নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি \'স্মৃতিকাতরতা \' নামক ভীষণ এক রোগগ্রস্ত, সেই সাথে বিষাদগ্রস্থ মানুষ। আমার চিকিৎসার প্রয়োজন।

স্বপ্নবাজ সৌরভ

আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যাবো .......

স্বপ্নবাজ সৌরভ › বিস্তারিত পোস্টঃ

এই রমজানে ব্লগিং আরো বিরক্তিকর হবে.....

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ রাত ২:২৩



দুইটা রোজা শেষ। আমার বেশিরভাগ পোস্ট স্মৃতিচারণ মূলক। যারা আমাকে চেনে তারা অনেকেই পোষ্ট পড়তে চায়না। নিক দেখেই বুঝে ফেলে পোষ্টে কি লেখা আছে। রোজা নিয়ে বিশাল স্মৃতিচারণ পোষ্ট লেখা যায়। এর মধ্যেই একটা স্মৃতিচারণ মুলক পোষ্ট পড়ে ফেললাম। দুইদিন ব্লগে নেই। ঘাঁটাঘাটি করে বুঝলাম এই রমজানে ব্লগিং বিরক্তিকর হবে।

প্রথম রোজায় বাজারে গেলাম। বেগুনের দাম চাইলো ১০০ টাকা কেজি। বললাম বেগুনির জন্য না, দাম একটু কমান। দোকানি বলল দাম বাড়তি। শেষমেষ আধা কিলো বেগুন নিয়ে বাসায় এসেছি। আলু বেগুন আর কুমড়ো বড়ি দিয়ে তরকারী রান্না হয়েছে। কুমড়ো বড়ি আমার প্রিয়। এইবার বাড়ি থেকে কুমড়ো বড়ি এনে ঢাকাতে বিক্রি করেছি। অফিসেই মোটামুটি ২০ কেজি বিক্রি হয়েছে। তাছাড়া আমাদের চেয়ারম্যান স্যার ১০ কেজি নিয়েছেন কানাডা আর ইংল্যান্ডে থাকা ছেলেমেয়েদের জন্য। হিসাব করে দেখলাম টোটাল বড়ি বিক্রি করেছি ৬০ কেজির কাছাকাছি। আসছে সিজনে ব্যাপক প্রস্তুতি নিবো। প্যাকেজিং আর মার্কেটিং নিয়ে ভাবতে হবে। টার্গেট থাকবে আড়াই মণ।

আমাদের বাড়িতে ৬৩টা নারিকেল গাছ আছে। গত ২০ বছরে ১১ টা গাছ কমেছে। আগে যখন বাড়িতে থাকতাম তখন সিজনে সকাল বিকাল ডাব খেতাম। ঢাকাতে এসে ডাব কিনে খেতে হয়। তবে খাই একেবারেই কম। দামের কারণে হাত বাড়াই না। দুই সপ্তাহ আগে ছেলের জন্য ডাব কিনেছিলাম। দাম নিয়েছিলো ৯০ টাকা। এখন নাকি ডাব কিনতে হচ্ছে ১৫০ টাকা দিয়ে, ডাবের উৎপাদন খরচ নাকি বেড়েছে।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ইফতার মাহফিল না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই টাকা দিয়ে দরিদ্র মানুষের মধ্যে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করবেন। এমনটাই বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ
করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তারাও এবার এবার ইফতার মাহফিল করবে না বলে ঘোষনা দিয়েছে।

সবাই গরীব মানুষদের নিয়ে ভাবছে। কিন্তু মানুষ কেন বাজার করতে পারছে না সেদিকে প্রধানমন্ত্রী বা পুলিশ কারোরই ভ্রুক্ষেপ নাই। জিনিস পত্রের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে থাকলে গরীব মানুষের মধ্যে ইফতার বিলি করা লাগবে না। এই সাধারণ সেন্স নিশ্চয়ই উনাদের আছে।


আজ গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা অর্জনের দিন । মহান স্বাধীনতা দিবস।
"সবক’টা জানালা খুলে দাওনা
আমি গাইব গাইব বিজয়েরই গান
ওরা আসবেই….চুপি চুপি
যারা এ দেশটাকে ভালবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ।"

সব কটা জানালা খোলাই থাকে। ওরা চুপি চুপি আসে। এসে থুথু ছিটিয়ে চলে যায়। আমরা সেই থুথু মুখে লেপন করি। আমাদের লজ্জা করে না।


বেলারুশে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করার ঘোষণা দিলেন পুতিন।প্রতিবেশী ও মিত্রদেশ বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করবে রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট পুতিন এখানে অস্বাভাবিক কিছুই দেখছে না। দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র এটা করছে। মিত্রদেশগুলোতে অনেক আগেই কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করেছে তারা।

ভ্রাদিমি পুতিনের সাথে আমার একটা মিল আছে। ক্রেমলিন শহরে শেষবারের মতো উড্ডীয়মান সোভিয়েত পতাকাটা আমাদের খুব কষ্ট দেয়। আমি তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। পুতিনের বয়স ছিল তখন ৩৯। চতুর্থ শ্রেণির এক শিশুর চোখে পৃথিবী দেখা নিশ্চয়ই আলাদা।


একটা কুয়ার ছবি পোষ্ট করেছি। আমরা এটা কে বলি ইদরা। এই ইদরার ছবির মাধ্যমে আবার সেই ছেলেবেলায় ফিরে যাওয়া। আবার সেই একঘেঁয়ে স্মৃতিচারণ।

ছোটবেলায় তখন কেবল রোজা রাখা শুরু করেছি। হাতের কড় গুনে রোজা রাখি। মানে পাঁচটা সাতটা। সাতাশে রমজান তো মাস্ট। সেই সময় রোজা হতো ভীষণ গরমে । দুপুর আসতে আসতেই ভীষণ কাহিল হয়ে যেতাম আমরা ছোটরা। খালি গায়ে ভেজা গামছা গায়ে জড়িয়ে রাখতাম।
ভেজা গামছার পানি চোখে লাগাতাম। তাতেও আমাদের হতো না। বড়রা রোজা ছেড়ে দিতে বললেও রোজা ছাড়তাম না। এই ইদরার পাড়ে পানি আটকানোর ব্যবস্থা করতো বড়রা। ইদরার শীতল পানিতে ইদরার মেঝেতে আমরা শুয়ে থাকতাম। অপেক্ষা করতাম ইফতারের। বরফ কল থেকে আনা বরফের ঠান্ডা শীতল আখের গুড়ের সরবতের জন্য। বরফ দেয়া গ্লাসের গায়ে বিন্দু বিন্দু পানি জমতো। দেখতেও ভালো লাগতো।

কয়েক বছর আগে আমার বোনের ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে বাইরে বের হয়েছিলাম। ও রোজা ছিল। বেশ গরম। গাউসিয়া মার্কেটে ঈদের শপিং করতে আসা আপু ভাইয়ারা বেশ ক্লান্ত। ক্লান্ত আর পিপাসার চোটে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঠান্ডা ফান্টার বোতলের মুখ খুলে গলায় ঢকঢক করে ঢালতে লাগলো । আমার কোলে থাকা সাত বছরের রোজাদার বোনের মেয়েটা ঢোক গিললো। পরক্ষণেই বলল, " মামুজী। পানি পিপাসা লেগেছে। পানি খাবো।" তখন বেলা চারটা। ইফতারের খুব বেশি সময় বাকি নেই। ওকে বোঝানো গেলো না। ওকে কিছুতেই বোঝানো গেল না। বোঝানো গেল না , মানুষ অনেক কারণেই রোজা রাখে না। মানুষ অনেক কারণেই রোজার মাসে রোজাদারের সামনে ঢকঢক করে ফান্টা খেতে পারে।

আমার ছোট ভাগ্নিটা সেদিন রোজা ছেড়ে দিয়েছিল। রোজা ছেড়ে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় ফিরে ছিলো। আমার একটুও খারাপ লাগেনি সেদিন। একটুও না। শুধু মানুষের ডেফিনেশনটা বোঝার চেষ্টা করেছিলাম।




মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ রাত ৩:১১

সোনাগাজী বলেছেন:



৭ বছরের শিশুকে রোজা রাখতে দেয়া কি সঠিক কাজ ছিলো?

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ রাত ৩:৪৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
মুসলমানের বাচ্চা কাচ্চা ছোটবেলা থেকেই রোজা রাখতে চায়। বাবা মাও না করে না। থাকলে থাকলো না হলে ভেঙ্গে ফেললো। এভাবেই অভ্যাস হয়ে যায়। আমার ঐ ভাগ্নিটা এখন নিয়মিত রোজা রাখে।

যেসব মানুষ রোজা টোজার ধার ধারে তাঁদের উচিৎ বাচ্চা কাচ্চাদের খেয়াল রাখা। রোজাটোজা যেন না রাখে। বড় হয়ে অভ্যাস হয়ে গেলে মুশকিল।

আপনার জন্য বেলারুশ , পারমাণবিক অস্ত্র ছিল। সেটা নিয়ে কিছু বলুন। ধর্ম রোজার জন্য অনেকেই আছে।

২| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ রাত ৩:৫৯

সোনাগাজী বলেছেন:



আমেরিকান ও ইউরোপিয়ান ক্যাপিটেলিষ্টরা ভাবছে, পুর্ব ইউরোপে আবারো সময়ের সাথে সোস্যালিজম ফিরে আসতে পারে; তাই তারা এই অন্চলকে ন্যাটোর খাঁচায় ভরতে চায়। রাশিয়াও ক্যাপিটেলিষ্ট দেশ এখন; কিন্তু তারা এই অন্চলকে নিজেদের বলয়ে রাখতে চায়।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৪:০৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই রাশিয়ান আর চীনা সোসালিজমকে চিন্তা কে একভাবেন না?

৩| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৪:০৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



সোনাগাজী বলেছেন: আমেরিকান ও ইউরোপিয়ান ক্যাপিটেলিষ্টরা ভাবছে, পুর্ব ইউরোপে আবারো সময়ের সাথে সোস্যালিজম ফিরে আসতে পারে;


সোস্যালিজম ফিরে আসতে পারে নাকি এসে গিয়েছে? সুইডেনের সরকার কি সোশ্যালিস্ট নয়?!!!

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৪:০৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আপেক্ষায় রইলাম। উনি আপনার মন্তব্য দেখেন কিনা।

৪| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৪:২৮

সোনাগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই রাশিয়ান আর চীনা সোসালিজমকে চিন্তা কে একভাবেন না?

-কালচারেলী এই ২টি জাতির মাঝে বিশাল দুরত্ব ছিলো, এখনো আছে; একই সোস্যালিজম, আলাদা কালচারে গিয়ে ভিন্নরূপ নিয়েছিলো।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: সম্ভবত দুচারদিনে অনেক নতুন ঘটনা ঘটবে।

৫| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৪:৩৮

স্মৃতিভুক বলেছেন: @ সোনাগাজী ওরফে সবজান্তা শমসেরের সাথে সুদূর অস্ট্রিয়া প্রবাসী সেফুদা'র অদ্ভুত ধরণের মিল দেখে টাশকি খেয়ে গেলাম।

সেফুদা স্বঘোষিত কবি, দার্শনিক, ইউনিভার্সিটির প্রফেসর, দুই/তিনটা পিএইচডি ডিগ্রী হোল্ডার - দুনিয়ার হ্যানো কোনো বিষয় নেই জ্ঞান রাখেন না হলিউড/বলিউডে অভিনয় করেছেন, লেখক ….ইত্যাদি ...ইত্যাদি ..

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:২৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
ইদানীং কিছু লিখতে ইচ্ছা করে না। বলতে পারেন আর পারি না। তবু রাতদুপুরে খুব কষ্টে এই পোস্ট টুকু লিখেছিলাম।
ভালো থাকবেন।

৬| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৪:৩৯

স্মৃতিভুক বলেছেন: ঠিক তেমনি এই ব্লগের বিখ্যাত চাপাবাজ, সর্ববিষয়ে পারদর্শী - তিনিও নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন, স্বঘোষিত ইঞ্জিনিয়ার এবং মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতি, ফাইন্যান্স, বিজ্ঞান, টেকনোলজি - দুনিয়ার সর্ববিষয়ে প্রভূত জ্ঞানের অধিকারী| মাগার…….জিজ্ঞাসা করেন কোথায় পড়েছেন/পড়িয়েছেন কিংবা কাজ করেছেন - সাথে সাথে একটা মোচড় মেরে নাইনটি ডিগ্রি টার্ন নেবেন।

কোনো একটা বিষয়ে বেসিক কোনো বই না পড়েও উনি ওই ব্যাপার যেকোনো বিশেষজ্ঞের চাইতে বেশি জ্ঞান রাখেন।

আমারে কেউ কচুর লতি হাতে দিয়া কচুর গাছ দেখায় দেন....ঝুলে পড়ি। হালার কেন যে পড়াশুনা বাদ দিয়া বহু আগেই এই চাপাবাজ @ সোনাগাজীর পাঠশালায় ভর্তি হইলাম না!!

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৩০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
আপনি চাইলে নিজেই একটা পোষ্ট লিখতে পারেন আপনার সোনাগাজীকে নিয়ে।
আমার পোষ্ট কেউ পড়ুক না পড়ুন। মন্তব্য করুক না করুক। আমার পোষ্ট গুলো আমার কাছে ভীষণ দামী।

৭| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৬:০৫

সোনাগাজী বলেছেন:


@স্মৃতিভুক,

আমেরিকায়, আমি পড়েছি New Jersey Institute of Technology ও Pace University'তে। আমি রেগুলার চাকুরীর পাশাপাশি পার্টটাইম পড়ায়েছি Marist College'এ।

আপনি তো লিখতে পারেন না; দেখেন, এগুলো আপনার কোন কাজে লাগে কিনা!

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৪০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: স্মৃতিভুক লিখতে পারুক আর না পারুক সেটা আমার কাছে বিবেচ্য নয়। তবে তার এখানে না লিখে সোনাগাজীকে নিয়ে আলাদা পোষ্ট দেয়া উচিত ছিল।

৮| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৬:১৪

সোনাগাজী বলেছেন:



@স্মৃতিভুক ,

আপনি আসল নিকে আমাকে অপদস্ত করতে গিয়ে হতাশ হয়ে নিশ্চয় এই নিক খুলেছেন! আপনার মতো কমপক্ষে ৬০০ নিক হতাশ হয়ে গেছে; আমাকে অপদস্ত করতে গিয়ে ৪৭০ টি নিক এডমিনের হাতে ব্যান খেয়েছে; সুতরাং, আপনার ভবিষ্যত আপনি বুঝতে পারছেন।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৪১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আপনি কি স্মৃতিভুক কে কমেন্ট ব্যান করেছেন?

৯| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ ভোর ৬:১৯

সোনাগাজী বলেছেন:


চাঁদগাজী/সোনাগাজীকে যারা আক্রমণ করেছিলো/করছে, তারা সবাই হতাশ হয়েছে; অনেক নিখোঁজ হয়েছে, অনেক গার্বেজ লিখে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৪৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
'গার্বেজ ' লেখকদের নিয়ে পোষ্ট দিন এবং মন্তব্য করার সুযোগ করে দিন।

১০| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ৮:৫১

জুল ভার্ন বলেছেন: আমাদের সাত বছরের নাতনী স্বতস্ফূর্তভাবে দুটো রোজা করে ফেলে! গত রমজানে একটা রোজা করেছিলো।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৪৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
এই বয়সের মেয়েরা খুব আগ্রহ নিয়ে ইফতার সাজায়। দেখতেও ভালো লাগে।
রোজা রাখতে রাখতে অভ্যাস হয়ে যাবে। ছেড়ে দিলে মন খারাপ করবে।

এই রমজানে আপনি তাকে কি উপহার দিয়েছেন?

১১| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ৮:৫১

স্মৃতিভুক বলেছেন: @ সোনাগাজী, জেনে প্রীত হলাম এবং ধরে নিলাম আপনি মিথ্যা বলেননি। যদিও এখানে অন্যের প্রতি আপনার যে আচরণ, তা সম্পূর্ণ বিপরীত কথাই বলে।

পরিসংখ্যান দেখাতে হবে না আমাকে। আমি লিখতে পারি কিনা কিংবা এখানে কতদিন থাকবো সেটা নিয়ে আপনার চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ দেখি না।

আপনি কি জানেন কিংবা বুঝেন যে আপনার আচরণগত সমস্যা আছে? ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ - কথা না পেঁচিয়ে এক কথায় উত্তর দেবেন।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
সোনাগাজী কি আপনাকে কমেন্ট ব্লক করে রেখেছেন?
আমার ব্লগে এর আগে হয়তো আপনি মন্তব্য করেন নি।

আমার কোন লেখা গুলো আপনার ভালো লাগে?

১২| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ১০:৪৮

সোনাগাজী বলেছেন:



@স্মৃতিভুক ,

আমি লিখতে জানি, আপনি লিখতে জানেন না; ব্লগে আপনার স্হান হবে ন. আপনার মতো নিকেরা কয়েকদিন পর আবার মালটি নিক নিতে বাধ্য হয়।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: স্মৃতিভুক লিখতে জানেন। নিশ্চয়ই পোষ্ট দিবেন। উনার অন্যান্য মন্তব্য দেখেছি অন্যান্য পোষ্টে। উনার লেখা দেখে বোঝা যায় ছোট গল্পে পারদর্শী, উপন্যাস লেখেন।

আর সব নিক কিন্তু পোষ্ট করার জন্য খোলা হয় না।

১৩| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ দুপুর ১২:০৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। আপনার সাম্প্রতিক লেখাগুলোর মান অনেক উন্নত হয়েছে। স্মৃতিকথা নির্ভর, কড়চা জাতীয় লেখাগুলো পড়তে ভালো লাগে। সাথে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও আবেগ অনুভূতির কথা থাকায় আরও ভালো লাগে।

আমার নাতনিও সাত বছর বয়সেই তার প্রথম রোযাটি রেখেছিল গতবছর, স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই। ওর মা বাবা ওকে নিষেধও করেনি, জোরও করেনি।

আলু বেগুন আর কুমরো বড়ির তরকারির কথা শুনে লোভ লেগে যাচ্ছে! মনে পড়ে, আমি এর আগেও আপনার কোন এক লেখায় এই কুমরো বড়ির তরকারির কথা পড়েছিলাম। তখনও লোভ হয়েছিল। মন্তব্যও করেছিলাম।

রোযার মাসে বাজারে তরিতরকারির অগ্নিমূল্যের কথা ভেবে আমি রোযা শুরু হবার দু'সপ্তাহ আগে কাওরান বাজার থেকে এক পাল্লা (৫ কেজি) বেগুন কিনে এনেছিলাম। অবশ্য সাথে আরও অনেক পদের সব্জি ও তরিতরকারিও ছিল। ফ্রীজে স্থান সংকুলান হচ্ছিল না দেখে এ নিয়ে স্ত্রীর জেনুইন ক্ষোভ নীরবে হজম করেছি। এখন অবশ্য সেই বেগুন দিয়ে বানানো বেগুনি ইফতারের সময় উভয়ে মজা করে খাচ্ছি।

আমাদের এখানে রোযার আগেই একটা মাঝারি সাইজের ডাবের মূল্য ছিল ১০০ টাকা। এখন কত তা আল্লাহই জানেন! বাজারের এবং যাত্রাপথের চাঁদাবাজি ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে মাছ মাংস, শাক সব্জী ও তরিতরকারির মূল্য অর্ধেকে নেমে আসতো।

বিশ্ব রাজনীতিতে পরিবর্তন আসছে, আসবে এটা অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু মানুষকে এর জন্য প্রাণের বিনিময়ে কতটা মূল্য দিতে হবে, তা অচিন্ত্যনীয়।

ইঁদারার ছবিটা দেখে আমার ছোটবেলায় দেখা নানাবাড়ীর কথা মনে পড়ে গেল। তখন নানাবাড়ীতে এরকম একটা ইঁদারা ছিল।

মন্তব্যটা বেশ বড় হয়ে গেল! স্মৃতি বলে কথা। সেখানে আঁচড় পড়েছে।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:২২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
করোনার ভেতর বাড়ি আশে পাশে খোঁজ করেছিলাম। কুমড়ো বড়ি বানানোর কয়েকজন কে পেয়েছি। ওদের মাধ্যমে প্রতিবছর বড়ি বানিয়ে নেব। আরেকটা দল আছে ওদের দিয়ে বাচ্চাদের জামা বানিয়ে নেব। সেটা এখনো চালু হয়নি। বাচ্চাদের জামা আর বড়ি নিয়ে আমার প্ল্যান আছে।

আমার বেশিরভাগ ভাগ লেখাই নিজের অনুভূতি অভিজ্ঞতার মিশেল।স্মৃতিকাতরতা। আপনার ভালো লাগে আগেও বলেছেন। আমিও খুশি হয়েছি কারণ খুব কম মানুষের আপনি একজন যে আমার কিছু লেখা পছন্দ করেন।

আসছে মৌসুমে আপনার জন্য কুমড়ো বড়ি রেডি রাখবো। বাজারে যেগুলো পাওয়া যায় সেগুলো ভালো না।

১৪| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ দুপুর ১২:৩৫

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


কুমড়ো বড়ি কেমন খেতে?

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:২২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: একদিন খাওয়াবো।

১৫| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ দুপুর ১:২৯

অপু তানভীর বলেছেন: আমি একটু দেরি করেই রোজা রাখা শুরু করেছি । আমার এক ছাত্রী ক্লাস ফোরে থাকতেই রোজা করতো অনেক গুলো । তারপর সিক্সে উঠে সে সব গুলো রোজা করা শুরু করলো । আমি প্রথম রোজা করেছিলাম সম্ভবত ক্লাস ফোরেই তবে সেটা একটা । সিক্সে উঠেও দুই তিনটার বেশি করি । চাইতাম তবে হত না ।
আমার ক্লাস ফাইভের কথা মনে আছে তখন পরপর দুইটা রোজার রেখেছি । দ্বিতীয় রোজার শেষ সময়ে আমি ঠিক মত দাড়াতে পারছিলাম না । শরীরে কোন শক্তি নেই । আমার এক বন্ধু পরপর দুই রোজার রাখার দ্বিতীয়টার শেষের দিকে এসে অজ্ঞান মত হয়ে গিয়েছিলো । তাকে তখন ইফতারির আগেই পানি খাওয়ানো হয়েছিল । বেচার সে কী মন খারাপ ছিল ।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:২৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
এই অবস্থা কে আমরা বলতাম 'রোজা ধরে যাওয়া' ।
রোজা যাতে না ধরে তাই আমরা দুপুরেরস পর লুডু খেলতে বসতাম।

১৬| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ দুপুর ১:৫৫

জিকোব্লগ বলেছেন:

দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও খুনের আসামি যে আরাভ খান এসএসসি ও পাশ করতে পারে নি
সেই আরাভ খান ও King's College, University of London এ পড়েছে।
----------------------------------------------------------------------------------


সোনাগাজী এখানে নিজের যোগ্যতা সমন্ধে যা বলিল , তা পুরাটাই চাঁপাবাজি।
উহার ব্লগীয় আচরণ তা কখনই বলে না।

এছাড়া উহার যোগ্যতা প্রতিনিয়ত বদলায়। আজ এখানে এটা বলছে, কাল ওখানে ওটা বলবে।

বিদেশে দেখবেন , বাংলাদেশি কমিউনিটিতে কিছু জন আছে যারা অবসরে গেছে ,
সরকার থেকে বিশেষ ভাতা নিয়ে চলছে , সারাদিন চাঁপাবাজি নিয়ে আছে,
উহার প্রকৃত অবস্থান এই সব অকর্মা বাংলাদেশিদের মতই।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
এই পোস্টে সোনাগাজী বা চাঁদগাজীর নাম উল্লেখ আছে কোথাও?
এর আগে রাজীব নুর প্রথম পাতায় নাই টাইপের একটা পোষ্ট করেছিলাম। উনাকে কোন সুপারিশ ছিল না।
আপনি সেখানে রাজীব নুরের প্রতি দরদের কথা বলেছিলেন।

১৭| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:০১

রাজীব নুর বলেছেন: প্রিয় সৌরভ ভাই, আপনার পোস্ট টি মন দিয়ে পড়লাম। আপনি কখনই পুতিনের মতো নয়।
আরো অনেক কিছু বলার ইচ্ছা ছিলো- কিন্তু কতিপয় ক্রিমিনাল আপনার পোষ্টে মন্তব্যের নামে যা শুরু করেছে, তাতে আপনার পোষ্টে বেশিক্ষন থাকা সম্ভব হলো না।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:২৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
পরের মন্তব্যে আরো বলুন। কমেন্ট পেতে খারাপ লাগে না। আমার এই পোষ্টে মন্তব্যের শেষ নাই।

১৮| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:২৭

শায়মা বলেছেন: রোজাতে তো ছেলেবেলার স্মৃতি আসবেই।

ভাইয়া কুমড়োবড়ি আমার অনেকককককককককককক ভালো লাগে। অনেকেরই লাগে মনে হয়।

তুমি শিঘ্রী এটা প্যাকেটজাতকরণের ব্যবস্থা করো!

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:২৯

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
পরের সিজনে আবার হবে। এইবার প্যাকেজিং চেঞ্জ করবো। প্যাকেটের বদলে প্লাস্টিকের বয়াম। পলি প্যাকেটও থাকবে।
আড়াই মণের টার্গেট নিসি দেখা যাক।


ছোটবেলায় রোজায় আজান শুনতে কষ্ট হতো। দূরে পাওয়ার হাউজ থেকে সাইরেন বাজতো। সাইরেন শুনে আমরা রোজা ছাড়তাম।

১৯| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৯

রানার ব্লগ বলেছেন: কমেন্ট পড়তে পড়তে আমার নিজের কমেন্ট কি হবে তাই ভলে যাচ্ছি। যাই হোক ভাই আপনার কাছে আমার একটা অনুরোধ আমার নিজেরও কুমড়ার বড়ি মারাত্বক পছন্দের। এর পর আপনি যদি আনেন দয়া করে এই অধম কে মনে রাখবেন হয়তো দশ কেজি নিতে পারবো না তবে কেজি দুই নিতে পারবো আশা রাখি।

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
কমেন্ট ইগনোর করুন। আমার নিজের কেমন লাগছে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।
আসছে সিজনে নিশ্চয়ই রাখবো।

খাইরুল আহসান স্যার, শায়মা আপু আর আপনারটা বুকিং কনফার্ম করলাম। সিজন এলে জানাবো।

২০| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৭

রানার ব্লগ বলেছেন: ধন্যবাদ!!

২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
শুভেচ্ছা ব্রাদার।

২১| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৫:১৪

জিকোব্লগ বলেছেন:



২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন:
এই পোস্টে সোনাগাজী বা চাঁদগাজীর নাম উল্লেখ আছে কোথাও?
এর আগে রাজীব নুর প্রথম পাতায় নাই টাইপের একটা পোষ্ট করেছিলাম। উনাকে কোন সুপারিশ ছিল না।
আপনি সেখানে রাজীব নুরের প্রতি দরদের কথা বলেছিলেন।

-
@লেখক,

রাজীব নুর কে মডু যেন প্রথম পাতায় এক্সেস দেন সেই জন্য ঐ পোস্ট লিখেছিলেন।
ঐ পোস্টের ফলাফলও চমৎকার। ঐ পোস্টের পরেই মডু রাজীব নুরকে প্রথম পাতায়
এক্সেস দিয়ে দেন । এখান থেকে পরিষ্কার রাজীব নুরের প্রতি প্রচন্ড দরদ দেখিয়ে-ই ঐ
পোস্ট লিখেছিলেন। সেই জন্যেই ঐ মন্তব্য করা হয়েছিল। কাজেই ঐ মন্তব্য ছিল ১০০%
পোস্ট কেন্দ্রিক ও যুক্তিপূর্ন।

আর এখানে যে মন্তব্য করা হয়েছে তা পোস্টে মন্তব্য কেন্দ্রিক।

আপনি যদি পোস্টে পোস্ট ও মন্তব্য কেন্দ্রিক মন্তব্য না চান , তাহলে তা উল্লেখ করে দিবেন।

২৭ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ১০:৪৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

রাজীব নূর সহ অনেক ব্লগার আছে যাদের লেখা আমি নিয়মিত পড়ি। রাজীব নূরের সাথে পক্ষে বিপক্ষে মন্তব্য চালাচালি হয় অনেক। আমি তার প্রতি বিরক্ত হয়ে পোস্ট দিয়েছি দুয়েকটা।
শুধু রাজীব নূর নয়। আমি যাদের লেখা পড়ি তাহাদের না দেখলে খুঁজতে ইচ্ছা হয়। রাজীব নূর কে ব্লগে পাইনি বলে উনার পাতায় গিয়ে দেখি ব্যান হয়ে আছেন। তাই পোস্টটা দিয়েছিলাম। সেটা সুপারিশ মূলক নয়। আর আমি ডাকসাইটে ব্লগার নই যে আমার পোস্টে মডু রাজীব নূর কে মুক্তি দিবে।

কয়েকদিন মহাজাগতিক আর চারাগাছ কে খুঁজে পেয়েছিলাম না। তাই উনাদের পোস্টে কমেন্ট করে এসেছিলাম। ভেবেছিলাম ওরাও হয়তো এমন কোন ঝামেলায় পড়েছে । তেমন হলে মহাজাগতিক আর চারাগাছ কে ব্লগে পাচ্ছিনা টাইপ দিতাম। গোফরান কে খুঁজেছি , গড়ল কে খুঁজেছি , ল কে খুঁজেছি , লিটন কিরমানিকে খুঁজেছি ,নজসু কে পোস্ট দিতে বলেছি।
আপনি যদি নাই হয়ে যান আপনাকেও খুঁজবো। দরদে হয় দ্বায়িত্বে।


আমার ব্লগ পড়লে আমাকে চিনতে পারতেন। সম্ভবত আপনি আমার পোস্টগুলো নিয়মিত পড়েননা। তাই স্বপ্নবাজ সৌরভ নামের একজন নগন্য ব্লগার কে আপনি চেনেননি।



২২| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৫:১৫

শায়মা বলেছেন: আহা সেই সাইরেন...... মনে পড়ে গেলো......

আমাকেও এক বোতল দিও ভাইয়া..... :)

২৭ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ১০:৪৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
এক কেজির বয়াম আপনার নাম কনফার্ম করলাম।

আর হ্যা , ইফতারের টাইম হিসেবে বোমা/পটকার আওয়াজ পেতেন না ?

২৩| ২৬ শে মার্চ, ২০২৩ রাত ৮:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: গুছিয়ে না লিখলেও মনের বিরক্তি প্রকাশের পাশাপাশী অনেক কিছু আলোচনায় আসল।
কুমড়োর বড়ি আমার পরিবারের সবার প্রিয়। কত স্থান থেকে যোগার করছি কিন্তু ছোট বেলার সে স্বাদ আর পাই না।

পুতিন বুদ্ধিমান মানুষ - নিশ্চিত অনেক বুদ্ধিমান!
ক্রেমলিনের শেষ সোভিয়েত পতাকা ওড়ার কথা মনে করে বিষন্ন হলাম!!

২৭ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ১০:৫২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
আমার বেশিরভাগ লেখা অগোছালো। লাইফ পোষ্টের কারণে হয়তো।
আর লেখাটা বিরক্তি থেকেই তাই 'আরো একটু ভালো' করতে ইচ্ছা হয়নি।

এবার কুমড়ো বড়ি লাগলে বলবেন। 'ছোটবেলার সে স্বাদ' ফিরে আসতেও পারে।

পুতিন অবশ্যিই বুদ্ধিমান , অনেক বুদ্ধিমান! ক্রেমলিনের শেষ সোভিয়েত পতাকায় বিষণ্ণ হন পুতিনও।


ভালো থাকবেন।

২৪| ২৭ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ৭:০৮

সোহানী বলেছেন: তোমার পোস্ট পড়ে নীচের মন্তব্য পড়তে পড়তে কি পড়েছি সব ভুলে গেছি.................হাহাহাহাহা

আমিও ৭ বছর থেকে রোজা রাখা শুরু করেছিলাম। এটা গাজী ভাই না জানলেও আমাদের দেশে স্বাভাবিক।

তোমার কুমড়ো বড়ির আইডিয়াটা দারুন। শুরু করো, দেশের বাইরে এসব খাবারের খুব ডিমান্ড। একবার যদি কোন এক্সপোর্টারের সাথে ট্যাগ হতে পারো আর সেটা যদি পপুলার হয় তাহলে তোমাকে পিছনে তাকাতে হবে না।

দেশের মধ্যবিত্ত আর গরীব মানুষগুলো কিভাবে বেচেঁ আছে এ রোজায়, আমি সত্যিই অবাক হই। কানাডায় এতো এতো ভূতর্কি দেয়ার পরও যে দাম বেড়েছে তা অবিশ্বাস্য।

দেখো, পুতিন যা করছে তা খুব স্বাভাবিক। নিজেকে বাঁচাতে হলে তাকে কঠোর হতেই হবে।

রোজার অনেক অনেক স্মৃতি কিন্তু লিখার সময় পাচ্ছি না। কত কিছু যে লিখতে হবে.........

২৭ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ১১:০৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
আমিও ৭ বছর থেকে রোজা রাখা শুরু করেছিলাম। এটা গাজী ভাই না জানলেও আমাদের দেশে স্বাভাবিক।

এটা আপনার গাজীভাই নিশ্চয়ই জানেন। তিনিও হয়তো ছোটবেলায় কড় গুনে রোজা রেখেছেন।
কুমড়ো বড়ির ব্যাপারে সিরিয়াসলি ভাবছে। দেখা যাক কি হয়।
রমজান বাদে সেসব দোকানে বেগুনি বেচতো সেই বেগুনিতে বেসন /আটার প্রলেপ আরো পুরু হয়েছে। মানুষ ঠকানোর জন্য রমজান মাস বিশাল একটা উপলক্ষ্য।
পুতিনের কঠোর হওয়ায় উচিত। আমি পুতিনকে পছন্দ করি।

রমজানের স্মৃতি লিখে শেষ করা যাবে না। আমি লিখবে আবার। আপনি সময় বের করুন। স্মৃতিপাঠ ভালো লাগে। কাতর হতে ইচ্ছা হয়।

ভালো থাকবেন আপনি।

২৫| ২৭ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ১০:৫৯

রানার ব্লগ বলেছেন: আপনি পেয়েছেন কি না জানি না । আমাদের সময় অধিকাংশ বাড়িতেই ফ্রীজ ছিলো না। তো রোজার সময় একজন লোক আসতো কাঠ কাটলে যে গুরি বের হয় সেই গুরি বা তুষ দিয়ে ঢেকে এক ফালি বরফ নিয়ে । আমার কাজ ছিলো বিকেল হলেই আম্মার কাছ থেকে পাঁচ টাকা নিয়ে আর একটা স্টিলের গামলা নিয়ে সেই বরফ ওয়ালার কাছে ছুটে যাওয়া । পাঁচ টাকায় অনেক টা বরফ পাওয়া যেতো । সেই স্মৃতি আমি কখনোই ভুলবো না। আমার ছোট বোন ব্যাপারটা খুব উপভোগ করতো । ওর বয়স তখন দুই কি তিন । বিকেল হলেই আমাকে ডাকা ডাকি করতো নানা বপ বপ (বরফ বলতে পারতো না) ও জানালা ধরে দাঁড়িয়ে থাকতো আমি যতক্ষনে বরফ নিয়ে না ফিরে আসতাম । রোজা শেষ হলে সময় মতো আমার হাত ধরে টানাটানি করতো । নানা বপ বপ !

২৭ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ১১:৪১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আপনার এসএসসি কি ৯০ দশকে ?

হ্যা , শোলা আর কাঠের গুঁড়া দিয়ে বরফ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতো। অমন বক্সে বরফ বিক্রি করতে দেখেছি। আমাদের বাজারে বরফ কল ছিল। ওখান থেকেই বরফ কেনা হতো পাঁচ টাকার বরফ কিনলেই হয়ে যেত। যে বরফ কিনতে যেত সে বরফ নিয়ে দৌড়ে বাড়িতে ফিরত যাতে বরফ না গলে যায়।

দারুন একটা ব্যাপার মনে করেছেন।

২৬| ২৭ শে মার্চ, ২০২৩ দুপুর ২:৫৬

চারাগাছ বলেছেন:
কুমড়ো বড়ি আমার খুব পছন্দ। কুমড়ো বড়ি, সজনে ডাটা , আলু , বেগুন এর তরকারি খেতে ইচ্ছা করছে।

রাশিয়ান বই হাতে না পেলে কি ক্রেমলিনের শেষ সোভিয়েত পতাকা আপনাকে ভাবতো ?

অনাকাঙ্খিত কিছু মন্তব্য এসেছে সেখানে আপনার
প্রতিউত্তর উচিত হয়নি। লাইফে অনেক কিছু ইগনোর করতে হয়।


২৭ শে মার্চ, ২০২৩ বিকাল ৩:০৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: চারাগাছ বলেছেন:
রাশিয়ান বই হাতে না পেলে কি ক্রেমলিনের শেষ সোভিয়েত পতাকা আপনাকে ভাবতো ?



উত্তর টা নিশ্চয়ই জেনেই প্রশ্ন করেছেন। ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.