| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
কুরআনকে রূপকথার গল্প আখ্যায়িত করা ধর্মবিদ্বেষী সাইকোই নাকি সামুর প্রাণ! ছিঃ ছিঃ!
নিউইয়র্কের Sugar Hill State Forest এর ছবিটি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।
সম্প্রতি একটি পোস্ট চোখে পড়েছে। বিশাল আবেগপ্রবণ, কান্নাকাটির পোস্ট, কেদে কেটে অস্থির, যেন হেঁচকি উঠছে। পোস্ট জুড়ে মিথ্যা হাউকাউ আর ভুয়ো চারিত্রিক প্রশংসার বিশাল আয়োজন। কথা হলো, ফাউলকে সবসময় ফাউল বলতেই হবে। এই ব্যক্তি সামুর দুর্দিনে ত্রাতা সেজে এসেছেন, বুদ্ধি বিলিয়ে বলছেন যে, বদ্ধ মাতাল ও আহম্মক সাইকোটাকে ফিরিয়ে আনলেই সামুর খরা কেটে যাবে। সাইকোই নাকি সামুর প্রাণ, ধর্মবিদ্বেষী নষ্টই নাকি শ্রেষ্ঠ ব্লগার। ছিঃ ছিঃ, এত লজ্জা রাখি কোথায়!
আমরা প্রত্যেকের লেখার স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। কিন্তু যখন কেউ বারবার সীমা লঙ্ঘন করে, কথায় কথায় অন্যকে অপমান-অপদস্থ করে, ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে উসকানিমূলক ও জঘন্য মন্তব্য করে, কুরআনকে রূপকথার বানোয়াট গল্প বলে অট্টহাসি হাসে, নবী-রাসূলগণের নামে বেয়াদবি করে, আরব জাতিকে বেদুইন বলে উপহাস করে, বাংলাদেশের মানুষকে ঢালাওভাবে অসৎ, অশিক্ষিত, প্রশ্নফাঁসকারী, ডোডো, পিগমি, ম্যাঁও-প্যাঁও, লিলিপুটিয়ান, মগজহীন ইত্যাদি বিশেষণে বিদ্রূপ করে বিকৃত রুচির উল্লাসে মেতে ওঠে, তখন করণীয় কী? বারবার সুযোগ দেওয়ার পরও যিনি অন্যের সম্মান-মর্যাদার তোয়াক্কা না করে যাচ্ছেতাই আচরণ করেন, তাঁর ব্যাপারে মডারেশনের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিজ্ঞ ও যথার্থ। এত কান্নাকাটির কোনো কারণ নেই।
তাঁর সেই তেলবাজি-ভরা পোস্টে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র কতিপয় ‘অপব্লগার’ই নাকি এই সাইকোর উদ্ভট মন্তব্যে আপত্তি জানায়। প্রশ্ন হলো, এই ‘অপব্লগার’ বলতে কাদের বোঝানো হচ্ছে? যে সম্মানিত ব্লগাররা লাগামহীন প্রলাপ, উদ্ভট ও কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন, তাঁদের? সাধারণ ব্লগারদের এভাবে ‘অপব্লগার’ আখ্যা দেওয়া চরম অশোভন ও আস্পর্ধাপূর্ণ আচরণ নয় কি? আমি এই নির্লজ্জ চামচামিপূর্ণ পোস্টের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে মান্যবর ব্লগ মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমার মতে, দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো, সবসময়ই ভালো, অনেক অনেক ভালো। পাগলের জন্য ব্লগ নয়, বন-বাদাড়ই উপযুক্ত। আমেরিকায় ট্রাম্পের মতো বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলেও দেশটির সাধারণ জনগণের অনেকেই মানবিক। ভেনিজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটনসহ বিভিন্ন শহরে তারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করেছেন। তারা গাছপালা কেটে গোটা দেশটাকে জঙ্গলশূন্য করেননি; নিউইয়র্কের কিছু এলাকায় এখনো বন-জঙ্গলের অস্তিত্ব বিদ্যমান। সুতরাং, টেনশনের কী আছে? উদ্ভট ও বদ্ধমস্তিষ্কের ব্লগ-বিতাড়িতরা সেখানে গিয়ে উল্লাস করতেই পারে, সে অধিকার তাদের পূর্ণমাত্রায়ই রয়েছে বলে মনে করি।
তবে শেষ কথা হলো, শেষের পরেও একটা শেষ থাকে। শত আঘাতের পরেও আমরা চাই না যে, কেউ আবদ্ধ অবস্থায় থাকুক। তবে সে জন্য ব্যক্তির সদিচ্ছাটা প্রথম এবং প্রধানত জরুরি। আমি মনে করি, তাঁকে শেষ সুযোগ হিসেবে আরেকবার ফিরিয়ে আনা যায় কি না, সেটা মাননীয় ব্লগ মডারেটর ইচ্ছে করলে বিবেচনা করে দেখতেই পারেন, তবে অবশ্যই শর্ত হচ্ছে, যদি তিনি নিজেকে শুধরে নেওয়ার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি তাদেরকে প্রদান করেন। সেটা কেবল তখনই সম্ভব, যখন তিনি ব্লগ মডারেটর ও ব্লগার নির্বিশেষে সকলের কাছে তার অতীতের বারংবারের সীমালঙ্ঘন, ধারাবাহিক ভুলভ্রান্তি এবং গোয়েবলসীয় আচরণের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। সকলের জন্য শুভকামনা।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৫
নতুন নকিব বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুচিন্তিত মতামত প্রদানের জন্য। আমিও চাই না কেউ ব্যান এ থাকুন। কিন্তু কেউ যদি লাগাতার অনিয়ম করে যেতেই থাকে তাহলে সেটা অন্যরকম বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। যা হোক, আমরা শুধু আমাদের মতামত প্রকাশ করতে পারি, সিদ্ধান্ত ব্লগের মান্যবর কর্তৃপক্ষই নিবেন।
শুভকামনা জানবেন।
২|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩
সাখাওয়াত হোসেন বাবন বলেছেন: এদের গুরুত্ব দেবার কিছু নেই । ইগনর করুণ ..
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৭
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনার পরামর্শ সঠিক। সেটাই করা উচিত। কিন্তু এরা অপব্লগার বলে সাধারণ ব্লগারদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করলে সেটার তো প্রতিবাদ হওয়া প্রয়োজন।
মূল্যবান মন্তব্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন। শুভকামনা সবসময়।
৩|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৮
অগ্নিবাবা বলেছেন: সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫৩/ কিয়ামত, জান্নাত ও জাহান্নামের বিবরণ
পরিচ্ছদঃ ৯. চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার বিবরণ
৬৮১৫। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা, আবূ কুরায়ব ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, উমার ইবনু হাফস ইবনু গিয়াস, ও মিনজাব ইবনু হারিছ তামিমী (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিনায় আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। এমতাবস্থায় (হঠাৎ করে) চন্দ্র বিদীর্ন হয়ে দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল। এক খন্ড পাহাড়ের এ পাশে পড়ল এবং অপর খন্ড পড়ল পাহাড়ের ওপাশে। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih
ছোটবেলা থেকেই হনুমান ছিলেন অত্যন্ত চঞ্চল। পুরান অনুসারে একদা তিনি সূর্যকে ফল ভেবে খেয়ে ফেলেন। এতে রেগে গিয়ে দেবরাজ ইন্দ্র শিশু হনুমানের ওপর বজ্র নিক্ষেপ করে সূর্যকে উদ্ধার করেন। - বাল্মীকি রামায়ণ, পৃষ্ঠা ৪২২
এই দুইটা ঘটনার মধ্যে কোনটা রুপকথা? এবং কেন রুপকথা। এইটার উত্তর নকিব ভাই, বাবন ভাই, মুমিন ভাই ইত্যাদী ভাইগনকে জানানোর অনুরোধ করছি। সরি ধানাই পানাই চলবে না।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩০
নতুন নকিব বলেছেন:
এটা খুঁজে বের করার দায়িত্ব অন্যদের না দিয়ে আপনি নিজে নিলেই সম্ভবতঃ বেশি ভালো হয়। ভালো থাকুন। শুভকামনা আপনার জন্য।
৪|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮
বাজ ৩ বলেছেন: নকিব ভাই।প্রত্যেকেই ভালোবাসার মানুষকে কাছে পেতে চায়,যাকে ছাড়া ভালো লাগেনা,রাজীব নূর@এবং @গাজী একই কোয়ালিটর।বেচারা নতুন নিকও খুলতে পারছেনা,
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪০
নতুন নকিব বলেছেন:
বেকুব এবং সীমালঙ্ঘনকারীরা একসময় এইভাবেই আটকে যায়। এখানে (এই পৃথিবীতে) অতি বাড়-বাড়ন্তদের একটি দল পরকালেও এইভাবেই আটকে যাবে। তখন আফসোস করা ছাড়া আর কিছুই করণীয় থাকবে না তাদের। "ইয়া লাইতানি কদ্দামতু লিহায়াতি!, অর্থাৎ, হায়, আমি আমার জীবনটাকে ধ্বংস করেছি!" বলে হাহুতাশ করতে থাকবে তারা।
ভদ্রলোক মডারেশন প্যানেলকে নিয়েও যাচ্ছেতাই বকে যাচ্ছিলেন ইদানিং। ডোডো মগজ ইত্যাদি বলে উপহাস করছিলেন। অবশ্য, পানিতে নেমে কুমিরের সাথে লড়াই করার মজাই আলাদা! তিনি হয়তো সেটাই পরখ করার চেষ্টা করে আসছিলেন। যা হোক, তার শুভবুদ্ধির উদয় হোক। তার জন্য শুভকামনা।
অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা এবং শুভকামনা আপনার জন্য, যথার্থ মন্তব্যে।
৫|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৬
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালোয় ভালোরে চিনে
মন্দ চিনে মন্দ
ভালো মন্দ এক হলেই
বাড়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব।
একই ক্যাটাগরীর মানুষ একই ধরণের চরিতের মানুষ খুঁজে। ছি ছি এর পরে যদি কিছু থাকে তার জন্য এটাও প্রযোজ্য । জঘন্য মানুষগুলো নিজের মতকেই শুদ্ধ বলে মনে করে, নিজেদের খুব জ্ঞানী ভাবে
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩
নতুন নকিব বলেছেন:
মানুষ ক্ষমা করলেও প্রকৃতির কাছ থেকে কৃতকর্মের দায় অটোমেটিক চলে আসে। সীমালঙ্ঘনেরও একটা সীমা থাকে। কিন্তু কিছু মানুষের তাও থাকে না। এসব লোককেই আবার কেউ কেউ চারিত্রিক সার্টিফিকেট দিতে চায়। সাধারণ ব্লগারদের "অপব্লগার" বলে অপমান করতে চায়, খুবই দুঃখজনক।
অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা এবং শুভকামনা, মন্তব্যে আসার জন্য।
৬|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪
অগ্নিবাবা বলেছেন: নকিব ভাই, এড়িয়ে গেলেন? উত্তর আমিই দিয়ে দিচ্ছি, সুস্থ মাথা দিয়ে বিবেচনা করলে যে কেউ বুঝতে পারে, উপরের দুটো বর্ননাই হলো গালগল্প, রুপকথা।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৭
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ, আপনার গবেষনার জন্য। ঠিক এড়িয়ে যাইনি। আসলে পোস্টের আলোচ্য বিষয়ের বাইরে এই মুহূর্তে যেতে পারছি না বলে দুঃখিত। চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার ঘটনার সাথে যে ঘটনাটার তুলনা করেছেন সেটা যথার্থ কি না, আপনিই চিন্তা করে দেখুন। চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার ঘটনা সম্মন্ধে জানতে এই পেইজটা দেখতে পারেন-
চাঁদ দ্বিখন্ডিত করণের প্রস্তাব (اقتراح شق القمر)
শুভকামনা।
৭|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২
আদিবাসী শামুক বলেছেন: ১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই চন্দ্রে প্রথম পদাপর্ণকারী দলের নেতা নেইল আর্মষ্ট্রং স্বচক্ষে চন্দ্রপৃষ্ঠের বিভক্তি রেখা দেখে বিস্ময়াভিভূত হন এবং ইসলাম কবুল করেন। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের ভয়ে তিনি একথা কয়েক বছর পরে প্রকাশ করেন।[6]
রেফারেন্স- লেখক নিজে উক্ত চন্দ্র বিজয়ী দলের ঢাকা সফরকালে নিকট থেকে তাদের স্বচক্ষে দেখেছেন এবং অনেক পরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় উক্ত খবরটি পড়েছেন। -লেখক।
প্রশ্ন হলো, স্বচক্ষে লেখক নিজে দেখেছেন এইটা কেমনে চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হবার প্রমাণ?
হ্যাঁ, পত্র পত্রিকায় তো এটা নিয়ে অনেক লেখাই আসছে, তা নিল আর্মস্ট্রঙ নিজে কোনোদিন এসব কিছু বলছে? বললে কোথায়? পত্রিকায় কিসের ভিত্তিতে ছাপা হইছে?
কী অবস্থা আপনার লজিকের!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫
নতুন নকিব বলেছেন:
এটা আমার লজিক কেন হবে? ঐ পেইজটা যিনি/ যারা লিখেছেন, প্রশ্নটা তাকে/ তাদেরকে করা যেতে পারে। ধন্যবাদ।
৮|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২
রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কেমন ধার্মিক বা কেমন আপনার মানসিকতা সেটা আপনার পোষ্ট পড়েই বুঝা যাচ্ছে।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭
নতুন নকিব বলেছেন:
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় রাজীব নুর, কেমন আছেন আপনি? কোন কারণে কি আপনার মন খারাপ, আজ?
শুভকামনা জানবেন।
৯|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: যারা কোরআন কোনদিন পড়েনি বা একটি শব্দও উচ্চারণ করতে পারবেনা তারাই কোরআনের ব্যাখ্যা করতে, কি ভয়ানক ব্যপার!
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৬
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনার কথাটি যথার্থ। কুরআনের ব্যাখ্যা (তাফসীর) করতে হলে অন্তত আরবি ভাষা, আসবাবুন নুযূল, নাসখ-মানসূখ, উলূমুল কুরআন ইত্যাদির জ্ঞান থাকা জরুরি। যিনি কুরআন কখনো পড়েননি বা একটি আয়াতও ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারেন না, তিনি যদি নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করেন, তা সত্যিই ভয়ানক ও বিপজ্জনক। এতে দ্বীনের বিকৃতি ঘটে এবং মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। মূলকথা, যিনি কুরআন জানেন না, তিনি তার ব্যাখ্যা করার দাবি করলে তা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।
শুভেচ্ছাসহ।
১০|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩৭
আমি নই বলেছেন: চাদগাজী আর তার মুরিদ দুইটাই সেইম। আবোল-তাবোল বকে আর নিজেকে অনেক জ্ঞানী মনে করে।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৮
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনার কথাটা একদম ঠিক। চাদগাজী আর তার মুরিদ একই কয়েনের দুই পিঠ। আবোলতাবোল বকে, জ্ঞানের ফুলঝুরি ছড়ায়, কিন্তু গভীরতা শূন্য।
শুভকামনা জানবেন।
১১|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: অগ্নিবাবা, আপনাদের মতো লোক যদি চোখের সামনে চাঁধ দিখন্ডিত হতে দেখতেন তাহলে কি বলতেন? হ্যালুসিনেশন?
”... তবুও তারা একথাই বলতো, আমাদের দৃষ্টি বিভ্রম হচ্ছে বরং আমাদের ওপর যাদু করা হয়েছে” ১৫ঃ১৫
“কিয়ামাত আসন্ন, চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে, আর তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাচরিত জাদু” ৫৪ঃ১-২
তিনি যদি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত না করতেন তাহলে জাদুর প্রসঙ্গ আসত না। সেই সময়েই সবাই বলত, চাঁদ ত দ্বিখণ্ডিতই হয়নি এ তো ডাহা মিথ্যা। মুসলমানরাও বিশ্বাস করত না।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৩
নতুন নকিব বলেছেন:
অগ্নিবাবা আমার খুব কাছের মানুষ। তিনি জ্ঞানী লোক।
শুভকামনাসহ।
১২|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২১
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: শিরোনামে সহমত।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৪
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। পোস্টের কোন কোন কথায় দ্বিমত, জানতে পারলে ভালো লাগতো।
১৩|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৭
অগ্নিবাবা বলেছেন: @ আলামিন১০৪ ভাডি, চান্দ ভাগ আমারে একা দেখাইবেন কেনু? পৃথিবীতে আল্লাহ না মানার সংখ্যা বেশী। তাদের সজ্ঞলিরে দেখান, সবাই ইসলাম কবুল করব। কেডা জাহান্নামের আগুনে পুড়বার চায়? আমরা হুরের সাথে সহবত করতে চাই। ঝামেলা শেষ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৪
নতুন নকিব বলেছেন:
আমি বিশ্বাস করি, আপনি অবশ্যই ফিরে আসবেন।
শুভকামনাসহ।
১৪|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৩
আলামিন১০৪ বলেছেন: অগ্নিবাবা বলেছেন: @ আলামিন১০৪ ভাডি, চান্দ ভাগ আমারে একা দেখাইবেন কেনু? পৃথিবীতে আল্লাহ না মানার সংখ্যা বেশী। তাদের সজ্ঞলিরে দেখান, সবাই ইসলাম কবুল করব। কেডা জাহান্নামের আগুনে পুড়বার চায়? আমরা হুরের সাথে সহবত করতে চাই। ঝামেলা শেষ
আন্নে কি আমার মন্তব্য পড়েছেন? বুঝার মতো ক্ষেমতা নাই বোধ হয়..নাকি বুলবেন যে, কোরআন বিকৃত হয়ে গেছে?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৬
নতুন নকিব বলেছেন:
তিনি বুঝেন। অনেক কিছুই বুঝেন। হয়তো কাউকে কাউকে একটু আধটু বাজিয়ে দেখতে চেষ্টা করেন।
১৫|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৮
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: @ অগ্নিবাবা, এই দুইটা ঘটনার মধ্যে কোনটা রুপকথা? এবং কেন রুপকথা। এইটার উত্তর নকিব ভাই, বাবন ভাই, মুমিন ভাই ইত্যাদী ভাইগনকে জানানোর অনুরোধ করছি। সরি ধানাই পানাই চলবে না। আপনি রুপকথা বলছেন? আসলে আপনি কি প্রজ্ঞাসম্পন্ন মানুষ যে আমি রুপকথা নাকি সঠিক সত্য কি জানবেন বা জানার চেস্ঠা করবেন। হাদীস তুলে ধরেছেন। রাসুলের মৃত্যুর ৩০০ বৎসর পর উদঘাটিত হাদীস এনেছেন। ভাই হাদীসের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু যে আপনি উপহাস করছেন। আপনি আল কোরআনের আলোচন করেন।
আসলে সেদিনকার প্রকৃত ঘটনাটা কি? পেক্ষাপটে প্রকৃত পক্ষে সেদিনকার ঘটনাটা ছিলো ‘রাসুল সা: কিয়ামতের নির্দশন বা কিয়ামত কিভাবে ঘটবে সেটি দেখানোর জন্য মক্কাবাসীকে জড়ো করেছিলেন আল্লাহ প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে। নিদীষ্ট সময়ে তিনি হাত উচু করে চাদের দিকে তাকিয়ে তিনি সবাইকে বলেছিলেন কেয়ামত কিভাবে হবে সেটি দেখ। আর ঠিক তখনই চাদে একটি বিস্ফোরন মনে হলো আরেকটি চাদ আলাদা হয়ে গিয়েছিলো। কেয়ামত কিভাবে হবে রাসুলের এই নিদর্শন কি প্রমান করে? এই প্রশ্ন আজ আমাদের মাঝে প্রশ্ন সৃষ্টি করে কিয়ামত কিভাবে হবে? তাহলে সেদিন চাঁদের বুকে কি ঘটেছিলো? কেনো চাঁদে এই বিকট বিস্ফোরন ঘটেছিলো? আর সেই বিস্ফোরনের সাথে কিয়ামতের কি সম্পর্ক থাকতে পারে?
সেদিন চাঁদের বুকে বিশাল এক প্রস্তরখন্ড আঘাত করেছিলো। যার আঘাতের কারনে চাদ ব্যপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলো। “বিজ্ঞান অবহিত করেছেন যখন কোন পাথরখন্ড বা গ্রহানূ মহাশূন্য থেকে চাঁদেও মধ্যাকর্ষনের কারনে তার পৃষ্ঠের দিকে সবেগে ছুটে আসতে থাকে তখন চাঁদেও কোন বায়ুমন্ডল না থাকায় এরা বিনা বাঁধায় এতো প্রচন্ড গতিতে চন্দ্রপৃষ্ঠে আঘাত হানে যে পতিত স্থানে কল্পনাতীত ধাক্কায় Fusion পদ্ধতিতে পারমানবিক বোমার মত ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ঘটে । ফলে ব্যাপক তাপের সৃষ্টি হওয়ায় পতিত স্থানে মুহুর্তেই বিরাট অগ্নি গোলকের সৃষ্টি হয়। অগ্নিগোলকের প্রচন্ড তাপে চাঁদেও শক্ত কঠিন মাঠি, পাথর সব গলে গিয়ে উত্তপ্ত লাভায় পরিনত তয়। পরবর্তীতে ঐ লাভা সৃষ্ট গর্তেও কিয়দংশ পূর্ন করে থাকে। এই অবস্থায় পাথরখন্ড বা গ্রহানু অথবা ধুমকেতু চন্দ্রপৃষ্ঠে পতিত হওয়ার কারনে যদি প্রচন্ড ধাক্কায় প্রতিক্রিয়ায় পতিত স্থান থেকে কোন বড় শক্ত পাথরখন্ড বা একটা পাহাড়খন্ড দলাবদ্ধ অবস্থায় মহাকাশের দিকে উৎক্ষিপ্ত হয়, তাহলে ঐ উৎক্ষিপ্ত মাটির দলাটিও Fusion পদ্ধতি লাভ করে পারমানবিক বোমার মতো প্রচন্ড অগ্নিগোলক সৃষ্টি করে উল্টাপথে মহাশুন্যে জ্বলতে থাকবে এবং ধাক্কায় Trust প্রাপ্ত উধ্বগতি শেষ হওয়া মাত্রই চাঁদের মধ্যার্কষন বলের আর্কষনে আবার চাঁদের দিকে ফিরে আসবে। আসলে সেদিন চাঁদের এস্টিরয়েড এর আঘাত হয়েছিলো। আল্লা রাসুলকে বলেচিলেন সকলকে দেখাও পৃথিবীতে কিভাবে কেয়ামত হবে? একটি এস্টিরয়েড এর আঘাতে পৃথিবীও ধ্বংশ হবে। এটি আল্লা মানুষকে বোঝাতে চেয়েছিলেন।
এখন আসি আল কোরআন কি বলে? “কিয়ামাত আসন্ন, চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে, আর তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাচরিত জাদু” ৫৪ঃ১-২ আপনি কি বুঝলেন। কেয়ামত আসন্ন। চাঁদ বিদীন হয়েছে। শব্দের অর্থ কি? চাঁদ বিদীন মানে চাদে ফাটল ধরেছে। (এস্টিরয়েড এর আঘাতে।) তোমাদেরকে দেখালাম নিদর্শন মানে কিভাবে কেয়ামত ঘটবে। আর তোমরা এটিকে গল্প বানিয়ে দিলে। জাদু টাদু বলে বসলে। এটি মোহাম্মদের কোন জাদু ছিলো না এটি ছিলো কেয়ামত কিভাবে ঘটবে তার নিদর্শন। এখন আপনি হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন চাাঁদে ফাটল বলতে কি বোঝানো হয়েচে। @ অগ্নিবাবা, এই দুইটা ঘটনার মধ্যে কোনটা রুপকথা? এবং কেন রুপকথা। এইটার উত্তর নকিব ভাই, বাবন ভাই, মুমিন ভাই ইত্যাদী ভাইগনকে জানানোর অনুরোধ করছি। সরি ধানাই পানাই চলবে না। আপনি রুপকথা বলছেন? আসলে আপনি কি প্রজ্ঞাসম্পন্ন মানুষ যে আমি রুপকথা নাকি সঠিক সত্য কি জানবেন বা জানার চেস্ঠা করবেন। হাদীস তুলে ধরেছেন। রাসুলের মৃত্যুর ৩০০ বৎসর পর উদঘাটিত হাদীস এনেছেন। ভাই হাদীসের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু যে আপনি উপহাস করছেন। আপনি আল কোরআনের আলোচন করেন।
আসলে সেদিনকার প্রকৃত ঘটনাটা কি? পেক্ষাপটে প্রকৃত পক্ষে সেদিনকার ঘটনাটা ছিলো ‘রাসুল সা: কিয়ামতের নির্দশন বা কিয়ামত কিভাবে ঘটবে সেটি দেখানোর জন্য মক্কাবাসীকে জড়ো করেছিলেন আল্লাহ প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে। নিদীষ্ট সময়ে তিনি হাত উচু করে চাদের দিকে তাকিয়ে তিনি সবাইকে বলেছিলেন কেয়ামত কিভাবে হবে সেটি দেখ। আর ঠিক তখনই চাদে একটি বিস্ফোরন মনে হলো আরেকটি চাদ আলাদা হয়ে গিয়েছিলো। কেয়ামত কিভাবে হবে রাসুলের এই নিদর্শন কি প্রমান করে? এই প্রশ্ন আজ আমাদের মাঝে প্রশ্ন সৃষ্টি করে কিয়ামত কিভাবে হবে? তাহলে সেদিন চাঁদের বুকে কি ঘটেছিলো? কেনো চাঁদে এই বিকট বিস্ফোরন ঘটেছিলো? আর সেই বিস্ফোরনের সাথে কিয়ামতের কি সম্পর্ক থাকতে পারে?
সেদিন চাঁদের বুকে বিশাল এক প্রস্তরখন্ড আঘাত করেছিলো। যার আঘাতের কারনে চাদ ব্যপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলো। “বিজ্ঞান অবহিত করেছেন যখন কোন পাথরখন্ড বা গ্রহানূ মহাশূন্য থেকে চাঁদেও মধ্যাকর্ষনের কারনে তার পৃষ্ঠের দিকে সবেগে ছুটে আসতে থাকে তখন চাঁদেও কোন বায়ুমন্ডল না থাকায় এরা বিনা বাঁধায় এতো প্রচন্ড গতিতে চন্দ্রপৃষ্ঠে আঘাত হানে যে পতিত স্থানে কল্পনাতীত ধাক্কায় Fusion পদ্ধতিতে পারমানবিক বোমার মত ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ঘটে । ফলে ব্যাপক তাপের সৃষ্টি হওয়ায় পতিত স্থানে মুহুর্তেই বিরাট অগ্নি গোলকের সৃষ্টি হয়। অগ্নিগোলকের প্রচন্ড তাপে চাঁদেও শক্ত কঠিন মাঠি, পাথর সব গলে গিয়ে উত্তপ্ত লাভায় পরিনত তয়। পরবর্তীতে ঐ লাভা সৃষ্ট গর্তেও কিয়দংশ পূর্ন করে থাকে। এই অবস্থায় পাথরখন্ড বা গ্রহানু অথবা ধুমকেতু চন্দ্রপৃষ্ঠে পতিত হওয়ার কারনে যদি প্রচন্ড ধাক্কায় প্রতিক্রিয়ায় পতিত স্থান থেকে কোন বড় শক্ত পাথরখন্ড বা একটা পাহাড়খন্ড দলাবদ্ধ অবস্থায় মহাকাশের দিকে উৎক্ষিপ্ত হয়, তাহলে ঐ উৎক্ষিপ্ত মাটির দলাটিও Fusion পদ্ধতি লাভ করে পারমানবিক বোমার মতো প্রচন্ড অগ্নিগোলক সৃষ্টি করে উল্টাপথে মহাশুন্যে জ্বলতে থাকবে এবং ধাক্কায় Trust প্রাপ্ত উধ্বগতি শেষ হওয়া মাত্রই চাঁদের মধ্যার্কষন বলের আর্কষনে আবার চাঁদের দিকে ফিরে আসবে। আসলে সেদিন চাঁদের এস্টিরয়েড এর আঘাত হয়েছিলো। আল্লা রাসুলকে বলেচিলেন সকলকে দেখাও পৃথিবীতে কিভাবে কেয়ামত হবে? একটি এস্টিরয়েড এর আঘাতে পৃথিবীও ধ্বংশ হবে। এটি আল্লা মানুষকে বোঝাতে চেয়েছিলেন।
এখন আসি আল কোরআন কি বলে? “কিয়ামাত আসন্ন, চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে, আর তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাচরিত জাদু” ৫৪ঃ১-২ আপনি কি বুঝলেন। কেয়ামত আসন্ন। চাঁদ বিদীন হয়েছে। শব্দের অর্থ কি? চাঁদ বিদীন মানে চাদে ফাটল ধরেছে। (এস্টিরয়েড এর আঘাতে।) তোমাদেরকে দেখালাম নিদর্শন মানে কিভাবে কেয়ামত ঘটবে। আর তোমরা এটিকে গল্প বানিয়ে দিলে। জাদু টাদু বলে বসলে। এটি মোহাম্মদের কোন জাদু ছিলো না এটি ছিলো কেয়ামত কিভাবে ঘটবে তার নিদর্শন। এখন আপনি হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন চাাঁদে ফাটল বলতে কি বোঝানো হয়েচে। চাঁদে ফাটল ধরেছে এটি অস্বীকার করা যাবে না। প্রমান স্যাটেলাইট দেয়।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬
নতুন নকিব বলেছেন:
কুরআনুল কারিমের (৫৪:১-২) আয়াত এবং সহীহ হাদীস (বুখারী, মুসলিম) অনুসারে এটি নবীজী সা. -এর মুজিজা, চাঁদ সত্যি বিদীর্ণ হয়েছিল (অনেক সাহাবী দেখেছেন)। এই ঘটনা কিয়ামতের নিকটবর্তীতার নিদর্শন হিসেবে সংঘটিত হয়েছিল। এটি একটি মু'জিজা বা অলৌকিক (supernatural) ঘটনা, বিজ্ঞানের সাধারণ নিয়মে এই ঘটনার ব্যাখ্যা করা যাবে না।
শুভকামনাসহ।
১৬|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪২
আলামিন১০৪ বলেছেন: লাবলু, আপনি কি কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে পড়াশুনা করেছেন? সেখানে মেজারমেন্ট প্রবলেম নামক একটা বিষয় আছে, অর্থাৎ আপনি দেখার বা মাপার চেষ্টা করলে অন্য ঘটনা ঘটে, অন্যথায় আজগুবি সব ঘটনা ঘটতে থাকে। কিন্তু আইনস্টাইন এটা বিশ্বাস করতে চাইতেন না তিনি বলেছিলেন, ..I like to think that the moon is there even if I am not looking at it... মহাবিজ্ঞানী আইনস্টাইনকে ভুল প্রমাণিত করে পরবর্তীতে কোয়ান্টম ম্যাকিনিক্সের সব আজগুবি ও ব্যাখ্যাতীত তত্ত্ব পরীক্ষাগারে সঠিক প্রমাণিত হয় ও এর জন্য কয়েকজন পদার্থবিদ নোবেল পুরস্কারও পায়। এর সাথে ঈসা আঃ পানিতে হাটার ঘটনার মিল পাওয়া যায়, তিনি তার সাথীদের বলেছিলেন, তোমরা পানির দিকে না তাকিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাটতে থাক। কিন্তু একজন দেখার জন্য পায়ের দিকে তাকাতেই পানিতে ডুবতে শুরু করে।
কোয়ান্টাম ম্যাকানিক্সের আজগুবি ঘটনাসমূহের মধ্যে রয়েছে, কণা সমূহের গায়েবী অন্তর্ধান ও আবির্ভাব, ওয়াল বা ব্যারিয়ার ভেদ করে অপর পাশে গমন, বিলিয়ন(সীমাহীন) আলোক বর্ষ দূরেও মুহুর্তে যোযগাযোগ রক্ষা (কোয়ান্টাম এনটেঙ্গেলমেন্ট) ইত্যাদি। এখন এ ধরনের ভৌতিক ঘটনা কি বড় বস্তুর ক্ষেত্রে ঘটতে পারে? হ্যা পারে তবে তার প্রোবাবিলিটি খুবই কম বলে মনে করা হয়।
আপনি যেভাবে কজ আর এফেক্ট দিয়ে চন্দ্র বিভাজন ব্যাখ্যা করছেন বিষয়টা সেরকম নয়, আল্লাহর নির্দেশে কোন বাহ্যিক কারণ ছাড়াই যে কোন ঘটনা ঘটতে পারে যে রকমটা উপরে বললাম। আপনি কোন হাদিসের রেফারেন্স ছাড়া নিজ মন মতো বানিয়ে বানিয়ে যেরকমটা বললেন যে, কিয়ামত কিভাবে হবে সেটা দেখানোর জন্য চন্দ্র বিভাজন ঘটেছে। অথচ, ঘটনাটি অন্যরকম,
আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, মক্কাবাসী রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে কোনো নিদর্শন দেখতে চাইল। তখন আল্লাহ তাআলা চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করে দেখিয়ে দিলেন। তারা দেখতে পেল যে চাঁদের দুই খণ্ড হেরা পাহাড়ের দুই পাশে চলে গেছে। (সহিহ মুসলিম)
আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়া সম্পর্কিত হাদিসকে মুতাওয়াতির (সন্দেহাতীত অবিচ্ছিন্ন ধারাবাহিক সূত্রে বর্ণিত হাদিস) বলেছেন। (তাফসিরে ইবনে কাসির : ৪/২৭৬)
আপনি সতর্ক হোন, নিজে বানিয়ে বানিয়ে রাসুল এর নামে বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত হোন, তিনি বলেছেন 'যে ব্যক্তি জেনে-বুঝে আমার নামে মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে নিজের আসন প্রস্তুত করে নেয়।' (বুখারি, মুসলিম)
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৮
নতুন নকিব বলেছেন:
চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার ঘটনা রাসূলে কারিম সা. -এর অন্যতম একটি মু'জিজা, অন্য অনেক বিষয়ের মত এই ঘটনারও বিজ্ঞানের সাধারণ নিয়মে ব্যাখ্যা করা হয়তো সম্ভব হবে না।
শুভকামনাসহ।
১৭|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩৯
অগ্নিবাবা বলেছেন: লাবলু ভাই, আপনার গাজির পাঠের মত বড় মন্তব্য পড়ে মাথা নষ্ট না করে চ্যাটজিপিটির কাছে নিরপেক্ষ ভাবে জানতে চাইলাম আপনার কেমেন্টের সত্যতা কতটুকু? চ্যাটজিপিটি বলল,
না, এই মন্তব্যটি বৈজ্ঞানিকভাবে ও ইসলামী মূলধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী সঠিক নয়।
এটি একটি ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা (speculative interpretation), প্রমাণিত সত্য নয়।
এখন ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করছি।
১️⃣ কোরআনের আয়াত (সূরা ক্বামার ৫৪:১–২) আসলে কী বলে?
“কিয়ামত আসন্ন, চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।”
ইসলামী তাফসিরে এই আয়াতের তিনটি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়:
(ক) মূলধারার ব্যাখ্যা (অধিকাংশ আলেম)
এটি রাসূল ﷺ–এর মু‘জিযা
চাঁদ সত্যিই বিভক্ত হয়েছিল, পরে আবার একত্র হয়
বহু সাহাবি এটি প্রত্যক্ষ করেছেন (সহিহ হাদিসে বর্ণিত)
(খ) কিয়ামতের ভবিষ্যৎ আলামত
কিছু আলেম বলেন: এটি ভবিষ্যৎ কিয়ামতের সময় হবে
আরবি ভাষায় মاضي (হয়ে গেছে) ভবিষ্যৎ ঘটনার নিশ্চিততা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়
(গ) রূপক/ভিশন (minority view)
এটি বাস্তব বিভাজন নয়, বরং দৃষ্টি/নিদর্শন
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৯
নতুন নকিব বলেছেন:
যৌক্তিক আলোচনা চলতেই পারে। ধন্যবাদ।
১৮|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪১
অগ্নিবাবা বলেছেন: ২️⃣ “চাঁদে ফাটল = এস্টেরয়েড আঘাত” — বৈজ্ঞানিক দিক থেকে কি টেকে?
❌ বড় সমস্যা এখানে
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৯
নতুন নকিব বলেছেন:
চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার ঘটনা রাসূলে কারিম সা. -এর অন্যতম একটি মু'জিজা, অন্য অনেক বিষয়ের মত এই ঘটনারও বিজ্ঞানের সাধারণ নিয়মে ব্যাখ্যা করা হয়তো সম্ভব হবে না।
শুভকামনাসহ।
১৯|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪
অগ্নিবাবা বলেছেন: কপি পেস্ট করতে সমস্যা হচ্ছে। আবার প্লেইন টেক্সট এ চ্যাট জিপিটির উত্তর দিলাম।
এই মন্তব্যটি প্রমাণিত সত্য নয়। এটি একটি ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা ও অনুমানভিত্তিক মত, যা ইসলামের মূলধারার তাফসির এবং আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে মেলে না।
কোরআনের সূরা ক্বামার ৫৪:১–২ আয়াতে বলা হয়েছে “কিয়ামত আসন্ন, চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।” এই আয়াতের ব্যাখ্যায় ইসলামী চিন্তাবিদদের মধ্যে কয়েকটি মত পাওয়া যায়। অধিকাংশ আলেমের মতে এটি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি মু‘জিযা, অর্থাৎ আল্লাহর বিশেষ ক্ষমতায় চাঁদ বিভক্ত হয়েছিল এবং পরে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। কিছু আলেম বলেন এটি ভবিষ্যৎ কিয়ামতের ঘটনার পূর্বঘোষণা, যেখানে আরবি ভাষার ভঙ্গিতে ভবিষ্যৎ ঘটনাকে অতীতকালে বলা হয়েছে নিশ্চিততা বোঝাতে। অল্প কিছু ব্যাখ্যায় এটিকে দৃষ্টিগত নিদর্শন বা ভিশন বলা হয়েছে। তবে কোন গ্রহণযোগ্য তাফসিরেই এস্টেরয়েড আঘাত, বিস্ফোরণ বা বৈজ্ঞানিক নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়নি।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, চাঁদের গায়ে অসংখ্য গর্ত বা ক্রেটার আছে, যা গ্রহাণু ও ধূমকেতুর আঘাতে তৈরি। কিন্তু এগুলোর বয়স কয়েকশ কোটি বছর। মানব ইতিহাসের শেষ দুই হাজার বছরে এমন কোন বিশাল আঘাতের প্রমাণ নেই। যদি সত্যিই এমন বড় বিস্ফোরণ হতো, তাহলে চাঁদের কক্ষপথ বদলে যেত, পৃথিবীতে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিত এবং পৃথিবীর সব সভ্যতার ইতিহাসে এর সুস্পষ্ট উল্লেখ থাকত। এমন কোন প্রমাণ নেই।
চাঁদের গায়ে যে লম্বা দাগ বা ফাটলের মতো গঠন স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যায়, সেগুলো মূলত লাভা টিউব, টেকটোনিক ফিচার বা ঠান্ডা হওয়ার সময় সৃষ্ট গঠন। এগুলো চাঁদ দু’ভাগ হয়ে আবার জোড়া লাগার প্রমাণ নয়। নাসা বা অন্য কোন আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থা কখনো বলেনি যে ঐতিহাসিক কালে চাঁদ বিভক্ত হয়েছিল।
এস্টেরয়েড আঘাতে “ফিউশন হয়ে পারমাণবিক বোমার মতো বিস্ফোরণ” ঘটে—এই বক্তব্যটি বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। পারমাণবিক ফিউশন বা ফিশন ঘটতে হলে নির্দিষ্ট পরিবেশ, চাপ ও তাপমাত্রা দরকার, যা প্রাকৃতিক পাথরের আঘাতে হয় না। এস্টেরয়েড আঘাত মূলত গতিজ শক্তির কারণে তাপ ও ধ্বংস সৃষ্টি করে, নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ নয়।
হাদিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যুক্তিসঙ্গত, কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে হাদিস সংরক্ষিত হয়েছে বর্ণনাকারীর ধারাবাহিক সূত্র বা ইসনাদের মাধ্যমে। অনেক হাদিস একাধিক স্বাধীন সূত্রে বর্ণিত। কেউ চাইলে হাদিস গ্রহণ নাও করতে পারেন, কিন্তু সেক্ষেত্রে নিজস্ব ব্যাখ্যাকে নিশ্চিত ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে দাবি করা যায় না।
সব মিলিয়ে বলা যায়, এই মন্তব্যটি একটি কোরআনের আয়াতকে আধুনিক বৈজ্ঞানিক কল্পনার সাথে মিলিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা। এটি বিশ্বাস হিসেবে রাখা যেতে পারে, কিন্তু একে প্রমাণিত সত্য, বৈজ্ঞানিক সত্য বা সর্বজনস্বীকৃত ইসলামী ব্যাখ্যা বলা ঠিক নয়।
সংক্ষেপে, এটিকে রূপকথা বলার চেয়ে বলা ভালো এটি একটি অনুমানভিত্তিক ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা, যার পক্ষে নির্ভরযোগ্য ধর্মীয় বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৪
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনার মত করে নিজের পক্ষে একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন। কিন্তু মনে রাখা দরকার, কুরআনের বাণী বিজ্ঞান দ্বারা প্রমানিত কি না, এসব যাচাই করে বিশ্বাসীরা বিশ্বাস করেন না। আর এটা হওয়া উচিতও নহে। অনেক বিষয় পৃথিবীর শেষ সময়েও এমন থেকে যাবে, যার রহস্য বিজ্ঞান ভেদ করতে পারেনি। সুতরাং, বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা ছিল, আছে এবং থাকবে। কিন্তু মহান সৃষ্টিকর্তার কোন কিছুর সীমাবদ্ধতা নেই। তাঁর কথা, তাঁর বাণী সঠিক, এতেও কোন সন্দেহ নেই। অনেক ধন্যবাদ।
২০|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:১৭
আলামিন১০৪ বলেছেন: অগ্নিবাবা, নিজে অগ্নিবাসী হওয়ার আগে সাবধান হোন..
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৪
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ।
২১|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:২৪
অগ্নিবাবা বলেছেন: আলামিন ভাই, আমারে আপনি বাগে পাইবেন না, আপনাদের ডরে আমি বেনামে ব্লগ চালাই, আপনি আমারে আগুন দিতে পারবেন না, আফশোষ! দেখেন আপনার আল্লাহ আমার মাথায় ঠাডা ফেলায় কি না। আল্লাহর সামনে সেজদায় লুটায়ে পড়েন, কান্দে পড়েন।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি নির্ভয়ে ব্লগ চালাতে পারেন।
২২|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: @অগ্নিবাবা, কিসের মধ্যে কী পান্তাভাতে ঘী...
আগুন মানে দোযখের আগুন, আপনারে দোযখের আগুন থেকে সাবধান করার চেষ্টা বৃথা গেল বোধ হয়
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫
নতুন নকিব বলেছেন:
না, আপনার চেষ্টা বৃথা যায়নি। তিনি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ।
২৩|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭
অগ্নিবাবা বলেছেন: সরি আলামিন ভাই, আমি ভাবছি আপনি আগুন দেবেন। আপনার হাত থেকে বেঁচে গেলাম। আপনার আল্লাহ কি খুব রাগী?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬
নতুন নকিব বলেছেন:
আল্লাহ তাআ'লা অত্যন্ত দয়ালু। অসীম ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্লগে লেখার পূর্ণ স্বাধীনতা সবার বজায় থাকুক ।
..............................................................................
আমি কোন ব্লগার ব্যান থাকুক চাই না
পারস্পরিক বিরোধ যারা করে তারা উভয়ে সমান অপরাধী,
নিজের খেয়ে বনের মহিষ তাড়ানোর মধ্যে কোন বাহাদুরী নাই ।
যিনি বা যারা নিয়ম ভঙ্গ করবে তাদের লেখা এক্সপান্জ সহ
অনেক শাস্তি দেবার সুযোগ মডারেশন এর আছে ।