নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চার হাত থেকে আধ হাত কম..

সৈয়দ তাজুল ইসলাম

জীবনের পুত্র

সৈয়দ তাজুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

সুবিচারের ভেতর অবিচারের চর্চা

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:০৪


অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিতকরণের বিচারকার্য পরিচালনায় আমাদের উচিত সহযোগিতা করা। ব্লগার অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের রায় নিয়ে কিছু বলতে চাই না। মোটাদাগে যা বলতে হয়, বিচারকের ধূর্তামিপূর্ণ কথোপকথন। যা সচেতন মহলকে ধোকা দেওয়ার আনাড়ি বচনকৌশল।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চিরতরে রূদ্ধ হওয়া থেকে বাঁচিয়ে দেশকে বিরাট বিপদ থেকে রক্ষা করে শান্তিপূর্ণ ঢেকুর দিচ্ছেন মাননীয় বিচারপতি। অথচ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নাম করে সরকার ও তার সমর্থকরা নিজ অপছন্দনীয় সক্রিয়তার বিরোদ্ধে এই জামিন–অযোগ্য ধারায় মামলা করছেন। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক করছেন। এই ধারায় প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি মামলা হচ্ছে। এই ধারা যেমন সুবিধা দিচ্ছে সরকারপন্থীদের তেমনি টুঁটি চেপে ধরেছে বাক স্বাধীনতার। যেখানে বাক স্বাধীনতা নেই সেখানে জীবনযাপনের সামগ্রিক স্বাধীনতা কখনো অক্ষুণ্ণ থাকে না।

বাক স্বাধীনতা হরণের এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২০টি ধারার ১৪টিই অজামিনযোগ্য। এখান থেকে অনুধাবন করা যায় ডিজিটাল আইনের নামে কী পরিমাণ জুলুম-নিপিড়ন চলছে দেশে। যারা ফেঁসে যাচ্ছে এমন মামলায় তাদের অধিকাংশই অজামিনযোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ায় জেলই তাদের জীবনের কালো অধ্যায় রচনা করে যাচ্ছে। ডিজিটাল আইনের ফলে মামলা দায়ের, গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরণের ঘটনা ঘটে দ্রুত। এ বিষয়ে যখন কেউ সরকার বিরোধী পক্ষের কারো বিপরীতে মামলা করতে যায় তখন থানার কর্মকাতারা মামলার যোগ্যতা যাচাইপূর্বক মামলা গ্রহণ করেন। অনেক ক্ষেত্রে থানা কর্তৃপক্ষের জন্য মামলার যোগ্যতা যাচাই সম্ভবও হয় না। অভিযোগকারী যদি ক্ষমতাসীন দলের কেউ হন তবে এই মামলার শাস্তি সীমা অনুধাবন না করেই অনেক সময় থানা কর্তৃপক্ষ মামলাটি গ্রহণ করেন; অভিযোগের মেরিট বা মামলার যোগ্যতা যাচাই তো দূরের কথা। বাকস্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরার লক্ষ্যে প্রণীত এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কারণে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পোষা হচ্ছে ভিজিলান্টি জাস্টিস। যা আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎকে অবচেতনার সগরে ডুবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইবুনালের বিচারপতির মুখে বাক স্বাধীনতা রক্ষার বুলি । বিপরীতে রাষ্ট্রযন্ত্রের মেশিনে বের হয়ে আসে বাক স্বাধীনতা হরণের ফটোকপি। এমন দুমুখো নীতির প্রশংসা না করে যদি কেউ প্রশ্ন উত্তাপণ করে সে নির্ঘাত বোকা। আর বোকা লোকের বেশি কথা বলা ঠিক না। তাই এখানেই থামলাম!

ভালো থাকুন সকলে।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:১৯

নীল আকাশ বলেছেন: ব্লগের দুইমুখো সাপদের এখানে আর মন্তব্য করতে দেখবেন না।
বাক স্বাধীনতার নামে মুখে ফেনা তুলে ইসলামের নামে কুৎসা রটনাকারীদেরও এইসব বিষয় মুখে কুলুপ এঁটে রাখতে দেখবেন।
আদতে এইসবগুলি হচ্ছে ধান্দাবাজ। এদের চুপ করে থাকা অর্থ হচ্ছে নিরবে এর সমর্থন করা।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৭:২৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: যদি তারা মনে করে বাক স্বাধীনতার অর্থ ধর্মের বিরুদ্ধে অযাচিত প্রশ্ন উত্তাপণ তথা প্রোপাগাণ্ডা সৃষ্টি আর সত্য কথনে নিরবতা অবলম্বন, তবে নিশ্চয়ই এটা সুবিধাবাদী চরিত্রের ব্যাক্তি। তবে হ্যা, ব্যাতিক্রম কিছু হজমে আমরা যেমন নারাজ যদি ধর্মের বিপরীতে আসা যৌক্তিক প্রশ্ন আমাদের ভেতর তেমন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তবে নিশ্চয় তা ভালো লক্ষ্মণ নয়। এখানে কে কমেন্ট করবে কে করবে না সেটা আমার দেখার বিষয়ও না। তারপরও সুচিন্তা লালনকারীরা কমেন্ট করবে এটাই আশা।

২| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: ব্লগে আমরা যথেষ্ঠ স্বাধীন। মন খুলে লিখছি।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:৩৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

!

৩| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


শেখ হাসিনার বাবাকে যারা হত্যা করেছে ও হত্যাকারীদের যারা সাপোর্ট দিয়েছে, এখন তারা বিপক্ষ দলে; শেখ হাসিনা ওদের কি কারণে কথা বলতে দেবে?

সমস্যা হচ্ছে, শেখ হাসিনার সরকারের এসব আইনের ফাঁদে স্বাধীনতার পক্ষের লোকেরাও ভুগছে; বিএনপি-জামাতের অপরাধের পাপ পুরো জাতি বহন করছে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:১৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: 'শেখ হাসিনার বাবাকে যারা হত্যা করেছে ও হত্যাকারীদের যারা সাপোর্ট দিয়েছে, এখন তারা বিপক্ষ দলে; শেখ হাসিনা ওদের কি কারণে কথা বলতে দেবে?'

যখন প্রধানমন্ত্রীর দলে নিজ পরিবার হত্যায় আন্দোলিত নৃত্যকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হয় তখন কী একই প্রশ্ন গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা?


বিএনপি জামাত নিজেদের মনে করে তারা নিষ্পাপ, তবে নিজেকে সদ্য ভূমিষ্ঠ দাদি করে না। অথচ নিষ্পাপ দাবি করতে গেলে অটোমেটিক সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়াই বুঝায়। যেমন একদল দাবী করেন অভিজিৎ হত্যাকারীদের ক্ষেত্রে। প্রদানমন্ত্রীর লোকেরা তাদের কখনো পারাধীন ভাবে না। কিন্তু নিষ্পাপ ভাবে ঠিকই।

৪| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:




অভিজিৎ হত্যার রায় নিয়ে কিছু বলতে চান না কেন?

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:২০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ব্লগার অভিজিৎ হত্যাকারীদের রায়ে সন্তুষ্ট হলেই কেবল আমার ব্লগপোস্টটি যথার্থ বলিয়া গণ্য হইবে বিষয়টা কি এমন টাইপ?

৫| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৪০

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: অভিজিৎ হত্যাকারীদের যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা আপনার মনোপুত: হয় নাই কি ? এর চেয়ে কঠোর শাস্তি আপনি চেয়েছিলেন ? নাকি যাদের শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তাদেরকে আপনার কাছে নির্দোষ মনে হচ্ছে ?

এই বিষয়ে আপনার অবস্থান পরিষ্কার করে লিখলে আপনার এই পোস্টটি অনেক গ্রহণযোগ্য হতো।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:১৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকে আওয়ামিলীগ হতে হবে অথবা বিএনপি! এদেশে নিজ অবস্থান পরিস্কার না করলে আপনি রাজনীতির কেউ না। ব্লগেও কি তেমন? এখানে নিরপেক্ষতার পূর্বে দল নির্বাচন? তাছাড়া আমার লেখার কোথাও কি মনে হয়েছে আমি শাস্তিতে অসন্তুষ্ট কিংবা দূষিরা নির্দোষ!
আমি এখানে বিচারকের ধূর্তামি পূর্ণ কথোপকথনের বিরুদ্ধে কথা বলতে চাচ্ছি! এখন এটা গ্রহনযোগ্যতা পাওয়া/ না পাওয়া যদি নির্ভর করে দল নির্বাচনের উপর তাহলে আর কী করারই বা আছে!


অপরাধী সে যতই দ্বীনদারের দাবীদারী হোক সে অপরাধীই, তাকে সুযোগ প্রদানকারীরাও তার চেয়ে কম নয়। বাধা প্রদান করার সামর্থ্যবানেরাও মুক্ত নয় তার দ্বারা সংঘটিত অপরাধ থেকে। স্পষ্ট করে বলতে গেলে আমি এই বিচারকে কিভাবে গ্রহণ করতে পারি? এটা হয়তো শিকড় কেটে উপরে পানি ঢালার ন্যায়! আর সুষ্ঠু বিচার, সে তো এখন আইসিসির ইচ্ছার উপর নির্বর করে। আপাত দৃশ্যমান বিচারে সন্তুষ্ট হওয়ায় যদি সুষ্ঠু বিচার বেঁচে ওঠে তবে নিশ্চয়ই আমার উচিত শুকরানা মিছিল উৎযাপন করা। কিন্তু!

৬| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:০৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: কী ভয়ংকর ডিজিটাল আইন । চুপ থাকি এই ভালা।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:১৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: হু, নিরব সাগরের গভীরতা কত?

৭| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:১৮

ডাব্বা বলেছেন: স্বামী বিশুদ্ধানন্দ যুক্তির কথা বলেছেন।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:২০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: যুক্তির পক্ষে আপনি কতটুকু গ্রহণযোগ্যতার কথা বলছেন?

৮| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ভোর ৫:২১

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: আমি তাই চুপচাপ থাকি
কিছু বলি না।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:২২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সেই প্রশ্নটাও আপনাকে করবো, নিরব সাগরের গভীরতা কত? হারিয়ে গেলে কি পুনঃজন্ম হবে?

৯| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:১৬

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: এই বিষয়টাই নতুন তাই সরকারও স্বীকার করেছে আইনটি ক্রমান্বয়ে সঠিক আঁকার ধারন করবে।এটাই ছিল আইন মন্ত্রির বক্তব্য ।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:১৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
ক্রমান্বয়ে যখন সবকিছুকে নিরবতার সাগরে ডুবিয়ে মারার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে তখন পরিবর্তন আসবে! এটাই কি আইন মন্ত্রীর বক্তব্যের সারকথা?

১০| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা দেখতে।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৪০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আবারো আসায় ধন্যবাদ

১১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: সৈয়দ তাজুল ইসলাম ,




বাক-স্বাধীনতা মানেই কিন্তু মুখের কপাট খুলে দিয়ে বন্যার জলের মতো নোংরা জলে সবকিছু ভাসিয়ে দেয়া নয়। এটাও মাথায় রাখতে হবে এই স্বাধীনতার নামে দেশ-রাষ্ট্র, সমাজ যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। আমরা কথা ( তথ্য প্রমানের উপযুক্ততা ছাড়াই ) বলেই খালাস কিন্তু ভেবে দেখিনা তা দেশ-রাষ্ট্র, সমাজ এর কতোখানি ক্ষতি করছে বা করবে, অদূর অথবা সুদূর ভবিষ্যতে।
এর মানে ধরে নেবেন না যে আমি, বাক-স্বাধীনতার বিপক্ষে। এই স্বাধীনতা আমার ততোখানি, যতোখানিতে দেশ-রাষ্ট্র, সমাজের কোনও ক্ষতি -অসম্মান না হয়।
ডিজিটাল আইন নিয়ে অনেক বাড়াবাড়ি হয় বটে, তবে তো বোঝেনই, কারো কথা কতোখানি বিপদজনক ( এখন বা আগামীর জন্যে ) এটা নিরপেক্ষ ভাবে বোঝার মতো লোকের যে বড় অভাব।

স্বাধীনতার সীমা -পরিসীমা কতোটুকু তা এই লিংকটিতে দেখতে পারেন ---স্বাধীনতা মানেই এবসোলিয়্যুট পরাধীনতা । ব্যক্তি ও স্বাধীনতা : একটি সোনার শেকল

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৪৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: একেবারে যুৎসই কথা বলেছেন।
'বাক-স্বাধীনতা মানেই কিন্তু মুখের কপাট খুলে দিয়ে বন্যার জলের মতো নোংরা জলে সবকিছু ভাসিয়ে দেয়া নয়। এটাও মাথায় রাখতে হবে এই স্বাধীনতার নামে দেশ-রাষ্ট্র, সমাজ যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। আমরা কথা ( তথ্য প্রমানের উপযুক্ততা ছাড়াই ) বলেই খালাস কিন্তু ভেবে দেখিনা তা দেশ-রাষ্ট্র, সমাজ এর কতোখানি ক্ষতি করছে বা করবে, অদূর অথবা সুদূর ভবিষ্যতে।'

এটা আমারো বিশ্বাসে রাখা। রাষ্ট্র যখন আমার বলে নিজেকে রাষ্ট্রের নাগরিক সাব্যস্ত করবো তখনই কেবল আমি গঠনমূলক সমালোচনা করএ পারি। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যায় এমন কিছু বলা তো অধিকাংশ সময়ে স্বাধীনতার গন্ডিতে থাকে না। অন্যের পরাধীনতার কারণ হয়ে যায়।

পোস্টটি পড়তে যাচ্ছি...

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভালোবাসা ও শুভকামনা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.