নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালো থাকুন সবাই ।জীবনকে উপভোগ করুন নিজের মতো করে।

ইসিয়াক

হয়তো কোনদিন দেখা হবে না কারো সাথে অদেখা অদেখাই রয়ে যাবে।।যখন আমি হারিয়ে যাবো তখনো কি আমায় মনে রাখবেন?

ইসিয়াক › বিস্তারিত পোস্টঃ

গীতি কবিতা ৩

১৭ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৫৮



দীঘির জ্বলে শাপলা ফোটে,চোখ জুড়ানো মন।
অচিন পাখীর মিষ্টি সুর মনটা যে উচাটন।
আবেশ ছুঁয়ে যায়,স্বপ্নেরই মায়ায়।
ব্যকুল হয়ে যাই,সুরের মদিরায়।

বাংলা আমার ভালোবাসা,বুকে রাখা দম।
চিরদিনই ভালোবাসি একটুও নয় কম।
জড়িয়ে আছে বাংলা আমার, মায়ের আঁচল জুড়ে।
স্বপ্নগুলো ধরা আছে , স্মৃতির আখরে।
হৃদয় কথা বলে,মনটা উড়ে চলে।
বাংলা মায়ের কোলে, আদর খাবো বলে।

ভুলিনি তোমায়, ভুলবোনা, ওগো প্রিয় স্বদেশ।
শিশির ভেজা, শ্যামল মাঠ, স্বপ্ন ভরা আবেশ।
ফিরে ফিরে যাই ,দূর্বা ঘাসের পাতায়।
মটরশুটির ফুলে ফুলে মন হারিয়ে যায়।
মনটা ছুয়ে যায়,স্বপ্নেরই ছোয়ায়।
ব্যকুল হয়ে যাই,সুরের মদিরায়।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৫০

জাফরুল মবীন বলেছেন: আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি।বাংলা মাকে নিয়ে লেখা কবিতা ভালবাসি।দেশকে নিয়ে লেখার কবিকেও ভালবাসি। :)

১৮ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:০৯

ইসিয়াক বলেছেন: প্রিয় জাফরুল মবীন ভাইয়া,
আপনার আন্তরিক মন্তব্যে আমি সত্যি আপ্লুত। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা সহ শুভকামনা জানবেন।

২| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: প্রতিটা লাইনে দেশের প্রতি ভালোবাসা ফুটে উঠেছে।

১৮ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:০৯

ইসিয়াক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৩৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: পড়ে মন আন্দোলিত হল।

১৮ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:১০

ইসিয়াক বলেছেন: শুভসকাল মহী ভাই।

৪| ১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দেশমাতৃকার নিয়ে গীতিকবিতায় ভালোলাগা।
শুভেচ্ছা প্রিয় কবি ভাইকে।
প্রত্যহ সকালে থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রচন্ড চাপে থাকি। বাড়ি ফিরে ঘুম। অবসন্ন শরীরে আর ভার্চুয়াল জগতে‌ চোখ বোলানো হয়ে উঠছে না। আপনাদের প্রচুর পোষ্ট জমে গেছে। দেখি কতটা কভার করতে পারি।

১৮ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:১৩

ইসিয়াক বলেছেন: দেশাত্মবোধক গান
মুক্তির মন্দির সোপানতলে
************************
লিখেছেনঃ মোহিনী চৌধুরী
++++++++++++++++
মুক্তির মন্দির সোপানতলে
কত প্রাণ হল বলিদান,
লেখা আছে অশ্রুজলে ।।

কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,
বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙ্গা
তাঁরা কি ফিরিবে আজ সু-প্রভাতে,
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।।

যাঁরা স্বর্গগত তাঁরা এখনও জানেন
স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভুমি
এসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষা লভি
সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি।

যাঁরা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা,
মৌন মলিন মুখে জোগালো ভাষা
আজি রক্ত কমলে গাঁথা মাল্যখানি
বিজয় লক্ষ্মী দেবে তাঁদেরই গলে।

১৮ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:১৭

ইসিয়াক বলেছেন: মোহিনী চৌধুরী
মোহিনী চৌধুরী (৫ সেপ্টেম্বর, ১৯২০ - ২১ মে ১৯৮৭) একজন খ্যাতনামা বাঙালি কবি, গীতিকার ও চিত্র পরিচালক।
প্রারম্ভিক জীবন
তার জন্ম অধুনা বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়ায়। কলকাতার রিপন স্কুল (সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) থেকে বিশেষ কৃতিত্বের সাথে ম্যাট্রিক পাশ করেন ও ওখান থেকেই আই. এস. সি পাশ করে বি. এস. সি তে ভর্তি হন। গানের প্রতি নেশায় বি.এস. সি পরীক্ষা অসমাপ্ত রেখে গান লেখার সাথে যুক্ত হন। ১৯৪০ সালে কলকাতা জিপিও তে চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি আট বছর মাত্র এই চাকরিতে ছিলেন।
গীতিকার ও চিত্রপরিচালনা
১৯৪৩ খৃষ্টাব্দ থেকে গ্রামোফোন রেডিও সিনেমার গীতিকার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। 'রাজকুমারী ওলো, নয়নপাতা খোলো,সোনার টিয়া ডাকছে গাছে ওই বুঝি ভোর হল' মোহিনী চৌধুরীর প্রথম গানের রেকর্ড। গানটি গাইলেন কুসুম গোস্বামী কমল দাশগুপ্তর সুরে। শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের 'অভিনয় নয়' ছায়াছবিতে প্রথম গান লেখার সুযোগ পেলে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। জিপিও'র চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে সর্বক্ষনের জন্যে গানের জগতে মনোনিবেশ করেন। রায়চৌধুরী, ঘুমিয়ে আছে গ্রাম, রংবেরঙ, সন্ধ্যাবেলার রূপকথা, একই গ্রামের ছেলে, ব্লাইন্ড লেন ইত্যাদি ছবিতে সহকারী চিত্রপরিচালনার কাজ করেন এবং গান লেখেন। তার পরিচালিত ও প্রযোজিত ছবি সাধনা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হলে তিনি বিজ্ঞানী ও সাংসদ মেঘনাদ সাহার অধীনে সংসদীয় সচিবের চাকরি করেন কিছুকাল। ১৯৫৪ সালে শিল্পপতি ডি. এন ভট্টাচার্যের একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করতে থাকেন। পরে প্রাইভেটে বি.এ পাশ করেন। ১৯৭১ সালে ডি.এন ভট্টাচার্যের ব্যবসা বিপর্যয় ঘটলে তার ১৭ বছরের চাকরিটি চলে যায়। শেষ জীবনে আর্থিক দুর্গতির সম্মুখীন হন এই জনপ্রিয় গীতিকার। গ্রামোফোন রেকর্ড ও সবাক চলচ্চিত্রে তার অজস্র গান শ্রোতাদের ভেতর খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। যার কিছু আজো বাঙালির মুখে মুখে ফেরে। 'মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান' নামক দেশাত্মবোধক গানটির জন্যে তিনি খ্যাতি ও সুনামের অধিকারী হয়েছিলেন। এই গানটির সুরকার ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র দে।
জনপ্রিয় গান
[১]মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হল বলিদান
[২]কাশ্মীর হতে কন্যাকুমারী
[৩]ভালবাসা মোরে ভিখারি করেছে
[৪]শতেক বরষ পরে
[৫]জয় হবে হবে জয়
[৬]শুনি আগডুম বাগডুম বাজে
[৭]কেন এ হৃদয় চঞ্চল হলো কে যেন ডাকে
[৭]আজ চঞ্চল মন যদি।
জগন্ময়-কমল-মোহিনী
গায়ক জগন্ময় মিত্র ও সুরকার কমল দাশগুপ্ত-র সঙ্গে মোহিনীবাবুর কথা। কয়েকটি গান জনপ্রিয় হল ।

[১]ভুলি নাই ভুলি নাই।
[২]আমি যে দুরন্ত বৈশাখী ঝড়।
[৩]ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে ।
মৃত্যু
গীতিকার মোহিনী চৌধুরী মারা যান ২১ মে, ১৯৮৭ খৃষ্টাব্দে।

৫| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ১:৫৮

আল-ইকরাম বলেছেন: পড়লাম। দেশ প্রেম আবারও জাগ্রত হলো হৃদয় মাঝে। শুভেচ্ছা অগনিত।

১৮ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:১৯

ইসিয়াক বলেছেন: আল-ইকরাম ভাইয়া,
আপনি এতো ভালো কেন? কি কষ্ট করে খুঁজে খুঁজে আমার লেখাগুলো পড়েন! সত্যি আমি কৃতজ্ঞ আপনার কাছে। ভালো থাকুন সবসময়।
শুভকামনা।

৬| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৮:১২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রতিমন্তব্যে মুগ্ধতা। মোহিনী চৌধুরীর প্রথম গানটা সম্পর্কে জানতাম কিন্তু বাকি বিষয়ে জানতে পেরে ধন্য বোধ করছি। ধন্যবাদ আপনাকে।
আগামীতে আমরা এরকম এক শিল্পী হিসেবে আপনাকে পেতে চাই।
শুভকামনা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.