নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নতুনের সন্ধানে অনন্ত যাত্রা

মাঝে মাঝে মন নিয়ন্ত্রনহীন হতে চায়; কিন্তু...............

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা › বিস্তারিত পোস্টঃ

যানজট নিরসনে সরকারী চেষ্টা কি জানজট লাগাতে?

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

যানজট কমাতে সরকার মহাব্যস্ত। মেজিট্রেট নেমেছে ফুটপাথ মুক্ত করতে। আবার শোনা যাচ্ছে ১৫ বছরের পুরাতন বা অবৈধ গাড়ি উচ্ছেদ করা হবে। কারণ এগুলোই না কি যানজটের জন্য দায়ী। উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপান আর কাকে বলে! এটা হচ্ছে এক ধরনের সরকারী অপ্রচার। কারণ গাড়ি ১৫ বছরের পুরাতন হলেই যে হঠাৎ বন্ধ হবে তা নয়। যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নতুন গাড়িও বন্ধ হতে পারে। গাড়ি পুরাতন হলেও তার যন্ত্রাংশ নিয়মিত পরির্বতন করতে হয়। তাই ১৫ বা ২০ বছরের পুরাতন বলে কথা নয়, গোলযোগ পূর্ণ যে কোন যানবাহন চালানো বন্ধের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না করে পুরাতন গাড়ি ধরার ব্যবস্থা মানেই জনগণের চিন্তার দুর্বলতার সুযোগে বিদেশী কোম্পানীর স্বার্থ রক্ষা করা।



আর যানজট কমাতে বৈধ বা অবৈধ গাড়ি বলে কথা নেই। অবৈধ গাড়িই কি সমস্যা? সে গুলো আইনত অবৈধ হলেও জনগনের তো প্রয়োজন আছে। তা না হলে তারা ব্যবসা করছে কি ভাবে? তবে সে গুলো বন্ধ না করে বৈধ করার ব্যবস্থা করে আইনের আওতায় আনতে হবে।



তবে বন্ধ যদি করতেই হয়, প্রাইভেট গাড়ি বন্ধ করতে হবে। কারন মাত্র একজন বা দুজন মানুষকে বহন করতে সে গুলো ব্যবহার করা হয়, আর পাবলিক গাড়িতে এক সঙ্গে অনেক মানুষ চলাচল করতে পারে। আমরা যদি হিসাব করি তাহলে দেখা যাবে যে প্রাইভেট গাড়িই বেশী জায়গা দখল করে, এমনকি রিক্সার চেয়েও। কারন রিক্সায় দুজন চড়ে আর ও গুলোতে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এক জন। আর দুজনও যদি হয় তা কি রিক্সার চেয়ে বেশী জায়গা দখল করে না?



কিন্তু সরকার তা না করে রিক্সা বা গাড়ি উচ্ছেদে নেমেছে। তাতে যানজট খানিকটা কমলেও অল্প আয়ের মানূষদের কি হবে? অনেকের আয়ের পথ বন্ধ হবে আবার অনেকের সহজে কম খরচে যাতায়াতের সুযোগ বন্ধ হবে। তাহলে এখন ভাবার বিষয়, যানজট বন্ধ কি ধনীদের সাচ্ছন্দে চলাচল বা বিদেশী কোম্পানীর গাড়ি বিক্রির স্বার্থে নাকি জনগনের কষ্ট লাঘবের স্বার্থে?



যদি প্রকৃতই জনগনের স্বার্থে হয় তাহলে

১। প্রাইভেট গাড়ি বন্ধ করতে হবে

২। ক্রমান্বয়ে রাস্তার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে,

৩। নদীসমূহ দখল মুক্ত করে খনন করে নদী পথ ব্যবহার করতে হবে

৪। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে

৫। ব্যবসায়ীদের হাত থেকে ফুটপাথ মুক্ত করতে হবে।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৬

সত্যান্বেষী বলেছেন:

জনগণতান্ত্রিক পোস্ট।

অনেকেই এভাবে ভাবে না যে সরকারের সব উদ্যোগই শেষ পর্যন্ত গুটি কয়েক ধনীর পক্ষে আর কোটি কোটি সাধারণ মানুষের বিপক্ষে যায়।

পোস্টে অজস্র প্লাস।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩০

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
"জনগণতান্ত্রিক পোস্ট" কথাটির অর্থ বুঝিনাই।

অনেকেই এভবে ভাবে না কারণ অনেবেই শ্রেণী সচেতন নয়। মনেরাখতে হবে বুর্জোয়াদের সকল পরিকল্পনাই তাদের শ্রেণী স্বার্থকে অক্ষুন্ন রাখবেই। আর শ্রমিক শ্রণীকেও তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য ভাবতে হবে, জোট বেধে আন্দোলন করতে হবে।

ধন্যবাদ

২| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩২

মেটালিফেরাস বলেছেন: যানজট নিরসন হচ্ছে এ যুগের সবচেয়ে বড় তামাশা! বর্তান ব্যবস্থায় যা কষ্মিন কালেও সম্ভব নয়।

এই এক একটা উদ্যোগের মানে আরও কিছু নতুন ফর্মুলায় টাকা হাতানো।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪২

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
হ্যা....... ঠিকই বলেছেন। এখন এরা গাড়ি উচ্ছেদ করবে নতুন গাড়ি কেনার জন্য যেমন করে বেবী টেক্সি উচ্ছেদ করে সিএজি চালিত টেক্সি আনা হয়েছে। আবার একবারে নগড় উন্নয়নের মাস্টার প্ল্যান না করে হয়তো বা রাস্তায় লেন বারান হবে, তা তৈরী হতে হতেই আরও প্রয়োজনীয়তা দেখা দিবে। তার পর আবার বারান হবে। এভাবে বারার নতুন রাস্তা তৈরীতে জনগনের টাকা তসরুফ হবে।

সবচেয়ে বড় কথা শিল্প-কারখানা স্থাপন করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান করে তাদেরকে শহর মুখী হওয়া বন্ধ না করলে, বিভিন্ন কার্যালয় দেশের অন্যত্র সরিয়ে না নিলে সমস্যা সমাধান অসম্ভব।

ধন্যবাদ।

৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৬

সত্যান্বেষী বলেছেন: জনগণতান্ত্রিক পোস্ট বলতে আমি বুঝাতে চেয়েছিলাম যে পোস্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের পক্ষে যায়।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৪

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
আপনি বুঝলেও "জনগণতান্ত্রিক" কথাটির অর্থ তা নয়। এখানে এবিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ নেই তাই আপনি দয়াকরে একটু ভাল করে বুঝে নিবেন।

৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০২

মনজুরুল হক বলেছেন:

পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টমানের ট্রাফিক সিস্টেম বজায় রেখে মাঝে মাঝেই এই হার্মাদীয় কর্মকান্ড বেশ মজাদার! ধরে নিতে পারি ঢাকার রাস্তায় কিছু নতুন টাটা নামছে! আরো ধরে নিতে পারি, ফুটপাথের হকাররা এই ঈদের আগে ব্যবসাপাতি গুটিয়ে আঙ্গুল চুষবে!

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তঃ যত দোষ গরিব ঘোষ!!!

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৯

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
হকারদের বিষয়টিও ভালই ধরেছেন। ঈদের আগে হকার উচ্ছেদ করতে পারলে ছোট ছোট সেমাই ব্যবসায়ী বা অন্যান্য ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীরা ব্যবসা করতে না পারলে বড় ব্যবসায়ীদের ব্যবস্যা ভাল হবে। বলতে পারেন বড় পুজি কর্তৃক ছোট পুজিকে গ্রাস করার পুজিবাদী নিয়ম তার পূর্নতা পাবে।

৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৭

সত্যান্বেষী বলেছেন:

মনজুরুল হক বলেছেন: চূড়ান্ত সিদ্ধান্তঃ যত দোষ গরিব ঘোষ!!!

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১১

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
এই ঘোষদেরকেই এক হতে হবে ধনীদের মাখন বন্ধ করতে।

৬| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১০

মনির হাসান বলেছেন:

মনজুরুল হক বলেছেন: চূড়ান্ত সিদ্ধান্তঃ যত দোষ গরিব ঘোষ!!!

কমেন্ট অব দ্যা মান্থ ।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১২

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
হ্যা ....... ঠিকই। তবে পূর্বের জবাব দ্রষ্টব্য
ধন্যবাদ।

৭| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২২

মনজুরুল হক বলেছেন:

ভাইরে, একটা করুন অভিজ্ঞতার কথা শুনুনঃ.....মতিঝিলের একটা অঞ্চলের কিছু হকারের সাথে প্রতি বছরই আমি ইফতার করি। কাগজের উপর সব একসাথে মেখে বসে যাই। গত চার বছর আগের এমনি এক রোজার মাসে হঠাৎ হকার উচ্ছেদ শুরু হলো! সাথে সাথে গ্রেফতারও। আমি হঠাৎ সেখানে গিয়ে থামাতে পেরেছিলাম। পুলিশকে আরো উপর মহলের "ভয়" দেখাতে হয়েছিল। পরে কিছু টাকাও "ঠ্যাক" হিসেবে দিতে হয়েছিল। সেই থেকে ওই হকাররা আমার বন্ধু হয়ে গেছে। গতবারও আমি অন্তত আমার চেনা জায়গা থেকে উচ্ছেদ করতে দেইনি। এজন্য শুধু যে তার্কতর্কিই করতে হয় তা নয়, প্রয়োজনে সঙ্গবদ্ধ করে ভয়ও দেখাতে হয়।

এখন হয়েছে কি, ওই এলাকার পুলিশ আমার কাছে "সাবসিডি" চায়! কত পারি? কিভাবে পারি? এই পারা কি সেই পারা? তবে আশার কথাঃ ওরাও সঙ্গঠিত হচ্ছে।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩০

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
তবে আশার কথাঃ ওরাও সঙ্গঠিত হচ্ছে।

হ্যা......... তাই হোক। তবে তা যেন শুধু মাত্র সুবিধা আদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না হয়ে যায়।

৮| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৫

পৈতাল বলেছেন: আমরা যদি হিসাব করি তাহলে দেখা যাবে যে প্রইভেট গাড়িই বেশী জায়গা দখল করে, এমনকি রিক্সার চেয়েও।পোস্টে অজস্র প্লাস।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৪

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
ধন্যবাদ।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৯

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: আমাদেরকে এভাবেই ভাবতে হবে।

৯| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪১

মনির হাসান বলেছেন: এবং এই রমজানে ইফতারের বাজার একটা প্রকট সমস্যা ... রাস্তা বা মোড় গুলো যত গুরুত্বপূর্ন ... ইফতারীর বাজারও সেই জায়গা'গুলোর তত ভয়াবহ ... ধমীয় কারণে সরকার এখানে অসহায় ।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৫

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:

হকারেরা ব্যবসা করবেই, স্বাভাবিক। তাদেরকে উচ্ছেদ করা নয় বরং পূণর্বাসন করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা শিল্প-কারখানা স্থাপন করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান করে তাদেরকে শহর মুখী হওয়া বন্ধ না করলে সমস্যার প্রকৃত সমাধান হবে না।

১০| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৩

নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: ঢাকার এখন এক নং সমস্যা প্রাইভেট গাড়ি। এটা বন্ধ করার দরকার নাই তবে আবার এটাকে ডিসেল এ ফিরিয়ে নিতে হবে। অরধেক গারি অখানেই কমে যাবে। গারি নেই তাই বলে এর উপরে বিতৃস্না নিএ বলছিনা কিন্তু এটাই এই মুহুর্তে সমাধান। কিছু লোড কমার পরে যে সময় পাওযা যাবে সেই ফাকে কিছহু অভারপাস, পাতাল উড়াল সড়ক বানানো যাবে। তারপরে আবার গ্যাস এর অনুমতি দেয়া হবে। হিসেব করে দেখা গেছে ৩ বসরে এই কায টা করা যায়।

এত লোক, গাড়ি, রাস্তা নাই তারপরেও যে ঢাকা মুভিং এর জন্য সবাইকে ধইন্যা। অন্য যেকোন শহর হলে ওটার এতদিনে চেহ্‌লাম হয়ে যেত

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৮

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
সমাধানের তো অনেক পথই খোলা আছে। কিন্তু সবার নজর ঐ গরীবদের উচ্ছেদের দিকে। তাই যদি উচ্ছেদই করতে হয় তবে গরীবদের কেন ধনীদেরকেই উচ্ছেদ করতে হবে। কারন গরীবদের সংখ্যাই বেশী। আর গণতন্ত্র মানে তো বুঝায় অধীকাংশের মতামতকে সমর্থন। তবে এটা কি শুধু ভোটের বেলায় অধিকারের বেলায় নয়?

১১| ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮

সুফিয়ান ডট কম বলেছেন:
যদি প্রকৃতই জনগনের স্বার্থে হয় তাহলে
১। প্রইভেট গাড়ি বন্ধ করতে হবে
২। ক্রমান্বয়ে রাস্তার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে,
৩। নদীসমূহ দখল মুক্ত করে খনন করে নদী পথ ব্যবহার করতে হবে
৪। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে
৫। ব্যবসায়ীদের হাত থেকে ফুটপাথ মুক্ত করতে হবে।




১। সম্ভব না। বরং আমদানী নিরুৎসাহিত করে ব্যবহার কমানো যেতে পারে। (অবশ্য দেশে যদি কোন কমুনিস্ট সরকার এসে সকল প্রাইভেট গাড়ি ধ্বংস করে দেয়, সেক্ষেত্রে সম্ভব)

২। রাস্তার বাড়ানোর মত ঢাকা শহরে কোন স্পেস নাই।

৩। ঢাকাকে ঘিরে বছর খানেক আগে নদী পথে রিং রোড বানানো হয়েছিল। (কিন্তু প্রজেক্ট ফেল :()

৪। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যতোই উন্নত করেন লাভ নাই। যে রাস্তা দিয়ে মিনিটে ৫০টি গাড়ি যেতে পারে সেখান দিয়ে ৫০০ গাড়ি যায় যেকোন সিস্টেম কলাপস করতে বাধ্য

৫। ব্যবসায়ীরা ফুটপাত দখল করে নাই। দখল করে আছে হকার রা। আবার হকার উচ্ছেদ করতে গেলে হকারদের মানবাধিকারের ব্যাপার নিয়ে আপনারা আবার মাঠ গরম করার ইস্যু পাবেন।


............

বরং এখনই ঢাকাকে পরিত্যক্ত নগরী ঘোষনা দিয়ে রাজধানী স্থানান্তর করা হোক। তাতেও কতটুকু লাভ হয় সন্দেহ আছে... Click This Link

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
১। ১০নং জবাব দ্রষ্টব্য। কম্যুনিষ্ট সরকার প্রাইভেট গাড়ি ধ্বংশ করবে কেন? সে গুলৌর সদ্বব্যবহার করবে।

২। প্রয়োজনে স্থাপনা ভাঙ্গতে হবে। আর অনেক বাণিজ্যক প্রতিষ্ঠান আছে যে গুলো স্থানান্তর করতে হবে।

৩। ফেল হলেও সমস্যা কোথায় ছিল প্রযুক্তিগত না নীতিগত। হয়নি বলে অসম্ভব নয়।

৪। ৫০০ চলে অপ্রয়োজনে নয়, প্রয়োজনে। তাই সমস্যা সেটা নয়, সমস্যা রাস্তার সংকট ও অব্যাবস্থাপনা।

৫। ৯ নং জবাব দ্রষ্টব্য।

..................................................................................................
প্রকৃত সংকট চিহ্ণত করে সমাধানের চেষ্ট না করে রাজধানী চাঁদে বানালেও একই অবস্থা হবে, দু দিন আগে আর পরে।

ধন্যবাদ

১২| ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

আই আনাম বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। আসলে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন যতই করা হিক না কেন ঢাকা তার ক্ষমতার অতিরিক্ত মানুষকে বহন করছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সবচাইতে বেশি প্রয়োজন।

প্রাইভেট কার নিঃসন্দেহে যানজটের অন্যতম কারণ। কিন্তু এখানেও কথা আছে। কারও যদি নিজস্ব গাড়ি কেনার সামর্থ্য থাকে সে কেন কষ্ট করে পাবলিক পরিবহণে যাতায়াত করবে যেখানে আমাদের পাবলিক পরিবহণের অবস্থা খুবই খারাপ। যদি ধনী বা মধ্যবিত্তদের আশ্বস্ত করা যায় যে পাবলিক পরিবহণ সেই মানের সেবা দিতে পারবে শুধুমাত্র তখনই তারা নিজস্ব পরিবহণ কিনতে নিরুৎসাহিত হবে।

পোস্টে প্লাস এবং মনজুরুল হকের সাথে অনেক বিষয়ে দ্বিমত। হকারদের অবশ্যই খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকার অধিকার আছে কিন্তু এও সত্য তাদের কারণে জনজীবনে নিদারুণ ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। সেই সাথে তাদের দ্বারা পথচারী লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা নীলক্ষেত ও গুলিস্তানে কম নয়।

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: ******কারও যদি নিজস্ব গাড়ি কেনার সামর্থ্য থাকে সে কেন কষ্ট করে পাবলিক পরিবহণে যাতায়াত করবে যেখানে আমাদের পাবলিক পরিবহণের অবস্থা খুবই খারাপ******

তারা গাড়ি কেনার টাকা পেল কোথায়?
তাদের গাড়িতে চড়ার শখের চেয়ে মানুষের কাজ করার অধিকার কি কম?
অল্প সংখ্যক ধনীর জন্য অধীকাংশ মানুষ কষ্ট করবে কেন?

এর সঙ্গে জবাব ১০ দ্রষ্টব্য।

ধন্যবাদ।

১৩| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭

এনটনি বলেছেন: একটা পুরানো গাড়ীর মালিক মানেই বুঝা যায়, মধ্যবিত্ত একজন যে তার সন্চয় (অনেক সময় ব্যাংক লোন নিয়ে) দিয়ে একটা গাড়ী কিনেছে, সে আর যাই হোক, বিলাসিতা করার জন্য কেনে নাই। বরং অনেক প্রয়োজনে সন্চয় ও লোন নিয়ে কিনেছে।

এখনো এই বিষয়ে সরকারের কোনো সরাসরি নির্দেশ গত কয়েকদিন আসেনি, কিন্তু এর মধ্যেই বি.আর.টি.এ নাকি ১৫ বছরের পুরানো গাড়ীর ফিটনেস দিচ্ছেনা। আবার মোবাইল কোর্ট নাকি ১৫ বছরের পুরানো গাড়ী ধরছে রাস্তা।

এই গাড়ীগুলোর মালিকদের ক্ষতিপূরন কি সরকার দেবে? বিশ্বের অনেক দেশে পুরনো গাড়ী তুলে নেয়া হয়, কিন্তু পুরনো গাড়ী ভালো কন্ডিশনে থাকলে তুলে নেয়ার কোনো নিয়ম কোথাও নেই।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
গাড়ি ধরার কারণ কোন কোম্পানীর সঙ্গে চুক্তি হয়েছে নতুন গাড়ি কেনার।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.