| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মায়াস্পর্শ
মনের বিপরীতে পার করে এসেছি সহস্রকাল, হঠাৎ এক উদ্ভ্রান্ত অবয়বে বেঁচে থাকি এপার ওপার।
ছোটবেলা থেকেই অভাবের তাড়নায় অনেক কিছু না পেয়ে বড় হওয়া মানুষ আমি। তবে সব পরিস্থিতিতেই দুইটা অবস্থা বিরাজ করে—সুখ এবং দুঃখ। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এই মনে করেন, ভালো খাবার, পোশাক খুব কমই জুটত। বাবার আর্থিক অবস্থা যেমন ছিল, আমাদের চলাফেরাও তেমন ছিল। নিম্নবিত্ত পরিবারে যা হয় আরকি।
এবার আসি মূল ঘটনায়।
তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি। আমাদের এক বিত্তবান আত্মীয়ের বাড়িতে ঘন ঘন যেতাম, যেন তারা ভালো কিছু খাওয়ার সময় আমাকেও কিছু দেয়। মার অবশ্য এসব ভীষণ অপছন্দ ছিল। আমি সেটা আমলে নিতাম না। আমার খাওয়া হলেই হতো।
তা, সেদিন ছিল পহেলা বৈশাখ। সকাল থেকেই আমি তাদের বাড়িতে ঘুরঘুর করছি। হঠাৎ তাদের বড় কর্তার নজরে এলাম। ডাক দিল আমায়। ভাবলাম, আজ তবে খেতে পারব ভালোভাবে। একটা কাগজ ধরিয়ে দিল হাতে। বলল, “এটা নিয়ে সুমনের দোকানে যা। বলবি, খালু পাঠিয়েছে।”
আমি সেটা নিয়ে ভোঁ-দৌড় দিলাম আমার দুই পায়ের হুন্ডা নিয়ে। দোকানে গিয়ে লিস্টটা দিলাম আর বললাম, “মামা, খালু পাঠিয়েছে।”
সে লিস্টটা নিয়ে আমায় দুইটা চকোলেট দিয়ে বলল, “একটা ছোট মামুনিকে দিবি, আর একটা বড় মামুনিকে। আর যদি তুই খেয়ে ফেলিস, তবে তোর খবর আছে। এখন বাড়ি থেকে বড় চটের ব্যাগ নিয়ে আয়।”
আবার দৌড়ে এসে খালাকে বললাম, “ব্যাগ দাও।” আর চকোলেটগুলো দুই রাজরানীর হাতে দিলাম। তারা চকোলেটগুলো নিয়ে আমায় বলল, “তুই তো চকোলেট খাস না, তাই না?” বলেই সজোরে হেসে উঠল।
ব্যাগ নিয়ে আবার দোকানে গেলাম। দোকানদার এতক্ষণে সব সদাইপাতি গুছিয়ে ফেলেছে। ব্যাগ হাতে নিয়েই সব ভরে ফেলল ভেতরে। প্রায় সাত থেকে আট কেজি হবে সব মিলিয়ে।
ব্যাগটা মাথায় নেওয়ার আগে বললাম, “মামা, আমাক একটা চকোলেট দিবা? ট্যাকা পরে দিয়ে দিমু, আব্বুর থেকে লিয়ে।”
সে বলল, “তোর বাপ কোনোদিন চকোলেট কিনছে? শালা ফকির, যা ভাগ।”
বলে তার পানি খাওয়ার গ্লাস থেকে কিছু পানি আমার গায়ে ছিটিয়ে দিয়ে ব্যাগটা মাথায় তুলে দিল, আর বলল, “দূর হ।”
ওরে কিছু অস্বাভাবিক গালি দিয়ে দৌড়ে চলে এলাম।
ব্যাগটা বাড়ির উঠোনে রাখতেই খালা দৌড়ে এসে বলল, “এত সময় লাগে কেরে? তোরে পাঠানোই ভুল হইছে।”
বললাম, “সুমন মামা দেরি করছে।”
আর কেউ আমার দিকে ফিরে তাকাল না। আমি উঠোনেই কিছু মাটির খোলা নিয়ে খেলতে থাকলাম।
শুরু হলো রান্নাবান্নার আয়োজন। মা এসে কয়েকবার ডেকে গেল নিজের ঘরে যাওয়ার জন্য। গেলাম না। ঘাড় কাত করে সেখানেই খেলতে লাগলাম।
ইলিশ মাছ ভাজা হচ্ছে। ওই বয়সে জীবনে সর্বোচ্চ পাঁচ কি ছয়বার খেয়েছিলাম, মনে হয়। সঙ্গে পোলাও, মুরগির রোস্ট, কাবাব, আর পান্তা তো আছেই।
দুপুর প্রায় হয়েই এলো। মা এসে জোরাজুরি করে বাড়িতে নিয়ে গেল। গোসল করিয়ে দিল, গায়ে-গলায় পাউডার লাগিয়ে দিল। ভাত খেতে দিল ছোট মাছের চচ্চড়ি আর ডাল দিয়ে।
হঠাৎ বলে বসলাম, “মা, আজ খালা ওদের ওখানে খেতে বলছে।”
মা বলল, “সত্যি তো?”
আমিও বললাম, “হ, সত্যি কচ্ছি। আজ সকালে আমাক দিয়ে দোকান থেকে সদাই নিয়ে আসিছে, আর তখন কৈছে এখানে আজ দুপুরে খাস।”
মা ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে ঈদের নতুন পাঞ্জাবিটা বের করে পরিয়ে দিল। নিজে হাতে ধরে মাথার চুল আঁচড়ে দিয়ে বলল, “যা, আর কারও সঙ্গে কোনো শয়তানি যেন করিস না।”
আমি দিলাম জোরসে দৌড়, যেন ওদের খাওয়া শেষ না হয়ে যায়।
যেয়ে দেখি, ওরা খেতে বসে গেছে। আমি কুত্তার মতো দরজার সামনে দাঁড়ালাম।
খালা বলল, “এই জগটা নিয়ে কলেরপাড় থেকে পানি নিয়ে আয় তো।”
বিন্দুমাত্র দেরি না করে দৌড় দিয়ে এক জগ পানি নিয়ে এসে দিলাম। সবাই খাওয়ায় ব্যস্ত।
কর্তা, মানে আমার শ্রদ্ধেয় খালু, বলল, “কিরে, আজ কী দিয়ে খাইছিস দুপুরে?”
বললাম, “খাইনি এখনো। খামু একটু পরে, আব্বু আসলে।”
খালা বলল, “তোর মা কী দিয়ে রান্দিছে?”
বললাম, “ছোট মাছের চচ্চড়ি আর ডাল।”
খালা বলল, “সারাজীবন তোর মা এইডাই খাওয়ালো, আর কিছু চোখে পড়ে না? তোর পায়ে ময়লা অনেক। যা, বাড়িতে যেয়ে ধুয়ে নে।”
আমিও অভিমান নিয়ে বললাম, “হ, খালি এগুলাই খিলায় আমার মাও। আর কিছু চোখেত পড়ে না।”
ফিরে আসছিলাম, তখন খালা ডাক দিল আবার।
ঝড়ের গতিতে ফিরে তাকালাম।
বলল, “বিকেলে একবার আসিস, তোরে দিয়ে ডাব পারামু।”
“আচ্ছা,” বলে চলে গেলাম খেলার মাঠে।
সেদিন মাঠটাও অনেক দূর দূর মনে হচ্ছিল।
মা আজও জানে, সেদিন আমি খেয়েছিলাম তাদের ঘরে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫০
মায়াস্পর্শ বলেছেন: কুকুরের চেয়েও নিকৃষ্ট মানুষের কাহিনী। ভাল আছি জনাব। আপনি ভালো আছেন?
২|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ২:৫৭
মিরোরডডল বলেছেন:
লেখায় লাইক দিয়েছি সময় নিয়ে লেখা এবং শেয়ার করার জন্য।
কিন্তু লেখায় বর্ণিত ঘটনাটা অনেক কষ্টের!
ক্লাস ফাইভের একটা ছোট্ট বাচ্চার সাথে কি নির্মম আচরণ।
মন খারাপ করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট ![]()
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১২:৩৫
মায়াস্পর্শ বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক ।লেখার মান কেমন সেটা জানা প্রয়োজন। দয়া করে জানাবেন। ব্লগ অ্যাডমিন কে কোন এড্রেস এ মেইল করবো এটাও জানাবেন দয়া করে।
৩|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১২:৫৩
মিরোরডডল বলেছেন:
এখানে ইমেইল করবে, যদি এক্সসেস দেবার সময় হয়ে থাকে, তাহলে প্রথম পাতায় দিবে।
[email protected]
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৯
মায়াস্পর্শ বলেছেন: পাঠিয়েছি , দেখা যাক কি হয়।
৪|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:০১
মিরোরডডল বলেছেন:
লেখার মান জাজ করার মতো আমি কেউ নই।
যারা লেখালেখি করে তারা সেটা বলতে পারবে।
আমার পড়তে ভালো লাগে তাই আসি।
প্রথম এসেছিলাম নিক দেখে।
বাংলা প্রিয় শব্দগুলোর মধ্যে মায়া এবং স্পর্শ, দুটো প্রিয় শব্দকে এক করে যখন মায়াস্পর্শ দেখলাম ভালো লেগেছে, এই আর কি।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৭
মায়াস্পর্শ বলেছেন: গুরু , দুজনের দুজনকে দেওয়া দুটি নাম একত্র করে এই নাম দাঁড়িয়েছে। আপনি অতীব ভালো লিখেন। অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই।
৫|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১২:২৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কথায় আছে ঢেকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে !
......................................................................
পৃথীবির এক শ্রেণীর লোক আছে,
যাদের সারাজীবন কাজ করে দিলেও মায়ার উদ্রেক হয়না ।
তাদের বিশ্বাস , অন্যর তুলনায় তারা শ্রেয়
তাই তুমাদের কাজ করেই যেতে হবে ।
.......................................................................................................................
লিখতে থাকুন , লেখায় আরও সাবলীল হবে ।
আপনাকে সামুতে স্বাগতম !

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১২:৩৩
মায়াস্পর্শ বলেছেন: পৃথীবির এক শ্রেণীর লোক আছে,
যাদের সারাজীবন কাজ করে দিলেও মায়ার উদ্রেক হয়না।
চিরন্তন সত্য কথা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আমায় সাদরে গ্রহণ করার জন্য।
৬|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৫:৫১
গেঁয়ো ভূত বলেছেন: আমার কুত্তামি স্বভাব
এটা কি কারো জীবনের গল্প?
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:১৪
মায়াস্পর্শ বলেছেন: হ্যাঁ। ধন্যবাদ জানবেন।
৭|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৩:৩৮
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ব্লগে স্বাগতম। আপনার লিখা আজই ১ম পড়লাম। কবিতা দিয়ে শুরু তারপর এটা। মন ছুয়ে গেল। জীবন মানেই যন্ত্রনা। তা এখন নিশ্চয় ভাল আছেন। লিখতে থাকুন, ১ম পাতা অচিরেই দেখা পাবেন। +++
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৩:৪১
মায়াস্পর্শ বলেছেন: মন্তব্য করেছেন, এতে আমি প্রথম পাতার চেয়েও অনেক বেশি ভালোবাসা পেয়েছি। সাথে থাকবেন , সহায়তা করবেন ভালো লিখতে।
৮|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ সকাল ৯:১৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: এটা কি সম্ভব? এত পাষাণ হৃদয় খালা কি আছে পৃথিবীতে? আপন খালা? আপনার লিখার হাত ভালো,গদ্য লিখেন না কেন? বেশির ভাগই তো পদ্য।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৬
মায়াস্পর্শ বলেছেন: হয়তো এর চেয়েও করুন কিছু আমাদের চারপাশে ঘটছে।
ধন্যবাদ সময় নিয়ে পড়ার জন্য এবং মন্তব্য করার জন্য।
গদ্য লিখবো , সময় হয়ে উঠেনা। আপনাদের মন্তব্যে এবার একটু সাহস পাচ্ছি লিখার।
৯|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ সকাল ৯:৪০
খায়রুল আহসান বলেছেন: একটি মায়াহীন জীবনের গল্প স্পর্শ করে গেল। ভালো লিখেছেন।
খালারা সাধারণতঃ স্নেহশীলা হয়ে থাকেন। আপনার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমটি ঘটেছে।
তবে গল্পের শিরোনামটি আমার পছন্দ হয়নি। লেখকের নাম (নিক) টি যেমন কাব্যিক, শিরোনামটি তেমনই পাশবিক। সম্ভব হলে শিরোনামটি সম্পাদনা করে নেবেন।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:০১
মায়াস্পর্শ বলেছেন: নিরন্তর ভালোবাসা জানবেন। ধন্যবাদ নিক ভালো লাগার জন্য।
আপনার মন্তব্য আমার ভবিষ্যতের লেখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ভালো থাকবেন। আশা করছি এভাবেই সবসময় সহায়তা করে যাবেন।
১০|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ সকাল ১১:৩৭
পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: খুবই মর্মস্পর্শী লেখা। শৈশবে অবস্থাপন্ন আত্মীয় বাচ্চাদের সঙ্গে এমন আচরণ হামেশাই করে।ভাবে এরা বুঝি কিছুই মনে রাখবে না।পরে তারা আবার নিকট আত্মীয় সেজে ছোট বেলার অভাব দূরীকরণে কৃতিত্বের ভাগ দাবী করে। ভাবটা এমন ওদের দয়াদাক্ষিণ্য না পেলে না খেয়ে মারাই যেতো। পোস্টের বিষয়বস্তু যদি সত্যিই ঘটে থাকে তাহলে আমার নিজের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটেছিল।আমার নানার বাড়িতে। বাড়ির পাশেই ছিল মামার বাড়ি। আপনার মতো আমিও খুব লোভী ছিলাম।ওরা অবশ্য খাবার দিতো তবে সকলের এঁটো খাবার এক জায়গায় করে কুকুরকে না দিয়ে আমাকে দিতো। ছোট বেলায় আমার মামার বাড়ির উচ্ছিষ্ট যখন খেয়েছি তখন তাকে অস্বীকার করি কেমনে।
যাইহোক বাচ্চাদের এই লোভ অল্প বয়সে তাদের বাস্তববাদী করে তোলে।আমি অবশ্য আমার মামাদের শকুনি মামা বলে অদ্যবদি অতিরিক্ত সম্মান দিয়ে আসছি।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:১৪
মায়াস্পর্শ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ার জন্য এবং আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য। আমিও আপনার মতো প্রতিশোধ পরায়ণ হতে পারিনি। তবে তাদের অধঃপতন দেখছি এখন। কিন্তু তারা এখনো নির্লজ্যতার মধ্যে ডুবে আছে।
ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পড়ে। আশা করছি এভাবেই সাথে থেকে সহায়তা করে যাবেন।
১১|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:০৭
খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার প্রথম পোস্টটা পড়েও একটা মন্তব্য রেখে এসেছি। হয়তো নোটিফিকেশন পাবেন না, সে কথা ভেবেই এখানে জানিয়ে গেলাম।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:২৬
মায়াস্পর্শ বলেছেন: পেয়েছি।
প্রতিউত্তর করেছি। ধন্যবাদ এবং শ্রদ্ধা নিবেন।
১২|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:২২
শায়মা বলেছেন: সেই খালা বেঁচে থাকলে ফোন নাম্বারটা দিও ভাইয়া।
এত শয়তানীর মজা বুঝায় দিতাম তারে একটু। ![]()
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:২৯
মায়াস্পর্শ বলেছেন: এত শয়তানীর মজা বুঝায় দিতাম তারে একটু।
আপু,
পৃথিবীতেও মানুষ তার প্রাপ্য পেয়ে যায়। তিনিও এখন পাচ্ছে। আমি দেখছি , তবে প্রতিশোধ পরায়ণ হই নি।
ভালোবাসা নিবেন অনেক অনেক।
১৩|
০১ লা জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৪৬
খায়রুল আহসান বলেছেন: 'কুত্তামি' এর মত একটা অশ্রাব্য শব্দ কোন পোস্টের শিরোনামে থাকা উচিত নয়। আগেও বলেছি (৯ নং মন্তব্য), আবারও প্রতিবাদ করে গেলাম।
০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
মায়াস্পর্শ বলেছেন: দুঃখিত।
এবার পরিবর্তন করে নিয়েছি।
ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৫:৪০
বিজন রয় বলেছেন: এটা কি একটি কুকুরের আত্মকাহিনী?
তবে ব্যতিক্রম।
কেমন আছেন?