নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

রোকসানা লেইস

প্রকৃতি আমার হৃদয়

রোকসানা লেইস › বিস্তারিত পোস্টঃ

আর্থ মাস এপ্রিল

২১ শে এপ্রিল, ২০২৩ রাত ১:০৯



ফুলগুলো ড্যাফোডিল হঠাৎ উষ্ণতায় আকর্ণ হাসিতে মেতে উঠেছিল। একটা দিন খুব হাসল। সাধারনত তাদের হাসি শুরু হলে মাস ধরে চলতে থাকে। তারপর অন্য ফুল চলে এলে তারা আস্তে আস্তে চলে যায়, যেন অভিমান করে আবার আসবে আগামী বৎসর সবার আগে একা একা এমনটা ভেবে।
এদের নাম নার্সিসাস যারা নিজেকে খুব ভালোবাসে। তারা অন্যদের সাথে নিজেকে ভাগ করতে চায়না। নিজের জন্য ভালোবাসা পুরোটাই চায়। তাই হয় তো সবার আগে একা ফুটে উঠে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেয় ।
কিন্তু এবার হলো কি, তাদের ফুটে উঠার দিনেই বিকাল না হতেই আকাশ ভাঙ্গা বৃষ্টি শুরু হলো তুমুল বৃষ্টি। এ সময়টা তো বৃষ্টিরই দখলে থাকে। একটা কথা আছে এপ্রিল শাওয়ার ব্রিং মে ফ্লাওয়ার। কিন্তু এপ্রিলে বৃষ্টি না হয়ে শুরু হলো কাঠ ফাটা গরম। চৈত্রের ফাটা মাটি চৌচির অবস্থা। বরফগলা জল শুকিয়ে খটখটে জমিন খুব দ্রুত। একে তো বরফপাত ছিল না তেমন তার উপর বৃষ্টি নেই। বরফ সরে যেতেই মাটি হয়ে গেলো খটখটে শুকনো। পরদিন তুমুল তুষারপাত আর ঝড় হাওয়া, চব্বিশ সেলসিয়াস থেকে এক লাফে মায়নাস ছয়ে নামল তাপমাত্রা।
ফুলগুলার কি আলুথালু অবস্থা। মাথা সোজা করেই রাখতে পারছে না। একে বরফের ভাড় তার উপর বাতাসের ঠেলা ধাক্কা। রাতে বাড়ি ফিরে দেখলাম তাদের নেতিয়ে পরা অবস্থা করুণ ভাবে কাহিল যেন বিশাল একটা অসুখের ধাক্কায় মাথা তুলে দাঁড়াবার অবস্থা নেই তাদের। মন খারাপ হলো খুব এইবার তাদের সাথে বেশিদিন থাকা হলো না।
আজ তৃতীয় দিন দুদিনের ঝড় তাণ্ডবের ধকল কাটিয়ে দেখি আবার হাসছে রোদের সাথে।
তাদের ফোটার কথা ছিল আরো দিন দশেক পরে নিয়ম মতন। সবাই ফুটেনি। যারা এখনও ফুটেনি আস্তে আস্তে প্রসেসিং করেছে নিজেদের তারা হয়তো বেশ কিছুদিন ধরে থাকবে। তবে দ্রুত যারা ফুটে উঠেছে তারা প্রকৃতির ধকলটা ভালোই সইল ।
প্রকৃতির পরিবেশ বদলে যাচ্ছে । বদলে দিচ্ছি আমরা নানা ভাবে।
আমরা নানা ভাবে বদলাচ্ছি প্রকৃতির নিয়ম। এখনে একটা বড় কারণ দ্রুত পানি সরে যাওয়ার জন্য টাইলিং সিস্টেম খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠছে দিন দিন।
এখানে কৃষকরা ভয়াবহ রকম বড়লোক। তাদের কাছে হাজার বর্গ কিলোমিটারে টাইলিং করা কোন ব্যাপার না। মাত্র পনেরদিন সময় বেশি পাওয়ার জন্য এই টাইলিং দিয়ে ভরে ফেলা হচ্ছে ক্ষেতি জমির নিচ।
টাইলিং বিষয়টা অনেকর কাছে অপরিচিত হয়তো এব্যাপারে আরেকটু বলি। কয়েক মাস ধরে তুষারপাত হয়ে সেই বরফ মাঠ জুড়ে শুয়ে থাকে। তারপর এপ্রিল জুড়ে বৃষ্টি। মাঠের মাটি থকথকে কাদা কাদা হয়ে থাকে। পা দিলেই দেবে ডুবে যেতে হয়।
এখানে কৃষকরা তো এখন আর গরু, ঘোড়া বা নিজেরা লাঙ্গল দিয়ে মাঠ চাষ করে না। ভাড়ি ভাড়ি ট্রাক্টর নামিয়ে দিন কয়েকের মধ্যে হাজার একর ক্ষেত চাষ করে ফেলে একাই মেশিনের সাহায্যে। আবার কিছু মেশিন আছে কোন মানুষের প্রয়োজন পরে না। মাঠে নামিয়ে ছেড়ে দিলেই চলে। কাজ শেষ করে ফেলে একাই।
তবে এই ভাড়ী মেশিন গুলো মাঠে নামানোর জন্য মাটির এই ভিজা ভাব দূর হওয়ার জন্য প্রকৃতির উপর নির্ভর করতে হয়। সে সময়টা হয়তো পনের বিশদিন বেশি লাগে।
কিন্তু কৃষকরা সারা বছর বসে থাকে বছরের এই কয়েকটা মাস কাজ করে। তাই এই কয়েক মাসের কাজের জন্য তারা পনের বিশদিন বেশি অপেক্ষা করতে চায় না। তাই দ্রুত মাটির নিচের পানি সরিয়ে ফেলার জন্য ব্যবহার করা হয় টাইলিং। মাঠ জুড়ে বিছিয়ে দেয়া হয় মোটা মোটা পাইপ। যে পাইপের ভিতর দিয়ে পানি সরে যায় নিচু ড্রেনিং সিস্টেমে। কৃষকরা মাঠে নেমে পরতে পারে দ্রুত। ফসল ফলে দ্রুত ফসল উঠানো হয় আগে। অনেক কৃষক শীতের ফসল লাগিয়ে দেয় মাঠে আবার অনেকে ক্ষেত প্রস্তুত করে রাখে পরের বছরের জন্য।
এতে কিছু সুবিধা পাওয়া যায় হয়তো। কিন্তু বিশাল একটা অপকার হচ্ছে । যে পানি প্রাকৃতিক ভাবে মাটির নিচে থাকার কথা তা চলে যাচ্ছে ড্রেনিং সিস্টেমের মাধ্যমে অন্য কোথাও। গ্রীষ্মকালে পানির স্তর এত নিচে নেমে যায় গত কয়েক বছর ধরে দেখছি। আগে তেমনটা কখনো হয়নি।
এবছর তো পানির স্তর এখন এই বসন্ত কালেই অনেক নিচে। গ্রীষ্মকালে কি হবে কে জানে। সাধারনত এ সময় বন্যা হয়। অনেক বাড়ির বেইজমেন্ট ডুবে যায়। এবার তেমন কিছু শুনিনি। বসন্ত এলে আমার বেজমেন্টে পানির পাম্পটা অটোমেটিক চালু হয়। একটা উচ্চাতায় পানি পৌঁছালে পাম্প করে সেটা বের করে দেয় যেন বেসমেন্টে বন্যা না হয়। এবার তেমন কোন শব্দ পেলাম না পাম্পের। কারন পানি সেই সীমা অতিক্রম করেনি।
যে সব হ্রদে মানুষ মাছ ধরত। হাঁস, পাখিরা জলকেলি করত সে সব লেকের জল একদম শুকনো থাকে গ্রীষ্মকালে গত কয়েক বছর ধরে দেখছি। আর একটা বিষয় ঘটে, সিঙ্কহোল দেখা দেয় অনেক। এখানে ওখানে হঠাৎ মাটি দেবে বিরাট বিরাট গর্ত তৈরি হয়।
একদিকে লবনাক্ত পানিতে ডুবে যাচ্ছে পৃথিবীর অনেক অংশ অন্য দিকে সুপেয় পানি কমে যাচ্ছে পৃথিবীর অনেক অংশে। এর কারন মানুষ বেশি সুবিধা ভোগ করতে যেয়ে প্রকৃতিকে নানা ভাবে বাঁধা প্রাপ্ত করছে।
উষ্ণতা বাড়ছে পৃথিবী জুড়ে। খাল নদী ভরাট আর গাছ বিলীন পরিবেশে অক্সিজেনের অভাব। কিন্তু আমরা আধুনিক নগরায়ন পরিবেশে থাকতে ভালোবাসি। গ্রামীন খোলামেলা মাটির ঘর আর পছন্দ নয় আমাদের। আকাশ চুস্বি অট্টালিকায় থাকার সুখই আলাদা।


মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে এপ্রিল, ২০২৩ রাত ১:৫৩

অপ্‌সরা বলেছেন: কি সুন্দর!!!

১১ ই মে, ২০২৩ রাত ১০:০৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় অনেক দিন পর অপসরা নামে আসলে

২| ২১ শে এপ্রিল, ২০২৩ ভোর ৬:১৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর ‌।

১১ ই মে, ২০২৩ রাত ১০:০৭

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০২৩ সকাল ৮:২৮

কামাল১৮ বলেছেন: সামনের সপ্তায় সারা শহর ভরে যাবে চেরি ফুলে।হাজার হাজার মানুষ জড়ো হবে চেরি ফোটা দেখতে।আমি প্রায় প্রতি বছর যাই।
পরিকল্পনা আছে টিউলিপ দেখতে অটোয়া যাবো।
শীতে জড়সড় থাকলেও বসন্তে প্রান ফিরে পায় টরেন্টো।

১১ ই মে, ২০২৩ রাত ১০:০৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: চেরি মনে হয় এবার বেশি সময় থাকার সুযোগ পেলনা।
যেমন জোর বৃষ্টি শুরু হয়েছিল ফুল ফোটার সময় এরা খুব নাজুক। অল্পতেই ঝরে যায়

৪| ২১ শে এপ্রিল, ২০২৩ দুপুর ১২:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: বেহেশত। উন্নত দেশ নিজের দেশকে বেহেশতে পরিনত করেছে। আর আমরা নিজেদের দেশকে দোযজে পরিনত করেছি।

১১ ই মে, ২০২৩ রাত ১০:১০

রোকসানা লেইস বলেছেন: নীতির অভাব মানুষের মনে থাকলে এমন হবেই।
বিদেশে দল বদল হয় কিন্তু দেশের জন্য কাজগুলো এক রকম করতে হয় সবারই।

৫| ০৭ ই মে, ২০২৩ সকাল ১০:৪৮

মিরোরডডল বলেছেন:




আপু কেমন আছো? কোন মন্তব্যের উত্তর নেই, তুমি ঠিক আছোতো?

এদের নাম নার্সিসাস যারা নিজেকে খুব ভালোবাসে। তারা অন্যদের সাথে নিজেকে ভাগ করতে চায়না।
:)

টাইলিং বিষয়টা অনেকর কাছে অপরিচিত হয়তো এব্যাপারে আরেকটু বলি।

থ্যাংকস ফর শেয়ারিং, নতুন কিছু জানলাম।

গ্রামীন খোলামেলা মাটির ঘর আর পছন্দ নয় আমাদের।

আমার কিন্তু গ্রামীণ পরিবেশ ভালো লাগে। তোমার লেখায় প্রায়ই যে কান্ট্রি সাইডের বর্ণনা থাকে, যখনই সময় পাই আমি চলে যাই সেরকম কোথাও।

তোমার বাগানের ড্যাফোডিলের ছবি দিও।

১১ ই মে, ২০২৩ রাত ১০:২১

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় মিরোরডডল।
লক্ষকরেছো জেনে ভালোলাগল।
আমি খুব ভালো আছি। আমি ঘুরতে বেড়িয়ে পরেছিলাম, পৃথিবীর পথে।
আর ঘোরার সময়টায় থাকি সবচেয়ে ভালো।
অনেকটা পথ চলে এসে একটা দারুণ ঘুম দিতে না দিতেই শুরু হলো কাজের ব্যাস্ততা।
নার্সিসাসের মতন নিজে মুগ্ধ হয়ে থাকার মজা মনে হয় আলাদা।
নতুন কিছু জানাতে পারলাম। আর তুমি বিষয়টা খেয়াল করলে মনোযোগে তাই বেশ লাগল।
দেশের গ্রামের বাড়িগুলোর যেমন ঘরবাড়ি ছিল সেটা ছিল আমাদের ঐতিহ্য, নিজস্বতা। এখন সব লেজেগোবরে। দেশের বাড়ি গিয়ে দম বন্ধ লাগে। তবে বিদেশে আমি খোলঅ পরিবেশটা উপভোগ করি খুব। শহর থেকে তাই দূরে থাকি।
যাদের কথা লিখেছি তারা ঝরে গেছে তবে ফিরে এসে দেখলঅম আরো কিছু ফুটেছে। ছবি তোলা হয়নি তুললে দিব।

একবার তোমাদের অস্ট্রেলিয়ার দিকে যাওয়ার ইচ্ছা তবে সময় একটু বেশি নিয়ে যেতে হবে তাই সুযোগের অপেক্ষা করছি।
অনেক আদর ভালোবাসা তোমার জন্য।

৬| ১৫ ই মে, ২০২৩ রাত ১০:১৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: মিরোরডডল তোমার জন্য আমার বাগানের ফুল দিলাম।
যে ফুলগুলো এখনও ফুটে আছে তার একটা ব্যাচের ছবি । আরো আছে নানা রঙের । সব দেয়া গেলো না।
যে ফুলগুলো আগে ফুটে বেশিদিন থাকতে পারল না তারা

৭| ১৭ ই মে, ২০২৩ রাত ৮:৩৫

মিরোরডডল বলেছেন:




থ্যাংক ইউ সো মাচ লেইস আপু।
কি চমৎকার তোমার নিজের হাতে করা গাছের ফুলগুলো।
খুব সুন্দর !

২৪ শে মে, ২০২৩ দুপুর ১:২৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম।
নিজের হাতে লাগানো ফুলগুলো যখন হাসে অনেক ভালোলাগে।

৮| ২৩ শে মে, ২০২৩ রাত ২:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:





অসুস্থতার জন্য সময়মত দেখে যেতে পারিনি সুন্দর এই লেখাটি । যাহোক এখন এসে দেখলাম ।
আর্থ মাসে ভুই ফোর ডেফোডিলের চিত্র সাথে অসময়ে অতিরিক্ত ঠান্ডা ও বৃষ্টির কারণে এদের দুরাবস্থার
কিছু কথা সুন্দরভাবে উঠে এসেছে লেখাটিতে । শীতের প্রকোপ একটুখানি কমে আসতেই গা জারা দিয়ে
দিন কয়েকের ভিতর দলবেধে এই ভুইফোর ডেফোডিলেরা প্রকৃতিকে সত্যিই দারুনভাবে হলুদের সমারেহে
ভরিয়ে দিয়ে মন প্রাণে হৃদয় গহীনে প্রফুল্লতা দিয়ে যায় ।

শৈশবটা কেটেছে বাড়ির পাশে দিড়ন্ত বিস্তৃত সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহে ।

আর এখন এই বিদেশ ভুয়ে দিন কাটে বাড়ীর পাশের ডেফোডিলের হলুদের সমারোহের মাঝে ।

ডেফোডিল না থাকলে মনে হয় দম বন্ধ হয়ে মারাই যেতাম ।

টাইলিং এর বিষয়ে আপনি সঠিক চিত্রই তুলে ধরেছেন । এটা প্রকৃতিকে সত্যিই বিপদের মুখে ফেলবে ।
আমিরিকান জার্নাল অফ এনভাইরমেন্টাল কোয়ালিটিতে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে দেখেছিলাম টাইলিং এ
জমিতে জমে থাকা পানি নিস্কাসন করে তাকে সময়মত ফসল ফলানোর উপযোগী করে তোলা হলেও এই
ড্রেইনেজ একদিকে যেমন মাটির নিউট্রিয়েন্ট উপদান ধুয়ে সাফ করে দেয় তেমনি নদী নালার পানিকে
করে তুলে কনটামিনেটেড , ক্ষতি হয় বিবিধ ধরনের ।


আমাদের এখানে আপনার বেড়াতে আসার কথা ছিল
পরিকল্পনা কতদুর আগাল জানালেন না তো ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

২৪ শে মে, ২০২৩ দুপুর ২:০৫

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী । অনেকদিন পর পুরানো লেখাটা খুঁজে নিয়েছেন। আর দারুণ মন্তব্য দিয়েছেন বরাবরের মতন।

আপনি প্রায় সময় অসুস্থ থাকছেন গত কবছর ধরে । নিজের যত্ন নিন ভালো করে। সবার আগে ভালো থাকা। মন ভালো থাকার জন্য ব্লগে চোখ রাখা, সময় কাটানো। আপনার লেখা এসেছে নিশ্চয় নতুন। দেখে নিব।

আমি ব্লগে নিয়মিত আসতে পারছিনা ভ্রমণে বেড়িয়েছিলাম বলে।

আবারও আমার লন্ডন যাওয়ার পরিকল্পনাটা বদল করতে হলো। লন্ডন যাওয়া হলো না এবারও। ইউরোপ ঘুরে চলে এসেছি।
লন্ডনে দুদিনের জন্য যেতে চেয়েছিলাম পরে বাদ দিয়েছি । আসলে লন্ডনে দুদিনের জন্য গেলে হবে না তাই। আমার কিছু প্রিয়জন, লন্ডনে অনুষ্ঠান করতে চায় আমাকে নিয়ে। সেপ্টেম্বরে বইমেলা হবে সেখানে যাওয়ারও আমন্ত্রণ আছে। গত দু বছর ধরে আমন্ত্রণ করছে কিন্তু এবছর সেপ্টেম্বরেও যেতে পারব না ব্যাস্ত থাকব একটু তাই। আবার নতুন করে পরিকল্পনা করতে হবে।

শীতের শেষে হলুদ ড্যাফোডিল আসলেই রঙ ধরিয়ে দেয় প্রকৃতির মাঝে। আর ফোটে ড্যানডিলিয়ন যদিও আগাছা তবু খুব সুন্দর লাগে আমার মাঠ জুড়ে হলুদ হাসি দেখতে।
আপনার বাড়ির সামনে হলুদের নদী বয়ে যাচ্ছে মনে হয় । আমি এমন একটা বাগান করতে চাই। কিন্তু প্রচুর দাম। তাই প্রতি বছর অল্প কিছু কিনে লাগাই আর আগের গুলোর বাচ্চা হয়ে কিছুটা বাড়ছে আমার বাগান।
ইউরোপে আমি প্রচুর সরিষা ক্ষেত দেখে মুগ্ধ হয়ে আছি। আমাদের এদিকেও প্রচুর সরিষা ক্ষেতের মতন ক্যানলা ক্ষেত দেখি, মন ভরে যায়।
টাইলিংটা আমি বেশ কবছর ধরে দেখছি। মাঠ জুড়ে বড় বড় পাইপ এসব কি হয় বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখলাম মাঠের ভিতর এদের বুনে দেওয়া। এবং গ্রীষ্মে পানি শুকিয়ে যাওয়াটাও কয়েক বছর ধরে নিজ খেয়াল করে মনে হলো টাইলিং এর এখনের সাময়িক উপকারটা দীর্ঘকালিন অপকারের সম্ভাবনা। আপনি যে রির্সাসের কথা জানালেন সেটা তাহলে আমার ভাবনার গবেষণার সাথে মিলে গেলো।
আমার মনে হয় এটা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিৎ।

আপনি অনেক ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা নিরন্তর।


৯| ২৪ শে মে, ২০২৩ দুপুর ১:৩১

রানার ব্লগ বলেছেন: আমি কখনোই ডেফোডিল দেখি নাই । শুনেছি এর মুগ্ধতার কথা । আপনার মাধ্যমে ডেফোডিল দেখে ফেললাম এর জন্য ধন্যবাদ ।
কিন্তু জনাব ডঃ এম এ আলী স্যারের সৌজন্যে সরিষা ফুলের সৌন্দর্য যেন ডেফোডিল কে হার মানিয়ে দিলো । ইচ্ছা করছে সরিষা ফুলের ক্ষেতে গিয়ে বসে থাকি ।

০৩ রা জুন, ২০২৩ দুপুর ১২:৪৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: আমিও বিদেশে আসার আগে কখনো দেখিনি শুধু কবিতায় পড়ে জেনেছিলাম একটি ফুল আছে ড্যাফোডিল নামে যা মুগ্ধ করে রাখে কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে।
শুভেচ্ছা রানার ব্লগ

১০| ২৫ শে মে, ২০২৩ সকাল ৭:১১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




হ্যা নতুন পোষ্ট দিয়েছি ।
এখন শরীরটা আগের থেকে একটু ভাল
তবে অনেক নিয়ম কানুন ও ৌঔষোধের
মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে ।

দাম বেশি দেখে ডেফোডিল বাল্ব কম কেনার দু:খ গুচে যাবে
holland bulb farms.com থেকে নীচের লিংক ফলো করে
https://www.hollandbulbfarms.com/fall-planting-bulbs/fall-flower-bulb-deals/jumbo-bags/tete-a-tete-daffodil-jumbo-pack
৫০ ডলারে ২০০টি টেটি এ টেটি ডেফোডিল বাল্ব সংগ্রহ করতে
পারবেন। ৫০টি বাল্ব নিয়ে একটি ব্যগের দাম $১২.৯৮ ডলার ।
এরা ৫০% ডিসকাউন্ট অফার করছে। মুল দাম ছিল $২৪.৯৬
এমাজন থেকেও পাওয়া যায়
Tate A Tate Daffodil

Tate A Tate Daffodil bulbs
Amazon এর মাধ্যমে কিনে নিতে পারেন বাল্ক কোয়ানটিটি বেশ কম দামে । সারা বাগান ভরে যাবে ডেফডিলে


শুভেচ্ছা রইল

১১| ০৩ রা জুন, ২০২৩ দুপুর ১:০৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: আপনার কাছে সব তথ্য পাওয়া যায়। অনেক ধন্যবাদ খবরটা জেনে খুব আনন্দিত হলাম। আমি তো এমনি একশ দুশো কিনতে চাই।
অনেক বাল্ব পাওয়া যাবে আমি তো এমনটাই চাই। তা হলে এই অক্টোবরে মাঠ ভর্তি করে বুনে দিব আশা করি।
আমাজন থেকে একবার কিছু সিড নিয়েছিলাম কিন্তু হয়নি।
আমাজনে পাওয়া গেলে সুবিধা কিন্তু হল্যান্ডের সাইডে দেখতে পাচ্ছি কিন্তু আমাজনে দেখছি না। হল্যান্ডরে সাইড থেকে নিলে বর্ডার ক্রসের সমস্যা হতে পারে।
আপনার লেখা দেখতে যাব। ইদানিং সময় কম পাচ্ছি ব্লগে আসার ।
আপনি নিজের যত্ন নিবেন। ভালো থাকুন সব সময়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.