![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নওয়াব নিজাম মুর্শীদকুলি খান ১৭১৭ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দুর্বলতার সুযোগে বাঙ্গলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। তিনি দাক্ষিণাত্যের এক হিন্দু পরিবারে হিন্দু হিসাবে জন্ম গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি শিয়া ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। বাঙ্গলার ক্ষমতা অধিকার করে, তিনি বাঙ্গলা নিজামত প্রতিষ্ঠা করেন। এই নিজামত বংশানুক্রমিকভাবে ছিলো শিয়া ধর্মবলম্বী অধ্যুষিত। কাজেই স্থানীয় সুন্নী মুসলমানদের সাথে তাঁদের বনিবনা ছিলো না। তবে তাঁরা বাঙ্গলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে, হিন্দু-মুসলমান উভয়ের সহযোগিতায় শক্তিশালী নিজামত প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হন। সে আমলে যারা জমিদারী লাভ করেছিলেন, তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন হিন্দু। কিন্তু এই নিজামত কার্যত: আভ্যন্তরীণ কোন্দল, মুঘলদের সাথে বৈরীতা, বর্গী ও মগ ক্ষাত্রশক্তির আগ্রাসন ইত্যাদি ফলে দুর্বল থেকে দুর্বলতর হচ্ছিলো। মুর্শীদকুলি খান প্রতিষ্ঠিত এই নিজামত ইংরেজদের হাতে সিরাজদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে পরিসমাপ্তি ঘটে। কাজেই এই নিজামতের স্থায়ীত্বকাল ছিলো কেবল ৫০ বছর। আর সিরাজদ্দৌলা (মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ২৪ বছর) ক্ষমতায় ছিলেন কেবলমাত্র ৩৮০ দিন। এই বাঙ্গলা নিজামত শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলো নড়বড়ে অবস্থায়। কাজেই নওয়াবী আমলের চশমায় মুসলিম বাঙ্গলার ইতিহাস মূল্যায়ন করা হলে, বাঙ্গলায় মুসলমান শাসনের ইতিহাসকে অবমূল্যায়ন করা হবে। কাজেই বাঙ্গলার স্বাধীন মুসলমান শাসনামলকে মূল্যায়ন করা হলেই, কেবল বাঙ্গলার মুসলমান শাসনকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা যাবে।
বি.দ্র.: ইতিহাস আমার গবেষণার বিষয় নয়। সঠিক গবেষণা করতে হলে বিভিন্ন আমলে বাঙ্গলা সম্পর্কে লিখিত সংস্কৃত, ফার্সি ও পালি ভাষায় লিখিত বইগুলো পড়তে হবে। সে অর্থে আমি শুধু এখানে বাঙ্গলার ইতিহাসকে মূল্যায়নে দৃষ্টিকোণ পরিবর্তনের কথাটিই ইঙ্গিত করলাম।
২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:২৯
অনল চৌধুরী বলেছেন: এরা কেউ বাঙ্গালী ছিলো না।
সিরাজউদ্দৌলা দেশের স্বাধীনতা রক্ষার চেষ্টা করেছিলেন এই হিসাবে যে তারা বাইরের কোনে শক্তির আনুগত্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করতেন। এবং তিনি কারো সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:১৫
রাজীব নুর বলেছেন: হ্যা আপনার ইঙ্গিত ধরতে পেরেছি।