নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

https://www.facebook.com/mekailimroz

মিকাইল ইমরোজ

মিকাইলীয় উপপাদ্য – অংকে আমি ভয়ংকর কাঁচা থাকা সত্তেও দু’একটা উপপাদ্য মস্তিষ্কে ঢুকে যেত, এখন ঢোকে জীবনের আর্তি। তা যখন প্রকাশিত হয়, তা হয়ে উঠে আমার, একান্ত মিকাইলীয় উপপাদ্য।

মিকাইল ইমরোজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শঙ্খচিল: ভারতীয় চোখে বাংলাদেশ দর্শন।

০২ রা মে, ২০১৬ রাত ১১:৫২



শঙ্খচিলের সবটা জুড়ে বাংলা, বাঙ্গালী আর বাংলাদেশ। কিন্তু যে চোখে দেখেছি সে চোখটা আপন মনে হয়নি। যেন অন্য জেলার কেউ আমার এক পড়াশির গল্প বলছে আমার কাছে। যে পড়শির বিষয়ে গল্পকথকের চেয়ে আমি ঢের জানি। বাংলাদেশের মানুষ ও তাদের হাসি কান্না কেমন তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছে সীমান্তের ওপার থেকে ভিনদেশী স্বজাতীরা আমাদের নিয়ে কিভাবে ভাবে, কতটা ভাবে, আমাদের ভাবাবেগ গুলো কতখানি মিলে যায় তাদের সাথে। ছবিটি চেতনা, আদর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গির দিক দিয়ে সম্পূর্ন ভারতীয়, যৌথ নয়। ছবির বিষয় বস্তু আমরা কিন্তু ছবিটা আমাদের নয়, অন্যরা আমাদের নিয়ে কিভাবে ভাবছে এটা টার প্রতিচ্ছবি।

হালকা মাথাব্যাথার পর কেউ যখন মরনব্যাধিতে ভোগে, সে অনায়াসে ভুলে যায় তার আগেকার মাথাব্যাথা। দেশভাগটা আমাদের কাছে মাথাব্যাথা আর মুক্তিযুদ্ধ হলো মরনব্যাধি। দেশভাগ আমাদের ভাবায় না, আমাদের চিন্তা অত দুরে যায় না। আমরা এখনো ধুকছি নানা ব্যাধিতে। ব্যাধিগ্রস্থরা অতীত দুঃখ নিয়ে ভাবার সময় পায় না। তাই শঙ্খচিল আমাদের চেতানার কাছে পৌছেনি।

বাঙালী ভাঙতে ভালোবাসে, শহীদমিনার থেকে মন্দিরের অথর্ব মুতি। সবকিছু ভেঙে বাঙালী পুলকিত বোধ করে। সেই ভাঙ্গাভাঙ্গীর অংশবিশেষ বাঙালী বাংলাদেশ ভেঙ্গেছিল। এরা স্বভাষী মানুষদের সাথে ভাঙ্গাভাঙ্গী করে মরুবাসি চাদতারা মার্কা শুকরদের সাথে পিরিত করে, সহবত করে, বাচ্চা উৎপাদন করে। বাঙালীর আরেক অংশ বাংলার চেয়ে হিন্দি বলতে গাধার মত স্বাছন্দ ও গর্বিত বোধ করে, স্বভাষীদের কাঙলাদেশী মনে করে আর আগ্রসনবাদী স্বদেশী বেজাতীদের পদলোহন করে। আপমর বাঙালী বাহিরে বাহিরে দেশভাগের দুঃখের কথা বললেও এরা জানে দেশভাগ তাদের সুখ দিয়েছে। দেশ যদি ভাগ না হতো হুজুগে বাঙালী দাঙ্গার পর দাঙ্গা বাধিয়ে নিজেদের নিঃশেষ করে ফেলতো। বাঙালীর যে আবেগ ছবিতে ধরা হয়েছে তা কৃত্রিম, দেশভাগ নিয়ে বাঙালীর চিন্তা ভিন্ন।

দেশভাগের পর অনেক জল গড়িয়েছে, দুই বাংলার মানুষের মধ্য সাংস্কৃতিক ও মানসিক ব্যাবধান বেড়ে গেছে মারাত্মকভাবে। সংলাপ রচয়িতা এই ব্যাবধানটা অগ্রাহ্য করে চলচ্চিত্রের শিল্প মানের প্রতি অবিচার করেছেন, যা শুধু মাত্র সদেচ্ছা থাকলে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল। বাংলাদেশের চরিত্রগুলো কথা বলেছে কলকাতার শহুরে ভাষায়, যা চিন্তারও অতীত। অজোপাড়াগায় একুরিয়মের শখ বড্ড বাড়াবাড়ি। রুপসা যে কতখানি স্বাধীনচেতা তার প্রতিকি রুপে একুরিয়ামের মাছ গুলোকে নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একুরিয়াম বিষয়টা যোগ করা হয়েছে শুধুমাত্র এই কারনে কিন্তু অন্য কোন স্থানীয় উপাদান দিয়ে কি রুপসার প্রতিকি রুপটা তুলে ধরা যেত না? আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কলকাতায় ভাষা দিবস বলা হয় যা আমরা ভুল করেও কখনো বলিনা। কিন্তু বাংলাদেশের বাদল মাষ্টার অবলিলায় বলে গেল ভাষা দিবস। বাদল মাষ্টার অসুস্থ মেয়েকে দেশে চিকিৎসা না করিয়ে অবৈধ ভাবে সীমান্ত পার হওয়ার পিছনে যে কারন দেখানো হয়ে তা পরিপুষ্ট ছিল না যদিও সেখানে সয়ংসম্পুর্নভাবে পরিপুষ্ট করার মত উপাদান ছিলো। তবে ছবিটিতে বর্তমান ভারত নিয়ে বাংলাদেশের হিন্দু ও মুসলমানের দৃষ্টিভঙ্গি অনন্যরুপে ফুটি উঠেছে। বাংলাদেশের মুসলমানরা ধর্মীয় কারনে ভারতকে ঘ্রিনা করে এবং হিন্দুদের ভারতে চলে যাওয়া উচিত বলে মনে করে। ছবিটির শেষ দিকে স্কুলের হিন্দু হেড মাস্টার কে একজন বলে ” যাওনা কেন ভারত চলে”। এই কথাটি অধিকাংশ বাঙালী মুসলমানের কথা যা আমাদের জন্য বিব্রতকর সত্য। তারচেয়ে বিব্রতকর ছবির শুরুর অংশটি, ঠিক যেন কোন আনাড়ী নির্দেশকের ডকুমেন্টরির প্রাবম্ভ।

ছবিটি বাংলাদেশ ভারত যৈথ প্রযোজনার, চিন্তার ক্ষেত্রে ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গির আধিপত্য থাকেলে সার্বিক বিবেচনায় ও এই যৈথ প্রতারনার সম্রাজ্যকালে এটা সহিহ যৈথ প্রযোজনার উদাহরণ হতে পারে। বলা বাহুল্য ক্যামেরার পেছনে অধিকাংশ কারিগরগন ছিলেন ভারতীয়।

সবার অভিনয় ভালো লেগেছে। কাহিনী সাজানো গোছানো শতভাগ পরিকল্পিত, কোথাও অপেশাদারিত্বে কোন ছোয়া নেই। গল্পের মোড়গুলো শক্ত ও কাহিনী প্রবাহ আড়ষ্ট হয়ে বসে থাকার মত। চিত্রনাট্যকে ভালই বলতে চাই তবে গল্পটা বাংলাদেশকে ঘিরে কথাটা মাথায় থাকলে আরো ভালো হতো। চিত্রধারনে শতভাগ শিল্পের ছোয়া আছে, অনেক খানি সংযত। যে গানগুলো ব্যবহার করা হয়েছে তার মধ্য আবার আসিব ফিরে ব্যাতিত কোন গানের দরকার ছিল না, হয়তবা ব্যাবসার কথা চিন্তা করে গানগুলো রাখা হয়েছে, তবে উপমহাদেশীয় অন্য ছবির মত এই ছবির গানগুলো কাহিনী প্রবাহে বাধা দেয়নি যা ইতিবাচক। ছবিটির কারিগরি দিকে অসামঞ্জস্য নেই বললেও চলে তাই বিশদ বর্ননা অপ্রয়জনীয়।

আমার রেটিং- ০৭/১০
ছবির নাম: শঙ্খচিল
পরিচালক: গৌতম ঘোষ
দেশ: বাংলাদেশ, ভারত
ভাষা: বাংলা
শ্রেষ্টাংশে: প্রসেনজিত, কুসুম সিকদার, সাজবাতি।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা মে, ২০১৬ রাত ২:৪৫

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: পোস্ট পড়ে ছবিটি দেখার ইচ্ছে রইল।

০৪ ঠা মে, ২০১৬ দুপুর ১:১৫

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: আশা করি দেখবেন।

২| ০৩ রা মে, ২০১৬ সকাল ৮:০৫

রাইসুল ইসলাম রাণা বলেছেন: এখনো দেখিনি,দেখার আগ্রহটা বেড়ে গেল।

০৪ ঠা মে, ২০১৬ দুপুর ১:১৬

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: আশা করি দেখবেন।

৩| ০৩ রা মে, ২০১৬ সকাল ৯:০৩

Zakir Hossain বলেছেন: গু ভালই হল।

০৩ রা মে, ২০১৬ বিকাল ৪:০২

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: এর মানে কি?

৪| ০৩ রা মে, ২০১৬ বিকাল ৪:০৪

বাড়িতারবাংলা বলেছেন: যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত মানে এই নয় ভাবনাটাও যৌথ। গৌতম ঘোষ অদ্যপান্ত কলকাতাবাসী তার পক্ষে বাংলাদেশীদের ভাষাই হোক বা ভাবনাই হোক পুরো রপ্ত করা মুস্কিল। এটা হতে পারত যদি বাংলাদেশের তরফ থেকে কেউ থাকত সাংস্কৃতিক ইনপুট দেওয়ার জন্য। যেমন সিটি অফ জয়ের সুটিং এর সময় সুনীল গঙ্গ্যোপাধ্যায় ছিলেন। দেশভাগ বাংলাদেশীদের কাছে অত কষ্টদায়ক নয় যতটা ভারতীয়দের কাছে। আয়তনে বড় বাংলাদেশে গেছিলেন ৬ লক্ষ মানুষ আর ছোট পশ্চিমবঙ্গ-এ গেছিলেন ২০ লক্ষ মানুষ। স্বভাবতই জীবিকা ও বাসস্থানের চাপ বেশ ভালোমতোই ভোগ করতে হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে। তাছাড়া মুসলমানরা নিজেদের দেশ পেয়েছিল কিন্তু হিন্দুরা ভারতে আগে যেমন ছিল তার থেকেও দুরবস্থায় পড়েছিল তাই পশ্চিমবঙ্গের উদ্বাস্তুদের যন্ত্রণাটা বেশী। তবে এটাও সত্যি যে মুক্তিযুদ্ধ দেশভাগের স্মৃতিকে ম্লান করে দিয়েছে।

০৩ রা মে, ২০১৬ বিকাল ৪:১৪

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: সহমত।

৫| ০৩ রা মে, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৫

পারভেজ রশীদ মঙ্গল বলেছেন: ছবির বিষয় বস্তু আমরা কিন্তু ছবিটা আমাদের নয়

০৪ ঠা মে, ২০১৬ দুপুর ১:১৫

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: হু

৬| ০৩ রা মে, ২০১৬ বিকাল ৫:২০

মোহাম্মদ সাইফ উল আলম বলেছেন: "বাংলাদেশের মুসলমানরা ধর্মীয় কারনে ভারতকে ঘ্রিনা করে এবং হিন্দুদের ভারতে চলে যাওয়া উচিত বলে মনে করে।বাংলাদেশের মুসলমানরা ধর্মীয় কারনে ভারতকে ঘ্রিনা করে এবং হিন্দুদের ভারতে চলে যাওয়া উচিত বলে মনে করে। " এইসব ধ্যানধারণার সাথে আমি একমত নই। কিছু সংখ্যক লোক সাম্প্রদায়িক হতে পারে তাই বলে ঢালাওভাবে গোটা বাংলাদেশের মানুষের প্রতি এইরকম ধ্যান ধারনা চাপিয়ে দেয়া অন্যায়। এই দেশে হিন্দু বা অন্যান্য সম্প্রদায় যেরকম ভাল অবস্থানে আছে তা দুনিয়ার অন্য কোথাও নেই। ভারতে গরু খাওয়া বা বিক্রির অপরাধে মানুষ পিটিয়ে,ঝুলিয়ে মারা হয়। অবশ্য আমাদের দেশে কিছু নব্য কট্টর প্রগতিশীলেরা ধার্মিক মুসলিম দেখতে পারেন না ।তাদের সৌদি আরব চলে যেতে বলেন। আশা করি আমাদের দেশের কোন চলচিত্র নির্মাতা এটা নিয়ে ছবি বানাবেন।

০৩ রা মে, ২০১৬ রাত ৯:৫৩

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: কিছু সংখ্যক লোক সাম্প্রদায়িক হতে পারে তাই বলে ঢালাওভাবে গোটা বাংলাদেশের মানুষের প্রতি এইরকম ধ্যান ধারনা চাপিয়ে দেয়া অন্যায়।

দ্বিমত পোষন করছি। বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক কথা বলার লোকের অভাব নেই। কিন্তু অসাম্প্রদায়িক লোক পা্ওয়া মুসকিল। বাংলাদেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠির মধ্য ও এই প্রবণতা ভয়াবহ। যখন অধিকাংশরা একই ধারনা পোষন করে তখন জাতিগত ভাবে চাপিয়ে দেওয়া যায়।

৭| ০৩ রা মে, ২০১৬ রাত ৯:২১

বাড়িতারবাংলা বলেছেন: গোটা ভারতে গরু খাওয়া নিষিদ্ধ নয়। অনেক রাজ্যে গাই গরু হত্যা নিষিদ্ধ কিন্তু ষাঁঁড় হত্যা নয়। অনেক রাজ্যেই গোহত্যা নিষিদ্ধ হলেও গোমাংস খাওয়া নিষিদ্ধ নয়। পশ্চিমবঙ্গে কিছুই নিষিদ্ধ নয়।

০৩ রা মে, ২০১৬ রাত ১০:১১

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: খাদ্য যার যার রুচির ব্যাপার এখানে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ লজ্জাজনক। আমি তো আর আপনার খোয়াড় থেকে চুরি করে খাচ্ছি না।

সবচেয়ে লজ্জাজনক হল আপমর ভারতীয় হিন্দু গরু নিশিদ্ধএর পক্ষে যা ভারতীয়দের জাতীগত মূর্খামী। তবে ভারতে প্রগতিশীলদের সংগ্রাম অব্যাহত আছে যা আশাব্যান্জক। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সে অবস্থানটাও নেই।

৮| ০৩ রা মে, ২০১৬ রাত ৯:৪৩

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: ভারত কিংবা বাংলাদেশ এই ২ টি দেশের অধিকাংশই সাম্প্রদায়িক মানসিকতার। তবে কিছু ভন্ড রাজনৈতিক আছে যারা ধর্মনিরোপেক্ষতা নিয়ে চেচায়। কিন্তু তাদের আচরনও সাম্প্রদায়িক।

৯| ০৪ ঠা মে, ২০১৬ রাত ১২:২৮

অরুদ্র বলেছেন: এখনই ডাউনলোড দিচ্ছি।

১০| ০৪ ঠা মে, ২০১৬ রাত ১২:৫৯

রোষানল বলেছেন: ব সুন্দর রিভিউ।শুনে দেখার কৌতুহল জাগছে।দেখি সময় পেলে দেখবো।আসলেই কলকাতার বাংলা ভাষা দিয়ে আমাদের বাংলাদেশের বাঙালীদের আবেগ বুঝানো খুব কঠিন।আমাদের বাংলা আমাদেরই।

১১| ০৪ ঠা মে, ২০১৬ সকাল ৮:৪০

বাড়িতারবাংলা বলেছেন: ভারতের জাতিগত মূরর্খামি-এই কথাটার প্রতিবাদ করছি। আগেই বলেছি সব রাজ্যে এটা নিষিদ্ধ নয় এবং সবাই গোমাংসের বিরোধী নয়। বাংলাদেশের মানুষ যে কাজটা ধর্মীয় কারনে করে না সেটাকে কি আপনি বাংলাদেশীদের জাতিগত মূর্খামি বলবেন?

০৪ ঠা মে, ২০১৬ সকাল ৯:২৩

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: যখন অধিকাংশরা একই ধারনা পোষন করে তখন জাতিগত ভাবে চাপিয়ে দেওয়া যায়। সেটা বাংলাদেশিরাই হোক আর ভারতীয়রা।

১২| ০৪ ঠা মে, ২০১৬ সকাল ১১:১৮

বাড়িতারবাংলা বলেছেন: না যায় না। কারন ভারত বহুভাষা বহু জাত ও ধর্মের দেশ।

০৪ ঠা মে, ২০১৬ দুপুর ১:০০

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: তার মানে ভারতীদের কোন জাতিগত বৈশিষ্ট নেই!

১৩| ০৪ ঠা মে, ২০১৬ দুপুর ১:১১

জুন বলেছেন: প্রথমত যে এলাকার কাহিনী সে এলাকার ভাষা চরিত্রের কারো মুখেই শুনলাম না । প্রথম অর্ধেকটা ডকুমেন্টারির মত লেগেছে । বিচ্ছিন্ন বিচ্ছিন্ন কাহিনী । রুপসা কে গ্রামীন চরিত্রে মানায়নি বলে আমার মত । গ্রামের একটি মেয়ে বিএসেফ কে দোস্ত ডাকাটাও অভিনব। আর কথায় কথায় গান আমার কাছেও অদ্ভুত লেগেছে । রুপসার অসুস্থতার পর থেকে কাহিনিটা ভালোলেগেছে

০৪ ঠা মে, ২০১৬ দুপুর ১:১৪

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: ১০০ ভাগ সহমত।

১৪| ০৪ ঠা মে, ২০১৬ রাত ৯:৫১

বাড়িতারবাংলা বলেছেন: বিবিধতার মধ্যে একতা এটাই ভারতেরর বৈশিষ্ট্য

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৪০

মিকাইল ইমরোজ বলেছেন: এসব আপনাদের জাতিগত আবেগের কথা। বাস্তবতা খুবই করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.