নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবন কেবলই ফুরিয়ে যায়।

মোঃ মাইদুল সরকার

একদিন জীবন শেষ হয়ে যাবে তবুও অনেক কিছু করার সাধ জাগে..............

মোঃ মাইদুল সরকার › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্লগ নিয়ে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন- ব্লগিং: বাংলাদেশে একসময়কার জনপ্রিয় ব্লগিং যেভাবে হারিয়ে গেল

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৫৩




ব্লগ নিয়ে কোন সুখরব নেই।
ব্লগ তথা সামু ব্লগ নিয়ে বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি নিম্নরূপ- ব্লগারদের অবগতির জন্য শেয়ার করা হলো।



বাংলাদেশে আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে লেখালেখির জন্য বেশি জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল কমিউনিটি ব্লগিং সাইটগুলো। এর মধ্যে কয়েকটি ওয়েবসাইট ভিউয়ার সংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে উঠে আসে। কিন্তু এক সময় যে ব্লগ নিয়ে এতো মাতামাতি ছিল সেটা আর এখন দেখা যায় না।

এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন বিভিন্নভাবে ব্লগিংকে বিতর্কিত করা, ব্লগারদের হত্যার ঘটনা, সেসব মামলার বিচারকাজ নিষ্পত্তি না হওয়া এবং স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের ওপর সরকারের নজরদারি, লেখালেখির এই মাধ্যমটিকে ঘিরে এক ধরণের আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে।

তার মধ্যে তথ্য প্রযুক্তিগত পরিবর্তনকেও আরেকটি বড় কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের কমিউনিটি ব্লগিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে এখন যারা সক্রিয় আছেন সেই সংখ্যাটি হাতে গোনা।

বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় ব্লগের যাত্রা শুরু হয় “সামহোয়্যার ইন ব্লগ” এর মাধ্যমে ২০০৫ সালে। এর নিবন্ধিত ব্লগারের সংখ্যা সাত বছরের মাথায় দেড় লাখের ছাড়িয়ে যায়।


এছাড়া সেখানে নিয়মিত লিখতেন অন্তত ১০ হাজার ব্লগার। আবার নির্বাচিত লেখক নিয়ে গড়ে ওঠা ব্লগ-সাইট সচলায়তনও ছিল আলোচনায়। ওই ব্লগগুলো নিছক শখের বশে গল্প, কবিতা, সাহিত্যের মতো লেখালেখিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না।

বরং এতে সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রসঙ্গ, ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পেত। তবে একসময়কার লেখালেখির তুমুল জনপ্রিয় এই মাধ্যম হঠাৎ করেই যেন হারিয়ে গেছে।


এর কারণ হিসেবে সচলায়তনের ব্লগার মি. নজরুল বলেন, “বাংলাদেশে ব্লগিংকে এক পর্যায়ে খুব নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হয়। একটি গোষ্ঠী ব্লগারদের নাস্তিক বলে সম্বোধন করতো। এরপর হুমকি ধমকির মুখে অনেক ব্লগার দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। এই সব কিছু মিলিয়ে ব্লগে কেউ আর তেমন লেখালেখি করতে চায় না।”

তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ লাভের সাথে সাথে শুধু বাংলাদেশ নয় বরং বিশ্বব্যাপী ব্লগিং এর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন।

তার মতে, ব্লগের জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে ফেসবুক এবং টুইটার। বাংলাদেশে ফেসবুক সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম হওয়ায় বেশিরভাগ লেখক ফেসবুকের স্ট্যাটাস না হলে নোটসেই লেখালেখি করছেন।

ব্লগের চাইতে ফেসবুকের বেশিরভাগ লেখার মান খারাপ হলেও এর মাধ্যমে দ্রুত হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে। পাঠকরাও সাথে সাথে ফেসবুকে তাদের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন।

তেমনি ব্লগের মতো নিবন্ধন, সম্পাদনার ঝক্কি ফেসবুকে না থাকাকেও এই ব্লগিং থেকে সরে আসার একটা বড় কারণ বলে মনে করছেন মি. স্বপন। তিনি বলেন, “মানুষ চায় যে তাদের লেখাটা বেশি মানুষের কাছে যাক। ফেসবুক সেক্ষেত্রে ব্লগের চাইতে অনেক গ্রহণযোগ্য মাধ্যম। বিদেশে এখন বেশ প্রেস্টিজিয়াস ব্লগে নামীদামী লেখকরা লেখেন। সাধারণ মানুষ যে ব্লগ করতো, সেটা আর নেই।”

তাছাড়া বাংলাদেশে ব্লগিং নিয়ে বিতর্কের মুখে বেশ কয়েকটি ব্লগ সাইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। সেই বাধার মুখে পড়ায় ব্লগ আর আগের রূপে ফিরে আসতে পারেনি বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশে ব্লগিং সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে আন্দোলন চলাকালীন।

সে সময় নির্দিষ্ট দলের পক্ষে বা বিপক্ষে লেখা হতো, আবার রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের উপায় নিয়েও লিখতেন কেউ কেউ।


এক কথায় সে সময় বাক স্বাধীনতা চর্চার প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও ব্লগকে বেছে নিয়েছিলেন লেখকরা। সেসময় আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত একজন ব্লগার নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

ইসলামী দলগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত কেউ কেউ ধর্ম নিয়ে বিভিন্ন ব্লগে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে।

ব্লগিং নিয়ে এমন বিতর্কের মুখে বেশ কয়েকজন ব্লগারকে হত্যা, পরবর্তীতে লেখালেখির ওপর সরকারের কঠোরতা আরোপ মত প্রকাশের এই জায়গাটিকে সংকুচিত করেছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক কাবেরী গায়েন।

তিনি বলেন, “একের পর এক ব্লগার হত্যার পর রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কঠোর কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। মামলার বিচার নিষ্পত্তি হয়নি।

এজন্য হুমকির মুখে ব্লগাররা দেশ ছেড়ে চলে যায়। তারপর সরকার ব্লগিংকে নজরদারিতে আনায় মানুষ যে স্বাধীনভাবে লিখবে সেই জায়গাটা আর থাকেনি।”

অনলাইনে বাংলা ভাষার চর্চাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এবং তরুণ প্রজন্মকে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস জানানোর লক্ষ্যে ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলা ভাষায় ব্লগের যাত্রা শুরু হয়।

এ ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়েই ২০০৯ সালের ১৯শে ডিসেম্বর থেকে প্রতি বছর ব্লগাররা এই দিনটিকে বাংলা ব্লগ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

সানজানা চৌধুরী
বিবিসি বাংলা, ঢাকা
১৯ ডিসেম্বর ২০২০

ছবি ও লেখা বিবিসি বাংলা থেকে নেয়া।


মন্তব্য ৪১ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৪১) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:



বিবিসি এটা বলেছে, ডয়েচে ভ্যালে সেটা বলেছে, এগুলো বাদ দিয়ে, ব্লগিং কমে যাওয়া নিয়ে যদি আপনার বক্তব্য থাকে, পর্যবেক্ষণ থাকে, সেটা বলেন।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
অবশ্যই এটা সবার জানা উচিৎ বা দরকার সামু নিয়ে বিশ্বমানের একটা সংবাদ মধ্যম কি বলছে, কি ধারণা পোষন করছে।

ব্লগাররাতো ব্লগিং করে চলেছেন। সামু নিয়ে আমরা অনেকেই যার যার মত করে বক্তব্য, পরামর্শ, কি করা যায় সামুকে আরও উন্নত করার জন্য সবই বলা হয়েছে।

ধন্যবাদ।

২| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৭

সোহানী বলেছেন: মেনি থ্যাংস লিখাটা শেয়ার করার জন্য।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৩| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৪

ইসিয়াক বলেছেন: ধন্যবাদ মাইদুল ভাই লেখাটা শেয়ার করার জন্য।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্যের জন্য।

৪| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পড়লাম । কিন্তু বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনেই শিরোনামটা "ব্লগিং: বাংলাদেশে একসময়কার জনপ্রিয় ব্লগিং যেভাবে হারিয়ে গেল" -এর সাথে একমত হলেতো প্রশ্ন উঠতে পারে ব্লগিং হারিয়ে গেলে আমরা কি করছি ? রহস্য রহস্য লাগছে ব্যাপারটা ।ব্ল্যাক হোলেটোলেতো ঢুকে পড়লামনাতো আবার যেখানে সময় থেমে আছে বা যার শুরু শেষ কিছু নেই ? তাই না হয়েও আমরা হারিয়ে গেলাম বিবিসির কাছে ! হাহাহা---। ব্লগ সংখ্যা/ ব্লগিঙের পরিমান হয়তো কমে গেছে কিন্তু তবুও চলছেতো একেবারেই হ্যারিয়েতো যায়নি ।তাই শিরোনামটা দেখে খটকা লাগলো খুব । আর পুরোনো ব্লগাররা যা বলেছে যে ফেসবুকের কারণে ব্লগিঙের চর্চা একটু কমে গেছে সেটাই হয়তো একটা বড় কারণ । আর আমার নিজের ধারণা গত পনেরো বছরে নানা কারণে (স্বাভাবিক কারণেই) যে ব্লগারের সংখ্যাটা কমে গেছে সেটা পূরণ করার মতো নতুন লেখক/ব্লগার জেনারেশন আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরী করতে পারেনি অনেক কারণেই আর আমাদের ক্ষমতাসীনরাও মনে হয় সেটা চায়নি তাদের স্বার্থেই। এই ব্লগাররা শাহবাগ আন্দোলন করে কি করেছিল সেটাতো সবার মনে থাকার কথা।এখনকার ইয়াংদের বড় অংশই ফেসবুকের চটকদার তিন থেকে পাঁচ লাইনের ছোট স্ট্যাটাস ধরণের লেখাতেই পটু । এদের দিয়ে ব্লগিং আসলে চলবে না । আমরা এদেরই তৈরী করছি । আমার মনে হয় এটাও ব্লগিংয়ের চর্চা কমে যাবার একটা বড় কারণ।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৩০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সুন্দর বলেছেন।

আসলে বিবিসি বলেছে অনেক ব্লগ হারিয়ে গেছে সেটা সত্যি। আর সামু ব্লগ চলছে স্লোভাবে।

ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টগ্রাম এর কারণে যদিও জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে। তবে ভুল ধারণা ও ভুল বুঝাবুঝি কারণে কমে গেছে ব্লগার সংখ্যা। ব্লগকে আর নতুন ফিচারে সমৃদ্ধ করা যুগের দাবী।

ফেসবুক ও ব্লগ কখনো এক নয় । ধন্যবাদ।

৫| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৩

নতুন বলেছেন: সময়ের সাথে ব্লগিং কমে যাচ্ছে এটা ঠিক। সোসাল মিডিয়ার মতন ঝকমকে ভাবটা কম ব্লগিং এ।

কিন্তু আমাদের দেশে কমার পেছনে দায়টা আমাদের সমাজে ছড়ানো গুজবগুলি।

ব্লগারা না্স্তিক, ব্লগারদের মেরে ফেলার জন্য টারগেট করেছে জঙ্গিরা।

আমাদের সবার উচিত নতুন ব্লগার তৌরি এবং ব্লগের ভালো দিকগুলি সবার সামনে তুলে ধরা।

নতুবা সামু ২০ বছর পূতি করতে পারবে কি না এই প্রশ্ন সামনে চলে আসবে। :(

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ব্লগ নিয়ে দিন দিন দৈন্যতার সৃষ্টি সত্যি ভাবনার বিষয়।

সুন্দর পয়েন্ট বলেছেন।

ব্লগিংকে ইতিবাচকভাবে সকলের সামনে পৌছানো দরকার।

ধন্যবাদ।

৬| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৭

মুরাদ বেগ বলেছেন: একসময় ১০ হাজার ব্লগার নিয়মিত লিখতেন আর এখন একটা নতুন পোস্টের জন্যে বার বার রিফ্রেশ মারি। ফেইসবুকের কারনে হয়তো ব্লগার কমে গেছে কিন্তু ফেইসবুকে দুলাইন লিখে হাজারখানেক লাইক পাওয়া আর ব্লগে এসে ব্লগিং করা এক নয়।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ধন্যবাদ
ভাবা যায় একসময় ১০ হাজার নিয়মিত ব্লগার ছিলেন আর এখন হাতে গোনা ৩০-৪০।

সেফবুকের সস্তা জনপ্রিয়তাও কাল হয়ে দাড়িয়েছে ব্লগের জন্য।

তবে ফেবু সেলিব্রেটরা ব্লগে এসে টিকতে পারবেনা।

৭| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: গত কিছুদিন সামুতে পাঠক ও লেখক কমে যাওয়ার কারণ কি। ফেসবুকে যেইরকম লেখা যায় টুইটার সেইরকম নয়।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
অনেক কারণ রয়েছে। ফেবু ও টুইটার এক নয়।

ফেবুর জন্য কোন বিশেষ জ্ঞানের প্রয়োজন হয়না। দুটি শব্দ লিখেও পোস্ট করা যায় আবার তা লাইক , কমেন্টে ভরে যায়।

ব্লগ হচ্ছে সৃজনশীল মাধ্যম। তাই সহজেই যে কেউ ব্লগে স্থান করে নিতে পারেনা।

যাই হোক সামু যেন না হারায়।

ধন্যবাদ।

৮| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: ব্লগ আবার খুব শ্রীঘই জমজমাট হবে।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:০২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সেটাই হোক। জমুক। প্রাণবন্ত হোক। আমরা মজি ব্লগের প্রেমে।

ধন্যবাদ।

৯| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২৪

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ব্লগে পরমত অসহিঞ্চুতার একটা সুপ্তধারা বিদ্যমান আছে। নিজের পছন্দ না হলেই নানাভাবে অপদস্থ করার ধকল নিতে না পেরে অনেক ব্লগারই আর এখানে লম্বাজীবন রাখতে পারেন না। বিবিধ কারণের সাথে এটাও ব্লগার কমে যাওয়ার একটা কারণ।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:

রাইট। কিছু ব্লগার আছেন অপরকে জব্দ করথে আদা জল খেয়ে নামেন। যাদের ধৈর্য শক্তি কম তারা চলে যান।

আবার ফ্লাডিং েএর মতো ঘটানাও ঘটে। আর অভিমানতো আছেই। তার উপর সবসময় সহজে ব্লগে লগইন করা যায়না।

সব মিলিয়ে ব্লগ হয়ে যাচ্ছে শূণ্য নীড়।

ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ।

১০| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫২

নতুন নকিব বলেছেন:



অনেক অনেক ধন্যবাদ, লেখাটা শেয়ার করায়।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

১১| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১০

খায়রুল আহসান বলেছেন: বিবিসি যাই বলুক, ফেইসবুক কখনো ব্লগিং এর বিকল্প হতে পারবে না। এখন হয়তো সাময়িক জোয়ার চলছে, তবে ফেইসবুকেও একদিন ভাটার টান পড়বে।
সামু অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবার কোন সম্ভাবনা দেখছি না। ট্রাফিক মাঝে মাঝে স্লো হয়ে যেতে পারে, পরিবেশ অনুকূল হলে তা আবার ফাস্ট হতে সময় লাগবে না। তবে সুবর্ণ সময়ে সামু যতটা ফাস্ট ছিল, সে পর্যায়ে পুনরায় ফিরে যাওয়া হয়তো কোনদিন আর সম্ভব নাও হতে পারে।
আশঙ্কার কথা, নতুনতর প্রজন্ম দিনে দিনে লেখাবিমুখ হচ্ছে। বড় বড় রচনা তো দূরের কথা, দুই একটি প্যারাগ্রাফ লিখতেও তাদের বড় অনীহা। abridged version এ ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে তারা তৃপ্তি পায় এবং একইভাবে চ্যাট করতেও স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।

বিবিসি'র প্রতিবেদনটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৫৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সহমত। ব্লগের বিকল্প অন্য কোন কিছু হতে পারেনা।

আশঙ্কার কথা, নতুনতর প্রজন্ম দিনে দিনে লেখাবিমুখ হচ্ছে। বড় বড় রচনা তো দূরের কথা, দুই একটি প্যারাগ্রাফ লিখতেও তাদের বড় অনীহা। abridged version এ ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে তারা তৃপ্তি পায় এবং একইভাবে চ্যাট করতেও স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। হ্যা ফেবুতে এভাবে লিখে লেখক হওয়া যায় না।

তাই সৃজনশীলদের জন্য ব্লগিং অন্যতম হাতিয়ার । ধন্যবাদ।

১২| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মনির হোসেন মমি বলেছেন: লেখাটি পড়ে খুব ভাললাগল।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৫৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সাথে থাকর জন্য ধন্যবাদ ভাই।

১৩| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

জুন বলেছেন: যে যাই বলে বলুক, ব্লগকে আমি সবচেয়ে ভালোবাসি। ফেসবুক, বা আর কিছু ব্লগের বিকল্প হতে পারে না বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৫৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সহমত। ব্লগকে ব্লগের জায়গায় থাকতে দিন। অন্য কিছুর সাথে মিলিয়ে লাভ নেই।

ব্লগাররা ব্লগিং ভালবাসে।

১৪| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মানুষকে ইনসাল্ট বা অপমান, হেয়, অবজ্ঞা না করে কীভাবে গঠনমূলক কমেন্ট করা বা পরামর্শ দেয়া যায়, আমাদের সেই শিক্ষার খুব অভাব। অপদস্ত বা বিব্রত হওয়া থেকে বাঁচার জন্যও অনেকে ব্লগ ছেড়ে চলে যায়, বা দূরে/আড়ালে থাকে। ব্লগ অথোরিটির উচিত, এসব অমার্জিত ও রুচিবিবর্জিত ব্লগারদের আইডেন্টিফাই করা এবং ব্লগ ও ব্লগারদের স্বার্থে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করা। তারা ব্লগের পরিবেশ নোংরা করেন।

ফেইসবুক যেভাবে জনে জনে পৌঁছে গেছে, তার আবেদন কমার কোনো সুযোগ দেখছি না। কিংবা, ফেইসবুকের প্রসার কমে গেলেও ইউটিউব, টিকটক, ইত্যাদি আরো নানান মিডিয়া আছে, সেগুলো অন্যদিক দিয়ে জেগে উঠবে।

তবে, লেখালেখি যাদের নেশা, একটা যুঁৎসই প্লাটফর্মের খোঁজে তারা অবশ্যই ব্লগে ফিরে আসবেন। আমি আরো কয়েকটা ব্লগে ঢুঁ মারি মাঝেমধ্যে, তবে, এই ব্লগটা এখনো সেগুলোর চাইতে অনেক অনেক গুণ সরগরম। পারস্পরিক সৌহার্দ, সম্প্রীতি, পরমতসহিষ্ণুতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা এ ব্লগকে আরো বেগবান, জ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধিচর্চার অনুপম ক্ষেত্র হিসাবে গড়ে তুলতে পারি। সেজন্য আমাদেরকে আরেকটু আন্তরিক হতে হবে, কমেন্টে ব্যক্তি-আক্রমণ ও অপমানসূচক কন্টেন্ট পরিহার করতে হবে। এসব নিজের কোনো ভালো পরিচয় প্রকাশ করে না।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:০৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: মানুষকে ইনসাল্ট বা অপমান, হেয়, অবজ্ঞা না করে কীভাবে গঠনমূলক কমেন্ট করা বা পরামর্শ দেয়া যায়, আমাদের সেই শিক্ষার খুব অভাব। যথার্থ বলেছেন। ইদানিং এই অভাবটা আরো বেশি প্রকট হয়েছে।

ব্লগে যারা নোংরা পরিবেশ সৃষ্টি করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে দ্রুত। যারা ব্লগিং এ মজা পান তাদের কাছে ফেসবুক পানসে।

আমাদের এই ভালবাসাই ব্লগকে টিকিয়ে রাখবে। ভাল থাকুন।

সুন্দর মন্তব্যে ধন্যবাদ।

১৫| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১২

জাহিদ হাসান বলেছেন: আমি ব্লগ ছেড়েছি চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরের দিকে। বলতে গেলে চিরতরে অবসর নিয়েছি।

সামান্য কিছু কারণে আমাকে ব্লগে সেফ থেকে জেনারেল করে রাখা হয়েছে। এটা যেমন একটা কারণ ছিল, তেমনি পুরনো পরিচয় ছেড়ে নতুন পরিচয়ে বাঁচার ইচ্ছাও ছিলো। ব্লগে আমি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলাম। ব্লগ থেকে অবসর নিয়ে এখনও মাঝে-মাঝে সেদিনগুলোর কথা মনে করি।মাঝে মাঝে ব্লগে পাঠক হিসেবে আসি, কারণ চাঁদগাজীর লেখা রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ভালো লাগে। পাঠক হিসেবেই মন্তব্য করি, ব্লগার হিসেবে নয়।

ফেসবুকে এখন ভিন্ন স্বাদের কবিতা লিখছি। যারা চান তারা আমার ফেসবুক আইডি ফলো করতে পারেন- এখানে ক্লিক করে

[link||view this link]
ফেসবুকে আমার পোস্ট করা সাম্প্রতিক কবিতা-

ভিভা লা মেক্সিকো,আমার অপেক্ষায় থেকো,একদিন আসবোই।
হাজারও সমস্যা সরিয়ে দিয়ে,নিন্দুকের হাসিকে অবজ্ঞা করে।
তোমাকে আমি ভালোবাসবোই।

ভিভা লা মেক্সিকো,অপেক্ষায় থেকো, রৌদ্রস্নাত সমুদ্রতটে-
অচেনা রমনীর সাথে বিজয়ীর হাসি হেসে ভাগ করে নেবো টাকিলা !
ভিভা লা মেক্সিকো, ভিভা লা -
-----------------------------------------------------------------------

এর বাইরে ইউটিউবে ভিডিও ব্লগ বানানোর ইচ্ছাও আছে। যেহেতু আমার দেশ-বিদেশে ভ্রমণের তীব্র ইচ্ছা আছে, আর সে লক্ষ্যে প্রস্তুতিও নিচ্ছি। ধন্যবাদ।

-জাহিদ হাসান শিশির

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:০৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনি ব্লগ থেকে চলে গেছেন দুঃখজনক।

আবার ফিরবেন সেই আশা রাখি।

আপনার নতুন ধারার কবিতা ভাল লাগলো।

আপনার আইডিতে ঢু মেরে দেখে নিব আপনার লিখা।

এর বাইরে ইউটিউবে ভিডিও ব্লগ বানানোর ইচ্ছাও আছে। যেহেতু আমার দেশ-বিদেশে ভ্রমণের তীব্র ইচ্ছা আছে, আর সে লক্ষ্যে প্রস্তুতিও নিচ্ছি। হ্যা আপনি সফল হোন। আর মাঝে মাঝে কমেন্ট করবেন।

পুরোনোদের দেখলেই ভাল লাগে। ধন্যবাদ।

১৬| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন:
সেটাই হোক। জমুক। প্রাণবন্ত হোক। আমরা মজি ব্লগের প্রেমে।
ধন্যবাদ।

ব্লগে পোষ্ট কম আসছে এর কারন হলো- করোনা।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সবকিছু একদিন স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

১৭| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৮

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: Survival is for the fittest...

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। ব্লগ টিকে থাকবে ব্লগারদের ভালবাসায়।

ধন্যবাদ।

১৮| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৪৩

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ব্লগের আবেদন শেষ হওয়ার না, এখনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্লগের ব্যাপারটি ছড়ায়নি। তাদের সাথে ব্লগের পরিচয় করিয়ে দিলে অনেক ব্লগার বৃদ্ধি পাবে।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ব্লগ সম্পর্কে এখন শিক্ষিত মানুষই অন্ধকারে রয়েছে। অনেকের সাথে কথা বলে েএ ব্যাপারটা জেনেছি।

গের আবেদন শেষ হওয়ার না, এখনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্লগের ব্যাপারটি ছড়ায়নি। তাদের সাথে ব্লগের পরিচয় করিয়ে দিলে অনেক ব্লগার বৃদ্ধি পাবে। সহমত।

ব্লগকে পজেটিভভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে।
ধন্যবাদ।

১৯| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১৯

ইলুসন বলেছেন: আরো অনেক কারণ আছে। ব্লগারদের মধ্যে একটা শ্রেণী গড়ে উঠেছিল যারা নিজেদের খুব এলিট মনে করত। তারা নতুন ব্লগারদের সাথে খুব একটা ইন্টারেকশনে যেত না। পুরোনো কিছু ব্লগার নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন দলাদলি শুরু করেছিল। ব্লগে বিভিন্ন গ্রুপ ছিল, এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের ভাল পোস্টেও কমেন্ট করত না, মাইনাস রিভিউ দিত, জোর করে ছাগু প্রমাণ করার চেষ্টা করত। ব্লগে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল না, কারো কারো আচরণ ছিল এমন যে, হয় তুমি আমাদের সাথে আছ, নাহলে তুমি আমাদের বিরুদ্ধে, এর বিপরীতে কিছু থাকতে পারে না! এসবের মাঝে ফেসবুকের মত বড় প্লাটফর্ম সাবস্ক্রিপশন/ ফলোয়ার সিস্টেম চালু করল। আর যায় কোথায়! বেশিরভাগ মানুষই বুঝল ব্লগে লেখালিখি করার থেকে ফেসবুকে লিখলে তারা আরো বেশি মানুষের কাছে পৌছাতে পারছে, সুতরাং ব্লগে লিখার খুব একটা প্রয়োজন তাদের নেই!

২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দারুন সঠনমূলক মন্তব্য করেছেন।

যারা ফেসবুকে লিখছে তারা ব্লগে েএসে দেখবে তাদের লেখালেখির দৌড় কতটুকু।

আর যারা ব্লগ থেকে ফেসু যায় তারা ফেবু ও ব্লগে দুটিতোই একটিভ থাকে। বরং ব্লগই তাদের লেখার শেষ্ঠ স্থান।

দলাদলিসহ বিভিন্ন কারনে বর্তমানে ব্লগে ভাটা পড়লেও আবার তা চাঙ্গা হবে।

ধন্যবাদ।

২০| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৩

কল্পদ্রুম বলেছেন: আরো নতুন ফিচারসহ সামহোয়্যারইন ব্লগের একটা সুন্দর এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন তৈরি করতে পারলে অনেক নতুন লেখক আসতেন বলে আমার মনে হয়।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সামুর এ্যাপের প্রাথামিক কাজ শেষ হয়েছে এমন একটা পোস্ট পড়েছিলাম। তারপর কি হল আর জানিনা।

সুন্দর উপায় বাতলেছেন। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.