোট দেয় প্রার্থীর ব্যক্তিগত ক্যারিসমা দেখে, দলীয় একচোখা দৃষ্টিতে বিবেচনা করে, রাজনৈতিক নেতাদের সত্য-মিথ্যা-বানোয়াট কথায় প্রভাবিত হয়ে, ব্যক্তিগত লাভ-লোকসান ও আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে। ব্লগে যারা ভোটাধিকার ফেরত চাই বলে গলা ফাটাচ্ছেন ও গণতন্ত্রের জন্য মায়াকান্না করছেন গুলবাগীর এই বিজয় থেকে তাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।

"মাঝ দরিয়ায় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে অধিকাংশের ভোট দিয়ে যদি জাহাজের গতিপথ নির্ধারণ করাতে হয় তাহলে সে জাহাজ অবশ্যই ডুববে।" –প্লেটো

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৭

বাংলার মেলা বলেছেন: আসল কথা হল এই আসনে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী ছিলনা। জাতীয় পার্টি বাধ্য হয়ে একটা প্রার্থী দিয়েছিল, যাকে আওয়ামী লীগ একেবারেই পছন্দ করত না - তাই মহাজোটের ফর্মুলা তার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে চায়নি। তার চেয়ে বড় কথা হল, একজনকে তো জেতাতে হবে, যে সময়মত বিএনপির পেছনে লাত্থি মারতে পারবে - তাই গুলবাগীকে বেছে নেয়া।

বিএনপি ভাবল কি করে, উপজেলা নির্বাচনে মাত্র ১৭ ভোট পাওয়া গুলবাগী সংসদ নির্বাচনে জিতেও শপথ না নেয়ার মত গাধামি করবে? বিএনপির কয়জন শপথ না নিয়ে থাকতে পারে, সেটাও তো একটা প্রশ্ন!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৭

এমজেডএফ বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। গুলবাগীদের মতো অনেকেই দলান্ধ রাজনীতির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন দলের লেবাসে এমপি হয়। এদের থেকে দেশ ও জাতি ভালো কিছু আশা করতে পারে না।

২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


মানুষ তাকে ভোট দিয়েছে, সে শপথ নিয়েছে ভালো হলো; সেই লোক নিশ্চয় জানে না যে, একজন এমপি'র দায়িত্ব কি!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০৩

এমজেডএফ বলেছেন: জনগণের চিন্তা-ভাবনা যেখানে শুধুমাত্র দলীয় রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লেবাস পড়ে সুযোগ সন্ধানী ধনকুবের, মাফিয়া, সন্ত্রাসী ও গুলবাজীদের মতো প্রতারকরা এমপি হবে - এটাই স্বাভাবিক।

৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন:
মানুষ তাকে ভোট দিয়েছে, সে শপথ নিয়েছে ভালো হলো; সেই লোক নিশ্চয় জানে না যে, একজন এমপি'র দায়িত্ব কি!

একজন এমপি না জেনেই নিশ্চয়ই এমপি হয় না।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০৭

এমজেডএফ বলেছেন: বাংলাদেশে এমপি হতে তেমন কিছু জানতে হয় না। সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে সঠিক পার্টির টিকেটে নির্বাচন করতে পারলেই যে কেউ এমপি হতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.