![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নেত্রী! হাসপাতাল বানাইলা কী দিয়া?
ডাক্তার ওষুধ কিচ্ছুই নাই, ক্যামনে সেবা পাই?
নেত্রী! হাসপাতাল বানাইলা কী দিয়া?
কী হাসাপাতাল বানাইলা তুমি শূন্যেরও মাঝার?
বিল্ডিং আছে ডাক্তার নাই, চলে আরেক কারবার।
ভালা কইরা হাসাপাতাল বানাও,
হাসপাতাল আছে সেবা নাই- এমন যেনো হয় না আর।
ভাবনা-চিন্তা কইরা দেখো-
রোগ-বালাই যে কতো কষ্ট, মানুষ মরে শতশত।
ঘুরতে-ফিরতে বাঙ্গালোরে টাকা যায় কতো?
নেত্রী! হাসপাতাল বানাও মন দিয়া,
চিকিৎসা যেনো পাই, হয়রানি ছাড়া।
২| ১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ৯:৪৪
আমি সাজিদ বলেছেন: ডাক্তার ওষুধ কিচ্ছুই নাই? সরকারী হাসপাতালগুলো কি ভূতের বাড়ি? এটা বেশী আবেগে বলে ফেলেছেন নাকি সার্ভিস পেতে বেশী সময় লেগেছে?
কোথায় কোন সময় কিভাবে কি সমস্যায় পড়তে হয়েছিল হাসপাতালে, তা দয়া করে বিস্তারিত লেখুন। ভারতের নামকরা প্রাইভেট হাসপাতালের সাথে আমাদের সরকারি হাসপাতালের তুলনা দেওয়া ভারী অন্যায়। ওদের সরকারীর সাথে আমাদেরগুলো একটু তুলনা করে দেখুন না।
১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ৯:৫৯
রেজাউল করিম ফকির বলেছেন: স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভালো হলে, উপজেলাস্থ হাসপাতালগুলোতেও ভালো সেবা পাওয়ার কথা। কিন্তু আমি দেখতে পাই যে, আমার আত্মীয়-স্বজনগণ উপজেলাস্থ হাসপাতালগুলোতে সেবা না পেয়ে, জেলা শহরে অথবা ঢাকায় চলে আসে। এটা কাম্য নয়।
৩| ১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:১৬
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সরকারী হাসপাতালগুলো একটু বিধ্বস্ত ধরণেই হয়।
৪| ১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:১৭
ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার হয়তো জানা নেই বেশিরভাগ সরকারি হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার পদধারী ।
সবকিছুতে সশস্ত্র বাহিনীতে ডেকে আনা বোকামি ।
১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৩২
রেজাউল করিম ফকির বলেছেন: ব্রিগেডিয়ারগণ পদ ও পদবী নিয়ে থাকলেও তাঁদেরকে বিএমএ-এর ছাঁচ ও ছকে চলতে হয় বলে, ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে থাকে। কাজেই উপজেলা পর্যন্ত সুষ্ঠু স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা সৃষ্টি করতে হলে, সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের কাছে হস্তান্তর করাই হবে যুক্তিযুক্ত।
৫| ১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৪৫
আমি সাজিদ বলেছেন: স্যার দারুন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন। এখানে আমি যে উত্তরটা দিব তা হচ্ছে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে জটিল রোগের চিকিৎসা নেই। কেন নেই সেটার দায় ডাক্তারের নয়, নার্সের নয়, যারা প্রশাসনিক লোক তাদের। যেমন ধরুন, ঢাকার বাইরে নাটোরে কারও আইসিইউ সাপোর্ট লাগছে, তাকে হয় রাজশাহী যেতে হবে ( যদি আইসিইউ খালি থাকে অথবা বগুড়া বা ঢাকা), নাটোরে কেন আইসিইউ সাপোর্ট থাকলে এমনটা হতো না। উদাহরণ হিসেবে দিলাম। এছাড়া অনেক সময় আমাদের রোগিরা কিছু হলেই শহরে দৌড়াতে চান, বিশ্বাসের জায়গাটা একটু নড়বড়ে হয়ে গেছে, এজন্য এমনটা হচ্ছে। সব কিছুতে আর্মি ডেকে আনা আমাদের দুর্বলতা প্রকাশ করে, এইটা শুনতে মজার কিন্তু অনৈতিক উপায়কে প্রশ্রয় দেওয়ার মতো হয়ে যায় ব্যাপারটা।
৬| ১৯ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:২৯
রাজীব নুর বলেছেন: তবে বিএনপি আমলের চেয়ে আওয়ামীলীগের আমলে সরকারি হাসপাতালের অবস্থা কিছুটা উন্নত হয়েছে।
৭| ১৯ শে মে, ২০২১ বিকাল ৩:৪৯
সাইফুল ইসলাম৭১ বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্মির ব্রিগেডিয়ার দিয়ে পরিচালনা করা জরুরী হয়ে গেছে কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন কোন শিক্ষক নাই সবাই নীল দলের ভোটার হয়ে গেছে। এমপি, মন্ত্রির বাসায় যায় ক্লাসে যাইতে ভালো লাগে না।
১৯ শে মে, ২০২১ বিকাল ৪:০৪
রেজাউল করিম ফকির বলেছেন: আপনার কথার মর্মার্থটি বুঝেছি।
৮| ২১ শে মে, ২০২১ দুপুর ১২:৫৬
আমি সাজিদ বলেছেন: পোস্ট করে রিপ্লাই না দেওয়া আসলে যে ব্লগারটি কমেন্ট করছে তাকে ছোট করে। ধন্যবাদ।
৯| ২১ শে মে, ২০২১ দুপুর ১:২৩
আমি সাজিদ বলেছেন: ভারতের নিজেরও জনগনের স্বাস্থ্যনীতি নেই। ওরা হেলথ ট্যুরিজমে এগিয়ে আছে। গতকালের আনন্দবাজার পত্রিকায় এই রিপোর্ট টি পড়ে দেখুন। তাহলে আমাদের উপজেলার সরকারী হাসপাতালের সাথে সাউথ ইন্ডিয়ান প্রাইভেট ফোর স্টার হাসপাতালের তুলনা দিতে গেলে সত্যটা বুঝতে পারবেন।
রিপ্লাই দিন বা না দিন আর কিচ্ছু যায় আসে না। ভাবনার ভুল ধরিয়ে দিলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ৯:৪১
আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: চমৎকার