| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গাইরে মুকাল্লিদগন দাবি করে তারা নাকি মাযহাব মানে না ও তাকলিদ করে
না,কারন এটা শিরক।তাই তারা নাকি সরাসরি কুরআন হাদিস মানে [যা
আসলে এমন অসম্ভব যেমন সুঁইয়ের সূচ ছিদ্রে উটের প্রবেশ]।এর দ্বারা তারা
ইমাম ইবনে তাইমিয়াকে,ইমাম বুখারি,মুসলিম,তিরমিযী,ইবনে
মাযাহ[রাহিমাহুমুল্লাহ]সহ উম্মাতের গত ১৪০০ বছরের কোটি কোটি
মুজতাহিদ,মুফাসসির,মুহাদ্দিস,মুজাদ্দিদ,ওলামা এবং সালফে সালেহিন[নেক্কার
পূর্বসুরী]এর দলিল দিতে গেলে বিশাল আকৃতির রাশি রাশি কিতাব লিখা
যায়।বুঝার জন্য কিছু উদাহরণঃ১।ইমাম বুখারি, মুসলিম,ইবনে মাযাহ,তিরমিযী
ছিলেন শাফেয়ী মাযহাবের অনুসারি।[আত্ব তাবাকাতুশ শাফেঈয়াহঃ১/৪২৫-
৪২৬]ইবনে তাইমিয়া[রাহ,মৃঃ৭২৮হীঃ]তাকে ৪ মাযহাব ছাড়া অন্য কোন মাযহাব
মানা যাবে কিনা এই ব্যপারে প্রশ্ন করলে তিনি উত্তার দেনالاجماٰع اليوم قد انقعد
''علي خلاف هذا القول অর্থঃ''এর বিপরীতে[৪ মাযহাব ছাড়া অন্য কোন
মুজতাহিদের মাযহাব না মানার ব্যাপারে]আজ উম্মাতের ইজমা প্রতিষ্ঠিত
হয়েছে।[ফাতোয়ায়ে ইবনে তাইমিয়্যা২০/৫৮৪]।প্রখ্যাত মুহাদ্দিস হাফেয
যাহাবী[রাহ,মৃঃ৭৪৮হীঃ]বলেন''মাছআলা ,মাছআইল সংক্রান্ত ব্যাপারে ফাতওয়া ও
আদালতের ফয়সালার ক্ষেএে ৪ ইমাম ছাড়া অন্য কারো তাকলিদ ও অনুসরন
নিষিদ্ধ।কেননা এই ৪ মাযহাব পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে ও তা কিতাবাকারে
সংকলিত হয়েছে।[ফাইযুল কাদীর১/২৬৯ও২৮৮]ইত্যাদি।তাহলে বুঝা গেল
উপরের সালাফ ও মণিষীগন আহলে হাদিসের মতে কাফের মুশরেক
ছিল[নাওযুবিল্লাহ]?!!!!!!!যদি তাই হয় তাহলে একজন কাফের মুশরেকের
কিতাব পরে আহলে হাদিস আলেম হয় কেন,আমল করে কেন,হাদিস
নির্ণয়,তাফসির ইত্যাদি মানে কেন?তাহলে কি তারা আল্লাহ ও রাসুলকে ছেড়ে
তাদের ফাতওয়া মতে কিছু কাফের মুশরিকের বই পরে হেদায়া পেতে চায়
©somewhere in net ltd.