| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৮৩ টি। এখানে শিক্ষার্থী আছে প্রায় ৩০ হাজার। তাই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে অবশ্যই উচিৎ শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সমুন্নত রাখা। সেক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ের ৭.৫% ভ্যাটের খড়গ সবাইকে দ্বিধান্বিত করেছে। একদিকে সরকার বলেছে এই টাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দিবে।এখন প্রশ্নটি হচ্ছে কর্তৃপক্ষ দিবে কোথাথেকে? নিশ্চই তাদের সম্পত্তি বিক্রি করে নয়। তাহলে এই টাকার উৎস নিশ্চই শিক্ষার্থীরা। আর না হয় সরকার জানতো যে প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় অলরেডি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। সেইজন্য মিস্টার ভ্যাট মশাইয়ের মনে হয়েছে সেখানে ও কর বসিয়ে দেই। যেখানে অনুমোদন দেয়ার আগে শর্ত ছিল এইসব বিশ্ববিদ্যালয়কে হতে হবে অলাভজনক ও শিক্ষার্থীবান্ধব। এখন প্রশ্ন রয়েই গেল, এই যে ৭.৫% লাভ যা কিনা বিশ্ববিদ্যালয় হতে নিবে, যেসব লাভ কিনা আগে থেকে করে আসছে তা সরকার জেনে ও কেন নিশ্চুপ ছিল। নাকি তাতে সরকারের কেউ সংশ্লিষ্ট ছিল।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ সৃষ্টি করছে, ঠিক তেমনি জনসাধারনের জন্য না হয়ে ধনীবান্ধব হয়ে গেছে। ফলে টাকা আছে যার, শিক্ষা আছে তার এই নীতি চলছে। একটি কলেজের মোটামুটি ধরনের স্টুডেন্ট হয়েও বাবার টাকার কল্যাণে ডাক্তার ও ইন্জিনিয়ার হয়ে ক্যারিয়ার গড়ছে কিন্তু অনেক ভালো স্টুডেন্ট হয়েও টাকার অভাবে উচ্চশিক্ষা শেষ করতে পারেনি।।
তাই সরকারের এই মুহূর্তে উচিৎ স্বচ্ছ ও সর্বজনীনবান্ধব শিক্ষানীতি গ্রহন করা। যাতে কাউকে আর আন্দোলনরত অবস্থায় যেতে না হয়। ধনীগরীব শ্রেনী নির্বিশেষে শিক্ষাটা যেনো সবার জন্য হয়।
©somewhere in net ltd.