| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজকে আমাদের সময়ে একটি আর্টিকেল দেখলাম । দারুন কিছু যুক্তি তুলে ধরেছেন মোহাম্মদ এ আরাফাত ।
আমাদের সংবিধান সংশোধন নিয়ে ।
মদিনা সনদ, পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। মহানবী (সা.) দেখলেন মদিনাবাসীদের মধ্যে সবাই মুসলমান নন। সেখানে অন্য ধর্মেরও লোক আছে। মহানবী (সা.) সব নাগরিকের জন্য ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান উপহার দিলেন। এই হল মহানবীর (সা.) মদিনা সনদের চেতনা। মদিনা সনদ বিসমিলস্নাহ দিয়ে শুরু হয়নি। মদিনা সনদের মাধ্যমে মদিনার রাষ্ট্রধর্মও ইসলাম করা হয়নি।
যেসব সামরিক শাসকরা ধর্মীয় উপাদান সংবিধানে ঢুকিয়েছিলেন তারা নিশ্চয় মহানবীর (সা.) চেয়ে বড় ইসলামপ্রেমী নন। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সেই '৭২-এর মূল সংবিধানে ফিরে যেতে চাই। এই সংবিধানে বিসমিলস্নাহ থাকা চলবে না। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হওয়া চলবে না। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বাতিল হতে হবে।
পুরো আর্টিকেল্টা নীচে দিলাম
------------------------------------------------------------------
সংবিধান সংশোধন: জেনারেল সফিউলস্নাহ্কে ধন্যবাদ, পরিষ্কারকণ্ঠে সত্য উচ্চারণের জন্য
মোহাম্মদ এ আরাফাত:
সংবিধান সংশোধনীর বিশেষ কমিটি সমাজের বিভিন্ন সত্মরের মানুষের মতামত গ্রহণ করছে। বিশেষ করে সমাজের অপিনিয়ন বিল্ডার্স বলে যারা খ্যাত এবং জনমানুষের মতামতের প্রতিধ্বনি যারা করেন সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন পস্নাটফর্ম থেকে তারাই অংশগ্রহণ করেছেন এ মতবিনিময় সভাগুলোতে। অতিসমপ্রতি সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে পঞ্চম এবং সপ্তম সংশোধনী বাতিল হওয়ার মধ্যেদিয়ে আমাদের সংবিধান অনেকটাই কলুষমুক্ত হয়েছে। সামরিক শাসকরা যথেচ্ছভাবে সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করেছেন বিভিন্ন সময়ে। এই অনিয়মতান্ত্রিক সংশোধনগুলোকে বাতিল করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলশ্রুতিতে আমাদের সংবিধান তার মূল চেতনায় বেশ কিছুটা ফিরে গেছে।
তবে অষ্টম সংশোধনী বাতিল করতে না পারলে, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বিষয়টি সংবিধানে যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ এই সংবিধান তার মূলচেতনায় পূর্ণাঙ্গরূপে ফিরে যেতে পারবে না। কাজেই সর্বোচ্চ আদালত সংবিধানের রক্ষক হিসেবে যা করার তা করেছেন, এখন বাকি কাজটা অর্থাৎ সংবিধানের অন্যান্য অসংগতিগুলো সংশোধনীর মাধ্যমে দূর করে পূর্ণাঙ্গরূপে '৭২-এর সংবিধানের মূল চেতনায় ফিরে যাওয়ার কাজটা করবে সংসদ। কারণ সংবিধান সংশোধনীর এখতিয়ার একমাত্র সংসদের।
সেই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিষয়গুলিকে সর্বোচ্চ সম্মান দেখিয়ে সংবিধান সংশোধনীর বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে এবং তারা সর্বসত্মরের মানুষের মতামত শুনেছেন।
'৭২-এর অসামপ্রদায়িক চেতনার মূল সংবিধানে ফিরে যেতে হলে এই সংবিধানে যেসব ধর্মীয় উপাদান সামরিক স্বৈরাচারী শাসকরা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে ঢুকিয়েছিল সেগুলো বাতিল করতে হবে।
বাংলাদেশের সংখ্যাগুরু মানুষ মুসলমান হলেও এ দেশে অন্যান্য ধর্মের মানুষও বাস করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় কিছু কুলাঙ্গার ব্যতীত ধর্মনির্বিশেষে হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে অংশ নিয়েছিল। কাজেই এই দেশ কোনো বিশেষ ধর্মের নয়, নয় এদেশের সংবিধানও। শুধুমাত্র সংখ্যাধিক্যের জোরে কোনো বিশেষ ধর্মের উপাদান সংবিধানে সংযোজন করা হবে মহাঅন্যায় কাজ যা শুধু গণতন্ত্র বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী নয়, ধর্মবিরোধীও বটে।
ইসলামের মহানবী (সা.) যখন মদিনায় অবস্থান করছিলেন তখন সেখানকার জনসাধারণ তাঁকে অনুরোধ করল একটি সংবিধান রচনার জন্য যা কিনা হবে মদিনার শাসনতন্ত্র, তখনই রচিত হল মদিনা সনদ, পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। মহানবী (সা.) দেখলেন মদিনাবাসীদের মধ্যে সবাই মুসলমান নন। সেখানে অন্য ধর্মেরও লোক আছে। মহানবী (সা.) সব নাগরিকের জন্য ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান উপহার দিলেন। এই হল মহানবীর (সা.) মদিনা সনদের চেতনা। মদিনা সনদ বিসমিলস্নাহ দিয়ে শুরু হয়নি। মদিনা সনদের মাধ্যমে মদিনার রাষ্ট্রধর্মও ইসলাম করা হয়নি।
কাজেই আজকে যারা মহানবীর (সা.) রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চেতনা থেকে সরে গিয়ে সংবিধানে বিসমিলস্নাহ অথবা রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে বাড়াবাড়ি করছেন তারা ধর্মীয় চেতনা থেকে তা করছেন না। যেসব সামরিক শাসকরা ধর্মীয় উপাদান সংবিধানে ঢুকিয়েছিলেন তারা নিশ্চয় মহানবীর (সা.) চেয়ে বড় ইসলামপ্রেমী নন। কাজেই কেন এই মানুষগুলো ধর্মীয় উপাদান আমাদের সংবিধানে থাকা বা না থাকার বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ি করছেন বা অতীতে করেছিলেন? একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে যায় এই ভণ্ড রাজনীতিবিদ বা রাজনৈতিক দলগুলো ধর্মীয় চেতনা থেকে সরে গিয়ে ধর্মকে শুধু ব্যবহার করতে চায়। কারণ সাধারণ মানুষকে ধর্ম দিয়ে সহজেই বিভ্রানত্ম করা যায়। কাজেই এই উদ্দেশ্যে সংবিধানে বিসমিলস্নাহির রাহমানির রাহিম রাখার রাজনীতি ধর্মকে তথা বিসমিলস্নাহকে আরো ছোট করছে। ধর্মের বেসাতি পরা এই ভণ্ড রাজনীতিবিদদের থেকে আমাদের সাবধান থাকতে হবে। আর ন্যায্যতার স্বার্থে উচ্চকণ্ঠে সত্য উচ্চারণ করতে হবে। আমি মনে করি বাংলাদেশের সংখ্যাধিক্য মানুষ ন্যায্যতার পক্ষেই দাঁড়িয়ে এবং দাঁড়াবে। আমাদের শুধু দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে সাহসের সঙ্গে উচ্চস্বরে ন্যায্য কথা বলতে হবে।
আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সফিউলস্নাহকে। তিনি সংবিধান সংশোধনীর সংসদীয় কমিটির সঙ্গে দেখা করে আসার পর গণমাধ্যমের সামনে উচ্চকণ্ঠে বলেছেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সেই '৭২-এর মূল সংবিধানে ফিরে যেতে চাই। এই সংবিধানে বিসমিলস্নাহ থাকা চলবে না। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হওয়া চলবে না। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বাতিল হতে হবে। আমরা সবাই জেনারেল সফিউলস্নাহর সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলতে চাই আমরা আমাদের মূল সংবিধানে ফিরে যেতে চাই। আশাকরি সংবিধান সংশোধনীর বিশেষ সংসদীয় কমিটি তার দায়-দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে সমর্থ হবে এবং এই সংসদ আমাদের একটি পরিচ্ছন্ন সংবিধান উপহার দিতে সক্ষম হবে।
লেখক: নির্বাহী পরিচালক, সুচিনত্মা ফাউন্ডেশন। শিক্ষক, ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ।
বিশেষ ধন্যবাদঃ হাবিব ভাই।
২|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১০:১৫
শ।মসীর বলেছেন: দুই দলের এত ত্যানাপেচানোর থেকে একটা গনভোট আয়োজন করলেইত ল্যাঠা চুকে যায়, দেশের আপামর জনগন কি চায় তখন বুঝা যাবে..........
এই সেদিন ও কোন একটা দেশে দেখলাম গনভোট করে জনগন বিবাহ বিচ্ছেদ এর পক্ষে রায় দিয়েছে.......। সো আমাদের এখানেও করা যাইতে পারে..........
৩|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১০:২৭
আতরআলী বলেছেন: শামসীরের মাথায় বহুত বুদ্ধি। আচ্ছা শামসীর বলতো, "এখন যদি শরিফ উদ্দিন ভালো শিল্পী, নাকি হ্যাপি আখন্দ ভালো শিল্পী?" এটা নিয়ে গনভোট হলে রেজাল্ট কি হবে?
তোমার মতো মূর্খরা যে দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ, সে দেশ কোন ধরনেরর গনভোটের অনুকূলে নয়। যে বোধাই জনগন বছর বছর হাসিনা খালেদারে নির্বাচিত করতে পারে, তাদের হাতে আবার সংবিধান নিয়ে গনভোট?!!!
৪|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১০:৩৭
নীরব দর্শক বলেছেন: কথাটা ঠিক। তবে সেদিন এক বাম নেতারে দেখলাম এই কথা গুলোই বলতে যে কিনা নিজেকে নাস্তিক দাবি করে।
আসলে সবাই ধর্মকে ব্যবহার করে সুবিধার জন্য।
৫|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:০১
মৃগয়া বলেছেন: @আতর
পাগল সবাইরে পাগল ভাবে। তারা সংখ্যাগরিস্ঠ ও নয়। এই জন্য তাদেরকে মেন্টালে ঢুকাই রাখা হয় । মাঝে মইধ্যে দুই চাইরটা তুমার মতো বাইর হয়া যায়। আর নিজেরে হেব্বি হেডু মনে করে।
এখন তুর কাছে একটা কুশ্চেন ক দেহী হাচিনা মাথায় সাদা কাপড় কখন বান্দে আর ক্যান বান্দে? আর হ্যার কাছে আব্দার করতাছোস বিসমিল্লাহ উডানোর জন্য।
৬|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:১১
মশিউর মামা বলেছেন: সবার চেয়ে আতর আলীর মাথায় বেশি বুদ্ধি |
৭|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:১৬
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
@শামসীর
গনভোটে ব্যপক কারচুপি হয়েছে। এই স্থুল কারচুপীর নির্বাচন মানিনা।
৮|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:৪৪
নুরুল আবছার চৌধুরী দিনু বলেছেন: ধন্যবাদ আর্টিকেলের লেখকে, সেই সাথে আমাদের সময়কে।
আমরা হইলাম প্যাঁচ লাগানোর মানুষ। সেইজন্য তো সব সময় সোজাসুজি কোন কিছু চিন্তা করতে পারিনা। আর চিলে কান নিয়েছে কিনা তা না দেখেই চিলের পিছনে ছুটি।
আর্টিকেলটা বেশী পড়া উচিত আওয়ামীলীগের নেতা নেত্রীদের। কারণ নিজে না জানলে অন্যদের জানাবে কী করে।
৯|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:৫৭
গরীবের কথা বলেছেন: এই জায়গায় দুইটা কোয়েশ্চেন ছিলোঃ
১ - লেখক কোন সাব্জেক্টের শিক্ষক আর কিসের জ্ঞান বিতরণ করছেন? 'শিক্ষক' এই লেবেল থাকলেই সবাইকে সব বিষয়ে জ্ঞানী ভাবা ঠিক না।
২ - উনি কি মদীনা সনদকে সঠিকই মানেন? চুরি করলে হাত কাটা হবে, বা ব্যাভিচারে (প্রমাণ সাপেক্ষে) পাথর মারা হবে - এই বিষয়গুলোও নবীর সুন্নাতে ছিলো। উনি এগুলো সম্পর্কে কী ভাবেন? বাংলাদেশে এগুলো কবে চালু হতে যাচ্ছে, হ্যাঁ?
১০|
০৭ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:০৬
আতরআলী বলেছেন: মৃগয়া, চোত্তা পাতা লাগছে নাকি?
তুইযে একটা আবাল, সেইটা তোর কমেন্টেই বুঝা যাচ্ছে। খালেদার বিরুদ্ধে কিছু কইলেই সে হাসিনার লোক হয়ে যায়? মানে তোর কাকা আর তোর আব্বা দুইপক্ষ। তুমুল ঝগড়া করতেছে। এখন তুই তোর আব্বার বিপক্ষে কথা কওয়াতে যে বীর্যতে তোর জন্ম হয়েছে, সেটা তোর কাকার বীর্য হয়ে গেছে - ব্যাপারটা কি এরকমই?
শেখ হাসিনার মাথায় পট্টি ক্যান, শালীর বেটির প্রত্যেকটা নি:শ্বাসই কলুষিত। তো... কি হয়েছে!! শামসীর ধামড়ারে গণভোট নিয়ে প্রশ্ন করছি, এখানে হাসিনার নাম কি তোর মুখ দিয়া আইছে? নাকি পুটকি দিয়া আইছে?
১১|
০৮ ই জুন, ২০১১ সকাল ৯:৩৪
শ।মসীর বলেছেন: @আতরআলী ভাই - আপনাদের মত বুদ্ধীমানরা আছেন বলেইত আমরা বেঁচে আছি..........বোকাসোকা মানুষ আমরা, আপনারা জ্ঞান না দিলে জীবন থেমে যাবে.....আমাদের কি আর বুঝ জ্ঞান আছে নাকি.........
শরিফ উদ্দিন ভালো শিল্পী, নাকি হ্যাপি আখন্দ ভালো শিল্পী?" এই বিষয় আর সংবিধান - দুটোই যে একই রকম ব্যাপার , আপনি না বললে আসলে বুঝতামনা। ধন্যবাদ বুঝিয়ে দেয়ার জন্য।
১২|
০৮ ই জুন, ২০১১ সকাল ৯:৪৬
আতরআলী বলেছেন: @ শামসীর
বুঝবা কোত্থেকে, বুঝোতো খালি জাতীয়তাবাদের নামে ভন্ডামি। তোমার নিজেরও সংবিধান নিয়ে গণভোট দেয়ার যোগ্যতা নাই। থাকতো ম্যাংগো পাবলিকের...!
১৩|
০৮ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১২:৩৫
শ।মসীর বলেছেন: যত দোষ সবই ঐ ম্যাংগোর........মিস্টি একটা ফল অথচ আপনারা তারে সাধারন বানাইয়া রাখতে পছন্দ করেন.....ভাল ভাল, সব গিয়ানতো আপনাদের দখলে কি আর করা। । আমাদের আর কি যোগ্যতা ভাই......সস্তা পাবলিকের দলে আমরা।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জুন, ২০১১ সকাল ১০:০৭
আমি-মুসাফির বলেছেন: বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সফিউলস্নাহকে
ইনি ই কি সেই লোক যাকে আদালত কাপুরুষ বলে ঘোষনা দিয়েছে?