| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নিহারিকা
আমার দুনিয়ার সব আজাইরা-বাজাইরা হাউকাউ ইংলিশে জানা যাবে www.zhkaashaa.com সাইটে।
প্রেক্ষিত: নির্বাচনে তরুণ প্রজন্মের ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ।
সংখ্যা:
বর্তমানে দেশের ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৬১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫২। এর মধ্যে পুরুষ ৪ কোটি ৭৭ লাখ ৪৭ হাজার ১০ এবং নারী ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৫১ হাজার ৬৪২ জন। হালনাগাদের আগে দেশের ভোটার সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৫৩১। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে এ তথ্য জানানো হয়। আবার পরিসংখ্যান বলে দেশে তরুণ সংখ্যা বর্তমানে ৫ কোটির কিছু বেশি।
প্রশ্ন: তরুণরা আসলে কাকে ভোট দেয়?
১৯৯১ সাল বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখন আওয়ামী লিগ পাবলিক পরীক্ষার সময় অনেক হরতাল করছে। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত এসএসসি/এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল তারা বেশির ভাগই ঠিক ৫ বছর পরে ২০০১ সালের নির্বাচনের সময় আওয়ামী লিগকে ভোটে সমর্থন করে নাই। ৯১-৯৬ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদল নির্যাতন ছিল বলে সেই শিক্ষার্থীরা ৯৬-তে বিএনপিকে ভোট দেয় নাই, এদের ভোটেই সেবার আওয়ামি লিগ ক্ষমতায় যায়।
আবার ৯৬-২০০১ সময়ে বিএনপি পাবলিক পরীক্ষায় হরতাল দিয়েছে, সেই প্রজন্ম ২০০৮ সালে ভোটাধিকার পায়, যার জন্য আওয়ামি লিগ ভোট পায় বেশি। একই সময়ে (০১-০৬) ছাত্রদল-ছাত্রশিবির নির্যাতন ছিল বিশ্বগুলোতে, যার কারণে ০৮ সালের নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের বিশাল একটা অংশ আওয়ামি লিগকে সমর্থন করে।
একই ভাবে ০৯-১৫ প্রজন্ম পাবলিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিএনপি বিরোধী মনোভাব থাকবে, এই প্রজন্ম ২০২৩ সালের নির্বাচনে ভোটাধিকার পাবে-সেবার কোনভাবে তরুণদের সমর্থন পাবে না আওয়ামি লিগ।
অন্যদিকে ০৯-১৫ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া প্রজন্ম ছাত্রলিগ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ তারা ২০১৮ সালের নির্বাচনে কোনভাবেই আওয়ামি লিগকে ভোট দিবে না।
---
আমার এই লেখার তথ্যগত কোন পরিসংখ্যান না থাকলেও মোটামুটি ৩০+ শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে লিখছি।
----
সিদ্ধান্ত: তরুণরা কে কোন দল করবে তা অনেকটা নির্ভর করে তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সময়ে যে দল কর্তৃক সুবিধা পেয়েছে তার উপরে।
©somewhere in net ltd.