নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ডক্টর এ.বি.এম. রেজাউল করিম ফকির, অধ্যাপক, জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগআধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় e-mail: [email protected]

রেজাউল করিম ফকির

অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

রেজাউল করিম ফকির › বিস্তারিত পোস্টঃ

সশস্ত্র বাহিনীর ইংরেজি প্রীতি ও বাংলা ভাষা প্রচলন আইন

২১ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১১:২৯



বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম ইংরেজিতে রাখা হয়ে থাকে। এমনকি নানান কর্মসূচী ও অভিযান (যেমন-অপরেশন টোয়ালাইট, অপরেশন থাণ্ডারবোল্ট)-এর নামও ইংরেজিতে রাখা হয়। কিন্তু ১৯৮৭ সালে প্রণীত বাংলা ভাষা প্রচলন আইন অনুসারে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী কর্তৃক এই ধরণের নামকরণের ব্যাপারটি প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লংঘন।

কারণ বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় ভাষা ও বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদের প্রতীক। আর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বাঙ্গালি জাতির রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রতীক। সে অর্থে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ত্ব কেবলমাত্র ভূখণ্ড রক্ষা নয়, বরং দেশের জাতিসত্ত্বা সুরক্ষাও। কিন্তু ইংরেজিতে বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার অর্থ হলো- সশস্ত্র বাহিনী জাতীয়তাবাদের প্রতীক বাংলা ভাষাকে পায়ে ঠেলে অন্য জাতির ভাষাকে মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে প্রয়াসী হয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য যে, আমাদের দেশের ইংরেজিবিদরা বাংলাদেশে এমনভাবে ইংরেজিকে প্রতিষ্ঠিত করতে সচেষ্ট রয়েছে যে, তেমনভাবে কেবলমাত্র তখনই একটি ভিন ভাষাকে চাপিয়ে দেওয়া হয়, যখন একটি আগ্রাসী ভিনজাতি অন্য একটি দেশকে অধিকার করার পর সেই জাতির উপর আগ্রাসী জাতি তার নিজ ভাষাকে বিজিত জাতির উপর চাপিয়ে দেয়। সে অর্থে সশস্ত্র বাহিনীর অহেতুক ইংরেজি ভাষার ব্যবহার জাতিসত্ত্বার নিরাপত্তা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের সামিল।

কাজেই সশস্ত্র বাহিনীর উচিত হবে ইংরেজিতে নামকরণকৃত সমস্ত প্রতিষ্ঠান ও কর্মকাণ্ড (যেমন-operation twilight=হতে পারতো অভিযান গোধূলি) বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭-এর নিরিখে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন এবং তদানুসারে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের নামকরণে সেই আইনটি অনুসরণ করা।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৯:৫৯

নিয়াজ মোর্শেদ বলেছেন: Sensitive issue.

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.