নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার ছায়া। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে বাঁচি, হাতের মধ্যে আকাশ; তবু ছুঁতে পারিনা।

মোহাম্মদ বাসার

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী। ফিচার এডিটর- বাংলাপোস্ট, যুক্তরাজ্য।

মোহাম্মদ বাসার › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাব্য মিশ্রণ- ছড়া ও কবিতা।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৯




বন্ধুরা ছড়া পড়ুন। নির্মল বিনোদনে পেট চাপড়িয়ে হাসুন।

(এক)

টুপি

হঠাৎ শুনি মতিঝিলে
চলছে টুপির আকাল,
হাসু আপা বল্ল হেসে
তোরা কি সব মাকাল?

অকালপক্ব মাকাল ফলে
দেশটা আছে ঠাসা,
মুরগী চোরা স্বপন খাঁসি
এখন মোদের আশা।

শোবিজ নামক শো করে দে
ঘন্টি পিটা হাটে,
দাঁত বাঁকা বা প্রমোদবালা
হুমড়ি খাবে ঘাটে।

মতিঝিলের মসজিদে ভাই
টুপির শোকে আহাজারি
শোকে শোকে পাষাণ,
প্রমোদবালার এক ব্রা-তে
দুইটা টুপির আছান।

এমন তত্ব দিছে মোদের
খবিস মুহিত মাল,
ঢাকায় আছে চোদনা স্বপন
চিন্তা কিসের বাল!

(চোদনা স্বপন= বাংলাদেশের বিতর্কিত সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজক।)

১৭/১০/২০১৭
যুক্তরাজ্য।


(দুই)

এমন হেমন্তে

কুয়াশার আঁচড়ে স্মৃতি চিনহ এঁকো
মনের দেয়ালে লিখে রেখ নাম,
বেভুলো বসন্তে ফুল ধরে বল
এইবার ভালবাসিলাম।

রাত্রি নিশিথে একাকী জানালায়
দূরের ল্যাম্পপোস্টে আলোর জোনাকী,
ছুঁয়ে দিও অধর মহুয়ার ভ্রমে
ভেবে নিও আমিও ছিলাম।

আলোর আঁচে দুলে উঠে পাপড়ি
অচল জমিনে আগাছার বাস,
নিপুণ কৃষকে নাঙলের কুটুই
চাষাবাদ দিও বারোমাস।

এমন হেমন্তে দূর্বার ঘাসে,
শিশির রোদে মাখামাখি ভোরে
হয়ে যেও কাম, লেডিবাগ পোকা
জলের উপরে শুঁকনো পাতা
কাছাকাছি যেভাবে ভাসে।

১৯শে অক্টোবর ২০১৭
যুক্তরাজ্য।



(তিন)

এই শীতে

পাতা ঝরে যায়,
হিমেল হেমন্ত আছে অপেক্ষায়
বরফের দিন।
তুমিও অপেক্ষায় হিমেল শুভ্র ফসলের দিনের
কিংবা পিঠেপুলি প্রভাত, রক্তিম কৃষ্ণচূড়া!
আমারও অপেক্ষায় বরফের জল,
ব্যাঙের শীতনিদ্রা কি আর এমন!
ঘুমিয়ে ঘুমিয়েইতো কাটছে প্রহর,
দিবালোকে আঁধারের ঘরে আছি;
এ ঘরে আলোর জন্য নেই কোন তাড়া।

দূলে উঠে আলোর জোনাকী,
ডাকলেই কাছে যাব অমনটা ভেবনা;
হয়তো কখনো তাড়া ছিল প্রভাত কিরণের
কুয়াশার চাদরে ঢাকা ভোরের শিশির;
আজ রাত্রি শেষের পাখির কলতান,
দিবসে ব্যস্ত প্রেমিক-যুগলের হাতে হাত,
কফির কাপে টুংটাং ধ্বনি,
মাঝ রাতে নৈশক্লাবের হুল্লোর-চেচামেচি,
এসবের মধ্যে হৃদয় বেশী বা কম
আলোড়িত হওয়ার জন্য তেমন কোন উপলক্ষ দেখিনা।

শীত আসি আসি,
দরজায় শিষ দেয় হিমেল বাতাস,
অজ্ঞাত প্রাপকের চিঠি ফেলে যায় ডাকপিয়ন;
উচ্ছিষ্ট খাবারের সাথে কিছু অচেনা ফরমান
নিখুঁত কাগজের ভাঁজে প্রতিদিন যথেচ্ছা বিলীন।
একদিন ওসব কাগজে তুমিও ছিলে,
আজ ঝরা পাতার মত স্বপ্নহীন মিছিলে
ভাগাড়ে পড়ে আছ গোলাপি ঝিনুক!

পাতা ঝরে যায়...
এ শীতে আর বিচ্ছেদ নয়,
আমরা বরফের জলে জলে
উষ্ণতা খুঁজে নেব হিমেল তুষারের দিনে;
অমৃতসুধা ঈশ্বর দেবেন শুনেছি,
হাত বাড়ালেই যদি দুষ্প্রাপ্য নয় আরাধ্য স্বপন
তাহলে ঈশ্বর ঘুমাক যেমনটা তিনি করে আসছেন এতকাল,
কার কোন দায় নেই ঈশ্বরের নিদ্রাভঙ্গের।
আমাদের চোখের ভিতর জ্বলে ওঠা জোনাকি
হাতে নিয়ে হেঁটে যাব আঁধারের পথ।

১৯ শে অক্টোবর ২০১৭
যুক্তরাজ্য।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:০৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: :D





ভালো থাকুন নিরন্তর। ধন্যবাদ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৩

মোহাম্মদ বাসার বলেছেন: আপনিও ভাল থাকুন। অনেক ধন্যবাদ।

২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৪

তারেক ফাহিম বলেছেন: :-P =p~ :-B

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৩

মোহাম্মদ বাসার বলেছেন: কিতা হইছে ভাইছাব?

৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৯

তারেক ফাহিম বলেছেন: টুপির সাথে কিসের তুলনা তার জন্য জ্বীবে কামড় মার্কা হাসি,
হেমন্তে হৈমন্তি হাসি
আর শীতের জন্য কাপুনি হাসি। :D
বুঝলেন ভাইসাব।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৫০

মোহাম্মদ বাসার বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইসাব।

অনেক শুভকামনা রিল।
ভাল থাকুন।

৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:১৮

করুণাধারা বলেছেন: দ্বিতীয় আর তৃতীয় কবিতাদুটো অতি চমৎকার!

প্রথম কবিতাটাও একই কবির লেখা? এত বাজে ভাষা!

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:০০

মোহাম্মদ বাসার বলেছেন: ।১৯৯৪/৯৫ সাল। ঢাকা ইউনি হলে আমরা আজকের কাগজ পত্রিকা রাখতাম। ঐ সময়ের তুমুল জনপ্রিয় এই দৈনিকটিতে অনেক ছড়াও প্রকাশ পেত কবিতার পাশাপাশি। একটি ছড়ায় আমার চোখ আঁটকে যায়। ছড়াকার এপাড় বাংলা ওপাড় বাংলায় সেই তখন থেকেই বেশ জনপ্রিয়।

"বলছি তোমায় চুপি চুপি ব্রাকেটে
দুইটা টুপি যায় বানানো একটা মেয়ের ব্রা-কেটে।"

অনুমান করতে পারেন এটা কার লেখা। জানি সহজ হবেনা আপনার জন্য।

আসলে ছড়াতে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীকে যা আমাদের চিন্তাচেতনার বিরুদ্ধে যায়, যা অন্যায় তাঁকে কটাক্ষ করা হয়। শব্দের ব্যবহার শুধুই মাত্র কিছু শব্দমাল। আমরা মুল থিমটাকেই এখানে প্রধান্য দেই।

ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.