নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চার হাত থেকে আধ হাত কম..

সৈয়দ তাজুল ইসলাম

নিভৃত গ্রহচারী

সৈয়দ তাজুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

সরকারি খরচে হজে গমণের নিয়ম বন্ধ করা হোক।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:০১


বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সরকারি খরচে মুসলামনদেরকে হজে পাঠানো আর ভারতের সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃক হিন্দুদের উপসনালয় তৈরির জন্য কমিটি গঠনের সময় বেঁধে দেওয়ার আদেশের মধ্যে কোন পার্থক্য দেখি না। আমাদের স্বদেশীয় মুসলমানদের অনেকেই বাবরি মসজিদ নিয়ে প্রকাশিত ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের রায় মেনে নিতে পারছেন না। হ্যা, বিশ্বের বাজারে এটা একটা হট আলোচনার বিষয় বটে, যদিও বর্তমানে তা অনেকটা শীতল প্রায়। আমি এখানে পূর্ণ রায় নিয়ে কথা বলছি না, বিশেষত আমি রায়ের শেষাংশ তথা সরকারি খরচে মসজিদ ও মন্দির তৈরির বিষয়ে কথা বলছি।

কিছুদিন পূর্বে আমাদের মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কথাকে সামনে রেখে অনেক ইমানদারদের দেখেছি নিজেদের ইমান টিকিয়ে রাখতে খুবই তিক্ত বচন প্রসব করেছেন। অথচ এরাই কিন্তু আবার ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের রায়ের সাথে পুরোপুরি বিপরীত মুখি। বাবরি মসজিদের রায় ঘোষিত হয়েছে ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির উপর নির্ভর করে। যেখানে দেখা যাচ্ছে রায়টি মুসলমানদের বিরুদ্ধে গেছে। যদিও রায়টির উপর উগ্রবাদীত্বের ছাপ দৃশ্যমান। তারপরও ইহা আমাদের দেশের মুসলমানদের আশানুরূপই ঘটেছে। কারণ আমাদের স্বদেশীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানরা যদি ভারতের হিন্দুদের জায়গায় থাকতেন, তবে তারা একই দাবী করতেন যেরকমটা ইতিপূর্বে ভারতীয় হিন্দু ধর্মান্ধরা করে এসেছেন। এর প্রমাণ পাওয়া যায় এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যাককে সরকারি খরচে হজে গমনের প্রথায়।

বাংলাদেশ সরকার যদি তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠদের দাবি অনুযায়ী কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠদের অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যাক মুসলমানদের হজে পাঠাতে পারে, তবে ভারত সরকার কেন তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠের দাবী রাখবে না; তা যতই অযৌক্তিক হোক। সর্বদিক বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংখ্যাগরিষ্ঠদের দাবী অনুযায়ী কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠদের অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যাক মুসলমানের হজে পাঠানো আর ভারতের সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃক তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের দাবি অনুযায়ী উপসনালয় তৈরির জন্য বাবরি মসজিদের ভূমি দখল করত উপসনালয় তৈরির জন্য কমিটি গঠনের সময় বেঁধে দেওয়ার আদেশের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। সো, আপনি যদি দাবী করেন ভারতের হাইকোর্টের রায় সঠিক নয়, তবে একই সাথে আপনাকে প্রতিবাদ করতে হবে সরকারি খরচে হজে পাঠানোর প্রথার বিরুদ্ধে। সরকারি খরচে মসজিদ মন্দির তৈরির বিরুদ্ধে ।


ছবিঃ গুগল

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪০

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি বলেছেন, " বাংলাদেশ সরকার যদি তাদের সংখ্যা গরিষ্ঠদের দাবী অনুযায়ী ... কিছু মানুষকে হজ্বে পাঠায়"; আপনার ষ্টেইটমেন্ট কি সঠিক? বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিমরা কি দাবী জানিয়ে আসছিলো যে, কিছু মানুষকে 'সরকারী খরচে' হজ্বে পাঠাতে হবে, আপনি সিওর?

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আমি বলেছি, 'সংখ্যাগরিষ্ঠদের দাবি অনুযায়ী বা সংখ্যাগরিষ্ঠদের অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে' যা বর্তমানে মুসলমানদের অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে এটা তাদের প্রাপ্য অধিকার। অথচ একটা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে কোন সংখ্যাগরিষ্ঠদের অতিরিক্ত কোন সুবধা দেওয়া অযৌক্তিক। কারণ সরকারি সম্পদে প্রত্যেক ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে।

২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


"'সংখ্যাগরিষ্ঠদের দাবি অনুযায়ী"

আপনার ষ্টেইটমেন্টে, কোটেড অংশটুকু আছে কিনা ? থাকলে, উহা সঠিক কিনা?

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বাংলাদেশের প্রত্যেক সরকার তার ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সংখ্যাগরিষ্ঠদের একটু বেশি মূল্যায়ন করার মুলা দেখায়! এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের রাষ্ট্র ধর্ম নির্বাচন, সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহ স্থাপন, হজে নির্দিষ্ট সংখ্যাক মুসলমান পাঠানোর নিয়ম প্রভৃতি চালু হয়েছে। এখন যদি কোন সরকার বা কোন সংস্থা এসকল নিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলে, তখন সেই সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লোক সরকার বা সংস্থার বিরুদ্ধে লেগে যায়। আর সরকার বা সংস্থার বিরুদ্ধে তাদের মিছিল মিটিংই প্রমাণ করে বর্তমানে তারা এসব নিয়মকে তাদের অধিকার মনে করে। মনে হয় এটা তাদের দাবি করে আদায় করা নিয়ম। সেই দিক বিবেচনায় আমি হজের বিষয়টাকে তাদের দাবির ভেতর রাখতে চেয়েছি।

৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: সরকারী খরচে সরকারী লোকজন যায়।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সরকারি চাকরিজীবী অন্যান্য ধর্মালম্বীদের জন্য এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কী ব্যবস্থা রাখা হয়েছে?

৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০২

হাবিব স্যার বলেছেন: সাধারণ লোকজনও কি সরকারীভাবে যায়? গেলেও সংখ্যাটা কম

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সাধারণত সাধারণ লোক ও মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সরকার দলীয় অধিকাংশ লোকেরাই হজে যাওয়ার সুযোগ পায়৷

বিষয়টা সঠিক বা বেঠিক নিয়ে!

৫| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৪

নজসু বলেছেন:


আস সালামু আলাইকুম।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ওয়া আলাইকুম সালাম সুজন ভাই।
আছেন কেমন?

৬| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আলোচন তথ্য ভিত্তিক হওয়া উচিৎ ।
...............................................................
এ বিষয়ে অনেক আইন কানুন আছে, আর ঢালাও ভাবে
সরকারী খরচে জনসাধারন হজে যাননা ।
সরকার কিছু সহায়তা করে মাত্র, এরকম সহায়তা অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে
অনুদান দেন ।
বাবরী মসজিদের রায় পক্ষপাত দুষ্ট, এই রায়ের জন্য বিজেপি দীর্ঘদিন অপেক্ষা
করেছে শুধুমাত্র নিশ্চিত রায় পাবার জন্য, সে জন্য অনেক গোপন কাজ তাদের করতে হয়েছে ।
.......................................................................................
অতএব, এসব বিষয়কে সামনে এনে ধর্মকে বিতর্কিত করা উচিৎ নয় ।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: এটা কোনভাবেই ধর্মকে বিতর্কিত করা নয় প্রিয়।

প্রত্যেকের ধর্মই সম্মানের। আমি যদি অন্যের ধর্মের প্রতি সম্মান না রাখতে পারি, তবে আমি নিজেই আমার ধর্মের ভক্ষক হবো।
এখানে সাহায্যের নামে সরকার যে অনুদান দিচ্ছে তার সম পর্যায়ের কোন সাহায্য অন্যান্য সকল ধর্মালম্বীদের করতেছে বলে জানা যায়নি এখনো! আপনি আমাদের ধর্মীয় মন্ত্রীর কার্যকলাপ বিবেচনা করে আরো সহজেই আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন আশাকরি।

৭| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ভারত আর বাংলাদেশের মধ্যে পার্থক্য হল ভারতে ৫০০ বছরের পুরোনো মসজিদ ভেঙে মন্দির বানানোর রায় দেয়া যায়, কিন্তু বাংলাদেশে ৫০০ বছরের পুরোনো মন্দির ভেঙে মসজিদ বানানোর রায় দেয়া যাবে না বা দেয়া হবে না...

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভারতের বাবরি মসজদের মত পরিস্থিতি যদি বাংলাদেশের কোন মন্দিরের ক্ষেত্রে ঘটতো, তবে তার ব্যাতিক্রম ঘটত না। ধর্মান্ধরা কোন ধর্মেই কম নেই! আমাদের দেশের ধর্মান্ধরা সরকারের ভারত পুজার কারণে তেমন প্রায়োরিটি পাচ্ছে না কিন্তু তারপরও তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের স্বার্থ আদায় করে নিচ্ছে।


৮| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সময়ে সময়ে নিয়ম পাল্টে যায়।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সুবিধাজনক অনিয়মগুলোকে নিয়মে নিয়ে আসতে সকলেই চায়!

৯| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

কিরমানী লিটন বলেছেন: লুটের টাকায় হজ্বের টিকেট
ঘুষের টাকায় কুরবান
হারাম টাকায় ফেতরা যাকাত
আজব খোদার মেহমান?

ঋণের টাকায় দুম্বা ছাগল
চুরির টাকায় বেহেশত
পার পাওয়া কি অতই সহজ
মন্ত্রী উজির সমস্ত?

ছুড়বে পাথর কোন নিশানায়?
নিজেই যখন শয়তান,
নাম কামানোর ফন্দি- ফিকির
মুছবে তাতেই জাত- মান?

মনের ভিতর নিত্য তোমার
দৈত্য দানব বাস করে,
তখন কি আর ছল চাতুরির
মিথ্যে আমল কাজ করে?

যাদের দু'হাত খুনের রেখায়
হাজার চোখে ঘুচায় নিদ
হাজীর লেবাস বৃথাই তাদের
মক্কা গিয়ে- করুক ঈদ।

চমৎকার পোষ্টের জন্য অভিবাদন ++++

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: চমৎকার তো আমার পোস্ট না, চমৎকার আপনার ছড়া। আমার পুরো আলোচনার ভেতরকার রস পুরোপুরি তুলে ধরেছেন আপনার ছড়ায়। সব কথাগুলোই সত্য বলেছেন।
অসাধারণ ছড়ায় মুগ্ধতা।

১০| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: পবিত্র কোরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন,
'মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (কা'বা ঘরে) পৌঁছার সামর্থ্য রাখে
তাদের ওপর আল্লাহর জন্য এ ঘরে হজ করা ফরজ।
বাংলাদেশে প্রতি বছরই সরকারি প্রতিনিধি দলের হয়ে
নানা নামে অনেকে হজে গিয়ে থাকেন। ইসলামে এই ধরণের
কোন বিধান নেই। তাদের হজের খরচ যোগানো হয় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে।
জনগনের করের টাকাতেই এ রাষ্ট্রীয় কোষাগার গঠিত।
হজে পুত্র-পিতার, মা বা আত্মীয় পরিজনের অর্থ সাহায্য করতে পারেন।
কিন্তু জনগণের অর্থে হজ পালন করাটা ইসলাম ধর্মের বিধানের মধ্যে পড়ে না।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: পবিত্র কোরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, 
'মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (কা'বা ঘরে) পৌঁছার সামর্থ্য রাখে 
তাদের ওপর আল্লাহর জন্য এ ঘরে হজ করা ফরজ। 

এটা আল্লাহ পাকের বিধান কিন্তু আমাদের সরকারি খরচে পাঠানোর মাধ্যমে এই কুরআনিক বিধানের সম্পূর্ণ উল্টো বিরোধীতা করা হল। এই বিষয়টি নিয়ে না কোন ধর্ম পণ্ডিত আলোচনা করছেন না ধর্ম বিষয়ক কোন কর্মকর্তা।


১১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৪

নুরহোসেন নুর বলেছেন: সংখ্যা গরিষ্ঠ বাঙ্গালী গাঁধা,
সরকারী খরচে হজ্জ একটি মুলা;
আমরা মুলার আশায় বোঝা টেনে দিনাপাত করছি।

নিজের হালাল উপার্জন ছাড়া কারো সহযোগীতায় হজ্জ হয়না,
যারা সরকারী খরচে হজ্জে যাবে তাদের হজ্জের কোন ফায়দা নেই।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

সংখ্যা গরিষ্ঠ বাঙ্গালী গাঁধা,
সরকারী খরচে হজ্জ একটি মুলা;
আমরা মুলার আশায় বোঝা টেনে দিনাপাত করছি।


সুন্দর একটি কথা বলছেন, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে যখন এই মুলার বিরুদ্ধে আপনি কথা বলতে যাবেন তখন আপনার বিরুদ্ধে মুলা ভোগকারীরা দাঁড়িয়ে যাবে। মনে হবে যেন এটা তাদেরই দাবী করে আদায় করা একটা অধিকার।

১২| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২৯

সোহানী বলেছেন: ঠিক একই কথা আমারো। হজ্জ্ব মানে কি বা এর পালনের শর্ত কি? নিজের সৎ উপার্জন, সামর্থ্য সহ অনেক শর্তই এর সাথে আছে। তাহলে যারা গরীবের টাকায় হজ্জ্ব নামক প্লেজার ট্যুর করে তারা কি ভেবে হজ্জ্ব বলে তা অনেকটা হাস্যকর। শুধু তাই নয়, ওরা সেখানে যেয়ে যা করে তা যদি আম জনতা জানতো তাহলেতো আরেক দফা মাথায় হাত পড়তো। রাজনৈতিক আর ব্যাক্তিগত ফায়দা ছাড়া ওরা আসলে তেমন কিছু করে না।

ভালো একটি বিষয় সামনে এনেছেন।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ঠিক বলেছেন আপু,
আপনারা যারা ইউরোপ থেকে হজে আসেন তাদের অধিকাংশরাই এই শ্রেণির দ্বারা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়! এসব নিয়ে আলোচনা না করলেও মৌলিকার্থে এদের হজে গমন পুরোপুরিভাবেই অসুদ্ধতার মধ্যে পড়ে।

রাজনৈতিক আর ব্যাক্তিগত ফায়দা ছাড়া ওরা আসলে তেমন কিছু করে না। সত্যিকার অর্থে এর চেয়ে অন্য কোন উদ্দেশ্যে হজে যায় না। আর আমাদের সরকারগুলো সবসময়ই নিজের দলের লোকদেরকে এর জন্য আলাদা সুবিধা দিয়ে থাকে, গরবদের কথা নাই বা বললাম!
সাংবাদিক নুরু ভাই সুন্দর করে বলেছেন, তাদের হজের খরচ যোগানো হয় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে। 
জনগনের করের টাকাতেই এ রাষ্ট্রীয় কোষাগার গঠিত। 
হজে পুত্র-পিতার, মা বা আত্মীয় পরিজনের অর্থ সাহায্য করতে পারেন। 
কিন্তু জনগণের অর্থে হজ পালন করাটা ইসলাম ধর্মের বিধানের মধ্যে পড়ে না।



সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।

১৩| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৪৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের ধর্মীয় মন্ত্রীর কার্যকলাপ বিবেচনা করে আরো
সহজেই আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন আশাকরি।

.................................................................................
ধর্মীয় মন্ত্রীর কার্যকলাপ কখোনই ধর্মীয় হবার সুযোগ নাই,
চাষাবাদের সময়, গরুর বদলে ছাগল জুড়ে দিলে
ফলাফল কি আশা করা যায় ?

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: দেখুন প্রিয়,
আসলে আমরা নিজেদের কর্ম ভুলে যাওয়ায় স্বার্থান্ধরাই আমাদের প্রতিনিধিত্ব করছে। সুবিধাভোগীরা সবসময়ই অন্যদের সুযোগ নিজে ভোগ করে নিচে অন্যায়ভাবে। আমরা সাইনবোর্ড দেখে কিছু বলি না, কারণ আমরা ভাবি এটা আমাদের নিজ ধর্মের প্রতি রাষ্ট্রিয় একটি মহান শ্রদ্ধা। অথচ এই নিয়মের পুরাটাই অবৈধ ও পাপ কর্মের ভেতরে ক্রমেই চলছে। আমরা না কেউ তা নিয়ে আলোচনা করতে চাই, না কেউ প্রতিবাদ জানাই!

১৪| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: সরকারী খরচে কারা হজ্জ্বে যাবে, এ ব্যাপারে নিশ্চয়ই সরকারের একটা নীতিমালা আছে। সে নীতিমালাটা না জেনে আপাততঃ এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। তবে আপাতঃদৃষ্টিতে আপনার এ দাবীটাকে উপেক্ষা করার অবকাশ নেই। এ নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন, যেখানে প্রখ্যাত আলেমগণের মতামত নেয়া যেতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.