নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ভেড়ামারা হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের ছেলে। অনেকে আমাকে \'স্বপ্নবাজ সৌরভ\' নামে চেনে।

স্বপ্নবাজ সৌরভ

এমন যদি হতো , ইচ্ছে হলে আমি হতাম প্রজাপতির মতো!

স্বপ্নবাজ সৌরভ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভাবছি কিডনিটা বিক্রি করে দেব

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১২



প্রথম অংশ:

একরাশ হতাশা নিয়ে রাস্তায় নামলাম।শোঁ শোঁ করে ছুটে চলেছে আন্তঃজেলা পরিবহনের বাস গুলো। লোকাল সার্ভিস রাস্তায় জটলা পাকায় আর বিশ্রী শব্দে হর্ণ দিতে থাকে। কিচ্ছু সহ্য হয়না। একেবারেই ভালো নেই - ভাবে বেঁচে থাকতে ইচ্ছে হয় না। চেনা বাস গুলো চেনা রুট ধরে ছুটে যায় , আমি দিকভ্রান্তের মত দিশাহীন দাঁড়িয়ে থাকি একা। চেনা গন্তব্য অচেনা লাগে।হাত একেবারে খালি। কিছু টাকার খুব প্রয়োজন। পরিচিতজনরা মুখ ফিরিয়ে নিলো খুব সহজেই। ভাবছি কিডনিটা বিক্রি করে দেব।কবিদের কিডনির কেমন দাম কে জানে?

বাসের জানালার কাঁচে ঝাপসা
আমার অর্বাচীন চোখ।
ফেলা আসা বহুদূর
বহুদূর থেকে ভেসে আসা
সকরুণ আকুতি।
চেয়েছে কি বেশি কিছু?
শুধু শূন্যস্থানে বেড়ে
যাওয়া ব্যবধান।
সেখানে কেউ নেই
ছিলোনা কেউ, আগের মতই।

শেষ অংশ:
১৯৯৬ সালে আম্মার ক্যান্সার ধরা পড়লো।সদ্য বিলেত ফেরত ডাক্তার শাহেদা পারভীন আম্মার খোঁজ খবর নেন। ছুটে বেড়ান। তার বসার কোন জায়গা নেই , চেম্বার বলতে ঘাড়ে ঝোলানো ব্যাগ।কেউ তেমন তাকে পাত্তা দিতে চাইনা। ডাক্তার শাহেদা ম্যাডামের কাছে আমরা ঋণী। অন্যান্য ডাক্তারের সাথে মোটামুটি ঝগড়া করেই তিনি ভ্যাকসিন (Taxotere) পুশ করার সিদ্ধান্ত নিলেন আম্মার সাথে কথা বলে। আম্মা শুধু একটা কথায় বলেছিলেন ডাক্তারদের ," আমার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নিতে হলে শুধু আমার সাথেই আলোচনা করবেন। আমি রুগী , আমার চেয়ে আমার ব্যাপারে কেউ ভালো ডিসিশন নিতে পারবে না। এবং সব কিছু খোলাখুলি বলবেন। কিছু গোপন করবেন না। বাঁচা মরা আল্লাহর হাতে। "

এক একটা ভ্যাকসিন ৭৫০০০ টাকা করে। সরাসরি আসতো বিমানে। অনেক টাকার বিষয়। একজন হেডমাস্টারের সম্মান অনেক টাকা কম। আমার আব্বার সন্মানের কমতি ছিল না। তবে তার নামে কোন ব্যাঙ্ক একাউন্ট ছিল কিনা আমার জানা নেই , ছিল হয়তো। আব্বার জমিজমাও নেই। দাদার যা ছিল সেটা যুদ্ধের পরে দখল হতে লাগলো মহাউৎসবে। আব্বা দাদা কে একদিন বললেন , '' আব্বা।রায়টার জমি গুলো তো দখল হয়ে যাচ্ছে। একটু খোঁজ নেয়া দরকার। ''
পরহেজগার দাদা শুধু বললেন , ''আল্লাহ কি আমাদের খাওয়াচ্ছে না ?''
আমার আব্বা আর কোন কথা বললেন না। জমি নিয়ে মাথা ব্যাথা আব্বার ছিল না। স্কুলে দুপুরে একটা সিঙ্গারা , একটা মিষ্টি আর এক কাপ চা খেতে পারলেই তিনি খুশি। আমার আব্বা হেড স্যার হিসেবে ৩৬ বছর চাকুরী করেছেন দুপুরে সিঙ্গারা আর মিষ্টি খেয়ে। আমি দেখতাম আব্বা বাড়ি ফিরতেন বিকালের পরে , হাতে পাউরুটি কলা আর বগলে খবরের কাগজ নিয়ে। আমি অপেক্ষায় থাকতাম।

শুনেছি , তখন যুদ্ধ শেষ ! আমাদের বাড়িতে আশ্রিত অনেক মানুষ। অনেকজনের খাবারের ব্যবস্থা। খরচ পাতি। বেশির ভাগ খরচের অংশ আব্বার বহন করতে হয়। একদিন আব্বা দাদার কাছে গিয়ে বললেন , ''আব্বা। যুদ্ধ তো শেষ। সবাই না হোক যে যার বাড়ি ফিরে যাক।''
দাদা চুপ করে থেকে বললেন , ''তোমার কি ধারণা , তুমি খাওয়াচ্ছ ? ''
আব্বা কিছু বললেন না। আসলেই তিনি খাওয়াচ্ছেন না । তিনি তো উসিলা মাত্র।
দাদা বললেন , '' আল্লাহর উপর ভরসা রাখো। আল্লাহ তোমার ভালো করবেন। ''
দাদা জানালার পাশে বসে থাকেন। আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। আল্লাহ কে ডাকেন। উনার কাছে রুগী আছেন উনি নাম কা ওয়াস্তে টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা দেন , ছাত্রদের ইংরেজি শেখান। আর আমার দাদি একটা রুটি চার জনকে ভাগ করে খাওয়ান। তার কাছ থেকে কোন ভিক্ষুক ফিরে যায়না। তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস নেন , সেই নিঃশ্বাসে উড়ে বেড়ায় পোড়া বাড়ির গন্ধ। ১৯৭১ সালে আমাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।

১৯৯৬ সালে আম্মার চিকিৎসার জন্য আব্বা তাঁর রিটায়ারমেন্টের টাকাটা আগাম তুলে ফেললেন। আমার আম্মাও প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন , তার ফান্ড প্রায় নিঃস্ব হলো। এরপর একসময় অপরেশনের সময় হলো। (Taxotere) তে বেশ সুফল পাওয়া গিয়েছিলো। তা নাহলে হয়তো বাঁচানো সম্ভব হতো না। এই সময় হুটহাট করে অনেক টাকার দরকার হতো। আম্মা অনেকের ভরসায় ঢাকায় আসতেন। অনেকেই বলতো আসেন ব্যবস্থা করবো। অপরেশনের দুইদিন আগে এক পরিচিতজন জানালেন , তিনি টাকাটা দিতে পারছেন না।
আম্মা বললেন , ''টাকাটা আমি সামনের মাসেই ফেরত দিব। জেসমিনের (আমার বড় বোন ) আব্বা ভেড়ামারা থেকে ব্যবস্থা করবে। ফান্ডের টাকা নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে। ''
পরিচিতজন কিছু বললেন না।মৃত্যু পথযাত্রীকে কেউ টাকা ধার দিতে চায় না। টাকা হারানোর ভয় থাকে।
৩০০০০ অনেক টাকা। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। আচ্ছা , আব্বা -আম্মার মানসিক অবস্থা তখন কেমন ছিল ?

আমার আম্মু একজন ক্যান্সার সার্ভাইভার। তিনি বেঁচে আছেন এবং বাঁচতে শেখান। ওই টাকার ব্যবস্থা কিন্তু হয়েছিল। দাদা একবার আব্বা কে বলেছিলেন , '' আল্লাহর উপর ভরসা রাখো। আল্লাহ তোমার ভালো করবেন। ''
এই ঢাকা শহরে মানুষের ভীড়ে ফেরেস্তারা ঘুরে বেড়ান।

মাথা থেকে গল্পের প্রথম অংশটা মুছে ফেলতে ইচ্ছা হয়। বাসের জানালায় অস্পষ্ট দৃষ্টিতে বাইরে তাকায়। বিজয় সরণীর চিরচেনা সিগন্যালে গাড়ি আটকে আছে। বকুল ফুলের মালা বিক্রেতা মেয়েদের দল এ গাড়ি থেকে ও গাড়ি ছুটে যায় বাঁচার আশায়। বিক্রি হয়না মোটেও। আচমকা একটা বিক্রি হয়ে গেলে মুখে হাসি ফুটে উঠে। কি মায়াময় সে হাসি ! কি যে মায়া !!



মন্তব্য ৪৭ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কবিদের কিডনির দাম খুব বেশী হওয়ার কথা না। কারন তারা দেহের ব্যাপারে উদাসীন। পানি কম, চা বেশী খায়। কাজেই এখন থেকে পানি বেশী বেশী খাবেন। কিডনি ভালো দামে বিকোবে!! =p~

আপনার গদ্যাংশ পড়লাম, ভালো লাগলো। পদ্যাংশ বাদ দিয়েছি.....কিছু মনে করবেন না আবার! :P

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আমি চা সিগারেট কিছুই খাই না। বিক্রি করতে হলে যোগাযোগ করবো কোথায় ? সাহায্য চাই।

২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনি সিরিয়াস নাকি? না মস্করা করছেন!!! :(

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: সিরিয়াসলি! এই মুহূর্তে অন্য কোন রাস্তা দেখছি না।

৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

নুরহোসেন নুর বলেছেন: জগতের কেউ ভাল নেই প্রতিটি মানুষ মন আর আর্থিক দিক থেকে ভীষন অসুখী।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: সম্ভবত। আমি নিশ্চিত না।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি। একরাশ সুবাতাস।

৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি তো দেশে থাকি না, দেশে এভাবে হিউম্যান অর্গান বিক্রি করা আইনসিদ্ধ কিনা তাও জানিনা। ব্লগে কেউ না কেউ আপনাকে নিশ্চয়ই এ'ব্যাপারে সাহায্য করতে পারবে।

তবে এটা একেবারেই সমর্থন করার মতো ব্যাপার না। বিপদে আশা হারাবেন না, মহান আল্লাহ একটা না একটা উপায় বের করে দিবেন। আশাকরি, আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে....ইনশাআল্লাহ।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৯

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: মানুষের মনে স্বপ্ন ঢুকিয়ে দিয়ে তিনি হয়তো দুরে সরে যান। কিংবা কে বলবে তিনি হয়তো দুরে যাননা। খুব কাছেই থাকেন। স্বপ্ন ভঙ্গের যন্ত্রনায় মানুষ যখন ছটফট করে,তিনিও করেন। কারণ এইসব স্বপ্নতো তিনিই তৈরী করেছেন। স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট অবশ্যয় তাঁকে ও সইতে হয়। ------ চৈত্রের দ্বিতীয় দিবস।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি। একরাশ সুবাতাস। কবিতাংশ বাদে পইড়েন।

৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

মা.হাসান বলেছেন: ছাত্রাবস্থায় আমার এক ক্লাসমেট পত্রিকা অফিসে একটি বিজ্ঞাপন ছাপানোর অনুরোধ নিয়ে গিয়েছিলো-- কিডনি বিক্রয় করিতে চাই এই বিজ্ঞাপন। তো পত্রিকা অফিসের লোকেরা তাকে বসিয়ে সমস্যার কথা জানতে চাইলে সে অর্থনৈতিক সমস্যার কথা বলেছিলো। পত্রিকার লোকেরা তাকে এক কাপ চা খাইয়ে বলেছিলো-- কিডনি বেচার দরকার নেই, বিনে পয়সায় তারা একটা টিউশনি চাই বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে দেবে। আপনার সমস্যা আরো বড় , টিউশনি দিয়ে সমাধান হবে না, আপনি বিবাহ করে দেখতে পারেন।

...........................................।
বিবাহ করলে আপনার সমস্যা দূর হবে না, তবে কিডনি বিক্রির চিন্তা থাকবে না এটা নিশ্চিত।
আমিও কবিতা অংশ পড়ি নি।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আপনার ক্লাসমেট এর গল্পটা ভালো লাগলো।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি। একরাশ সুবাতাস।

৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জ্ঞান বিক্রি করুন - কিডনি না।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: :(:(

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি।

৭| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: সিরিয়াসলি বলেননি বলেই ধরে নিচ্ছি।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: :(:(

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি।

৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: কবিদের কিডনি দুর্বল থাকে। হৃদয় আর মগজ ভালো থাকে। :)

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আমার মগজ দুর্বল। কিডনির অবস্থা কেমন কে জানে। চা সিগারেট তো খাইনা।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি। একরাশ সুবাতাস।

৯| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৪

ইসিয়াক বলেছেন: পোষ্টটা আমার মাথার উপর দিয়ে গেছে।
অনেকবার কমেন্ট করতে গিয়ে পিছিয়ে গেছি.........
মনে হচ্ছে আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না!!!!!!!!!

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আমার তো সব কিছুই মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি। একরাশ সুবাতাস।

১০| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩২

হাবিব বলেছেন: কিডনি বিক্রির টাকা দিয়ে কি করবেন ভাই?

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: বিপদ কাটাবো হাবিব স্যার।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি। একরাশ সুবাতাস।

১১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৫

ওমেরা বলেছেন: আপনার সোভিয়েত শৈশব নিয়ে লিখুন। সেগুলো পড়তো মজা পাই ।
ফান করেও এমন কথা ভালো না !!

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: :(:(

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি। একরাশ সুবাতাস।

১২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৫

করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার সোভিয়েত শৈশব সব ছেড়ে এসব কি কথা!! Keep you face to sunshine, you won't see the shadow- কথাটা আমার না অবশ্য।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: :(:(

১৩| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭

করুণাধারা বলেছেন: টাকার দরকার আপনার? কাজ করে আয় করুন। কোরাতে আপনি ছাড়াও আরেকজন ব্লগার (নাহিন কিছু) প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি বলেছেন তিনি আপওয়ার্কে কাজ করেন। আপনিও তাই করতে পারেন, অথবা যখন মন খারাপ হবে তখন রাস্তা দিয়ে একটানা হাঁটতে থাকুন... শুভকামনা।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লেখাটা ড্রাফটে রেখেছিলাম। এইমাত্র শেষ করলাম। ভালো থাকবেন আপনি। একরাশ সুবাতাস।

১৪| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৫

বলেছেন: বিষাদের ছাপ প্রতিটি শব্দে -- এই বিষাদ আর যন্ত্রণা পুড়ে পুড়ে একজন খাঁটি মানুষ হিসাবে গড়ে তুলুক।।
পৃথিবীতে মানুষষের অন্তহীন চাহিদা, আকাশছোঁয়া এই চাহিদাই অতৃপ্তির জন্ম দেয় যা অনেক সময় হতাশার জন্ম দেয় -


আমার মা বলেন,
তোমার চেয়ে যাদের অবস্থান উপরে ওদের দিকে চোখ দিয়ে তাকিও না বরং তোমার চেয়ে নীচের দিকে তাকাও --
অনেকের অনেকে কিছু নেই, মা নেই, বাবা নেই, চোখ নেই, বন্ধু নেই, জ্ঞান নেই - তুমিতো ওদের চেয়ে ভালো আছো
তাই শুকরিয়া আদায় করো....

আপনার মায়ের সুস্থতা কামনা করছি।।।

আপনার কত টাকা চাই ---??

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ভুল বুঝছেন স্যার। আম্মা সুস্থ আছেন। আমার আম্মু একজন ক্যান্সার সার্ভাইভার। ভালো আছেন।

গল্পের প্রথম অংশটা একটা মানুষের হতাশা থেকে লেখা। পরের অংশ হতাশা কাটানো। ভালো থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ।

১৫| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪১

বলেছেন: মা সুস্থ আছেন এবং ভালো আছেন সেটা বুঝতে পেরেছি...

সেইসাথে মায়ের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি......


১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ আপনাকে। সবার বাবা মা ভালো থাকুক।

১৬| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: প্রথমাংশ পড়ে আর ভুয়া ভাইর মন্তব্যের প্রতিত্ত্যর দেখে ধরেই নিলাম সত্যি :((

সবার সুস্থতা কামনা করি।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। ভালো থাকবেন আপনিও।

১৭| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: আহারে-----
সুন্দর পোষ্ট।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব ভাই। দোয়া করবেন।

১৮| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৯

ইসিয়াক বলেছেন: এইবার বুঝতে পারলাম ।
আগের মন্তব্যের জন্য লজ্জা লাগছে।
আল্লাহ সকলের মঙ্গল করুণ ।সকলকে সুস্থ রাখুন।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: প্রচন্ড হতাশা এবং হতাশা থেকে বাঁচতে চাওয়ার গল্প। কিন্তু শুধুই কি গল্প ? :(

১৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

নীল আকাশ বলেছেন: এই জীবনে উচু নীচু বন্ধুর সমান্তরাল পথে যাত্রা থাকবেই। নাহলে তো জীবনে বৈরাগ্য এসে যাবে। আল্লাহ রাব্বুল আল্লামীন যে কোন বিপদে আমাদের ধৈর্য্য ধরতে বলেছেন ঠিক যেমন আপনার দাদার মতো। যারা জীবন সাগরে যুদ্ধ করে মাথা উচু করে বেঁচে থাকা জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যায় তারাই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে।

বিরহে কাপুরুষরা অল্পতেই ভেঙ্গে পড়ে
সাহসী সিংহপুরুষরা বুকে বিরহ নিয়েই-
নিরন্তর জীবনের পথে এগিয়ে চলে, আর
হৃদয়ের উথালপাথাল জোৎস্নাগুলিকে ধরে
অব্যক্ত স্বপ্নগুলি নতুন করে আঁকতে শুরু করে!

এই পৃথিবীতে প্রতিটা মানুষের জীবনই একটা করে মহাকাব্য। এই মহাকাব্যের সবস্তবকই কিন্তু ছন্দ মিলিয়ে লেখা থাকে না। কিছু কিছু জায়গায় তাকদীরের রহস্যময় খেলায় অছন্দের কারূকাজ না চাইতেও লেখা হয়ে যায়। এই অবাধ্য কারূকাজ ঠেকিয়ে রাখে সেই সাধ্য কার?

If you can challenge your destiny, then you are the MAN!!!!
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৯

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
চমৎকার মন্তব্যের জন্য সীমাহীন ভালোবাসা জানবেন নীল আকাশ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.