নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপেক্ষা

নীল আকাশে পাখির ঝাক

একিউমেন

ভালো থাকবেন

একিউমেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

অধিকাংশ মুসলমান কোরান হাদিস পড়তে পারেন না

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১৪

দুঃখ জনক সত্য হল সারা দুনিয়ার অধিকাংশ মুসলমান কোরান হাদিস পড়তে পারেন না। আবার অনেকে পড়তে পারলেও অর্থ বুঝেন না। আবার অনেকে একটু আধটুঅর্থ বুঝলেও তা থেকে মাসালা বের করে তার মত চলতে পারেন না। তাই এই বিরাট জনগোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে আল্লাহ তালা বলেন فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ﴿٤٣﴾ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে; সুরা নাহাল =৪৩

কোরান হাদিস পড়ে যারা সেই মত চলতে পারেন না তাদের কাছে কোরান হাদিসের ব্যাখ্যা সহজ ভাবে তুলে ধরার জন্য ওলামায়ে কেরাম অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। জীবন উৎসর্গ করেছেন কোরান হাদিসের গবেষণায়। তাদের মধ্যে যেমন রয়েছেন অসংখ্য মুফাসসিরিনে কেরাম তেমনি রয়েছেন অগণিত ফোকাহায়ে এজাম। তাদের অনেকেই মুজতাহিদ আবার অনেকেই মুজতাহিদ নন। যারা মুজতাহিদ নন তারা সাধারণত মুজতাহিদ গনের ব্যাখ্যা গ্রহণ করে কোরান হাদিস মতে চলেন। মুজতাহিদ গনের মধ্যে আবার কিছু কিছু বিষয়ে স্বাভাবিক ভাবেই মত পার্থক্য থাকতে পারে । এই মত পার্থক্যটা কোরানের আয়াত বা হাদিসের বর্ণনা থেকেই এসেছে। এরকম মত পার্থক্য সাহাবায়ে কেরামের যুগেও ছিল। এমন কি রসুল করীম সঃ এর আমলেও দেখা যায় যে তিনি একই আমল বিভিন্ন পদ্ধতিতে করেছেন। যেমন সহীহ হাদিসে দেখা যায় হুজুর সঃ বিভিন্ন ভাবেই বিতরের নামাজ পড়েছেন। তাই মুজতাহিদ গনের মধ্যে যে মতভেদ দেখা যায় তা তাদের মাথা থেকে নয় বরং কোরান হাদিসের আলোকেই এসেছে।

আমরা যদি চার পাঁচ প্রকারের বিতর নামাজের পদ্ধতির মধ্য থেকে যেকোনোও এক প্রকারে নামাজটা পড়ে নেয় তাহলে আমাদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে। এই চার পাঁচ প্রকারের বিতর নামাজের পদ্ধতিরমধ্যে কোনও এক মুজতাহিদের কাছে নির্দিষ্ট একটি পদ্ধতি যদি পছন্দ হয় বা যুক্তি সঙ্গত মনে হয় বা সেই হাদিসটা তাঁর কাছে বেশি গ্রহণ যোগ্য মনে হয় তিনি সেই অনুযায়ী আমল করবেন আর অন্য মুজতাহিদ অন্য প্রকারের বিতর নামাজ আদায় করবেন । এতে দোষের কিছুই নাই।

কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ কাল হঠাত গজানো একটা দল যারা নিজেদেরকে আহলে হাদিস বলে পরিচয় দেয় তারা ইসলামী দুনিয়ার আকাশের নক্ষত্র সমতুল্য সেইমহা মনীষীদেরকে গাল মন্দ করছে। ইমামগণ কোরান হাদিসের আলকে কথা বললেও সাধারণ মানুষের কাছে এই দলটি বলে বেড়াচ্ছে যে ইমামের কথা মানবেন নাকি কোরানের কথা মানবেন? প্রশ্নটা এমন ভাবে করছে যাতে ইমামদেরকে কোরানের বিপরীতে দাড় করিয়ে দেওয়া যায়। একটা ঘৃণ্য প্রচেষ্টা লক্ষ্য করে আমরা চিন্তিত হয়ে পড়ি । যা সাধারণ মানুষ ধরতে পারে না। তাই তারাসহজেই বিভ্রান্ত হয়। ইমাম-গন যদিও কোরান হাদিসের আলোকে মাসালা বলেছেন কিন্তু আহলে হাদিসের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে কোরানের কথা মানবেন নাকি ইমামের কথা মানবেন? যেন ইমামদের কথা মানা মানেই কোরানের বিপক্ষে অবস্থাননেওয়া। আরো বলছে আপনি ইমামদের কথা মানবেন কেন? সরাসরি কোরান দেখে চলেন।

যেখানে সারা বিশ্বের অধিকাংশ মুসলমান কোরানই পড়তে পারেনা? সেখানেআলেমদের কথা না শুনে কোরান দেখে চলারকোনো উপায় আছে কি? সরাসরি কোরান দেশেচলার সুন্দর শ্লোগান দেখে মনে হবে তাদের উদ্দেশ্য ভাল। কিন্তু লক্ষ করলে দেখবেন যে ব্যাক্তি কোরানই পড়তে পারে না তাকে আলেমদের কথা মত না চলার উপদেশ দেওয়া মানেই ডাল মে কুছ কালা হে। আসলেই সাধারণ মানুষকে দীন থেকে দূরে ঠেলে দেওয়াই এদের উদ্দেশ্য।

আমি যদি ভুল বলে থাকি তাহলে আমাকে দেখান কিভাবে সম্ভব সেই ব্যাক্তির জন্য সরাসরি কোরান মতে চলা যে কোরানইপড়তে পারে না।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.