![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বঙ্গবন্ধুকে যথোপযুক্ত সম্মান দিতে হলে এই প্রতিষ্ঠানের নাম [শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি] এর পরিবর্তে [শেখ মুজিব শান্তি ও স্বাধীনতা গবেষণা ইনস্টিটিউট] হতে পারতো।
বি.দ্র. ইনস্টিটিউট বাংলা অভিধানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে, এর বাংলায় প্রতিবর্ণিত শব্দ গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
https://www.du.ac.bd/body/BSMRIPL
বঙ্গবন্ধু ও ইংরেজি
ইংরেজি বিহীনতা যেন অসম্মান,
বাংলা! কেমন যেন লাগে বেমানান।
এতে যেন লেগে আছে এক গেঁয়ো ভাব,
বেমানান আর গেঁয়ো বাংলায় রয়েছে অভাব।
প্রকাশ পায় না যেন কোন মনের ভাব।
তাই ঘুচে যাক চারদিকে বাংলাময় যতো নাম,
ইংরেজি আর মিশেল বাংলায় ভরে যাক,
ঘুচে যেন দেশভাষার যতো বদনাম।
নির্মাণের গাঁথুনিতে যেমনই বাঁশের কঞ্চি,
ভাষার গাঁথুনিতে তেমনই মিশাও ইংরেজি,
গড়তে হবে যে, অভিজাত বাঙ্গালি জাতি।
বঙ্গবন্ধুর সাথে মেশাও ইংরেজি,
যেন বাড়ে জাতির পিতার অভিদ্যুতি।
নিচের ১, ২ ও ৩ গুলোই যেন সেই প্রতিশ্রুতি?
১) বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক [বঙ্গবন্ধু সাফারি উদ্যান???]
২) বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি [বঙ্গবন্ধু উচ্চপ্রযুক্তি নগর???]
৩) বঙ্গবন্ধু আইল্যাণ্ড [বঙ্গবন্ধু দ্বীপ???
২| ২৫ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৫০
রোকনুজ্জামান খান বলেছেন: বাংলা মা কে উনি ধারণ করেছিলেন ঠিকই কিন্তু ইংরেজির সাথে আমাদের কোন দুশমন নেই লড়াই টা ছিল পাকিস্তানি ভাষার সাথে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৪৮
ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আমরা অতিব এক আজব জাতি। এখনও আমরা আমাদের দেশের নামের আর ভাষার নামের বানানে সমোঝতা করতে পারি নাই। মিরপুর বাঙলা কলেজ লিখে তার উপরেই আবার বাংলাদেশ লেখা আছে! একই বাংলার দুই বানান!
ফেসবুক না আসলে জানাই যেতো না যে অধিকাংশ মানুষই 'আমি বাড়ি যাই' না লিখে 'আমি বাড়ি যায়' লিখতে অভ্যস্ত!
ভাষার মূল বিষয়টাই আমরা ভুলে যাই। ভাষার সৃষ্টি সম্পর্কে পড়তে গেলে দেখা যাবে একজনের সাথে অন্য জনের কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ করার জন্যই এর সৃষ্টি। জাতীয়তা ধরে রাখতে এর সৃষ্টি না।
রিক্সা ওয়ালাকে যদি 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়' বললে না বুঝে, কিন্তু 'ঢাকা ইউনিভার্সিটি' বললে বুঝে, তাহলে 'ইউনিভার্সিটি' বলাই যথাযথ। হুদা কামে পাড়াপাড়ি করার কোন মানে নাই।
মাত্র কয়েক বছর আগেও আমরা নিজেদের দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খবর পৌছাতে হিমসিম খেতাম। আর এখন সেকেন্ডের মধ্যে এক দেশের খবর অন্য দেশে পৌছে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে আমরা গ্লোবাল ভিলেজ প্রজন্মে প্রবেশ করেছি।
আর সেখানে আমাদের এমন নামই প্রয়োগ করা উচিৎ, যেটা সকলে না হলেও অধিকাংশে বুঝবে।