নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ! যা চেয়েছিলাম, তার চেয়েও বেশি দয়া করেছেন আমার পরম প্রিয় রব। যা পাইনি, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র আক্ষেপ নেই—কারণ জানি, তিনি দেন শুধু কল্যাণই। সিজদাবনত শুকরিয়া।\n\nপ্রত্যাশার একটি ঘর এখনও কি ফাঁকা পড়ে আছে কি না, জানি না। তবে এটুকু জানি—

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

শীতটা বরাবরই উপভোগ্য

১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৭

শীতটা বরাবরই উপভোগ্য

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

হাড় কাঁপানো প্রচন্ড শীতে আগে আগুন পোহানোর দৃশ্য সচরাচর দেখা গেলেও এখন তেমন একটা চোখে পড়ে না। বিশেষ করে আগেকার সময়ে গ্রাম বাংলার চিরচেনা চিত্র ছিল এটা। আমরা ছোট মাটির পাত্রে কাঠের চুলার জ্বলে শেষ হয়ে যাওয়া কয়লা ভরে আগুন পোহাতাম। এই পাত্রকে তাওয়া বলা হতো। কেউ কেউ খড় কুটো জমা করে আগুন জ্বালিয়ে চারপাশে একত্রিত হয়ে আগুন পোহাতো। এখন আর এসব দৃশ্য তেমন একটা চোখে পড়ে না।

সময় বদলে গেছে। এখন গ্রাম কিংবা শহর সবখানে ব্ল্যাঙ্কেট, হিটার বা গরম কাপড়ই শীতের সঙ্গী। আগুন পোহানোর সেই উষ্ণতা, গল্প-গুজবের আড্ডা, পরিবার-প্রতিবেশীদের একত্রিত হওয়ার সেই সুযোগ কমে গেছে। কিন্তু শীতের সৌন্দর্য এখনো অমলিন, কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল, পিঠা-পুলির মৌ মৌ গন্ধ, খেজুরের রসের মিষ্টি স্বাদ, এগুলো এখনো কদাচিত চোখে পড়ে। আসলে শীত আমাদের স্মৃতিতে রেখে যায় একটা নস্টালজিয়া, যা ফিরে আসে প্রতি বছরই। শীতকে উপভোগ করি, স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরি, কারণ এটাই তো আমাদের বাংলার শীতের আসল রূপ।

অনেক দেশে এবছরের শীত তীব্র আকার ধারণ করেছে। বেশ কয়েক দিন ধরেই দেখেছি, আফগানিস্তানের অনেক স্থানে মাইনাস তাপমাত্রা দেখা গেছে। দেশটির কোথাও কোথাও অবস্থা খুবই জটিল, মাইনাস ১০/১২ তে নেমেছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ইরানেও তাপমাত্রা খুবই কম। তুরষ্কের বিস্তির্ন এলাকার অবস্থা একইরকম। মাইনাস তাপমাত্রা দেখা গেছে সেখানেও। ইউরোপের অধিকাংশ দেশ এবং উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ এলাকা এবং পুরো কানাডা বলতে গেলে বরফের চাদরে ঢাকা। এর বাইরে, আমাদের নিকট প্রতিবেশী চীন, রাশিয়ার অবস্থাও প্রায় একই রকম। দেখে মনে হয় যেন, শ্বেত শুভ্র বরফের চাদর পড়ে আছে এসব জনপদ। দূর প্রাচ্যের আমাদের বন্ধু দেশ জাপানও পিছিয়ে নেই। শীতের প্রকোপ সেখানেও তীব্র। দেশটির অধিকাংশ অঞ্চলই মাইনাস তাপমাত্রায় কাবু। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ জানুয়ারি ২০১৮ সালে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায়।

বিচিত্র পৃথিবী, বিচিত্র এখানকার আবহাওয়া। গোটা ইউরোপ, আমেরিকার উত্তর গোলার্ধের প্রায় পুরোটা, চীন, জাপান, রাশিয়াসহ পৃথিবীর বিস্তৃর্ণ অঞ্চল যখন তীব্র শীতের কবলে জবুথবু অবস্থা, ঠিক তখনই ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকার কিছু দেশ, দক্ষিন আমেরিকার আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলসহ অনেক দেশেই বিপরীত আবহাওয়া। তীব্র গরমে অস্ট্রেলিয়া যেন পুড়ে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার কোন কোন অঞ্চলে তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে ৪৪/৪৫ ডিগ্রির ঘরে। এই একইসময়ে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, আফ্রিকার কিছু দেশ, দক্ষিন আমেরিকার আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলসহ অনেক দেশেই নিয়মিত বৃষ্টিও হতে দেখা যাচ্ছে, যা বৈপরিত্বপূর্ণ এবং খুবই আশ্চর্য হওয়ার মত বিষয়।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



জলবায়ু পরিবর্তনের ফল।
সামনে আরও খারাপ সময় আসছে।

১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০১

নতুন নকিব বলেছেন:



সেটাই। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও কঠিনভাবে পড়তে পারে গোটা পৃথিবী জুড়ে। অবস্থা দৃষ্টে তা খুবই স্পষ্ট।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.