নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন

আমি মানুষের কথা বলি। মানবতার কথা বলি। স্বপ্ন দেখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। নিরাপদ একটি ভূখন্ডের।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহান আল্লাহ অসিম দয়ালু

০৮ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৭


সূরা বাঁকারা আয়াত ৩০ এ মহান আল্লাহ বলেছেন যখন তিনি তাঁর ফেরেশতাদের বললেন, “আমি পৃথিবীতে একজন খলীফা- প্রতিনিধি নিযুক্ত করতে চাই ৷” তখন ফেরেশতারা বলল , “আপনি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে নিযুক্ত করতে চান যে সেখানকার ব্যবস্থাপনাকে বিপর্যস্ত করবে এবং রক্তপাত করবে?

আমরা এর পরের ঘটনা সমূহও মহা পবিত্র কুরআনের মাধ্যমেই জানতে পারি, সূরা বাঁকারা আয়াত ৩৪) এ মহান আল্লাহ বলেছেন, "তারপর যখন ফেরেশতাদের হুকুম দিলাম , আদমের সামনে নত হও, তখন সবাই অবনত হল, কিন্তু ইবলিস অস্বীকার করলো ৷ সে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের অহংকারে মেতে উঠলো এবং নাফরমানদের অন্তর্ভুক্ত হল।

তাঁর মানে মানব সৃষ্টির পূর্বে মহান আল্লাহ পৃথিবীতে অন্য একটি জাতি(জিন) সৃষ্টি করেছিলেন আর তারা পৃথিবীকে বিপর্যস্ত করেছিল এবং রক্তপাত করেছিল। আমরা সাধারণত ধারনা করে থাকি মানব ও জিনের সকল অপকর্মের পেছনে দায়ী ইবলিস তাহলে এর পূর্বে যারা পৃথিবীকে বিপর্যস্ত করেছিল এবং রক্তপাত করেছিল।তারা সে সব কার বা কিসের ইন্ধনে করেছিল?

তবে কি সকল অন্যায় আচরণের জন্য দায়ী সৃষ্টির ইচ্ছাশক্তি! আর ইবলিশ কেবল তাঁতে ঘি ঢালে? অথচ সব দোষ পরে ইবলিশের ঘাড়ে। কিছুদিন পূর্বে এক বুজুর্গ বলছিলেন, আসলে সৃষ্টির জন্যে ইবলিশও মহান আল্লাহর এক রহমত!
জানতে চাইলাম, কিভাবে?
বুজুর্গ বললেন ইবলিশের কারণেই মানুষ ও জিন নানাবিধ অন্যায় করার পরেও বলতে পারে, হে আল্লাহ যা করেছি সব ইবলিসের ধোঁকায় পরে করেছি। তুমি আমাদের মাফ করে দাও। রাহমানির রহিম আল্লাহ তাঁর বান্দার সেই শঠতা পূর্ণ আবদারও হয়ত রক্ষা করবেন আর তাদের মাফ করে দিবেন। আর এ সব তিনি ভালভাবে জানেন বলেই হয়ত ক্ষমা করে দেয়ার একটা উছিলা পূর্বেই বানিয়ে রেখেছেন।
হয়ত তাই হবে, কেননা সূরা আল ইমরানে মহান আল্লাহ তো নিজেই বলেছেন, আল্লাহ শ্রেষ্ঠতম কুশলী৷

৩০) আবার সেই সময়ের কথা একটু স্মরণ কর যখন তোমাদের রব ফেরেশতাদের বলেছিলেন , “আমি পৃথিবীতে একজন খলীফা- প্রতিনিধি নিযুক্ত করতে চাই ৷” তারা বলল , “আপনি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে নিযুক্ত করতে চান যে সেখানকার ব্যবস্থাপনাকে বিপর্যস্ত করবে এবং রক্তপাত করবে? আপনার প্রশংসা ও স্তুতি সহকারে তাসবীহ পাঠ এবং আপনার পবিত্রতা বর্ণনা তো আমরা করেই যাচ্ছি৷ ” আল্লাহ বললেন, “আমি জানি যা তোমরা জানো না ৷ " সুরা বাঁকারা আয়াত ৩০

৩৪) "তারপর যখন ফেরেশতাদের হুকুম দিলাম , আদমের সামনে নত হও, তখন সবাই অবনত হল, কিন্তু ইবলিস অস্বীকার করলো ৷ সে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের অহংকারে মেতে উঠলো এবং নাফরমানদের অন্তর্ভুক্ত হল সুরা বাঁকারা আয়াত ৩৪

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: মহান আল্লাহর কাছে আমি সব সময় শুকরিয়া আদায় করি। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমানোর আগে আমি সব সময় আল্লাহকে স্মরন করি।

আল্লাহ অসীম দয়ালু তাহলে সিরিয়ার মানূষের প্রতি একটি দয়া করছেন না?
আমাদের দেশে কেন ফুটপাতে একটি শিশু ঘুমায়।

২| ০৮ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৭

কানিজ রিনা বলেছেন: শিশুরা ফুটপাতে ঘুমায় মানুষের বিবেক প্রশমিত হওয়ার জন্য। আল্লাহ্ কাউকে
কাউকে ছোট করে রাখেন তার বান্দার
বিবেক জাগ্রত হয় কিনা। আসলে প্রতিটা
সরকারের উচিৎ স্টেশনের ফুটপাতের শিশুদের
প্রতি বিবেক প্রশমিত হওয়া। ওদের এই
অবস্থার জন্য উচিৎ সরকার ওদের কাছে
ক্ষমা চাওয়া ওদের সুন্দর জীবন ব্যাবস্থা
করা। সুন্দর লিখেছেন গালিব মেহেদী খাঁন।
নমরুদ ফেরাউনের আবির্ভাবে পৃথিবী প্রকম্পিত
আল্লাহ্ বলেছেন আমি যাহা জানি তোমরা তা
জানোনা তাই একদিন আবার ধ্বংশ হবে
নমরুদ ফেরাউনের বংশধর। ধন্যবাদ।

৩| ০৮ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৩

বারিধারা ২ বলেছেন: খলিফা ওমর (রা) কেঁদে বলতেন, ফোরাতের তীরে একটি কুকুরও যদি না খেয়ে মারা যায়, তার জন্যেও আল্লাহ ওমরকে ছাড়বেনা। আল্লাহ্‌র ভয় তাদের মধ্যে ছিল, তাই তারা খেজুর পাতায় শুয়ে অর্ধেক পৃথিবী শাসন করতে পেরেছিলেন। আমাদের শাসকগোষ্ঠী যারা চার হাজার কোটি টাকাকে কোন টাকা মনে করেনা - সামান্য ফটোসেশনের জন্য সরকারী খরচে নিউইয়র্ক উড়াল দেয়, তাদের দেশের শিশু ফুটপাতে ঘুমাবে না তো কি রাজপ্রাসাদে থাকবে?

একজনের পাপের ফল আরেকজনকেও ভোগ করতে হতে পারে। সিরিয়ার শিশুদের দুর্দশার জন্য সেদেশের শাসকদের খামখেয়ালিপূর্ণ আচরণ এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের রহস্যজনক নীরবতাকে অবলীলায় দায়ী করা যায়। শিশুদেরকে সৃষ্টি করেই তো আল্লাহ বিরাট করুণা করেছেন। তাদের খাবারের ব্যবস্থাও বুকের দুধে করে দিয়েছেন। বাকী দায়িত্ব পরিবার ও সমাজের - তাতে যদি তারা ব্যর্থ হয়, তার জন্য আল্লাহকে কিভাবে দায়ী করা যায়?

৪| ০৮ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: আল্লাহ আমাদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। আমরা যা ইচ্ছে তাই করে বেড়াচ্ছি। আল্লাহ চাইলে আমাদের ধ্বংস করতে পারেন। কিন্তু তিনি তা করেন।

আল্লাহ মহান।

৫| ০৮ ই মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

ওমেরা বলেছেন: আদরের সন্তান ও যখন অন্যায় করে মা বাবা রাগ হয়ে বকাঝকা করেন।অথচ রহমানুর রহিম আল্লাহ তালার কত নাফরমানি না আমরা করি কিন্ত আল্লাহ রেগে যেয়ে আমাদের ধ্বংস করে দেন না বরং আমাদেরকে শুদ্ধ করার জন্য তওবার ব্যবস্থা রেখেছেন।অবশ্যই আল্লাহ অসীম দয়ালু।

ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর লিখার জন্য ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.