| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আরজু মুন জারিন
নিজের সম্পর্কে বলার মত কিছু করা হয়ে উঠেনি এখন। ব্লগ এ লেখা টা প্রথমে ছিল সামাজিক দায়বদ্ধতা। মেসেজ শেয়ার করা। তবে লিখতে লিখতে এখন লেখার ভালবাসায় পড়ে গিয়েছি। নিজে যেমন লিখতে পছন্দ করি অন্যের লেখা ও একই পছন্দ নিয়ে পড়ি। লেখালিখির আরেকটা বড় উদ্দেশ্য হল (অন্যের দৃষ্টিতে তা ফানি মনে হবে ) সামাজিক বিপ্লব করা , মানুষের জীবনে স্বাছন্দ্য আনয়ন করা মূলত আমার দেশের মেয়েদের লেখিকাদের আমি বড় প্ল্যাটফর্ম এ দেখতে চাই। আমাদের দেশে ভাল লেখিকা অনেক কম। অথচ আমার মন বলে অনেক ট্যালেন্ট মেয়েরা আছে। অনগ্রসর সামাজিক পরিস্থিতির কারণে মেয়েরা এক বৃত্তে বন্ধী হয়ে আছে। আমি খুব চাই ওই বাধা সরিয়ে আলোয় ,সাহিত্যে জ্ঞানে আমাদের মেয়েরা পথ চলুক। প্রচলিত দৃষ্টিতে সমাজে চলতে মেয়েদের বাধা গুলি চিহ্নিত করা আমার লেখালিখির আরেকটি উদ্দেশ্য। প্রগতির কথা বলতে চাই ভদ্রতায় , শালীনতায় এবং মর্যাদায়। সামাজিক আভ্রু ভেঙ্গে নয় যা তসলিমা নাসরিন করেছিলেন। বেগম রোকেয়া আমার পথ প্রদর্শক। তিনি মেয়েদের পাদ প্রদীপের আলোয় নিয়ে এসেছিলেন ঠিক ই রক্ষনশীলতার ঢাল ভেঙ্গে নয় , মর্যাদায় থেকে আলোতে নিয়ে এসেছেন মেয়েদের।
জুলিয়েট হতে ইচ্ছে করে
তোমাকে দেখার পরে।
ইচ্ছে করে হতে
লাইলী শিরি আর
হতে বিরাজ বউ।
(শরৎ চন্দ্র নভেল বিরাজ বউ)
আরো করে ইচ্ছে হতে পৃথিবীর
যত মানবীয় প্রেমিকা বউ
তোমাকে দেখার পরে।
দেখে চমকে
যাই থমকে
যেন দেখছি আয়নায় নিজেকে।
এত সাদৃশ্য আমাদের দুজনে।
ব্যক্তিত্ব সমান চিন্তার জগত একই
মন থেকে তাই করি
একাত্মবোধ ভারী।
তোমাকে দেখার পরে।
ইচ্ছে করে ভেসে
যেতে অগ্রাহ্য করে
নিয়ম নীতি আর যত
সামাজিক অনুশাসন।
তোমাকে দেখার পরে।
তাই হয়ে যায়
যত অসংলগ্ন আচরণ
তত প্রগলভতা।
মনে মনে যদিও থাকে কামনা
তোমার সুখী জীবন।
তুমি ভারী চমত্কার
চলছ আর চলছ
অবিরাম চলছ
ভাসছ উদ্দীপনায়
প্রানের জোয়ার এ।
থামতে জাননা তুমি
চলছ তুমি
সময়ের স্রোতে
দায়িত্বের নিস্প্রান পাটা তনে
সকল হৃদয় অনুভূতি
অগ্রাহ্য করে।
হয়ে যাই অভিমানী
না পেয়ে সম অনুভূতি
না পেয়ে যত হৃদয় আবেগ।
তার পর ও চাই
হও সুখী তুমি।
সারাক্ষণ কষ্ট দিচ্ছে আমায়
এই অনুভূতি
তোমাকে দেখার পরে।
সকল অনুভব বোধ হয় আমার
তোমাকে দেখার পরে।
©somewhere in net ltd.