নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জীবনকে সাজাতে চাই সুন্দর বাগিচায়... তাই করি যা মনে চায়... live it love it ENJOY it!!
নিজের কেবিনে বসে আছে লিও। গালে হাত রেখে বাইরের অনন্ত বিস্তর মহাকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। তার সুইভেল চেয়ারটা আলতো করে এদিক ওদিক ঘুরাচ্ছে আর গভীর চিন্তায় ডুবে আছে। মন বলছে কোথাও একটা ঘাপলা আছে। এই মিশনটা যেন হঠাৎ করেই দেয়া হল তাকে। আর তৃতীয় মাত্রার সংকেত পাওয়া একটা ঘটনা বিজ্ঞান পরিষদ কিভাবে এতটা সহজভাবে দেখছে তা বোধগম্য হল না তার। সে আশা করেছিল আরো অবিজ্ঞতাসম্পন্ন, দক্ষ দলনেতাকেই এই মিশনে দায়িত্ব দেবে তারা।
ফোস করে নিঃশ্বাস ছাড়ল সে। হয়তো তারা ভেবেছে এটা ফলস সিগনাল ছাড়া কিছু না।
চেয়ার থেকে উঠে গ্লাসের বিশাল উইন্ডো স্কীনের সামনে দাড়ালো লিও। এখান থেকে পুরো মহাকাশটাই যেন দেখা যাচ্ছে। শুধুমাত্র পাতলা একটা ট্রান্সপারেন্ট আবরণ… আর তার পরেই রয়েছে অসীম শুন্যতা…
ট্রিনিটি… শুনতে পাচ্ছো? মৃদু স্বরে বলল সে।
অবশ্যই মহামান্য লিও। একই ভঙ্গিতে স্পীকার থেকে ভেসে এল ট্রিনিটির গলা।
তৃতীয় মাত্রার সংকেত অনেক বড় একটা ব্যপার তাই না?
জ্বী মহামান্য লিও। মানবজাতির ধ্বংসের সম্মুখিন হলে এই মাত্রার সংকেত দেওয়া হয়।
তাহলে আমাকে কেন পাঠানো হল? মানব জাতির অন্তরায়ের মুহুর্তে বিজ্ঞান একাডেমি কি আরো বিচক্ষণ লোককে খুজে পায় নি?
এ প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই মহামান্য লিও। আপনার দক্ষতার উপর বিজ্ঞান একাডেমির যথেষ্ঠ আস্থা রয়েছে। নাহলে এই মিশনে অন্য কাউকেই তারা অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা করত।
কিন্তু চিন্তা করে দেখো, মহাকাশের দিক থেকে যোগাযোগ মডিউলটির দিকে দৃষ্টি ফিরালো লিও। আমি শুধু সিন্ড্রা মিশনে ছিলাম, জিমেরও প্রথম মিশন ছিল সেটা। ইরারও তেমন অবিজ্ঞতা নেই। শুধু কিরু২ আর জেনারই মোটামুটি অবিজ্ঞতা আছে বড় মিশনে যাবাব মতো। ব্যপারটা কি অদ্ভূত নয়?
আপনার যুক্তি বুঝতে পারছি মহামান্য লিও। অযথা চিন্তা করবেন না। বিজ্ঞান পরিষদ যেনে বুঝেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি না…
যদি না কি? উপরের দিকে তাকাল লিও। থামলে কেন?
মাফ করবেন মহামান্য। এটা বলার ক্লেয়ারিফিকেশান নেই আমার। চতুর্থ ধারার দ্বিতীয় মাত্রার অপরাধ।
চিন্তিত ভঙ্গিতে চিবুকে হাত বুলালো লিও। চতুর্থ মাত্রার যে কোন অপরাধই বিনা বিচারে যাবতজীবন নির্বাসনের সমতূল্য। আর দ্বিতীয় মাত্রার হলে তো আরো অনেক কঠিন ব্যপার।
ট্রিনিটি আমি এই অভিযানের দলপতি। আমার কাছে থেকে লুকাবে তুমি?
আমি সত্যিই দুঃখিত লিও। এক্ষেত্রে আমার কিছু করার নেই।
দীর্ঘশ্বাঃস ফেলে আবার মহাকাশের দিকে ফিরল লিও। দূরে দেখা যাচ্ছে স্কাউট শীপগুলো। তাদের ডানার নিচের সতর্কতামুলক লাল রঙের লাইটগুলো জ্বলছে নিভছে। যে কোন সময় পর্যাপ্ত ডেটা সংগ্রহ করে চলে আসবে স্কাউটশীপ গুলো। দূরের প্রান্তরে বিশাল ডালাকৃতির স্পেসস্টেশনটার দিকে চোখ আটকে গেল তার। সিলিন্ডার আকৃতির স্পেসস্টেশনটার মাঝখানে চোখের মত গর্তটি আর্টিফিশিয়াল গ্রেভিটির জন্যে নিজের অক্ষের চারদিকে ঘুরছে। দেখে লিওর মনে হলো তার দিকে চোখটি তাকিয়ে আছে। বাটন টিপে গ্লাস উইন্ডোটা অন্ধকার করে দিল লিও।
আগের পর্ব
২| ০১ লা জুন, ২০১৬ দুপুর ১:৫৯
রাফীদ চৌধুরী বলেছেন: তাহলে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে আপনাকে পড়ার জন্যে আমন্ত্রণ রইল!
৩| ০১ লা জুন, ২০১৬ দুপুর ২:৩৪
বৈশাখের আমরণ নিদাঘ বলেছেন: এত পিচ্চি দুই পর্ব? মুহুর্তেই শেষ হয়ে গেল। তাড়াতাড়ি শেষ করেন। এরপর একেবারে পড়ে কমেন্ট করবো। আপনার বলার ভঙ্গী ভালোলেগেছে।
মন্তব্যের প্রতিউত্তর সবুজ এরোটায় চাপ দিয়ে করুন। তাহলে প্রতিউত্তরে পাঠক নোটীফিকেশন পাবেন। শুভকামনা রইলো।
০১ লা জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০২
রাফীদ চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে পিচ্চি পর্বদুটো পড়েছেন দেখে। পুরো গল্পের প্লটটা অনেক বিশাল বলে ছোট ছোট পর্বে ভার করেছিলাম। সামনের পর্বগুলো আস্তে আস্তে বড় হবে!
সবুজ এরোটা কিভাবে মিস হয়ে গেল উপরে বুঝতে পারলাম না। এনি ওয়ে আশা করি সাথে থাকবেন!
৪| ০১ লা জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৫
সিলা বলেছেন: পরের পর্ব গুলও তারাতারি দেন।
পুরটা গল্প একসাথে পরে ফেলতে ইচ্ছে করতেছে।
০১ লা জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:১৬
রাফীদ চৌধুরী বলেছেন: আজকে রাতেই পরের পর্ব দিয়ে দিবো। পড়ার আমন্ত্রণ রইল!
৫| ০২ রা জুন, ২০১৬ সকাল ১১:০১
মাগুরগিয়াসাইবারফোর্স বলেছেন: ভাললিকা
০২ রা জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:১১
রাফীদ চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
৬| ০৬ ই জুন, ২০১৬ ভোর ৪:৪৬
☺ বলেছেন: সুন্দর
০৬ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৪৪
রাফীদ চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!
৭| ২০ শে আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ১২:৪৯
ভীনদেশী বলেছেন: ☺ বলেছেন: সুন্দর
২৪ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ১০:০০
রাফীদ চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ ভালো লেগেছে বলে
৮| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৪
আন্দালিব তিয়েন বলেছেন: সুন্দর লেখা
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২০
রাফীদ চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
©somewhere in net ltd.
১| ০১ লা জুন, ২০১৬ রাত ১:৫৩
গেম চেঞ্জার বলেছেন: শেষ করেন। একসাথে পড়ব।