![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জানতে চাই, জানাতে চাই। আমি একজন বিএসসি অনার্স (গণিত) এর ছাত্র। আমি এস এস সি (২০০৬) ও এইসএস সি (২০০৮) তে এ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি । দেশ নিয়ে সবসময় চিন্তা করি। আমি আল্লাহকে আমার রব, সৃষ্টকর্তা বলে মানি, স্বীকার করি।
ধর্ষণ আজ মহামারীতে পরিণত হয়েছে সারা বিশ্বে। এ ধরনের অপরাধ আজকের বা আধুনিক বিশ্বেই সৃষ্টি হয়েছে তা কিন্তু নয়। এ সমস্যা অনেক আগে থেকেই। যুগে যুগে অনেক সাধক, মনী, ঋষিরা মহামানবরা এসব সমস্যা নিয়ে গবেষণা করেছেন পর্বতের গুহায় বসে, বনে গিয়ে। আসুন দেখি ধর্ষণ প্রতিরোধে যুক্তিযুক্ত উপায় খুঁজি। শুধু ঘরে বসে চিৎকার করে কখনোই ধর্ষণ থামানো সম্ভব নয়।
নারী পুরুষ উভয়ের যৌনাকাঙ্খা আছে। পুরুষ নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তার সৌন্দর্য দেখে। সেটা আলাদা কথা। যৌনাকাঙ্খার নিবৃত্তি ঘটনোর উদ্দেশ্যেও পুরুষ নারীর প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে। যতই মুখে গড়গড় করা হোক না কেন? যতই যৌনাকাঙ্খাকে আড়ালে নিতে চেষ্টা করা হোক না কেন তা আড়াল করার নয়।
নারীকে যখন পুরুষরা একাকী পায় তখন তাকে ডাকবেই যৌন মিলনের জন্য। সবাই এ কাজ করে না। কিন্তু সবাই তো সমান না। কেউ বা জোর করে বিনা অনুমতিতেই ধর পাকড় শুরু করে দেয়। এটা আজকের সমস্যা নয়। কিছু বোধহীন নতুন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তি যারা কেবল বুঝতে শিখেছেন তারা এগুলো বুঝে না। আর বুঝে না বলেই মেয়েরা ধর্ষিত হয়।
যদি মেয়েরা শালীনতা বজায় রেখে চলাফেরা করে তবে তাতে ধর্ষণ বন্ধ হবে এটা মোটেই ঠিক না। তবে শালীনতা বজায় রেখে চলা ধর্ষণ বন্ধের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হলে, ধর্ষণ করার সাহস কারো হবে না। এটা যদি করা না যায় তবে ধর্ষণ আদৌ বন্ধ হবে না। তবে কোনো ইচ্ছে করেও ধর্ষিতা সেজে মামলা করতে পারে। যা ঘটছে প্রতিনিয়ত।
ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড তখনই দেওয়া হবে, যখন মেয়ে শালীনতা বজায় রেখে চলার পরও ধর্ষিত হবে। অনেক মেয়ে আছে যারা শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বের করে চলাফেরা করে পুরুষদের আকৃষ্ট করার জন্য।
তবে ইসলাম ধর্মের আইন অনুযায়ী চললে, অর্থাৎ ধর্ষণ প্রতিরোধ করা যাবে অনেকাংশে। রাহাবার ছাড়া মেয়েদের বাইরে যেতে দেওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ।
বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে পর্ণোগ্রাফি দেখেও ধর্ষণে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে অনেকে। এগুলো বন্ধ করতে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করতেই হবে। তা না হলে ধর্ষণ প্রতিনিয়ত বেড়েই চলবে। এই একটি কারণেই ধর্ষণ শুধু বাড়বেই। পর্ণো ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ না করলে ধর্ষণ বন্ধ হবে না, সম্ভব নয়।
সরকার নিরাপত্তা দিতে পারলে কেন মেয়েরা রাহাবার নিয়ে বের হবে? তার কী ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই? এধরনের প্রশ্ন অনেক উপস্থাপকরা করে থাকেন। আমেরিকার মতো দেশ যেখানে নিরাপত্তা দিতে পারে না, সেখানে আমাদের দেশের সরকার কী করতে পারবে। পুলিশ সব স্থানে থাকবে নাকি? এগুলো বিভ্রান্ত করার জন্য কথাবার্তা। এধরনের কথাবার্তার ফলেই ধর্ষণ বন্ধ করতে ইসলাম ধর্মের আইন মানা হচ্ছে না। ধর্ষণও কমছে না।
ইসলাম ধর্মের আইন না মানলে ধর্ষণ কখনোই বন্ধ হবে না। সম্ভব নয়!!! ১০০% গ্যারান্টি।
আর ভাল লাগছে না লিখতে।
©somewhere in net ltd.