| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোঃ মাইদুল সরকার
একদিন জীবন শেষ হয়ে যাবে তবুও অনেক কিছু করার সাধ জাগে..............
গত ৩০ জানুয়ারি Epstein Files এর ৩ মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২,০০০ অধিক ভিডিও এবং ১৮০,০০০টি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সব কুকর্ম ফাঁস করা হয়েছে!
যারা মানবতা, সভ্যতা, নারী অধিকার শেখায় তারাই পর্দার আড়ালে বর্বর, ঘৃণ্য, নিকৃষ্ট কাজকর্ম করে এসেছে, নারী শিশুদের দ্বীপে নিয়ে বিকৃত যৌন নিপীড়নে মেতে ওঠত!
আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না! পশ্চিমা কিছু মানুষ কতটা হিংস্র!
২১ বছর বয়সী মডেল গ্যা*ব্রিয়েলা রিকো হিমেনেজ একটি “এলিট” পার্টিতে অংশ নেওয়ার পর ২০০৯ সালের একটি ভিডিওতে চি*ৎকার করে বলেছিলেন:
“তারা মা*নুষ খে*য়েছে”।
এরপর থেকেই জনসমক্ষে আর কখনও দেখা যাননি এবং কার্যত নিখোঁজ হয়ে যান তিনি!
তার এই বক্তব্য এ'পস্টাইন ফাইলের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে, এবং ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে!
ফ্লোরিডার সমুদ্র সৈকতে অবস্থিত রাজকীয় মারালাগো ক্লাবে আয়োজিত হত "ক্যালেন্ডার গার্ল" নামক এক অদ্ভুত ইভেন্ট। সেখানে জেফ্রি অ্যাপস্টেইন নামক একলোক মেয়ে শিশু সরবরাহ করত। ডোনাল্ড ট্রাম্প ভরা মজলিসে সেসব শিশুদেরকে নিলামে তুলত, Can U Imagine...!
পরের লাইনের অনুবাদ করার সাহস হল না। ভাষা আসছে না। না, পারব না। "He measured the children's vulva and vaginas by entering a finger and rated the children on tightness" —এই লাইনের অনুবাদ এলিট নেডিবাদীরা করে নিক, তারা শিক্ষিত ইংরেজি ভালো বুঝে!
সেই যৌনতার নিলামে উপস্থিত থাকত ইলন মাস্ক, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইনভানকা ট্রাম্প, এরিক ট্রাম্প সহ এলিট ক্লাস সেলিব্রিটি নায়ক, গায়ক, খেলোয়াড় অনেকেই...!
নিলাম শেষে প্রত্যেকের রুমে তাদের কাঙ্ক্ষিত মেয়ে শিশুকে পাঠিয়ে দেওয়া হত! তারপর তারা পাশবিক নির্যাতনে মেতে উঠত। ট্রাম্পের ছেলে তখন যাকে ভোগ করেছিল সেই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩।
আর এই জানোয়াররাই নারী অধিকার নিয়ে কথা বলে। এরাই নাকি নারীদের জন্য নিরাপদ বিশ্ব তৈরি করছে! কতটা হিপোক্রেট, হিংস্র এই জানোয়ার গুলো...!
আমরা এক অন্ধকার জগতে আছি, যেটার ভেতর'টা নিগূঢ় বিদঘুটে, বাহির টা চাকচিক্য!
সেখানে নাম আছে সাড়া দুনিয়ায় যারা পরিচিতি নায়ক, মডেল, বিজ্ঞানী, শাসক, রাজনীতিক.......................
ভাবা যায় মানুষের বাচ্চার লেগপিস, জীবন্ত বাচ্চাকে ছুরি দিয়ে ফড়ে কেটে তার পেটের অন্ত্র বেড় করে মল খাওয়া, ৩-৯ বছরের বাচ্চা মেয়েদের ধর্ষণ করে তাকে গর্ভবতী করে সেই ভ্রুন বের করে স্যুপ করে খাওয়া......... বাচ্চা মেয়েগুলোকে কাবাব বানিয়ে খাওয়া কল্পনাকে হার মানায় । এরাই আবার মানবতার দাবীদার, সভ্যতা শিখায়। সেই নির্জন দ্বীপের প্রাসাদটি দেখতে রাজকীয় হলেও ভেতরে ছিল জাহান্নাম। না জাতি কত নিষ্পাপ শিশু বলী হলো ওদের চাহিদার কাছে।
পৃথিবীতে বর্তমান সভ্যতায় এতন কালিমা লেপন মানুষ হিসেবে মেনে দিতে কষ্ট হচ্ছে ? আমি চাই এইসব মিথ্যা প্রমানিত হোক তবে বিবেক শান্ত হবে।
লেখার প্রথম অংশ সংগৃহীত।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ভাবনারও অতীত, মানুষ কিভাবে করে এসব জঘন্য কাজ। পৃথিবীতেই ওরা এর শাস্তি পাবে, আর মরার পরও আছেই।
২|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩
হুমায়রা হারুন বলেছেন: satanic ritual
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১৫
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ওদের কাছে শয়তানও হার মানবে।
৩|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৯
নতুন নকিব বলেছেন:
ছি! ছি! এরা মানবতার কলঙ্ক! এইসব অসভ্য নরাধমদের নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। যৌনতা সর্বস্ব এসব লম্পটদের চরিত্র বলতে কিছু নেই। মানুষরূপী স্রেফ জানোয়ার ছাড়া এমন জঘন্য কাজ কারও পক্ষেই করা সম্ভব নয়।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১৫
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। এদের জন্য দুনিয়াটা জাহান্নামে পরিণত হয়।
৪|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭
জাহিদ অনিক বলেছেন: গত ২০–৩০ বছর আগের বহু গোপন ফাইল হঠাৎ করে এখন প্রকাশ পাচ্ছে কেন?
এটা কি নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পেছনে কোনো বড় রাজনৈতিক বা কাঠামোগত কারণ আছে?
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে—
এই ফাইলগুলো কি এতদিন “sealed” বা চাপা ছিল ক্ষমতাবানদের স্বার্থে?
নাকি সময়ের সাথে সাথে আইনি বাধ্যবাধকতা, বিচারকের আদেশ, বা ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য সামনে আসায় এগুলো প্রকাশ করা ছাড়া আর উপায় ছিল না?
অনেকে আবার বিষয়টাকে ধর্ম বা জাতিগত ষড়যন্ত্রের দিক দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চান—
যেমন জেফরি এপস্টেইনের ঘটনা বা ইহুদি কমিউনিটিকে কেন্দ্র করে। কিন্তু বাস্তবে এই ধরনের অপরাধ কোনো জাতি বা ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করে না। এখানে মূল প্রশ্নটা ধর্ম নয়, ক্ষমতা, এলিট নেটওয়ার্ক এবং জবাবদিহির অভাব।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সময় নির্বাচন।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ব একটি গ্লোবাল ক্যাশ ফ্লো ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ঋণ, মুদ্রাস্ফীতি, ব্যাংকিং ঝুঁকি, রাজনৈতিক অস্থিরতা—সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে।
এই প্রেক্ষাপটে পুরনো অপরাধের ফাইল প্রকাশ হওয়া কি একেবারেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা?
নাকি এটি জনমতের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানোর, “এলিটদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে” এমন একটি ন্যারেটিভ তৈরির কৌশল?
হতে পারে, এটি কোনো একক ষড়যন্ত্র নয়।
বরং ক্ষমতার ভেতরের পুনর্বিন্যাস—
যেখানে কিছু পুরনো, অপ্রয়োজনীয় বা দুর্বল হয়ে পড়া এলিটকে সামনে এনে বলা হচ্ছে:
“আর কেউ untouchable নও।”
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সহজ না।
কিন্তু চোখ বন্ধ করে গুজবে বিশ্বাস করাও সমাধান নয়।
সমালোচনামূলক চিন্তা, তথ্যভিত্তিক আলোচনা আর ইতিহাসের ধারাবাহিকতা বোঝাই এখানে সবচেয়ে জরুরি।
আপনার কী মনে হয়?
এটা কি ন্যায়বিচারের পথে অগ্রগতি,
নাকি ক্ষমতার খেলায় পুরনো পাপকে নতুন করে ব্যবহার করার কৌশল?
— আলোচনা চলুক।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫২
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: সময়ের সাথে সাথে আইনি বাধ্যবাধকতা, বিচারকের আদেশ, বা ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য সামনে আসায় এগুলো প্রকাশ করা ছাড়া আর উপায় ছিল না? হ্যা এই ব্যাপারটাতো আছেই। আর কারাবন্দী অবস্থায় এপস্টেইনকে মেরে ফেলা হয়েছে যাতে করে শক্ত স্বাক্ষ্য, প্রমাণ না থাকে।
এখন এসব প্রকাশ করে হয়তো নিজেরাও শুদ্ধ হতে চাচ্ছে, কিংবা দেখানো হচ্ছে ট্রাম্প/আমেররিকা চাইলে সবই করতে পারে।
না আমি বিশ্বাস করি এটা ধর্মীয় বিচ্ছিন্ন ব্যাপার নয়। বরং নীতি নৈতিকতা না থাকলে মানুষ কোথায় নেমে যেতে পারে, কি ধরনের পশুত্ব দেখাতে পারে তার দলিল।
বাহিরে মানুষ যে মুখোশ পড়ে থাকে সেটাই তার আসল চেহারা নয়।
৫|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭
অপ্সরা বলেছেন: কি ভয়ংকর!!! ![]()
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
চিন্তারও অতীত।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অবিশ্বাসী কাহিনী হলেও সত্য। আতকে উঠার মত বিষয়। এত জঘন্য এরা ছি ছি। এত হিঙস্র