নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চার হাত থেকে আধ হাত কম..

সৈয়দ তাজুল ইসলাম

নিভৃত গ্রহচারী

সৈয়দ তাজুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

যেভাবে ঐতিহ্যগুলোকে আমরা দাফন দিচ্ছি!

২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:২৬


"জীবনে যারে কভু দাও নি মালা
মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল"


নিজেদের অযোগ্যতাকে ঢাকতে গিয়ে আমরা একেরপর এক অপকর্ম করেই চলেছি। সন্ধার সূর্যাস্তের সত্যের ন্যায় গত ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশী গায়ক, গিটারবাদক, গীতিকার, সুরকার, ও চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু মারা গেলেন। সম্প্রতি শুনা যাচ্ছে, সিটি মেয়র নাসির উদ্দিন নাকি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী 'মুসলিম হল'-এর নাম আইয়ুব বাচ্চু'র নামে পরিবর্তন করার জন্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করেছেন। আইয়ুব বাচ্চুর নামে চট্টগ্রামে একটি সড়কের নামকরণ করা হবে সেটা ভাল কথা, যদিও কবি বলে গেছেন, "জীবনে যারে কভু দাও নি মালা/ মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল"।
কথা এখানে না! কথা হচ্ছে, নাম পরিবর্তন করে মৃতদেরকে পুরস্কৃত করার নামে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেমন একেকটা চেতনাকে দাফন করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী 'মুসলিম হল'এর নাম পরিবর্তন করার দিকে এগুচ্ছে চট্টগ্রামের সিটি মেয়র। যদিও বিভিন্ন পত্রিকাওয়ালারা বলছে হলের এক শাখায় আইয়ুব বাচ্চুর নাম এড করে দেয়া হবে কিন্তু বাস্তবে পরিবর্তন করার সময় ঠিকই এর নাম পরিবর্তন করে আরেকটি চেতনার দাফন দেয়া হবে (বাঙালি রাজনীতিবিদদের দুমুখো কার্যকলাপের প্রমাণ ভুরিভুরি)। এভাবে আমরা বারবার নিজেদের অযোগ্যতাকে ঢাকতে গিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া ঐতিহ্যকে হত্যা করছি। কিন্তু এমনটা করছি কেন? সেটা বিবেককে জিজ্ঞেস করি না!
জনগণ মৃত্যুকে ভয় পায়, তারা বাঁচতে চায়, তারা জীবন চায়, সেটা গোলামির জিন্দেগি হলেও চলবে। তাই তো আজকাল ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর ন্যায় জনগণকে অন্যায়ের প্রতিবাদে খুবই কম দেখা যায়। প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য রাজপথগুলোকে দুর্গন্ধময় করছে। ইসলামি দলগুলো সেজন্য কম নয়, আর রাজনৈতিক দলগুলোর থেকে তো এমনটা অকাম্য।
আমাদের অতীত ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখেও কিন্তু আমরা নতুন করে আমাদের গর্বিত মানুষদের জন্য আলাদাভাবে কিছু করতে পারি, সেটা না করে এই নাম পরিবর্তনের নামে চেতনা হত্যার দ্বারা কি আমাদের আযোগ্যতার প্রমাণ মিলে না?

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৩৯

সাগর শরীফ বলেছেন: ভাল লিখেছেন ।

২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:০১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ, তোষামোদি না ভাল লাগার মত, তবে প্রথম মন্তব্যকারী হওয়ায় আপনার জন্য

২| ২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৪৭

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: তোষামুদি আর লেজুরবৃত্তির রাজনৈতিক বলয় থেকে বেরিয়ে না আসা পরযন্ত চেতনার নামে এসব নোংরা রাজনৈতিক খেলা কী আর বন্দ হবে? গুরুত্বপূররণ একটা বিষয় সামনে নিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ।

২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:০৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
আসলে আমরা অপরাজনীতির চর্চা করছি ভাইজান। যেদিন প্রকৃত রাজনীতি আমাদের মাঝে আসবে সেদিন আর তোষামোদি থাকবে না আর প্রয়োজন পড়বে না লেজুড়বৃত্তির!

আপনার মন্তব্য অনেকটাই ব্যতিক্রম, সাম্প্রতিক সমস্যা নিয়ে কিছু বলুন!
মন্তব্যে ধন্যবাদ

৩| ২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মৃত মুখের ছবিটা না দিলেও পারতেন।

২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:০৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
ভাই, স্যারি!
আসলে আমি চাইনি! তবে জীবিত ছবি আর মৃত ছবিতে মনে হয় আলাদা কোন বিধান নেই!

মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও নিরন্তর শুভকামনা।

৪| ২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: কিছু বলার নাই।
তাই চুপ করে থাকলাম।

২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
আপনার এমন নিশ্চুপতা কি সুনাগরিকতার পরিচয় বহন করছে ভাই?

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫| ২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:১৫

পলাশবাবা বলেছেন: এটা তো কিছুই না। এই খবরটা পড়ে দেখতে পারেন।

http://web.dailyjanakantha.com/details/article/314296/টাঙ্গাইলে-ভাঙা-হলো-পাকিস্তানের-দুটি-নামফলক/

২১ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:১৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
দেখুন, আমি না জামাতি না কট্টর কোন পন্থী! সুতরাং আপনার এমন নিউজ লিংক আমায় মোটেও প্রভাবিত করছে না! নিউজের শিরোনাম জামাতিদের মনোরঞ্জনকর বলেই মনে হচ্ছে, তাই লিংক ওপেন করার ইচ্ছে জাগছে না। তবে হ্যা, পাকিস্তান আমলে তৈরি ঐতিহ্যগুলো কিন্তু আমাদের ভৌগলিক সম্পদের অন্তর্ভুক্ত, সুতরাং এমনটা কএয়া নির্ঘাত বোকামি, তাই এটাকে সমর্থন করার মত না!

৬| ২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪২

পলাশবাবা বলেছেন: জামাতিদের মনোরঞ্জনকর কিভাবে ? আর জামাতি রাই বা এই আলোচনায় আসে কিভাবে ?

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৫৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: পোদটে তুমি হঠাৎ করে পাকিস্তানিদের উপর দরদ দেখালা কেরে?

দেখ, ৭নং মন্তব্যের তথ্য ;)

৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:০৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি এক্ষেত্রে যেটা বলতে পারি পাকিস্তানী ঐতিহ্য ছুড়ে ফেলার দিন এসে গেছে। পাকিস্তানের গেলে বাংলাদেশীদের ব্যাপারে পুরো বিদ্বেষপ্রসূত কথা পাঠ্যবইতেই শেখানো হয়। আমাদের নামে ছিটেফোটা যা দুয়েকটা ছিলো সবই তারা ঘৃনাভরে স্মরন করে এখনো। সেক্ষেত্রে আমাদেরও সময় এসেছে ওদেরকে ছুড়েফেলার। ব্যাক্তি বাচ্চু রাস্ট্র পাকিস্তান থেকে অনেক মহান

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: হ্যা, পাকিরা আসলেই কমবখত মার্কা জাতি। কিন্তু এখনও রক্ষিত আছে অনেক কিছু।
তা যাই হোক, আমরা কিন্তু পাকিদের ফেলে যাওয়া অনেককিছুর ভাল ব্যবহার করতে পারিনি! আমরা আমাদের ফেরত পাওয়া কিছু সম্পদ নষ্ট করেছি।



আপনার মন্তব্যের জন্য ভালবাসা নিবেন।

৮| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

পলাশবাবা বলেছেন: তা তুমি করতেই পার। তুমি তো আর লিংক টা খুলে পড় নাই।তুমি আছ " মনে হচ্ছে" নিয়ে।। যাই হোক আরেক আবাল কানার সন্ধান পাইলুম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.