| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তারা নিজেদেরকে কাল্পনিক
“সুপারম্যান” ভেবে থাকে।
অর্থাৎ,যারা কিনা নিজেরাই
নিজেদেরকে মুজতাহিদ(ধর্মীয়
গবেষক) মনে করে থাকে।মুসলিম
জাতি কর্তৃক হাজার বছর
“আহলে হাদীস”
কিংবা “লা মাযহাবী”;অতীতের
চিহ্নিত পথভ্রষ্ট
প্রণীত “সালাফী”নামক ভ্রান্ত
সম্প্রদায়ের বর্তমান সময়কার
আপডেট বলতে আমরা জানি।
ধরে চলে আসা ৪ মাযহাব এর
যে কোন একটির অনুসরণকে তারা এই
যুগে এসে বলছে বিদ’আত(নতুন
উদ্ভাবনী)।অথচ তারা নিজেরাও
জানে না যে, তারা মাযহাব
না মানা সম্পর্কে যা বলছে মূলত ওই
বক্তব্যসমূহ-ই বিদ’আত।
যা কিনা আগে ছিল না।তথাপিও
বিদ’আত শব্দটির আরবী ব্যাকরণগত
একটা শব্দও যারা কিনা বলার
ক্ষমতা রাখে না।সর্বশেষ,কুরআনের
৬৬৬৬ আয়াতের একটি আয়াত ও
হাদীস শরীফ সমূহের যে কোন এক
হাদিসের এক লাইনের বঙ্গানুবাদ ও
তারকীব(বিশ্লেষন) করার ক্ষুদ্রাতি-
ক্ষুদ্র ক্ষমতাটুকুও যাদের
মাঝে বিদ্যমান নেই।তারা হল
আজকে আমাদের ইসলামী সমাজের
কৃত্রিম কীট-পতঙ্গ তুল্য তথাকথিত
আহলে হাদীস বা লা মাযহাবী।
তারা তাদের আমল
করে থাকে নিজেদের মূর্খ গবেষনার
মাধ্যমে।যার উপকরণ
হিসেবে তারা শুধুমাত্র কুরআন ও
হাদীস শরীফের সিহাহ সিত্তাহ
গ্রন্থ অনুসরণ করে থাকে।”সিহাহ
সিত্তাহ”বলতে উসূলে হাদীস
মোতাবেক বুঝায় হাদীসের
ছয়টি বিশুদ্ধ কিতাব।যা হল কিনা;
১) সহীহ বুখারী শরীফ (২) সহীহ
মুসলিম শরীফ (৩) সহীহ
নাসায়ী শরীফ (৪) সহীহ আবু দাউদ
শরীফ ৫) সহীহ তিরমিযী শরীফ (৬)
সহীহ ইবনে মাযাহ শরীফ।তাদের
মাননীয় এই ছয়টি বিশুদ্ধ হাদীসের
কিতাবের সম্মাণিত মুসান্নিফগণ
(প্রণেতাগণ) হলেন ছয়জন।এবং এই
ছয় জন প্রণেতার সকলেই মাযহাবের
অনুসারী ছিলেন।যেই
অনুসরণকে কিনা তারা(আহলে হাদীসরা
) বিদ’আত বলে থাকে।এখন
দেখা যাচ্ছে ওপরের দিকে মারা থুতু
নিজের উপরেই পড়লো।এবার আসুন
জেনে নেয়া যাক তাঁরা(সিহাহ
সিত্তাহ প্রণেতাগণ) কে কোন
মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।
►► বুখারী শরীফঃ ইমাম
বুখারী রহ্মতুল্লাহি আলাইহি (শাফিয়ী
মাযহাবের অনুসারী)
►► মুসলিম শরীফঃ ইমাম মুসলিম
রহ্মতুল্লাহি আলাইহি (শাফিয়ী
মাযহাবের অনুসারী)
►► নাসায়ী শরীফঃ ইমাম
নাসায়ী রহ্মতুল্লাহি আলাইহি (
শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী)
►► আবু দাউদ শরীফঃ ইমাম আবু দাউদ
রহ্মতুল্লাহি আলাইহি (হাম্বলী
মাযহাবের অনুসারী)
►► তিরমিযী শরীফঃ ইমাম
তিরমিযী রহ্মতুল্লাহি আলাইহি (
হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী)
►► ইবনে মাযাহ শরীফঃ ইমাম
ইবনে মাযাহ
রহ্মতুল্লাহি আলাইহি (হাম্বলী
মাযহাবের অনুসারী)
এখন ফলাফল দাঁড়াল হল
তারা যাদেরকে মেনে চলে তাদেরকেই
ঘুড়িয়ে ফিরিয়ে বিদ’আতী বলছে(
নাউযুবিল্লাহ)।তাহলে এরা আসলেই
কি এই মহান ইমামদের সম্মান করল
নাকি অপবাদ ও অপমান করল ?
আসলে তাদের অবস্থাটা ইসলাম
ধর্মে ঠিক তেমন যেমন অবস্থা হয়
কৃষককে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে
দিলে।
আশা করি ব্যপারটি সম্পর্কে আপনারা
বুঝেছেন।তাই আসুন আমরা আমাদের
সমাজকে কলুষতামুক্ত করতে প্রতিরোধ
করি এই সব ধর্ম্বব্যবসায়ীদেরকে।
যারা কিনা বর্তমান সময়ে মানুষের
ঈমান,আক্বিদা ও আমল
নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করা শুরু
করেছে এবং মানুষকে তাদের
শয়তানী খোড়া যুক্তির
দ্বারা বুঝিয়ে পথভ্রষ্ট করছে।আল্লাহ
তায়ালা এদের কালো হাত
থেকে মুসলিম জাতিকে রক্ষা করুক।
(আমিন)
©somewhere in net ltd.