| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
নতুন ভোরের প্রত্যাশা; উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে জাতীয় নির্বাচন
ছবি সংগৃহিত।
টানা ১৮ বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পাতানো নির্বাচনের পর আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ফ্যাসিবাদের পতনের পরে এটি প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। সারা দেশে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই, ভোট। গত তিনটি বিতর্কিত ও একতরফা নির্বাচনের পর এবারই প্রথম পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি ভোটার। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ চলছে। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে সেখানে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ হবে। মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি। ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি কক্ষে ভোট নেওয়া হচ্ছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মাঠে রয়েছেন। প্রায় অর্ধেক কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত নজরদারিতে রয়েছে ড্রোন, বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং অধিকাংশ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা। এবারের ভোটে তরুণ ভোটার প্রায় ৪৩ শতাংশ, সংখ্যায় ৫ কোটির বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, তারাই নির্ধারণ করবেন আগামীর রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় দলটির সমর্থকদের ভোট কোন দিকে যাবে, সেটিও বড় আলোচনার বিষয়।
এবারের নির্বাচনে মোট প্রার্থী ১ হাজার ৯৭৬ জন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে মূলত বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটগুলোর মধ্যে। বিএনপি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ২৯০টি আসনে লড়ছে। জামায়াত-১১ দলীয় জোট থেকে জামায়াত ২২৩টি আসনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে লড়ছে। মিত্র এনসিপি ৩২টি আসনে লড়ছে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে। জাতীয় পার্টি (জেপি) ১৯২টি আসনে ‘লাঙ্গল’ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ‘হাতপাখা’ প্রতীকে লড়ছে ২৫৯টি আসনে। এছাড়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে আছেন ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ১৯টি দেশ থেকে এসেছেন ৫৪০ জন বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষকও মাঠে থাকছেন। প্রথমবারের মতো এবার প্রবাসী ও কারাবন্দিদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৭ লাখ ৩০ হাজার ভোট জমা পড়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রত্যাশা, একটি অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এখন সবার চোখ ফলাফলের দিকে। এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়, এটি গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর প্রস্তাবের জন্য। তেমন সময় সুযোগ পাওয়া গেলে চেষ্টা থাকবে ইনশাআল্লাহ।
২|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: 
এটাই একটি দলের ভোটের গনজোয়ারের অবস্থা।
৩|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: 
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৪০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সম্ভব হলে ভৌটার , ভোট ও ভোট কেন্দ্রের ছবিসহ আপডেট দিতে থাকুন নিয়মিত বিরতিতে ।