নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন

আমি মানুষের কথা বলি। মানবতার কথা বলি। স্বপ্ন দেখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। নিরাপদ একটি ভূখন্ডের।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেকারত্বঃ সমস্যা ও সম্ভাবনা, প্রেক্ষিত বাংলাদেশ।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৪

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, কমনওয়েলথসহ একাধিক সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত এক দশকে বাংলাদেশে বেকারত্ব বেড়েছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধির হার কমেছে ২ শতাংশ। এই হার বজায় থাকলে ২০১৫ সালে মোট বেকারের সংখ্যা দাঁড়াবে ৬ কোটিতে। শিক্ষিত জনসাধারণের মধ্যে এই হার সবচেয়ে বেশি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে বেকারত্ব বাড়ার হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বছর কর্মবাজারে প্রবেশ করছে প্রায় ২৭ লাখ আর চাকরি পাচ্ছে ১ লাখ ৮৯ হাজার। অর্থাৎ মাত্র ৭ শতাংশ। আইএলওর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ বেকার, বর্তমান কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধির হার ২ দশমিক ২ শতাংশ। মোট বেকারের মধ্যে আংশিক বা পার্ট টাইম বেকারের সংখ্যাই বেশি। এরা ফুল টাইম কাজ না পেয়ে পার্ট টাইম কাজ করে। কিংবা কারও কাজের সঙ্গে অংশীদার হয়ে কাজ করে। এ ছাড়া কিছু আছে যারা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ না পেয়ে যাহোক কিছু একটা করে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করে। এতে করে তারা যা উপার্জন করে তা তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করে না। ফলে এদেরকেও বেকার বলেই ধরে নেয়া হয়। আর তার সংখ্যাও নেহাতই কম নয়।আমাদের দেশে ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা-বাণিজ্য, সেবা খাত, শিল্প-কারখানা এবং পর্যটন খাতের মত ফর্মাল খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার অনেকটাই সীমিত।



আবার কৃষির মত ইনফরমাল খাতের মাধ্যমে এই বিপুল বেকারত্ব দূর করাও অনেকটাই অসম্ভব। কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ৩ থেকে ৪ শতাংশের মত যা অব্যাহত রাখতে বা আরও বৃদ্ধি করতে প্রয়োজন এই খাতে সম্পৃক্ত শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা। শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি নয় কেননা এই খাতে মৌসুমি শ্রমিকের সংখ্যা এমনিতেই অনেক বেশি। কর্মবাজারের আশংকাজনক এই চিত্র পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তার সফল বাস্তবায়ন। এই বেকারত্বের পেছনে শুধুমাত্র কর্মসংস্থানের অভাবকেই আমরা প্রধানতম কারণ বলে মনে করি। সত্যিই কি তাই? বাস্তবতা হচ্ছে কর্মক্ষেত্রে কাজের লোকের অভাব প্রকট আবার কোটি মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে অমানবিক জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু কেন এই অবস্থা? আসুন একটু তলিয়ে দেখার চেষ্টা করি। আমরা যদি বেকারের শ্রেণী বিভাজন করি তখন বেকারত্বের কারণগুলি স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়।



বেকারত্বের কারনসমূহঃ



- শ্রমিকের অদক্ষতা ।

- সুষ্ঠ পরিকল্পনার অভাব।

- শিল্প খাতে কর্মসংস্থানের অভাব।

- আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব।

- যুগোপযোগী কারিগরি জ্ঞানের অভাব।

- কৃষি, মৎস্য, পশুপালন ও পোল্ট্রির মত লাভজনক খাতে শিক্ষিত লোকের কাজে অনীহা।



বেকারত্ব দূরীকরণের সম্ভাবনা:



সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ২০১২ সালে বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে জনসংখ্যা বোনাসের যুগে। যা বিরাজমান থাকবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত। এই সময়ে দেশ পেতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ কর্মোপযোগী এবং সবচেয়ে কম নির্ভরশীল একটি জনগোষ্ঠী। জনসংখ্যার আধিক্যকে কাজে লাগানোর এই সুবর্ণ সুযোগটি যেকোনো জাতি বা রাষ্ট্র একবারই পেয়ে থাকে। যখন মোট জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা থাকবে ১৫ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে এবং এক থেকে ১৫ বছরের নীচে বয়সী জনসংখ্যাও কমতে থাকে। বর্তমানে দেশে ৬০ বছর বয়সের উপরে জনসংখ্যা রয়েছে মাত্র ৭ শতাংশ। ৬৫ বছর বয়সের উপরে মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। বর্তমানে যেখানে এ সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় কোন কোন দেশে নির্ভরশীল জনসংখ্যার হার ২০ থেকে ২৮ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে।। বিশেষজ্ঞদের মতে একে কার্যকর ভাবে কাজে লাগানোর জন্য একটি কার্যকর প্রণোদনামূলক পরিকল্পনা নেয়া আশু প্রয়োজন। রাষ্ট্র পরিচালক, সমাজবিদ, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সংবাদকর্মী ও এনজিও সংগঠকসহ সবাইকেই এ সুযোগের সদ্ব্যবহারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা উচিত। প্রয়োজন প্রচুর কাজের সুযোগ সৃষ্টি ও কাজ সৃষ্টির পরিবেশ।



বেকারত্ব দূরীকরণের উপায়:



বেকারত্বের হার কমানোর জন্য দেশে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। বর্তমানে জিডিপিতে বিনিয়োগের অবদান ২৪ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে বেকারত্বের হার কমাতে হলে এই হার ৩২ শতাংশের ওপরে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। বিনিয়োগ বাড়লে বাড়বে কর্মসংস্থানের সুযোগ, কমবে বেকারত্বের হার।



আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যাবহার, উন্নত প্রযুক্তি এবং ব্যবস্থাপনার উৎকর্ষ সাধন একান্ত প্রয়োজন।



দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজন শ্রমিকের। যা দেশে বিদেশে শ্রমিকের চাহিদা বাড়াবে সেইসাথে বেড়ে যাবে মজুরির পরিমাণও। প্রয়োজন শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।



ভাষা গত দুর্বলতা এদেশের শ্রম বাজারের অন্যতম প্রধান সমস্যা। ইংরেজি ভাষায় দুর্বলতা শুধু বিদেশে নয় দেশিয় কর্মসংস্থানেও এক বড় সমস্যা। তাছাড়া আমাদের প্রবাসী শ্রমিকরা ভাষা না জেনে কাজের জন্য বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন যা তাদেরকে প্রতিনিয়তই পিছিয়ে দিচ্ছে।



বিভিন্ন দেশে নার্সিং, হাউস মেইডের প্রচুর চাহিদা থাকলেও অদক্ষতা এবং ব্যবস্থাপনার অভাবে আশাব্যঞ্জক সংখ্যক শ্রমিক রপ্তানি করা যাচ্ছে না। অথচ যা দেশের বেকারত্ব দূর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারত।



আউটসোর্সিং হতে পারে বেকারত্ব কমিয়ে আনার আরেকটি উপায়।



এবার আসুন এই তত্ত্বকথার বাইরে কিছু সাফল্য গাথা শুনি:



** আমিনুল, নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। টানাটানির সংসার বলে এসএসসি পাসের পর ভাগ্য ফেরাতে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। লক্ষ্য পূরণ হয়নি। শেষে নিজের বাড়ির পাশের একখণ্ড পতিত জমিতে লিচুর চারা লাগান। এভাবেই একসময় নিজের চেষ্টাতেই স্বাবলম্বী হন তিনি। তার বাগান দেখে উৎসাহিত হয়ে আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠেছে আম, লিচু ও পেয়ারার অন্তত ১০০ ফলের বাগান।



১৯৯৬ সালের ৩০টি লিচুর চারা দিয়ে বাড়ির পাশের পতিত জমিতে যে কর্মযজ্ঞের শুরু আজ তা ১৪ বিঘা জমিতে ৩০০ আম, ১০০ লিচু, ২০০ পেয়ারা ও ১০০ কুলের গাছের বিশাল বাগানে পরিণত। চলছে ফল বিক্রির পাশাপাশি কলমের মাধ্যমে চারা উৎপাদন। প্রতি বছর তিনি ফল ও চারা বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আয় করেছেন। তিনি তার এলাকার বেকারদের কাছে এখন স্বাবলম্বিতার এক মডেল। তাঁর স্বপ্ন: ‘একদিন আমাদের এই এলাকা “ফলের অঞ্চল” হিসেবে পরিচিতি পাবে। সবাই বিষমুক্ত ফল খেতে পারবে। বাগানের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর হবে।’



** জসিম উদ্দিন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার সানখালী গ্রামের এক বেকার যুবক। চাকরি না পেয়ে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হন। এরপরে বন্ধুর সহযোগিতায় পোল্ট্রি খামার করার সিদ্ধান্ত নেন। এক হাজার মুরগীর বাচ্চা দিয়ে শুরু করে তিনি তিন হাজার পাঁচশ মুরগীর পোল্ট্রি খামারে পরিণত করেছেন। যেকোনো থেকে প্রতিদিন আড়াই হাজার ডিম উৎপাদন হচ্ছে। এ পর্যন্ত বিনিয়োগের পরিমাণ অর্ধ কোটি টাকা। বর্তমানে তার খামারে ৬/৭ জন বেকার যুবকের কর্মস্থান হয়েছে। তার পোল্ট্রি খামারের বিষ্টা দিয়ে উৎপাদন করছেন বায়োগ্যাস। নিজের পরিবারের জ্বালানির চাহিদা মিটিয়ে পার্শ্ববর্তী ২০/২৫টি বাড়িতে বায়োগ্যাসের সংযোগ দিয়েছেন। তিনি ভবিষ্যতে পুরো গ্রামে তার বায়োগ্যাস সরবরাহ করার স্বপ্ন দেখছেন।



** শাহ আলম টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণী গ্রামের এক বেকার তরুণ। ১৯৮৯ সালে এইচএসসি পাসের পর বাঁশ-বেতের কাজকেই নেন পেশা হিসেবে। বাঁশ ও বেত দিয়ে কুলা, ডালা, পলো, মাথালসহ বিভিন্ন কিছু তৈরি করে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করেন। দেখলেন আধুনিক প্লাস্টিক সামগ্রীর কারণে ক্রমেই বাজার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। ভাবলেন নতুন সামগ্রী তৈরি করতে হবে। একদিন ঢাকার একটি অভিজাত কারুপণ্যের দোকানে গিয়ে কথা বলেন শাহ আলম। ওই দোকান থেকে তাঁকে বাঁশের তৈরি ট্রে ও বেতের তৈরি টেবিল ম্যাট নকশা দিয়ে সেগুলো তৈরি করে দিতে বলা হয়। নকশা নিয়ে বাড়ি ফিরে কাজে লেগে যান শাহ আলম। পাঁচ দিনের মধ্যে সেই নকশা অনুযায়ী ট্রে ও টেবিল ম্যাট তৈরি করে ঢাকায় যান শাহ আলম। জিনিসগুলো পছন্দ হয় কারুপণ্যের সেই দোকানের মালিকের। তিনি শাহ আলমকে এসব পণ্য নিয়মিত সরবরাহ করতে বলেন। ভালো লাভ পেতে শুরু করলেন শাহ আলম। শাহ আলম আশপাশের দু-চারজনকে বুঝিয়ে নিত্যনতুন পণ্য তৈরি করতে শেখান হাতে-কলমে। এই কারুশিল্পীর নেতৃত্বে আজ বর্ণী গ্রামের বাসিন্দারা বেত ও বাঁশের কাজকে নিয়ে গেছেন শিল্পের পর্যায়ে। এখন বর্ণী গ্রামে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই বাঁশ-বেতের কাজ চলছে। গ্রামের একজন যুবক এ কাজ করে মাসে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা আয় করছেন।



** রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার সাড়াই ইউনিয়নের ভেতর কুটি গ্রাম। উঁচু এলাকা বলে এখানে ধান বা অন্য ফসল ভালো হতো না। অধিকাংশ বাসিন্দার দু’বেলা খাবার জুটত না। অথচ এখন এই গ্রামের সবাই বেশ সচ্ছল।হাজার দেড়েক লোকের এই গ্রামে কোথাও শণ বা খড়ের কুঁড়েঘর নেই।



তৈয়ব আলী এই গ্রামেরই এক বাসিন্দা ১৯৯৪ সালের অক্টোবরে ন্যায্যমূল্য নামের একজনের কাছে শোনে ঠিক করেন, ধনেপাতা চাষ করে অভাব জয় করবেন। ওই বছরের নভেম্বরে ১০ শতক জমিতে তিনি ধনেপাতার চাষ করেন। ৩০ দিনে এ ধনেপাতা বেচে খরচ বাদে চার হাজার টাকা আয়ও হয়। পরের বছর ৪০ শতকে দুই দফায় ৭০ দিনে চাষ করে আয় করেন ৩০ হাজার টাকা। এরপর .........সচ্ছলতা। ধনেপাতার চাষের টাকায় কেনেন তিন একর জমি, বানান পাকা বাড়ি। এবার দেড় একর জমিতে ধনেপাতার চাষ করে এক লাখ টাকা আয় করেছেন।



এছাড়াও মাগুরার শালিখা উপজেলার তালখড়ি গ্রামের প্রদীপ, রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী গ্রামের সুবর্ণা আক্তারদের মত অসংখ্য সফল তরুণ রয়েছেন। যারা সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতার আশায় বসে না থেকে স্বীয় মেধা, একাগ্রতা এবং নিরলস পরিশ্রমের সাহায্যে স্বাবলম্বী অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। আর তারা শুধু যে নিজেদের জীবনেই সচ্ছলতা এনেছেন তাই নয় সেই সাথে পালটে দিয়েছেন তাদের আশেপাশের মানুষগুলোর জীবনধারাও। আজ তারা প্রত্যেকেই এক একজন বেকারত্ব দূরীকরণের মহান কারিগর। বিনম্র শ্রদ্ধা এই মানুষগুলোর প্রতি। আসুন আমরা তাদের দেখানো পথে হাটি। বেকারত্বের অভিশাপ মুক্ত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই। আমাদের মধ্যে একটি সাধারণ ভাবনা কাজ করে আর তা হল কৃষিজ, পোল্ট্রি, মৎস্য চাষের মত কাজগুলি শিক্ষিত লোকের জন্য নয়। অথচ শিক্ষিত লোকেরাই পারেন অভিজ্ঞদের সহযোগিতা নিয়ে এই সেক্টর থেকে সর্বোচ্চ সাফল্য এনে দিতে। বেকারত্ব দূরীকরণে আমাদের এই পশ্চাদমুখি ভাবনা থেকে সরে আশা অত্যন্ত জরুরী। কোন কাজই সাধারণ নয়। মানুষই কাজকে ছোট-বড়র মানদণ্ডে নিরূপণ করে আর কাজ সাধারণ মানুষকেও অসাধারণের পর্যায়ে উন্নীত করে।



[email protected]



তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ, বাংলানিউজ২৪,কম, প্রথম আলো, দি এডিটর, সমকাল, বিজনেসটইমস২৪,কম।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৪

রবিন মিলফোর্ড বলেছেন:

অনেক তথ্যসমৃদ্ধ ভাল পোস্ট ।


++++++++

২| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১১

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে রবিন মিলফোর্ড ভাল থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.