| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
কুরআনকে রূপকথার গল্প আখ্যায়িত করা ধর্মবিদ্বেষী সাইকোই নাকি সামুর প্রাণ! ছিঃ ছিঃ!
নিউইয়র্কের Sugar Hill State Forest এর ছবিটি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।
সম্প্রতি একটি পোস্ট চোখে পড়েছে। বিশাল আবেগপ্রবণ, কান্নাকাটির পোস্ট, কেদে কেটে অস্থির, যেন হেঁচকি উঠছে। পোস্ট জুড়ে মিথ্যা হাউকাউ আর ভুয়ো চারিত্রিক প্রশংসার বিশাল আয়োজন। কথা হলো, ফাউলকে সবসময় ফাউল বলতেই হবে। এই ব্যক্তি সামুর দুর্দিনে ত্রাতা সেজে এসেছেন, বুদ্ধি বিলিয়ে বলছেন যে, বদ্ধ মাতাল ও আহম্মক সাইকোটাকে ফিরিয়ে আনলেই সামুর খরা কেটে যাবে। সাইকোই নাকি সামুর প্রাণ, ধর্মবিদ্বেষী নষ্টই নাকি শ্রেষ্ঠ ব্লগার। ছিঃ ছিঃ, এত লজ্জা রাখি কোথায়!
আমরা প্রত্যেকের লেখার স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। কিন্তু যখন কেউ বারবার সীমা লঙ্ঘন করে, কথায় কথায় অন্যকে অপমান-অপদস্থ করে, ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে উসকানিমূলক ও জঘন্য মন্তব্য করে, কুরআনকে রূপকথার বানোয়াট গল্প বলে অট্টহাসি হাসে, নবী-রাসূলগণের নামে বেয়াদবি করে, আরব জাতিকে বেদুইন বলে উপহাস করে, বাংলাদেশের মানুষকে ঢালাওভাবে অসৎ, অশিক্ষিত, প্রশ্নফাঁসকারী, ডোডো, পিগমি, ম্যাঁও-প্যাঁও, লিলিপুটিয়ান, মগজহীন ইত্যাদি বিশেষণে বিদ্রূপ করে বিকৃত রুচির উল্লাসে মেতে ওঠে, তখন করণীয় কী? বারবার সুযোগ দেওয়ার পরও যিনি অন্যের সম্মান-মর্যাদার তোয়াক্কা না করে যাচ্ছেতাই আচরণ করেন, তাঁর ব্যাপারে মডারেশনের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিজ্ঞ ও যথার্থ। এত কান্নাকাটির কোনো কারণ নেই।
তাঁর সেই তেলবাজি-ভরা পোস্টে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র কতিপয় ‘অপব্লগার’ই নাকি এই সাইকোর উদ্ভট মন্তব্যে আপত্তি জানায়। প্রশ্ন হলো, এই ‘অপব্লগার’ বলতে কাদের বোঝানো হচ্ছে? যে সম্মানিত ব্লগাররা লাগামহীন প্রলাপ, উদ্ভট ও কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন, তাঁদের? সাধারণ ব্লগারদের এভাবে ‘অপব্লগার’ আখ্যা দেওয়া চরম অশোভন ও আস্পর্ধাপূর্ণ আচরণ নয় কি? আমি এই নির্লজ্জ চামচামিপূর্ণ পোস্টের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে মান্যবর ব্লগ মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমার মতে, দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো, সবসময়ই ভালো, অনেক অনেক ভালো। পাগলের জন্য ব্লগ নয়, বন-বাদাড়ই উপযুক্ত। আমেরিকায় ট্রাম্পের মতো বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলেও দেশটির সাধারণ জনগণের অনেকেই মানবিক। ভেনিজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটনসহ বিভিন্ন শহরে তারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করেছেন। তারা গাছপালা কেটে গোটা দেশটাকে জঙ্গলশূন্য করেননি; নিউইয়র্কের কিছু এলাকায় এখনো বন-জঙ্গলের অস্তিত্ব বিদ্যমান। সুতরাং, টেনশনের কী আছে? উদ্ভট ও বদ্ধমস্তিষ্কের ব্লগ-বিতাড়িতরা সেখানে গিয়ে উল্লাস করতেই পারে, সে অধিকার তাদের পূর্ণমাত্রায়ই রয়েছে বলে মনে করি।
তবে শেষ কথা হলো, শেষের পরেও একটা শেষ থাকে। শত আঘাতের পরেও আমরা চাই না যে, কেউ আবদ্ধ অবস্থায় থাকুক। তবে সে জন্য ব্যক্তির সদিচ্ছাটা প্রথম এবং প্রধানত জরুরি। আমি মনে করি, তাঁকে শেষ সুযোগ হিসেবে আরেকবার ফিরিয়ে আনা যায় কি না, সেটা মাননীয় ব্লগ মডারেটর ইচ্ছে করলে বিবেচনা করে দেখতেই পারেন, তবে অবশ্যই শর্ত হচ্ছে, যদি তিনি নিজেকে শুধরে নেওয়ার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি তাদেরকে প্রদান করেন। সেটা কেবল তখনই সম্ভব, যখন তিনি ব্লগ মডারেটর ও ব্লগার নির্বিশেষে সকলের কাছে তার অতীতের বারংবারের সীমালঙ্ঘন, ধারাবাহিক ভুলভ্রান্তি এবং গোয়েবলসীয় আচরণের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। সকলের জন্য শুভকামনা।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৫
নতুন নকিব বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুচিন্তিত মতামত প্রদানের জন্য। আমিও চাই না কেউ ব্যান এ থাকুন। কিন্তু কেউ যদি লাগাতার অনিয়ম করে যেতেই থাকে তাহলে সেটা অন্যরকম বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। যা হোক, আমরা শুধু আমাদের মতামত প্রকাশ করতে পারি, সিদ্ধান্ত ব্লগের মান্যবর কর্তৃপক্ষই নিবেন।
শুভকামনা জানবেন।
২|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩
সাখাওয়াত হোসেন বাবন বলেছেন: এদের গুরুত্ব দেবার কিছু নেই । ইগনর করুণ ..
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৭
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনার পরামর্শ সঠিক। সেটাই করা উচিত। কিন্তু এরা অপব্লগার বলে সাধারণ ব্লগারদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করলে সেটার তো প্রতিবাদ হওয়া প্রয়োজন।
মূল্যবান মন্তব্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন। শুভকামনা সবসময়।
৩|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৮
অগ্নিবাবা বলেছেন: সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫৩/ কিয়ামত, জান্নাত ও জাহান্নামের বিবরণ
পরিচ্ছদঃ ৯. চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার বিবরণ
৬৮১৫। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা, আবূ কুরায়ব ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, উমার ইবনু হাফস ইবনু গিয়াস, ও মিনজাব ইবনু হারিছ তামিমী (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিনায় আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। এমতাবস্থায় (হঠাৎ করে) চন্দ্র বিদীর্ন হয়ে দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল। এক খন্ড পাহাড়ের এ পাশে পড়ল এবং অপর খন্ড পড়ল পাহাড়ের ওপাশে। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih
ছোটবেলা থেকেই হনুমান ছিলেন অত্যন্ত চঞ্চল। পুরান অনুসারে একদা তিনি সূর্যকে ফল ভেবে খেয়ে ফেলেন। এতে রেগে গিয়ে দেবরাজ ইন্দ্র শিশু হনুমানের ওপর বজ্র নিক্ষেপ করে সূর্যকে উদ্ধার করেন। - বাল্মীকি রামায়ণ, পৃষ্ঠা ৪২২
এই দুইটা ঘটনার মধ্যে কোনটা রুপকথা? এবং কেন রুপকথা। এইটার উত্তর নকিব ভাই, বাবন ভাই, মুমিন ভাই ইত্যাদী ভাইগনকে জানানোর অনুরোধ করছি। সরি ধানাই পানাই চলবে না।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩০
নতুন নকিব বলেছেন:
এটা খুঁজে বের করার দায়িত্ব অন্যদের না দিয়ে আপনি নিজে নিলেই সম্ভবতঃ বেশি ভালো হয়। ভালো থাকুন। শুভকামনা আপনার জন্য।
৪|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮
বাজ ৩ বলেছেন: নকিব ভাই।প্রত্যেকেই ভালোবাসার মানুষকে কাছে পেতে চায়,যাকে ছাড়া ভালো লাগেনা,রাজীব নূর@এবং @গাজী একই কোয়ালিটর।বেচারা নতুন নিকও খুলতে পারছেনা,
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪০
নতুন নকিব বলেছেন:
বেকুব এবং সীমালঙ্ঘনকারীরা একসময় এইভাবেই আটকে যায়। এখানে (এই পৃথিবীতে) অতি বাড়-বাড়ন্তদের একটি দল পরকালেও এইভাবেই আটকে যাবে। তখন আফসোস করা ছাড়া আর কিছুই করণীয় থাকবে না তাদের। "ইয়া লাইতানি কদ্দামতু লিহায়াতি!, অর্থাৎ, হায়, আমি আমার জীবনটাকে ধ্বংস করেছি!" বলে হাহুতাশ করতে থাকবে তারা।
ভদ্রলোক মডারেশন প্যানেলকে নিয়েও যাচ্ছেতাই বকে যাচ্ছিলেন ইদানিং। ডোডো মগজ ইত্যাদি বলে উপহাস করছিলেন। অবশ্য, পানিতে নেমে কুমিরের সাথে লড়াই করার মজাই আলাদা! তিনি হয়তো সেটাই পরখ করার চেষ্টা করে আসছিলেন। যা হোক, তার শুভবুদ্ধির উদয় হোক। তার জন্য শুভকামনা।
অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা এবং শুভকামনা আপনার জন্য, যথার্থ মন্তব্যে।
৫|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৬
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালোয় ভালোরে চিনে
মন্দ চিনে মন্দ
ভালো মন্দ এক হলেই
বাড়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব।
একই ক্যাটাগরীর মানুষ একই ধরণের চরিতের মানুষ খুঁজে। ছি ছি এর পরে যদি কিছু থাকে তার জন্য এটাও প্রযোজ্য । জঘন্য মানুষগুলো নিজের মতকেই শুদ্ধ বলে মনে করে, নিজেদের খুব জ্ঞানী ভাবে
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩
নতুন নকিব বলেছেন:
মানুষ ক্ষমা করলেও প্রকৃতির কাছ থেকে কৃতকর্মের দায় অটোমেটিক চলে আসে। সীমালঙ্ঘনেরও একটা সীমা থাকে। কিন্তু কিছু মানুষের তাও থাকে না। এসব লোককেই আবার কেউ কেউ চারিত্রিক সার্টিফিকেট দিতে চায়। সাধারণ ব্লগারদের "অপব্লগার" বলে অপমান করতে চায়, খুবই দুঃখজনক।
অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা এবং শুভকামনা, মন্তব্যে আসার জন্য।
৬|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪
অগ্নিবাবা বলেছেন: নকিব ভাই, এড়িয়ে গেলেন? উত্তর আমিই দিয়ে দিচ্ছি, সুস্থ মাথা দিয়ে বিবেচনা করলে যে কেউ বুঝতে পারে, উপরের দুটো বর্ননাই হলো গালগল্প, রুপকথা।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৭
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ, আপনার গবেষনার জন্য। ঠিক এড়িয়ে যাইনি। আসলে পোস্টের আলোচ্য বিষয়ের বাইরে এই মুহূর্তে যেতে পারছি না বলে দুঃখিত। চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার ঘটনার সাথে যে ঘটনাটার তুলনা করেছেন সেটা যথার্থ কি না, আপনিই চিন্তা করে দেখুন। চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার ঘটনা সম্মন্ধে জানতে এই পেইজটা দেখতে পারেন-
চাঁদ দ্বিখন্ডিত করণের প্রস্তাব (اقتراح شق القمر)
শুভকামনা।
৭|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২
আদিবাসী শামুক বলেছেন: ১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই চন্দ্রে প্রথম পদাপর্ণকারী দলের নেতা নেইল আর্মষ্ট্রং স্বচক্ষে চন্দ্রপৃষ্ঠের বিভক্তি রেখা দেখে বিস্ময়াভিভূত হন এবং ইসলাম কবুল করেন। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের ভয়ে তিনি একথা কয়েক বছর পরে প্রকাশ করেন।[6]
রেফারেন্স- লেখক নিজে উক্ত চন্দ্র বিজয়ী দলের ঢাকা সফরকালে নিকট থেকে তাদের স্বচক্ষে দেখেছেন এবং অনেক পরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় উক্ত খবরটি পড়েছেন। -লেখক।
প্রশ্ন হলো, স্বচক্ষে লেখক নিজে দেখেছেন এইটা কেমনে চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হবার প্রমাণ?
হ্যাঁ, পত্র পত্রিকায় তো এটা নিয়ে অনেক লেখাই আসছে, তা নিল আর্মস্ট্রঙ নিজে কোনোদিন এসব কিছু বলছে? বললে কোথায়? পত্রিকায় কিসের ভিত্তিতে ছাপা হইছে?
কী অবস্থা আপনার লজিকের!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫
নতুন নকিব বলেছেন:
এটা আমার লজিক কেন হবে? ঐ পেইজটা যিনি/ যারা লিখেছেন, প্রশ্নটা তাকে/ তাদেরকে করা যেতে পারে। ধন্যবাদ।
৮|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২
রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কেমন ধার্মিক বা কেমন আপনার মানসিকতা সেটা আপনার পোষ্ট পড়েই বুঝা যাচ্ছে।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭
নতুন নকিব বলেছেন:
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় রাজীব নুর, কেমন আছেন আপনি? কোন কারণে কি আপনার মন খারাপ, আজ?
শুভকামনা জানবেন।
৯|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: যারা কোরআন কোনদিন পড়েনি বা একটি শব্দও উচ্চারণ করতে পারবেনা তারাই কোরআনের ব্যাখ্যা করতে, কি ভয়ানক ব্যপার!
১০|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩৭
আমি নই বলেছেন: চাদগাজী আর তার মুরিদ দুইটাই সেইম। আবোল-তাবোল বকে আর নিজেকে অনেক জ্ঞানী মনে করে।
১১|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: অগ্নিবাবা, আপনাদের মতো লোক যদি চোখের সামনে চাঁধ দিখন্ডিত হতে দেখতেন তাহলে কি বলতেন? হ্যালুসিনেশন?
”... তবুও তারা একথাই বলতো, আমাদের দৃষ্টি বিভ্রম হচ্ছে বরং আমাদের ওপর যাদু করা হয়েছে” ১৫ঃ১৫
“কিয়ামাত আসন্ন, চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে, আর তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাচরিত জাদু” ৫৪ঃ১-২
তিনি যদি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত না করতেন তাহলে জাদুর প্রসঙ্গ আসত না। সেই সময়েই সবাই বলত, চাঁদ ত দ্বিখণ্ডিতই হয়নি এ তো ডাহা মিথ্যা। মুসলমানরাও বিশ্বাস করত না।
১২|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২১
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: শিরোনামে সহমত।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্লগে লেখার পূর্ণ স্বাধীনতা সবার বজায় থাকুক ।
..............................................................................
আমি কোন ব্লগার ব্যান থাকুক চাই না
পারস্পরিক বিরোধ যারা করে তারা উভয়ে সমান অপরাধী,
নিজের খেয়ে বনের মহিষ তাড়ানোর মধ্যে কোন বাহাদুরী নাই ।
যিনি বা যারা নিয়ম ভঙ্গ করবে তাদের লেখা এক্সপান্জ সহ
অনেক শাস্তি দেবার সুযোগ মডারেশন এর আছে ।