নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চার হাত থেকে আধ হাত কম..

সৈয়দ তাজুল ইসলাম

নিভৃত গ্রহচারী

সৈয়দ তাজুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

"বল, কোন পাড়ে ভিড়িবে তোমার উন্নতির তরী?"

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯


স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বিক উন্নতির বাস্তবিকতা বুক ফুলিয়ে প্রশংসা করার মত। সেদিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির আকাশ ছোঁয়া দাম আমাদের জন্য কোন ব্যাপার না। গোটা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দারিদ্র্যরেখার নিচে বাস করা মানুষের অনুপাতে বাংলাদেশ এখনও শীর্ষস্থানে। মোটাদাগে আমাদের দারিদ্র্যসীমার নিচের অনুপাত সংখ্যা ২১ দশমিক ৮ শতাংশ দেখালেও আমাদের আঞ্চলিক বৈষম্যতার কারণে কোন কোন জেলায় তা ৬০ শতাংশেরও বেশি। জাতীয় গড় ২৪ হলেও প্রচলিত দারিদ্র্যসীমার নিচেই কুড়িগ্রামে প্রায় ৭১ শতাংশ মানুষ বাস করে। অন্যদিক দিয়ে দেখলে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে বাস করে। এই ৭৫ শতাংশের মধ্যে শতকরা ৬০ শতাংশেরও বেশি রয়েছে দারিদ্র্যসীমার নিচে। আর ৩০ শতাংশ দরিদ্র, বাদবাকি মধ্যবিত্ত ও ধনীদের মধ্যে বিভক্ত।

গত ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হয়েছিল। বাড়িতে অবস্থানকালীন প্রতিদিনই আমি হাটে যাওয়ার চেষ্টা করি। নিত্যদিনকার মত একদিন হাটে যাওয়ার পথে পরিচিত একজন ভদ্রলোককে দেখলাম তিন বস্তা ধান নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে হাটে যাচ্ছে। আমি তাকে ধানের বাজারদর জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তরে বলেছিলেন প্রতি মন (চল্লিশ সেরা) ৬০০ টাকা মাত্র। হাটে যাওয়ার পর ঐদিনের দ্রব্যাদির বাজারদর দেখে বড্ড অবাক হলাম। এই ভদ্রলোক একমন ধানের টাকা দিয়ে বড়জোর একসাপ্তাহ চলতে পারবেন; যদি তার ফ্যামেলির সদস্য সংখ্যা চার-পাঁচ জন হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানের মান বাজারদর বিবেচনায় থাকে সাপ্তাহে দু'মন ধান বিক্রি করতে হবে। সবাই কিন্তু আবার এরকম ধানের উপর নির্ভরশীল হতেও পারে না। হতে হয় অভাবের উপর নির্ভরশীল।

বছর কতেক আগে সিএনজি ওয়ালা কথা প্রসঙ্গে বলেছিল, 'এখন গ্যাসের দাম বাড়ানো হল, বাড়লো রাস্তার ভাড়া খরচ। পাঁচ টাকার জায়গায় আমরা নিচ্ছি সাত টাকা। কিন্তু কেউ কিছু বলে না। কিছুদিন পর এভাবে দাম বাড়তে বাড়তে ৫ থেকে ১৫ টাকা হলেও কেউ কিছু বলবে না। এটাই আমাদের কপাল, আর আপনাদের কাছে আপনাদের ভাগ্য বলুন আর উন্নয়ন।'
বর্তমান চড়া বাজারদর নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে আমাদের অনেকেই ব্যাতিক্রমী আলোচনা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু ঐ গণমাধ্যমের মতই আমরা নিরব হতে খুব বেশি সময় নেইনি। দুএকদিন আগে একজন ব্লগারকে দেখেছিলাম এ নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট দিয়েছেন। ভালো লেগেছে অনেক।


চড়া বাজারদরের কারণে আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্রাইসিসের মধ্যে পড়েছে আমাদের সমাজের দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষগুলো তাদের সাথে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের সকলেই। কিন্তু আমাদের জনগণের মধ্যে ঐক্যের অভাব ও আমাদের শিক্ষিত সমাজের অন্ধত্বতার কারণে এই ক্রাইসিস আমাদের থেকে দূর হয় না। ভৌগোলিক দিক বিবেচনা করলে আমাদের রাষ্ট্রের জন্য এরকম চড়া বাজারদর সম্পূর্ণভাবেই একটা মুর্খ সমাজব্যবস্থাপনার ফলাফল বলা যেতে পারে। এরকম কৃষির ক্ষেত্রে উত্তম উপযোগী রাষ্ট্রের জন্য এমন চড়া বাজারদর কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য না হলেও আমরা তা গ্রহণযোগ্যতার উর্ধে বসিয়ে অভ্যাসে পরিণত করে নিয়েছি। আফসোস নয়, তবু ভালবাসাটুকুই রাখি এই দেশের জন্য।



১ম ছবি : ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত একটি পত্রিকার প্রতিবেদন।
২য় ছবি : আজ জুম'আ থেকে আসার পথে তুলা ।

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৮

কিরমানী লিটন বলেছেন: জনগন হলো সব সমস্যার মূলে। এরা সব কিছু সহজেই মেনে নেয় কিংবা মানিয়ে নেয়। মানুষ যতদিন উপলব্ধি না করবে একদল ভন্ড প্রতারক রাজনীতির নামে এদেশে নব্য ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী খুলে তাদের ইজ্জত আব্রু সব লুটে নিয়ে তাদেরকে দিনকে দিন স্বাধীনতাহীন করে তুলছে ততদিন এর অবসান হবে না। পিয়াজ, ধান, তেল একটার পর একটা দিয়ে এই ঘসেটি জগতশেঠরাও থামাবে না- তাদের পাশবিক হিংস্রতা, ভন্ড শঠতা.....

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাই, অনেক সুন্দর কথা বলেছেন।
অনেকটাই একমত, তবে এরা সব কিছু সহজেই মেনে নেয় না বরং মানিয়ে নেয় আর বিশ্বাসে বদ্ধমূল করে নেয় এটা তাদের বাধ্য হয়ে মেনে নেয়া। আর হ্যা, এরা ভন্ড প্রতারক মার্কা রাজনীতি উপলব্ধি করতে পারে ঠিকই, তবে ওই যে মেনে নেয়ার কারণে এই উপলব্ধি কোন কাজে আসে না ।
এদের অধিকাংশরাই চায় অন্যের পিছে দাঁড়িয়ে নিজেদেরকে মুক্তি করতে কিন্তু এরা মারদাঙ্গা ভয়ও পায় খুব । যার কারণে আমরা দেখতে পাই রাস্তায় হাজারো মানুষের সামনে নিরপরাধ নারীকে পিঠিয়ে মারার ভিডিও । অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা শিক্ষিতরাই দায়ী ।

২| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: এই রকম একটা পোষ্ট আমি দিতে চেয়েছিলাম। তার আগেই আপনি দিয়ে দিলেন। ধন্যবাদ।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব ভাই,
আশাকরি আমার চেয়ে আপনার পোস্টটি আরো ভালো মানের হবে। অনুরোধ থাকবে, সময় করে পোস্ট দেওয়ার । ভালো থাকুন সবসময়; আশপাশের মানুষের চিন্তায় ।

৩| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সৈয়দ তাজুল ইসলাম ভাই,
তখনো মজুতদার ছিলো এখনো আছে ! তখনো খাদক ভোজন বিলাসী বাঙালী ছিলো এখন আরো বেড়েছে! পেঁয়াজের কেজি ১৫০ টাকা যথার্থ ও সঠিক।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ ভাই ,

হ্যা আপনার কথা ঠিক । তবে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে 'যথার্থ ও সঠিক' বলার দ্বারা আপনি ঠিক কী বুঝাতে চাচ্ছেন ?



(আপনিও কি আপনার গৃহিণীকে পেঁয়াজ ছাড়া রান্নার নিৰ্দেশ দিয়ে রেখেছেন! নাকি পোস্টে পেঁয়াজের ছবি দেখে নিজ এলাকার পেঁয়াজের দামটা জানিয়ে গেলেন ? আগামী বছর এই সময়ে ২০০ টাকা হলে কি 'যথার্থ ও সঠিক' বলেই চালিয়ে দিতে চাইবেন ! নাকি বিশ্বের বাজারদরের দোহাই দেয়ার জন্য পূর্ব প্রস্তুতিকে নিয়ে রাখতে বলবেন !)

৪| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

নুরহোসেন নুর বলেছেন: আমরা ভুলোমনা জাতি,
মিডিয়ার ২/১ লাইন সমস্যার কথাকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা সমস্যার সমুদ্রে হাবুডুবু খাওয়াকে গুরুত্ব দেইনা।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আমার ব্লগ বাড়িতে আপনাকে স্বাগতম ।

কথা ঠিক বলেছেন । তবে এর জন্য আম জনতার চেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছি আমরা শিক্ষিতরা ।

ধন্যবাদ ।

৫| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

হিংস্র ঈগল বলেছেন: আমাদের মধ্যে যতদিন ঐক্য না হবে ততদিন এইসব অসাধু ব্যাবসায়ি, রাজনীতিবিদ আর আমলাদের নির্যাতন সহ্য করে যেতে হবে। তাই সবার আগে আমাদের নিজেদের মধ্য ঐক্য স্থাপন করা জরুরি।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ।
খুব সুন্দর বলেছেন । যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় কী এবং এর প্রতিবন্ধকতা কী?
তখন আপনি কী বলবেন !

৬| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমি নিরামিষভোজী হওয়াতে পরিবারের সবাই মোটামোটি তা। আমার পরিবারে পেঁয়াজ খুব কম লাগে। সৈয়দ তাজুল ইসলাম ভাই অতি ভোজনে পেঁয়াজের প্রয়োজন বেশী হবে, দেশে অতি ভোজনে রোগ ও রোগীও বেশী। পেঁয়াজ, তেল, লবন, ডাল ক্যালেঙ্কারী আজকের নতুন না।

আগামী বছর ২০০ টাকা হলে যথার্থ ই বলবো এবং পরিবারে পেঁয়াজ খাওয়া বন্ধ করে দিবো। এখন এক বেলা দৈ চিড়া খাই সামনে দুই বেলা দৈ চিড়া খাবো। ভাই আমি খুব সারভাইভাল মানুষ। এতোদিন আমার পোষ্ট পড়ে এখনো কেনো তা বুঝতে পারেন নি তাই এখন ভাবনা হচ্ছে। নাকি আমার পোষ্ট পড়তে ভালো লাগে না - তাও জানাতে পারেন।


০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ফিরে আসায় ধন্যবাদ ।


কখনো কখনো প্রিয় মানুষ মজা নেয় নাকি বিনোদনের সাহায্যে বাঁশ দেয় সেটা বুঝাই দায় হয়ে দাঁড়ায় :) । আসলে আমাদের উচিৎ খাদ্য গ্রহণে কিপ্টে না হয়ে সচেতন হওয়া; ঠিক আপনার মতো । আশাকরি জনগণ দিনে দিনে কিছুটা শিক্ষিত হয়ে উঠবে ।



সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

৭| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সৈয়দ তাজুল ইসলাম ভাই,
আমি অনেক সময় তর্ক বিতর্ক করি তবে কাউকে বাঁশ দিই না। প্লিজ মনে কষ্ট পেয়ে থাকলে “স্যরি”। দেশে নিত্য পণ্যর দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার অন্যতম কারণ দেশের মানুষের অতিরিক্ত ভোজন। এই দেশে অধিকাংশ মানুষ এখন খাইতে খাইতে মারা যাচ্ছেন। প্রাইভেট ক্লিনিক হসপিটালে সন্ধ্যার পর রোগীর যে লাইন দেখবেন সবাই ভোজন প্রিয় মানুষ - তাদের স্বাস্থ্য দেখে এটি যে কেউ বুঝতে সক্ষম হবেন।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আরে ভাউ মজা নিলাম ;)


কথা অনেকটা ঠিক বটে, কিন্তু এখানেও একটা 'তবে' আছে৷ তবেটা হচ্ছে, এই রোগবালাইর জন্য আমাদের দেশের খাদ্যে অস্বাস্থ্যকর মেডিসিন প্রয়োগের কারণেও বটে। আর তা না হলে সরকারি মেডিকেলে জায়গাজমি বন্ধক আর ঋণের বুঝা মাথায় নিয়ে 'ভোজন রসিক' দরিদ্ররা আসত না! এরা বাধ্য হয়েই আসে, অথচ এরা কিন্তু খাবার গ্রহণে খুবই নিম্নমানের। খায়ও অল্প।

৮| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: যেদিন থেকে জেনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কাঁচা পেঁয়াজ পছন্দ করতেন না, সেদিন থেকে পেঁয়াজ খাওয়া প্রায় ছেঁড়ে দিয়েছি।

লন্ডনে থাকতে বেশ কয়েক দিন পেঁয়াজ ছাড়া তরকারী রান্না করেছিলাম। তা দেখে, সেই সময়ে আমার রুমমেটদের হা করা চোয়ালের কথা এখনো মনে পড়ে যায়। :)

দেশে আসার পরে, সেই স্বভাবটা কিভাবে যে বদলে গেলো!

তবে, কাঁচা পেঁয়াজ ছাড়া যে রান্না সুস্বাদু করা যায়, তা আমার চেয়ে বেশি আর কে জানেন!

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ওয়েল ওয়েল। অনেক ভালো একটি নিউজ দিলেন ভাউ৷ কাঁচা পেয়াজ ভক্ষনে মুখে মারাত্মক দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার কারণে কাঁচা পেয়াজ খেয়ে ভালভাবে ব্রাশ না করে নামায পড়তে নবীজি (সা) নিষেধ করেছেন৷
আপনি তো মা শা আল্লাহ ভালই দ্বীনি জ্ঞান রাখেন।

"সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
'লন্ডনে থাকতে বেশ কয়েক দিন পেঁয়াজ ছাড়া তরকারী রান্না করেছিলাম। তা দেখে, সেই সময়ে আমার রুমমেটদের হা করা চোয়ালের কথা এখনো মনে পড়ে যায়। 

দেশে আসার পরে, সেই স্বভাবটা কিভাবে যে বদলে গেলো!'"

দেশের বরকত বলে কথা ;) এটা আপনাকে বুঝে নিতে হবে।


পেয়াজ ছাড়া রান্না সুস্বাদু করার কায়দা নিয়ে সুন্দর একটা ব্লগ পোস্ট প্রকাশ করে ফেলুন না ভাউ।

৯| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পাঠককে চিন্তার খোরাক দিতে সুন্দর লিখেছেন।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: চিন্তা যদি মুক্তি দেয়, তবেই তো তৃপ্ত।

আমাদের তৃপ্তি কোথায় তাও তো আমরা অনেকসময় খোঁজে পাই না!

১০| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫২

সোহানী বলেছেন: ভাইরে মানিয়ে নেয়া ছাড়া আমাদের আর আছে টা কি??? বাজারে যেয়ে প্রথমে খুঁজতে হয় কমদাম কোনটার... পছন্দের জিনিস নয়।

দ্রব্যমূল্য এর ধাক্কাতো আমাকে আপনাকেই সামলাতে হয় অন্য কাউকে নয় কিন্তু.............

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: কারণ একটাই কিন্তু এই একটার বেতর অনেক, আমরা মধ্যবিত্ত, দরিদ্র কিংবা দারিদ্র্যসীমারও নিচে অন্তত বেঁচে থাকা মানুষ। আমাদের কিছুই নেই যা আছে তার সবটুকুই দেই। তবুও আমাদের প্রাপ্তি না পাই অন্তত অশান্তি না পেয়ে বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও পাই না!



সামলাতে সামলাতেই আমরা শেষ পর্ব খোঁজি আপু।

১১| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: সৈয়দ তাজুল ইসলাম,



"বল কোন পাড়ে ভিড়িবে তোমার উন্নতির তরী?"
ঐ পাড়ে কোনও এক সোনার গাঁয়ে..................

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:১৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: দাদা ;)
ধন্যবাদ জানবেন।


এসকল বিষয়গুলো আমাদেরকে অশান্তিতে ডুবিয়ে রাখে সর্বক্ষন, তারপরও আমরা সুখি আছি বলে ভালই অবিনয় চালিয়ে যেতে পারি৷ হ্যা, আজকাল ঐ পাড়ায়ও যাওয়া দায়, কাগজ নিয়ে যাবেন তো সেখানে গিয়ে চাকর হওয়ার সৌভাগ্য জুটবে কপালে আর কাগজ ছাড়া গেলে তো পরপারে....

১২| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: পেয়াঁজ নেইতো কি হয়েছে ক্যপসিকাম খেলেই হয়

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:১৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বাঙালির জাত ওয়াইন খেতে পারে না, যাও বাঙালা মালে ওয়াইনের স্বাদ আদায় করে নিতে চায় তাও আপনারানারা বাধা হয়ে দাঁড়ান।

আজকাল চতুর্দিকে এই সমস্যাই চলছে।

১৩| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: তরী কোথায় ভিড়বে সেটা নির্ভর করছে তরীর যাত্রীর উপর। যাত্রী যদি যুগে যুগে হালুয়া খাওয়া পার্টি হয় তাহলে তাদের নির্দেশিত নিশানায় পৌঁছাবে।
আর যদি দরিদ্র কৃষক কিংবা পাবলিক বাস-টেম্পুতে ঝুলতে থাকা খেটে খাওয়া শ্রেণি হয় তাহলে গন্তব্যহীন চলবে। কোথায় যাবে নিজেরাও জানে না?

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বাঙালির পেটে বিদেশি ওয়াইন হজম হবে না, তাই এপেটে চালান দিতে হবে বাংলা মাল। এখন মাল খেয়ে উন্মাদ বাঙালি কি করে নৌকা চালাতে পারে? তখন তো তাদের মধ্য থেকে শিক্ষিতদেরকেই কাণ্ডারী হতে হবে; কেননা তারা স্বার্থান্ধ শিক্ষিত হওয়ায় ওয়াইনের আশায় বাঙলা মাল কম গিলেছে। কাণ্ডারি তুমি পবিত্র। নিয়ন্ত্রকের নয়, দোষ তো নিয়ন্ত্রিত মস্তিষ্কে; যা অকেজু করা হয়েছে অনেক পূর্বেই। ⛵ কোন দিকে যায় চলুন দেখা যাক!

১৪| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৫

বলেছেন: পেঁয়াজের দাম ঠিকই আছে
মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালে
আফটার অল...
উন্নয়ন হচ্ছে।।।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৩০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: এদেশের মানুষ পেটভরে তিনবেলা খেতে পারে, প্রায়ই এরা চারবেলা ও পাঁচব্রলাও খেয়ে থাকে তাই এদেরকে সুস্থ রাখতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অল্প খাদ্যগ্রহনে অভ্যস্ত করা হচ্ছে।
৭ নং মন্তব্যে ঠাকুর মাহমুদ ভাই কিন্তু এমনটাই বলেছেন খুব সুন্দরভাবে।

দেশি বন্ধু।

১৫| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৪

আরোগ্য বলেছেন: আরে সৈয়দ ভাই আমরাও কি যে বলি বলেন। পেয়াজ না খেলে কি হবে দেশ তো ডিজিটাল হচ্ছে, যা হবার হোক, মহাকাশে স্যাটেলাইট গেছে তা কি কম কথা। পেটে ক্ষুধা থাক তাতে কি মোবাইলে ডাটা চাই, দেশ ডিজিটাল হচ্ছে। আহারে মোর ডিজিটালাইজেশন!!! :((
দেশ তো ডিজিটাল হবে কিন্তু মানুষ কি আদৌ বাঁচবে? কার কল্যানে এতো অকল্যান?

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: দেশ তো ডিজিটাল হবে কিন্তু মানুষ কি আদৌ বাঁচবে? কার কল্যানে এতো অকল্যান?
প্রশ্নটা ঠিক আপনার কথার এই জায়গায়। যদি আমাদের মধ্যে থাকা শিক্ষিতরাই শুধু এই কথাটার মূল জিনিস অনুধাবন করতে পারতো তবে হয়ত সকলের কন্ঠে এই একই দাবী জেগে উঠতো। আর এই একই প্রশ্নের উত্তর দিতে আমাদের প্রতিনিধিত্বকারীদের সকল দূর্নীতির পথ বন্ধ হতে বাধ্য হত। কারণ তখন সর্ব সাধারণ আমাদের পেছনে থাকতোই কিন্তু আমাদের শিক্ষিতরা স্বার্থান্ধতার পেছনে ছুটতে গিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয়কে রাস্ট্রের চেয়ে মূল্য দিচ্ছে। আমাদের দেশের সকল উন্নয়নের প্রকাশ ঘটেছে ওদের বেডরুমে।

১৬| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব ভাই,
আশাকরি আমার চেয়ে আপনার পোস্টটি আরো ভালো মানের হবে। অনুরোধ থাকবে, সময় করে পোস্ট দেওয়ার । ভালো থাকুন সবসময়; আশপাশের মানুষের চিন্তায় ।

না, আমার পোষ্ট ভালো হতো না। আমি আপনার মতোন সুন্দর লিখতে পারতাম না।
আমার লেখা উন্নত নয়, আপনার পড়েন, মন্তব্য করেন এটা আপনাদের মহানুভবতা।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:০১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: রাজীব ভাই,
দয়া করে এরকম করে বলবেন না। এমন শব্দগুলো আমাদের কষ্ট দেয়। আমি মনে করি আমাদের মধ্যে প্রত্যেকেই নিজেদের কাছে ভালো লাগা লেখাগুলোতে সবসময় ভালো মন্ত্রব্য করার চেষ্টা করি। সেদিক বিবেচনায় আপনার লেখায় আমার চেয়ে ভালই মন্তব্য পড়ে। আর আপনার লেখার সর্বদিকই আমার চেয়ে উৎকৃষ্ট মানের৷

ধন্যবাদ ভাই৷

১৭| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৭

নীল আকাশ বলেছেন: তাজুল ভাই,
"বল কোন পাড়ে ভিড়িবে তোমার উন্নতির তরী?"
উন্নতির তরী তো ভাই লাগামছাড়া হচ্ছে! পেপার পড়েছেন না? একজন মাত্র একদিনে ৪৬ কোটি টাকা জুয়ায় হেরে এসেছে।
দেশ এখন তড়তড় করে এগিয়ে যাচ্ছে আর আপনি এইসব দেশ বিরোধী পোস্ট দিয়ে দেশের অগ্রযাত্রা বন্ধ করতে চাইছেন।
পিয়াজের দাম বেশি তো কি হয়েছে, পিয়াজ খাবেন না। কালকে সব কিছুর দাম বেড়ে গেলে না খেয়ে থাকবেন। তাই বলে কি দেশে উন্নতি থেমে থাকবে নাকি? এখন দেশে উন্নতি স্যাটেলাইট থেকে সোজা নেমে আসছে। কয়েকদিন ক্যাসিনো খেলে আসুন। আর এইসব পোস্ট দিবেন না।
ধন্যবাদ।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: নীল আকাশ ভাই,

অবস্থা এরকম হয়েছে যে, কু আমার বিরুদ্ধে না করতে পারবে প্রশংসা না সমালোচনা। দেখুন আমি কিন্তু প্রশংসা দিয়এই শুরু করেছিলাম। কিন্তু কপাল মমদ হলে যা হয় আর কি! শেষমেশ দেখা গেলো আমি ভুলে সত্য কথাগুলো বলে দিচ্ছি হয়ত! আসলেই রাস্ট্রের আবহাওয়া আর দামী পেয়াজের দোষ!


হু, দেখলাম আমাদের সহব্লগার শাইয়্যান ভাই রাস্ট্রের পেয়াজদেরকে রক্ষা করতে পেয়াজ ছাড়া গোসত ভোনা তৈরির ফরমুলা বাতলে দিয়ে অন্য তরকারিগুলো পেয়াজ ছাড়া রান্নার নিরব কৌশল বাতলে দিয়েছেন। ;)

১৮| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০২

লুৎফুর হুমায়ূন বলেছেন: আপনার লেখায় অনেক কিছু শেখার আছে।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আমার ব্লগবাড়িতে আপনাকে স্বাগতম। আমার ব্লগে এটা আপনার ১ম মন্তব্য। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

শুভকামনা থাকলো অফুরান

১৯| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনার লেখা পরিসংখান সব ভুল।

৬০% নয়। বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার বর্তমানে ২১ দশমিক ৮ শতাংশ (ভারতে ২৫)
যা আগের বছরে ছিল ২৩ দশমিক ১ শতাংশ।
২০০৫ সালে ছিল ৪০ শতাংশ কিন্তু ২০১০ সালে দারিদ্রের হার কমে ৩১ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসে।
মুদ্রাস্ফিতিও সন্তোসজনক, সেভিংস সুদের হারের নীচে।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: হাসান ভাই,
আপনারানার তথ্যটি আমি পোস্টে এড করে নিয়েছি। ধন্যবাদ।


তবে ৬০% হচ্ছে জেলা ভিত্তিক অনুপাতের হিসাব৷ আপনি পোস্টি আবার পড়ুন। আচ্ছা ভাই, একটা প্রশ্ন করি?
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি কোন দিকে বেশি এগিয়েছে, দারিদ্র্যদের দিকে নাকি অর্থশালীদের দিকে অর্থাত কারা ধনের দিকে বা অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি লাভ করছে?

ভাই, আপনি শুধু নিজ এলাকার উপর ভিত্তি করে পুরো বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ বিবেচনা করবেন না।

ভাল থাকুন।

২০| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমরা এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। প্রথমে একটু অসুবিধা হলেও বাঙ্গালী তাদের অসীম অভিযোজন ক্ষমতা দিয়ে এর সাথেও মানিয়ে নিতে পারবে। শুধু একটু সময় দিন। পেয়াজের কেজি যতোই হোক, আমরা পেয়াজ খাওয়া কমানো না। খাদ্যের স্বাদ বর্ধনের ব্যাপারে আমরা আপোষহীন। পেয়াজ ছাড়া তরকারী তো অখাদ্য! :P

দেশের ভালো জিনিস আপনাদের নজরে আসে না.......আফসোস!! ;)

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আসলেও তাই ভাই!
আমরা এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। 
তা না হলে,
ভারতে যে পেয়াজ বাংলাদেশি টাকায় ৯ টাকা মাত্র সেই পেয়াজ আমাদের দেশে ১৩০ টাকা কেমনে হয়! মানতেই হয় এটা উন্নয়নের ঠেলা!



https://youtu.be/OErsi-hqOxs
view this link

২১| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৭

ভবিষ্যত বলেছেন: আমরা সবাই দেশের উন্নয়নের জোয়াড়ে ভাসছি কিন্তু একটি দেশের উন্নয়ন মানে দেশের জনগনের উন্নয়ন সেটা বোধহয় আমরা ভুলে গেছি.

উপরে কিরমানী ভাইয়ের সাথে আমি একমত, সমস্যা সাধারন জনগনের, আমাদের সবার মধ্যে একটা অসৎ কিট বাসা বেধেছে..

১) আমরা গরীব বলে সতৎ, কিংবা বলতে পারেন আমি চান্স পাইনা বলে সতৎ, চান্স পেলে ঠিকি সতৎগিরীর কোন দাম আমার কাছে থাকতো না..
২) আমি এক মূখ্যে কিংবা বলতে পারেন সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত এক বাংঙ্গালী যার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ৫ কিংবা ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরী নেয়া এক বলদ শিক্ষক এর হাতে..
৩) আমি সবসময় ভাবি আমার বন্ধুটা কিভাবে এত টাকা কামায়, নিশ্চয় অসৎ পথে...ওই বন্ধুরে কিভাবে বিপদে ফেলা যায়, সেটা নিয়ে গবেষনা করায় আমার কাজ।
৪) একটু টাকা হলে আমার ভিতরে এক দম্ভে ভরা আমির জন্ম হতে দেখি যার কাজ আশেপাশের সবাইকে ছোট করা.
৫) সব সমস্যা আমার মধ্যে

আর এই সমস্যার সুযোগ নেয় কিছু অসৎ , মিথ্যুক রাজা ঠিক সত্যজি রায়ের "হিরক রাজার" মতো....অদ্ভুদলাগে এই আমি নাকি যুদ্ধ করে বাংলাদেশ এনেছিলাম, এটা কি সত্য? মেনে নিতে কষ্ট হয়...

আমার মধ্যে কি আবার কোনদিন "বিবেক" ফিরে আসবে যাতে আমি চিৎকার করে স্লোগান দিতে পারবো..

রশি ধরে মারো টান...রাজা হবে খান খান..










১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাই, আমাদের দেশের জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে শতকরা ৮০% অসত লোক। এখনাপনি যদি বলেন এদেরকে জনগণই নির্বাচন করে বসিয়েছে তবে তা পুরোপুরি সত্য নয়। কারণ, এই ৮০% অসত লোকেরাই কিন্তু এই জনগণের নিয়ন্ত্রক। এরাই এদেশের সর্ব সাধারণ মানুষের মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং তাদের পক্ষে ভোট নেওয়া না নেওয়া সেটা তাদের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।

আপনি যদি বলেন, এরা জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার পরেও জনগণ কিছুই বলে না, এটা জনগণের নিরবতার কুফল। আমি বলবো, এই যে জনগণের নিরবতা, এটাই কিন্তু ৮০% পার্সেন্ট অসত লোকের প্রভাব।


তারপরও বলবো ঘুম ভাঙুক।

২২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:০৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: এতো উন্নতির পরেও তরী ভিড়ার প্রাচীন উপমা ?
একটু আধুনিক হন তাজুল সাহেব ! বলুন কোন এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করবে উন্নতির প্লেন ?
সাত মন তেলও পুড়বে না রাধাও নাচবে না । এভাবেই দেশ চলবে । স্পিচ ইজ গ্রেট, বাট সাইলেন্স ইজ গ্রেটার ।কার্লাইলের কথা আমাদের দেশে সবাই জানে আর আর্থ -সামাজিক, ধর্মীয় -রাজনৈতিক যে কারণেই হোক প্রাকটিসও মনে হয় করে সব সময় ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: মনে করুন বিমানটা ল্যান্ড করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, আপনি এর ফাঁকে ২০ এবং ২১ নং মন্তেব্যের প্রতিমন্তব্য পড়ে আসুন।


সাত মন তেলও পুড়বে না রাধাও নাচবে না
একেবারে উচিত কথাটা বলেছেন। আপনি রক্ষণশীল রাস্ট্রের একজন সুনাগরিক হিসেবে অনেক সুন্দর কথা বলেছেন।
দেশের উন্নয়নের জন্য দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি একান্তই আবশ্যক।

২৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৫

নীল আকাশ বলেছেন: হু, দেখলাম আমাদের সহব্লগার শাইয়্যান ভাই রাস্ট্রের পেয়াজদেরকে রক্ষা করতে পেয়াজ ছাড়া গোসত ভোনা তৈরির ফরমুলা বাতলে দিয়ে অন্য তরকারিগুলো পেয়াজ ছাড়া রান্নার নিরব কৌশল বাতলে দিয়েছেন।
একে যখন সরকারের সমালোচনা করে একটা মন্তব্য দিয়েছি সাথে সাথেই অভদ্রের মতো মন্তব্য ডিলিট করে দিয়েছে। সহ্য হচ্ছিল না। গায়েজ্বালা পোড়া লেগে গিয়েছিল।
আচ্ছা বা'লের দালালগুলি এতই নির্লজ্জ হয় কিভাবে? এটা কি বাধ্যতামূলক যে বা'ল সাপোর্ট করলে বেহায়া হতেই হবে?
না হলে সিন্নী পাওয়া যাবে না?

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: উনি একটা টার্গেটে কাজ করছেন। এমন অবস্থায় আপনি উনার একজন প্রিয় মানুষ হয়ে যদি সেই কাজে বাধা হোন সেটা তিনি চাচ্ছেন না! মন্তব্য মুছে ফেলাকে আপনি প্রজেটিভ ধরে নিলেই তো পারেন। অন্তত শিন্নির আশায়।


যাক, রাস্ট্রের উন্নয়নেনে আপনাকে ভাসিয়ে নেওয়া হবে। আপনি সবসময় প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন কয়ে দিলাম। শেষে আর আমাদেরকে দোষারোপ করতে পারবেন না

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.